মুহতারাম, সৃষ্টির শুরু থেকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত উম্মত যারা ঈমাণ এনেছেন,এবং যারা আনে নি সমস্ত মানুষকে ইফতার করানোর ফজিলত নসিবে জুটিয়ে নেয়ার সুজোগ আপনারই হাতের মুঠোয়।
من فطر فيه صائما فكانـما افطر عنده جميع امة (سيدنا حبيبنا شفيعنا مولانا) محمد صلى الله عليه وسلم
অর্থ: “পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন যে ব্যক্তি কোন রোযাদারকে ইফতার করাবে, সে যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত উম্মতকে ইফতার করালো।”(হাদিস শরীফ)
আশুরা শরীফ উনার সম্মানার্থে নিশ্চিন্তে এই ফজিলত পেতে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহখানা আয়োজিত তাবারুকে আপনিও অংশগ্রহণ করুন,হাদিয়া করুন। নিয়ামত মোবারক প্রাপ্তির আকাংখাই নিয়ামত পাইয়ে দিতে সাহায্য করে!বেপর্দা বেহায়াপনা,তন্ত্র-মন্ত্র ইত্যাদি হারাম,পাপ অপকর্ম এই প্রতিষ্ঠাণে নিষিদ্ধ৷ মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহখানায় পরিপুর্ণ শরীয়ত,সুন্নত মোবারক,ইলমে তাছাউফ শিক্ষা দেয়া হয় ও আমল করা হয়। তাই আজই আশূরা শরীফ উনার নিশ্চিত ফজিলত পেতে ইফতার তাবারুকে হাদিয়া করুন । প্রশাসনিক পারসোনাল বিকাশ 01718740742

আশুরা শরীফ উনার সম্মানার্থে নিশ্চিন্তে এই ফজিলত পেতে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহখানা আয়োজিত তাবারুকে আপনিও অংশগ্রহণ করুন,হাদিয়া করুন। নিয়ামত মোবারক প্রাপ্তির আকাংখাই নিয়ামত পাইয়ে দিতে সাহায্য করে!বেপর্দা বেহায়াপনা,তন্ত্র-মন্ত্র ইত্যাদি হারাম,পাপ অপকর্ম এই প্রতিষ্ঠাণে নিষিদ্ধ৷ মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহখানায় পরিপুর্ণ শরীয়ত,সুন্নত মোবারক,ইলমে তাছাউফ শিক্ষা দেয়া হয় ও আমল করা হয়। তাই আজই আশূরা শরীফ উনার নিশ্চিত ফজিলত পেতে ইফতার তাবারুকে হাদিয়া করুন । প্রশাসনিক পারসোনাল বিকাশ 01718740742

ইয়া মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম 💚

📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️

📅 তারিখ: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
⏰ সময়: ০৭:৩৯ PM

#alhikmah24 #live
#alhikmah #live

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক-এ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নিকট সবচেয়ে বড় ওলীউল্লাহ হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বাই‘আত গ্রহণ (৪)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক-এ হযরত শায়েখ আহমদ ফারূক্বী সিরহিন্দী মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সম্মানিত রাজারবাগ দরবার শরীফ এসে সম্মানিত রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক-এ বাইআত হওয়ার জন্য বিনীতভাবে আরযী মুবারক পেশ করেন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা ইরশাদ মুবারক করেছেন তা ব্যক্ত করেন|
আর দিকে ¯^য়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে বলেন, ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের পরে সবচেয়ে বড় ওলীআল্লাহ হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে আপনার নিকট পাঠালাম| আপনি উনাকে আপনার মুরীদ হিসেবে ক্ববূল করে নিন| তখন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত নির্দেশ মুবারক মুতাবেক দয়া করে উনার সম্মানিত আরযী মুবারক কবূল করে উনাকে মহাসম্মানিত বাই‘আত মুবারক করিয়ে ¯^ীয় মুরীদ হিসেবে কবূল করে নেন| সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!
এই মহাসম্মানিত ওয়াক্বেয়াহ& মুবারক আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৩৮ হিজরী শরীফ উনার ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ মহাসম্মানিত বিশেষ মাহফিল মুবারক-এ বর্ণনা মুবারক করেন| সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!
তাহলে এই মহাসম্মানিত ওয়াক্বেয়াহ& মুবারক থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার কত বেমেছাল মহাসম্মানিত তা‘য়াল্লুক-নিসবত মুবারক| সুবহানাল্লাহ! যেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী কস্মিনকালেও চিন্তা-কল্পনা করে মিলাতে পারবে না| সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!

