1 د

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত ইত্তিবা’ মুবারক, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করা ব্যতীত কস্মিনকালেও মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত মুবারক লাভ করা সম্ভব নয়

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ

“(আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত মুবারক করে থাক, তাহলে আমার সম্মানিত ইত্তিবা’ মুবারক, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক কর। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অত্যন্ত দয়ালু।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আলে ‘ইমরান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩১)

1 د

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৫৪)

গাজী মুহম্মদ ছিদ্দীকের ফাঁসির রায়:

রায় কামাল লিখেন- নিম্ন আদালতে মামলার রায়ের দিন হাফিয মুহম্মদ ছিদ্দীক্ব শহীদের আম্মা তরুণ ছেলের কপালে বুছা খেয়ে অত্যন্ত দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, বেটা আমি অনেক খুশি। যেই মহাসম্মানিত রসূলে আকরাম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান ও মান মুবারক রক্ষার জন্য তুমি কুরবানির স্থলে যাচ্ছো, তার জন্য যদি তোমার মত আরো বিশটি ছেলে আমাকে কুরবান করতে হয়, তবে রব্বে কা’বা মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! তাতে আমি বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করবো না।

দৈনিক ইনকিলাবসহ অন্যান্য মুসলিম সংবাদপত্রগুলোতে গাজী সাহেবের মায়ের এই দুঃসাহসিকতা ও ঈমানদীপ্ত বক্তব্য ও গাজী ছিদ্দীক শহীদ সম্পর্কে লেখা হয়েছে। গাজী সাহেব আপন মমতাময়ী মায়ের এই কথা শোনার পর তাকবীর ধ্বনি দিলেন এবং মায়ের কাছ থেকে জীবনের সকল অন্যায় অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিলেন। এরপর বললেন, যেই মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক রক্ষার জন্য আমি মালউন পালামলকে হত্যা করে নিজেকে কুরবানীর জন্য পেশ করেছি। উনার জন্য যদি আমাকে হাজার বারও মরতে হয় তাহলে আমি প্রতিবারই উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক রক্ষার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করবো এবং এটাকে আমার ফরয দায়িত্ব মনে করবো।

নিম্ন আদালতে গাজী মুহম্মদ ছিদ্দীক্বের ফাঁসির রায় দেয়া হলো। আম্মাজানকে বললেন, মুহব্বত শুধু পবিত্র কুরআন শরীফ এবং যিনি আমাদেরকে পবিত্র কুরআন শরীফ হাদিয়া করেছেন অর্থাৎ হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে। আপনি সর্বদা উনাদের সঙ্গেই আপনার দিল লাগিয়ে রাখবেন। আমার কবরে যেন কখনো শরীয়ত পরিপন্থী কোন কাজ না হয় এবং কাউকেও যেন তার অনুমতি দেয়া না হয়। সেটা খেয়াল রাখবেন।

জেল কর্তৃপক্ষের বর্ণনা হলো, ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ার পর উনার মুখে যে শব্দগুলো উচ্চারিত হচ্ছিলো তা হলো, হে আমার আল্লাহ! আপনার হাজার শোকর। আপনি আপনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক হিফাযতের কাজে কোটি কোটি মুসলমান থেকে আমার মত অধমকে নির্বাচন করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ!

হাফিয মুহম্মদ ছিদ্দীক শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যখন শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করে মাহবুবে আলা উনার সান্নিধ্যে গমন করেন, তখন উনার বয়স ছিলো মাত্র একুশ বছর। (সমাপ্ত)

1 د

পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (১০)

ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধোয়া উভয়টিই সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ:

বড় ইসতিন্জা এবং ছোট ইসতিন্জা করার পর ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার হওয়া উভয়টি সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। অর্থাৎ ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা যেমন সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্ তেমনিভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করাও সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। কেননা শরীরের মধ্যে একটা গরম ভাব আছে। বড় ইসতিন্জা বের হয়ে চামড়ার উপর লাগলে শরীরের গরমে ময়লার (পায়খানার) কিছুটা চামড়ায় শোষণ করে নেয়। ঢেলা-কুলুখে সেই শোষিত ময়লা (পায়খানা) দুর হয় না। তাই ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধোয়া অবস্থাভেদে ফরয, ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। তাছাড়া মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করেছেন এবং ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধুয়েছেন অর্থাৎ আমাদেরকে তালীম দিয়েছেন। তাই ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধোয়া উভয়টিই আমভাবে সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ।



