MONSANTO! নামটা হয়তো অনেকেই আজকে প্রথম শুনছে। কিন্তু মোনসান্টো এর কাজ কি জানেন? তাদের কাজ হচ্ছে genetically modified food তৈরি করা! অর্থাৎ নিজেদের মতো করে খাদ্য শস্য উৎপাদন করা। অনেকের মনে হতে পারে, এতে খারাপ কি আছে? এটাতো ভালো বিষয়! কিন্তু এই মুদ্রার উল্টো পিঠ খুবই ভয়াবহ!
.
MONSANTO ইলুমিনতিদের তৈরি একটি কম্পানি, যারা পৃথিবীর খাদ্য শস্য নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যস্ত! এবং পুরো পৃথিবীতে এরাই খাদ্য শস্য সাপ্লাইয় দিয়ে থাকে! তারা আমাদের দেশের কৃষকদের মতো শস্য উৎপাদন করেই বাজারজাত করে না, বরং তারা এটাকে modify করে! কিভাবে? তাহলে শুনুন...
প্রত্যেকটা উদ্ভিদের আলাদা আলাদা জিন থাকে, মানুষেরও আছে এবং আছে ফল-মূল এবং শাক সবজিরও! বিভিন্ন বিষাক্ত কীট পতঙ্গের জিন তারা তাদের modify করা খাদ্যের মধ্যে দিয়ে দেয়! এতে করে সেই খাদ্য শস্য সময়ের সাথে সাথে বড় আকর্ষণীয় এবং বিষাক্ত হয়ে উঠে! এই জেনেটিক্যালি মডিফাইড ফুড খাওয়ার পর বিভিন্ন ধরনের বিরল রোগে আক্রান্ত হয় মানুষ! এবং খুব দ্রুত মৃত্যু ঘটে!
.
Genetically modified food এর প্রতিক্রিয়া শুরু হয় কমপক্ষে সাত আট মাস পর হতে! অর্থাৎ আপনি বুঝতেই পারবেন না যে, ঠিক কি কারণে আপনার এই রোগ হয়েছে!
পপুলেশন কন্ট্রোল করার সবচেয়ে বড় এবং সহজ মাধ্যম এই জেনেটিক্যালি মডিফাইড ফুড! কারণ এতে মানুষের মৃত্যু ঘটে কোন তথ্য প্রমাণ ছাড়াই! অর্থাৎ কেউ তাদের দিকে আঙুল তুলতে পারবেনা!
.
আরো একটা তথ্য আপনাদের দেই, সেটা হচ্ছে এই GMO FOODS এর ইনভেস্টার আর কেউ নয়; আমাদের বাঙালিদের অনেকের আইকন বিল গেটস! শুধু তাই নয়!
বিল গেটসের দাবি- “যদি আমরা ভালো মতো কাজ করি, তাহলে ভ্যাক্সিন, আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ এবং GMO FOOD (genetically modified food) এর মাধ্যমে পপুলেশন কন্ট্রোল করতে সক্ষম হবো” অর্থাৎ আপনাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে তার কোন আপত্তি নেই!
