image

image
Ahmod Ali Chadmia shared a post  
3 m

9 w

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, পাঁচটি মহিমান্বিত রাত্রিতে বিশেষভাবে দু‘আ কবুল হয়ে থাকে। তারমধ্যে একটি রাত্রি হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার রাত্রি।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

اِنَّ الدُّعَاءَ يُسْتَجَابُ فِىْ خَمْسِ لَيَالٍ اَوَّلُ لَيْلَةٍ مِّنْ رَجَبَ وَلَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ وَلَيْلَةُ الْقَدْرِ الْمُبَارَكَةِ وَلَيْلَتَا الْعِيْدَيْنِ.

অর্থ : “নিশ্চয়ই দোয়া পাঁচ রাত্রিতে নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার পহেলা রাত্রি, পবিত্র শা‘বান শরীফ মাস উনার মধ্য রাত্রি ( পবিত্র ১৪ই শা’বান শরীফ দিবাগত রাত্রি), পবিত্র ক্বদর শরীফ উনার রাত্রি এবং দুই পবিত্র ঈদ (পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আদ্বহা) উনাদের দুই রাত্রি।” (মা ছাবাতা বিসসুন্নাহ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাতি)

কাজেই উক্ত রাত্রিতে সকলের উচিত সারা রাত সজাগ থেকে বিশেষভাবে তওবা-ইস্তিগফার করা, ইবাদত-বন্দেগী করা- যেরূপ পবিত্র শবে বরাত, পবিত্র শবে ক্বদরে করা হয়ে থাকে।

এ রাতটি ইবাদত-বন্দেগীতে কাটানোর ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ أَبِيْ أُمَامَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ قَامَ لَيْلَتَيْ الْعِيدَيْنِ مُحْتَسِبًا لِلَّهِ لَمْ يَمُتْ قَلْبُهُ يَوْمَ تَمُوتُ الْقُلُوبُ.

অর্থ: “হযরত আবূ উমামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি ইখলাছের সাথে পবিত্র ঈদের রাতে জাগ্রত থেকে ইবাদতে কাটাবে; যেদিন (ক্বিয়ামতের দিন) অন্য সমস্ত দিল মরবে, সেদিন তার দিল মরবে না।” সুবহানাল্লাহ! (ত্ববারানী শরীফ)

পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার হুকুম-আহকাম

“ঈদ” অর্থ খুশি, আনন্দ। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার এক মাস রোযা উনার পর পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার প্রথম তারিখ দিনটি মুসলিম উম্মাহর জন্য খুশির দিন হিসেবে মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা বান্দা-বান্দি ও উম্মতকে হাদিয়া করেছেন। সুবহানাল্লাহ!

সর্বপ্রথম ফজর নামায আদায়ের পর গোসল করে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জামা কাপড় পরে আতর-সুরমা মেখে খুব সকাল সকাল ঈদগাহে গিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দু'রাকায়াত নামায আদায় করার মধ্য দিয়েই এই ঈদ শুরু হয়। নামায শেষে মুছাফাহা-মুআনাকা করে পরস্পরে কুশল বিনিময় করে, যথাসাধ্য ভাল খাদ্য খেয়ে এদিন মু’মিন-মুসলমান উনারা পবিত্র ঈদ উদযাপন করে থাকেন।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন বেজোড় সংখ্যক খুরমা-খেজুর খেয়ে তাকবীর বলতে বলতে এক রাস্তা দিয়ে ঈদগাহে যাওয়া এবং ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে বাড়িতে আসা খাছ সুন্নত মুবারক।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার নামায আদায় করে ফিরার পথে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে রোযা পালনকারী ব্যক্তিকে এই বলে ইাস্তকবাল জানাতে থাকেন যে, “হে মহান অল্লাহ পাক উনার বান্দা! আপনাদেরকে ক্ষমা করা হলো। আপনাদের গুণাহ-খতা মাফ করা হলো। আপনাদেরকে কবুল করা হলো।” সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার নামায আদায় করার সম্মানিত সুন্নতী ওয়াক্তঃ

সকাল বেলা সূর্য পূর্ণভাবে উদিত হওয়ার পর থেকে (অর্থাৎ মাকরূহ ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর থেকে অথবা সূর্য উদয়ের শুরু থেকে ঘড়ির মিনিট অনুযায়ী ২৩ মিনিট পর) পবিত্র ঈদ উনার নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয়। আর শরয়ী অর্ধদিন বা দ্বিপ্রহর অর্থাৎ সূর্যের ইস্তাওয়া আরম্ভ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত পবিত্র ঈদ উনার নামাযের ওয়াক্ত থাকে।

