Rick Astley QR Code Patch Custom Rickroll Patches for Jackets, Hats & Bags Rush Patch

Bring a legendary internet meme into the real world with a Rick Astley QR Code Patch from Rush Patch. Combining the fun of custom patches with the nostalgia of Never Gonna Give You Up, this creative design idea is perfect for meme lovers, music fans, gamers, and anyone who enjoys a clever surprise. Imagine a friend noticing a mysterious QR code on your backpack or jacket. They pull out their phone, scan the code, and discover the unmistakable Rick Astley classic. Suddenly, an ordinary accessory becomes an unforgettable moment of internet humor. Whether you want a subtle reference for fellow meme fans or a bold design that gets people talking, a QR-code-themed patch gives you a fun way to express your personality. At Rush Patch, explore custom patch ideas that turn everyday accessories into something more personal. A custom Rick Astley QR Code Patch can combine a scannable code, playful lettering, retro music-inspired graphics, and your preferred colors to create a design that stands out.

Visit our website. https://rushpatch.com/blogs/ne....ws/rick-astley-qr-co

image

হুজ্জাতুল ইসলাম, হযরত মাওলানা জালালুদ্দীন রূমী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেছেন-

هركه خواهد همنشيند باخدا كونشيند درحضور اولياء

অর্থ: “যে ব্যক্তি আল্লাহ পাক উনার ছোহবত মুবারক লাভ করতে চায় সে যেন ওলীআল্লাহগণের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে।”

সুতরাং আউলিয়ায়ে কিরামগণের মজলিসের ফাযায়িল-ফযীলত কত বেশী তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

image

📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️

📅 তারিখ: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
⏰ সময়: ০৬:৩৬ PM

#alhikmah24 #live
#alhikmah #live

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুদরতময় এক বিশেষ নূরানী মাহফিল মুবারক উনার মধ্যে সর্বোচ্চ পন্থায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিলাফত মুবারক প্রদান এবং পরিশেষে মহান আল্লাহ পাক কর্তৃক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুদরতী কোল মুবারক-এ করে সারা পৃথিবী, সারা কায়িনাত ঘুরিয়ে দেখানো

