Best Web Development Company in India: How to Choose the Right Technology Partner in 2026

A business website is no longer just an online brochure. Today, it is often the first place where potential customers learn about your brand, compare your services, and decide whether to contact you.
According to Forrester Research, nearly 89% of buyers research online before making a purchase decision. At the same time, Google reports that users expect a webpage to load in just a few seconds. If it takes longer, many visitors leave without exploring further. Read more at:- https://codechaps.com/blog/bes....t-web-development-co

মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবিউল আউওয়াল শরীফ (১৪৪৮ হিজরী) বাকি আর মাত্র ২০ দিন।

image

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল মহাসম্মানিত বুলন্দী শান মুবারক

সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পরিপূর্ণ ক্বায়িম মাক্বাম। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের যতো শান-মান, খুছূছিয়াত মুবারক রয়েছেন, সমস্ত শান-মান, খুছূছিয়াত মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি। সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, খুছূছিয়াত মুবারক বুঝার জন্য স্বাভাবিকভাবে যেই বিষয়টি বলা হয়, তা হচ্ছেন- মহান আল্লাহ পাক তিনি জলীলুল ক্বদর নবী ও রসূল হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিতা আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার শান মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন,
لَيْسَ الذَّكَـرُ كَالْاُنْـثٰى
অর্থ: “তিনি এমন একজন সম্মানিতা মহিলা যে, উনার সমকক্ষ কোনো পুরুষও নেই অর্থাৎ কোনো পুরুষও উনার সমকক্ষ নয়।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৬)
অর্থাৎ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রূহিল্লাহ আলাইহাস সালাম (হযরত মারইয়াম আলাইহাস সালাম) উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক এতো বেমেছাল যে, তিনি পূর্ববর্তী সমস্ত মহিলা উনাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক উনার অধিকারিণী তো অবশ্যই, শুধু তাই নয়; বরং উনার সমকক্ষ কোনো পুরুষও নেই। সুবহানাল্লাহ! উনার শান মুবারক-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
وَاِذْ قَالَتِ الْمَلٰٓئِكَةُ يٰـمَرْيَـمُ اِنَّ اللهَ اصْطَـفٰىكِ وَطَهَّرَكِ وَاصْطَـفٰىكِ عَلـٰى نِسَآءِ الْعٰلَمِـيْـنَ
অর্থ: “আর যখন হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রূহিল্লাহ আলাইহাস সালাম! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে মনোনীত করেছেন, আপনাকে পবিত্রা করেছেন। শুধু এতটুকু নয়; বরং সমস্ত আলমের সকল মহিলা উনাদের উপর আপনাকে মনোনীত করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৪২)
অর্থাৎ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রূহিল্লাহ আলাইহাস সালাম তিনি পূর্ববর্তী পুরুষ-মহিলা উনাদের সকলের মাঝে শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক উনার অধিকারিণী ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
يٰـنِسَآءَ النَّبِـىِّ لَسْتُـنَّ كَاَحَدٍ مِّنَ النِّسَآءِ
অর্থ: “হে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা কোনো পুরুষ-মহিলা অর্থাৎ সৃষ্টির কারো মতো নন। অর্থাৎ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রূহিল্লাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকেও শ্রেষ্ঠ।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩২)
সুতরাং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রূহিল্লাহ আলাইহাস সালাম তিনি পূর্ববর্তী পুরুষ-মহিলা উনাদের সকলের মাঝে শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক উনার অধিকারিণী ছিলেন। আর সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রূহিল্লাহ আলাইহাস সালাম তিনিসহ সৃষ্টির শুরু থেকে এই পর্যন্ত যতো মহিলা তাশরীফ মুবারক এনেছেন এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত যতো মহিলা তাশরীফ মুবারক আনবেন উনাদের সকলের উপরে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক তো অবশ্যই; সাথে সাথে সমস্ত পুরুষ যাঁরা রয়েছেন উনাদের থেকেও উনারা শ্রেষ্ঠ। সুবহানাল্লাহ! যা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সমস্ত সৃষ্টিকে জানিয়ে দিয়েছেন। কাজেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা কোনো পুরুষ-মহিলা অর্থাৎ সৃষ্টির কারো মতো নন, সে যেই হোক না কেন। সুবহানাল্লাহ!
