নিউজউইক ট্রাম্পকে নিয়ে একটি নতুন প্রচ্ছদ প্রকাশ করেছে, যার ক্যাপশন হলো,

"ভেনেজুয়েলার বিষয়ে ট্রাম্প সঠিক ছিলেন। মাদুরো-পরবর্তী ছয় মাসে ভেনিজুয়েলার পুনর্গঠন সমালোচকদের ভুল প্রমাণ করেছে।"

ইরাকের ভূখণ্ড থেকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলো।

ইরান-সমর্থিত আল-মায়াদিন সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।

৪১ মাস পর আবারও গ্রিক ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে উড়ল তুর্কি ড্রোন

২০২৬ সালের ৩০ জুলাই তুরস্কের একটি অজ্ঞাত ধরনের মানববিহীন বিমান (UAV) গ্রিসের ফারমাকোনিসি (Farmakonisi) দ্বীপের ওপর দিয়ে উড়ে গেছে।

➡️ গ্রিক ভূখণ্ডের ওপর তুর্কি সামরিক উড়োজাহাজের সর্বশেষ ওভারফ্লাইট হয়েছিল ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি।

অর্থাৎ, প্রায় ৪১ মাস পর আবারও তুর্কি সামরিক আকাশযান গ্রিসের ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে উড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

➡️ গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে এজিয়ান সাগর, আকাশসীমা ও সামুদ্রিক সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। ফলে এ ধরনের ওভারফ্লাইট দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।

সূত্র: Echrognosia

ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ:

গাজা বিশ্বের বৃহত্তম কারাগার।

মানুষকে সেখানে জোর করে, তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখা হচ্ছে এবং তাদের চলে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

এটা একটা ভয়াবহ ব্যাপার।

শুধু ফটকগুলো খুলে দিন এবং গাজাবাসীদের চলে যেতে দিন।
_

কথাগুলো শুনে কি খুব ভালো মনে হচ্ছে?

মনে প্রশ্ন জাগছে না গাজা উপত্যকা কাদের জন্য কারাগার হলো?
গাজাবাসী কেনো গাজা ছেড়ে চলে যাবে?
এখান থেকে মানুষজন চলে গেলে কার লাভ??

স্পেনকে ব্যঙ্গ করে স্পেনের জন্য দ্বিরাষ্ট্র সমাধান দিয়েছে নেতানিয়াহুর ছেলে।

এই দুই রাষ্ট্রের একটি হল স্পেন এবং অপরটি হল এক সময়ের মুসলিম সাম্রাজ্য আন্দালুসিয়া।

গ্রিসে দাবানল নেভানোর সময় দুটি ফায়ার সার্ভিসের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত।

বিধ্বস্ত দুটি হেলিকপ্টারের প্রতিটিতে দুইজন করে ক্রু সদস্য ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর নিখোঁজদের উদ্ধারে উদ্ধার অভিযান চলছে।

ইন্দোনেশিয়ার মাদুরা দ্বীপের কাছে একটি ফেরিতে আগুন লাগার ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ৪১ জন নিখোঁজ।

ফেরিটিতে ২৭১ জন যাত্রী ও নাবিক ছিলেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ২২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।

ইন্দোনেশিয়ার মাদুরা দ্বীপের কাছে একটি ফেরিতে আগুন লাগার ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং ৪১ জন নিখোঁজ।

ফেরিটিতে ২৭১ জন যাত্রী ও নাবিক ছিলেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ২২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে।

মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবিউল আউওয়াল শরীফ (১৪৪৮ হিজরী) বাকি আর মাত্র ২২ দিন।

image

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চার খানা বিশেষ খুছূছিয়ত মুবারক (৫)

২. হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম:

এই ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-

وواقعة الرفاعي رحمه اللّه مشهورة متواترة حينما زار قبره الشريف وقال بحضور جماعة لا يحتمل تواطؤهم على الكذب

অর্থ: আর হযরত রেফায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ঘটনা মুবারক মশহূর, সুপরিচিত এবং মুতাওয়াতির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তিনি যখন পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত করে কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন তখন এতসংখ্যক লোক উপস্থিত ছিলেন যে, যাদের একত্রে মিথ্যার উপর একমত হওয়া অকল্পনীয় বিষয়। (আল হাওঊ ফী তাফসীরিল কুরআনিল কারীম ৬৮৯/৯৪)

এই ঘটনা দ্বারা বাস্তবিকপক্ষেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ‘হায়াতুন নবী’ শান মুবারক প্রমাণিত।

কাজেই উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা স্পষ্টই বুঝতে পারলাম নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ‘হায়াতুন নবী’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ!

