পিরিয়ডের সময় ন্যাপকিন ব্যবহার না করে, মার্কেট হতে ১০০% সুতি কটন কাপড় কিনে, কুসুম গরম পানি দিয়ে ধৌয়ে ভাল করে কড়া রৌদ্রে শুকিয়ে ছোট ছোট করে সাইজ করে ব্যবহার করুন, এতে আপনার খরচ ও কম হবে। আর থাকবেন বহু রোগ হতে মুক্ত আল্লাহর রহমতে।ন্যাপকিন একটি ক্ষতিকর জিনিস৷ ন্যাপকিন তৈরী করতে রাসায়নিক ক্যামিকেল ব্যবহার হয়। পিরিয়ডের সময় যখন জরায়ূর সাথে চলমান থাকে তখন অপরিষ্কার কিছু থাকলেই ভিতরে প্রবেশ করে।

তাহলে যারা ন্যাপকিন ব্যবহার করে তাদের মাঝে ন্যাপকিনের রাসায়নিক নির্যাস টা প্রবেশ করবে এটাই স্বাভাবিক। এই রাসায়নিক নির্যাস যখন নরম মাংস পিন্ডে যায় তখন ক্ষতি হবার সম্ভাবনা অনেক।চুলকানি, মুখ সুন্দরী থাকলে যৌনপথ কালো হয়ে যায়।।
এই যান্ত্রিক তৈরী ন্যাপকিনের কারণে জরায়ু ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

আপনারা জানেন যে হাইকোর্টে রিট হয় হরলিক্সের বিরুদ্ধে৷ তারা হরলিক্সে কোনো পুষ্টি উপাদান প্রমাণ করতে পারে নি। তারপরও কি মানুষ এই অখাদ্য হরলিক্স খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। না ছাড়েনি, আমার আইডিতে পোস্ট আছে। এই পোস্টের কমেন্টে লিং দিবো পড়ে দেখিয়েন।

স্বাস্থা ঝুঁকি থাকা ও বিলাসী এই ন্যাপকিন শিক্ষিত মানুষ ব্যবহার করে নিজেকে অনেক সচেতন মনে করে৷
অথচ ব্যবহারের নিয়ম জানে না ৯৫% মহিলারা।

স্যানিটারি প্যাড বা ন্যাপকিন ব্যবহারের নিয়ম:
বাজারে এখন বিভিন্ন ব্র্যান্ড-এর, বিভিন্ন ধরনের স্যানিটারি ন্যাপকিন বা প্যাড পাওয়া যায়। যে ধরনেরই হোক না কেন তা কোনভাবেই দীর্ঘক্ষণ পরা উচিত নয়। পিরিয়ড-এর প্রথম দুই-তিন দিন একটু বেশী রক্তক্ষরণ হয়, তাই দুই ঘন্টা পরপর প্যাড পরীক্ষা করে দেখা উচিত। যদি প্যাড শুকনো না থাকে অর্থাৎ উপরের অংশে রক্ত ভেসে আসতে দেখা যায় তবে সাথে সাথে তা চেঞ্জ করা উচিত এবং কোনভাবেই চার ঘণ্টার বেশি একটি প্যাড পরা উচিত নয়।

দীর্ঘসময় ধরে ব্যবহার করেন। এতে করে সেই রক্ত দ্রুত শুকিয়ে সেখানে জীবানুর আক্রমণ হয় যা যোনিপথের সংস্পর্শে এসে চুলকানি, ফোঁড়া, যৌনাঙ্গের নানান রকম অসুখ ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন ইত্যাদি সৃষ্টি করে। লোভনীয় বিজ্ঞাপনে প্রভাবিত হয়ে মেয়েরা চব্বিশ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে স্যানিটারি ন্যাপকিন পরে থাকে। কিন্তু এ ধরনের প্যাড দীর্ঘসময় শুকনো রাখার জন্য ‘সেলুলোজ জেল’ নামক উপাদান ব্যবহার করা হয় যা জরায়ুমুখের ক্যান্সার-এর জন্য দায়ী। তাই এ বিষয়ে নিজ দায়িত্বে সচেতন হতে হবে।

