BClub TK is an online platform designed to provide users with a simple and convenient browsing experience. The website features an organized layout that helps visitors easily explore available content and resources. With a focus on accessibility and ease of use, BClub TK aims to create a smooth experience for both new and returning users. Its user friendly structure allows visitors to navigate different sections quickly, making it a practical destination for those looking for information and online resources in a clear and straightforward environment.
Must visit : https://bc1ub.tk/

Bclub Login — Official Bclub.tk & BriansClub Portal
bc1ub.tk

Bclub Login — Official Bclub.tk & BriansClub Portal

Official Bclub login portal at Bclub.tk. Secure access for all Bclub tk and BriansClub members. Get the best dumps, CVV, and fullz from our trusted cc marketplace.

ProZone is an online platform that offers a simple and user friendly experience for visitors looking to explore digital content and resources. The website features a clean layout, easy navigation, and organized sections that help users quickly find the information they need. Designed with convenience in mind, ProZone aims to provide a smooth browsing experience across different devices. Whether visitors are exploring available content or learning more about the platform, ProZone focuses on accessibility, simplicity, and a comfortable online experience.
Must visit : https://www-prozone.com/

Prozone.cc - Exclusive Marketplace & Tools
www-prozone.com

Prozone.cc - Exclusive Marketplace & Tools

Welcome to the official Prozone.cc portal. Secure login and registration for Prozone members. Access your dashboard, manage account balance, and explore our premium features.

দখলদার সন্ত্রাসী ইসরাইলের কাপুরুষতা:
ইসরায়েলকে কালোতালিকায় রাখা নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা
, ২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) বিদেশের খবর
ইসরায়েলকে কালোতালিকায় রাখা নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা
আল ইহসান ডেস্ক:

জাতিসংঘে এক শুনানিতে দখলদার ইসরায়েলের সন্ত্রাসী রাষ্ট্রদূত এবং জাতিসংঘ মহাসচিবের শিশু ও সশস্ত্র সংঘাতবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি তুমুল বাগ্‌বিত-ায় জড়িয়ে পড়ে।

শুনানির এক পর্যায়ে দখলদার ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি প্যাটেনের পদত্যাগ দাবি করে।

প্যাটেন সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে যৌন সহিংসতামূলক কর্মকা-ের অভিযোগে প্রথমবারের মতো সন্ত্রাসী ইসরায়েলকে ‘কালোতালিকাভুক্ত’ করা হয়। ড্যাননের অভিযোগ, প্যাটেন পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেসকে ইঙ্গিত করে দখলদার ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত বলেছে, ইসরায়েলকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর ব্যাপারে মহাসচিবের যে একধরনের ঝোঁক রয়েছে, প্যাটেন সেটার কাছে নতি স্বীকার করেছে।

জাতিসংঘের আরেক কর্মকর্তা ফ্রেজারও জাতিসংঘ মহাসচিবের শিশু ও সশস্ত্র সংঘাতবিষয়ক প্রতিনিধি এবং ইসরায়েলকে কালোতালিকাভুক্ত করা পৃথক একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

“সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, সাবধান! আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইরশাদ মুবারক করতে শুনেছি, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি ছালেহীন ব্যতিত অন্য কেউ সদ্বাচরণ করবে না।”
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণকারীগণই ছালিহীন হিসেবে পরিগণিত হবেন। একইভাবে ছালিহীন হতে হলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণ করতে হবে, উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে। তাই সকল মু’মিন-মু’মিনার জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বেশি বেশি আলোচনা করা, উনাদেরকে মুহব্বত করা, উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক হতে ইবরত-নছীহত হাছিল করা, উনাদের মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা এবং সর্বক্ষেত্রে উনাদেরকে মুবারক ইতায়াত করা। তবেই কামিয়াবী হাছিল করা সহজ এবং সম্ভব হবে।
, ২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণকারীগণই ছালিহীন হিসেবে পরিগণিত হবেন। একইভাবে ছালিহীন হতে হলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণ করতে হবে, উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে। তাই সকল মু’মিন-মু’মিনার জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বেশি বেশি আলোচনা করা, উনাদেরকে মুহব্বত করা, উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক হতে ইবরত-নছীহত হাছিল করা, উনাদের মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা এবং সর্বক্ষেত্রে উনাদেরকে মুবারক ইতায়াত করা। তবেই কামিয়াবী হাছিল করা সহজ এবং সম্ভব হবে।