আর উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পরিপূর্ণ ক্বায়িম মাক্বাম। এই সম্পর্কে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি স্বয়ং নিজে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার নিসবত মুবারক সরাসরি সমস্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে। তবে বিশেষভাবে উনার নিসবত মুবারক হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে এবং সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার সাথে।” সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম!
তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের হাক্বীক্বী ক্বায়িম মাক্বাম হওয়ার জন্য যতো ইলিম-কালাম, আক্বল-সমঝ এবং নিসবত মুবারক যা কিছু প্রয়োজন যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উম্মুল উমাম তোমাদের হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনাকে সমস্ত কিছুই হাদিয়া মুবারক করেছেন।” সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম!
ক্বায়িম মাক্বামে উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ৬ই শা’বান শরীফ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি সকালে ছাত্রীদের ক্লাস করিয়ে পবিত্র হুজরা শরীফে এসে বিশ্রাম মুবারক নিচ্ছিলেন। তখন তিনি স্বপ্ন মুবারক-এ দেখেন যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সাল্লাম উনারা এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা উনাদের পক্ষ থেকে উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিলাফত মুবারক হাদিয়া করেন। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম!) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিলাফত মুবারক উনার নিদর্শন মুবারক স্বরূপ অর্থাৎ উনারা যে উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিলাফত মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন, তার নিদর্শন মুবারক স্বরূপ একটি স্টীলের চাবি মুবারক কুদরতীভাবে উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাত মুবারক-এ) এসে পৌঁছেছেন। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম!)
তিনি বলেন- ‘তখন মনে হচ্ছিল লোকেরা জানতে চাচ্ছে যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিলাফত মুবারক যে লাভ করলেন, তার নিদর্শন মুবারক কী?’ তখন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক-এ চাবিখানা দেখিয়ে বলেন, ‘এই যে দেখ- আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিলাফত মুবারক উনার নিদর্শন মুবারক রয়েছেন।’ এটা বলে তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাত মুবারক-এ) মুষ্টিবদ্ধ করে ধরে রাখা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিলাফত মুবারক উনার নিদর্শন মুবারক স্বরূপ সেই চাবিখানা দেখালেন। সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম!
এরপর তিনি বলেন- ‘আমি উক্ত স্বপ্ন মুবারক উনার মধ্যেই দেখতেছি যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সাল্লাম উনাদের এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের তরফ থেকে একখানা আসন মুবারক আমাকে হাদিয়া মুবারক করা হলো এবং আসন মুবারক-এ বসিয়ে দেয়া হলো। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর উনারা বললেন, আপনি এখন থেকে এই আসন মুবারকে বসে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিলাফত মুবারক পরিচালনা করবেন।” সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম! (পক্ষিক আঞ্জুমানে আল বাইয়্যিনাত)
তাহলে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, উম্মুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল তা ভাষায় প্রকাশ করা কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম! এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারিণী হচ্ছেন তিনি। সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম!

উম্মু সুলত্বানিন নাছীর আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল নিসবত মুবারক প্রকাশ

