সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক

৯৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তা’লীম মুবারক نُوْرُ الْوَحْىِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়াহ্ই মুবারক
১০১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক উনার চামড়া মুবারক نُوْرُ الْاُنْسِ مُبَارَكٌ নূরুল উন্স মুবারক
১০২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক উনার হাড় মুবারক نُوْرُ الرِّضَا مُبَارَكٌ নূরুর রিদ্বা মুবারক

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত দুধ বোন সাইয়্যিদাতুনা হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম

যে সকল মহাসম্মানিত ব্যক্তিত্ব মুবারক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত গোলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়ে বেমেছাল কামিয়াবী মুবারক হাছিল করেছেন, উনাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক- তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত দুধ বোন আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তাহলে উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক কত বেমেছাল, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার ঊর্ধ্বে। সুবহানাল্লাহ! এক কথায় তিনি শুধু যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারিণী হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তিত্বা মুবারক। সুবহানাল্লাহ! তাই উনার সম্মানিত জীবনী মুবারক জানা সকলের জন্য ফরযে আইন। সুবহানাল্লাহ! নিম্নে উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক উল্লেখ করা হলো-
সাইয়্যিদাতুনা হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মূল নাম মুবারক- সাইয়্যিদাতুনা হযরত হুযাফা আলাইহাস সালাম, মতান্তরে সাইয়্যিদাতুনা হযরত জায্যামাহ্ আলাইহাস সালাম বা সাইয়্যিদাতুনা হযরত জাদামাহ্ আলাইহাস সালাম। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক হচ্ছেন- সাইয়্যিদাতুনা হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম। তিনি উনার গোত্রে এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারকেই প্রসিদ্ধ ছিলেন।
উনার মহাসম্মানিত পিতা হচ্ছেন- সাইয়িদুনা হযরত হারিছ ইবনে আবদিল উযযা ইবনে রিফা‘আহ্ আলাইহিস সালাম তিনি। আর উনার মহাসম্মানিত মাতা হচ্ছেন- সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত হালীমাহ্ সা’দিয়্যাহ্ আলাইহাস সালাম) তিনি। সুবহানাল্লাহ! উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক হচ্ছেন- তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত দুধ বোন আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
উল্লেখ্য যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত দুধ মাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত কাবশাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উনায়সা আলাইহাস সালাম তিনি এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা ৪ জন হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত দুধ ভাই-বোন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম তিনি উনার মহাসম্মানিত মাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার সাথে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেন। সুবহানাল্লাহ! এ সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
اَنَّ سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ اَلشَّيْمَاءَ عَلَيْهَا السَّلَامُ كَانَتْ تَـحْضُنُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَ اُمِّهٖ اِذْ كَانَ عِنْدَهُمْ
অর্থ: “নিশ্চয়ই সাইয়্যিদাতুনা হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম তিনি উনার মহাসম্মানিত মাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার সাথে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেন যখন তিনি উনাদের নিকট মহাসম্মানিত অবস্থান মুবারক করেছিলেন।” সুবহানাল্লাহ! (দালাইলুন নুবুওয়াহ্ ১/১৩২)
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দুই বছর মহাসম্মানিত দুধ মুবারক পান করানো এবং লালন-পালন মুবারক করার পর মহাসম্মানিত মক্কা শরীফ নিয়ে আসেন। তারপর বরকত লাভের জন্য সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আরযী পেশ করে আবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিয়ে নিজ গোত্রে ফিরে যান। তখন তিনি দুনিয়াবী দৃষ্টিতে চলাচল মুবারক করেন, হাটা-হাটি মুবারক করেন এবং মহাসম্মানিত দুধ ভাই-বোন উনাদের সাথে চলাফেরা করেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ উনারা উনাদের জনপদের আশে-পাশের চারণভূমিতে ছাগল-ভেড়া চরাতেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও কখনো কখনো উনাদের সাথে সেখানে মহাসম্মানিত তাশরীফ মুবারক নিতেন। এ সময় সাইয়্যিদাতুনা হযরত শায়মা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখাশুনা মুবারক করতেন। পথ দীর্ঘ হলে, উনাকে মহাসম্মানিত কোল মুবারক-এ তুলে নিতেন। মাঝে মাঝে ছেড়ে দিতেন। আবার কখনো উনাকে নিয়ে ছায়ায় বসতেন এবং দুই হাতে তুলে দোলাতে দোলাতে সম্মানিত ও পবিত্র না’ত শরীফ পাঠ করতেন-
يَا رَبَّنَا اِبْقِ لَنَا مُحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ... حَتّٰـى اَرَاهُ يَافِعًا وَاَمْرَدًا ... ثُـمَّ اَرَاهُ سَيِّدًا مَسُوْدًا ... وَاكْبِتْ اَعَادِيْهِ مَعَا وَالْـحَسَدَا ... وَاَعْطِهٖ عِزًّا يَدُوْمُ اَبَدًا
“আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দুনিয়ার যমীনে রাখুন, যাতে আমরা উনাকে একজন মহাসম্মানিত যুবক হিসেবে দেখতে পাই। অতঃপর আমরা যেন উনাকে এমন একজন মহাসম্মানিত সাইয়্যিদ হিসেবে দেখতে পাই যে, উনার প্রতি বিদ্বেষপোষণকারী শত্রুর মাথা নত হয়ে যাবে। আপনি উনার চিরস্থায়ী সম্মান ও মর্যাদা মুবারক প্রকাশ মুবারক করুন।” সুবহানাল্লাহ! (আল ইছাবাহ্ ৭/৭৩৩)
কোনো কোনো বর্ণনায় প্রথম ছন্দ মুবারকখানা এভাবে এসেছেন,
يَا رَبَّنَا اِبْقِ اَخِىْ مُحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ভাই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দুনিয়ার যমীনে রাখুন।” সুবহানাল্লাহ! (সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১/৩৮০)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদাতুনা হযরত শায়মাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি ৯ম হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ২রা যিলক্বদ শরীফ ইয়াওমুল আহাদ শরীফ (রোববার) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবরক প্রকাশ করেন।” সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!

মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ

“দুইটি কিতাব মুবারক- ‘ইস্তিাওয়া এবং কুদরত’ এই দুইটির ব্যাখ্যা পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত কেউই করতে পারেনি। যত বড় ইমাম-মুজতাহিদ যাই বলো, কেউ করতে পারেনি। দুনিয়ার সমস্ত কিতাব, সারা পৃথিবীর সমস্ত কিতাব যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, আর আমার এই দুইটি কিতাব মুবারক যদি এক পাল্লায় দেয়া হয়, এই দুইটি কিতাব মুবারক উনাদের ওযন বেশি হবেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এটা মনে রাখবে।” (পবিত্র ২৯শে রমাদ্বান শরীফ এবং পবিত্র ১৩ই শাওওয়াল শরীফ ও পবিত্র ১৫ই শাওওয়াল শরীফ ১৪৪৭ হিজরী শরীফ)

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক

৯৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুসাফিরী শান মুবারক نُوْرُ الرَّاكِبِ مُبَارَكٌ নূরুর রকিব মুবারক
৯৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুক্বীমী শান মুবারক نُوْرُ النَّعِيْمِ مُبَارَكٌ নূরুন না‘ঈম মুবারক
৯৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তা’লীম মুবারক نُوْرُ الْوَحْىِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়াহ্ই মুবারক

ফতওয়া: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (৪)

اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)

