আসেন বিনতে সাকি
অশ্রুসজল আঁখি
এত খুশি মালিক আমি
কোথায় রাখি❓

ইয়া খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম

ইয়া খলীফাতুল উমাম আলাইহিসসালাম

1 h

সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৬)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে,
وَرَوَى أَبُو هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَفَ عَلَى قَبْرِ ابْنَتِهِ الثَّانِيَةِ الَّتِي كَانَتْ عِنْدَ حَضْرَتْ عُثْمَانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَالَ أَلَا أَبُو أَيِّمٍ أَلَا أَخُو أَيِّمٍ يُزَوِّجُهَا حَضْرَتْ عُثْمَانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَلَوْ كَانَ لِي عَشْرٌ لَزَوَّجْتُهُنَّ حَضْرَتْ عُثْمَانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَمَا زَوَّجْتُهُ إِلَّا بِوَحْيٍ مِنَ السَّمَاءِ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত রওযা শরীফ উনার নিকট অবস্থান মুবারক করছিলেন। অতঃপর তিনি বললেন, কোন পিতা রয়েছেন যে, যিনি উনার মেয়ে এবং কোন ভাই রয়েছেন যে, যিনি উনার বোনকে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার নিকট সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ দিবেন? আমার যদি দশ জন বানাত (মেয়ে) আলাইহিন্নাস সালাম থাকতেন, তাহলে আমি একজন উনার পর আরেকজন এইভাবে ১০ জনই সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার নিকট সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ দিতাম। আমি সম্মানিত ওহী মুবারক উনার মাধ্যমেই সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সাথে আমার মহাসম্মানিতা বানাত (মেয়ে) আলাইহিমাস সালাম উনাদেরকে সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ দিয়েছি।” সুবহানাল্লাহ! (আশ শরী‘য়াহ ৩/৩২৭)

1 h

মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান ইবনে আফফান আলাইহিস সালাম উনাকে সম্মানিত ‘যুন নূরাইন’ লক্বব মুবারক হাদিয়া মুবারক (১)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ اَوْحٰـى اِلَـىَّ اَنْ اُزَوِّجَ كَرِيـْمَتَـىَّ مِنْ حَضْرَتْ عُثْمَانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ حَضْرَتْ رُقَيَّةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ وَحَضْرَتْ اُمَّ كُلْثُوْمٍ عَلَيْهَا السَّلَامُ
অর্থ: “উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমার নিকট সম্মানিত ওহী মুবারক প্রেরণ করেছেন, আমি যেন আমার মহাসম্মানিতা দুইজন আওলাদ আলাইহিমাস সালাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সাথে সুসম্পন্ন করি।” সুবহানাল্লাহ! (মা’রিফাতুছ ছাহাবা—লিআবী নাঈম ২২/২২৪)

1 h

মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান ইবনে আফফান আলাইহিস সালাম উনাকে সম্মানিত ‘যুন নূরাইন’ লক্বব মুবারক হাদিয়া মুবারক (৪)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
إِنَّمَا يُسَمَّى حَضْرَتْ عُثْمَانُ عَلَيْهِ السَّلَامُ ذَا النُّورَيْنِ لِأَنَّهُ لَمْ يَجْمَعْ بَيْنَ ابْنَتَيْ نَبِيٍّ فِي التَّزْوِيجِ وَاحِدَةً بَعْدَ الْأُخْرَى مِنْ لَدُنْ آدَمَ عَلَيْهِ السَّلَامُ إِلَّا حَضْرَتْ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَلِذَلِكَ سُمِّيَ ذَا النُّورَيْنِ
অর্থ: সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত নাম করণ মুবারক করা হয়েছে তথা উনাকে সম্মানিত লক্বব মুবারক দেয়া হয়েছে, যুন নূরাইন’। কেননা সাইয়্যিদুনা হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে এই পর্যন্ত একমাত্র সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তিত্ব মুবারক উনার নিকট হযরত নবী—রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের দুই মেয়েকে শাদী মুবারক দেয়া হয়নি। সুবহানাল্লাহ! আর এই কারণেই সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান আলাইহিস সালাম উনাকে ‘যুন নূরাইন’ লক্বব মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ! (আশ শরী‘য়াহ ৩/৩২৭)
এই সম্পর্কে বিশ্বখ্যাত সীরাত বিশারদ হাফিয আবুল ফিদা আল্লামা ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন,
ثُمَّ زوَّجه بِأُخْتِهَا الْأُخْرَى حَضْرَتْ أم كلثوم عليها السلام بِنْتُ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلِهَذَا كَانَ يُقَالُ لِـحَضْرَتْ عُثْمَانَ بْنِ عفان ذو النورين عليه السلام
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ পাওয়ার পর উনার অপর মহাসম্মানিতা বোন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনাকে সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান ইবনে আফ্ফান আলাইহিস সালাম উনার সাথে সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ দেন। এই জন্য উনাকে ‘যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম’ বলা হয়।” (বিদায়াহ—নিহায়াহ ৩/৪১৯)
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনিই একমাত্র সেই সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক যিনি পর পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুইজন মহাসম্মানিতা আওলাদ আলাইহিমাস সালাম উনাদেরকে সম্মানিত নিসবতে আযীম শরীফ করেন, উনাদের সম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন। সুবহানাল্লাহ!
তাহলে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক কত বেমেছাল, সেটা জিন—ইনসান ও তামাম কায়িনাতবাসীর চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ!