ইসতিন্জা (প্রস্রাব,পায়খানা) করার সুন্নাত তরীকা:

ইসতিন্জার চাপ ধরে রাখা যাবে না। সঙ্গে সঙ্গে করতে হবে। হাতে কলমের কালি লেগে থাকলে তা ধুয়ে নিয়ে প্রবেশ করবে। যেমন হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার বাথরুমে প্রবেশ করে দেখলেন উনার হাতে কলমের কালি লেগে আছে। তাই তিনি বাথরুম থেকে বের হয়ে উনার হাতে লেগে থাকা কালি পরিষ্কার করে এরপর বাথরুমে প্রবেশ করলেন। কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

مِدَادُ الْعُلَمَاءِ خَيْرٌ مِّنْ دِمَاءِ الشُّهَدَاءِ

অর্থাৎ শহীদের পবিত্র রক্তের চেয়েও উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কলমের কালি বেশী পবিত্র। তাই হাতে কলমের কালি নিয়ে ইসতিন্জাখানায় প্রবেশ করা যাবে না। মহান আল্লাহ্্ পাক উনার পবিত্র নাম মুবারক লিখিত তাবিজ প্রকাশ্যে থাকলে খুলতে হবে। আর আবৃত থাকলে জায়েয আছে। তবে না নেয়াই উত্তম। সামর্থ থাকলে নামাযের কাপড় খুলে রেখে অন্য কাপড় পরিধান করে ইসতিন্জাখানায় যাওয়া মুস্তাহাব। নামাযের কাপড় পরিধান করে ইসতিন্জাখানায় যাওয়া জায়িয আছে। তবে বিশেষ ইহতিয়াত বা সাবধান থাকতে হবে যেন মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) কাপড়ে না লাগে।



ইসতিন্জাখানায় প্রবেশের নিয়ম:

যখন ইসতিন্জার হাজত হবে, তখন টুপি মাথায় দিয়ে, টুপি না থাকলে অন্যকোনো কাপড় অর্থাৎ তোয়ালে বা গামছা দিয়ে মাথা ঢেকে ঢেলা-কুলুখ ও পানি সাথে নিয়ে যাবে, যদি ইসতিন্জাখানায় ঢিলা-কুলুখ ও পানি না থাকে। আর ইসতিন্জাখানায় প্রবেশের পূর্বে بِسْمِ اللهِ اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُبِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ (“বিস্মিল্লাহি আল্লাহুম্মা ইন্নি আঊযুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খ¦াবায়িছ”)-এ দোয়া পড়ে সেন্ডেল ব্যবহার করে বাম পা দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। ঢেলা-কুলুখ ও পানির বদনা ডান পাশে রাখবে। বসার পূর্বে মনে মনে بِسْمِ اللهِ (বিসমিল্লাহ্) বলে কাপড় খোলা শুরু করবে। অর্থাৎ আস্তে আস্তে বসবে আস্তে আস্তে কাপড় খুলবে। দাড়ান অবস্থায় কাপড় খুলবে না। বসার সঙ্গে সঙ্গে সম্পূর্ণ কাপড় খুলবে (সুন্নত)। বাম পায়ের উপর ভর দিয়ে ফারাগাত মত বসবে। তাহলে সহজে ইসতিন্জা হবে। চাপাভাবে বসবে না। উভয় হাটু ঢেকে দিয়ে কাপড় গুছিয়ে নিবে। ছোট ইসতিন্জা (প্রস্রাব) করার সময় পুরুষ হলে বাম হাত দিয়ে পুরুষলিঙ্গটি ধরবে এবং আস্তে আস্তে ছোট ইসতিন্জা করবে, যাতে ইসতিন্জার (প্রস্রাবের) ছিটা পায়ে, শরীরে ও কাপড়ে না লাগে সে ব্যপারে সাবধান থাকতে হবে। দাঁড়িয়ে এবং ক্বিবলার দিকে মুখ বা পিঠ করে ইসতিন্জা করবে না। উঁচু স্থানে বসে নীচু স্থানের দিকে প্রস্রাব করতে বসবে। বাতাসের দিকে মুখ করে বসবে না। শক্ত স্থানে প্রস্রাব করবে না। অন্যথায় প্রস্রাবের ছিটা শরীরে বা কাপড়ে লাগার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ে হাঁচি আসলে মনে মনে اَلْحَمْدُ لِلّهِ(আল্হামদু লিল্লাহ্) বলবে। বিশেষ স্থান বিনা ওজরে দেখবে না। বড় ইসতিন্জা (পায়খানা) এবং ছোট ইসতিন্জার (প্রস্রাবের) উপর থু থু ফেলবে না, নাক ঝাড়বে না। বড় ইসতিন্জা এবং ছোট ইসতিন্জার দিকে বিনা ওজরে তাকাবে না।

