চাঁদের আলোয় আলোকিত পুরো পৃথিবী
মহাকাশ থেকে পৃথিবী, চাঁদ কিংবা দূরের তারার দৃশ্য দেখতে বেশ সুন্দর। এবার মহাকাশ থেকে পৃথিবীর এমনই এক শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্য শেয়ার করেছে নাসার এক নভোচারী জেসিকা। তার শেয়ার করা প্রামাণ্যচিত্রে দেখা যায়, চাঁদের স্নিগ্ধ আলোয় আলোকিত হয়ে আছে পুরো পৃথিবী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সে প্রায়ই মহাকাশের দারুণ সব মুহূর্ত শেয়ার করে। সম্প্রতি সে ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ের পটভূমিতে চাঁদের আলোয় উদ্ভাসিত পৃথিবীর একটি চমৎকার প্রামাণ্যচিত্রও প্রকাশ করেছে। এর ক্যাপশনে সে লেখে, ছায়াপথের সঙ্গে চাঁদের আলোয় আলোকিত পৃথিবী।
সে জানায়, পৃথিবীর বুকে চাঁদের আলো এতই উজ্জ্বলভাবে পড়ছিলো যে, মহাকাশ থেকে রাতের বেলাকেও একদম দিনের মতো মনে হচ্ছিলো। এমনকি নীল মহাসাগর ও মহাদেশগুলোর সীমানাও স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিলো।
নভোচারী বলে, চাঁদের এই অপরূপ আলো তাদের নতুন করে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। বিশেষ করে নাসার ‘আর্টেমিস’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে আবারও চাঁদে ফিরে যাওয়ার জন্য এই দৃশ্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।
পিরামিড গঠনে চাঁদ ও গ্রহের গতিপথের প্রভাব, দাবি নতুন তত্ত্বে
মিশরের গিজায় দাঁড়িয়ে থাকা সাড়ে চার হাজার বছরের পুরোনো পিরামিড নিয়ে রহস্যের শেষ নেই। এবার এক গবেষকের দাবি, শুধু ফারাওদের নয়, এই স্থাপত্যের পরিমাপের ভেতরে লুকিয়ে থাকতে পারে চাঁদ, নক্ষত্র ও গ্রহের গতিপথ সম্পর্কিত এক গোপন গাণিতিক সংকেত।
সম্প্রতি বিজ্ঞান সাময়িকী ‘এসএসআরএন’ ও যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মেট্রো’তে প্রকাশ পেয়েছে এই নতুন তথ্য।
গবেষকরা পিরামিডের পরিমাপগুলো বিশ্লেষণ করতে প্রাচীন মিশরীয়দের ব্যবহৃত ভগ্নাংশের পদ্ধতি প্রয়োগ করেছে। তাদের দাবি, এই হিসাব থেকে পাওয়া সংখ্যাগুলোর সঙ্গে মহাজাগতিক বিভিন্ন চক্রের মিল রয়েছে। গণনায় প্রাপ্ত ‘২৭.৫’ সংখ্যাটিকে তারা চাঁদের পৃথিবীর নিকটতম অবস্থানের চক্রের (২৭.৫৫ দিন) সঙ্গে তুলনা করেছে।
এছাড়া ‘৭০’ সংখ্যাটিকে সিরিয়াস নক্ষত্র অদৃশ্য থাকার আনুমানিক ৭০ দিনের সময়কালের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। গবেষণায় দাবি করা হয়, পরিমাপের ফলাফলগুলোর সঙ্গে বৃহস্পতি, শনি, শুক্র ও মঙ্গলের গতিবিধির মিল আছে। পাশাপাশি এতে পাই (π) এবং গোল্ডেন রেশিও বা সোনালী অনুপাতের উপস্থিতির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
সংখ্যাতাত্ত্বিক এই মিলগুলো কেবলই কাকতালীয় কি না, তা পরীক্ষা করতে ১ লাখ কম্পিউটার-নির্মিত পিরামিডের মডেল ব্যবহার করা হয়।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাত্র ২.৪ শতাংশ মডেলে এ ধরনের মিল পাওয়া সম্ভব। এর ওপর ভিত্তি করে গবেষকরা দাবি করে, পিরামিড তৈরির সময় এসব পরিমাপ হয়তো ইচ্ছাকৃতভাবেই ব্যবহার করা হয়েছিলো। ৪৫০০ বছরের পুরোনো এই স্থাপত্যকে প্রাচীন জ্ঞানের কোনো স্থায়ী দলিল অথবা পৌরাণিক ‘বেনবেন’ ঢিবির প্রতীক হতে পারে।
নারিকেল দ্বীপে স্থায়ী সেনানিবাসের প্রাসঙ্গিকতা