আল-ইহসান প্রতিবেদন:

ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার রুবুবিয়াত মুবারক প্রকাশের ক্ষেত্রে উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুবারক উছীলা বানিয়েছেন। উনার সম্মানার্থেই সারা কায়িনাত সৃষ্টি করেছেন। কায়িনাত মাঝে যে বা যারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিসবত মুবারক যত বেশি হাছিল করতে পারবেন, উনার শ্রেষ্ঠত্ব তত বেশি, তিনি তত বেশি মর্যাদাবান এবং ফযীলতপ্রাপ্ত। বলার অপেক্ষাই রাখেনা যে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিসবত মুবারক হাছিলের ক্ষেত্রে সর্বাধিক অগ্রগণ্য হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। কায়িনাত মাঝে দ্বিতীয় কেউ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের চেয়ে অধিক অগ্রগামী হতে পারেনি, কশ্মিনকালেও পারবেনা। আর এ জন্যই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিলের অন্যতম উছিলা মুবারক। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাবধান! আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইরশাদ মুবারক করতে শুনেছি, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি ছালেহীন ব্যতিত অন্য কেউ সদ্বাচরণ করবে না।” অর্থাৎ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণকারীগণ ছালিহীন হিসেবে পরিগণিত হবেন। অন্য কথায় ছালিহীন হতে হলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণ করতে হবে, উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে। আর এ বিষয়টি উনাদের আলোচনা মুবারক এবং উনাদের ইতায়াতের মাধ্যমে প্রস্ফুটিত হবে।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, কেউ যদি সত্যিকার অর্থে উনাদেরকে মুহব্বত করে, তাহলে সে ব্যাপকভাবে উনাদের আলোচনা মুবারক করবে। উনাদের আলোচনা মুবারকে সর্বক্ষেত্রে ব্যাপৃত থাকবে। আর এ জন্যই উনাদের প্রতি সদাচরণ তথা সর্বোচ্চ হুসনে যন বা সুধারণা পোষণ করতে হবে, উনাদের ছানা-ছিফত মুবারক করতে হবে, উনাদের সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা জীবনী মুবারক বেশি বেশি আলোচনা-পর্যালোচনা করতে হবে। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি দুনিয়া-আখিরাতে উত্তম প্রতিদান প্রদান করবেন। মহান আল্লাহ পাক উনাকে ক্ষমাশীল হিসেবে লাভ করা যাবে। আর উনাদের মুবারক আলোচনা করলে জিন্দেগীর সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করা হবে। খাছ খায়ের, বরকত, রহমত, সাকীনাহ নাযিল হবে। সমস্ত নেক মক্বছূদ পূরণ হবে। সর্বোপরি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে বিশেষ নিসবত মুবারক প্রতিষ্ঠিত হবে এবং উনাদের আখাছছুল খাছ সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হাছিল হবে। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে মুসলমানরা কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীন, নাস্তিক, ফাসিক-ফুজ্জারদের নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা করে। তাদের জীবনী নিয়ে গবেষণা করে। নাঊযুবিল্লাহ! অথচ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে তারা সম্পূর্ণ অনবহিত। নাঊযুবিল্লাহ! দেখা যাচ্ছে মুসলমানরা মূল থেকে সরে গিয়েছে। আর এজন্যই সারাবিশ্বে মুসলমানরা আজ লাঞ্ছিত, নির্যাতিত। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে মুসলমানরা যদি জানতো, গবেষণা করতো, উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক থেকে ইবরত-নছীহত গ্রহণ করতো, সর্বক্ষেত্রে উনাদেরকে নিয়ে আলোচনা, গবেষণা ও ফিকির করতো, তাহলে তাদেরকে কোনো ধরণের নাজুক পরিস্থিতির শিকার হতে হতো না। সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণকারীগণই ছালিহীন হিসেবে পরিগণিত হবেন। একইভাবে ছালিহীন হতে হলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি উত্তম আচরণ করতে হবে, উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে। সকল মু’মিন-মু’মিনার জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বেশি বেশি আলোচনা করা, উনাদেরকে মুহব্বত করা, উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক হতে ইবরত-নছীহত হাছিল করা, উনাদের মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা এবং সর্বক্ষেত্রে উনাদেরকে মুবারক ইতায়াত করা। তবেই কামিয়াবী হাছিল করা সহজ এবং সম্ভব হবে।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা সম্মানিত মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনাকে এবং উনার মধ্যস্থিত বরকতময় পবিত্র আশূরা শরীফ উনাকে সম্মান করো।’
আগামী ২৭শে আউওয়াল ১৩৯৪ শামসী, ২৬শে জুন ২০২৬ খৃঃ, ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ পালিত হবে “পবিত্র আশূরা শরীফ”। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস এবং উনার মধ্যস্থিত পবিত্র আশূরা শরীফ সকলের জন্যই রহমত, বরকত, সাকীনা ও মাগফিরাত হাছিলের বরকতময় মাস ও দিন। সুবহানাল্লাহ! তাই বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ ও ছহীহ নেক আমলের মাধ্যমে সম্মানিত মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনাকে এবং উনার মধ্যস্থিত পবিত্র আশূরা শরীফ উনাকে তা’যীম-তাকরীম করা বান্দা-বান্দী ও উম্মত সকলের জন্যই ফরয।
