2 hrs

আসসালামু আলাইকুম

2 hrs

আসসালামু আলাইকুম

2 hrs

সুওয়ালঃ কেউ কেউ বলে, ওয়াজিব কুরবানী দেওয়ার পড় সামর্থ থাকলে, ফরজ কুরবানী দিতে হবে। আবার কেউ কেউ বলে, ফরজ কুরবানী দেওয়ার পড় সামর্থ থাকলে ওয়াজিব কুরবানী দিতে হবে। মহাসম্মানিত নূরুদ দারাজাত মুবারক-এ জানতে বাসনা রাখি।

জাওয়াব মুবারক দিয়েছেনঃ সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম

2 hrs

সুওয়ালঃ দেশব্যাপী আনজুমানের কাজের জন্য আমিলদের সফরে পাঠানো হবে। মহাসম্মানিত নূরুদ দারাজাত মুবারক-এ জানতে বাসনা রাখি।

জাওয়াব মুবারক দিয়েছেনঃ সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম

2 hrs

সুওয়ালঃ কেউ কেউ বলে, আমি ব্যাক্তিগত ভাবে আমার বাসায় বা বাড়িতে ফরজ কুরবানী দিবো তাহলে দরবার শরীফে পৌঁছাতে হবে কেনো। তাদের ব্যপারে মহাসম্মানিত নূরুদ দারাজাত মুবারক-এ জানতে বাসনা রাখি।

জাওয়াব মুবারক দিয়েছেনঃ সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম

পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ মুসা আশয়া’রী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে আর যারা যিকির করেনা তাদের মেছাল জীবিত এবং মৃতের ন্যায়।
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়া পরিত্যাগ করে সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশিত তারতীব অনুযায়ী দায়েমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিলের কোশেশ করা।
, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়া পরিত্যাগ করে সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশিত তারতীব অনুযায়ী দায়েমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিলের কোশেশ করা।
আল-ইহসান প্রতিবেদন:

ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ মুসা আশয়া’রী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যারা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে আর যারা যিকির করেনা তাদের মেছাল জীবিত এবং মৃতের ন্যায়।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মর্মে বুঝা যায়, মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। বাহ্যিক দৃষ্টিতে জীবিত ব্যক্তি যেমন সমস্ত নিয়ামত ভোগ করতে পারে, মৃত ব্যক্তি কোনো নিয়ামত ভোগ করতে পারে না। তদ্রুপ যিকিরকারী ব্যক্তি সমস্ত নিয়ামত মুবারক অর্থাৎ রহমত, বরকত, সাকীনা লাভ করতে পারবে। অন্যদিকে যে ব্যক্তি যিকির করেনা সে কোনো রহমত-বরকত, সাকীনা লাভ করতে পারেনা এবং তার কোনো সম্মান-মর্যাদাও থাকেনা।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত উম্মুল মু’মিনীন হাদিয়া আশার আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সৎ কাজের আদেশ, অসৎ কাজ হতে নিষেধ অথবা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির ব্যতীত আদম সন্তানের প্রত্যেক কথাই তার জন্য ক্ষতিকর, কল্যাণকর নয়। এ কারণে পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির ব্যতীত অতিরিক্ত কথা বলো না। কেননা, অতিরিক্ত কথা বলার দ্বারা অন্তর কঠিন হয়ে যায়। আর যার অন্তর কঠিন হয়ে যায় সে মহান আল্লাহ পাক উনার থেকে দূরে সরে যায়। নাঊযুবিল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির না করার কারণে যাদের অন্তর কঠিন হয়ে গিয়েছে তাদের জন্য ধ্বংস বা জাহান্নাম। নাঊযুবিল্লাহ! আর তারা প্রকাশ্য গোমরাহীর মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ গোমরাহী থেকে বাঁচতে হলে সর্বদা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মশগুল থাকতে হবে। আর দায়েমীভাবে যিকির করা তখনই সম্ভব হবে যখন যিকির জারী করা হবে। তাই যিকির জারী না হওয়া পর্যন্ত যিকির জারী করার কোশেশ করতে হবে।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত মালিক বিন আনাস রহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার নিকট পৌঁছেছে নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, গাফিলদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে, পশ্চাতে পলায়নকারীদের মধ্যে বীরযোদ্ধাদের ন্যায় এবং গাফিলদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে, শুষ্ক গাছের মধ্যে কাঁচা ডালের ন্যায়। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, সবুজ গাছ শুষ্ক গাছের মধ্যে যেরূপ; গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলতও তদ্রুপ। গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে অন্ধকার ঘরে বাতির ন্যায়। আর গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলত বা মর্যাদা হচ্ছে, মহান আল্লাহ পাক তাকে (যিকিরকারীকে) জীবদ্দশায় জান্নাতের স্থান দেখাবেন। আর গাফিলদের মধ্যে যিকিরকারীর ফযীলত হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষ ও পশুর সংখ্যা পরিমাণ তার (যিকিরকারীর) গুনাহখতা ক্ষমা করে দিবেন। ফাছিহ দ্বারা উদ্দেশ্য আদম সন্তান এবং আ’যমু দ্বারা উদ্দেশ্য পশু। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- দুনিয়া পরিত্যাগ করে সম্মানিত শরীয়ত নির্দেশিত তারতীব অনুযায়ী দায়েমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাছিলের কোশেশ করা।

নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মৃত ব্যক্তিকে তালক্বীন দাও।’ সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর কবরে ‘তালক্বীন’ দেয়া পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ্ শরীফ উনার নির্দেশ মুবারক অর্থাৎ মুস্তাহাব-সুন্নত। সুবহানাল্লাহ! তালক্বীনের পরিবর্তে কবরে আযান দেয়া পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ্ শরীফ উনার খিলাফ হওয়ার কারণে বিদ্য়াত ও গুমরাহীর অন্তর্ভুক্ত।
, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর কবরে ‘তালক্বীন’ দেয়া পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ্ শরীফ উনার নির্দেশ মুবারক অর্থাৎ মুস্তাহাব-সুন্নত। সুবহানাল্লাহ! তালক্বীনের পরিবর্তে কবরে আযান দেয়া পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ্ শরীফ উনার খিলাফ হওয়ার কারণে বিদ্য়াত ও গুমরাহীর অন্তর্ভুক্ত।
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “মৃত ব্যক্তির কবরে আযান দেয়া জায়িয নেই। তা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার খিলাফ ও প্রকাশ্য বিদ্য়াতের অন্তর্ভুক্ত যা গুমরাহী। মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর তার কবরে ‘তালক্বীন’ দিতে হবে। যা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ্ শরীফ উনার নির্দেশ অর্থাৎ মুস্তাহাব-সুন্নত।” সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হযরত আবূ উমামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন তোমাদের কোন মুসলমান ভাই ইন্তিকাল করবে, তখন তাকে কবরে রেখে তার উপর ভালভাবে মাটি দিয়ে অর্থাৎ দাফন করে তার মাথার নিকট দাঁড়িয়ে বলবে, ‘হে অমুকের সন্তান অমুক’ তখন মৃত ব্যক্তি এটা শুনবে কিন্তু কোন জবাব দিবে না। তারপর বলবে, ‘হে অমুকের সন্তান অমুক’ এটা শুনে মৃত ব্যক্তি উঠে বসবে। অতঃপর আবার বলবে, ‘হে অমুকের সন্তান অমুক’ এটা শুনে মৃত ব্যক্তি বলবে কি বলছেন? (যদিও তার কথা শুনা যাবে না।) তখন তোমরা বলবে তুমি এসময় বলো (দুনিয়ায় থাকাকালীন অবস্থায় তুমি যার উপর কায়িম ছিলে) মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত অন্য কোন মাবুদ নেই, তিনিই একমাত্র প্রতিপালক। সম্মানিত ইসলাম তোমার দ্বীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমার মহাসম্মানিত নবী, পবিত্র কুরআন শরীফ তোমার পথ প্রদর্শক। এ সময় মুনকার এবং নকীর একে অপরের হাত ধরে বলবেন, এখান থেকে চলো। এর নিকট বসে কি করবে? একে তো আখিরাতের দলীল শিখিয়ে দেয়া হচ্ছে। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আর কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে, মাইয়্যিতকে দাফন করার পর উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ থেকে একজন প্রশ্ন করবে, র্মা রব্বুকা? অন্যান্য সবাই বলবে, রব্বিইয়াল্লাহ। এরপর বলবে, ওয়া মান নাবিয়্যূকা? অন্যান্য সকলেই বলবে, নাবিয়্যী রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অতঃপর বলবে, ওয়ামা দ্বীনুকা? সকলেই বলবে, দ্বীনিয়্যাল ইসলাম। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘তালক্বীন’ সম্পর্কে হাফিযুল হুফ্ফায, সুলতানুল আরিফীন হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, “যখন মৃত ব্যক্তিকে তালক্বীন করবে তখন তার মায়ের নাম নিয়ে বলবে, হে অমুকের সন্তান অমুক! তুমি বলো। আর যদি মায়ের নাম জানা না থাকে তাহলে হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম উনার নাম মুবারক ধরে বলবে যে, হে হযরত হাওয়া আলাইহাস সালাম উনার সন্তান অমুক! তুমি বলো, রব্বিইয়াল্লাহ ‘আমার রব আল্লাহ পাক।’ ওয়া দ্বীনিয়্যাল ইসলাম ‘আমার দ্বীন হচ্ছে ইসলাম।’ ওয়া নাবিয়্যী রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘আমার নবী হচ্ছেন হযরত রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যখন মৃত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে কবরে তালক্বীন দেয়া হয় তখন মুনকার ও নকীর ফেরেশ্তাদ্বয় পরস্পর পরস্পরের হাতে ধরে বলেন যে, তাকে প্রশ্ন করে কি হবে, তাকে তো সব শিখিয়ে দেয়া হয়েছে। চল আমরা চলে যাই। অর্থাৎ তালক্বীনের কারণে সে সুওয়াল-জাওয়াব থেকে নিষ্কৃতি ও নাযাত পায়।” সুবহানাল্লাহ্!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র শরীয়ত উনার উছূল হচ্ছে, যে আমল সম্পর্কে সরাসরি পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ্ শরীফ উনার নির্দেশ রয়েছে, সে আমল সম্পর্কে ক্বিয়াস করাই নিষিদ্ধ। অতএব, সে আমল সম্পর্কে ক্বিয়াস করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ্ শরীফ উনার নির্দেশের খিলাফ কোন মত বা প্রথা জারি করা সুস্পষ্ট গুমরাহী যা হারাম ও কুফরী।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কাজেই মৃত ব্যক্তির কবরে সুন্নত তরীক্বায় তালক্বীন দেয়া হচ্ছে খাছ মুস্তাহাব-সুন্নত। এখানে যদি কেউ তালক্বীনের শব্দগুলোর উপর ক্বিয়াস করে আযান দেয়ার প্রথা চালু করে তাহলে তা অবশ্যই বিদ্য়াতে সাইয়্যিয়াহ্ হবে। যা স্পষ্ট গুমরাহী, হারাম, নাজায়িয ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। যদি কেউ এরপরও ক্বিয়াস করে তাহলে সে উম্মতে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে। কারণ সাইর্য়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি দ্বীন ইসলামে এমন বিদ্য়াত চালু করলো যা আমাদের দ্বীন ইসলামে নেই তা অবশ্যই পরিত্যাজ্য।”