1 د

ব্যক্তিত্ব:
মানে হলো "ইনসানে কামেল" — পূর্ণ মানুষ হওয়া।
তাছাউফের নজরে বাহিরের পরিপাটি না, অন্তর কতটা পরিষ্কার সেটাই আসল ব্যক্তিত্ব।
তাছাউফের মতে ব্যক্তিত্ব গঠনের ৫টা স্তর:
১. তাজকিয়া:নফসের পরিশুদ্ধি: হিংসা, অহংকার, রিয়া, দুনিয়ার লোভ — অন্তরের এই রোগগুলা ধোয়া।লক্ষণ: রাগ কমে যায়, মাফ করতে মন চায় ।
২. তাহলিয়া :সদগুণে সাজানো:সবর, শোকর, তাওয়াক্কুল, ইখলাস, হুজুরী অন্তরে বসানো:লক্ষণ:বিপদে ঘাবড়ায় না, নিয়ামতে অহংকার করে না
৩. ফানা:নিজেকে বিলীন করা:"আমি" "আমার" — এই ভাবটা শেষ হয়ে যায়। সব আল্লাহর।লক্ষণ:প্রশংসা-নিন্দায় সমান থাকে
৪,. বাকা:আল্লাহর সাথে টিকে থাকা :তখন বান্দা আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হয় — রহমদিল, মাফকারী, ইনসাফকারী হয়:লক্ষণ:মানুষ তার কাছে শান্তি পায়
৫, খিদমতে খালক:সৃষ্টির সেবা:এত উঁচুতে উঠেও মাটির মানুষ থাকে। সবার খেদমত করে:লক্ষণ:
জুতা সোজা করে দেয়, অভাবীর খবর নেয়
সূফীদের চোখে আসল ব্যক্তিত্ববান কে?
১,ইমাম জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহ বলতেন:"তাছাউফ হলো, তুমি কোনো গুণে নিজেকে অন্যের চেয়ে বড় মনে করবে না, আর কোনো দোষে অন্যের চেয়ে ছোট মনে করবে না।"
২,মাওলানা রুমী রহমতুল্লাহ বলতেন:"পাহাড়ের মতো অটল হও সবরে, নদীর মতো দানশীল হও, মাটির মতো বিনয়ী হও — তবেই তুমি মানুষ।"
খুলুছিয়াত, হুজুরী, আদব — তাছাউফে এগুলার স্থান
খুলুছিয়াত = তাছাউফের প্রথম সবক। বুযুর্গরা বলতেন: "একটা নিঃশ্বাসও যদি আল্লাহর জন্য না হয়, সেটা লস।"
হুজুরী = তাছাউফের রূহ। "আল-ইহসান" — এমনভাবে ইবাদত করো যেন তুমি আল্লাহকে দেখতেছো। না দেখলেও তিনি তো তোমাকে দেখতেছেন।
আদব = তাছাউফের সিঁড়ি। বায়েজিদ বোস্তামী রহ. বলতেন: "বে-আদব আল্লাহর রহমত থেকে মাহরুম।"
তাহলে তাছাউফের ব্যক্তিত্ব কীভাবে বানাবো?
৩টা কাজ:
মহাসম্মানীত মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিসসালাম উনার ছোহবত
দৈনিক ১ঘন্টা জিকির
আমলনামা পুরণ করা

23 ساعة

ওলি আল্লাহদের রিয়াজত ও সাধনা বলতে মূলত আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য তাঁদের আত্মশুদ্ধি, ইবাদত ও ত্যাগের পথকে বোঝায়। "রিয়াজত" শব্দের অর্থ অনুশীলন বা সাধনা। আরবি "তাযকিয়া" ও ফারসি "মুজাহাদা" এর কাছাকাছি অর্থ।