, ০৫ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২২ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ২১ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ০৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আগামী ২৭শে আউওয়াল ১৩৯৪ শামসী, ২৬শে জুন ২০২৬ খৃঃ, ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ পালিত হবে “পবিত্র আশূরা শরীফ”। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস এবং উনার মধ্যস্থিত পবিত্র আশূরা শরীফ সকলের জন্যই রহমত, বরকত, সাকীনা ও মাগফিরাত হাছিলের বরকতময় মাস ও দিন। সুবহানাল্লাহ! তাই বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ ও ছহীহ নেক আমলের মাধ্যমে সম্মানিত মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনাকে এবং উনার মধ্যস্থিত পবিত্র আশূরা শরীফ উনাকে তা’যীম-তাকরীম করা বান্দা-বান্দী ও উম্মত সকলের জন্যই ফরয।
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আরবী বছরের প্রথম মাস মুহররমুল হারাম শরীফ। আরবী বারোটি মাস উনাদের মধ্যে চারটি হারাম বা সম্মানিত মাস উনাদের মধ্যে মুহররমুল হারাম শরীফ মাস অন্যতম। যা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। আসমান-যমীন সৃষ্টিকাল হতেই এ বরকতময় দিবস মুবারক বিশেষভাবে সম্মানিত হয়ে আসছেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যেকোনো নেক আমলের বিনিময়ে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার পূর্বশর্ত হচ্ছে বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করা। অথচ পবিত্র আশূরা শরীফ উনাকে কেন্দ্র করে অজ্ঞতার কারণে অনেকেই বেশকিছু কুফরী আক্বীদার বিস্তার ঘটিয়ে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! যেমন- কেউ কেউ হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সমালোচনা করে বলে থাকে, উনারা গুনাহখতা করেছেন, পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিনে উনাদেরকে ক্ষমা করা হয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অথচ সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের ছহীহ ও বিশুদ্ধ আক্বীদা হচ্ছে- সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন মা’ছূম অর্থাৎ উনারা সর্বপ্রকার গুনাহখতা, ভুল-ত্রুটি থেকে পবিত্র। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! এর খিলাফ বা বিপরীত আক্বীদা পোষণকারীরা ঈমানদারের অন্তর্ভুক্ত নয়। বরং কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আবার কেউ কেউ কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশিষ্ট ছাহাবী, কাতিবে ওহী, হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুসহ অন্যান্য হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সমালোচনা করে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ! অথচ কাতিবে ওহী, হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনিসহ যে কোন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সমালোচনা করাও কাট্টা কুফরী। যারা উনাদের সমালোচনা করে, তারাও শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী। কাজেই এরূপ কুফরী আক্বীদা থেকে বেঁচে থাকা সংশ্লিষ্ট সকলের জন্যই ফরয।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র আশূরা শরীফ উনার আরেকটি বিশেষ দিক হচ্ছেন- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত। কারণ আশূরা শরীফেই সিবতু রসূল আল খমিস, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিসহ আরো অনেকে পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তাই উক্ত মহান দিবসে উনাদের প্রতি মুহব্বত প্রকাশ করা সকলের জন্যই ফরয। অনেকে আবার উনাদের প্রতি মুহব্বত প্রকাশের নামে সম্মানিত শরীয়ত উনার সীমা লঙ্ঘন করে তাজিয়া বানানো, বেপর্দা হয়ে মিছিল করা, গান-বাজনা করা, শোক পালন ইত্যাদি করে থাকে। যা সম্মানিত শরীয়ত কখনোই সমর্থন করে না।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র আশূরা শরীফ উনার বরকতময় দিনে বেশকিছু নেক আমলের কথা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে। যেমন- ১) পবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে দুটি রোযা রাখা। অর্থাৎ ৯, ১০ অথবা ১০, ১১ তারিখ। তবে শুধু ১০ তারিখ রোযা রাখা মাকরূহ। ২) সম্ভব হলে উক্ত বরকতময় দিনে যারা রোযা রাখবে তাদের এক বা একাধিকজনকে ইফতার করানো। ৩) সাধ্যমতো পরিবারবর্গকে ভালো খাওয়ানো। ৪) গোসল করা। ৫) চোখে মেশক মিশ্রিত সুরমা দেয়া। ৬) গরিবদেরকে পানাহার করানো। ৭) ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো। এসব প্রত্যেকটি নেক আমলেই অশেষ ফযীলত লাভ হয়। কারণ প্রত্যেকটি আমলই সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই সকলের জন্যই দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করে, উল্লিখিত সুন্নত মুবারকসমূহ পালন করে পবিত্র আশূরা শরীফ উনাকে তা’যীম-তাকরীম করার লক্ষ্যে এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

1 d

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত ইত্তিবা’ মুবারক, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করা ব্যতীত কস্মিনকালেও মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত মুবারক লাভ করা সম্ভব নয়

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ

“(আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত মুবারক করে থাক, তাহলে আমার সম্মানিত ইত্তিবা’ মুবারক, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক কর। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অত্যন্ত দয়ালু।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আলে ‘ইমরান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩১)

1 d

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৫৪)

গাজী মুহম্মদ ছিদ্দীকের ফাঁসির রায়:

রায় কামাল লিখেন- নিম্ন আদালতে মামলার রায়ের দিন হাফিয মুহম্মদ ছিদ্দীক্ব শহীদের আম্মা তরুণ ছেলের কপালে বুছা খেয়ে অত্যন্ত দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, বেটা আমি অনেক খুশি। যেই মহাসম্মানিত রসূলে আকরাম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান ও মান মুবারক রক্ষার জন্য তুমি কুরবানির স্থলে যাচ্ছো, তার জন্য যদি তোমার মত আরো বিশটি ছেলে আমাকে কুরবান করতে হয়, তবে রব্বে কা’বা মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! তাতে আমি বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করবো না।

দৈনিক ইনকিলাবসহ অন্যান্য মুসলিম সংবাদপত্রগুলোতে গাজী সাহেবের মায়ের এই দুঃসাহসিকতা ও ঈমানদীপ্ত বক্তব্য ও গাজী ছিদ্দীক শহীদ সম্পর্কে লেখা হয়েছে। গাজী সাহেব আপন মমতাময়ী মায়ের এই কথা শোনার পর তাকবীর ধ্বনি দিলেন এবং মায়ের কাছ থেকে জীবনের সকল অন্যায় অপরাধের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিলেন। এরপর বললেন, যেই মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক রক্ষার জন্য আমি মালউন পালামলকে হত্যা করে নিজেকে কুরবানীর জন্য পেশ করেছি। উনার জন্য যদি আমাকে হাজার বারও মরতে হয় তাহলে আমি প্রতিবারই উনার সুমহান বুলন্দী শান মুবারক রক্ষার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করবো এবং এটাকে আমার ফরয দায়িত্ব মনে করবো।