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ১৪ই মুহররমুল হারাম শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “কালকে একটা ঘটনা মুবারক ঘটেছেন। বুঝতে পারলে? বললে ঈমান থাকবে তোমাদের? বলো দেখি। হ্যাঁ? ঈমান থাকবে?
(আরজী: অবশ্যই থাকবে।)
আমি দেখতেছি এটা ১২ তারীখে অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই মুহররমুল হারাম শরীফ-এ। একটা দোতালা বাড়ী। আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আম্মা আলাইহাস সালাম যিনি উনি আছেন ওখানে। উনি কি একটা কাজ করতেছেন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। আমি গেলাম। উনার বাম পাশে একটা বাচ্চা মেয়ে। মেয়েটিকে আমি দেখিনি। আমি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আম্মা আলাইহাস সালাম উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘কে এইটা?’ উনি বললেন, ‘খাদিমা।’ আচ্ছা; ঠিক আছে। উনার ডান দিকে ফকীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনি। উনার বয়স সাত-আট বছর। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আম্মা আলাইহাস সালাম উনি আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন যে, ‘উনি হচ্ছেন ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু।’ আমি খুব খুশি হলাম। ভালো। আমি বললাম, ‘ভালো হয়েছে।’ আমি ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে বললাম, ‘আপনি তো আপনার হাত মুবারক দ্বারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে স্পর্শ করেছেন, তাই আপনার হাত মুবারক-এ বুছা দেয়া দরকার। আপনার হাতটা দেখি।’ উনি বললেন, ‘না।’ হাত মুবারক দিলেন না বুছা দিতে। তারপর আমি বললাম, ‘আপনি তো ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ শিখেছেন। তাহলে এখান থেকে আমাকে কিছু জানান। আমি বুঝতে না বুঝতেই উনি এসে আমার ক্বদম বুছি মুবারক করলেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) উনার কাছে একটা কি জিনিস ছিলো। উনি ঐটা রেখে এসে এই কাজ করেছেন। আমি বাধা দিয়েছিলাম। উনি বললেন, ‘না; আমার করতে হবে।’ উনি জোর করেই করলেন। পরে বসলাম। আলাপ করতেছিলাম। আমি বললাম, ‘আপনি তো ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার কাছ থেকে পুরো তফসীর পড়েছেন। আমাকে কিছু তফসীর বলেন।’ উনি বললেন, ‘আচ্ছা; বলবো।’ এমন সময় দেখি আবার হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনি আসছেন। উনার বয়স ৯-১০ হবে। উনি একটু দূরে। একটা কল আছে ওখানে হাত পা মুবারক ধুইতেছেন। এই অবস্থাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলো। ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনি হালকা-পাতলাই ছিলেন, হালকা-পাতলা, ৭-৮ বছর বয়স। বললাম- ‘আপনি শিখেছেন ওখান থেকে।’ উনি বললেন- ‘হ্যাঁ; শিখেছি তো।’ আমাদেরকে বলেন কিছু। আমি বললাম- ‘আমরা তো মহাসমস্যায় আছি। কোন সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ কখন নাযিল হয়েছেন, কি নাযিল হয়েছে, কোনো কিতাবে পাওয়া যায় না। তাফসীরটা কি বলেন।’ উনি বললেন- ‘হ্যাঁ; বলবো।’ পরে আর বলার সময় হয়নি। তখন ঘুম ভেঙ্গে গেলো। উনি নিজেই বলেছেন যে, উনি ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার কাছে পুরা তফসীর পড়েছেন। বলেছিলাম- ‘আপনার হাত মুবারকটা একটু দেন, আমি বুছা দেই। যেহেতু এই হাত মুবারক দিয়ে আপনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে স্পর্শ মুবারক করেছেন।’ বুছা আর দেওয়া হয়নি পরে। এখন নিসবত-কুরবত ছাড়া তো হয় না।
হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনি এবং হযরত ফক্বীহুল উম্মত রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনি অর্থাৎ উনারা দুইজন। আর ঐদিকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনি। উনারা এই তিনজন সরাসরি বলেছেন, ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ কোথায়, কখন, কি নাযিল হয়েছেন, সব আমরা জানি।’ উনাদের তিনজনের থেকে এই বক্তব্য মুবারক আছে। অন্যান্যদেরও আছে। উনারা ৩ জন সরাসরি বলেছেন।
(আরজী: দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার দুনিয়াবী দৃষ্টিতে বয়স মুবারক তো অনেক ছিলেন। কেমন দেখেছেন?)
জবাব মুবারক: স্বাভাবিকই দেখেছি। স্বাভাবিক মানে পঞ্চাশ-ষাট বছর এই রকম।
(আরজী: দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনি পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন?)
জবাব মুবারক: হ্যাঁ; পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। আমি গেলাম, দেখলাম। বললাম, ‘কে?’ উনি বললেন যে, ‘উনি ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু।’ এইভাবে বলেছেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) আমি দেখলাম, খুশি হলাম। উনিও খুশি হলেন। খুব ভালো। উনার বয়স ৭-৮ বছর হবে।
(আরজী: মেয়েটা তো দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার খেদমত করতে এসেছেন। উনি কে?)
জবাব মুবারক: উনি দেখা করতে এসেছেন। ঐ যে বাচ্চা মেয়াটাকে আমি দেখিনি। মহাসম্মানিত আম্মা আলাইহাস সালাম উনি বলেছেন, ‘খাদেমা।’
বাড়িটা অনেক বড়। বারান্দাটাও বেশ বড়, খোলামেলা মোটামুটি। সামনে হাত-মুখ ধোওয়ার জন্য জায়গা আছে। মানুষের বাড়ি-ঘরে যেরকম থাকে না? বেসিন, কল থাকে যেরকম। একটা খোলা বারান্দা। ওখানে কোনো লোকজন নেই। উনি সেখানে দাঁড়ানো। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আম্মা আলাইহাস সালাম উনি পরিচয় করিয়ে দিলেন, উনি ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাস‘ঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু। দেখলাম, উনি আমার দিকে তাকালেন। উনি খুশি হলেন। আমি খুশি হলাম। সব ঠিক আছে। খুব ভলো হয়েছে। উনার কাছে একটা কি জিনিস ছিলো। উনি ঐটা রেখে এসে এই কাজ করেছেন। আমি বাধা দিয়েছিলাম। পরে উনাকে নিয়ে এক জায়গায় বসলাম। বসে আলাপ করতেছিলাম। এর মধ্যে দেখি সামনে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনি আসছেন। ওখানে সামনে গিয়ে একটা কল আছে। ওখানে উনি হাত-পা ধুইতেছেন। এরপর ঘুম ভেঙ্গে গেছে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার বয়স ৯-১০ বছর।
মূলত আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ক্বায়িম মাক্বামে উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের মালিক হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! তাই উনার সম্পর্কে জানা এবং সেই
অনুযায়ী উনার তা’যীম-তাকরীম মুবারক, ছানা-ছিফত মুবারক করা এবং গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়া সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মু সুলত্বানিন নাছীর আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার প্রতি হাক্বীক্বী বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ ও হুসনে যন মুবারক পোষণ করার, উনার যথাযথ তা’যীম-তাকরীম মুবারক করার, ছানা-ছিফত মুবারক করার এবং গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

আবূ সুলত্বানিন নাছীর আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার একখানা মহাসম্মানিত বড় মাক্বাম মুবারক প্রকাশ

ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১০ই জুমাদাল ঊলা শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি ওই দিন আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আব্বা আলাইহিস সালাম উনাকে স্বপ্ন মুবারক-এ দেখলাম। দেখলাম, উনি এখানে এসেছেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে উনাকে একখানা বড় মাক্বাম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) একখানা বড় দায়িত্ব মুবারক দেওয়া হয়েছে। উনি খুব দামী কাপড় পরিধান মুবারক করে এসেছেন। অনেক গাড়ি এসেছে। উনাকে গার্ড অব অনার অর্থাৎ অত্যন্ত সম্মানের সাথে পাহাড়া দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে উনাকে একটা বড় দায়িত্ব মুবারক দেওয়া হয়েছে। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) উনি খুব দামী কাপড় মুবারক পরিধান করে আছেন। উনি যাচ্ছেন, সামনে গাড়ি আছে। অনেক হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং জিন-ইনসান সবাই উনাকে অত্যন্ত সম্মানের সাথে পাহাড়া দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
আমি দূরে থেকে দেখতেছি। তখন রাস্তা থেকে একজন লোক আসলো, উনি ঐ লোককে বাই‘আত করালেন। তারপর গাড়িতে গিয়ে উঠতেছেন। আমি বললাম- ‘ব্যাপার কী?’ বলা হলো যে, ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে উনাকে একটা বিশেষ দায়িত্ব মুবারক দেওয়া হয়েছে। ওই দায়িত্ব মুবারক পালন করার জন্য উনি যাচ্ছেন।’ (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
উনি অনেক দামী কাপড় মুবারক পরিধান করে আছেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এমনে কোর্তা মুবারক, নিচে সম্ভবত সেলোয়ার হতে পারে, আমি যতোটুক বুঝেছি। কোর্তা মুবারক লম্বা হওয়ার কারণে বুঝা যায় না। উপরে অনেক দামী একটা জুব্বা মুবারক। অনেক সোনালী কারুকার্য করা। আর উনার দুই পাশে অত্যন্ত সম্মানের সাথে পাহাড়া দিয়ে বিরাট একটা গাড়িতে করে উনাকে নিয়ে যাচ্ছে। খুব ভালো। দেখলাম- উনাকে বিরাট একটা মাক্বাম মুবারক দেয়া হয়েছে। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) আমি তো সেটাই বলে থাকি যে, মানুষ তো আর মাক্বাম সম্পর্কে বুঝে না।
অনেক দামী কাপড়। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) উপরে যে জুব্বা মুবারক পরা, অনেক দামী জুুব্বা মুবারক। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) সোনালী কারুকার্য করা। আর অনেক ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা, জিন-ইনসান সবাই দাঁড়িয়ে রয়েছে। অত্যন্ত সম্মানের সাথে পাহাড়া যেরকম দেয়া হয়, ঐ রকম অত্যন্ত সম্মানের সাথে পাহাড়া দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সামনে গাড়িটা আমি দেখলাম- অনেক বড় একটা গাড়ি। ঐটা দিয়ে নিয়ে যাবে। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) আমি বললাম- ‘কি ব্যাপার?’ বলা হলো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি উনাকে একটা দায়িত্ব মুবারক দিয়েছেন, একখানা সম্মানিত বড় মাক্বাম মুবারক দিয়েছেন, সেই সম্মানিত মাক্বাম মুবারক-এ গিয়ে উনি উনার দায়িত্ব মুবারক পালন করবেন, সেজন্য যাচ্ছেন।’ (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) সেজন্যই বলে থাকি যে, নিসবত-কুরবত তো অন্য বিষয়।” সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!
মূলত আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন ক্বায়িম মাক্বামে আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের মালিক হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! তাই উনার সম্পর্কে জানা এবং সেই
অনুযায়ী উনার তা’যীম-তাকরীম মুবারক, ছানা-ছিফত মুবারক করা এবং গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়া সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আবূ সুলত্বানিন নাছীর আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত দাদা হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি হাক্বীক্বী বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ ও হুসনে যন মুবারক পোষণ করার, উনার যথাযথ তা’যীম-তাকরীম মুবারক করার, ছানা-ছিফত মুবারক করার এবং গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

‘আমার সম্মানার্থে সারা পৃথিবী, সমস্ত কায়িনাতকে মসজিদ এবং পবিত্র করা হয়েছে’

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ১লা সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ লাইলাতুস সাবত শরীফ (শনিবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন,
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْـرَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فُضِّلْتُ عَلَى الْاَنْۢبِيَاءِ بِسِتٍّ اُعْطِيْتُ جَوَامِعَ الْكَلِمِ وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ وَاُحِلَّتْ لِــىَ الْغَنَائِمُ وَجُعِلَتْ لِـىَ الْاَرْضُ مَسْجِدًا وَّطَهُوْرًا وَاُرْسِلْتُ اِلَـى الْـخَلْقِ كَافَّةً وَخُتِمَ بِـىَ النَّـبِـيُّـوْنَ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, অন্যান্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের উপর আমাকে বিশেষ করে ৬টি বিশেষ খুছূছিয়াত বা বৈশিষ্ট্য মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। যথা: (১) আমাকে সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে, (২) আমাকে সম্মানিত রো’ব মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে, (৩) আমার জন্য গণীমতের মালকে হালাল করা হয়েছে, (৪) আমার জন্য, আমার সম্মানার্থে সারা পৃথিবী, সমস্ত কায়িনাতকে মসজিদ এবং পবিত্র করা হয়েছে, (৫) আমি সমস্ত সৃষ্টির জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে প্রেরিত হয়েছি এবং (৬) আমার দ্বারা হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের আগমনের ধারা বন্ধ করা হয়েছে। অর্থাৎ আমার পরে নতুন করে কোনো নবী-রসূল আগমন করবেন না।” সুবহানাল্লাহ! (মুসলিম শরীফ, মেশকাত শরীফ)
আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনেই বসা ছিলাম। তিনি বললেন,
وَجُعِلَتْ لِـىَ الْاَرْضُ مَسْجِدًا وَّطَهُوْرًا
“আমার জন্য, আমার সম্মানার্থে সারা পৃথিবী, সমস্ত কায়িনাতকে মসজিদ এবং পবিত্র করা হয়েছে।”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, ‘আমার সম্মানার্থেই এটা করা হয়েছে। আমার সম্মানার্থে এটা করা হয়েছে।’
এখন ‘মুত্বহ্হির বা পবিত্রতাদানকারী’ এটা তো স্বাভাবিক একটা কথা। উনি তো এর চেয়ে কোটিগুণ উর্ধ্বে।
প্রত্যেক হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের যামানায় তরতীব ছিলো- উনারা ইবাদত খানায় ইবাদত করলে ক্ববূল হতো। কিন্তু একমাত্র নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি যখন যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক আনলেন, উনার সম্মানার্থে আপসেআপ সব পবিত্র হয়ে গেলো। যমীন সব মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক হয়ে গেছেন। বিশেষ মাহফিল তো হচ্ছেই। আমি মাহফিলের সময় তো সব খোঁজ নেই। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি কতটুকু খুশি হলেন। উনি খুশি হন। কারণ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বুলন্দী শান-মান মুবারক যত প্রকাশ করা যায়, উনি তত খুশি হন।” সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!

‘২৪ ঘন্টা দায়িমীভাবে আমার দুটি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবত মুবারক রয়েছেন’ ২

ছাহিবে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে মুহররমুল হারাম শরীফ লাইলাতুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি আমাকে বলেছেন, উনি আমাকে উনার সবচেয়ে বেশি নৈকট্য মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন।” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
তাহলে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার কত বেমেছাল মহাসম্মানিত তা‘য়াল্লুক্ব-নিসবত মুবারক, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে। এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের মালিক হচ্ছেন তিনি। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)

‘২৪ ঘন্টা দায়িমীভাবে আমার দুটি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবত মুবারক রয়েছেন’ ১

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১লা সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ) লাইলাতুস সাবত শরীফ (শনিবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “অনেকগুলো বিষয় আমি বলেছি। অনেকগুলো বিষয় রয়েছে যা ভাষা দিয়ে বুঝানো যায় না। যতটুকু বুঝানো যায় ততটুকু বলা হয়। তাহলে সেটা শুনে মনে রেখো। তোমাদের ঈমানী কুওয়াত বৃদ্ধির জন্য বলা। তোমরা বাই‘আত হয়েছো কোথায়? কার কাছে বাই‘আত হলে? শুনো, জানো। ঈমানী কুওয়াত বৃদ্ধি হবে। এই জন্য বলা। না বললে জানবে কিভাবে?
যেমন- একখানা ঘটনা বললাম যে, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি বলেছেন যে, ‘আফযালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বদম মুবারক) উনার নিচে উনার মাথা মুবারক রেখেছেন। আর আফযালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার ক্বদম মুবারক উনার নিচে হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার মাথা মুবারক রেখেছেন।’ ঠিক আছে। অনেক ফযীলত।
এখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম উনার বিশেষ সাক্ষাৎ মুবারক-এ উনাকে আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লøাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি তাহলে সরাসরি আপনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বদম মুবারক) আমার মাথা মুবারক-এ তুলে দিন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম উনি সরাসরি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক আমার মাথা মুবারক-এ তুলে দিলেন। এভাবে অনেকদিন অতিবাহিত হলো অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবে অতিবাহিত হলো। কিছু দিন পর মাথা ব্যাথা শুরু হলো। পর্যায়ক্রমে তা প্রচণ্ড আকার ধারণ করলো। তখন আমি মাথা ব্যাথার কারণে হাজার হাজার ওষুধ খেয়েছি; কিন্তু মাথা ব্যাথা সারেনি। নাপা ট্যাবলেট মনে হয় কয়েক হাজার খেয়েছি আমি। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি আমাকে বললেন যে, ‘আরে এটা সারবে না; কোনো দিন সারবে না। কারণ আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক উনার তাছীর মুবারক-এ আপনার এই মাথা ব্যাথা। আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক মাথা থেকে আপনার কোল মুবারক-এ নিলে সেরে যাবে।’ আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম উনার সরাসরি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক আমার কোল মুবারক-এ নিলাম। সাথে সাথে আমার মাথা ব্যাথা সেরে গেলো। এখন তো ওষুধ খাই না। এখন এটার ফায়ছালা মুবারক কী? মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওহী মুবারক নাযিল হলে সমস্ত শরীর জর্জরিত হয়ে যেতো। মনে হয় যে, চুরমার হয়ে যাচ্ছে। সেই রকম হয়েছিলো। এখন তো আমার ওষুধ খেতে হয় না। এই বিষয়গুলি মানুষ কি বুঝবে?
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম উনি সরাসরি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক আমার মাথা মুবারক-এ তুলে দিলেন। আমার অনেক দিন মাথা ব্যাথা ছিলো। উনি বললেন, ‘কোনো দিন সারবে না মাথা ব্যাথা। কোল মুবারক-এ নিতে হবে।’ আমি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক আমার কোল মুবারক-এ নিলাম। নেওয়ার সাথে সাথে আমার মাথা ব্যথা সেরে গেলো। এখন আর ওষুধ খাই না আমি। মনে হয় কয়েক বান্ডেল বা প্যাকেট নাপা খেয়েছি। এরকম বড় বড় প্যাকেট শেষ হয়ে গেছে। দিনে ৬টা-৮টা করে নাপা খেয়েছি। এখন তো আর ব্যাথা নেই। এখন এটার কী ফায়ছালা? এটা কী বুঝবে তোমরা? কি বুঝেছো বলো দেখি?
২৪ ঘন্টা দায়িমীভাবে আমার দুটি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবত মুবারক রয়েছেন- (১) একটা হচ্ছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি সারাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার নূরুল ইলিম মুবারক-এ (সিনা মুবারক-এ), আর আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইলিম মুবারক-এ (সিনা মুবারক-এ) ২৪ ঘন্টা দায়িমীভাবে। (২) আর দ্বিতীয় হচ্ছে যে, সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বদম মুবারক) আমার কোল মুবারক-এ। এই দুইটা দায়ীমী। এছাড়া আরো অতিরিক্ত নিসবত মুবারক আছে। অবস্থা অনুযায়ী। এখন এটা মানুষ কি ব্যাখ্যা করবে? এরা কোনো দিন আমার সাথে পারবে না। ইনশাআল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক আমার কোল মুবারক-এ এটা হচ্ছে ২৩ জনের যেই বেষ্টনী মুবারক রয়েছেন, সেই বেষ্টনী মুবারক উনার ভিতরে। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার নূরুল ইলিম মুবারক-এ (সিনা মুবারক-এ), আর আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইলিম মুবারক-এ (সিনা মুবারক-এ) ২৪ ঘন্টা দায়িমীভাবে। এটা হচ্ছে ২৩ জনের বেষ্টনী মুবারক উনার অনেক উপরে। অর্থাৎ দুইটা দুই দিকে।” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)