1 w

পবিত্র মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ বিরোধিরা এই প্রশ্নের উত্তর দাও
=================================================
অনুগ্রহ করে নিম্নে উল্লেখিত নামগুলো একটু পড়ুন- এবং দুইটি প্রশ্নের উত্তর দিন।
(১) হাফিজে হাদীস ইমাম জালালুদ্দীন সূয়ুতি রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
(২) হাফিজে হাদীস ইবনে হাজার আসক্বালানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
(৩) ইমামুল আইম্মাহ হযরত তকিউদ্দিন সুবুকী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
(৪) ইমামুল মুহাদ্দেসীন মুল্লা আলী ক্বারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
(৫) ইমামুল মুহাদ্দেসীন ইবনে হাজর হায়তামি রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
(৬) ইমামুল মুহাদ্দেসীন আব্দুল হক মুহাদ্দিস দেহলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি ।
(৭) হাফিজে হাদীস ইমাম জাওজী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
(৮) ইমামুল মুহাদ্দেসীন ইমাম সাখাবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
(৯) শায়খুল হিন্দ, ইমাম শাহ ওয়ালী উল্লাহ মুহাদ্দেস দেহলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
(১০) ইমামুল মুহাদ্দেসীন, শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিস দেহলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
(১১) হাফিজে হাদীস ইমাম কুস্তালানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
(১২) হাফেজে হাদিস ইবনে রজব রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
(১৩) মুফতীয়ে আযম আমিমুল ইহসান বরকতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি।
ভাইজানেরা, কেউকে যদি বলা হয় উপরে উল্লেখিত সবগুলা আলেমই বিদয়াতী ছিলো, এরা শরীয়তের কিছুই জনতো না, ফাসিক ছিলো, এদের অনুসরন করা যাবে না ইত্যাদি……..!!
১ম প্রশ্ন : এটা শুনে আপনি তখন কি জবাব দিবেন ?
উত্তরটা ঠিক করে নিয়ে দ্বিতীয় প্রশ্নটি পড়ুন-

