কণ্ঠে সুরের মাধুর্য, কথায় শানের প্রকাশ
শুনলেই যেন আবার শুনতে ইচ্ছে জাগে

হৃদয়ছোঁয়া এক নাতে রাসূল ﷺ
বালাগাল উলা বি-কামালিহি (লাইভ ভার্সন)

পাঠক: এ বি এম রুহুল হাসান
Abm Ruhul Hassan
ভিডিও: নাহিদুল ইসলাম আকরাম

5 hrs

📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️

📅 তারিখ: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
⏰ সময়: ০৬:১৭ PM

#alhikmah24 #live
#alhikmah #live

আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন ,পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ করেন, ﺃَﻻ ﺇِﻥَّ ﺃَﻭْﻟِﻴَﺎﺀ ﺍﻟﻠّﻪِ ﻻَ ﺧَﻮْﻑٌ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ ﻭَﻻَ ﻫُﻢْ ﻳَﺤْﺰَﻧُﻮﻥَ
“সাবধান! নিশ্চয়ই যারা আল্লাহপাকের ওলী তাদের কোন ভয় নেই এবং চিন্তা-পেরেশানীও নেই।” [সূরা ইউনূছঃ ৬২]
হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ
من عاد لي وليا فقد اذنته بالحرب-
যে আমার ওলির সাথে শত্রুতা করে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষনা দেই। ( মেশকাত, বুখারী)
অলি আউলিয়ার বিরোধীতা প্রসঙ্গে হাদিস শরীফে আরো ইরশাদ হয়েছে
ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﻗَﺎﻝَ ، ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ
ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻗَﺎﻝَ ﻣَﻦْ ﻋَﺎﺩَﻯ ﻟِﻲ ﻭَﻟِﻴًّﺎ ﻓَﻘَﺪْ ﺁﺫَﻧْﺘُﻪُ
ﺑِﺎﻟْﺤَﺮْﺏِ ﻭَﻣَﺎ ﺗَﻘَﺮَّﺏَ ﺇِﻟَﻲَّ ﻋَﺒْﺪِﻱ ﺑِﺸَﻲْﺀٍ ﺃَﺣَﺐَّ ﺇِﻟَﻲَّ ﻣِﻤَّﺎ
ﺍﻓْﺘَﺮَﺿْﺖُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﻣَﺎ ﻳَﺰَﺍﻝُ ﻋَﺒْﺪِﻱ ﻳَﺘَﻘَﺮَّﺏُ ﺇِﻟَﻲَّ ﺑِﺎﻟﻨَّﻮَﺍﻓِﻞِ
ﺣَﺘَّﻰ ﺃُﺣِﺒَّﻪُ ﻓَﺈِﺫَﺍ ﺃَﺣْﺒَﺒْﺘُﻪُ ﻛُﻨْﺖُ ﺳَﻤْﻌَﻪُ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻳَﺴْﻤَﻊُ ﺑِﻪِ
ﻭَﺑَﺼَﺮَﻩُ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻳُﺒْﺼِﺮُ ﺑِﻪِ ﻭَﻳَﺪَﻩُ ﺍﻟَّﺘِﻲ ﻳَﺒْﻄِﺶُ ﺑِﻬَﺎ ﻭَﺭِﺟْﻠَﻪُ
ﺍﻟَّﺘِﻲ ﻳَﻤْﺸِﻲ ﺑِﻬَﺎ ﻭَﺇِﻥْ ﺳَﺄَﻟَﻨِﻲ ﻟَﺄُﻋْﻄِﻴَﻨَّﻪُ ﻭَﻟَﺌِﻦْ
ﺍﺳْﺘَﻌَﺎﺫَﻧِﻲ ﻟَﺄُﻋِﻴﺬَﻧَّﻪُ ﻭَﻣَﺎ ﺗَﺮَﺩَّﺩْﺕُ ﻋَﻦْ ﺷَﻲْﺀٍ ﺃَﻧَﺎ ﻓَﺎﻋِﻠُﻪُ
ﺗَﺮَﺩُّﺩِﻱ ﻋَﻦْ ﻧَﻔْﺲِ ﺍﻟْﻤُﺆْﻣِﻦِ ﻳَﻜْﺮَﻩُ ﺍﻟْﻤَﻮْﺕَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﺃَﻛْﺮَﻩُ
ﻣَﺴَﺎﺀَﺗَﻪُ
অর্থ : হজরত আবু হুরাইরা রাদ্বি আল্লাহু তাআলা আনহু হতে বর্ণিত , রাসুল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন , আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন ঘোষণা করেন , যে বাক্তি আমার অলির সাথে শত্রুতা করে , আমি তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করছি | আমার বান্দার প্রতি যা ফরজ করেছি তা দ্বারাই সে আমার অধিক নৈকট্য লাভ করে | আমার বান্দা নফল কাজের মাধ্যমেও আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকে | অবশেষে আমি তাকে ভালোবেসে ফেলি | যখন আমি তাকে ভালোবেসে ফেলি , তখন আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শুনে , আমি তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে , আমি তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে , আমি তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলাফেরা করে | সে আমার কাছে কিছু চাইলে, আমি তাকে তা দেই | সে যদি আমার নিকট আশ্রয় কামনা করে, তাহলে আমি তাকে আশ্রয় দেই | আমি যা করার ইচ্ছা করি, সে ব্যাপারে কোন দ্বিধা- দ্বন্দ্বে ভুগি না কেবল মুমিনের আত্মার ব্যাপার ছাড়া | সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে আর আমি তার মন্দকে অপছন্দ করি। [বুখারী: ৬৫০২]

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ এবং অবশ্য পালনীয় আমল মুবারক হলো, কামিল মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট আত্মসমর্পণ করা অর্থাৎ বাইয়াত মুবারক গ্রহণ করা।

বাইয়াত মুবারক-এর মাধ্যমেই মানুষ মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম তথা দ্বীনে মুহম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এ প্রবেশ করে। অর্থাৎ বাইয়াত মুবারকই হলো দ্বীন ইসলামে প্রবেশের মূল প্রবেশদ্বার।

পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফসহ সমস্ত ধর্মীয় কিতাবে বাইয়াত মুবারক প্রসঙ্গে অসংখ্য সুস্পষ্ট বিধান মুবারক থাকা সত্ত্বেও, এক শ্রেণীর অজ্ঞ ব্যক্তি না বুঝে বাইয়াত মুবারক-এর বিরোধিতা করে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদেরকে সঠিক সমঝ দান করুন। আমীন!

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বহুবার বাইয়াত মুবারক গ্রহণ করে দ্বীন পালনের আদেশ মুবারক করা হয়েছে। সেখান থেকে সত্যানুসন্ধানীদের জন্য কয়েকটি পবিত্র আয়াত শরীফ পেশ করা হলো:

পবিত্র কুরআন শরীফ থেকে বাইয়াত প্রসঙ্গে ১৬টি পবিত্র আয়াত শরীফ:

১. আমাদেরকে নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দাগণের পথে পরিচালিত করুন। (পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ: ৬-৭)

২. নিশ্চয়ই যারা আপনার মহাসম্মানিত হাত মুবারক-এ বাইয়াত গ্রহণ করে, তারা তো মহান আল্লাহ পাক উনারই হাত মুবারক-এ বাইয়াত গ্রহণ করে। মহান আল্লাহ পাক উনার হাত মুবারক উনাদের হাতের উপর। (পবিত্র সূরা ফাত্হ শরীফ: ১০)

৩. মহান আল্লাহ পাক তিনি মুমিনগণের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন, যখন উনারা গাছের নিচে আপনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করছিলেন। (পবিত্র সূরা ফাত্হ শরীফ: ১৮)

৪. হে মুমিনগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার অনুসরণ করো, মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ করো এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল আমর (মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিমুস সালাম) উনাদের অনুসরণ করো। (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৫৯)

৫. যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্য করবে, সে উনাদের সঙ্গী হবে যাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক নিয়ামত দান করেছেন। উনারা হলেন নবী, ছিদ্দীক্ব, শহীদ ও নেককার ব্যক্তিগণ। আর উনাদের সান্নিধ্যই উত্তম সান্নিধ্য। (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৬৯)

৬. স্মরণ করুন সেই দিনের কথা, যেদিন আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তাদের ইমামসহ আহ্বান করবো। (পবিত্র সূরা বনী ইসরাঈল শরীফ: ৭১)

৭. অনুসরণ করো উনাদের, যারা তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় কামনা করেন না, অথচ উনারা সুপথপ্রাপ্ত। (পবিত্র সূরা ইয়াসীন শরীফ: ২১)

৮. যে বিশুদ্ধচিত্তে আমার দিকে অভিমুখী হয়, তুমি উনার অনুসরণ করো। (পবিত্র সূরা লুক্বমান শরীফ: ১৫)

৯. তোমরা যদি না জানো, তবে যারা জানেন উনাদের নিকট থেকে জেনে নাও। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: ৭)

১০. হে মুমিনগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং ছাদিক্বীনগণ উনাদের সঙ্গী হও। (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ: ১১৯)

১১. নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুবারক আউলিয়া-ই কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের নিকটবর্তী। (পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ: ৫৬)

১২. মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে সৎপথে পরিচালিত করেন, তিনিই সৎপথপ্রাপ্ত। আর তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, সে কখনো সাহায্যকারী ওলী বা মুর্শিদ পাবে না। (পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ: ১৭)

১৩. সাবধান! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদের কোনো ভয় নেই এবং উনারা চিন্তিতও হবেন না। (পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ: ৬২)

১৪. হে মুমিনগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং উনার নৈকট্য মুবারক লাভের জন্য উসীলা অন্বেষণ করো। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: ৩৫)

১৫. যে ব্যক্তি দয়াময় মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট থেকে প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যতীত কেউ সুপারিশের অধিকার পাবে না। (পবিত্র সূরা মারইয়াম শরীফ: ৮৭)

১৬. হে মহাসম্মানিত নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার নিকট যদি মহিলাগণ এই শর্তে বাইয়াত হতে আসেন যে, উনারা শিরক করবেন না, চুরি, যিনা, সন্তান হত্যা করবেন না, অপবাদ রচনা করবেন না, ন্যায়্য বিষয়ে আপনার অবাধ্যতা করবেন না, তাহলে আপনি উনাদের বাইয়াত কবুল করুন। (পবিত্র সূরা মুমতাহিনা শরীফ: ১২)

এত সুস্পষ্ট আদেশ মুবারক থাকার পরও যারা বাইয়াত মুবারক-এর বিরোধিতা করে, উনাদের উচিত বিষয়টি গভীরভাবে চিন্তা করে সঠিক পথে ফিরে আসা। মহান আল্লাহ পাক তিনি সবাইকে হক্ব বুঝার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাসআলা: একজন হক্কানী শায়খ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট বাইয়াত মুবারক গ্রহণ করা ফরয

১. মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত মুবারক মুহসিনীন তথা আল্লাহওয়ালা উনাদের নিকটবর্তী।” (পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ: আয়াত শরীফ ৫৬)

২. কামিল মুর্শিদ ক্বিবলা উনার গুরুত্ব সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে হিদায়েত দান করেন, তিনিই হিদায়েতপ্রাপ্ত হন। আর যিনি গোমরাহীর মধ্যে থাকেন, তিনি কোনো ওলীয়ে মুর্শিদ (কামিল শায়খ ক্বিবলা) উনার ছোহবত মুবারক লাভ করতে পারেন না।” (পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ: ১৭)

৩. মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা সবাই আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: ৭৯)

৪. মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং ছাদিক্বীন তথা সত্যবাদী ওলী-আল্লাহ উনাদের ছোহবত মুবারক-এ থাকো।” (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ: ১১৯)

৫. মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইত্বা‘য়াত করো এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল আমর (আদেশদাতা ওলী-আল্লাহগণ) উনাদের অনুসরণ করো।” (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: ৫৯)

৬. মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং উনার নৈকট্য মুবারক লাভের জন্য উসীলা অন্বেষণ করো।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: ৩৫)

৭. পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আপনি নিজেকে উনাদের ছোহবত মুবারক-এ আবদ্ধ রাখুন, যাঁরা সকাল-সন্ধ্যায় উনাদের রব উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের জন্য উনাকে ডাকেন।” (পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ: ২৮) অর্থাৎ যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক-এর জন্য ক্বলবী যিকির করেন, উনাদের অনুসরণ ও ছোহবত মুবারক এখতিয়ার করার নির্দেশ মুবারক দেয়া হয়েছে।

৮. পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাবধান! আদম সন্তানের শরীরে এক টুকরা গোশত মুবারক আছে, যদি সেটা শুদ্ধ হয়ে যায় তবে সমস্ত শরীর শুদ্ধ হয়ে যায়। আর যদি সেটা অশুদ্ধ হয় তাহলে সমস্ত শরীর বরবাদ হয়ে যায়। সাবধান! সেটা হচ্ছে ক্বলব।” (পবিত্র বুখারী শরীফ)

৯. মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যার ক্বলবে আমার যিকির জারী নেই, সে নফসের অনুসরণ করে এবং তার আমলগুলো শরীয়তের খিলাফ হয়।”

১০. মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাবধান! মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির মুবারক দ্বারাই ক্বলব ইতমিনান লাভ করে।” এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “শয়তান আদম সন্তানের ক্বলবের উপর বসে থাকে। যখন সে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে তখন শয়তান পালিয়ে যায়, আর যখন যিকির থেকে গাফিল হয় তখন শয়তান ওয়াসওয়াসা দেয়।”

১১. সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য প্রয়োজন পরিমাণ ইলম অর্জন করা ফরয।” (বায়হাক্বী শরীফ, মিশকাত শরীফ)

১২. পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইলম দুই প্রকার: (১) ক্বলবী ইলম অর্থাৎ ইলমে তাছাউফ, আর এটাই মূলত উপকারী ইলম। (২) যবানী ইলম অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ, যা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে বান্দার জন্য দলীল।”

সকলেই একমত যে, ইলমে তাছাউফ অর্জনের মাধ্যমে অন্তর পরিশুদ্ধ করে হুযূরী ক্বলব হাছিল করা তথা অন্তত বিলায়েতে ‘আম হাছিল করা ফরয। আর এই ফরয ততক্ষণ পর্যন্ত আদায় করা সম্ভব হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত একজন কামিল মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট বাইয়াত মুবারক গ্রহণ করা না হবে। সুতরাং বাইয়াত মুবারক গ্রহণ করাও ফরয।

১৩. এ প্রসঙ্গে বিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ ‘তাফসীরে মাযহারী’তে উল্লেখ রয়েছে, “যে কাজ বা আমল ব্যতীত ফরযসমূহ আদায় করা সম্ভব হয় না, উক্ত ফরয আদায়ের জন্য সেই কাজ বা আমল করাও ফরয।”

১৪. হানাফী মাযহাবের মশহূর ফিক্বাহর কিতাব ‘দুররুল মুখতার’-এ উল্লেখ রয়েছে, “যে আমল ব্যতীত কোনো ফরয পূর্ণ হয় না, উক্ত ফরয পূর্ণ করার জন্য সেই আমল করাটাও ফরয।”

উক্ত উছূলের ভিত্তিতে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, ফরয পরিমাণ ইলমে তাছাউফ অর্জন করা যেহেতু ফরয, আর তা যেহেতু কামিল মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট বাইয়াত মুবারক হওয়া ব্যতীত অর্জন করা সম্ভব নয়, সেহেতু একজন কামিল মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম অর্থাৎ যিনি সর্বদা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির মুবারক-এ মশগুল, উনার নিকট বাইয়াত মুবারক গ্রহণ করাও ফরয।

১৫. সুলত্বানুল ‘আরিফীন হযরত বায়েজীদ বোস্তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি, সাইয়্যিদুত্ব ত্বয়িফা হযরত জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি, হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত ইমাম গায্যালী রহমতুল্লাহি আলাইহিসহ আরো অনেকেই ইরশাদ করেছেন, “যার কোনো পীর বা মুর্শিদ ক্বিবলা নেই, তার মুর্শিদ বা পথপ্রদর্শক হলো শয়তান।”

১৬. পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা কার নিকট থেকে দ্বীন শিক্ষা করছো, উনাকে দেখে নাও।” (পবিত্র মুসলিম শরীফ) সুতরাং পবিত্র ইসলাম কখনো ওলী-আল্লাহ উনাদের নিকট যেতে নিষেধ করেন না, বরং উনাদের নিকট যাওয়ার জন্যই নির্দেশ মুবারক করা হয়েছে।

১৭. মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যদি তোমরা না জানো, তবে আহলে যিকির তথা আল্লাহওয়ালা উনাদেরকে জিজ্ঞেস করে জেনে নাও।” (পবিত্র সূরা নাহল শরীফ: ৪৩, পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: ৭)

সতর্কতা: বর্তমানে অনেকে পীর-দরবেশ নাম দিয়ে দরবার, খানকা খুলে ব্যবসায় লিপ্ত রয়েছে। আবার অনেক দরবারে পূর্বপুরুষগণ হক্কানী ওলী-আল্লাহ ছিলেন, কিন্তু বর্তমানে উনারা তা ধরে রাখতে পারেননি এবং নানা শরীয়তবিরোধী কাজে মশগুল হয়ে গেছেন। উনাদের থেকে সাবধান থাকা জরুরি।

বাইয়াত মুবারক গ্রহণের পূর্বে তিনি হক্কানী কিনা তা যাচাই করা ফরয। যিনি পীর বা ওলী দাবি করেন, তিনি কোনো হারাম কাজ যেমন বেগানা মহিলাদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ, ছবি তোলা, ভিডিও করা, টিভিতে প্রোগ্রাম করা, ভোট-নির্বাচন তথা গণতন্ত্র সমর্থন করা ইত্যাদি শরীয়তবহির্ভূত কোনো কাজ করেন কিনা এবং পরিপূর্ণ সুন্নতী আমল মুবারক পালন করেন কিনা, তা অবশ্যই দেখতে হবে।

খলীফাতুল্লাহ খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত সূলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- মুসলমান দাবীদার যারা মুশরিকদের পূজামন্ডপ ও মূর্তি পাহারা দিয়েছে, পরিদর্শন করেছে, গীতা বা মন্ত্র পাঠ করেছে, সেখানে তথাকথিত ইসলামী গজল পরিবেশন করেছে, প্রসাদ খেয়েছে ও পূজায় আর্থিক সাহায্য-সহায়তা করেছে- তারা সবাই কুফরী করার কারণে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে মুরতাদ হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ!

খলীফাতুল্লাহ খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত সূলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- মুসলমান দাবীদার যারা মুশরিকদের পূজামন্ডপ ও মূর্তি পাহারা দিয়েছে, পরিদর্শন করেছে, গীতা বা মন্ত্র পাঠ করেছে, সেখানে তথাকথিত ইসলামী গজল পরিবেশন করেছে, প্রসাদ খেয়েছে ও পূজায় আর্থিক সাহায্য-সহায়তা করেছে- তারা সবাই কুফরী করার কারণে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে মুরতাদ হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ!