1 h

সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত সম্পর্কে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত সুওয়াল মুবারক

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ كُلْثُومٍ عليها السلام بِنْتِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا قَالَتْ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم زَوْجِي خَيْرٌ أَو زَوْجُ حَضْرَتْ فَاطِمَةَ عليها السلام؟ قَالَتْ فَسَكَتَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ زَوْجُكِ مِمَنْ يُحِبُّ اللهَ وَرَسُولَهُ وَيُحِبُّهُ اللهُ وَرَسُولُهُ فَوَلَّتْ فَقَالَ لَهَا هَلُمِّي مَاذَا قُلْتُ قَالَتْ قُلْتَ زَوْجِي مِمَنْ يُحِبُّ اللهَ وَرَسُولَهُ وَيُحِبُّهُ اللهُ وَرَسُولُهُ قَالَ نَعَمْ وَاَزِيْدُكِ دَخَلْتُ الْـجَنَّةَ فَرَأَيْتُ مَنْزِلَهٗ وَلَـمْ اَرَ اَحَدًا مِنْ اَصْحَابِـىْ يَعْلُوْهُ فِـىْ مَنْزِلِهٖ.
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম তিনি একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমার মহাসম্মানিত যাওজুম মুকাররাম তথা সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি শ্রেষ্ঠ অথবা আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত যাওজুম মুকাররাম তথা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি শ্রেষ্ঠ? সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি (আমার কথা মুবারক শোনে অনেক্ষণ সময়) চুপ থাকলেন। তারপর তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনার মহাসম্মানিত যাওজুম মুকাররাম সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি সেই সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক উনাদের অন্তর্ভুক্ত যেই সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে মুহব্বত মুবারক করেন এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারাও সেই সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক উনাদেরকে মুহব্বত করেন। সুবহানাল্লাহ! তারপর সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম তিনি (তিনি জাওয়াব শুনে) চলে যেতে থাকলেন। এমতাবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম উনাকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনি এখানে আসুন। আমি আপনাকে কী বলেছি? সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ আলাইহাস সালাম তিনি বললেন, আপনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, আমার মহাসম্মানিত যাওজুম মুকাররাম (সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি সেই সকল ব্যক্তিত্ব মুবারক উনাদের অন্তর্ভুক্ত যেই সকল ব্যক্তিত্ব মুবারক উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে মুহব্বত মুবারক করেন এবং মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারাও সেই সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক উনাদেরকে মুহব্বত মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ! তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, হঁ্যা (আমি তাই বলেছি)। আর এখন আমি আপনাকে আরো অবহিত করছি যে, (আমি সম্মানিত মি’রাজ শরীফ উনার রাতে) সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মধ্যে সম্মানিত তাশরীফ মুবারক রেখে আপনার মহাসম্মানিত যাওজুম মুকাররাম সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত মন্যিল তথা মাক্বাম মুবারক দেখেছি। উনাকে এমন এক সম্মানিত সুউচ্চ মানযিল তথা মাক্বাম মুবারক দেয়া হয়েছে, আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে অন্য কারো মনযিল বা মাক্বাম মুবারক এতো সুউচ্চ দেখিনি।” সুবহানাল্লাহ! (মুস্তাদরকে হাকিম ৪/৪৯, মুসনাদে শামিয়্যীন ১/৯৯, ইযালাতুল খফা ৬/২৭৯ ইত্যাদি)
তাহলে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক কত বেমেছাল তা এখান থেকে সুস্পষ্ট হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ!

