সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত স¤ে^াধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফ&য বা পরিভাষা মুবারক
৮৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যুবকাল মুবারক نُوْرُ الْوَرَاءِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়ারা’ মুবারক (বুলন্দ মর্যাদা)
৮৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চিন্তিত শান মুবারক نُوْرُ الْاِنَابَةِ مُبَارَكٌ নূরুল ইনাবাত মুবারক (রুজু হওয়া)
৮৭ নাক মুবারক উনার সর্দি মুবারক نُوْرُ النُّخْبَةِ مُبَارَكٌ নূরুন নুখ&বাহ& মুবারক ( শ্রেষ্ঠাংশ, বাছাইকৃত অংশ)

মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে, উনার মাহবূব, মুরাদ ও সমগ্র কায়িনাতের মালিক হিসেবে নূরুত তাশরীফ মুবারক করিয়েছেন (২)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَتٰى وَجَبَتْ لَكَ النُّبُوَّةُ قَالَ وَحَضْرَتْ اٰدَمُ عَلَيْهِ السَّلَامُ بَيْنَ الرُّوْحِ وَالْجَسَدِ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত| তিনি বলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনাকে কখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুুওয়াত-রিসালাত মুবারক হাদিয়া করা হয়েছে অর্থাৎ আপনি কখন থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- আবুল বাশার হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি রূহ এবং জিসিম মুবারক-এ থাকা অবস্থায়ও আমি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলাম|” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
অন্য বর্ণনায় এসেছেন,
عَنْ حَضْرَتْ مَيْسَرَةَ الْفَجْرِ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ سَاَلْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَتٰى كُنْتَ نَبِيًّا قَالَ كُنْتُ نَبِيًّا وَحَضْرَتْ اٰدَمُ عَلَيْهِ السَّلَامُ بَيْنَ الرُّوْحِ وَالْجَسَدِ
অর্থ: “হযরত মাইসারাতুল ফাজর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত| তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কখন নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হয়েছেন অর্থাৎ আপনি কখন থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি রূহ এবং জিসিম মুবারক-এ থাকা অবস্থায়ও আমি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলাম|” সুবহানাল্লাহ! (মুসনাদে আহমাদ ২৭/১৭৬, শরহু মুশকিলিল আছার ১৫/২৩১, আশ শারী‘আহ& লিল আজুরী ৩/১৪০৭ ইত্যাদি)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫৫তম বৎসর মুবারক (আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ১৫তম বছর, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হিজরত মুবারক উনার ২য় ও ৩য় বছর):
২য় হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৫ই রজবুল হারাম শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ মহাসম্মানিত ক্বিবলা মুবারক পরিবর্তন হন| সুবহানাল্লাহ!
এ বৎসর সম্মানিত জিহাদ মুবারক ফরয করা হয়| সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত শা’বান শরীফ মাস উনার মধ্যবর্তী সময়ে সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ উনার সম্মানিত রোযা ফরয করা হয়| সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুল জুমু‘আহ& শরীফ সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক সংঘটিত হন| সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত মুসলমান ˆসন্য সংখ্যা ছিলেন ৩১৩ জন এবং কাফিরদের ˆসন্য সংখ্যা ছিল ১০০০ জন| এই সম্মানিত জিহাদ মুবারক-এ মুশরিকদের শোচনীয় পরাজয় ঘটে| তাদের ১১ নেতাসহ মোট ৭০ জন নিহত হয় এবং ৭০ জন বন্দী হয়| সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই রমাদ্বান শরীফ লাইলাতুস সাব&ত শরীফ (শনিবার) রাতের শেষার্ধে বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ& আলাইহাস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দীদার মুবারক-এ তাশরীফ মুবারক নেন| সুবহানাল্লাহ!
এ বৎসর ঈদ উনার নামায এবং সম্মানিত ছদকাতুল ফিতর ওয়াজিব করা হয়| সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত শাউওয়াল শরীফ মাসে ইহুদী গোত্র বনূ কাইনুকার সঙ্গে সম্মানিত জিহাদ মুবারক সংঘটিত হন| তারা পরাজিত হয়ে সিরিয়ার দিকে নির্বাসিত হয়| সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই শাউওয়াল শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইছনাইনিল আযীম শরীফ অর্থাৎ সোমবার) সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা ইমাম হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবিল আছ আলাইহিস সালাম) তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করা অবস্থায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন| সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আন নূরুর রবি‘আহ& সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহ&রা আলাইহাস সালাম উনার সাথে ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ অনুষ্ঠিত হন| সুবহানাল্লাহ!