বাংলাদেশের একচ্ছত্র সার্বভৌমত্ব ও ভূ-খন্ডের নিরাপত্তার প্রতীক বঙ্গোপসাগরের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ নারিকেল দ্বীপ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাফ নদী, টেকনাফ সীমান্ত এবং সংলগ্ন আন্তর্জাতিক নৌসীমায় যে অভূতপূর্ব ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি নতুন সমীকরণ উন্মোচন করেছে। মিয়ানমারের ভেতরে চলমান গৃহযুদ্ধ, দেশটির সীমান্তরক্ষী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সশস্ত্র তৎপরতা, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সুদীর্ঘ সংকট এবং বঙ্গোপসাগরে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা-সব মিলিয়ে নারিকেল দ্বীপ দ্বীপে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্থায়ী উপস্থিতি বা পূর্ণাঙ্গ সামরিক বলয় নিশ্চিত করা এখন কেবল একটি প্রতিরক্ষাগত প্রস্তাব নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার অনিবার্য তাগিদ।
ভৌগোলিক দিক থেকে নারিকেল দ্বীপ মূল ভূখ- থেকে বিচ্ছিন্ন এবং বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের এক অতন্দ্র প্রহরী। বিগত কয়েক বছরে মিয়ানমার সীমান্ত ও সংলগ্ন জলসীমায় ঘটে যাওয়া বেশ কিছু অনাকাঙিক্ষত ঘটনা যেমন সীমান্ত আকাশসীমা লঙ্ঘন, নাফ নদীতে মাছ ধরার ট্রলারে গুলিবর্ষণ এবং নৌপথ অবরুদ্ধের মতো ঝুঁকি প্রমাণ করে যে কেবল কোস্ট গার্ড বা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নিয়মিত টহলের মাধ্যমে এই সংবেদনশীল দ্বীপের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিছিদ্র রাখা কঠিন। যেকোনো জরুরি বা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে মূল ভূখ- থেকে দ্বীপে দ্রুত সামরিক সহায়তা পৌঁছানো সময়সাপেক্ষ বিষয়। দ্বীপে একটি স্থায়ী সেনাক্যাম্প বা সেনানিবাস থাকলে তা যেকোনো সম্ভাব্য বহিরাগত উসকানি বা অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় প্রতিরোধ ও মনস্তাত্ত্বিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা (উবঃবৎৎবহপব) হিসেবে কাজ করবে।
কেবল সামরিক দৃষ্টিভঙ্গি নয়, ভূ-রাজনৈতিক ও সার্বভৌমত্বের কাঠামোগত সুরক্ষার ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। বঙ্গোপসাগর আজ বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সামরিক ও অর্থনৈতিক কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই বাংলাদেশের একচ্ছত্র নৌসীমায় অর্থনৈতিক অঞ্চল (ঊঊত) ও সামুদ্রিক সম্পদের সুরক্ষায় একটি শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
তাই সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করতে হবে। সেনাবাহিনীর সুনিয়ন্ত্রিত নজরদারি বরং দ্বীপটির অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন রোধ, অবৈধ দখলদারিত্ব বন্ধ করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি সামুদ্রিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে দ্বীপটির অধিবাসীদের সুরক্ষায় সেনাবাহিনীর দ্রুত ব্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান সহজতর হবে।
জাতীয় প্রতিরক্ষা নীতির মূল ভিত্তি হলো- দেশের ভৌগোলিক অখ-তা অক্ষুন্ন রাখা। সেনাসদরের কৌশলগত দূরদর্শিতা এবং সরকারের কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা নীতির সমন্বয়ে সেন্ট মার্টিনে সেনাবাহিনীর স্থায়ী উপস্থিতি নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। সার্বভৌম ভূখ-ের সুরক্ষায় এক চুলও ছাড় না দেয়ার সংকল্প বাস্তবায়নে এটি হতে পারে এক দূরদর্শী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
শৈলকুপার বুকে সুলতানি আমলের স্মৃতিচিহ্ন
