📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️
📅 তারিখ: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
⏰ সময়: ০৭:৩৯ PM
#alhikmah24 #live
#alhikmah #live
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক-এ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নিকট সবচেয়ে বড় ওলীউল্লাহ হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বাই‘আত গ্রহণ (৪)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক-এ হযরত শায়েখ আহমদ ফারূক্বী সিরহিন্দী মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সম্মানিত রাজারবাগ দরবার শরীফ এসে সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক-এ বাইআত হওয়ার জন্য বিনীতভাবে আরযী মুবারক পেশ করেন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা ইরশাদ মুবারক করেছেন তা ব্যক্ত করেন|
আর দিকে ¯^য়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে বলেন, ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের পরে সবচেয়ে বড় ওলীআল্লাহ হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে আপনার নিকট পাঠালাম| আপনি উনাকে আপনার মুরীদ হিসেবে ক্ববূল করে নিন| তখন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত নির্দেশ মুবারক মুতাবেক দয়া করে উনার সম্মানিত আরযী মুবারক কবূল করে উনাকে মহাসম্মানিত বাই‘আত মুবারক করিয়ে ¯^ীয় মুরীদ হিসেবে কবূল করে নেন| সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!
এই মহাসম্মানিত ওয়াক্বেয়াহ& মুবারক আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৩৮ হিজরী শরীফ উনার ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ মহাসম্মানিত বিশেষ মাহফিল মুবারক-এ বর্ণনা মুবারক করেন| সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!
তাহলে এই মহাসম্মানিত ওয়াক্বেয়াহ& মুবারক থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার কত বেমেছাল মহাসম্মানিত তা‘য়াল্লুক-নিসবত মুবারক| সুবহানাল্লাহ! যেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী কস্মিনকালেও চিন্তা-কল্পনা করে মিলাতে পারবে না| সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!
মুহতারাম, সৃষ্টির শুরু থেকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত উম্মত যারা ঈমাণ এনেছেন,এবং যারা আনে নি সমস্ত মানুষকে ইফতার করানোর ফজিলত নসিবে জুটিয়ে নেয়ার সুজোগ আপনারই হাতের মুঠোয়।
من فطر فيه صائما فكانـما افطر عنده جميع امة (سيدنا حبيبنا شفيعنا مولانا) محمد صلى الله عليه وسلم
অর্থ: “পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন যে ব্যক্তি কোন রোযাদারকে ইফতার করাবে, সে যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত উম্মতকে ইফতার করালো।” সুবহানাল্লাহ!
জায়নবাদীদের প্রতি অনুরক্ত ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর! ওরফে রবি ঠগ !
ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনের বহু আগে জ্যুইশ স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় আরব – ইয়াহুদী সমস্যা নিয়ে এই সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জায়নবাদীদের প্রতি তার অনুরাগের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছিল।
আমি (সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী) জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি জায়নবাদী কি না?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উত্তর দিলেন, ‘আমি সম্মান করি জায়নবাদী আদর্শকে। যাঁরা এর জন্য কাজ করেন, প্রশংসা করি তাঁদের নিঃস্বার্থ অবস্থানকে। যতটা সম্ভব নিবিড়ভাবে অনুসরণ করেছি আপনাদের আদর্শকে বাস্তবে রূপান্তরের স্থির ও অবিচ্ছিন্ন অগ্রগতি। আপনাদের অগ্রগতি অসাধারণ।
পবিত্র দ্বীন ইসলামে সমস্ত প্রকার খেলাধুলা হারাম,নাজায়িজ,কুফরী। ক্রিকেট,ফুটবল যত প্রকার খেলাধুলা আছে সবগুলোই পবিত্র দ্বীন ইসলামে সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ। মহান আল্লাহ পাক এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একাধিক আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন। এরকম একখানা আয়াত শরীফ:
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী কোনোকিছুুু ক্রীড়াচ্ছলে (খেলাচ্ছলে) সৃষ্টি করিনি
(সূরা দুখান শরীফ: আয়াত শরীফ ৩৮)
এই পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা স্পষ্ট কোনো খেলাধুলা করার জন্য মহান আল্লাহ পাক আমাদেরকে সৃষ্টি করেননি। যারা খেলাধুলা করে সুস্পষ্টভাবে বলা যায় তারা পবিত্র আয়াত শরীফ মানে না অর্থাৎ তারা পবিত্র কুরআন শরীফ অস্বীকার করে,অমান্য করে। আর পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একখানা হরফও যারা অস্বীকার করে তারা কাট্টা কাফির চির জাহান্নামী। আল্লাহ পাক যেখানে বললেন তোমাদেরকে খেলাচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলা করার জন্য আমি সৃষ্টি করিনি সেখানে উনার বান্দা,বান্দীগণ কি করে এসমস্ত খেলাধুলা করতে পারে? কি করে উনার নিষেধ মুবারক অমান্য করতে পারে?
অত্যন্ত আফসুসের বিষয় বড় বড় নামধারী উলামায়ে ছূ বক্তাগুলো স্টেজে উঠে খেলোয়াড়দের প্রশংসা করে এবং এরা নিজেরাও খেলাধুলা করে
"নাউযুবিল্লাহ"
এখন বিষয় হচ্ছে খেলাধুলা যদি হারাম হয় তাহলে এর বিপরীত তো আমাদের কোনো খুশি আল্লাহ পাক রেখেছেন। সেই হাসিখুশি থাকার বিষয়গুলো কি? এরকম প্রশ্ন অনেকের মাঝে আসতে পারে। হ্যা আপনি ঠিকই প্রশ্ন করেছেন। দ্বীন ইসলাম হচ্ছেন পরিপূর্ণ জীবণব্যবস্থা। সেখানে খেলাধুলার বিপরীত তো অবশ্যই কিছু আছে। সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে এখন জেনে নিন।
একাধিক পবিত্র হাদীছ শরীফে খেলাধুলার বিপরীত বিষয়গুলো বর্ণিত আছে। যেমন তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ, ইবনে খুযাইমাহ শরীফ উনাদের মধ্যে বর্ণিত আছে,
ن من الحق كُلُّ شيْءيلَْهُوْ بِه الرَّجُل بَاطل إِلاَّ رَمْيَةٌ بِقَوْسٍ وَتَاْدِيْبُهُ فَرَسَه وَ مُلَاعَبَتُه إٍمْرأتَه فَإ
অর্থঃ মানুষের জন্য প্রত্যেক খেলা-ধুলা বাতিল, তবে তীর নিক্ষেপ,ঘোড়া দৌড় এবং নিজ আহলিয়ার (স্ত্রীর) সাথে আনন্দ ব্যতীত। কেননা এ তিন প্রকার হচ্ছে উপকারী
"সুবহানাল্লাহ"
সমস্ত হারাম মুক্ত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ মাধ্যম এখনি প্রবেশ করুন -sm40.com
তোদের বোনদেরকে কু [কু] র দিয়ে ধ [র্ষ] ণ করায় যারা, এই কাজে সহায়তা করে যারা, এই কাজে আনন্দ পায় যারা তাদের "আয়োজন" তথা বিশ্বকাপ নিয়ে তোর এত মাতামাতি কীভাবে হয়?
কীভাবে তাদেরকে সমর্থন করে বলিস যে ধর্মকে এটা থেকে দূরে রাখতে? কবরে যখন তোকে প্রশ্ন করবে তোর দ্বীন কী? তখন এই জবাবটা দিস পারলে, যে আমার দ্বীন হচ্ছে দৈনন্দিন জীবন থেকে ধর্মকে দূরে রাখা।
ওরা একইরাতে একদিকে গ| জায় বে|ম্বিং করলো, অন্যদিকে তোদেরকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যস্ত রাখলো। তুই তো মানুষ! তোর বিবেকে তবুও নাড়া দেয়নি?
দুনিয়ায় যাদের অন্ধভক্ত, যাকে সাপোর্ট করে সব কাজ ফেলে উন্মাদনায় মত্ত হচ্ছিস, তার সাথে যখন হাশর হবে তখন কি অবাক হবি? নাকি মেনে নিবি যে, এটাই তো হওয়ার ছিলো?
তোদেরকে মানসিকভাবে পঙ্গু করার যত আয়োজন, যত বিনোদন, সবগুলোর স্রোতে ভেসে গিয়ে তো ভুলে গেছিস তোর জন্ম কেন হয়েছে, ভুলে গেছিস তোর উত্তরসূরী কারা, দুনিয়ায় কী কাজ।
তুই মুসলমান হয়ে অন্যকে এসব থেকে দূরে থাকার দাওয়াত দেয়ার কথা, তোকে কেন অন্যরা দাওয়াত দিতে হয়? লজ্জা লাগে না?
কপি
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত স¤ে^াধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
৩১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নখ মুবারক نُوْرُ اللِّبَاسِ مُبَارَكٌ নূরুল লিবাস মুবারক
৩২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঠোঁট মুবারক نُوْرُ الْـحَمْرَاءِ مُبَارَكٌ নূরুল হাম&রা’ মুবারক
৩৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পেট মুবারক نُوْرُ الْوَرَعِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়ারা’ মুবারক
মালিকুল জান্নাহ, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ&, মালিকুল কায়িনাত সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল সীমাহীন সম্মানিত ইলিম মুবারক
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন-
فأتيا باب سيدنا حضرت الإمام الصادق عَلَيْهِ السَّلَامُ والناس ينتظرون خروجه عَلَيْهِ السَّلَامُ وقبل خروج سيدنا حضرت الإمام الصادق عَلَيْهِ السَّلَامُ خرج عليهم من الدار غلام حدث السن فقام الناس اجلالاً وهيبة له فسأله حضرت أبو حنيفة رحمة الله عليه صاحبه عبد الله عن الغلام فقال هذا ابنه سيدنا حضرت موسى عَلَيْهِ السَّلَامُ فأراد حضرت أبو حنيفة رحمة الله عليه أن يمتحنه فتقدم إلى سيدنا حضرت الإمام موسى بن جعفر عَلَيْهِ السَّلَامُ وسأله يا غلام أين يضع الرجل حاجته؟ فرد الإمام عَلَيْهِ السَّلَامُ بما معناه يضعها في مكان بحيث يتوارى فيهِ عن الأنظار ولا يستقبل القبلة ولا يستدبرها ثم شرح له الإمام عَلَيْهِ السَّلَامُ واجبات ومستحبات ومكروهات التخلي فبهت حضرت أبو حنيفة رحمة الله عليه لأن حضرت أبا حنيفة رحمة الله عليه يعتقد أن سيدنا حضرت الإمام موسى عَلَيْهِ السَّلَامُ سيجيبه عن معنى وضع الرجل حاجياته أي أغراضه وثيابه وكان قصد حضرت أبي حنيفة رحمة الله عليه الخلاء فكيف عرف الإمام عَلَيْهِ السَّلَامُ بقصد حضرت أبي حنيفة رحمة الله عليه
অর্থ: ‘অতঃপর হযরত ইমামে আ’যম ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অর্থাৎ উনারা উভয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত দরবার শরীফ আসলেন| উনারা দেখতে পেলেন যে, লোকজন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত তাশরীফ মুবারক রাখার অপেক্ষায় আছেন| দেখা গেলো যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত ও পবিত্র হুজরা শরীফ থেকে সম্মানিত তাশরীফ মুবারক রাখার পূর্বে সম্মানিত দুনিয়াবী দৃষ্টিতে অল্প বয়স মুবারক উনার অধিকারী একজন সম্মানিত শিশু আলাইহিস সালাম তিনি সেখানে সম্মানিত তাশরীফ মুবারক রাখলেন| সুবহানাল্লাহ! উনার সম্মান ও প্রতাপের কারণে লোকজন সকলে দাঁড়িয়ে গেলো| সুবহানাল্লাহ! তখন ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার সঙ্গী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে এই মহাসম্মানিত বালক উনার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন যে, উনি কে? তিনি বললেন যে, উনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম| সুবহানাল্লাহ! (তখন দুনিয়াবী দৃষ্টিতে উনার সম্মানিত বয়স মুবারক ছিলেন ৫-৬ বছর| সুবহানাল্লাহ! হযরত ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুরীদ| তিনি উনার মহাসম্মানিত শায়েখ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত অসীম ইলিম মুবারক সম্পর্কে