https://al-ihsan.net/details/বিবাহ-শাদীর-গুরুত্ব-ফযীলত-ও-খাছ-সুন্নতী-তরীক্...
https://al-ihsan.net/details/ব....িবাহ-শাদীর-গুরুত্ব-ফ
https://al-ihsan.net/details/বিবাহ-শাদীর-গুরুত্ব-ফযীলত-ও-খাছ-সুন্নতী-তরীক্...
https://al-ihsan.net/details/ব....িবাহ-শাদীর-গুরুত্ব-ফ
https://al-ihsan.net/details/বিবাহ-শাদীর-গুরুত্ব-ফযীলত-ও-খাছ-সুন্নতী-তরীক্...
https://al-ihsan.net/details/ব....িবাহ-শাদীর-গুরুত্ব-ফ
https://al-ihsan.net/details/ইলিম-ও-আলিম-উনাদের-ফযীলত-ও-গুরুত্ব-(১)/69184
https://al-ihsan.net/details/ই....লিম-ও-আলিম-উনাদের-ফয
https://al-ihsan.net/details/ইলিম-ও-আলিম-উনাদের-ফযীলত-ও-গুরুত্ব-(১)/69184
https://al-ihsan.net/details/ই....লিম-ও-আলিম-উনাদের-ফয
ইলিম ও আলিম উনাদের ফযীলত ও গুরুত্ব
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন,
رَبِّ زِدْنِي عِلْمًا
অর্থ: “(তোমরা দু’আ কর,) আয় আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন।”
কেননা, সমস্ত ইলম-কালামসহ সমস্ত কিছুই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট রয়েছে। সেটাও তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
إِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللَّهِ
অর্থ : নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটেই সমস্ত সম্মানিত ইলম মুবারক রয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
আর এ সমস্ত ইলম মুবারক তিনি উনার প্রিয় হাবীব ও মাহবুব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাদিয়া করেছেন। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে-
انَّمَا أَنَا قَاسِم وَاللهُ يُعْطِي
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন দাতা আর আমি অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন বন্টনকারী।
অর্থাৎ সৃষ্টিকুলকে ইলম-কালামসহ যা কিছুই দেয়া হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে তা সব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাধ্যমেই তারা লাভ করে থাকে । সুবহানাল্লাহ! আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيْضَةٌ عَلى كُلِّ مُسْلِمٍ وَّ مُسْلِمَة
অর্থ: “প্রত্যেক মুসলমান নর এবং নারী সকলের জন্যই ইলম অর্জন করা ফরয।”
অর্থাৎ প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, শিশু, কিশোর, যুবক ও বয়স্ক সকলের জন্য ইলম অর্জন করা ফরয। এখন অনেকেই মনে করে থাকে যে ইলমে ফিক্বাহ অর্জন করা ফরয। ইলমে তাসাউফ অর্জন না করলেও চলে। আসলে বিষয়টা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। মূলত ইলমে ফিক্বাহ অর্জন করা যেমন ফরয, তেমনি ইলমে তাসাউফও অর্জন করা ফরয। কেননা, শুধু মাত্র ইলমে ফিক্বাহ দ্বারা কামিয়াবী লাভ করা যাবে না। সেটাই বলা হয়,
مَنْ تَفَقَّهَ وَلَمْ يَتَصَوَّفْ فَقَدْ تَفَسَّق، وَمَنْ تَصَوَّفْ وَلَمْ يَتَفَقَّهْ فَقَدْ تَزَنْدَق، ومَنْ جَمَعَ بَيْنَهُمَا فَقَدْ تَحَقَّق
অর্থ : যে ব্যক্তি ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো কিন্তু ইলমে তাছাউফ অর্জন করলো না সে ব্যক্তি ফাসিক। আর যে শুধুমাত্র তাছাউফ শিক্ষার কথা বলে অথচ ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো না সে ব্যক্তি যিন্দিক তথা কাফির। আর যে ব্যক্তি এ দু প্রকার ইলিমকে একত্রিত করলো সে ব্যক্তি হলো মুহাক্কিক্ব।
কাজেই ইলমে ফিক্বাহ অর্জনের পাশাপাশি ইলমে তাছাউফ অর্জন করতে হবে। তবেই হাক্বীক্বী কামিয়াবী লাভ করা যাবে।
আর শুধু ইলিম অর্জন করলেই আলিম হওয়া যায় না; ইলিম অর্জন করে সে অনুযায়ী আমল করতে হবে। তবেই হক্কানী-রব্বানী আলিম হওয়া যাবে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ
অর্থ : “মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দাদের মধ্যে যারা উনাকে ভয় করে উনারাই হলেন হক্কানী-রব্বানী আলিম।”
যারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার হাবীব-মাহবুব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ভয় করে এবং উনারা যেভাবে আদেশ-নির্দেশ মুবারক করেছেন সে অনুযায়ী ইলিম অর্জন করে আমল করে উনারাই আলিম।