৩য় হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৩রা সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ লাইলাতুল জুমু‘আহ& শরীফ বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ& আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ অনুষ্ঠিত হন| সুবহানাল্লাহ!
* সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ মাসে ইহুদী সর্দার কা’ব ইবনে আশরাফকে হত্যা করা হয়| সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় জীবনী মুবারক
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (পর্ব- ৭৯)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫৪তম বৎসর মুবারক (আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ১৪তম বছর, মহাসম্মানিত হিজরত মুবারক উনার ১ম বছর):
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদে নববী শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হুজরা শরীফ নির্মাণ করা হয়| এর পূর্ব পর্যন্ত ৬ মাস নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আবূ আইয়ূব আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাড়ি মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন|
এ বৎসরই আযান ও ইক্বামত শুরু হয়|
এই বৎসর থেকেই হিজরী সন গণনার সূচনা হয়| তবে, তা সিদ্ধান্ত নেয়া ও কার্যকর করা শুরু হয় ১৬ হিজরী শরীফে|
এ বৎসর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাউওয়াল শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ& সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ& আলাইহাস সালাম উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হুজরা শরীফ-এ তুলে নেন| সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত স¤ে^াধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফ&য বা পরিভাষা মুবারক
৮২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ نُوْرُ الرِّحْلَةِ/ نُوْرُ الْوِصَالِ شَرِيْفٌ নূরুর রিহলাহ&/ নূরুল বিছাল শরীফ (প্রস্থান)
৮৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শিশুকাল মুবারক نُوْرُ الْاَحْرَارِ مُبَارَكٌ নূরুল আহ&রার মুবারক (মহৎ, ¯^াধীন, মুক্ত)
৮৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কিশোরকাল মুবারক نُوْرُ الْـحَسَنَةِ مُبَارَكٌ নূরুল হাসানাহ& মুবারক (খুব ছূরত)

মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে, উনার মাহবূব, মুরাদ ও সমগ্র কায়িনাতের মালিক হিসেবে নূরুত তাশরীফ মুবারক করিয়েছেন (১)
খ¦ালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاِذْ اَخَذَ اللهُ مِيْثَاقَ النَّبِـيّٖنَ لَمَاۤ اٰتَيْتُكُمْ مِّنْ كِتٰبٍ وَّحِكْمَةٍ ثُـمَّ جَآءَكُمْ رَسُوْلٌ مُّصَدِّقٌ لِّـمَا مَعَكُمْ لَتُؤْمِنُنَّ بِهٖ وَلَتَنْصُرُنَّهٗ قَالَ ءَاَقْرَرْتُـمْ وَاَخَذْتُـمْ عَلـٰى ذٰلِكُمْ اِصْرِىْ قَالُوْاۤ اَقْرَرْنَا قَالَ فَاشْهَدُوْا وَاَنَا مَعَكُمْ مِّنَ الشّٰهِدِيْنَ. فَمَنْ تَوَلّٰـى بَعْدَ ذٰلِكَ فَاُولٰٓـئِكَ هُمُ الْفٰسِقُوْنَ
অর্থ: “আর যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক গ্রহণ করলেন যে, আপনাদেরকে সম্মানিত কিতাব মুবারক এবং হিকমত মুবারক দেয়া হবে| অতঃপর আপনাদের নিকট আমার পক্ষ থেকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করবেন| তিনি আপনাদেরকে এবং আপনাদের কাছে যা কিছু রয়েছেন সমস্ত কিছুর তাছদীক্ব বা সত্যায়ন করবেন| আপনারা অবশ্যই অবশ্যই উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক আনবেন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিবেন| সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, আপনারা কি তা ¯^ীকার করে নিলেন এবং এই বিষয়ে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক গ্রহণ করলেন অর্থাৎ আমার শর্ত মুবারক মেনে নিলেন? উনারা বললেন, আমরা ¯^ীকার করে নিলাম, মেনে নিলাম, গ্রহণ করলাম| মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, তাহলে আপনারা সকলে সাক্ষী থাকুন এবং আমিও আপনাদের সাথে সাক্ষী রইলাম| সুবহানাল্লাহ! এরপর যারা এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক উনার খিলাফ করবে, তারাই হচ্ছে ফাসিক্ব অর্থাৎ চরম নাফরমান, কাট্টা কাফির|” না‘ঊযুবিল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৮১-৮২)
এখানে মহান আল্লহ পাক তিনি বলেছেন, ‘তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে ওয়াদা মুবারক নিয়েছেন|’ কখন ওয়াদা মুবারক নিয়েছেন? রোজে আজলে|
