বিয়ের জন্য পাত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে তার চিন্তা-ভাবনা ও আদর্শ বোঝার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল করা এবং বিস্তারিত আলোচনা করা প্রয়োজন:


১. দাড়ি ও সুন্নাহ অনুসরণের মানসিকতা: এক মুষ্টি পরিমাণ দাড়ি রাখা সুন্নাত। তবে জেনেটিক কারণে না উঠলে সেটা ভিন্ন কথা।

২. গান-বাজনা সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি: বাজনাসহ গান শোনার বিষয়ে তার মতামত কী, তা জেনে নিন। দ্বীনের বিষয়ে অবস্থান অনুমান করার জন্য এই পয়েন্ট কাজে আসে

৩. পর্দা ও মুখ ঢাকা: পর্দা পালনের ক্ষেত্রে মুখ ঢাকার ব্যাপারে তার অভিমত জেনে নিন।

৪. আকিদা ও ধর্মীয় বিশ্বাস: অহাবী , তাবলীগী, জামাতি , মওদুদি
করা, কুফরি ভোট , নির্বাচন দেওয়া সম্পর্কে তার মতামত স্পষ্ট করুন।

৫. মাযহাব ও ফিকহি দৃষ্টিভঙ্গি: মাযহাব অনুসরণের ক্ষেত্রে তার অবস্থান কঠোর নাকি নমনীয়, তা জেনে নিন।

৬. নজর ও সতরের সচেতনতা: দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ এবং পুরুষালির সতর মেনে চলার ব্যাপারে তার স্বভাব কেমন, তা বুঝে নিন।

৭. কোরআন তেলাওয়াত ও হিফজ: তার কোরআন পড়ার শুদ্ধতা পরখ করে নিন এবং কতগুলো সূরা মুখস্থ আছে তা জেনে নিন। (এজন্য নিজেরও তেলাওয়াত সহিহ থাকা প্রয়োজন)।

৮. রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিকসংশ্লিষ্টতা: অতীতে কোনো রাজনৈতিক দল, আন্দোলন বা সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন কিনা এবং বর্তমানে আছেন কিনা, সে সম্পর্কে জেনে নিন।

৯. স্ত্রীর চাকরি ও ব্যক্তিগত খরচ: বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরি করতে দেওয়া এবং তাকে নিয়মিত পকেটমানি দেওয়া সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আগে থেকেই নিশ্চিত করুন।

১০. অতীতের সম্পর্ক: অতীতে কোনো সম্পর্ক ছিল কিনা জেনে নিন। তথাকথিত প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেওয়ার মতো মানসিকতা থাকলে, অন্তত শারীরিক কোনো সম্পর্ক ছিল কিনা তা স্পষ্ট করা ভালো। (বিষয়টি নিয়ে আপত্তি না থাকলে জানার প্রয়োজন নেই)। একাধিক বিয়ের এরাদা জেনে নিন। যৌতুক উপঢৌকনের আশা থাকা জেনে নিন।

১১. পারিবারিক চাপ ও সম্মতি: বিয়েটি তার নিজস্ব ইচ্ছায় হচ্ছে নাকি কোনো প্রকার জোরজবরদস্তি করা হচ্ছে, তা নিশ্চিত হয়ে নিন।

১২. পর্দার সীমা নির্ধারণ: বিয়ের পর আপনি কতটুকু পর্দা করবেন এবং কার কার সামনে যাওয়া থেকে বিরত থাকবেন, তা বিস্তারিত আলোচনা করুন। পূর্ণাঙ্গ শরয়ী পর্দার বিষয়ে তাঁর অভিমত জানুন।

১৩. প্রাইভেসি ও ডিজিটাল সিকিউরিটি: বিয়ের পর একে অপরের ফোন, কম্পিউটার বা সোশ্যাল মিডিয়ার পাসওয়ার্ড আদান-প্রদান করা হবে কিনা, তা আগেই ঠিক করে নিন।

১৪. আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও দায়িত্ব: আপনার সম্ভাব্য মাসিক খরচ কেমন হতে পারে এবং তা বহন করার ক্ষেত্রে তার আর্থিক সামর্থ্য কতটুকু, তা নিয়ে কথা বলুন।

১৫. পারিবারিক নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ: বিয়ের পর সংসারের গঠন কেমন হবে, কে কীভাবে নেতৃত্ব বা সিদ্ধান্ত নেবে এবং কার দায়িত্ব কতটুকু হবে—এসব খোলাসা করুন।

১৬. কনের পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব: মেয়ের পিতা-মাতার প্রতি ছেলে কোনো দায়িত্ব পালন করবে কিনা, তা নিশ্চিত করুন। বিশেষ করে কনের কোনো ভাই না থাকলে বিষয়টি আগে থেকেই ঠিক করা জরুরি।