সূর্য পূর্ণভাবে উদিত হওয়ার পর থেকে অর্থাৎ মাকরূহ ওয়াক্ত যা ঘড়ির হিসাব অনুযায়ী ২৩ মিনিট অতিক্রম হওয়ার পূর্বে পবিত্র ঈদ উনার নামায আদায় করলে নামায হবে না এবং যুহরের নামাযের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বের ১ ঘন্টা যা মাকরূহ ওয়াক্ত নামে পরিচিত অর্থাৎ দ্বিপ্রহর আরম্ভ হওয়ার পর পবিত্র ঈদ উনার নামায আদায় করলে তা আদায় হবে না। (অসমাপ্ত)

image

image

26 m

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (১৯)
হযরত সা’দ ইবনে রাবী’ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক:
হযরত সা’দ ইবনে রাবী’ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি উহুদের সম্মানিত জিহাদ মুবারক-এ অনেক কঠিনভাবে আহত হন| শরীর মুবারক-এ ১২টি বর্শা বিদ্ধ হয়ে শরীর ঝাঝড়া হয়ে গেছেন| তাছাড়া প্রায় ৭০টি তরবারী ও তীরের আঘাত ছিলো উনার শরীর মুবারক-এ| নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘আপনাদের মধ্যে কে আছেন যিনি হযরত সা’দ ইবনে রাবী’ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার সংবাদ নিতে পারবেন? তখন হযরত উবাই ইবনে কা’ব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি হযরত সা’দ ইবনে রাবী’ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে খুঁজতে বের হলেন| খুঁজতে খুঁজতে যাঁরা শহীদ হয়েছেন উনাদের মধ্যে উনাকে অনেক কঠিনভাবে আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় পেলেন এবং বললেন, ‘¯^য়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে আমাকে পাঠিয়েছেন আপনাকে খুঁজে বের করার জন্য| তখন মুমূর্ষ অবস্থায় তিনি উনার আকুতি প্রকাশ করলেন এভাবে-
فَاذْهَبْ إِلَيْهِ فَاقْرَأْهُ مِنِّي السَّلَامَ وَأَخْبِرْهُ أَنِّي قَدْ طُعِنْتُ اثْنَتَيْ عَشْرَةَ طَعْنَةً وَأَنِّي قَدْ أُنْفِذَتْ مَقَائِلِي وَأَخْبِرْ قَوْمَكَ أَنَّهُ لَا عُذْرَ هُمْ عِنْدَ اللَّهِ إِنْ قُتِلَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم وَوَاحِدٌ مِنْهُمْ حَيُّ
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট গিয়ে উনাকে আপনি আমার পক্ষ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সালাম মুবারক পেশ করবেন| আর বলবেন, ‘বর্শার ১২টি আঘাত আমাকে স্পর্শ করেছে এবং আমিও কাফিরদেরকে বর্শার আঘাতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছি| আর আমার গোত্রের লোকজন উনাদের নিকট গিয়ে বলবেন, আপনাদের মধ্যে একজনও হায়াতে থাকা অবস্থায় যদি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন (যদি উনার কিছু হয়), তাহলে ক্বিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দরবার শরীফ-এ আপনাদের কোনো ওযরই গ্রহণযোগ্য হবে না|” (আল মুআত্তা, আল ইস্তিআব, আত তামহীদ, আত ত্ববাক্বাতুল কুবরা, ছিফাতুছ ছফওয়া, আল ইছাবাহ&, শরহুল মুআত্তা ইত্যাদি)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত মুবারক এমনই ছিলেন যে, নিজের শরীর মুবারক ক্ষতবিক্ষত হওয়ার পরেও, জীবনের একেবারে শেষ প্রান্তে এসেও নিজের ব্যাপারে কোনো চিন্তা নেই; অথচ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চিন্তায় ব্যাকুল, উনার মুহব্বত মুবারক-এ ফানা ও বাক্বা| শুধু তাই নয়; এমনকি নিজ গোত্রের লোকজন উনাদের নিকট সতর্কবার্তা পাঠালেন যে, আপনারা বিশেষভাবে স্মরণ রাখবেন যে, আপনারা হায়াতে থাকতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যদি কিছু হয়, তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি কখনোই আপনাদেরকে ছাড় দিবেন না; বরং কঠিনভাবে পাকড়াও করবেন|

9 w

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ عَلَيْهِ السَّلَامُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يـَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِاَمْرَأَةٍ اِلَّا ثَالِثُهَا الشَّيْطَانُ

অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (মহান আল্লাহ পাক উনার কসম!) কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে একাকী হলেই শয়তান এসে তাদের তৃতীয় ব্যক্তি হয়। অর্থাৎ তাদের উভয়কেই গুনাহের কাজে লিপ্ত করার জন্য ওয়াসওয়াসা দিতে থাকে।” নাউযুবিল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ)

image

image

দ্বীন ইসলামের খিদমতে লেখাটি ছড়িয়ে দিন (কপি অনুমোদিত)