মুহতারাম, সৃষ্টির শুরু থেকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত উম্মত যারা ঈমাণ এনেছেন,এবং যারা আনে নি সমস্ত মানুষকে ইফতার করানোর ফজিলত নসিবে জুটিয়ে নেয়ার সুজোগ আপনারই হাতের মুঠোয়।
من فطر فيه صائما فكانـما افطر عنده جميع امة (سيدنا حبيبنا شفيعنا مولانا) محمد صلى الله عليه وسلم
অর্থ: “পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন যে ব্যক্তি কোন রোযাদারকে ইফতার করাবে, সে যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত উম্মতকে ইফতার করালো।” সুবহানাল্লাহ!

image

জায়নবাদীদের প্রতি অনুরক্ত ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর! ওরফে রবি ঠগ !

ইসরায়েল রাষ্ট্র গঠনের বহু আগে জ্যুইশ স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় আরব – ইয়াহুদী সমস্যা নিয়ে এই সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জায়নবাদীদের প্রতি তার অনুরাগের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছিল।

আমি (সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী) জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি জায়নবাদী কি না?
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উত্তর দিলেন, ‘আমি সম্মান করি জায়নবাদী আদর্শকে। যাঁরা এর জন্য কাজ করেন, প্রশংসা করি তাঁদের নিঃস্বার্থ অবস্থানকে। যতটা সম্ভব নিবিড়ভাবে অনুসরণ করেছি আপনাদের আদর্শকে বাস্তবে রূপান্তরের স্থির ও অবিচ্ছিন্ন অগ্রগতি। আপনাদের অগ্রগতি অসাধারণ।