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এক বিশেষ নূরানী মাহফিল মুবারক উনার মধ্যে সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম, সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম, সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম এবং সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মুখে স্বয়ং যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার মুবারক নির্দেশে সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল হুদা মুবারক-এ (মাথা মুবারক-এ) সাদা, কালো, সবুজ এই তিন ধরনের তিনখানা পাগড়ী মুবারক পরিয়ে, একখানা আছা মুবারক হাদিয়া মুবারক করে সর্বোচ্চ পন্থায় যাহিরী এবং বাতিনী উভয় প্রকার খিলাফত মুবারক প্রদান করেন। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উপস্থিত সকলের সামনে উনার সর্বশ্রেষ্ঠ মহাসম্মানিত আওলাদ, উনার সর্বশ্রেষ্ঠ খলীফা, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে লক্ষ্য করে বললেন, “হে আমার যোগ্যতম মহাসম্মানিত আওলাদ! আপনাকে যেরূপ সর্বোচ্চ পন্থায় খিলাফত মুাবরক প্রদান করা হলো, এরূপ সর্বোচ্চ পন্থায় আর কাউকে খিলাফত মুবারক দেয়া হয়নি।” সুবহানাল্লাহ! শুধু তাই নয়; উক্ত বিশেষ মজলিসে তিনি উপস্থিত সবার সম্মুখে পুনরায় এক মুবারক ই’লান দিলেন যে, “যামানার শেষের দিকে পৃথিবীর বুকে আইয়্যামে জাহিলিয়াতের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে, ফিতনা-ফাসাদ চরমভাবে প্রকাশ পেয়েছে, পুরো দুনিয়া যুলুম-নির্যাতন, অত্যাচার-অবিচার, কুফরী-শিরকী হারাম-নাজায়িয কার্যকলাপে ভরে গেছে। পৃথিবীর কোথায়ও ইনছাফের লেশমাত্র অবশিষ্ট নেই। এমনি এক কঠিন পরিস্থিতে, এমন এক কঠিন সময়ে দুনিয়ার যমীনে আমার এই সুযোগ্য মহাসম্মানিত আওলাদ, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মুবারক তাশরীফ। তিনি সমস্ত কাফির-মুশরিক, ইহুদী-নাছারা, গোমরাহ-পথভ্রষ্ট, মুনাফিক্ব ও উলামায়ে সূ’দেরকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে দুনিয়ার যমীনে ইনছাফ মুবারক প্রতিষ্ঠা করবেন, খিলাফত মুবারক জারী করবেন। সুবহানাল্লাহ! আমার এই সুমহান মহাসম্মানিত আওলাদ তিনি হচ্ছেন আমার পক্ষ থেকে একজন আখাছ্ছুল খাছ মহান খলীফা আলাইহিস সালাম। দুনিয়ার যমীনে উনার যারা বিরোধিতা করবে, উনার যারা শত্রুতা পোষণ করবে, তারা প্রত্যেকেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, ধ্বংস হয়ে যাবে, তাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।” সুবহানাল্লাহ!
এছাড়াও যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খিলাফত মুবারক প্রদানের আগে ও পরে উক্ত মুবারক মাহফিল উনার মধ্যে সকলের সম্মুখে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার আরো অনেক ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করেন। সুবহানাল্লাহ!
পরিশেষে যাঁরা বড় বড় হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা রয়েছেন, উনারা প্রত্যেকেই ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মুবারক খিদমতে আরযী পেশ করলেন যে, “আপনার সাথে পেরে উঠা আমাদের পক্ষে আর সম্ভব হবে না। কেননা আপনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক স্বয়ং যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বর্ণনা মুবারক করেছেন।” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার সম্মানিত জুমাদাল উখরা শরীফ অথবা সম্মানিত রজবুল হারাম শরীফ-এ ৪র্থ তলা খানকাহ শরীফ-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “এই মহাসম্মানিত মজলিস মুবারক উনার ব্যবস্থা সরাসরি স্বয়ং যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি করেছেন। মহাসম্মানিত মজলিস মুবারক শেষে স্বয়ং যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুদরতী কোল মুবারক-এ নিয়ে সারা পৃথিবী, সারা কায়িনাত ঘুরিয়েছেন, দেখিয়েছেন।” সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!
আলোচ্য ঘটনা মুবারক থেকে আমরা বুঝতে পারলাম যে, যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এক বিশেষ নূরানী মাহফিল মুবারক-এ সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম, সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম, সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম এবং সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মুখে স্বয়ং যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার মুবারক নির্দেশে খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে সাদা, কালো, সবুজ এই তিন ধরনের তিনখানা পাগড়ী মুবারক পরিয়ে, একখানা আছা মুবারক হাদিয়া মুবারক করে সর্বোচ্চ পন্থায় যাহিরী এবং বাতিনী উভয় প্রকার খিলাফত মুবারক প্রদান করেছেন। এরূপ সর্বোচ্চ পন্থায় অন্য কাউকে খিলাফত মুবারক দেয়া হয়নি; আর দেয়া হবেও না। শুধু তাই নয়, উক্ত বিশেষ মাহফিল মুবারক-এ যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উপস্থিত সবার সম্মুখে এই মুবারক ঘোষণাও দিয়েছেন যে, যামানার শেষের দিকে পৃথিবীর বুকে আইয়্যামে জাহিলিয়াতের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে, ফিতনা-ফাসাদ চরমভাবে প্রকাশ পেয়েছে, পুরো দুনিয়া যুলুম-নির্যাতন, অত্যাচার-অবিচার, কুফরী-শিরকী হারাম-নাজায়িয কার্যকলাপে ভরে গেছে। পৃথিবীর কোথায়ও ইনছাফের লেশমাত্র অবশিষ্ট নেই। এমনি এক কঠিন পরিস্থিতে, এমন এক কঠিন সময়ে দুনিয়ার যমীনে আমার এই সুযোগ্য মহাসম্মানিত আওলাদ, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মুবারক তাশরীফ। তিনি সমস্ত কাফির-মুশরিক, ইহুদী-নাছারা, গোমরাহ-পথভ্রষ্ট, মুনাফিক্ব ও উলামায়ে সূ’দেরকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে দুনিয়ার যমীনে ইনছাফ প্রতিষ্ঠা করবেন, খিলাফত জারী করবেন। সুবহানাল্লাহ! শুধু তাই নয়, মহাসম্মানিত মজলিস মুবারক শেষে স্বয়ং যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুদরতী কোল মুবারক-এ নিয়ে সারা পৃথিবী, সারা কায়িনাত ঘুরিয়েছেন, দেখিয়েছেন। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!
তাহলে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার কত বেমেছাল মহাসম্মানিত তা‘য়াল্লুক্ব-নিসবত মুবারক, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার ঊর্ধ্বে। এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৪)