اَلْـحَمْدُ وَالصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ لِشَيْخِنَا مَـمْدُوْحْ مُرْشِدْ قِـبْـلَةْ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ سُلْطَانٍ نَّصِيْـرٍ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَلِاَهْلِ بَـيْـتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ وَالصَّلـٰوةُ وَالسَّلَامُ عَلـٰى سَيّـِدِ الْاَنْۢبِيَاءِ وَالْـمُرْسَلِـيْـنَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلـٰى اَهْلِ بَـيْـتِهِ الْكَرِيْـمِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ وَالْـحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِـيْـنَ. اَمَّا بَـعْدُ
যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللهُ يَـخْتَصُّ بِرَحْـمَتِهٖ مَنْ يَّشَآءُ وَاللهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيْمِ
“যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে ইচ্ছা স্বীয় রহমত মুবারক দ্বারা খাছ করে নেন।” সুবহানাল্লাহ!
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! মূলত, মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে উনাদের পরিপূর্ণ অসীম ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করেই সৃষ্টি মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ! ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি একক, অনন্য, বেমেছাল ও সীমাহীন শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী, মালিক। তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সব। যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে উনার দায়িমীভাবে এমন এক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবত মুবারক রয়েছেন, যেখানে কারো কোনো স্থান সংকুলান হয় না। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! তিনি উনাদের হাক্বীক্বী দায়িমী দীদার, ছোহবত ও যিয়ারত মুবারক-এ ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! তাই, পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র উনার পক্ষেই সম্ভব হয়েছে যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম উনাদের, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের হাক্বীক্বী শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক প্রকাশ করা, প্রচার করা, প্রসার করা এবং উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ ও হুসনে যন মুবারক শিক্ষা দেয়া এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার হাক্বীক্বী রূপরেখা তুলে ধরা। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! তিনি একের পর এক বিশেষ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবতযুক্ত বিষয় মুবারকসমূহ প্রকাশ করে সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলকে অশেষ নেয়ামত মুবারক দানে ধন্য করছেন। যেমন-অনন্তকালব্যাপী সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ জারী, বিশেষ বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ প্রকাশ ও জারী, যেই বিষয়গুলো বিগত সাড়ে ১৪শ বছরে কেউ উপলব্ধি করতে পারেননি, এই বিষয়ে কারো কোনো ছহীহ ইলিম ছিলো না, সৃষ্টির কারো জানা ছিলো না। তেমনি একটি বিষয় হচ্ছেন- ‘সম্মানিত ফরয কুরবানী অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ সম্মানিত কুরবানী করা সমস্ত উম্মতের জন্য ফরয আইন।’

ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদরত আউওয়ালা র্মারাতিন ফী তারীখি খ¦লক্বিল্লাহ্ ‘আলা লিসানি সাইয়্যিদিনা সুলত্বানিন নাছীর মামদূহ্ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলাহ্ আলাইহিস সালাম
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ১৮


পবিত্র কুদরত মুবারক সম্পর্কে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আলোচনা মুবারক:

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
দুইখানা সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ। সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আ’লা শরীফ উনার মধ্যে-
[قَدَّرَ فَـهَدٰى} [اَلْاَعْلَى شريف: ৩}
আর সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ফুরক্বান শরীফ উনার মধ্যে-
{قَدَّرَهٗ تَـقْدِيْــرًا} [اَلْفُرْقَانُ شريف: ২]
অধম গোলামের আরযী: কতদিন আগের ঘটনা মুবারক?
জওয়াব মুবারক: ঘটনা তো কয়েক দিন আগের। প্রথম সূত্রপাত করেছেন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনি। উনিই একদিন কোনো এক প্রসঙ্গে আমাকে বলেছিলেন যে, ‘আমার কাছে আসতে হবে না?’ আমি বলেছি, ‘আসতে হবে’। তারপর উনি বলেছেন, ‘ইলিম শিখতে হলে তো আমার থেকে শিখতে হবে।’ আমি বলেছি, ‘হ্যাঁ’। তো প্রাথমিকটা উনি দেখিয়েছেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
অধম গোলামের আরযী: পবিত্র কুদরত মুবারক কেমন ছিলো?
জওয়াব মুবারক: এটা গোল, একটা বৃত্তের মতো। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনি পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মেছালী ছূরতটা দেখিয়ে বললেন যে, পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মেছালী ছূরত হলো এটা। উনি পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মেছালী ছূরতটা দেখিয়েছেন। এরপর মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের তরফ থেকে আমাকে বলা হলো যে, এটা বুঝতে হলে মহান আল্লাহ পাক উনার ছমাদিয়াত মুবারক বুঝতে হবে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছমাদিয়াত মুবারক বুঝতে হবে, উনার শান মুবারক বুঝতে হবে। উনাকে যে মহান আল্লাহ পাক উনি সব হাদিয়া মুবারক করেছেন, এটা বুঝতে হবে। আর মহান আল্লাহ পাক উনি যেমন ছলাত মুবারক পাঠ করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনিও ছলাত মুবারক পাঠ করেন মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি। যাহিরীভাবে মানুষ দেখে না, বুঝে না।
এর পরবর্তী সময় মূল জিনিসটা প্রকাশ করলেন। এখন এগুলি ইলমী বিষয়, ফিকিরের বিষয়। যারা ফিকির করবে, তারা হয়তো বুঝতে পারে। সবাই তো বুঝবে না। কারণ, পবিত্র কুদরত মুবারক তো পবিত্র কুদরত মুবারকই।
এখন আবার পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মধ্যেও পার্থক্য আছে। স্বাভাবিকভাবে পবিত্র কুদরত মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার একটা জাতী ছিফত; যা সৃষ্টি নয়। আবার মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে অলৌকিক কোনো জিনিস বের হলে সেটাকেও পবিত্র কুদরত মুবারক বলা হয়। যেমন- হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে অলৌকিক বিষয়কে ‘মু’জিযা শরীফ’ বলা হয়, হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের অলৌকিক বিষয়কে ‘কারামত’ বলা হয়।
এখন যারা আছে তারা বুঝেছে কি না? বুঝতে হবে, ফিকির করতে হবে। আর পবিত্র ইলিম মুবারক উনার বিষয়টা তো কঠিন। পবিত্র ইল্ম মুবারক তো মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে আসে। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
اِنَّـمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللهِ
‘নিশ্চয়ই পবিত্র ইলিম মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে।’ (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মুল্ক শরীফ: ২৬)