১,নাজমুল 01968089879(1349) ১০০০০
২,ডা: ইকবাল হোসেন চৌধুরী(4152) 4000
৩,মুহম্মদ জসিম উদ্দীন,01680083584(2429)
৪,মুহম্মদ আফজাল,01716760663(31651)
৫,মুহম্মদ জুলফিকার,01726713292(7528)01922529633
৬,মুহম্মদ সালাহউদ্দিন সুমন,01712836714(3416) 3500
৭,মুহম্মদ রমজান আলী,01720808560(8241)
৮,মুহম্মদ মানছুরুল হায়দার,01851275101(677) 3000
৯,মুহম্মদ আতিক(30842)
১০,মুহম্মদ জুলফেয়ারা হায়দার(7755) 1500
১১,মুহম্মদ নুরুল আমীন(36433)
১২,মামুন(12899)
১৩,গোলাম রহমান,01916690604(40297)
১৪,খন্দকার মুহম্মদ জাকির হুসাইন,01712004312(1185)
১৫,হাফিজ মুহম্মদ আনোয়ার হুসাইন(4226)(01917203129)
১৬,মুহম্মদ মুহিউদ্দীন,01816221362(37575)
১৭,খতিব মুহম্মদ এহছানুল হক্ব নাঈমী ,01816372531(14767)
১৮,মুহম্মদ আমানুল্লাহ,01712648459,(1872)
১৯,মুহম্মদ মনসুর হাল্লাজ,01311804882(652)
২০,মুসাম্মত রাশেদা আক্তার রোকসানা,(3827)
২১,মুহম্মদ জাভেদ উল্লাহ,(11249)
২২,মুহম্মদ রেজওয়ান উল্লাহ(402401817702326
২৩,মুহম্মদ আশলাফুল ইসলাম,01713822509(15364)
২৪,মুহম্মদ জাহাঙ্গীর আলম,01845922364(5726)
২৫,মুহম্মদ জয়নাল আবেদীন,01827088910(612
২৬,মুহম্মদ জাকির চেয়ারম্যান,01815557778(31997)
২৭,মুহম্মদ জসিম আহমাদ,01712015976,(4033)
২৮,মুহম্মদ ফারুক,01711386237,(12807)
২৯,মুহম্মদ মক্বছুদুল হক্ব,01814417506,(3278
30,মুহম্মদ মাসহাদুল হাসান,01915029990(2062)
৩১,মুহম্মদ মেহেদী হাসান,01778644809(32527)
৩২,ফয়সাল,01615282970(10009)
৩৩,হাফেজ মুহম্মদ আনোয়ার পার ভেজ,01852104245(6502)
৩৪,মুহম্মদ আকবর হুসাইন নাঈম,01721041320(14
৩৫,মুহম্মদ আনিসুর রহমান বকুল,01753450360(3022) 1000
৩৬,ডা: মুহম্মদ মুহসীন রেজা,01990690626(36685) 1500
৩৭,মুহম্মদ কাওসার,01610122122,01671179744(2558)
৩৮,মুহম্মদ নাজিম উদ্দীন,01675438185(8178) 3100
৩৯,মুহম্মদ মোশাররফ হুসাইন,01811409784,(3621)
৪০,শাহাদাত হুসাইন মিনার,01832163550,5618 10000
৪১,ডা: হাসান ২১০০ (6579)

ঈদে বিলাদতে।
শাহ নাওয়াদা আলাইহিস সালাম।
উনার আক্বীকা শরীফ উনার সম্মানার্থে।
বিশেষ তাবারকের আয়োজন।

image

ঈদে বিলাদতে।
শাহ নাওয়াদা আলাইহিস সালাম।
উনার আক্বীকা শরীফ উনার সম্মানার্থে।
বিশেষ তাবারকের আয়োজন।

image