ওলি আল্লাহ কারা?
"ওলি" মানে বন্ধু।
"জেনে রাখ, নিশ্চয়ই আল্লাহর ওলিদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না। তারাই ঈমান এনেছে এবং তাকওয়া অবলম্বন করেছে।"

ওলি হলেন সেই মুমিন যিনি শরীয়তের উপর পূর্ণ আমল করে, গুনাহ থেকে বেঁচে থেকে এবং নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর প্রিয় হয়ে যান। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেন: "বান্দা নফল ইবাদত দ্বারা আমার নৈকট্য অর্জন করতে থাকে, এক পর্যায়ে আমি তাকে ভালোবাসতে

2 د

এই জায়নামাজে প্রানীর মুখের অবয়ব কোথায়? খুঁজে বের করুন।
খুঁজে না পেলে কমেন্টের ছবিতে দেখুন।

জায়নামাজ কে গুরুত্ব না দেয়া মানে নামাজকে গুরুত্ব না দেয়া। গুরুত্বহীন নামাজ কবুল হয় না।

নামাজ বরবাদ হওয়ার জন্য এই ধরনের একটা জায়নামাজই যথেষ্ট।
- নকশার কারণে নামাজে মনোযোগ ও খুশুখুজু নষ্ট হয়।
- অনেক জায়নামাজে এরকম সূক্ষ্ম প্রানীর চেহারা, মূর্তির চেহারা, দেব দেবীর আকৃতি থাকে, এগুলোতে নামাজতো হয়ই না, বরং ঘর থেকে রহমতের ফেরেশতা চলে যায়। গুগলে hidden face on janamaz লিখে সার্চ করলে এরকম অনেক পাওয়া যায়।

এজন্য নকশা ছাড়া এক রঙের জায়নামাজ সবচেয়ে ভালো। এরকম এক রঙের জায়নামাজ পাওয়া যায় আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্রে।
অনলাইনে পাওয়া যাবে এই ঠিকানায় -
Sunnat.info (এখানে সার্চবারে জায়নামাজ লিখুন অথবা ক্যাটাগরি থেকে ইবাদত সামগ্রীতে ক্লিক করুন)

image

image

মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (৯)


পবিত্র ছাফা ও পবিত্র মারওয়ায় দাঁড়িয়ে পঠিত দোয়া মুবারক :

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ছাফা ও পবিত্র মারওয়ায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করলে নি¤েœাক্ত সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফখানা তিলাওয়াত মুবারক করতেন।

اِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللهِ.

অর্থ : নিশ্চয়ই পবিত্র ছাফা ও পবিত্র মারওয়া মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিদর্শন মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।



পবিত্র আরাফাত দিবস উনার দোয়া মুবারক:

لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهْوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ.

অর্থ : মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, তিনি এক বা একক, উনার কোন শরীক বা অংশীদার নেই। সমস্ত ক্ষমতা মুবারক ও সমস্ত প্রশংসা মুবারক উনারই জন্য। তিনিই সমস্ত কিছুর উপর ক্ষমতাশীল। (তিরমিযী শরীফ)



মুজদালিফায় পঠিত দোয়া মুবারক:

لَا اِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ.

অর্থ : মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। (মুসলিম শরীফ)



প্রতিটি জামরায় কংকর নিক্ষেপের সময় যে তাকবীর মুবারক পাঠ করা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক:

জামরাগুলোতে প্রতিটি কংকর নিক্ষেপের সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি اللهُ أَكْبَرُ (আল্লাহু আকবার) তাকবীর মুবারক পাঠ করতেন। অতঃপর কিছুটা সামনে অগ্রসর হয়ে পবিত্র ক্বিবলামুখী হয়ে দাঁড়াতেন এবং প্রথম ও দ্বিতীয় জামরায় দুই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারকদ্বয় (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দু’হাত মুবারকদ্বয়) উঁচু করে দোয়া মুবারক করতেন। আবার তৃতীয় জামরায় কংকর নিক্ষেপ করতেন এবং প্রতিটি কংকর নিক্ষেপের সময় তাকবীর মুবারক পাঠ করতেন। আর সেখানে মহাসম্মানিত অবস্থান মুবারক না করে প্রত্যাবর্তন করতেন। (বুখারী শরীফ, ফতহুল বারী, মুসলিম শরীফ)



সম্মানিত মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার দোয়া মুবারকসমূহ :



সম্মানিত মসজিদ দেখলে যে দোয়া মুবারক পাঠ করতে হয় :

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِىْ ذُنُوْبِىْ وَخَطَئِىْ وَعَمَدِىْ.