45 m

ইয়া মালিক আমাদের মসজিদে বর্তমান আমি আনিসুর রহমান ইমামতি করছি আমি ঈশ্বরদী মধ্যপাড়া জামে মসজিদের বর্তমান পরিস্থিতি ধীরে ধীরে যা দেখছি তাতে এটি একটি গ্রামের মসজিদ যদিও যার নাম মধ্যপাড়া জামে মসজিদ দেওয়া হয়েছে মানে দুটি পারার মধ্যে একটি মসজিদ যদিও আগে খারেজিরা ওহাবীরা এই মসজিদ তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল তখন তারাই নিয়ন্ত্রণ করত কিন্তু বর্তমান এটা আমাদের রাজার বাগ দরবার শরীফের নামে দেওয়া হয়েছে এখন অনেকেই এতে একমত না গ্রামের কিছু ফাসেক লোক তারা আমাদের দরবার শরীফ থেকে যদি কোন ইমাম সাহেবকে পাঠানো হয় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এবং কি অপরাধী হিসেবে তাদেরকে একে একে ফাঁসানো হয় এবং কি তাদের মারার চেষ্টা করে অন্য মানুষদেরকেও উস্কায় আর এজন্যই আমাদের দরবার শরীফ থেকে কোন ইমাম সাহেব বেশিদিন থাকতে পারেন না আমি দেখলাম তারা ইমাম সাহেবের বিরুদ্ধে অপবাদ তো দেয় এবং তারা সেই ইমাম সাহেব না যাওয়া পর্যন্ত মসজিদে আসে না এক ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার জন্য তারা বলে আমরা এই মসজিদে নামাজ পড়বো না এই মসজিদে নামাজ পড়লে নাকি তাদের নামাজ হবে না নাউজুবিল্লাহ নাউজুবিল্লাহ অতঃপর আমি দেখেছি যে তারা আমাদের আত্মীয়-স্বজনদের ওপর মিথ্যা মামলার অভিযোগ করেছে কিন্তু আমরা তাদের বিরুদ্ধে কোন কঠোর ব্যবস্থা নেই তাই আমার মতে যদি মালিক চান তো আমি এখানে ইমামতি করতে চাই আর আমাদের মসজিদের উপর জুলুম কারীদের তাদের যদি হেদায়েত থেকে থাকে যেন মহান আল্লাহ পাক তাদেরকে হেদায়েত দান করেন আর যদি তাদের হেদায়েত না থেকে থাকে তাহলে তাদেরকে ধ্বংস করে দিন আমিন আমিন আমিন,,,,

4 hrs

📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️

📅 তারিখ: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
⏰ সময়: ০৭:৩০ PM

#alhikmah24 #live
#alhikmah #live

ইয়া মালিক আমাদের মসজিদে বর্তমান আমি আনিসুর রহমান ইমামতি করছি আমি ঈশ্বরদী মধ্যপাড়া জামে মসজিদের বর্তমান পরিস্থিতি ধীরে ধীরে যা দেখছি তাতে এটি একটি গ্রামের মসজিদ যদিও যার নাম মধ্যপাড়া জামে মসজিদ দেওয়া হয়েছে মানে দুটি পারার মধ্যে একটি মসজিদ যদিও আগে খারেজিরা ওহাবীরা এই মসজিদ তাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল তখন তারাই নিয়ন্ত্রণ করত কিন্তু বর্তমান এটা আমাদের রাজার বাগ দরবার শরীফের নামে দেওয়া হয়েছে এখন অনেকেই এতে একমত না গ্রামের কিছু ফাসেক লোক তারা আমাদের দরবার শরীফ থেকে যদি কোন ইমাম সাহেবকে পাঠানো হয় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এবং কি অপরাধী হিসেবে তাদেরকে একে একে ফাঁসানো হয় এবং কি তাদের মারার চেষ্টা করে অন্য মানুষদেরকেও উস্কায় আর এজন্যই আমাদের দরবার শরীফ থেকে কোন ইমাম সাহেব বেশিদিন থাকতে পারেন না আমি দেখলাম তারা ইমাম সাহেবের বিরুদ্ধে অপবাদ তো দেয় এবং তারা সেই ইমাম সাহেব না যাওয়া পর্যন্ত মসজিদে আসে না এক ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার জন্য তারা বলে আমরা এই মসজিদে নামাজ পড়বো না এই মসজিদে নামাজ পড়লে নাকি তাদের নামাজ হবে না নাউজুবিল্লাহ নাউজুবিল্লাহ অতঃপর আমি দেখেছি যে তারা আমাদের আত্মীয়-স্বজনদের ওপর মিথ্যা মামলার অভিযোগ করেছে কিন্তু আমরা তাদের বিরুদ্ধে কোন কঠোর ব্যবস্থা নেই তাই আমার মতে যদি মালিক চান তো আমি এখানে ইমামতি করতে চাই আর আমাদের মসজিদের উপর জুলুম কারীদের তাদের যদি হেদায়েত থেকে থাকে যেন মহান আল্লাহ পাক তাদেরকে হেদায়েত দান করেন আর যদি তাদের হেদায়েত না থেকে থাকে তাহলে তাদেরকে ধ্বংস করে দিন আমিন আমিন আমিন,,,,