তাহলে এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারাই প্রমাণিত যে, মহান আল্লহ পাক তিনি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নবী ও রসূল হিসেবেই সৃষ্টি মুবারক করেছেন| সুবহানাল্লাহ! আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে নূরুত তাশরীফ মুবারক করিয়েছেন| কেননা, এখানে বলা হয়েছে যে, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক আনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার ওয়াদা মুবারক নিয়েছেন|’ সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
هُنَالِكَ دَعَا زَكَرِيَّا رَبَّهٗ قَالَ رَبِّ هَبْ لِىْ مِنْ لَّدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً اِنَّكَ سَمِيْعُ الدُّعَآءِ. فَنَادَتْهُ الْمَلـٰـئِكَةُ وَهُوَ قَآئِمٌ يُّصَلِّىْ فِى الْمِحْرَابِ اَنَّ اللهَ يُبَشِّرُكَ بِيَحْيٰى مُصَدِّقًا بِۢكَلِمَةٍ مِّنَ اللهِ وَسَيِّدًا وَّحَصُوْرًا وَّنَبِيًّا مِّنَ الصّٰلِحِيْنَ
অর্থ: “সেখানেই (মেহরাবে) হযরত যাকারিয়া আলাইহিস সালাম তিনি উনার রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করলেন| তিনি বললেন, “আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! আপনার তরফ থেকে আমাকে পবিত্রতম সন্তান দান করুন| নিশ্চয়ই আপনি দোয়া শ্রবণকারী| অতঃপর (হযরত যাকারিয়া আলাইহিস সালাম) তিনি মেহরাবে নামাযে দাঁড়ানো অবস্থায় উনাকে হযরত ফেরেশতা আলাইহিস সালাম উনারা নেদা করলেন (ডেকে বললেন) যে, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম উনার সুসংবাদ দিচ্ছেন, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কালিমা উনার সত্যায়নকারী, সাইয়্যিদ, দুনিয়া-বিরাগ এবং ছলিহীন নবী’|” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৮-৩৯)
অতএব, মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নবী ও রসূল হিসেবেই সৃষ্টি করেছেন| তবে, উনাদের দুনিয়াবী দৃষ্টিতে বয়স মুবারক অনুযায়ী কারো ৪০ বছর বয়স মুবারক-এ, কারো ৫০ বছর বয়স মুবারক-এ, কারো ৬০ বছর বয়স মুবারক-এ, কারো ৩০ বছর বয়স মুবারক-এ অর্থাৎ একেক জনের একেক সময় অনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালাত মুবারক প্রকাশ পেয়েছেন| সুবহানাল্লাহ! আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিষয়টা আরো আখাছ&ছুল খাছ বিষয়| সুবহানাল্লাহ! খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নবী-রসূল হিসেবে তো অবশ্যই; শুধু তাই নয়, উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে, উনার মাহবূব, হাবীব, মুরাদ ও সমগ্র কায়িনাতের মালিক হিসেবে নূরুত তাশরীফ মুবারক করিয়েছেন| সুবহানাল্লাহ! যেমন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُنْتُ اَوَّلَ النَّبِيِّيْنَ فِى الْخَلْقِ وَاٰخِرَهُمْ فِى الْبَعْثِ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত| তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- আমি সর্বপ্রথম নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসাবে নূরুত তাশরীফ মুবারক নিয়েছি| কিন্তু আমি প্রেরিত হয়েছি অর্থাৎ দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নিয়েছি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের শেষে|” সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম, তাফসীরে বাগবী, দূররে মানছুর, কানযুল উম্মাল, খাছাইছুল কুবরা, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫৩তম বৎসর মুবারক (আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ১৩তম বছর):
এ বৎসর সম্মানিত হজ্জ উনার মওসুমে আকাবার তৃতীয় বাইয়াত মুবারক অনুষ্ঠিত হন| সুবহানাল্লাহ! ৭৩ জন পুরুষ এবং ২ জন মহিলা উনারা বাইয়াত মুবারক হন| উনাদের মধ্য থেকে ১২ জনকে নাক্বীব নিযুক্ত করা হয়| সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত হিজরত মুবারক: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে নিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১লা সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (রবীউল আউওয়াল শরীফ) লাইলাতুল খমীস শরীফ (বৃহস্পতিবার) গভীর রাতে অর্থাৎ ১২টার দিকে সম্মানিত হিজরত মুবারক উনার উদ্দেশ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ হতে বের হয়ে প্রায় ৩ মাইল দূরে সম্মানিত সাওর গুহা মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক রাখেন| সম্মানিত সাওর গুহা মুবারক-এ ৪ দিন প্রায় ৪ রাত্রি মুবারক সম্মানিত অবস্থান মুবারক করার পর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫ই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ অর্থাৎ সোমবার) ১২টার দিকে সেখান থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার উদ্দেশ্যে বের হন| তারপর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৮ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ইয়াওমুল খমীস শরীফ সকাল সকাল সম্মানিত কুবা নামক স্থানে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক রাখেন| অতঃপর তিনি সেখানে একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক নির্মাণ করেন| যা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদে কুবা শরীফ নামে পরিচিত| সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক নির্মাণ করার পর সেখানে সম্মানিত ছলাতুল জুমু‘আহ& মুবারক আদায় করেন| এটাই হচ্ছেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে সর্বপ্রথম সম্মানিত ছলাতুল জুমু‘আহ& মুবারক| সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত কুবা শরীফ উনার মধ্যে ৪ দিন ৪ রাত্রি মুবারক সম্মানিত অবস্থান মুবারক করেন| অতঃপর তিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীঊল আউওয়াল শরীফ) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ সকাল সকাল সেখান থেকে রওয়ানা মুবারক হয়ে চাশতের ওয়াক্তের সময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক রাখেন| সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫২তম বৎসর মুবারক (আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ১২তম বছর):
এ বৎসর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫ই রবীউছ ছানী শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম) তিনি সম্মানিত হাবশায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন| সুবহানাল্লাহ!
এ বৎসর সম্মানিত হজ্জ উনার মওসুমে আকাবার দ্বিতীয় বাইয়াত মুবারক অনুষ্ঠিত হন| সুবহানাল্লাহ! বাইয়াত মুবারক গ্রহণকারী উনারা ছিলেন সংখ্যায় ১২ জন| সুবহানাল্লাহ!
* এ বৎসর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৬শে মুহররমুল হারাম শরীফ ইয়াওমুল খমীস শরীফ (বৃহস্পতিবার) সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আছ ছানী আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আলী ইবনে আবিল আছ আলাইহিস সালাম) তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন| সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় জীবনী মুবারক
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (পর্ব- ৭৮)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫১তম বৎসর মুবারক (আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ১১তম বছর):
এ বৎসর সম্মানিত উমরাহ& মুবারক উনার সময় ভিনদেশী বিশিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তিত্ব মুবারক উনারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন| সুবহানাল্লাহ!
এ বৎসর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (সোমবার রাতে) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ সংঘটিত হন| সুবহানাল্লাহ! এই রাত্রে ৫ ওয়াক্ত নামায ফরয করা হয়|
এ সময় চতুর্থবারের মতো মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইল&ম মুবারক চাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শান মুবারক প্রকাশিত হন| সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মি’রাজ শরীফ সংঘটিত হওয়ার পরের দিন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৮শে রজবুল হারাম শরীফ ইয়াওমুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার) সিব&ত্বতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল ঊলা আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত উমামাহ& আলাইহাস সালাম) তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন| সুবহানাল্লাহ!
* এ বৎসর সম্মানিত হজ্জ উনার মওসুমে আকাবার প্রথম বাইয়াত মুবারক অনুষ্ঠিত হন| সুবহানাল্লাহ! বাইয়াত মুবারক গ্রহণকারী উনারা ছিলেন সংখ্যায় ৬ জন| সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত স¤ে^াধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফ&য বা পরিভাষা মুবারক
৭৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঘুম মুবারক نُوْرُ الْـمُطْمَئِنَّةِ مُبَارَكٌ নূরুল মুত্বমাইন্নাহ& মুবারক
৮০ জিহাদে আহত হওয়া শান মুবারক نُوْرُ الْاِسْتِقَامَةِ مُبَارَكٌ নূরুল ইস্তিক্বামত মুবারক (দৃঢ়চিত্ত)
৮১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ نُوْرُ التَّشْرِيْفِ/ نُوْرُ الْوِلَادَةِ شَرِيْفٌ নূরুত তাশরীফ/ নূরুল বিলাদত শরীফ (আগমন)