অর্থ: আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমার ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় সমস্ত গুনাহসমূহ বা পাপরাশিসমূহ ক্ষমা করে দিন।



সম্মানিত মসজিদে প্রবেশের দোয়া মুবারক :

بِسْمِ اللّٰهِ اَلصَّلٰوةُ وَالسَّلاَمُ عَلٰى رَسُوْلِ اللّٰهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ .اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِىْ اَبْوَابَ رَحْمَتِكَ.

অর্থ : মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত নাম মুবারকে প্রবেশ করছি, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ছলাত-সালাম মুবারক। আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমার জন্য আপনার রহমত মুবারক উনার দরজাসমূহ খুলে দিন। (ইবনে মাজাহ শরীফ)



সম্মানিত মসজিদ থেকে বের হওয়ার দোয়া মুবারক :

بِسْمِ اللّٰهِ اَلصَّلٰوةُ وَالسَّلاَمُ عَلٰى رَسُوْلِ اللّٰهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ .اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ اَسْاَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ اَللّٰهُمَّ اعْصِمْنِيْ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ .

অর্থ : মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত নাম মুবারকে বের হচ্ছি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ছলাত-সালাম মুবারক। আয় মহান আল্লাহ পাক! আমি আপনার কাছে আপনার কল্যাণ কামনা করছি। আয় মহান আল্লাহ পাক! আমাকে বিতাড়িত শয়তান থেকে হিফাযত করুন। (আবু দাউদ শরীফ, মুসলিম শরীফ)



সম্মানিত মসজিদে ই’তিকাফ উনার নিয়তে অবস্থানের দোয়া মুবারক :

نَوَيْتُ أَنْ اَعْتِكَافَ مَا دُمْتُ فِىْ هٰذَا الْمَسْجِدِ.

অর্থ: আমি এই সম্মানিত মসজিদে অবস্থানের জন্য ই’তিকাফ উনার নিয়ত করলাম।

মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (৮)


পবিত্র সালাম শরীফ :

সবশেষে ডানে-বাঁয়ে সালাম ফিরিয়ে পবিত্র নামায শেষ করতে হবে।

اَلسَّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ.

অর্থ : আপনার উপর মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সম্মানিত সালাম মুবারক ও সম্মানিত রহমত মুবারক বর্ষিত হোক।



পবিত্র ছলাতুত তাসবীহ নামাযের তাসবীহ মুবারক :

سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمدُ لِلّٰهِ وَلَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبرُ.

অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র থেকে পবিত্রতম। সমস্ত প্রশংসা মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ বা মা’বূদ নেই। আল্লাহ পাক তিনি মহান।

চার রাকাআত নামায ‘ছলাতুত তাসবীহ’ উনার নিয়তে, প্রত্যেক রাকাআতে ৭৫ বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ এই পবিত্র তাসবীহ মুবারক পড়তে হয়।

পবিত্র ছানা শরীফ পাঠ করার পরে অর্থাৎ পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করার পূর্বে ১৫ বার, পবিত্র সূরা শরীফ পাঠ করার পর অর্থাৎ রুকূতে যাওয়ার পূর্বে ১০ বার, রুকূতে গিয়ে রুকূর তাসবীহ পাঠ করার পর ১০ বার, রুকূ হতে উঠে ক্বওমায় অর্থাৎ দাঁড়ানো অবস্থায় “রব্বানা লাকাল হাম্দ্” বলার পর ১০ বার, অতঃপর প্রথম সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পাঠ করার পর ১০ বার, প্রথম সিজদা হতে উঠে জলসায় অর্থাৎ দুই সিজদার মাঝখানে বসে, জলসার তাসবীহ পাঠ করার পর ১০ বার, অতঃপর দ্বিতীয় সিজদায় গিয়ে সিজদার তাসবীহ পাঠ করার পর ১০ বার উক্ত তাসবীহ পাঠ করতে হবে।