১৭. উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: বিয়ের পর আপনি আর পড়ালেখা করবেন কিনা, করলে কতদূর এবং কোথায় করবেন—তা নিয়ে তার মতামত ও ইচ্ছার কথা জেনে নিন।

এই পয়েন্টগুলো একটি কাগজে লিখে পাত্রের হাতে দিয়ে তার উত্তর জেনে নিতে পারেন। বিয়ের আগেই এসব বিষয় পরিষ্কার হয়ে নিলে ভবিষ্যতে অনেক জটিলতা ও ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো সম্ভব। নিজের সুবিধামত আরো পয়েন্ট যোগ বিয়োগ করলে করা যায়।

https://www.liftandshiftmovers.co.nz/moving/

Moving Company Tauranga | Best Moving Companies in NZ
www.liftandshiftmovers.co.nz

Moving Company Tauranga | Best Moving Companies in NZ

Reliable and cost-effective moving company in Tauranga, NZ with 1200+ moves across 50+ cities and 4.9 rating. Get free quote by Lift & Shift Movers!

https://www.liftandshiftmovers.....co.nz/packing-servi

Packing Services for Moving | Packing and Moving Companies
www.liftandshiftmovers.co.nz

Packing Services for Moving | Packing and Moving Companies

Premium packing service for moving by Lift & Shift Movers with multiple size boxes, prowrap and paper ream. For safe packing, get your free quote today!

https://www.liftandshiftmovers.....co.nz/house-and-fur

Furniture Movers in Tauranga | Furniture Removals Tauranga
www.liftandshiftmovers.co.nz

Furniture Movers in Tauranga | Furniture Removals Tauranga

Expert furniture movers and removals, packing, commercial deliveries and crane services by Lift & Shift Movers. Pack and move stress-free, Get free quote!

কিভাবে জাজিরাতুল আরব সৌদি আরব হলো, এবং সৌদির পতন আসন্য:

ইয়েমেনিরাই সবচেয়ে বিশুদ্ধ আরব। আর ইয়েমেনের জনসংখ্যার ৮০% বসবাস করে হুথি আনসারুল্লাহ নিয়ন্ত্রিত এলাকায়।
সৌদিরা মূলত নজদ থেকে আবির্ভূত নজদী। পরবর্তীতে তারা ওহাবি আন্দোলনের মাধ্যমে ব্রিটিশদের সহায়তায় মক্কা-মদীনা-হেজাজ দখল করে সৌদি আরব নাম নেয়। এদের জন্য আল্লাহর রাসূল(সা এর লানত রয়েছে।
অপরদিকে ইয়েমেনের জন্য রাসূলুল্লাহ(সা এর দোয়া রয়েছে।
প্রথম সৌদি রাষ্ট্র গঠন- ১৭২৭–১৮১৮:
১৭২৭ সালে ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ দিরিয়াহকে কেন্দ্র করে প্রথম সৌদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। দিরিয়াহ ছিল বর্তমান রিয়াদের কাছাকাছি নাজদ অঞ্চলে। সৌদি সরকারি ইতিহাসেও ১৭২৭ সালকে প্রথম সৌদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বছর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই সময় মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাব (ওয়াহাব নজদি (নজদ এলাকার এজন্য নজদি বলা হয়) এর ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে মুহাম্মদ বিন সৌদের রাজনৈতিক জোট গড়ে ওঠে। এর ফলে ধর্মীয় সংস্কার ও রাজনৈতিক সম্প্রসারণ—দুই প্রক্রিয়া একসঙ্গে এগোয়।

প্রথম সৌদি রাষ্ট্র ধীরে ধীরে নাজদের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এবং আরব উপদ্বীপের অন্যান্য এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে।

আর একটা বিষয় এই আলে সৌদ বা সৌদ বংশই রাসুল ( সঃ) এর রেখে যাওয়া নাম জাজিরাতুল আরব বা আরব উপদ্বীপ নাম পরিবর্তন করে নাম রেখেছে সৌদি আরব, অর্থাৎ সৌদ দের আরব।
সৌদি আরবে যারা বসবাস করে তারা জানে উপরে ইসলাম নাম দিয়া তলে তলে ওখানে কি চলে।
যারা ওয়াহব নজদির কর্তৃক প্রবর্তিত ধর্ম বা ওয়াহাবি মতবাদ সম্পর্কে জানেন না তারা গুগল করে জেনে নিবেন। একদিকে যেমন ওয়াহাব নজদি বর্তমান সৌদি আরবে ইসলামকেই বৃক্রিত করেছে অন্যদিকে নবীর দেওয়া নাম জাজিরাতুল আরব পরিবর্তন করেছে এই সৌদ বংশ রেখেছে সৌদি আরব বা সৌদ দের আরব।

