বাংলাদেশে অনতিবিলম্ব সংবিধান স্থগিত করে সেনা শাসন জারি করতে হবে।

বাংলাদেশের ২% হিন্দু ৯৭% মুসলমানদের উপরে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গনহত্যা চালাতে সক্ষম। কারণ এরা একটি নির্দিষ্ট জেলা বা স্থানে সীমাবদ্ধ নয় সারাদেশের মুসলমানদের মূর্খতার কারণে এদের বাসাভাড়া দোকান ভাড়া চাকুরী ব্যবসায় করতে দিয়ে মুসলমানদের সব কিছুই এরা অবগত হয়ে গিয়েছে।

বাংলাদেশের ১জন হিন্দু ২-৩শ মুসলমানকে নিয়ন্ত্রণ করার সক্ষমতা রাখে।

তাই প্রত্যেক জেলায় হিন্দুদের আবাসস্থলকে ডিটেনশন ক্যাম্প ঘোষণা করে বন্দি করতে হবে।

একই সাথে ভারতীয় অনুপ্রবেশকারী মেথরপট্টি ও চা বাগান গুলোর সব হিন্দুকে ভারতে ফেরত পাঠাতে হবে একই সাথে তাদের নির্মিত সকল স্থাপনা নিশ্চিহ্ন করতে হবে।

#কারবালারহৃদয়বিদারকইতিহাস -৩

মুঝে কুফা ওয়ালো মুসাফির না সামঝো❓

📌সাইয়্যিদুনা ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ‎ﷺ উনার কাছে কুফাবাসী কর্তৃক চিঠি প্রেরণ ও হযরত মুসলিম বিন আকীল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কুফা গমন:-৩

পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মধ্যে তাশরীফ মুবারক আনার পর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ‎ﷺ উনার কাছে কূফা থেকে লাগাতার চিঠি-পত্র এবং সংবাদ বাহক আসতে শুরু করলো। অল্প সময়ের মধ্যে উনার কাছে দেড়শত চিঠি এসে পৌঁছল।

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ‎ﷺ উনার কাছে দেড়শত চিঠি পৌঁছেছিল। প্রত্যেক চিঠির বিষয়বস্তু ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ।

💬 প্রেরিত চিঠি-পত্রের বিষয়বস্তুগুলো হচ্ছে-
“হে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ‎ﷺ ! আমরা আপনার সম্মানিত পিতা সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনারই অনুসারী এবং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ভক্ত। আমরা তো ইয়াযীদ লা'নতুল্লাহি আলাইহিকে সমর্থন করিনি। আর তাকে মানার তো প্রশ্নই উঠতে পারে না। আমরা আপনার সম্মানিত পিতা সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম ও আপনার সম্মানিত ভাই সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ‎ﷺ উনাদের সমর্থনকারী।

আমরা ইয়াযীদ লা'নতুল্লাহি আলাইহির অনুসারী নই। ইয়াযীদ লা'নতুল্লাহি আলাইহি এখন ক্ষমতা লাভ করেছে, কিন্তু আমরা ইয়াযীদ লা'নতুল্লাহি আলাইহিকে খলীফা বা ইমাম মানতে পারি না। আপনাকেই বরহক্ব ইমাম মনে করি। আপনি মেহেরবানী করে কুফায় তাশরীফ মুবারক আনুন। আমরা আপনার পবিত্র হাত মুবারক-এ বাইয়াত গ্রহণ করবো এবং আপনাকে মনে-প্রাণে সম্মানিত ইমাম হিসেবে গ্রহণ করবো। আপনার জন্য আমাদের মাল-জান কুরবান করতে প্রস্তুত এবং আপনার হাত মুবারক-এ বাইয়াত গ্রহণ করে, আপনার অনুসরণ করে আমরা বাকি জিন্দেগী অতিবাহিত করতে ইচ্ছুক।

তাই আপনি আমাদের নিকট তাশরীফ মুবারক আনুন। আমাদের প্রতি মেহেরবানী করুন এবং আমাদেরকে আপনার মুবারক ছোহবতে রেখে আপনার ফয়েয-বরকত মুবারক দ্বারা আমাদেরকে উপকৃত করুন।” সমস্ত কবিলা ও খান্দানের পক্ষ থেকে উনার কাছে এই ধরনের চিঠি এসেছিল।