এভাবে প্রতি রাকাআতে ৭৫ বার করে মোট ৩০০ বার উক্ত তাসবীহ পাঠ করতে হবে।



পবিত্র হজ্জ পালন সংক্রান্ত দোয়া মুবারকসমূহ :



পবিত্র ইহরাম বাঁধার পর যে দোয়া মুবারক পাঠ করতে হয় :

اَللَّهُمَّ اِنِّيْ اَسْئَلُكَ رِضَاكَ وَالْجَنَّةَ وَاَعُوْذُبِكَ مِنْ غَضَبِكَ وَالنَّارِ.

অর্থ: আয় মহান আল্লাহ পাক! আমি আপনার মহাসম্মানিত সন্তুষ্টি মুবারক ও পবিত্র জান্নাতের আশা বা আরজু করছি এবং আপনার অসন্তুষ্টি ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

অথবা নিম্নোক্ত দোয়া মুবারক পাঠ করবে-

হযরত ইমাম কুদূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নি¤েœাক্ত দোয়া মুবারক পাঠ করতেন এবং পাঠ করার জন্য বলতেন-

اَللَّهُمَّ اِنِّي اُرِيْدُ (العُمْرَةَ - الْحَجَّ) فَيَسِّرْهُ لِيْ وَتَقَبَّلْهُ مِنِّي.

অর্থ: আয় মহান আল্লাহ পাক! আমি পবিত্র উমরাহ্/পবিত্র হজ্ব করার ইচ্ছা করছি; আপনি আমার জন্য তা সহজ করে দিন এবং আমার পক্ষ থেকে তা কবুল করুন।

মুহরিম ব্যক্তি পবিত্র হজ্জ এবং পবিত্র উমরার জন্য যেভাবে তালবিয়াহ পাঠ করবে

لَبَّيْكَ اَللّٰهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ.

অর্থ : আয় মহান আল্লাহ পাক! আমি হাযির আছি, আমি হাযির আছি, আমি হাযির আছি, আপনার কোন শরীক নেই, আমি হাযির হয়েছি। নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা মুবারক এবং সমস্ত নিয়ামত মুবারক সবই আপনার জন্য, সর্বকালে ও সর্বত্র আপনারই মহান ক্ষমতা মুবারক, আপনার কোন শরীক নেই। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)



পবিত্র হাজরে আসওয়াদ উনার (পবিত্র কালো পাথরের) সামনে তাকবীর বলা

“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উটের ওপর আরোহন মুবারক করে পবিত্র কা’বা শরীফ তাওয়াফ মুবারক করেছেন। যখন তিনি পবিত্র হাজরে আসওয়াদ উনার নিকট মহাসম্মানিত তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করতেন তখন সেদিকে কোন জিনিস দ্বারা ইঙ্গিত মুবারক করতেন এবং اللهُ أَكْبَرُ (আল্লাহু আকবার)“তাকবীর মুবারক” পাঠ করতেন। (বুখারী শরীফ,ফতহুল বারী)



পবিত্র হাজরে আসওয়াদ উনার ও পবিত্র রুকনে ইয়ামানীর মধ্যবর্তী স্থানে পঠিত দোয়া মুবারক :

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাজরে আসওয়াদ ও পবিত্র রুকনে ইয়ামানীর মধ্যবর্তী স্থানে নি¤েœাক্ত পবিত্র দোয়া মুবারক পাঠ করতেন। অর্থাৎ নি¤েœাক্ত পবিত্র দোয়া মুবারক পাঠ করা শিক্ষা মুবারক দিয়েছেন।

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ.

অর্থ : আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনি দয়া করে আমাদেরকে ইহকাল ও পরকালে কল্যাণ দান করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে হিফাযত করুন। (আবু দাউদ শরীফ, আহমদ শরীফ)

মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (৭)


পবিত্র তাশাহ্হুদ বা আত্তাহিয়্যাতু :

اَلتَّحِيَّاتُ لِلّٰهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ اَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهٗ. اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِيْنَ. اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَاَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ.