জানতেন| সুবহানাল্লাহ! তাই তিনি উনার মহাসম্মানিত আওলাদ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত ইলিম মুবারক উনার বিষয়টা কিরূপ সেটা জানার জন্য) ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পরীক্ষা করতে চাইলেন| অতঃপর ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট অগ্রসর হলেন এবং সুওয়াল করলেন, হে মহাসম্মানিত বালক আলাইহিস সালাম! মানুষ তার হাজত কোথায় রাখে? সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শাব্দিক অর্থ পরিত্যাগ করে, (হাক্বীক্বী বিষয়টা বর্ণনা করলেন যে,) মানুষ এমন জায়গায় তার হাজত রাখে অর্থাৎ ইস্তেঞ্জা করে যেখানে অন্যদের দৃষ্টি থেকে নিজেকে আত্মগোপন করতে পারে অর্থাৎ নির্জন স্থানে| সম্মানিত ক্বিবলা মুবারক সামনেও থাকবে না আবার পিছনেও থাকবে না| তারপর তিনি ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে ইস্তেঞ্জা সংশ্লিষ্ট যত ওয়াজিব, মুস্তাহাব এবং মাকরূহ মাসয়ালা-মাসায়েল রয়েছে সে সমস্ত মাসয়ালা-মাসায়েলগুলো ব্যাখ্যা করে বলে দিলেন| সুবহানাল্লাহ! (যদিও দুনিয়াবী দৃষ্টিতে তখন উনার সম্মানিত বয়স মুবারক ৫-৬ বছর| সুবহানাল্লাহ!) তখন ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হতবম্ভ হয়ে গেলেন| কেননা ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ধারণা ছিলো যে, (উনার যেহেতু দুনিয়াবী দৃষ্টিতে বয়স মুবারক অল্প, তাই তিনি হয়তো) উনার সুওয়ালের শাব্দিক অর্থ বলবেন যে, মানুষ তার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র অর্থাৎ মানুষ তার প্রয়োজনী বস্তু এবং পোশাক-পরিচ্ছদ কোথায় রাখেন সে বিষয়টি বলবেন| অথচ ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উদ্দেশ্য ছিলো ‘ইস্তেঞ্জা’| তাহলে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মনের ইচ্ছা সম্পর্কে কিভাবে জানলেন ?’
আবার তিনি ইস্তেঞ্জা সংশ্লিষ্ট সমস্ত মাসয়ালা-মাসায়িলসমূহ সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে বর্ণনা করে দিলেন! সুবহানাল্লাহ! তখন ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ যে সম্মানিত মাসয়ালা মুবারক জানতে এসেছিলেন, সেই সম্মানিত মাসয়ালা মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে জানতে চাইলেন| তখন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই সম্মানিত মাসয়ালা মুবারক উনার জাওয়াব মুবারক এত উত্তমভাবে দিলেন যে, ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এটা যথেষ্ট মনে করলেন এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আর এই সম্মানিত মাসয়ালা মুবারক জানতে চাইলেন না| সুবহানাল্লাহ! তাহলে এখান থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কত বেমেছাল সীমাহীন সম্মানিত ইলিম মুবারক উনার অধিকারী ছিলেন| সুবহানাল্লাহ!
মূলত, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানার্থেই সমস্ত কায়িনাত সমস্ত প্রকার সম্মানিত ইলিম মুবারকসহ সমস্ত নিয়ামত মুবারক হাছিল করেছেন, হাছিল করছেন এবং অনন্তকাল যাবৎ হাছিল করতেই থাকবেন| সেই বিষয়টিই এখান থেকে স্পষ্ট হয়ে গেছে| উনারা কারো কাছ থেকে সম্মানিত ইলিম মুবারক শিক্ষা গ্রহণ করেন না| উনারা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বংশানুক্রমে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে সম্মানিত অসীম ইলিম মুবারক হাছিল করে থাকেন| সুবহানাল্লাহ! উনাদের হাক্বীক্বী গোলামী করার মাধ্যমেই ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত-রিসালত মুবারক উনার তাক থেকে সম্মানিত ইলিম মুবারক হাছিল করেছেন| সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত অসীম ইলিম মুবারক উনার ধারক-বাহক, মালিক| সুবহানাল্লাহ!