↓২য় প্রশ্ন: উনারা সকলেই পবিত্র মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ করেছেন। পবিত্র মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম মরিফের পক্ষে কিতাব লিখছেন। আজীবন পবিত্র মীলাদ শরীফ মাহফিল সমর্থন করছেন। এখন আপনার প্রথম উত্তর আগের অবস্থানে আছে তো ???


#12shareef
#saiyidulaayaadshareef
#সাইয়্যিদুলআইয়াদশরীফ

image

1 y

পূর্ব প্রকাশিতের পর

বিবাহ সংঘটিত হওয়ার শব্দাবলী:

যে কোনো ভাষায় বিবাহ করা বা দেওয়া বুঝায় এমন সব শব্দে বিবাহ সংঘটিত হবে। যেমন বলা,

(زَوَّجْتُ أَوْ نَكَحْتُ) আমি বিবাহ করলাম বা বিবাহ দিলাম।

অথবা বলা, (قَبِلْتُ هٰذَا النِّكَاحَ) আমি এ বিবাহ কবুল করলাম।

অথবা (تَزَوَّجْتُهَا) আমি তাকে বিবাহ করলাম, বা (تَزَوَّجْتُ) আমি বিবাহ করলাম।

অথবা (رَضِيْتُ) এ বিবাহে আমি রাজি আছি।

আরবী ভাষার শব্দ ব্যবহার করা মুস্তাহাব। তবে যাদের আরবী ভাষা জানা নেই তারা তাদের ভাষায় প্রস্তাবনা ও কবুল করলেই বিবাহ সংঘটিত হবে।

বিবাহের রুকনসমূহ:

বিবাহের রুকন দু’টি। তা হলো:

১- প্রস্তাব (اَلْإِيْـجَابُ): অলী অর্থাৎ অভিভাবক অথবা যিনি তার স্থলাভিষিক্ত হবেন তার পক্ষ থেকে বিবাহ করার বা বিবাহ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া।

২- কবুল (اَلْقُبُوْلُ): আহাল বা তার স্থলাভিষিক্ত থেকে বিবাহ কবুল করার শব্দ। যেমন বলা, (قَبِلْتُ) আমি বিবাহ কবুল করলাম বা (رَضِيْتُ هٰذَا النِّكَاحَ) এ বিবাহে আমি রাজি আছি বা শুধু কবুল করেছি বলা।

ইজাব অর্থাৎ প্রস্তাব কবুলের আগে হতে হবে, তবে কোনো আলামত থাকলে আগে কবুল বললেও হবে।

বিবাহের শর্তাবলী:

বিবাহের শর্ত চারটি। তা হচ্ছে:

১- আহাল-আহলিয়া নির্ধারিত হওয়া।

২- আহাল-আহলিয়া উভয়ের সম্মতি থাকা। অতএব, আহাল-আহলিয়া কাউকে জোর করে বিবাহ দেওয়া জায়েয নেই। বাকেরা (কুমারী) ও সাইয়্যিবাহ (অকুমারী) উভয়ের অনুমতি নিবে।

মাসয়ালা: বাকেরার (কুমারীর) চুপ থাকা সম্মতির লক্ষণ। আর সাইয়্যিবাহ্র (অকুমারীর) মৌখিক সম্মতি নিতে হবে। পাগল ও নির্বোধের ক্ষেত্রে এটি শর্ত নয়।