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ঐতিহাসিক শাহী মসজিদ সুলতানি আমলের ইতিহাস ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। ছয়টি গম্বুজ, তিনটি মেহরাব ও চার কোণের মিনারবিশিষ্ট এই মসজিদ অতীতের ইতিহাস বহন করছে।
‘ঝিনেদার ইতিহাস’ বইয়ের তথ্য অনুযায়ী সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহর উত্তরসূরি সুলতান নাসির উদ্দিন নুসরত শাহ ১৫১৯ সালে বাবার মৃত্যুর পর বাংলার সিংহাসনে বসেন। ১৫৩২ সাল পর্যন্ত তার শাসনামলে রাজধানী গৌড় থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে তিনি বেশ কয়েক দিন ঝিনাইদহের শৈলকুপায় অবস্থান করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দরবেশ আরব শাহ। জনপদটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি এখানে থেকে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
আরব শাহর দুই শিষ্য হাকিম খান ও সৈয়দ আব্দুল কাদের বাগদাদীসহ তিনজন শৈলকুপা শহরে বসবাসের সিদ্ধান্ত নেন। পরে সুলতান নাসির উদ্দিন নুসরত শাহ মসজিদ পরিচালনার জন্য এর নামে কয়েকশ বিঘা জমি ওয়াকফ করে দেন। বইটির তথ্য অনুযায়ী সে সময় এলাকাটি বনজঙ্গলে ঘেরা ছিলো।
সরেজমিন দেখা যায়, মসজিদটি দুটি পাথরের বিমের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এর ছাদে রয়েছে ছয়টি বড় গম্বুজ। বাইরের চারপাশে রয়েছে চারটি পিলার। প্রতিটি দেয়ালের প্রস্থ ৬৫ ইঞ্চি। মসজিদের ভেতরের পশ্চিম দেয়ালে রয়েছে তিনটি মেহরাব। পাশের দুটি মেহরাবের তুলনায় কেন্দ্রীয় মেহরাবটি কিছুটা বড়; এর উচ্চতা পাঁচ ফুট। মসজিদের চার কোণে রয়েছে আরও চারটি মিনার। মিনারগুলো গোলাকার এবং বলয়রেখায় অলংকৃত।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রকাশনা ও গণসংযোগ অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার তারেক মাহমুদ বলেন, প্রাচীন স্থাপনা সংরক্ষণ শুধু বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ব নয়; এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও ইতিহাস পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ, স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ, ঐতিহাসিক তথ্য সংগ্রহ এবং দর্শনার্থীদের জন্য পরিচিতিমূলক তথ্যফলক স্থাপন এক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
" সুন্নত মুবারক সব সময়, সবখানে "
আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্রে -বিশেষায়িত পণ্য সামগ্রীর তালিকা দেওয়া হলো(যা আপনার প্রয়োজনে চাহিদা দিয়ে নিতে পারেন)
১. পোশাক ও বিছানা সামগ্রী:
🌿 সুন্নতী কোর্তা • টুপি • ইযার • পাগড়ী
🌿 রুমাল • চাদর • শীতের জুব্বা
🌿 কম্বল • বিছানার চাদর • কেনায়া • ১২ শরীফ থলে
২. ব্যক্তিগত ও ইবাদতের উপকরণ: 🕌
🌸 আতর • তসবিহ • মেসওয়াক • জায়নামাজ
🌸 সুরমাদানি • ইসমিদ সুরমা
🌸 ঝামা পাথর • ধুন্দুলের ছোবরা • ধুপ • ধুপদানি
৩. ঘরোয়া ও ব্যবহারিক সামগ্রী🏺
🏺 সুন্নতী বাসন • বাটি •চকি. দস্তরখানা • মশক
🏺 লবনদানি • খুতবার লাঠি • ঢাকনাসহ বোল
🏺 চামড়ার বালিশ • নালাইন • চামড়ার মোজা
🧴
✨ গুসলুল জিসম (তরল সাবান, বড়ই পাতার) • ফেইসওয়াশ • শ্যাম্পু
✨ হ্যান্ডওয়াশ • মাশহুকুত তানজীফ • শামউন নাহল
✨ তেলসমূহ: খাঁটি নারকেল তেল • আদ্দাহিন • জয়তুন তেল • কালোজিরার তেল • খাঁটি সরিষার
৫. খাদ্য সামগ্রী:
🍇 ফল ও খাবার: সিরকা • ত্বীন ফল • জয়তুন ফল • সাওয়ীক্ব
🍯 মধু ও বাদাম: মধুময় বাদাম • খাঁটি মধু
🌴 খেজুর: সাধারণ খেজুর • খুরমা • আযওয়া খেজুর
🌾 আটা: গমের লাল আটা • যবের আটা
🧄 আচার: রসুন • আম • চালতা • জলপাই