Digital Quest – Digital Marketing Training Institute in KPHB
Among the popular institutes, Digital Quest is known for providing practical digital marketing training in KPHB. The institute focuses on real-time learning methods, hands-on projects, and career-oriented training programs.
Why Choose Digital Quest?
Experienced digital marketing trainers
Practical SEO and Google Ads training
Real-time project exposure
Interview preparation sessions
Internship support
Affordable fee structure
Flexible class timings
Digital Quest helps students understand the latest digital marketing trends and tools used in the industry.

image

1 y

জুলাই শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি করে সমন্বয়ক থেকে মীরজাফর উপদেষ্টা হয়ে উঠা আসিফ! ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে ভারত আমেরিকার শিখিয়ে দেওয়া বুলি আউড়াচ্ছে!!

📢📣এই ক্ষমতালোভী গাদ্দার! গদি ছাড়!! গদি ছাড়!!!
📢📣এই মুহূর্তে দরকার সেনাবাহিনীর সরকার⚔️

1 h

গান-বাজনা শ্রবন করা, গান-বাজনার মজলিসে বসা, বাদ্য-যন্ত্র বাজানো, নর্তন-কুর্দন করা সবই হারাম। যে ব্যক্তি এগুলোকে হালাল মনে করবে সে ব্যক্তি কাফের।

“মুগনী” কিতাবে উল্লেখ আছে- لَهْوَ الْحَدِيْثِ ‘লাহ্ওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে- গান-বাজনা, সঙ্গীত। এ আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফের হবে।

وَفِىْ جَامِعِ الْفَتَاوَى اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا وَضَرْبُ الْمَزَامِيْرِ وَالرَّقْصُ كُلُّهَا حَرَامٌ وَمُسْتَحِلُّهَا كَاِفرٌ.

অর্থ: জামিউল ফতওয়াতে” উল্লেখ আছে, গান-বাজনা শ্রবন করা, গান-বাজনার মজলিসে বসা, বাদ্য-যন্ত্র বাজানো, নর্তন-কুর্দন করা সবই হারাম। যে ব্যক্তি এগুলোকে হালাল মনে করবে সে ব্যক্তি কাফের।

হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অনুসারীগণ কোথায়??? বর্তমানে আপনাদেরকে খুবই প্রয়োজন... দয়া করে আবার জেগে উঠুন...

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করেছে উগ্র বিজেপি সরকার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সরকার রাজ্যটিতে প্রকাশ্যে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো পশু জবাই করতে হলে সরকারি অনুমোদন এবং পশু চিকিৎসকের দেওয়া ফিটনেস সনদ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

শুধুমাত্র ১৪ বছরের বেশি বয়সী পশু, যারা প্রজনন বা কাজের অনুপযুক্ত, তাদেরই জবাইয়ের অনুমতি দেওয়া হবে। এছাড়া গুরুতর অসুস্থ বা বিকলাঙ্গ পশুর ক্ষেত্রেও সনদ সাপেক্ষে অনুমতি মিলতে পারে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত পশু কেবল নির্দিষ্ট কসাইখানা বা প্রশাসনের নির্ধারিত স্থানেই জবাই করা যাবে। রাস্তা বা জনসমাগমস্থলে পশু জবাই করা এখন থেকে আমলযোগ্য অপরাধ।

নিয়ম ভাঙলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, এক হাজার রুপি জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের পরিদর্শনে বাধা দেওয়াকেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

image

তুমি মহান রব তায়ালা উনাকে কেন দূরে খোঁজ করছো, তিনি তোমার অতি নিকটে কিন্তু তুমি জানো না। যেমন কেউ তার হিরার-হাড় পাগলের মত খুঁজে বেড়ায় এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে, অথচ তা তার গলায়ই রয়েছে ।....মাওলানা রুমি রহমতুল্লাহি আলাইহি।

বাহরুর রায়েক্ব কিতাবে বর্র্ণিত রয়েছে-

اَنَّ الْمُجْتَهِدَ اِذَا اِسْتَدَلَّ بِحَدِيْثٍ كَانَ تَصْحِيْحًا فَلَا يَحْتَاجُ اِلٰى شَىْءٍ بَعْدَهٗ

“যখন মুজতাহিদ হুকুম ছাবেত করার জন্য কোনো হাদীছ শরীফ দ্বারা দলীল গ্রহণ করেন, তখন সেটা ছহীহ হয়ে যায়। এরপর আর কোনো দলীলের প্রয়োজন হয় না।”