স্পষ্ট ভাবে বলছি, যারা আজ সৌদির জন্য মায়া কান্না করছেন তারা ইসলামের খোলস নিয়ে বেচে আছেন। সৌদির জন্য চরম অবস্থা অপেক্ষা করছে আর তাদের দল বল। সৌদ রাজ বংশের পতন সম্মুখে। বিভিন্ন দল উপদল বর্তমান সৌদি শাষন করবে এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে থাকবে। কাবা আবার প্রকৃত ইসলামি ভাবধারা সম্পূর্ণ মানুষের কাছে রক্ষানা বেক্ষনে ফিরে আসছে।

মক্কায় রক্তের স্রোত বইয়ে যাবে অন্যদিকে মদিনা পরিত্যাক্ত হবে। বিশ্বের রাজধানী হবে ফিলিস্তিন।

নবীর কথা অনুযায়ী আজ বিশ্বে, ইসলাম মনে হয় প্রায় ৭৩ ভাগে বিভক্ত । পিঠ বাচানো রাজনীতি বেশিদিন চলবে না। বিশ্ব যুদ্ধ আসন্য একদিকে প্রকৃত ইসলাম অন্যদিকে সমস্ত বাতিল। প্রকৃত ইসলাম এতোকাল নিভু নিভু জ্বলে ছিল অদুর ভবিষ্যতে তেজ দেখার প্রস্তুতি নিন।

আজ এ পর্যন্ত.....
দুনিয়ার সকল মুমিন ও মুমিনাত বান্দা বান্দীদের আল্লাহ হেফাজত করুন। আমিন

হাদিসে কুদসী শরীফ এ মহান রব তায়ালা বলেছেন : “লাওলাকা লামা খালাকতু আফলাক”। অর্থাৎ আমি যদি আপনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক যাহির মুবারক না করাতাম তবে আমি কিছুই সৃষ্টি করতাম না।
কাজেই সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনিই হলেন সৃষ্টির কেন্দ্র বিন্দু।
আল্লাহপাক হাদিস কুদসী শরীফ এ আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন যে, “আমি আমার হাবীব মাহবুব সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূর মুবারক হিসাবে নূরুল ইজহার মুবারক করেছি।"
যেমন, কোরানে পাকে বলা হয়েছে : “ফাছাম্মা ওয়াজহুল্লাহ” অর্থাৎ তুমি যেদিকেই তাকাও সেদিকে মহান রব তায়ালা উনার চেহারা মানে উনাকে দেখতে পাবে অর্থাৎ সবদিকেই আল্লাহ তায়ালা বিরাজমান। কাজেই এ রহস্যাবলীকে হক্কানী রব্বানী ওলিআল্লাহ বা পীর-মুর্শিদ উনাদের কাছে চিনে নিতে হবে।
হাদিস কুদসী শরীফ এ বর্ণিত আছে - আল্লাহপাক বলেনঃ
"হে আমার প্রিয় হাবিব মাহবুব সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনাকে নূরুল ইজহার মুবারক না করলে আমি আকাশ-জমিন কিছুই সৃষ্টি করতাম না। আকাশ মন্ডলকে সুউচ্চে স্থাপন করতাম না এবং ভূমন্ডলকে নিয়ে বিছানা স্বরূপ করতাম না।"
আরো বর্ণিত আছে যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন খাতামুন্যাবিয়্যিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ
"আমি হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার সৃষ্টির ১৪ হাজার বৎসর পূর্বে আল্লাহ পাকের দরবারে এক খানা নূর মুবারক হিসাবে ছিলাম।"

আল্লাহপাক এ বিশ্বকে পাঁচটি স্তরে প্রকাশ করেছেন নূরে মোহাম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার মাধ্যমে তথা নূরে মোহাম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে:-
১। আল্লাহর আধিপত্যের জগত বা আলমে হাহুত
২। নূরে মোহাম্মদীর জগত বা আলমে লাহুত
৩। পরিকল্পনার জগত বা আলমে জাবারুত
৪। নির্দেশের জগত বা আলমে আমর বা আলমে মালাকুত
৫। সৃষ্টি বা আলমে খালক বা আলমে নাছুত
আল্লাহপাকের এ সৃষ্টির কোন রকম পরিবর্তন নেই। তাই কুরআন পাকে বলা হয়েছে ? "লা তাবদিলা লি খালকিল্লাহ" (لَا تَبْدِيلَ لِخَلْقِ اللَّهِ) পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সূরা আর-রূম-এর ৩০ নম্বর আয়াত শরীফ উনার একটি অংশ। অর্থাৎ আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই। মাওলাপাক উনার এ পাঁচটি আলমের ভিতর একটি হলো ‘পরিকল্পনার জগত।

https://www.liftandshiftmovers.co.nz/

House Moving Company in Tauranga | Packers and Movers | Commercial Deliveries
www.liftandshiftmovers.co.nz