নিম্ন আদালতে গাজী মুহম্মদ ছিদ্দীক্বের ফাঁসির রায় দেয়া হলো। আম্মাজানকে বললেন, মুহব্বত শুধু পবিত্র কুরআন শরীফ এবং যিনি আমাদেরকে পবিত্র কুরআন শরীফ হাদিয়া করেছেন অর্থাৎ হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে। আপনি সর্বদা উনাদের সঙ্গেই আপনার দিল লাগিয়ে রাখবেন। আমার কবরে যেন কখনো শরীয়ত পরিপন্থী কোন কাজ না হয় এবং কাউকেও যেন তার অনুমতি দেয়া না হয়। সেটা খেয়াল রাখবেন।

জেল কর্তৃপক্ষের বর্ণনা হলো, ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ার পর উনার মুখে যে শব্দগুলো উচ্চারিত হচ্ছিলো তা হলো, হে আমার আল্লাহ! আপনার হাজার শোকর। আপনি আপনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক হিফাযতের কাজে কোটি কোটি মুসলমান থেকে আমার মত অধমকে নির্বাচন করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ!

হাফিয মুহম্মদ ছিদ্দীক শহীদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যখন শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করে মাহবুবে আলা উনার সান্নিধ্যে গমন করেন, তখন উনার বয়স ছিলো মাত্র একুশ বছর। (সমাপ্ত)

1 d

পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (১০)

ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধোয়া উভয়টিই সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ:

বড় ইসতিন্জা এবং ছোট ইসতিন্জা করার পর ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার হওয়া উভয়টি সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। অর্থাৎ ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা যেমন সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্ তেমনিভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করাও সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। কেননা শরীরের মধ্যে একটা গরম ভাব আছে। বড় ইসতিন্জা বের হয়ে চামড়ার উপর লাগলে শরীরের গরমে ময়লার (পায়খানার) কিছুটা চামড়ায় শোষণ করে নেয়। ঢেলা-কুলুখে সেই শোষিত ময়লা (পায়খানা) দুর হয় না। তাই ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধোয়া অবস্থাভেদে ফরয, ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। তাছাড়া মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ্ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করেছেন এবং ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করার পর পানি দিয়ে ধুয়েছেন অর্থাৎ আমাদেরকে তালীম দিয়েছেন। তাই ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধোয়া উভয়টিই আমভাবে সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ।



ইসতিন্জা (প্রস্রাব,পায়খানা) করার সুন্নাত তরীকা:

ইসতিন্জার চাপ ধরে রাখা যাবে না। সঙ্গে সঙ্গে করতে হবে। হাতে কলমের কালি লেগে থাকলে তা ধুয়ে নিয়ে প্রবেশ করবে। যেমন হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার বাথরুমে প্রবেশ করে দেখলেন উনার হাতে কলমের কালি লেগে আছে। তাই তিনি বাথরুম থেকে বের হয়ে উনার হাতে লেগে থাকা কালি পরিষ্কার করে এরপর বাথরুমে প্রবেশ করলেন। কেননা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

مِدَادُ الْعُلَمَاءِ خَيْرٌ مِّنْ دِمَاءِ الشُّهَدَاءِ

অর্থাৎ শহীদের পবিত্র রক্তের চেয়েও উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কলমের কালি বেশী পবিত্র। তাই হাতে কলমের কালি নিয়ে ইসতিন্জাখানায় প্রবেশ করা যাবে না। মহান আল্লাহ্্ পাক উনার পবিত্র নাম মুবারক লিখিত তাবিজ প্রকাশ্যে থাকলে খুলতে হবে। আর আবৃত থাকলে জায়েয আছে। তবে না নেয়াই উত্তম। সামর্থ থাকলে নামাযের কাপড় খুলে রেখে অন্য কাপড় পরিধান করে ইসতিন্জাখানায় যাওয়া মুস্তাহাব। নামাযের কাপড় পরিধান করে ইসতিন্জাখানায় যাওয়া জায়িয আছে। তবে বিশেষ ইহতিয়াত বা সাবধান থাকতে হবে যেন মুস্তামাল পানি (ব্যবহৃত পানি) কাপড়ে না লাগে।



