image

কুয়েতে বিমান হামলার স্বীকারোক্তি দিলেন ইরানি পাইলট।

➡️ গত ১ মার্চ কুয়েতের ক্যাম্প বুহরিংয়ে হামলায় অংশ নেওয়া ইরানি এফ-৫ যুদ্ধবিমানের চালকদের সাক্ষাৎকার প্রচার করেছে ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।

➡️ সাক্ষাৎকারে চালকেরা দাবি করেন, তারা রাডারের নজর এড়াতে সম্পূর্ণ রেডিও নীরবতা বজায় রেখে মাত্র ১৫ মিটারেরও কম উচ্চতায় উড়ে লক্ষ্যবস্তুর দিকে অগ্রসর হন।

পথে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, তেল শোধনাগারসহ অন্যান্য সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে সরাসরি সামরিক ঘাঁটিটিকেই আঘাত করা হয়।

হামলার পর ঘাঁটির ভেতরে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড ও একাধিক বিস্ফোরণ দেখা যায়।

বিস্ফোরণের ফলে হেলিকপ্টারেও আগুন ধরে যায়।

➡️ এই হামলার ফলে কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে।

মজার বিষয় হলো, এর ফলে কুয়েতি প্রতিরক্ষা বাহিনী ভুলবশত ইরানে হামলার প্রস্তুতি নেওয়া তিনটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানকে শত্রু বিমান মনে করে ভূপাতিত করে।

হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা শূন্যে নামাতে বড় পরিকল্পনা নিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

➡️ হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা সম্পূর্ণভাবে শূন্যে নামিয়ে আনতে একটি “অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী কৌশল” বাস্তবায়ন করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এ লক্ষ্যে দেশটি ওমান উপসাগর উপকূলজুড়ে সরবরাহ ও রপ্তানি অবকাঠামো সম্প্রসারণ করছে বলে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ।

➡️ দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্যমন্ত্রী সানি আল জেইউদির মতে, এই পরিকল্পনার মূল অংশ হলো দিব্বা, ফুজাইরাহ এবং খোর ফাক্কান বন্দরের ব্যাপক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ।

➡️ একই সঙ্গে ফুজাইরাহ হয়ে অপরিশোধিত তেল রপ্তানির সক্ষমতা দ্বিগুণ করতে দ্বিতীয় একটি পাইপলাইন নির্মাণের কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

➡️ এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভর না করেই অপরিশোধিত তেল, পেট্রোরসায়ন পণ্য, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এবং অন্যান্য জ্বালানি পণ্যের রপ্তানি নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

➡️ তবে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন সময়সীমা বা সম্ভাব্য ব্যয় সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সূত্র: ব্লুমবার্গ

প্রশ্ন: সোমালিল্যান্ডে কি কোনো ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি হবে?

সোমালিল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি: এখন নয়।

প্রশ্ন: কিন্তু ভবিষ্যতে?

সোমালিল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি: সেই সম্ভবনা উড়িয়ে দিতে পারি না।

সূত্র: ইজরায়েলি চ্যানেল i24

পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اكرموا الـمحرم من اكرم الـمحرم اكرمه الله بالـجنة ونجاه من النار
অর্থ : “তোমরা পবিত্র মুহররম শরীফ মাসকে সম্মান কর। যে ব্যক্তি পবিত্র মুহররম শরীফ মাসক উনাকে সম্মান করবে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে জান্নাত দিয়ে এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ দিয়ে সম্মানিত করবেন।” সুবহানাল্লাহ!

মাত্র ছয়টি নেক আমলের মাধ্যমে পবিত্র আশুরা শরীফ উনাকে সম্মান করা যায়ঃ-

১। পবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে ৯ ও ১০দু’দিন রোযা রাখা!
২। রোযাদারদেরকে ইফতার করানো!
৩। পবিত্র আশূরা শরীফ এর দিন পরিবারবর্গকে ভালো খাওয়ানো!
৪। উক্ত দিনে নিয়ত করে গোসল করা!
৫। চোখে (ইছমিদ) সুরমা দেয়া!
৬। গরিবদের পানাহার করানো ও ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো!
সুবহানাল্লাহ

image

প্রশ্ন: আপনারা কোন দেশগুলোর সাথে এই অংশীদারিত্বগুলো বাড়াতে চাইছেন?

সোমালিল্যান্ডের রাষ্ট্রপতি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইসরায়েল এবং আরও অনেক দেশ।

সূত্র: i24

মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছেন,
তিনি এখন মার্কিন-ইরান সমঝোতাকে সমর্থন করেন। কারণ এটি হরমুজ প্রণালী খুলে দেবে এবং যুদ্ধ শেষ করবে।
_

প্রশ্ন: যুদ্ধ শুরু আগে তো এমনই ছিল, তাহলে যুদ্ধ কেন? অথচ এই ব্যক্তিই যুদ্ধটা শুরু করার জন্য এবং চালিয়ে নেয়ার জন্য ট্রাম্পকে প্রচুর তেল মেরেছিলেন

নিজেদেরকে সুপার পাওয়ার হিসাবে ঘোষণা দিল ইরান!

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন:

“ইরান দুটি পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্রকে পরাজিত করেছে, যাদের পেছনে আরও কয়েকটি দেশের সমর্থন ছিল।

তাই আমরা কোনো স্লোগান দিচ্ছি না; আমরা সত্যিই একটি সুপারপাওয়ার।”

📌 ১৭ ঘণ্টার টানটান আলোচনার পর টিকে গেল যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তি।

➡️ গত সপ্তাহে তেহরানে টানা ১৭ ঘণ্টার এক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তি প্রায় ভেস্তে যাওয়ার পরিস্থিতিতে পৌঁছেছিল।

➡️ আলোচনার সময় ইরানি প্রতিনিধিদল শেষ মুহূর্তে চুক্তির বিভিন্ন ধারা পরিবর্তনের দাবি জানায়।

➡️ একই সময়ে মধ্যস্থতাকারী কাতারের প্রতিনিধিরা একাধিকবার আলোচনা থেকে সরে যাওয়ার হুমকি দেন, ফলে পুরো প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।

➡️ আলোচনায় যখন সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিল, তখন ইসরায়েল দক্ষিণ বৈরুতে বিমান হামলা চালায়।

এর আগে ইরান সতর্ক করে দিয়েছিল যে এ ধরনের হামলা হলে চলমান আলোচনা ভেঙে পড়তে পারে।

➡️ পরিস্থিতি সংকটপূর্ণ হয়ে উঠলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

➡️ চুক্তিকে টিকিয়ে রাখতে ওয়াশিংটন তেহরানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ছাড় দেয়।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩০ দিনে ধাপে ধাপে নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র অবিলম্বে নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার প্রস্তাবে সম্মত হয়।

➡️ শেষ পর্যন্ত উভয় পক্ষ একটি সমঝোতায় পৌঁছায়, যার ফলে সক্রিয় শত্রুতা বন্ধ হয় এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করা হয়।

সূত্র: ব্লুমবার্গ

রেজা পাহলভী:

(গত জানুয়ারিতে) দুই দিনের ব্যবধানে ৪০,০০০ ইরানি কোনো পারমাণবিক চুক্তির জন্য বা হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার জন্য প্রাণ দেননি।

তাঁরা প্রাণ দিয়েছেন স্বাধীনতা, মুক্তি এবং গণতন্ত্রের জন্য।

এবং আশ্চর্যজনকভাবে, তাঁরা কোনো আলোচনাতেই ছিলেন না।