💬 অনেকে আবার এ ধরনের চিঠিও লিখেছিল-

“হে মহান ইমাম আলাইহিস সালাম! আপনি যদি আমাদের কাছে তাশরীফ মুবারক না আনেন; তাহলে আমাদেরকে বাধ্য হয়ে ইয়াযীদ লা'নতুল্লাহি আলাইহির হাতে বাইয়াত গ্রহণ করতে হবে। কারণ ইয়াযীদ লা'নতুল্লাহি আলাইহির মোকাবেলা করা আমাদের পক্ষে কিছুতেই সম্ভব নয়। আর যদি ইয়াযীদ লা'নতুল্লাহি আলাইহির হাতে বাইয়াত গ্রহণ করতে হয়, তাহলে কাল ক্বিয়ামতের ময়দানে মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি যখন আমাদেরকে জিজ্ঞেস করবেন- 'আমরা কেন নালায়েক ইয়াযীদ লা'নতুল্লাহি আলাইহির হাতে বাইয়াত গ্রহণ করলাম?' তখন আমরা পরিষ্কার বলে দিব, 'হে মাওলা! আমরা আপনার পেয়ারা হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ‎ﷺ উনার মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিস সালাম উনার কাছে অসংখ্য চিঠি লিখেছিলাম, সংবাদ পাঠিয়েছিলাম, মাল-জান কুরবানী করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলাম।

কিন্তু তিনি আমাদের নিকট তাশরীফ মুবারক আনেননি এবং আমাদের দাওয়াতও কবুল করেননি। তিনি যখন অগ্রাহ্য করলেন তখন আমরা বাধ্য হয়ে ইয়াযীদ লা'নতুল্লাহি আলাইহির হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেছি।' অতএব, হে মহাসম্মানিত ইমাম আলাইহিস সালাম! আপনি স্মরণ রাখবেন, ইয়াযীদ লা'নতুল্লাহি আলাইহির নিকট আমাদের এ বাইয়াত গ্রহণের জন্য আপনিই দায়ী হবেন।” নাঊযুবিল্লাহ!

কুফাবাসীদের পক্ষ থেকে এ ধরনের চিঠি লিখার পরিপ্রেক্ষিতে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার বিধান অনুযায়ী সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ‎ﷺ তিনি চিন্তা করলেন যে, সেখানে তিনি যাবেন কিনা। তিনি অনেকের সাথে এ বিষয়ে পরামর্শ করলেন এবং শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে, প্রথমে একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিকে পাঠাবেন, যিনি সেখানে গিয়ে স্বচক্ষে কূফার সার্বিক অবস্থা যাচাই করে দেখবেন যে, ওরা বাস্তবিকই উনাকে চায় কিনা? উনার প্রতি সত্যিই আন্তরিক মুহব্বত ও বিশ্বাস আছে কিনা? সঠিক সংবাদ পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবেন, তিনি যাবেন কি যাবেন না।

অতঃপর তিনি উনার আপন চাচাতো ভাই হযরত মুসলিম বিন আকীল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে এ কাজের জন্য মনোনীত করলেন। উনাকে বললেন- আপনি যাচাই করে যদি অবস্থা বাস্তবিকই সন্তোষজনক মনে করেন, তাহলে আমার কাছে চিঠি লিখবেন। চিঠি পাওয়ার পর আমি কূফার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবো, অন্যথায় আপনি সেখান থেকে চলে আসবেন।”

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ‎ﷺ তিনি কুফাবাসীদের কাছে একটি চিঠি মুবারক লিখলেন-

“ওহে কুফাবাসী! পরপর তোমাদের অনেক চিঠি আমার কাছে পৌঁছেছে। তাই আমি আমার চাচাতো ভাই হযরত মুসলিম বিন আকীল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে আমার সম্মানিত প্রতিনিধি করে তোমাদের কাছে পাঠালাম। তোমরা সবাই উনার হাত মুবারক-এ বাইয়াত গ্রহণ করো এবং উনার খিদমত মুবারক করো।

তিনি তোমাদের মনোভাব যাচাই করে আমার কাছে চিঠি লিখবেন। যদি তোমাদের মনোভাব সন্তোষজনক হয়, তাহলে উনার চিঠি আসার পর পরই আমিও তোমাদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে যাব।”

এভাবে চিঠি মুবারক লিখে সীল মোহর লাগিয়ে হযরত মুসলিম বিন আকীল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দিয়ে রওয়ানা হওয়ারও মুবারক অনুমতি দিলেন। অতঃপর তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে পবিত্র মদীনা শরীফ গেলেন এবং আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা-সাক্ষাত করার পর কূফার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন।
#ashura2026
#muharram2026
#ahlebayt