পিরিয়ডের সময় করণীয়: এ সময়ে মেয়েদের পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। যেমন: দুধ, ডিম, শাকসবজি ইত্যাদি খেতে হবে।পরিষ্কার পরিছন্নতা বজায় রাখতে হবে। প্রচুর পরিমানে পানি পান করতে হবে। অনেক মেয়েরাই এ সময় সাধারণ টুকরা কাপড় ব্যবহার করে থাকেন, যা খুবই অস্বাস্থ্যকর।মাসিকের সময় তীব্র ব্যথা ও অতিরিক্ত রক্ত গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে নীচের কাজঅবশ্যই বর্জন করুন-পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা পানি, কোমল পানীয় এবং নারিকেল খাবেন না।এসময় মাথায় শ্যাম্পু ব্যাবহার করবেন না।কারণপিরিয়ডের সময় চুলের গোড়া আলগা হয় ফলে লোমকূপ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।শ্যাম্পু ব্যবহার এসময় অ’ত্যন্ত ঝুঁ’কিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

এসময় শশা খাবেন না। কারণ শশার মধ্যে থাকারস পিরিয়ডের র’ক্তকে জরায়ু প্রাচীরে আ’ট’কে দিতে পারে। যার ফলে আপনার বন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এছাড়াও লক্ষ্য রাখবেন, পিরিয়ডের সময় যেন শরীরে শক্ত কিছুর আ’ঘাত না লাগে, বিশেষত পেটে।পিরিয়ডের সময়টায় জরায়ু খুব নাজুক থাকে ফলে অল্প আ’ঘাতেই মা’রাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হত পারে।

যার ফলে পরবর্তীতে জরায়ু ক্যান্সার,জরায়ুতে ঘাঁ কিংবা বন্ধ্যাত্যের ঝুঁ’কি থাকে। পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা পানি পান করার ফলে পিরিয়ডের র’ক্ত বের না হয়ে জরায়ু প্রাচীরে জমাট বাঁধতে পারে।
যা পরবর্তী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে জরায়ু টিউমা’র বা ক্যান্সারের আকার ধারণ করতে পারে।দয়াকরে এই তথ্যটুকু আপনার স্ত্রী’,মা,কন্যা সকলের কাছে পৌঁছে দিন।

মনে রাখতে হবে, অস্বাস্থ্যকরভাবে ন্যাপকিন ব্যবহার করলে ভবিষ্যতে জরায়ুর ক্যান্সারসহ অন্যান্য জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ে। আর এ সময় পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ না করলে দেখা দিতে পারে রক্তস্বল্পতাসহ নানা সমস্যা। তাই পরিবারের নারী সদস্যের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এখন থেকেই সতর্ক হন।

আপনি একটু পিছনে তাকিয়ে দেখুন। আগের মা-বোনেরা পিরিয়ডে কি ব্যবহার করতো। তারা পিরিয়ডে নরম পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করতো৷ যা ছিলো প্রাকৃতিক নিয়মে বললেই চলে৷ তাহলে আগের দিনের মা-বোনেরা কি অসুস্থ হয়ে যেতো।

আগের মহিলারা জরায়ু ক্যান্সার কি তা শুনেছে কিনা সন্দেহ। আর আজ জরায়ূ ক্যান্সার একটা আতংক।
আগের মহিলারা ৭/৮ টা সন্তান জন্ম দিয়েছে, সিজার কি তা বুঝতো না। আর আজ একটা সন্তান গর্ভে আসলেই মায়ের মাথায় সিজারের কথা ঘুরপাক খায়।
তাহলে তথাকথিত আধুনিক সভ্যতা আমাদের কি দিয়েছে।

আপনারা জানেন ক্যান্সারের চিকিৎসা ব্যয়বহুল। এমন কি সিজার,ন্যাপকিন এগুলাও ব্যয়বহুল। ক্যান্সারের চিকিৎসা তো কমপক্ষে ১০ লক্ষ টাকা ছড়িয়ে যায়।
আর আজকে ঘরে ঘরে ক্যান্সার। ঘরে ঘরে সিজার৷ ঘরে ঘরে ন্যাপকিন৷ এখন মানুষ সচেতন, তাহলে কেনো ঘরে ঘরে ক্যান্সার,সিজার ইত্যাদি??
লেখা সংগ্রহ

খুব সম্ভবত আপনি এই দেশে আবার একটা দুর্ভিক্ষ নিয়ে আসবেন ৭৪ এর মত। জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসছেন, আর সার্ভ করতেছেন আমলাদের।

দেশের সিন্ডিকেট ভাঙতে পারেন নাই। দ্রব্যমূল্যের দাম কমাইতে পারেন নাই। জ্বালানি খাত ঠিক করতে পারেন নাই। আরও ক্ষমতায় এসে ৬ মাসে সবকিছুর দাম বাড়াইছেন একাধিকবার।