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক

৯৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হেলান দেয়া শান মুবারক نُوْرُ الْقَرَارِ مُبَارَكٌ নূরুল ক্বর্রা মুবারক (স্থায়ী)
৯৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বৃদ্ধকাল মুবারক نُوْرُ النَّوَّرِ مُبَارَكٌ নূরুন নাওওর্য়া মুবারক (বহুত আলোকিত)
৯৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুস্থতা মুবারক نُوْرُ الْاِسْتَوٰى مُبَارَكٌ নূরুল ইস্তাওয়া মুবারক

ফতওয়া:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া
প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (৩)


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ:

নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আদেশ মুবারক, ওয়াছিয়ত মুবারক ও সুন্নত মুবারক পালন করা ফরয, যা মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَاۤ اٰتٰىكُمُ الرَّسُوْلُ فَخُذُوْهُ وَمَا نَـهٰىكُمْ عَنْهُ فَانْـتَـهُوْا وَاتَّـقُوا اللهَ اِنَّ اللهَ شَدِيْدُ الْعِقَابِ
“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা নিয়ে এসেছেন, তা আঁকড়িয়ে ধরো এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন, তা থেকে বিরত থাকো। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠোর শাস্তিদাতা।” না‘ঊযুবিল্লাহ!
অতএব, এই সমস্ত ক্বেতঈ দলীল মুবারক দ্বারাই নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উম্মতের জন্য কুরবানী করা ফরজ সাব্যস্ত বা ছাবিত বা প্রমাণিত হয়েছে। তাই, সমস্ত উম্মতের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে, দায়িমীভাবে প্রতি বছর অনন্তকাল ধরে বংশ পরম্পরায় একজনের পর আরেকজন অর্থাৎ ইন্তেকালের পর তার পরবর্তী বংশধরগণ আবাদুল আবাদ অর্থাৎ ক্বিয়ামত পর্যন্ত ফরজ কুরবানী করে যেতেই থাকতে হবে, অর্থাৎ আবাদুল-আবাদ জারী রাখবে ও রাখতে হবে। কোনো মতেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক করা বন্ধ রাখতে পারবে না বা বন্ধ করতে পারবে না। সুবহানাল্লাহ! এমনকি যাদের সামর্থ নেই, তাদের জন্য দায়িত্ব হচ্ছে- ১০ জন, ২০ জন, ৩০ জন, ৪০ জন, ৫০ জন মিলে হলেও অথবা প্রয়োজন হলে ঋণ করে হলেও উনার পক্ষ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া। সুবহানাল্লাহ!
মূলত, উম্মতের খায়ের-বরকত ও ভালাইয়ের জন্যই এই সম্মানিত আদেশ মুবারক ও ওয়াছিয়ত মুবারক করা হয়েছে। এই সম্মানিত কুরবানী মুবারক উনার মাধ্যমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে একজন সাধারণ আদনা ও গুনাহগার উম্মতের বিশেষ নিসবত মুবারক হাছিল হবে। যা তার ইহকালীন ও পরকালীন নাজাত ও সর্বোচ্চ কামিয়াবী লাভের কারণ। সুবহানাল্লাহ!
যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক করার তাওফীক্ব আমাদের সবাইকে দান করুন। (আমীন!)

ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদরত আউওয়ালা র্মারাতিন ফী তারীখি খ¦লক্বিল্লাহ্ ‘আলা লিসানি সাইয়্যিদিনা সুলত্বানিন নাছীর মামদূহ্ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলাহ্ আলাইহিস সালাম
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ১৭


পবিত্র কুদরত মুবারক সম্পর্কে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আলোচনা মুবারক:

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এখানে অনেক প্রশ্ন আছে। সব প্রশ্ন দরকার নেই। এখন ফিকির করো সবাই কতটুকু বুঝতে পেরেছো। বুঝতে পেরেছো? হ্যাঁ? এটা ফিকির করতে হবে। বার বার শুনতে হবে এটা। সংরক্ষিত ওয়ায শরীফ শুনো বার বার। এরপর যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, প্রশ্ন করলে আমি জওয়াব দিবো। ইনশাআল্লাহ!
এখানে আগেই আমি একটা প্রশ্ন বলতে পারি এবং জওয়াবও দিতে পারি। সেটা হলো- অনেকে বলতে পারে- ‘তখন কিছু ছিলো না, তাহলে আপনি ছিলেন কোথায়? আপনি দেখলেন কিভাবে?’
অধম গোলামের উক্তি: ‘মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনি পবিত্র কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন।’
জওয়াব মুবারক: এটা আমি আগেই বলে দিলাম। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
এটা মহান আল্লাহ পাক তিনি দেখিয়েছেন। দেখা তো সম্ভব ছিলো না। এটা একটা কঠিন বিষয়। পবিত্র কুদরত মুবারক তো আর মানুষ বুঝেনি। তবে, শেষের বক্তব্য-কথাগুলি হুবহু মহান আল্লাহ পাক উনার। উনি সরাসরি স্পষ্টভাবে বলেছেন। সমস্ত নেয়ামত মুবারকসহ যে পবিত্র নূর মুবারক যাহির করলেন, সেই বিষয়টা বা হাক্বীক্বতটা আমাকে স্পষ্ট দেখিয়েছেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সংযুক্ত করার কিছু নেই। মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে যেমন সংযুক্ত করার কিছু নেই, একইভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথেও সংযুক্ত করার মতো কিছু নেই। সর্বপ্রকার নিয়ামত মুবারক দিয়েই পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করিয়েছেন (সৃষ্টি মুবারক করেছেন) এবং সেখান থেকে নূর মুবারক নিয়েই সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
আর মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা এখানে সংশ্লিষ্ট অর্থাৎ সম্পৃক্ত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি মহান আল্লাহ পাক উনার দ্বারাই পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রিত। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) অন্য ভাষায় হচ্ছে- উনার থেকে হিস্সা নিয়ে বাকি সবাইকে সৃষ্টি করা হয়েছে। নবী হন, রসূল হন বা অন্য কেউ হন, ওখান থেকে হিস্সা নিয়েই অর্থাৎ নূর মুবারক নিয়েই সৃষ্টি করা হয়েছে। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক

৯১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অনামিকা আঙ্গুল মুবারক نُوْرُ النَّصِيْرِ مُبَارَكٌ নূরুন নাছীর মুবারক (সাহায্য)
৯২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কণিষ্ঠা আঙ্গুল মুবারক نُوْرُ الْمَبْرُوْرِ مُبَارَكٌ নূরুল মাব্রূর মুবারক (পবিত্র)
৯৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চোখ উনার মণি মুবারক نُوْرُ الْفَرْحَةِ مُبَارَكٌ নূরুল র্ফাহাহ্ মুবারক (খুশী)