ইসতিন্জাখানায় প্রবেশের নিয়ম:

যখন ইসতিন্জার হাজত হবে, তখন টুপি মাথায় দিয়ে, টুপি না থাকলে অন্যকোনো কাপড় অর্থাৎ তোয়ালে বা গামছা দিয়ে মাথা ঢেকে ঢেলা-কুলুখ ও পানি সাথে নিয়ে যাবে, যদি ইসতিন্জাখানায় ঢিলা-কুলুখ ও পানি না থাকে। আর ইসতিন্জাখানায় প্রবেশের পূর্বে بِسْمِ اللهِ اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُبِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ (“বিস্মিল্লাহি আল্লাহুম্মা ইন্নি আঊযুবিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খ¦াবায়িছ”)-এ দোয়া পড়ে সেন্ডেল ব্যবহার করে বাম পা দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। ঢেলা-কুলুখ ও পানির বদনা ডান পাশে রাখবে। বসার পূর্বে মনে মনে بِسْمِ اللهِ (বিসমিল্লাহ্) বলে কাপড় খোলা শুরু করবে। অর্থাৎ আস্তে আস্তে বসবে আস্তে আস্তে কাপড় খুলবে। দাড়ান অবস্থায় কাপড় খুলবে না। বসার সঙ্গে সঙ্গে সম্পূর্ণ কাপড় খুলবে (সুন্নত)। বাম পায়ের উপর ভর দিয়ে ফারাগাত মত বসবে। তাহলে সহজে ইসতিন্জা হবে। চাপাভাবে বসবে না। উভয় হাটু ঢেকে দিয়ে কাপড় গুছিয়ে নিবে। ছোট ইসতিন্জা (প্রস্রাব) করার সময় পুরুষ হলে বাম হাত দিয়ে পুরুষলিঙ্গটি ধরবে এবং আস্তে আস্তে ছোট ইসতিন্জা করবে, যাতে ইসতিন্জার (প্রস্রাবের) ছিটা পায়ে, শরীরে ও কাপড়ে না লাগে সে ব্যপারে সাবধান থাকতে হবে। দাঁড়িয়ে এবং ক্বিবলার দিকে মুখ বা পিঠ করে ইসতিন্জা করবে না। উঁচু স্থানে বসে নীচু স্থানের দিকে প্রস্রাব করতে বসবে। বাতাসের দিকে মুখ করে বসবে না। শক্ত স্থানে প্রস্রাব করবে না। অন্যথায় প্রস্রাবের ছিটা শরীরে বা কাপড়ে লাগার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময়ে হাঁচি আসলে মনে মনে اَلْحَمْدُ لِلّهِ(আল্হামদু লিল্লাহ্) বলবে। বিশেষ স্থান বিনা ওজরে দেখবে না। বড় ইসতিন্জা (পায়খানা) এবং ছোট ইসতিন্জার (প্রস্রাবের) উপর থু থু ফেলবে না, নাক ঝাড়বে না। বড় ইসতিন্জা এবং ছোট ইসতিন্জার দিকে বিনা ওজরে তাকাবে না।