ব্রয়লার মুরগির দাম ১৯৫ টাকা, পোলাওয়ের চাল মাত্র ছয় মাসে প্রায় ১০০ টাকা বেড়েছে। সাত-আট মাস ধরে কাঁচা সবজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।

বিদ্যুৎ নাই, গ্যাস নাই, তেল নাই। বিদেশী ঋণের বোঝা, ডলার সংকট এগুলো নিয়ে দেশ চালাচ্ছেন। আর বসে বসে জনগণের পেটে লাথি মারতেছেন।

এর মধ্যেই অনুমোদন দিলেন নবম পে-স্কেলের। সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা। সরকারি আমলাদের বেতন বাড়িয়েছেন ১০০% এর বেশি।

এই পে-স্কেলের খবর শুনেই সিন্ডিকেট আবার বাজারে দ্রব্য মূল্যের দাম বাড়াবে। রাজস্ব খাত থেকে সরকারি আমলাদের বেতন দিবেন নাকি আপনার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এসবের টাকা দিবেন?

আর রাজস্ব খাতে এতো টাকা আসবে কোত্থেকে?দিনমজুর, শ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আর বেসরকারি চাকরিজীবী আর সাধারণ মানুষের পকেট থেকে।

অথচ তাদের ইনকাম বাড়েনি এক টাকাও। মানে একজন অষ্টম শ্রেণী পাশ করে ২০ গ্রেডের চাকরিতে জয়েন করবে ২০ হাজার টাকার বেতনে।

আর একজন গ্রেজুয়েশন শেষ করে প্রাইভেটে জয়েন করবে ১৫ হাজার টাকা বেতনে। ফাইজলামি পাইছেন?
দেশের অর্থনীতি ঠিক নাই।

এর মাঝেই অর্থনীতিতে হঠাৎ করে বিপুল পরিমাণ বেতন বৃদ্ধি কখনোই বিনামূল্যে আসে না। এর মূল্য শেষ পর্যন্ত জনগণকেই পরিশোধ করতে হবে।

দেশে সরকারি চাকরিজীবী কয়েক লাখ। কিন্তু সাধারণ মানুষ কোটি কোটি। বেতন বাড়াইছেন একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর। কিন্তু মূল্যস্ফীতির বোঝা পুরো জাতির মাথায় দিচ্ছেন। এটাই সবচেয়ে বড় বৈষম্য।

সরকারি খাতের আয় ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াইছেন, অথচ বেসরকারি খাতের মানুষের আয় একই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে। এভাবে বৈষম্য বাড়তে থাকলে সামাজিক অস্থিরতা অনিবার্য।

দেশ এমনিতেই ঋণের ভারে পিঠ কুঁজো হয়ে গেছে। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে আরও ঋণ নিতে হবে। দেশি ঋণ, বিদেশি ঋণ। আর সেই ঋণের সুদ শোধ করবে কে?
আবারও সাধারণ মানুষ। ভ্যাট দিয়ে, ট্যাক্স দিয়ে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দাম দিয়ে। সরকারের রাজস্ব আয়ের বড় অংশ যদি শুধু বেতন-ভাতাতেই চলে যায়, তাহলে শিক্ষা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। স্বাস্থ্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অবকাঠামো উন্নয়ন থমকে যাবে।

দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পুরো অর্থনীতি। বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন নাই। উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারেন নাই।
১ কোটি কর্মসংস্থানের নামে আমলাদের কাছ থেকে জনপ্রিয়তা অর্জন করতেছেন।

আর সাধারণ মানুষদের চাকরি খাইতেছেন বিভিন্ন সংকট দিয়ে। হাসিনাও এক সময় জনগণের চেয়ে আমলাদের বেশি খুশি রাখতে চাইছে দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষমতার জন্য।

শেষ পর্যন্ত তোরা লাঞ্চিত হয়ে লাথি
উসটা খাইছে।

জনগণের পেটে লাথি দিয়া আমলাদের সার্ভ করতেছেন।
করেন, দেখা যাক কতদিন আমলারা আপনাকে ক্ষমতায় বসায়ে রাখে।
লেখা সংগ্রহ

image

image

image

"সম্মানিত রাজারবাগ দরবার শরীফের এই নূরানী পরিবেশ... সেখানে গেলে দুনিয়ার সব ভুলে মনে হয় যেন একটি জান্নাতের মধ্যে বসে আছি। আলহামদুলিল্লাহ! 🕌💚✨"

image

Eid mobarok

image

Eid mobarok

image

Eid mobarok

imageimage