৩- অভিভাবক: অভিভাবক পুরুষ, স্বাধীন, বালিগ (প্রাপ্তবয়স্ক), আকেল (জ্ঞানবান), বিচক্ষণ ও ন্যায়পরায়ণ হওয়া শর্ত। বিবাহের ক্ষেত্রে মেয়ের বাবা তার অভিভাবক হওয়ার দিক থেকে সর্বাধিক যোগ্য, অতঃপর বাবার অসিয়তকৃত ব্যক্তি, অতঃপর তার দাদা, এভাবে উর্ধতন দাদারা, অতঃপর তার ছেলে ও নিম্নতম ছেলেরা, তার সহোদর ভাই, অতঃপর তার বৈমাত্রেয় ভাই, অতঃপর এসব ভাইয়ের ছেলেরা, অতঃপর, আপন চাচা, অতঃপর বৈমাত্রেয় চাচা, অতঃপর তাদের সন্তানেরা, অতঃপর বংশীয় নিকটাত্মীয়রা, অতঃপর খলীফাহ অভিভাবক হবেন।

৪- সাক্ষ্য: ন্যায়পরায়ণ, পুরুষ ও সম্মানিত শরীয়ত উনার বিধান প্রযোজ্য (প্রাপ্তবয়স্ক) এমন দু’জন সাক্ষ্যের সাক্ষী ছাড়া বিবাহ শুদ্ধ হবে না।

উল্লেখ্য আহাল-আহলিয়া উভয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার জন্য সম্মানিত শরীয়ত উনার নিষেধাজ্ঞামুক্ত থাকা অর্থাৎ যাদের সাথে বিবাহ হারাম তাদের অন্তর্ভুক্ত না হওয়া। (অসমাপ্ত)

-আহমদ হুসাইন


article 49700 Al Ihsan.net

1 y

রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আর (আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি তাদেরকে (সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীকে) আইয়্যামুল্লাহ শরীফ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ দিনগুলো স্মরণ করিয়ে দিন, জানিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এই বিশেষ বিশেষ দিনগুলো উনাদের মধ্যে অবশ্যই প্রত্যেক শোকরগুজার ও ধৈর্যশীল বান্দা-বান্দীদের জন্য নির্দশন মুবারক রয়েছে।” সুবহানাল্লাহ! আর সেই মহাসম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ দিবসসমূহ উনাদের মধ্যে এক অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ বিশেষ দিবস হচ্ছেন মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এই মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফেই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আফদ্বালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ্শান নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সেই বৎসর ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ বার হিসেবে ইছনাইনিল আযীম শরীফ ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! সেই দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনারা এতো বেমেছাল খুশি মুবারক প্রকাশ করেছেন, যা কায়িনাতের মাঝে নযীর বিহীন। সুবহানাল্লাহ! শুধু তাই নয়, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং সমস্ত কায়িনাত সকলে তো অবশ্যই; এমনকি সেই দিন স্বয়ং যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনিও সম্মানিত খুশি মুবারক প্রকাশ করেছেন, ‘ফালইয়াফরহূ’ তথা সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এই মহাসম্মানিত ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফেই মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুন নাস, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইমামুছ ছাক্বালাইন, ইমামুল মুত্তাক্বীন, মালিকুল জান্নাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সেই বৎসর ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ বার হিসেবে ইছনাইনিল আযীম শরীফ ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এই মহাসম্মানিত ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফেই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রথমা বানাত সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আবুল আছ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ সম্পন্ন হন। সুবহানাল্লাহ! সেই বৎসর ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ বার হিসেবে ইছনাইনিল আযীম শরীফ ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, শুধু তাই নয়, এই মহাসম্মানিত ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ ইয়াওমুল আরবিয়াতে বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ, সাইয়্যিদু শাবাবী আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত সিবতু রসূল আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন।” সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাই সারা বিশ্বের সমস্ত মুসলমান, জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসীর জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে এই অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ বিশেষ দিবস ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ উনাকে অত্যন্ত তা’যীম-তাকরীম, যওক্ব, শওক্ব ও মুহব্বতের সাথে পালন বা উদযাপন করার জন্য এখন থেকেই সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা। সুবহানাল্লাহ! আর এই দেশসহ বিশ্বের সমস্ত সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে এই অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ বিশেষ দিবস ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ উনার সম্মানার্থে বিশেষভাবে সরকারি উদ্যোগে অত্যন্ত তা’যীম-তাকরীম, যওক্ব, শওক্ব ও মুহব্বতের সাথে এই অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ বিশেষ দিবস উনাকে পালন বা উদযাপন করার সার্বিক ব্যাবস্থা গ্রহণ করা এবং উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা। সুবহানাল্লাহ!

-০-


article 49678 Al Ihsan.net