#চলবেই…

image

ব্যক্তিত্ব:
মানে হলো "ইনসানে কামেল" — পূর্ণ মানুষ হওয়া।
তাছাউফের নজরে বাহিরের পরিপাটি না, অন্তর কতটা পরিষ্কার সেটাই আসল ব্যক্তিত্ব।
তাছাউফের মতে ব্যক্তিত্ব গঠনের ৫টা স্তর:
১. তাজকিয়া:নফসের পরিশুদ্ধি: হিংসা, অহংকার, রিয়া, দুনিয়ার লোভ — অন্তরের এই রোগগুলা ধোয়া।লক্ষণ: রাগ কমে যায়, মাফ করতে মন চায় ।
২. তাহলিয়া :সদগুণে সাজানো:সবর, শোকর, তাওয়াক্কুল, ইখলাস, হুজুরী অন্তরে বসানো:লক্ষণ:বিপদে ঘাবড়ায় না, নিয়ামতে অহংকার করে না
৩. ফানা:নিজেকে বিলীন করা:"আমি" "আমার" — এই ভাবটা শেষ হয়ে যায়। সব আল্লাহর।লক্ষণ:প্রশংসা-নিন্দায় সমান থাকে
৪,. বাকা:আল্লাহর সাথে টিকে থাকা :তখন বান্দা আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হয় — রহমদিল, মাফকারী, ইনসাফকারী হয়:লক্ষণ:মানুষ তার কাছে শান্তি পায়
৫, খিদমতে খালক:সৃষ্টির সেবা:এত উঁচুতে উঠেও মাটির মানুষ থাকে। সবার খেদমত করে:লক্ষণ:
জুতা সোজা করে দেয়, অভাবীর খবর নেয়
সূফীদের চোখে আসল ব্যক্তিত্ববান কে?
১,ইমাম জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহ বলতেন:"তাছাউফ হলো, তুমি কোনো গুণে নিজেকে অন্যের চেয়ে বড় মনে করবে না, আর কোনো দোষে অন্যের চেয়ে ছোট মনে করবে না।"
২,মাওলানা রুমী রহমতুল্লাহ বলতেন:"পাহাড়ের মতো অটল হও সবরে, নদীর মতো দানশীল হও, মাটির মতো বিনয়ী হও — তবেই তুমি মানুষ।"
খুলুছিয়াত, হুজুরী, আদব — তাছাউফে এগুলার স্থান
খুলুছিয়াত = তাছাউফের প্রথম সবক। বুযুর্গরা বলতেন: "একটা নিঃশ্বাসও যদি আল্লাহর জন্য না হয়, সেটা লস।"
হুজুরী = তাছাউফের রূহ। "আল-ইহসান" — এমনভাবে ইবাদত করো যেন তুমি আল্লাহকে দেখতেছো। না দেখলেও তিনি তো তোমাকে দেখতেছেন।
আদব = তাছাউফের সিঁড়ি। বায়েজিদ বোস্তামী রহ. বলতেন: "বে-আদব আল্লাহর রহমত থেকে মাহরুম।"
তাহলে তাছাউফের ব্যক্তিত্ব কীভাবে বানাবো?
৩টা কাজ:
মহাসম্মানীত মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিসসালাম উনার ছোহবত
দৈনিক ১ঘন্টা জিকির
আমলনামা পুরণ করা

চতুর্দিকে অমুসলিম বেষ্টিত একটা দেশের সকল নাগরিককে বাধ্যতামুলক সামরিক ট্রেনিংয়ের আওতায় আনা দরকার।
সবচেয়ে আশঙ্কাজনক ব্যাপার হইলো, আমাদের চারদিক ঘিরে থাকা প্রতিটি জাতি এবং রাষ্ট্র মুসলিম গ'নহ'ত্যাকারী। তাদের প্রত্যেকের হাতে মুসলমানের র'ক্ত।

ভা র তের কথা বাদ দিলেও মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বাইরেও তাদের প্রতিটি অমুসলিম জাতিই মুসলিম হ'ত্যায় অভিযুক্ত।

ভা রতে তো একটা শিশুও মুসলিমদের খু"ন করতে চায়। এমতাবস্থায় আমাদের বসে থাকার সুযোগ নেই। এখনই গ্রামে গ্রামে রকেট লঞ্চারের প্রশিক্ষন দরকার।

~ Ratul Mohammad

আদব-শরাফত — এই দুইটা শব্দ একসাথে আসলে মানে দাঁড়ায় ভদ্রতা, শিষ্টাচার আর উন্নত চরিত্র।