অর্থ: সমস্ত সম্মান, সমস্ত ইবাদত এবং সমস্ত পবিত্রতা মহান আল্লাহ পাক উনারই জন্য। আয় আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার প্রতি সালাম বা শান্তি মুবারক এবং মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত রহমত মুবারক ও উনার বরকত মুবারক বর্ষিত হোক। আয় বারে ইলাহী ! আমার প্রতি বর্ষিত সালাম, রহমত, বরকত মুবারক ইত্যাদি নিয়ামতসমূহ আমাদের প্রতি অর্থাৎ আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম এবং হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি এবং আপনার নেক বান্দাদের প্রতিও বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, মাহবূব এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।



পবিত্র তাশাহ্হুদ উনার পর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দুরূদ শরীফ :

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى سَيِّدِنَا مَوْلٰنَا مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى اٰلِ سَيِّدِنَا مَوْلٰنَا مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلٰى سَيِّدِنَا اِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى اٰلِ سَيِّدِنَا اِبْرَاهِيْمَ اِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ. اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلٰى سَيِّدِنَا مَوْلٰنَا مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى اٰلِ سَيِّدِنَا مَوْلٰنَا مُحَمَّدٍ. كَمَا بَارَكْتَ عَلٰى سَيِّدِنَا اِبْرَاهِيْمَ وَعَلٰى اٰلِ سَيِّدِنَا اِبْرَاهِيْمَ اِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ.

অর্থ : আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের সাইয়্যিদ, আমাদের মনিব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের উপর খাছ রহমত মুবারক নাযিল করুন। সাইয়্যিদুনা হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার উপর এবং উনার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের উপরও তো রহমত মুবারক নাযিল করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি পরম প্রশংসিত, অত্যধিক মর্যাদাবান। আয় মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের সাইয়্যিদ, আমাদের মনিব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের উপর বরকত নাযিল করুন। সাইয়্যিদুনা হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার উপর এবং উনার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের উপরও তো বরকত মুবারক নাযিল করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি পরম প্রশংসিত, অত্যধিক মর্যাদাবান।



পবিত্র দোয়ায়ে মাছুরা শরীফ :

اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ ظَلَمْتُ نَفْسِىْ ظُلْمًا كَثِيْرًا وَّلَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ اِلَّا اَنْتَ فَاغْفِرْلِىْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِىْ اِنَّكَ اَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ.

অর্থ : আয় মহান আল্লাহ পাক! আমি আমার নফসের উপর অনেক যুলুম করেছি। আর আপনি ব্যতীত গুনাহ ক্ষমা করার কেউ নেই। আপনি নিজ অনুগ্রহ মুবারকে আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার উপর দয়া মুবারক করুন। নিশ্চয়ই আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অত্যন্ত দয়াময়।



পবিত্র দোয়ায়ে কুনূত শরীফ :

اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَسْتَعِيْنُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلَا نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ اَللّٰهُمَّ اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّىْ وَنَسْجُدُ وَاِلَيْكَ نَسْعٰى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ وَنَخْشٰى عَذَابَكَ اِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ. (صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَاٰلِهٖ وَسَلَّمَ)

অর্থ : আয় মহান আল্লাহ পাক! নিশ্চয়ই আমরা আপনার নিকট পবিত্র সাহায্য মুবারক প্রার্থনা করছি এবং আপনার নিকট ক্ষমা চাচ্ছি। আমরা আপনার উপর সম্মানিত ঈমান আনছি এবং আপনার প্রতি তাওয়াক্কুল (ভরসা) করছি। আমরা আপনার উত্তম প্রশংসা করছি এবং আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আর আমরা আপনাকে অস্বীকার করছিনা বা করবো না। বরং আমরা তাদেরকে ত্যাগ করছি এবং বর্জন করছি যারা আপনার নাফরমানী করে। আয় মহান আল্লাহ পাক! আমরা আপনারই সম্মানিত ইবাদত করছি ও আপনার জন্যই পবিত্র নামায পড়ছি ও সিজদা করছি এবং আপনাকে পাওয়ার জন্যই কোশেশ করছি ও আপনারই দিকে অগ্রসর হচ্ছি। আপনার দয়া মুবারকের আশা করছি এবং আপনার শাস্তিকে ভয় করছি। নিশ্চয়ই আপনার শাস্তি কাফির, অবাধ্যদের প্রতি আপতিত হবে।