"কোরবানির পশুর হাসিল না দিলে কোরাবনি হয়না" এই মিথ্যা কথাটি বাংলাদেশের মুসলিম সমাজে অনেকটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। সৌদি আরবসহ কোনো মুসলিম দেশে বাংলাদেশের মতো কোরবানির পশুর হাট ইজারা দেয়া বা হাসিল নামক জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করার নজির নেই। নজির থাকলেই যে সেটা জায়েজ হতো ব্যাপারটা এমন না। কারণ দ্বীন ইসলামে পশু ক্রয়ের জন্য শাসকদের বা হাটের ব্যবস্থাকারীদের মাশুল পরিশোধ করার কোনো আদেশ বা অনুমোদন নেই। খোলাফায় রাশেদীন উনাদের যুগেও ছিলনা এবং পরবর্তী এক হাজার বছরের ইতিহাসেও এমন নজির নেই।

মূলকথা হচ্ছে হাসিল নেয়ার নিয়ম ইসলামে নেই। এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে, তাহলে কি নিষেধ আছে? উত্তর হচ্ছে হ্যা উসুলের ভিত্তিতে এটি নিষেধ আছে। জুলুমের উসুল এটি নিষেধ। সরাসরি নিষেধ নাই কেনো? কারণ এটি আখেরি জামানায় নতুন উদ্ভাবিত বিষয়। গণতন্ত্র, প্রজাতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এসবের মতো। কাফিরদের নিয়ম নীতি অনুসরণ করা হারাম, এই উসুলের ভিত্তিতে যেমন সমস্ত তন্ত্র মন্ত্র মতবাদ হারাম। একই রকম ভাবে ইবাদত বন্দেগী করতে গিয়ে মাশুল আরোপ করা জুলুম ও অন্যায়, এই উসুলের ভিত্তিতে হাসিল ধার্য করা জুলুম এবং অন্যায়।

কোরবানি করা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য ওয়াজিব। এই আমলটি সুন্দরভাবে করার জন্য শাসকের দায়িত্ব হচ্ছে পর্যাপ্ত পরিমাণ হাট প্রস্তুত করা এবং সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা। এটা মুসলিম দেশের নাগরিকদের ন্যায্য অধিকার। নামায, রোযা ও অন্যান্য ইবাদতের জন্য চাঁদা/কর/মাশুল ধার্য নেয়া যেমন জুলুম তদ্রূপ এই উসুলের ভিত্তিতে কুরবানির হাটের বন্দোবস্ত করার জন্য হাটের ইজারা দেয়া ও হাসিল ধার্য করা এবং তা আদায়ে বাধ্য করাও জুলুম।

এখন তাহলে কি করতে হবে?
প্রতিটি এলাকায় জনসংখ্যা অনুপাতে পর্যাপ্ত হাটের ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব। আর সেটা পরিচালনার জন্য ইজারা দেয়া যাবেনা (বেসরকারীকরণ করা যাবেনা)।
ঈদগাহ মাঠ যেমন ইজারা দেয়ার বিষয় না, তদ্রূপ কোরবানির হাটও ইজারা দেয়ার বিষয় না। ইজারা দিয়ে সরকার এখানে একটা আয় করে থাকে, সেটা করা যাবেনা। কারণ এটা মুসলিম নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। সরকার হিন্দুদের পূজার সময় দেশের প্রতিটা মণ্ডপে নগদ টাকা, চাল ইত্যাদি দিতে পারলে হাটের খরচ কেনো বহন করবেনা? পূজা মণ্ডপের টাকা মুসলমানদের দেয়া তহবিল থেকেই দেয় হয়। তাহলে মুসলমানদের প্রয়োজনে কেনো মুসলমানদের দেয়া তহবিল খরচ করবে না? সরকারের অবৈধ ইজারার কারণেই কুরবানি দাতাদের হাসিল নামক বাড়তি খরচ গুনতে হয়। যা স্পষ্ট জুলুম। কোনো ক্রেতাই খুশি মনে হাসিল দেয়না, মনে কষ্ট নিয়েই দেয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, যানজটের অবান্তর অজুহাতে বছর বছর হাটের সংখ্যা কমানোর পাঁয়তারা করা হয়। অথচ যানজট কমাতে হলে হাটের সংখ্যা বৃদ্ধি করা উচিত। প্রত্যেক শহরে প্রতি ওয়ার্ডে হাট বসানো উচিত। কারণ সবাই যার যার ওয়ার্ডের হাট থেকে থেকে পশু পেয়ে গেলে অন্য কোথাও দৌড় ঝাঁপ করতে হবেনা। এতে ট্রাফিক কমবে, যানজট কমবে। মানুষের কষ্ট, হয়রানিও লাঘব হবে, পশু বিক্রির সংখ্যা বাড়বে, অর্থনীতি আরও বেশি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও সুবিধা হবে।

দাবিগুলো নিয়ে আরও জোড়ালো আওয়াজ তোলা উচিত। আপনি যেহেতু লেখাটি পড়েছেন, কপি করে হোক বা শেয়ার করে হোক ইসলামের খিদমতে লেখাটি ছড়িয়ে দিন। ক্রেডিট দাবি নেই।

image

15 w

পবিত্র শবে বরাত শরীফ ১৪৪৭ হিজরী

image