ইসলামে আদবের গুরুত্ব অনেক উপরে। রাসূল ﷺ বলেছেন: "আমাকে উত্তম চরিত্রের পূর্ণতা দানের জন্যই পাঠানো হয়েছে"।

আদব মানে কী?
আদব = সীমা জানা, হক আদায় করা। কার সাথে কেমন ব্যবহার করতে হবে, সেটা বুঝে চলা।

খুলুছিয়াত, হুজুরী, ভয় + আশা নিয়ে ইবাদত। গুনাহের পর লজ্জিত হওয়া
রাসূল ﷺ এর সাথে দরুদ পড়া, সুন্নত মানা, তাঁর নাম শুনলে সম্মান দেখানো
কুরআনের সাথে ওযু করে ধরা, মনোযোগ দিয়ে শোনা, আমল করা
পিতা-মাতার সাথে উফ শব্দও না করা, নরম গলায় কথা বলা, খেদমত করা
উস্তাদের সাথে সামনে উঁচু গলায় কথা না বলা, ভুল ধরার আগে ১০ বার ভাবা
মানুষের সাথে সালাম দেওয়া, হাসিমুখ, গীবত না করা, ওয়াদা রাখা

শরাফত মানে কী?
শরাফত = ভদ্রতা, আভিজাত্য, বড় মনের পরিচয়।

ছোটলোকি, খোঁচা মারা, ঝগড়া, গালি — এগুলো শরাফতের খেলাফ। ইমাম শাফিঈ রহ. বলতেন: "যে ব্যক্তি নিজের সম্মান রক্ষা করতে চায়, সে যেন বেহুদা তর্ক ছেড়ে দেয়"।

আদব-শরাফত আর খুলুছিয়াতের সম্পর্ক খুলুছিয়াত না থাকলে আদবটা হয়ে যায় লোক দেখানো — "মানুষ কী বলবে" এই ভয়ে ভদ্র সাজা।
খুলুছিয়াত থাকলে আদবটা হয় আল্লাহর জন্য — কারণ মুমিন জানে, আল্লাহ বে-আদবকে পছন্দ করেন না।
হাসান বসরী রহ. বলতেন: "দ্বীনের অর্ধেক হলো আদব"।

ছোট্ট একটা ঘটনা
একবার এক বুযুর্গের মজলিসে এক যুবক পা ছড়িয়ে বসলো। সবাই রাগ হলো, কিন্তু বুযুর্গ কিছু বললেন না। মজলিস শেষে যুবককে আলাদা ডেকে বললেন: "বেটা, তোমার পায়ে কি ব্যথা? কষ্ট হলে বলো, বালিশ এনে দিই"। যুবক লজ্জায় কেঁদে দিল। এটাই শরাফত — ভুল ধরাও আদবের সাথে।

আজকের যুগে আদবের সংকট সবচেয়ে বেশি। মোবাইল-সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা কথায় কথায় মানুষকে ছোট করি, উস্তাদ-মুরুব্বির সামনে তর্ক করি। অথচ আল্লাহর ফযল পাওয়ার রাস্তা হলো আদব।

ইমাম আবু হানিফা রহ. বলতেন: "আমি আদব শিখেছি ২০ বছর, আর ইলম শিখেছি ১০ বছর

৯০ দিনব্যাপী বিশেষ মাহফিল / আর ৯ দিন বাকি

image

4 hrs

হয়ত কোনো মেঘলা ভোরে
চলে যাবো আমি ওপারে
সেদিন আমায় সাহস দিয়েন মা
বলে দিয়েন কবরের তালক্বীন
আম্মাজী ও আমার আম্মাজী
স্বপ্নগুলো ক্ববুল করে নিন 💝

মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফের বদলে খোদায়ী গযব ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হিন্দুত্ববাদি ভারতের হিমাচল প্রদেশে পুরো গ্রাম জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে। নিহত হয়েছে অসংখ্য।

image

মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফের বদলে খোদায়ী গযব ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হিন্দুত্ববাদি ভারতের হিমাচল প্রদেশে পুরো গ্রাম জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে। নিহত হয়েছে অসংখ্য।

image

হয়ত কোনো মেঘলা ভোরে
চলে যাবো আমি ওপারে
সেদিন আমায় সাহস দিয়েন মা
বলে দিয়েন কবরের তালক্বীন
আম্মাজী ও আমার আম্মাজী
স্বপ্নগুলো ক্ববুল করে নিন 💝