ইলমে তাছাউফ মানে বাদ দেওয়া বা বর্জন করা
ইলমে তাছাউফের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার জন্য অকল্যাণকর বিষয়গুলো বর্জন করা।
১. আল্লাহ তা'আলা ছাড়া সবকিছু থেকে অন্তরকে মুক্ত করা
হযরত যুননুন মিসরী রহমতুল্লাহ আলাইহি তাসাউফের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন:
আল্লাহ তা'আলা ছাড়া আর সবকিছু বর্জন করাই তাসাউফ।"
অর্থাৎ, অন্তর থেকে খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ ব্যতীত অন্য সকল জাগতিক মোহ, আসক্তি ও নির্ভরতা দূর করে একমাত্র আল্লাহ তা'আলার দিকে মনোনিবেশ করাই তাসাউফের মূল লক্ষ্য।
২. মন্দ স্বভাব বর্জন
তাসাউফের পরিভাষায় অন্তর থেকে মন্দ স্বভাব, কুপ্রবৃত্তি ও চারিত্রিক ত্রুটি দূর করার নাম তাখলিয়া।
৩. আমিত্ব, অহংকার ও অহমিকা বর্জন
তাসাউফের পথে অগ্রসর হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো নিজের আমিত্ব, অহংকার ও আত্মগর্ব পরিত্যাগ করা।
বায়আতের প্রকৃত উদ্দেশ্যও হলো নিজের আমিত্বকে আল্লাহ তা'আলার রাহে সমর্পণ করা এবং আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে মুক্ত হওয়া।
৪. দুনিয়ার মোহ ত্যাগ (যুহুদ)
আধ্যাত্মিকতার একটি সুপরিচিত পরিভাষা হলো যুহুদ।যার অর্থ দুনিয়ার মোহ, ভোগ-বিলাস ও অতিরিক্ত আসক্তি ত্যাগ করা।
আল্লাহর নেক বান্দাগণ দুনিয়ার মোহমুক্ত জীবনযাপনের মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য অর্জন করেছেন।
৫. নফসের কুমন্ত্রণা বর্জন
ইলমে তাছাউফের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো নফসকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং তার কুমন্ত্রণা ও কুপ্রবৃত্তিগুলো দূর করা।
নফসের যেসব রোগ মানুষকে আল্লাহর সন্তুষ্টি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, সেগুলো বর্জনের মাধ্যমেই আত্মিক উন্নতি অর্জিত হয়।
৬. গুনাহ ও গায়রুল্লাহ থেকে অন্তরকে মুক্ত করা
হযরত ইমাম গাজালী রহমতুল্লাহ আলাইহি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আধ্যাত্মিকতার উচ্চতম স্তর হলো এমন অবস্থায় পৌঁছা, যেখানে বান্দার অন্তরে আল্লাহ তা'আলা ছাড়া অন্য কোনো আসক্তি বা নির্ভরতা স্থান পায় না।
সারসংক্ষেপ
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, ইলমে তাছাউফ মানে শুধু কিছু আমল করা নয়; বরং অন্তর থেকে গায়রুল্লাহ, গুনাহ, মন্দ স্বভাব, নফসের কুমন্ত্রণা, অহংকার, আমিত্ব এবং অনর্থক দুনিয়াবী মোহ বর্জন করে অন্তরকে আল্লাহ তা'আলার জন্য পরিশুদ্ধ করা।
ইলমে তাছাউফ মানে বাদ দেওয়া বা বর্জন করা
ইলমে তাছাউফের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার জন্য অকল্যাণকর বিষয়গুলো বর্জন করা।
১. আল্লাহ তা'আলা ছাড়া সবকিছু থেকে অন্তরকে মুক্ত করা
হযরত যুননুন মিসরী রহমতুল্লাহ আলাইহি তাসাউফের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন:
আল্লাহ তা'আলা ছাড়া আর সবকিছু বর্জন করাই তাসাউফ।"
অর্থাৎ, অন্তর থেকে খালিক্ব মালিক্ব রব মহান আল্লাহ ব্যতীত অন্য সকল জাগতিক মোহ, আসক্তি ও নির্ভরতা দূর করে একমাত্র আল্লাহ তা'আলার দিকে মনোনিবেশ করাই তাসাউফের মূল লক্ষ্য।
২. মন্দ স্বভাব বর্জন
তাসাউফের পরিভাষায় অন্তর থেকে মন্দ স্বভাব, কুপ্রবৃত্তি ও চারিত্রিক ত্রুটি দূর করার নাম তাখলিয়া।
৩. আমিত্ব, অহংকার ও অহমিকা বর্জন
তাসাউফের পথে অগ্রসর হওয়ার অন্যতম শর্ত হলো নিজের আমিত্ব, অহংকার ও আত্মগর্ব পরিত্যাগ করা।
বায়আতের প্রকৃত উদ্দেশ্যও হলো নিজের আমিত্বকে আল্লাহ তা'আলার রাহে সমর্পণ করা এবং আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে মুক্ত হওয়া।
৪. দুনিয়ার মোহ ত্যাগ (যুহুদ)
আধ্যাত্মিকতার একটি সুপরিচিত পরিভাষা হলো যুহুদ।যার অর্থ দুনিয়ার মোহ, ভোগ-বিলাস ও অতিরিক্ত আসক্তি ত্যাগ করা।
আল্লাহর নেক বান্দাগণ দুনিয়ার মোহমুক্ত জীবনযাপনের মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য অর্জন করেছেন।
৫. নফসের কুমন্ত্রণা বর্জন
ইলমে তাছাউফের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো নফসকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং তার কুমন্ত্রণা ও কুপ্রবৃত্তিগুলো দূর করা।
নফসের যেসব রোগ মানুষকে আল্লাহর সন্তুষ্টি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, সেগুলো বর্জনের মাধ্যমেই আত্মিক উন্নতি অর্জিত হয়।
৬. গুনাহ ও গায়রুল্লাহ থেকে অন্তরকে মুক্ত করা
হযরত ইমাম গাজালী রহমতুল্লাহ আলাইহি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আধ্যাত্মিকতার উচ্চতম স্তর হলো এমন অবস্থায় পৌঁছা, যেখানে বান্দার অন্তরে আল্লাহ তা'আলা ছাড়া অন্য কোনো আসক্তি বা নির্ভরতা স্থান পায় না।
সারসংক্ষেপ
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, ইলমে তাছাউফ মানে শুধু কিছু আমল করা নয়; বরং অন্তর থেকে গায়রুল্লাহ, গুনাহ, মন্দ স্বভাব, নফসের কুমন্ত্রণা, অহংকার, আমিত্ব এবং অনর্থক দুনিয়াবী মোহ বর্জন করে অন্তরকে আল্লাহ তা'আলার জন্য পরিশুদ্ধ করা।
আপনি কি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতে দুনিয়া ও আখিরাতের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেতে চান?
নিশ্চয়তা পাওয়ার সেই আমলটি কি?
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলিইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারক - উনার তরফ থেকে কুরবানী করা যা ফরয কোরবানি হিসেবে অবহিত।
এই কুরবানী করলে কি হবে? আপনি কি কি পাবেন? হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি একবার দরূদ শরীফ পাঠ করলে ১০টি রহমত পাওয়া যায়। তাহলে উনার তরফ থেকে কোরবানি করলে, কি পাওয়া যাবে?
- নিজের ওয়াজীব কুরবানী তো কবুল হবেই, সাথে সাথে আরও অনেক সফলতার নিশ্চয়তা রয়েছে, যেমন:
১) অতীতের গুনাহখাতা ক্ষমা করা হবে। প্রতিটি পশমের জন্য ১০টি গুনাহখাতা মাফ হয়। পশুর অগনিত পশমের জন্য গুনাহখাতা মাফ হয়ে মাছুম হয়ে যাবেন।
২) বর্তমানে প্রতিটি পশমের জন্য ১০টি নেকী পাওয়া যাবে, ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি হবে, আবার মুত্তাকী হিসেবে কুদরতী রিযিকের ফায়সালা হবে। (সূরা মায়িদা শরীফ : আয়াত শরীফ ২৭, সূরা আত-তালাক শরীফ ২-৩)।