সত্তাগতভাবে কোনো পবিত্র হাদীছ শরীফই দ্বয়ীফ বা দুর্বল নয়। রাবী বা বর্ণনাকারীদের অবস্থার ভিত্তিতে পবিত্র হাদীছ শরীফ বিশারদগণ এটা একটা পরিভাষা তৈরি করেছেন। সনদের দিক থেকে উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ দ্বয়ীফ মনে হলেও উছূলের মানদ-ে মোটেও দ্বয়ীফ নয়। পবিত্র হাদীছ শাস্ত্রের একটা উছূল হচ্ছে, কোনো হযরত ইমাম মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা যেই পবিত্র হাদীছ শরীফ দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন সেটা আর দ্বয়ীফ থাকে না।

ঐতিহাসিক খন্দক জিহাদ ও ইহুদী বনূ কুরাইজাদের পরাজিত ও তাদেরকে হত্যা করার পর অবশিষ্ট থাকলো সালাম বিন আবিল হুক্বাইক। যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে মানুষকে প্ররোচিত করতো।

কাট্টা কাফির সালাম বিন আবিল হুক্বাইকের উপনাম ছিলো আবূ রাফি’। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি বিদ্বেষী ও বৈরীভাবাপন্ন ইহুদী প্রধানদের সে ছিলো অন্যতম। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বিরুদ্ধে মুশরিকদের প্ররোচিত ও প্রলোভিত করার ব্যাপারে সে সব সময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতো এবং ধন সম্পদ ও রসদ সরবরাহ করে তাদের সাহায্য করতো। নাউযুবিল্লাহ! এছাড়া স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারকে কষ্ট দেয়ার ব্যাপারে সর্বক্ষণ সে উদ্বাহু থাকতো। বিভিন্ন সমাবেশে, মঞ্চে, মেলায় সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও উনার মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে কষ্ট দেয়ার জন্য কুৎসা রটনা করতো, অবমাননাকর কথা-বার্তা বলতো। নাউযুবিল্লাহ! তথা সে সবচেয়ে বড় শাতিমে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলো। নাউযুবিল্লাহ!

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যখন বনু কুরাইজার সমস্যাবলী থেকে মুক্ত হয়ে কিছুটা বিরতি নিচ্ছিলেন তখন খাযরাজ গোত্রের কতিপয় হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে অনুমতি মুবারকের আর্জি পেশ করে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ, ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ইতোপূর্বে আউস গোত্রের কয়েকজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কাট্টা কাফির কা‘ব বিন আশরাফকে হত্যা করেছেন। কাজেই আমরা খাযরাজ গোত্রও অনুরূপভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের দুশমন, কাট্টা কাফির আবূ রাফি’কে হত্যা করতে চাই। উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুমতি মুবারকে জন্য আর্জি পেশ করতে লাগলেন। উনাদের আর্জি মুবারক পেশের পরিপ্রেক্ষিতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদেরকে অনুমতি মুবারক দান করলেন এবং বিশেষভাবে নির্দেশ মুবারক দিলেন যে, মহিলা এবং শিশুদের যেন হত্যা করা না হয়। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুমতি মুবারক লাভের পর পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি দল অভীষ্ট গন্তব্য অভিমুখে রওয়ানা হয়ে যান। সুবহানাল্লাহ!

উম্মুল মু’মিনীন হযরত আত তাসি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার প্রথম শাদী মুবারক হয় বনী কুরাইজা গোত্রের হাকামের সাথে। এ সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-

كَانَتْ اُمُّ الْمُؤْمِنِيْنَ سَيِّدَتُنَا حَضْرَتْ اَلتَّاسِعَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتُنَا حَضْرَتْ رَيْحَانَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ) مُتَزَوِّجَةً رَجُلًا مِنْ بَنِىْ قُرَيْظَةَ يُقَالُ لَهٗ: اَلْحَكَمُ.

অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে তাশরীফ মুবারক নেয়ার পূর্বে উম্মুল মু’মিনীন হযরত আত তাসি‘য়াহ আলাইহাস সালাম তিনি বনী কুরাইজা গোত্রের হাকাম নামে এক ব্যক্তির যাওজিয়াতে ছিলেন।”
এ কারণে কেউ কেউ উনাকে বনী কুরাইজা গোত্রের বলেছেন।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تعالٰى عَنْهُ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا يُوْجِبُ الْـحَجَّ قَالَ الزَّادُ وَالرَّاحِلَةُ.

অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এক ব্যক্তি (হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) তিনি এসে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কোন বিষয়গুলো, কোন জিনিসগুলো পবিত্র হজ্জকে ফরয করে দেয়, ওয়াজিব করে দেয়? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তখন ইরশাদ মুবারক করেন পাথেয় এবং বাহন। (তিরমিযী শরীফ)