1 d

ব্যক্তিত্ব:
মানে হলো "ইনসানে কামেল" — পূর্ণ মানুষ হওয়া।
তাছাউফের নজরে বাহিরের পরিপাটি না, অন্তর কতটা পরিষ্কার সেটাই আসল ব্যক্তিত্ব।
তাছাউফের মতে ব্যক্তিত্ব গঠনের ৫টা স্তর:
১. তাজকিয়া:নফসের পরিশুদ্ধি: হিংসা, অহংকার, রিয়া, দুনিয়ার লোভ — অন্তরের এই রোগগুলা ধোয়া।লক্ষণ: রাগ কমে যায়, মাফ করতে মন চায় ।
২. তাহলিয়া :সদগুণে সাজানো:সবর, শোকর, তাওয়াক্কুল, ইখলাস, হুজুরী অন্তরে বসানো:লক্ষণ:বিপদে ঘাবড়ায় না, নিয়ামতে অহংকার করে না
৩. ফানা:নিজেকে বিলীন করা:"আমি" "আমার" — এই ভাবটা শেষ হয়ে যায়। সব আল্লাহর।লক্ষণ:প্রশংসা-নিন্দায় সমান থাকে
৪,. বাকা:আল্লাহর সাথে টিকে থাকা :তখন বান্দা আল্লাহর গুণে গুণান্বিত হয় — রহমদিল, মাফকারী, ইনসাফকারী হয়:লক্ষণ:মানুষ তার কাছে শান্তি পায়
৫, খিদমতে খালক:সৃষ্টির সেবা:এত উঁচুতে উঠেও মাটির মানুষ থাকে। সবার খেদমত করে:লক্ষণ:
জুতা সোজা করে দেয়, অভাবীর খবর নেয়
সূফীদের চোখে আসল ব্যক্তিত্ববান কে?
১,ইমাম জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহ বলতেন:"তাছাউফ হলো, তুমি কোনো গুণে নিজেকে অন্যের চেয়ে বড় মনে করবে না, আর কোনো দোষে অন্যের চেয়ে ছোট মনে করবে না।"
২,মাওলানা রুমী রহমতুল্লাহ বলতেন:"পাহাড়ের মতো অটল হও সবরে, নদীর মতো দানশীল হও, মাটির মতো বিনয়ী হও — তবেই তুমি মানুষ।"
খুলুছিয়াত, হুজুরী, আদব — তাছাউফে এগুলার স্থান
খুলুছিয়াত = তাছাউফের প্রথম সবক। বুযুর্গরা বলতেন: "একটা নিঃশ্বাসও যদি আল্লাহর জন্য না হয়, সেটা লস।"
হুজুরী = তাছাউফের রূহ। "আল-ইহসান" — এমনভাবে ইবাদত করো যেন তুমি আল্লাহকে দেখতেছো। না দেখলেও তিনি তো তোমাকে দেখতেছেন।
আদব = তাছাউফের সিঁড়ি। বায়েজিদ বোস্তামী রহ. বলতেন: "বে-আদব আল্লাহর রহমত থেকে মাহরুম।"
তাহলে তাছাউফের ব্যক্তিত্ব কীভাবে বানাবো?
৩টা কাজ:
মহাসম্মানীত মহাপবিত্র শায়খ ও মহাসম্মানীত মহাপবিত্র মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিসসালাম উনার ছোহবত
দৈনিক ১ঘন্টা জিকির
আমলনামা পুরণ করা

1 d

ওলি আল্লাহদের রিয়াজত ও সাধনা বলতে মূলত আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য তাঁদের আত্মশুদ্ধি, ইবাদত ও ত্যাগের পথকে বোঝায়। "রিয়াজত" শব্দের অর্থ অনুশীলন বা সাধনা। আরবি "তাযকিয়া" ও ফারসি "মুজাহাদা" এর কাছাকাছি অর্থ।

ওলি আল্লাহ কারা?
"ওলি" মানে বন্ধু।
"জেনে রাখ, নিশ্চয়ই আল্লাহর ওলিদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না। তারাই ঈমান এনেছে এবং তাকওয়া অবলম্বন করেছে।"

ওলি হলেন সেই মুমিন যিনি শরীয়তের উপর পূর্ণ আমল করে, গুনাহ থেকে বেঁচে থেকে এবং নফল ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর প্রিয় হয়ে যান। হাদিসে কুদসিতে আল্লাহ বলেন: "বান্দা নফল ইবাদত দ্বারা আমার নৈকট্য অর্জন করতে থাকে, এক পর্যায়ে আমি তাকে ভালোবাসতে