৩) ভবিষ্যতে- যিনি কুরবানীর পশুর পেট চিরবেন হাশরের ময়দানে তার কোন কষ্ট লাগবে না। উনাকে হাউজে কাউসার শরীফ উনার পানি পান করানো হবে। তিনি জান্নতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আর পিপাসার্ত হবেন না। তারপর, মীযানে সত্তরগুণ বৃদ্ধি করে কুরবানীর পশুর হাড়, সিং, খুড়, পশম, চামড়া, ইত্যাদি ৭০ গুন বৃদ্ধি করে নেকির পাল্লায় চাপিয়ে দেয়া হবে। ফলে ডানদিকের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। উনার জান্নাত ফয়সালা হবে। সুবহানাল্লাহ! আর কোরবানির পশুটি পুলিসিরাত পার হওয়ার বাহন হবে (আরিযাতুল আহওয়াযী লী শরহে তিরমিযী)।
জান্নাতে- পশুর দেহের প্রতিটি পশমের বিনিময়ে ১ টি করে জান্নাতি বালাখানা, পশুর মাথার প্রতিটি পশমের বিনিময়ে ১ জন হুর মুবারক দেয়া হবে, পশুর প্রতিটি হারের টুকরার বিনিময়ে ১ টি করে জান্নাতি বোরাক, পশুর প্রতিটি গোস্তের টুকরার বিনিময়ে ১টি করে জান্নাতি পাখি পাওয়া যাবে।
সেই জন্য আপনি নিজে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষে ফরজ কুরবানী করুন এবং এবং অন্যদেরকেও এই বিষয়টি পৌঁছে দিন। কারণ- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এটা বলেছেন- “আমার তরফ থেকে একটি আয়াত শরীফ হলেও তা ছড়িয়ে দিন”।
তাহলে একদিকে আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিন্ত হবে এবং অন্যদের প্রতি আপনার দায়িত্ব পালন থেকেও মুক্তি পাবেন। “যেদিন অর্থাৎ কেয়ামতের দিন একজন মানুষ তার ভাই, তার মা, তার পিতা, তার সঙ্গী এবং তার সন্তানদের কাছ থেকে পালিয়ে যাবে! (পবিত্র সূরা আবাসা শরীফ, ৩৪-৩৬)” কারণ কেয়ামতের ময়দানে তারা আপনাকে আটকাবে। এই উছিলায় অর্থাৎ এই ফরজ কুরবানী যদি তারা করতে পারে তাহলে তারা মুক্ত হবে এবং আপনিও মুক্ত হয়ে যাবেন। আপনাকে আর আটকাবে না।
আর যদি না করা হয় তাহলে- অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকবে। তার পুলসিরাতের বাহন পাবেনা, জান্নাতি বালাখানা পাবে না, কোন নিয়ামতই সে পাবে না। সে উম্মত থেকে খারিজ হয়ে যাবে। কারণ হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “সামর্থ থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কুরবানী করবেনা সে যেনো আমাদের ঈদগাহের নিকটে না আসে।” (মুসনাদে আহমদ শরীফ)।
আপনার টাকা-পয়সা থাকলে এই ফরয কুরবানী করুন। এটা আপনার জীবনের শেষ সুযোগ হতে পারে। পরে আপনি এই সুযোগ নাও পেতে পারেন। এই এক সুযোগে অনেক প্রাপ্তি- অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত তেমনি অন্যদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেও মুক্তি।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে ফরজ কুরবানী করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!
আপনি কি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতে দুনিয়া ও আখিরাতের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেতে চান?
নিশ্চয়তা পাওয়ার সেই আমলটি কি?
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলিইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারক - উনার তরফ থেকে কুরবানী করা যা ফরয কোরবানি হিসেবে অবহিত।
এই কুরবানী করলে কি হবে? আপনি কি কি পাবেন? হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি একবার দরূদ শরীফ পাঠ করলে ১০টি রহমত পাওয়া যায়। তাহলে উনার তরফ থেকে কোরবানি করলে, কি পাওয়া যাবে?