‘আমি অনেক খুশি হয়েছি। আরো বেশি করলে, আরো বেশি খুশি হবো।’ ৪

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৫ই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ লাইলাতুস সাব্ত শরীফ (শনিবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সন্তুষ্টি মুবারক ছাড়া আর কিছু আছে? কিছু নেই।
আমি তো সেটাই বললাম যে, আমি সারা দিন ফিকির করলাম যে, কি বলেন। ঠিক পবিত্র ছলাতুল মাগরিব উনার পবিত্র আযান মুবারক হলো, তিনি খুশি প্রকাশ করলেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি যে খুশি হয়েছেন এটা কি আমি বলে দিবো? উনি বললেন, ‘হ্যাঁ।’ (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) আবার ঠিক ভোর রাতে দেখলাম, উনি অনেক বেশি খুশি। উনি বললেন, ‘আমার জন্য আরো করলে, আমি আরো বেশি খুশি হবো।’ (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) যে, আরো বেশি করলে আরো বেশি খুশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
তাহলে আরো করতে হবে। সেটাই বললাম, আমরা দেড় গুণ করতেছি। দেড় গুণের প্রস্তুতি গ্রহণ করো। সবাই কোশেশ করো। এখন তোমরা শত শত, হাজার হাজার গাড়ীর ব্যবস্থা করো।” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি এই ঘোষণা মুবারক দিয়েছেন যে, তিনি এক সময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে সারা ঢাকা শহর, সারা দেশ, সারা পৃথিবী; এমনকি সম্মানিত জান্নাত মুবারকসহ সারা কায়িনাত সাজাবেন এবং এ দেশবাসী ও পৃথিবীর সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সবাইকে মেহমানদারী করে খাওয়াবেন; এমনকি জান্নাতবাসী উনাদেরকেও খাওয়াবেন। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন যে, “পৃথিবীতে ৬০০ কোটি মানুষ রয়েছে। যেদিন আমরা শুধু কোটি কোটি কন্ঠে পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিল মুবারক উপলক্ষে ১২০০ কোটি তাবারুকের প্যাকেট করবো, সেদিন থেকে হাক্বীক্বীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা শুরু হবে।” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)

‘আমি অনেক খুশি হয়েছি। আরো বেশি করলে, আরো বেশি খুশি হবো।’ ৩

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৪ই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ ইয়াওমুল জুমু‘আহ্ শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আলোচনা মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফ অতিবাহিত হলো, বললে মানুষ তো সব বুঝবে না। আমি পুরোটা সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ওখানে ছিলাম। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) উনি একটু খুশি হন, খুশি মুবারক প্রকাশ করেন। ছলাতুল মাগরিব উনার পবিত্র আযান হয়ে গেলো। তখন তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাক্বরীর মুবারক (তাবাস্সুম বা মুচকি হাসি মুবারক) দিয়ে বললেন যে, ‘আমি খুশি হয়েছি।’ (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) রাত্র গভীর হলো। ভোর রাত্রে তিনি অনেক খুশি মুবারক প্রকাশ করলেন। উনি বললেন, ‘আরো করলে, আমি আরো খুশি হবো।’ (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) আমি বলেছিলাম, ‘আমি কি এটা বলে দিবো?’ উনি বললেন, ‘হ্যাঁ; বলে দিন।’ উনি সবাইকে জানিয়ে দেওয়ার জন্য বলেছেন, আমি জানিয়ে দিলাম।” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)