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ অবস্থান মুবারক

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ كَانَ مَعِىَ فِـى الْـجَنَّةِ
অর্থ: “যে ব্যক্তি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে সম্মান করবেন, তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মধ্যে আমার সাথে অবস্থান মুবারক করবেন।” সুবহানাল্লাহ!
আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে সম্মান করার একটি বিশেষ মাধ্যম হচ্ছেন- খরচ করা। সুবহানাল্লাহ! সুতরাং কেউ যদি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে তা’যীম-তাকরীম মুবারক করেন, সম্মান করেন, উনার সম্মানার্থে খরচ করেন, তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে অবস্থান মুবারক করবেন। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক

৫৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাহু মুবারক نُوْرُ الْقُرْبَةِ مُبَارَكٌ নূরুল র্কুবত মুবারক
৫৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জামালী শান মুবারক نُوْرُ السَّكِيْنَةِ مُبَارَكٌ নূরুস সাকীনাহ্ মুবারক
৬০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জালালী শান মুবারক نُوْرُ الْاَحْـمَرِ مُبَارَكٌ নূরুল আহ্মার মুবারক

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানিকারীর একমাত্র শরঈ শাস্তি হচ্ছে ‘মৃত্যুদণ্ড’ (২৬)

মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ
(৯)

হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
قَالَ حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ بْنُ الْحَكَمِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مَنْ سَبَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ مُّسْلِمٍ اَوْ كَافِرٍ قُتِلَ وَلَـمْ يُسْتَتَبْ وَحَكَى حَضْرَتْ اَلطَّبَرِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مِثْلَهٗ عَنْ حَضْرَتْ اَشْهَبَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ مَالِكٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ
অর্থ: “হযরত ইমাম আবূ মুহম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকাম ইবনে আ’ইয়ান ইবনে লাইছ মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ১৫৫ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ২১৪ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন, যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে গাল-মন্দ করবে, মানহানি করবে, তাকে শরঈ শাস্তিস্বরূপ মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। তার তওবা ক্ববূল করা হবে না। চাই সে মুসলমান হোক বা কাফির হোক। হযরত ইমাম আল্লামা আবূ জা’ফর মুহম্মদ ইবনে জারীর ত্ববারী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ২২৩ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ৩১০ হিজরী শরীফ) তিনি হযরত ইমাম আবূ ‘আমর আশহাব ইবনে আব্দুল ‘আযীয ‘আমিরী মিছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ১৪০ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ২১০ হিজরী শরীফ) উনার সূত্রে হযরত ইমাম মালেক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (আশ শিফা ২/২১৭, আস সাইফুল মাসলূল ১২৮ নং পৃষ্ঠা)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রত্যেকের সাথে সংশ্লিষ্ট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সমস্ত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ পালন করার ব্যাপারে মহাসম্মানিত ফয়সালা মুবারক