- নিজের ওয়াজীব কুরবানী তো কবুল হবেই, সাথে সাথে আরও অনেক সফলতার নিশ্চয়তা রয়েছে, যেমন:
১) অতীতের গুনাহখাতা ক্ষমা করা হবে। প্রতিটি পশমের জন্য ১০টি গুনাহখাতা মাফ হয়। পশুর অগনিত পশমের জন্য গুনাহখাতা মাফ হয়ে মাছুম হয়ে যাবেন।
২) বর্তমানে প্রতিটি পশমের জন্য ১০টি নেকী পাওয়া যাবে, ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি হবে, আবার মুত্তাকী হিসেবে কুদরতী রিযিকের ফায়সালা হবে। (সূরা মায়িদা শরীফ : আয়াত শরীফ ২৭, সূরা আত-তালাক শরীফ ২-৩)।
৩) ভবিষ্যতে- যিনি কুরবানীর পশুর পেট চিরবেন হাশরের ময়দানে তার কোন কষ্ট লাগবে না। উনাকে হাউজে কাউসার শরীফ উনার পানি পান করানো হবে। তিনি জান্নতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আর পিপাসার্ত হবেন না। তারপর, মীযানে সত্তরগুণ বৃদ্ধি করে কুরবানীর পশুর হাড়, সিং, খুড়, পশম, চামড়া, ইত্যাদি ৭০ গুন বৃদ্ধি করে নেকির পাল্লায় চাপিয়ে দেয়া হবে। ফলে ডানদিকের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। উনার জান্নাত ফয়সালা হবে। সুবহানাল্লাহ! আর কোরবানির পশুটি পুলিসিরাত পার হওয়ার বাহন হবে (আরিযাতুল আহওয়াযী লী শরহে তিরমিযী)।
জান্নাতে- পশুর দেহের প্রতিটি পশমের বিনিময়ে ১ টি করে জান্নাতি বালাখানা, পশুর মাথার প্রতিটি পশমের বিনিময়ে ১ জন হুর মুবারক দেয়া হবে, পশুর প্রতিটি হারের টুকরার বিনিময়ে ১ টি করে জান্নাতি বোরাক, পশুর প্রতিটি গোস্তের টুকরার বিনিময়ে ১টি করে জান্নাতি পাখি পাওয়া যাবে।
সেই জন্য আপনি নিজে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষে ফরজ কুরবানী করুন এবং এবং অন্যদেরকেও এই বিষয়টি পৌঁছে দিন। কারণ- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এটা বলেছেন- “আমার তরফ থেকে একটি আয়াত শরীফ হলেও তা ছড়িয়ে দিন”।
তাহলে একদিকে আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিন্ত হবে এবং অন্যদের প্রতি আপনার দায়িত্ব পালন থেকেও মুক্তি পাবেন। “যেদিন অর্থাৎ কেয়ামতের দিন একজন মানুষ তার ভাই, তার মা, তার পিতা, তার সঙ্গী এবং তার সন্তানদের কাছ থেকে পালিয়ে যাবে! (পবিত্র সূরা আবাসা শরীফ, ৩৪-৩৬)” কারণ কেয়ামতের ময়দানে তারা আপনাকে আটকাবে। এই উছিলায় অর্থাৎ এই ফরজ কুরবানী যদি তারা করতে পারে তাহলে তারা মুক্ত হবে এবং আপনিও মুক্ত হয়ে যাবেন। আপনাকে আর আটকাবে না।
আর যদি না করা হয় তাহলে- অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকবে। তার পুলসিরাতের বাহন পাবেনা, জান্নাতি বালাখানা পাবে না, কোন নিয়ামতই সে পাবে না। সে উম্মত থেকে খারিজ হয়ে যাবে। কারণ হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “সামর্থ থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কুরবানী করবেনা সে যেনো আমাদের ঈদগাহের নিকটে না আসে।” (মুসনাদে আহমদ শরীফ)।
আপনার টাকা-পয়সা থাকলে এই ফরয কুরবানী করুন। এটা আপনার জীবনের শেষ সুযোগ হতে পারে। পরে আপনি এই সুযোগ নাও পেতে পারেন। এই এক সুযোগে অনেক প্রাপ্তি- অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত তেমনি অন্যদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেও মুক্তি।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে ফরজ কুরবানী করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!