৩. ‘হাযির-নাযির’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

(حاضر) হাদ্বির শব্দের শাব্দিক অর্থ উপস্থিত, (্ব্যকরণে) মধ্যম পুরুষ। আর (ناظر) শব্দের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে, দর্শক, পরিদর্শক, পর্যবেক্ষক ইত্যাদি। মূলত যিনি হাযির তিনিই নাযির। অর্থাৎ যিনি উপস্থিত থাকেন তিনি দেখেনও।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাযির-নাযিরের বিষয়টা এমন নয় যে, তিনি কোনো স্থানে এসে উপস্থিত হন তারপর দেখেন। বরং তিনি কায়িনাতের সর্বত্র হাযির-নাযির হয়েই আছেন। উনার এবং বান্দা-বান্দী, উম্মতের মাঝে একটি পর্দা রয়ে গেছে। যখনই এই পর্দা উন্মোচিত হয়ে যায় তখনই বান্দা-বান্দী, উম্মত উনাকে দেখতে পায়। সুবহানাল্লাহ!

এটা বুঝার জন্য কবরের সুওয়াল-জাওয়াবের বিষয়টি উল্লেখ করা যেতে পারে। পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে- ‘কোনো বান্দাকে কবরে রেখে যখন তার সঙ্গীরা চলে আসে, তখন সে তার সঙ্গীদের জুতার আওয়াজ শুনতে পায়। অতঃপর দু’জন হযরত ফেরেশতা আলাইহিমাস সালাম উনারা এসে তাকে প্রশ্ন করেন, ‘এই মহান ব্যক্তিত্ব মুবারক অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে (দুনিয়ায় থাকতে) তুমি কী বলতে?’ মু’মিন ব্যক্তি বলবে, ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তখন তাকে বলা হবে, ‘জাহান্নামে তোমার আসনটির দিকে তাকাও। মহান আল্লাহ পাক তিনি এটিকে জান্নাতে প্রতিস্থাপন করে দিয়েছেন। সে উভয়টিই দেখতে পাবে।’ (মুসলিম শরীফ, ইছবাতু আযাবিল কবর ৩৩ পৃষ্ঠা)

এখানে মূলত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখিয়ে প্রশ্ন করা হবে তুমি উনার সম্পর্কে দুনিয়ায় থাকতে কি বলতে?

বলার বিষয় হলো, একই সময় সারাবিশ্বে অসংখ্য লোককে দাফন করা হয়। আর প্রত্যেককেই উনাকে দেখিয়ে উপরোক্ত প্রশ্নটা করা হয়। তাহলে তিনি কি প্রত্যেকের কবরে আলাদাভাবে উপস্থিত হন? না; বরং তখন ঐ বান্দা-বান্দীদের সামনে থেকে পর্দা উন্মোচিত হয়ে যায় ফলে সকলেই একসাথে উনাকে দেখতে পায়। ঠিক কেউ যদি দুনিয়ায় থাকতেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত-মা’রিফত, নিসবত-কুরবত, রেযামন্দী-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করতে পারে তাহলে তার থেকেও এই পর্দাটা সরে যায়। ফলে সে উনাকে দেখতে পায়। এটা নিসবত-কুরবত অনুযায়ী কেউ একবার দেখেন, কেউ একাধিকবার দেখেন, কেউ আবার দায়েমী যিয়ারত মুবারকে থাকেন। সুবহানাল্লাহ!

তবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে কোনো স্থানে, যে কোনো সময় উপস্থিত হতে পারেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে সেই ক্ষমতা মুবারক হাদিয়া করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনার আকীদা হলো- মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত ইলিম মুবারক ও সম্মানিত কুদরত মুবারক দ্বারা সর্বত্র হাযির-নাযির। জাত হিসেবে নয়। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলিম মুবারক ও মু’জিযা শরীফ উনাদের মাধ্যমে অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত ক্ষমতা মুবারক-এ আর ছিফত হিসেবে সম্মানিত নূর মুবারক ও সম্মানিত রহমত মুবারক হিসেবে কায়িনাতের সর্বত্র হাযির-নাযির এবং জাত হিসেবে যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে স্ব-শরীর মুবারক তথা হাকীকী ছূরত মুবারক-এ বা মেছালী ছূরত মুবারক-এ হাযির ও নাযির হতে পারেন। সুবহানাল্লাহ!

-হাফিয মুহম্মদ ইমামুল হুদা।

image