House Moving Company in Tauranga | Packers and Movers | Commercial Deliveries

House Moving, Packing, and Commercial Deliveries by Lift & Shift Movers, a trusted Tauranga company since 2020. Get your free quote today!

image

image

কিভাবে জাজিরাতুল আরব সৌদি আরব হলো, এবং সৌদির পতন আসন্য:

ইয়েমেনিরাই সবচেয়ে বিশুদ্ধ আরব। আর ইয়েমেনের জনসংখ্যার ৮০% বসবাস করে হুথি আনসারুল্লাহ নিয়ন্ত্রিত এলাকায়।
সৌদিরা মূলত নজদ থেকে আবির্ভূত নজদী। পরবর্তীতে তারা ওহাবি আন্দোলনের মাধ্যমে ব্রিটিশদের সহায়তায় মক্কা-মদীনা-হেজাজ দখল করে সৌদি আরব নাম নেয়। এদের জন্য আল্লাহর রাসূল(সা এর লানত রয়েছে।
অপরদিকে ইয়েমেনের জন্য রাসূলুল্লাহ(সা এর দোয়া রয়েছে।
প্রথম সৌদি রাষ্ট্র গঠন- ১৭২৭–১৮১৮:
১৭২৭ সালে ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ দিরিয়াহকে কেন্দ্র করে প্রথম সৌদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। দিরিয়াহ ছিল বর্তমান রিয়াদের কাছাকাছি নাজদ অঞ্চলে। সৌদি সরকারি ইতিহাসেও ১৭২৭ সালকে প্রথম সৌদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বছর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই সময় মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহহাব (ওয়াহাব নজদি (নজদ এলাকার এজন্য নজদি বলা হয়) এর ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে মুহাম্মদ বিন সৌদের রাজনৈতিক জোট গড়ে ওঠে। এর ফলে ধর্মীয় সংস্কার ও রাজনৈতিক সম্প্রসারণ—দুই প্রক্রিয়া একসঙ্গে এগোয়।

প্রথম সৌদি রাষ্ট্র ধীরে ধীরে নাজদের বিস্তীর্ণ অঞ্চল এবং আরব উপদ্বীপের অন্যান্য এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে।

আর একটা বিষয় এই আলে সৌদ বা সৌদ বংশই রাসুল ( সঃ) এর রেখে যাওয়া নাম জাজিরাতুল আরব বা আরব উপদ্বীপ নাম পরিবর্তন করে নাম রেখেছে সৌদি আরব, অর্থাৎ সৌদ দের আরব।
সৌদি আরবে যারা বসবাস করে তারা জানে উপরে ইসলাম নাম দিয়া তলে তলে ওখানে কি চলে।
যারা ওয়াহব নজদির কর্তৃক প্রবর্তিত ধর্ম বা ওয়াহাবি মতবাদ সম্পর্কে জানেন না তারা গুগল করে জেনে নিবেন। একদিকে যেমন ওয়াহাব নজদি বর্তমান সৌদি আরবে ইসলামকেই বৃক্রিত করেছে অন্যদিকে নবীর দেওয়া নাম জাজিরাতুল আরব পরিবর্তন করেছে এই সৌদ বংশ রেখেছে সৌদি আরব বা সৌদ দের আরব।

স্পষ্ট ভাবে বলছি, যারা আজ সৌদির জন্য মায়া কান্না করছেন তারা ইসলামের খোলস নিয়ে বেচে আছেন। সৌদির জন্য চরম অবস্থা অপেক্ষা করছে আর তাদের দল বল। সৌদ রাজ বংশের পতন সম্মুখে। বিভিন্ন দল উপদল বর্তমান সৌদি শাষন করবে এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে থাকবে। কাবা আবার প্রকৃত ইসলামি ভাবধারা সম্পূর্ণ মানুষের কাছে রক্ষানা বেক্ষনে ফিরে আসছে।

মক্কায় রক্তের স্রোত বইয়ে যাবে অন্যদিকে মদিনা পরিত্যাক্ত হবে। বিশ্বের রাজধানী হবে ফিলিস্তিন।

নবীর কথা অনুযায়ী আজ বিশ্বে, ইসলাম মনে হয় প্রায় ৭৩ ভাগে বিভক্ত । পিঠ বাচানো রাজনীতি বেশিদিন চলবে না। বিশ্ব যুদ্ধ আসন্য একদিকে প্রকৃত ইসলাম অন্যদিকে সমস্ত বাতিল। প্রকৃত ইসলাম এতোকাল নিভু নিভু জ্বলে ছিল অদুর ভবিষ্যতে তেজ দেখার প্রস্তুতি নিন।

আজ এ পর্যন্ত.....
দুনিয়ার সকল মুমিন ও মুমিনাত বান্দা বান্দীদের আল্লাহ হেফাজত করুন। আমিন