সুন্দরবন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের কোটি মানুষের কর্মসংস্থানে অবদান রাখছে। সুন্দরবনের গাছ বিভিন্ন আসবাবপত্র, শিল্পকারখানা, জ্বালানি ও গৃহনির্মাণ কাজের চাহিদা মেটায়। সুন্দরবনের নদ-নদী ও খালগুলো থেকে প্রচুর মাছ আহরণ করা হয়, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে জাতীয় অর্থনীতি ও রপ্তানি আয়ে বড় ভূমিকা রাখে। প্রতিবছর সুন্দরবন থেকে হাজার হাজার কুইন্টাল মধু ও মোম সংগ্রহ করা হয়। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে প্রতিবছর প্রচুর বিদেশি পর্যটক আসে যা থেকে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে । প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সুন্দরবন ঢাল হিসেবে থাকে। ঘূর্ণিঝড়ের থেকে উপকূলীয় বাঁধ, বন্দর, জনপদ, ফসলি জমি রক্ষা করে সুন্দরবন শত শত কোটি টাকার ক্ষতি রোধ করে। তাই এই বিষয়টি অনস্বীকার্য বাংলাদেশের বন্ধু সুন্দরবন।
মৃত ব্যাক্তি ডুবন্ত ব্যাক্তির মতো। সে অপেক্ষা থাকে, আমার জন্য কে দোয়া করবে। তার বাবা-মা, ভাই-ভাতিজা, আওলাদ ইত্যাদি এরা যদি দোয়া করে। যদি দোয়া করে তখন, তার কাছে দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু আছে এর চেয়ে উত্তুম শ্রেষ্ঠ এই অল্প দোয়া টাই।
- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম
তোমরা ঘর-সংসার, ছেলে-মেয়ে, বাড়ি-ঘর, ব্যবসা-বানিজ্য, চাকুরী, ক্ষেত-খামার এটার দোহাই দিয়ে আল্লাহওয়ালা থেকে দূরে সরে থেকো না। তোমরা ফাসিক-ফুজ্জারকে অনুসরণ করো না। যাদের অন্তরটা ক্বলবটা আমার জিকির থেকে গাফিল। এদের অন্তরটা আমার জিকির থেকে গাফিল হওয়ার কারণে, তাদের কাজগুলো হলো শরীয়তের খিলাফ।
- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট এরূপ হওয়ার জন্য দোয়া মুবারক করলেন। অর্থাৎ চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার জন্য দোয়া মুবারক করলেন। তখন উনার নির্দেশ মুবারকে চাঁদ দুই টুকরা হয়ে যায়।
- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম
“যে ব্যক্তি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে এক দিরহাম খরচ করবেন, ঐ ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় ইয়াতীমদেরকে এক পাহাড় পরিমাণ লাল স্বর্ণ দান করার ফযীলত মুবারক লাভ করবেন।”
- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরাফার ময়দানে ইরশাদ মুবারক করেছেন, হে মানুষ তোমরা প্রত্যেক আহলে বাইত শরীফ তাদের জন্য একটি কুরবানী করা ওয়াজিব প্রতিবছর।
“যে ব্যক্তির কুরবানী করার সামর্থ্য রয়েছে, সে যদি কুরবানী না করে, তাহলে সে যেন ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয় অর্থাৎ ঈদগাহে না আসে”।
- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম