image

image

image

image

রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের কেউ না। আজ একটা পয়েন্ট আপনাদের সামনে বলছি। বাংলাদেশ ফিলি!স্তিনিদের স্বাধীনতার সংগ্রাম এর পক্ষে। বাংলাদেশের পাসপোর্টে লেখা রয়েছে-"THIS PASSPORT IS VALID FOR ALL COUNTRIES OF THE WORLD EXCEPT ISRAEL" (এই পাসপোর্ট ইস!রা!য়েল ব্যতীত বিশ্বের সকল দেশের জন্য বৈধ)। বিপরীত দিকে রবীন্দ্রনাথ ছিলো জা!য়োনিজম তথা ই!হুদীবাদীদের পক্ষে, তাদের আগ্রাসনের পক্ষে। ইহু!দীবাদিদের আগ্রা!সনবাদী কর্মতৎপরতার জন্য সে তার সমর্থন ব্যক্ত করেছিলো জীবদ্দশাতেই।

কাজেই জায়ো!নিস্ট রবীন্দ্রনাথের বি!রোধীতা করলে মূলত তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরষ্কৃত করা উচিৎ।

১৯৩০ সালের নভেম্বরে ফিলিস্তিন সমস্যা সম্পর্কে কানাডার টরন্টোর জু!ইশ স্ট্যান্ডার্ড রবীন্দ্র ঠগ এর এক সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে।

‘তুমি কি জা!য়োনিস্টের পক্ষে?’ এ প্রশ্নের উত্তরে রবীন্দ্র ঠগ বলে, ‘আমি জায়ো!নিস্ট আদর্শকে শ্রদ্ধা করি এবং তার জন্য যারা কাজ করে, তাদের নিঃস্বার্থতার আমি প্রশংসা করি।
নিউইয়র্ক-ভিত্তিক ই!হুদি সংবাদ সংস্থা জুইশ টেলিগ্রাফিক এজেন্সি (JTA)-এর আর্কাইভে রবীন্দ্র ঠগের চিন্তাভাবনা এবং ই!হুদি ও জায়নবাদ (Zionism) সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য ও সাক্ষাৎকার রয়েছে:
• জায়!নিজম ও ই!হুদি সংস্কৃতির প্রতি সহানুভূতি: ১৯৩০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মস্কো থেকে বার্লিন যাওয়ার পথে জু!ইশ টেলিগ্রাফিক এজেন্সির প্রতিনিধির সাথে রবীন্দ্র ঠগের একটি সাক্ষাৎকার হয়। সেখানে সে ইস
!রাইল প্রতিষ্ঠার সন্ত্রাস তথা জা!য়নিজমের লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষার প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করে।

১৯৪১ সালের আগস্ট মাসে রবীন্দ্র ঠগের মৃত্যুর পর, জুইশ টেলিগ্রাফিক এজেন্সি (JTA) তাদের বিশেষ প্রতিবেদনে ঠগকে "ই!হুদি ও জায়!নিজমের একজন একনিষ্ঠ বন্ধু" হিসেবে অভিহিত করে শ্রদ্ধা জানিয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট লিঙ্ক কমেন্টে দেওয়া হলো।

image

image

image

image

সহজ কথা যে ব্যক্তি সম্পর্কে মধ্যে সম্পর্কিত ব্যক্তিকে নয় টাকাকে বেশি প্রাধান্য দেয় পক্ষে মিথ্যে অভিনয় চালিয়ে যাচ্ছে। এটাই চরম সত্য কথা। টাকার জন্য সম্পর্ক নয় সম্পর্ক হচ্ছে মনের জন্য। সম্পর্ক আছে জীবনের তাগিদে জীবন বাঁচানোর জন্য। যার কাছে মানুষের তুলনায় টাকার সম্মান বেশি টাকার জন্য ব্লক করে সে অমানুষ। সে কয়েকদিন পর টাকার জন্য সম্পর্ক না মানুষটাকেও বাদ দিয়ে দিবে এটাই স্বাভাবিক, কারণ যার কাছে বিবেক নাই পশুত্ব আছে। তার কাছে ধর্ম তার কাছে আল্লাহ এবং উনার রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ নিষেধ নগণ্য তুচ্ছ তাচ্ছিল্য এর বিষয়, তার কাছে মানুষের দাম থাকবে না টাকার দাম থাকবে। এ ধরনের মানুষগুলি টাকার জন্য উলঙ্গ হতেও দ্বিধাবোধ করে নাউজুবিল্লাহ মিন জালেক। অথচ মৃত্যুর পরে টাকা লাগেনা লাগে আমল কাজে আসে মানুষের সাথে সম্পর্ক কাজে আসে আল্লাহ পাক এবং উনার রাসূল পাক সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর সাথে সম্পর্ক উনাদের আদেশ-নিষেধ মেনে চলাটা।
কিন্তু মানুষ এখন মুসলমান নামধারী অন্তর আছে টাকাটাই খোদা। নাউজুবিল্লাহ মিন জালেক