image

পবিত্র দ্বীন ইসলামে সমস্ত প্রকার খেলাধুলা হারাম,নাজায়িজ,কুফরী। ক্রিকেট,ফুটবল যত প্রকার খেলাধুলা আছে সবগুলোই পবিত্র দ্বীন ইসলামে সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ। মহান আল্লাহ পাক এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একাধিক আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন। এরকম একখানা আয়াত শরীফ:
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী কোনোকিছুুু ক্রীড়াচ্ছলে (খেলাচ্ছলে) সৃষ্টি করিনি
(সূরা দুখান শরীফ: আয়াত শরীফ ৩৮)
এই পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা স্পষ্ট কোনো খেলাধুলা করার জন্য মহান আল্লাহ পাক আমাদেরকে সৃষ্টি করেননি। যারা খেলাধুলা করে সুস্পষ্টভাবে বলা যায় তারা পবিত্র আয়াত শরীফ মানে না অর্থাৎ তারা পবিত্র কুরআন শরীফ অস্বীকার করে,অমান্য করে। আর পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একখানা হরফও যারা অস্বীকার করে তারা কাট্টা কাফির চির জাহান্নামী। আল্লাহ পাক যেখানে বললেন তোমাদেরকে খেলাচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলা করার জন্য আমি সৃষ্টি করিনি সেখানে উনার বান্দা,বান্দীগণ কি করে এসমস্ত খেলাধুলা করতে পারে? কি করে উনার নিষেধ মুবারক অমান্য করতে পারে?
অত্যন্ত আফসুসের বিষয় বড় বড় নামধারী উলামায়ে ছূ বক্তাগুলো স্টেজে উঠে খেলোয়াড়দের প্রশংসা করে এবং এরা নিজেরাও খেলাধুলা করে
"নাউযুবিল্লাহ"
এখন বিষয় হচ্ছে খেলাধুলা যদি হারাম হয় তাহলে এর বিপরীত তো আমাদের কোনো খুশি আল্লাহ পাক রেখেছেন। সেই হাসিখুশি থাকার বিষয়গুলো কি? এরকম প্রশ্ন অনেকের মাঝে আসতে পারে। হ্যা আপনি ঠিকই প্রশ্ন করেছেন। দ্বীন ইসলাম হচ্ছেন পরিপূর্ণ জীবণব্যবস্থা। সেখানে খেলাধুলার বিপরীত তো অবশ্যই কিছু আছে। সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে এখন জেনে নিন।
একাধিক পবিত্র হাদীছ শরীফে খেলাধুলার বিপরীত বিষয়গুলো বর্ণিত আছে। যেমন তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ, ইবনে খুযাইমাহ শরীফ উনাদের মধ্যে বর্ণিত আছে,
ن من الحق كُلُّ شيْءيلَْهُوْ بِه الرَّجُل بَاطل إِلاَّ رَمْيَةٌ بِقَوْسٍ وَتَاْدِيْبُهُ فَرَسَه وَ مُلَاعَبَتُه إٍمْرأتَه فَإ
অর্থঃ মানুষের জন্য প্রত্যেক খেলা-ধুলা বাতিল, তবে তীর নিক্ষেপ,ঘোড়া দৌড় এবং নিজ আহলিয়ার (স্ত্রীর) সাথে আনন্দ ব্যতীত। কেননা এ তিন প্রকার হচ্ছে উপকারী
"সুবহানাল্লাহ"

সমস্ত হারাম মুক্ত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ মাধ্যম এখনি প্রবেশ করুন -sm40.com

1 h

তোদের বোনদেরকে কু [কু] র দিয়ে ধ [র্ষ] ণ করায় যারা, এই কাজে সহায়তা করে যারা, এই কাজে আনন্দ পায় যারা তাদের "আয়োজন" তথা বিশ্বকাপ নিয়ে তোর এত মাতামাতি কীভাবে হয়?

কীভাবে তাদেরকে সমর্থন করে বলিস যে ধর্মকে এটা থেকে দূরে রাখতে? কবরে যখন তোকে প্রশ্ন করবে তোর দ্বীন কী? তখন এই জবাবটা দিস পারলে, যে আমার দ্বীন হচ্ছে দৈনন্দিন জীবন থেকে ধর্মকে দূরে রাখা।

ওরা একইরাতে একদিকে গ| জায় বে|ম্বিং করলো, অন্যদিকে তোদেরকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যস্ত রাখলো। তুই তো মানুষ! তোর বিবেকে তবুও নাড়া দেয়নি?

দুনিয়ায় যাদের অন্ধভক্ত, যাকে সাপোর্ট করে সব কাজ ফেলে উন্মাদনায় মত্ত হচ্ছিস, তার সাথে যখন হাশর হবে তখন কি অবাক হবি? নাকি মেনে নিবি যে, এটাই তো হওয়ার ছিলো?

তোদেরকে মানসিকভাবে পঙ্গু করার যত আয়োজন, যত বিনোদন, সবগুলোর স্রোতে ভেসে গিয়ে তো ভুলে গেছিস তোর জন্ম কেন হয়েছে, ভুলে গেছিস তোর উত্তরসূরী কারা, দুনিয়ায় কী কাজ।

তুই মুসলমান হয়ে অন্যকে এসব থেকে দূরে থাকার দাওয়াত দেয়ার কথা, তোকে কেন অন্যরা দাওয়াত দিতে হয়? লজ্জা লাগে না?

কপি