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে, “(১৪৩৫ হিজরী শরীফ) সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আন নূরুর রবি‘আহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের দিবস মুবারক অর্থাৎ পবিত্র ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ অত্যন্ত তা’যীম-তাকরীম মুবারক, সম্মান-ইয্যত মুবারক, মুহব্বত মুবারক ও সাখাওয়াতী মুবারক উনার সাথে পালন করার কারণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সকলে অত্যন্ত বেমেছাল খুশি ও সন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
ঠিক উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘আহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের দিবস অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৩রা রমাদ্বান শরীফ অত্যন্ত তা’যীম-তাকরীম মুবারক, সম্মান-ইয্যত মুবারক, মুহব্বত মুবারক ও সাখাওয়াতী মুবারক উনার সাথে পালন করা হলে ওই তারীখে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার একখানা মহাসম্মানিত বিশেষ শান মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ মুবারক ঘটেন। ওই তারিখে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনার এক আখাছ্ছুল খাছ বিশেষ মহাসম্মানিত দীদার মুবারক হয়। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও অত্যন্ত বেমেছাল খুশি ও সন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করতে করতে বিশেষ শান মুবারক প্রকাশ করে সেখানে যাহির মুবারক হন। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর সাথে সাথে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাসহ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারাও অত্যন্ত খুশি ও সন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করতে করতে উনাদের বিশেষ শান মুবারক প্রকাশ করে সেখানে যাহির মুবারক হন। উনারা সকলে অত্যন্ত বেমেছাল খুশি ও সন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করতে থাকেন। সুবহানাল্লাহ! উনারা সকলেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ আরযী মুবারক পেশ করতে থাকেন যে, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘আহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের দিবস মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ) এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের দিবস মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৩রা রমাদ্বান শরীফ) যেভাবে সীমাহীন আদব-শরাফত মুবারক, মুহব্বত-মা’রিফত মুবারক, খুলুছিয়াত এবং সাখাওয়াতী মুবারক উনার সাথে পালন করা হয়েছে, আমাদের অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল দিবস মুবারকগুলোও যেন ঠিক একইভাবে পালন করা হয়। সুবহানাল্লাহ!
অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও অত্যন্ত খুশি এবং সন্তুষ্টি মুবারক উনার সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিস সালাম! আপনি, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আন নূরুর রবি‘আহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের দিবস মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ) এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের দিবস মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৩রা রমাদ্বান শরীফ) যেভাবে সীমাহীন আদব-শরাফত মুবারক, মুহব্বত-মা’রিফত মুবারক, খুলুছিয়াত এবং সাখাওয়াতী মুবারক উনার সাথে পালন করেছেন, এতে আমরা অত্যন্ত খুশি ও সন্তুষ্ট হয়েছি। সুবহানাল্লাহ! আপনি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সকলের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের দিবস মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের দিবস মুবারক এবং উনাদের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল দিবস মুবারকগুলোও ঠিক একইভাবে পালন করবেন।” সুবহানাল্লাহ!
মূলত, মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহি সালাম উনার যে বেমেছাল আখাছ্ছুল খাছ তায়াল্লুক-নিসবত মুবারক তা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার কোটি কোটি গুণ ঊর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ!
যারা আকলমান্দ তাদের জন্য এই মহাসম্মানিত ওয়াক্বিয়া মুবারক উনার মধ্যে সীমাহীন ইবরত-নছীহত মুবারক নিহিত রয়েছেন, নিহিত রয়েছেন রূহানী খোরাক মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে হাক্বীক্বী ইছলাহী, বিশুদ্ধ আক্বীদাহ, হুসনে যন এবং ছহীহ্ সমঝ দান করুন। আমীন!

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৩)

স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আখাছ্ছুল খাছ নিসবত মুবারক লাভ

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَـمًا فِـىْ مَوْلِدِىْ كَانَ رَفِيْقِىْ فِـى الْـجَنَّةِ
অর্থ: “যে ব্যক্তি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে এক দিরহাম (চার আনা রূপা অথবা সমপরিমাণ অর্থ-সম্পদ) খরচ করবেন, তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মধ্যে আমার বন্ধু হবেন অর্থাৎ আমার আখাছ্ছুল খাছ বিশেষ নিসবত মুবারক-এ থাকবেন।” সুবহানাল্লাহ!