মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (১০৩)
সম্মানিত ঈমান মুবারক লাভ করার মাধ্যমে সফলতা অর্জন:
قَالَ حَضْرَتْ سَيِّدُ الطَّائِفَةِ جُنَيْدُ ۣ الْبَغْدَادِىُّ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مَنْ حَضَرَ مَوْلِدَ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَظَّمَ قَدْرَهٗ فَقَدْ فَازَ بِالْاِيْـمَانِ
অর্থ: “সাইয়্যিদুত ত্বয়িফাহ্ হযরত জুনায়িদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ২১৫ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ২৯৮ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন, মাওলিদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে যিনি খুশি মুবারক প্রকাশ করার জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাহফিল মুবারক—এ উপস্থিত হবেন এবং যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবেন অর্থাৎ মাল—সম্পদ খরচ করবেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছানা—ছিফত মুবারক করবেন এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তা’যীম—তাকরীম মুবারক করবেন, তিনি সম্মানিত ঈমান মুবারক লাভ করার মাধ্যমে সফলতা অর্জন করবেন।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা, ইয়ানাতুত্ ত্বালিবীন ৩/৪১৪, কিতাবু ফাদ্বায়িলি মাওলিদিন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ২ নং পৃষ্ঠা, রিসালাতু মাওলিদিন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৩ নং পৃষ্ঠা)
অর্থাৎ ঐ ব্যক্তি স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাক্বীক্বী মুহব্বত মুবারক লাভ করবেন, হাক্বীক্বী মু’মিন হিসেবে সাব্যস্ত হবেন এবং তিনি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (১০২)
মূলত, যাঁরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করবেন, উনারা বিনা হিসেবে জান্নাতী তো অবশ্যই; শুধু তাই নয়, উনারা সর্বোচ্চ ও সর্বশ্রেষ্ঠ জান্নাতী। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী উনাদের জন্য আলাদাভাবে বিশেষ জান্নাত মুবারক রয়েছেন। সেখানে শুধু যাঁরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেন উনারাই প্রবেশ করবেন। অন্য কেউ সেই বিশেষ জান্নাত মুবারক উনার মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে না। সুবহানাল্লাহ! উনারা সেই সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মধ্যে সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাদিম হিসেবে উনার সাথেই অবস্থান করবেন। সুবহানাল্লাহ!

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (১০১)
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন—
مَنْ عَظَّمَ لَيْلَةَ مَوْلِدِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِـمَا اَمْكَنَهٗ مِنَ التَّعْظِيْمِ وَالْاِكْرَامِ كَانَ مِنَ الْفَائِزِيْنَ بِدَارِ السَّلَامِ
অর্থ: “যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের রাত্রি (এবং দিবস) মুবারক উনাকে অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে সর্বোচ্চ সাধ্য—সামর্থ্য অনুযায়ী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তা’যীম—তাকরীম মুবারক করবেন, সম্মান করবেন, তিনি চির শান্তিময় সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার অধিকারী হয়ে কামিয়াবী লাভ করবেন।” সুবহানাল্লাহ! (খুৎবাতু ইবনে নুবাতাহ্)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (১০০)

আল্লামা হযরত ইমাম জাযরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
لَعُمْرِىْ اِنَّـمَا يَكُوْنُ جَزَاؤُهٗ مِنَ اللهِ الْكَرِيْـمِ اَنْ يَّدْخُلَهٗ بِفَضْلِهِ الْعَمِيْمِ جَنَّاتِ النَّعِيْمَ
অর্থ: “আমার জিন্দেগীর ক্বসম! অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সে ব্যক্তির প্রতিদান হচ্ছেন— মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার বিশেষ অনুগ্রহে ঐ ব্যক্তি উনাকে সম্মানিত জান্নাতুন নাঈম উনার মধ্যে প্রবেশ করাবেন।” সুবহানাল্লাহ! (শারহুয যারক্বানী, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ, তারীখুল খ¦মীস ইত্যাদি)

সাইয়্যিদুল আ'ইয়াদ শরীফ উদযাপনের প্রস্তুতি

আলহামদুলিল্লাহ!
মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানা, ইসলামপুর, বিজয়নগর, আমানবাড়িয়া শাখার উদ্যোগে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ'ইয়াদ শরীফ উদযাপন উপলক্ষে পোস্টারিং, স্ক্রিন প্রিন্টসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়েছে।

পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন উপলক্ষে আপনাদের সকলকে স্বপরিবারে রাজারবাগ দরবার শরীফে আন্তরিক দাওয়াত ও আমন্ত্রণ জানানো হলো।

আসুন, আমরা সকলে পরিবার-পরিজনসহ উপস্থিত হয়ে পবিত্র এই মুবারক আয়োজনে শরিক হই।

সকলকে সপরিবারে আন্তরিক আমন্ত্রণ।
✍️ ওয়াসিম উদ্দীন উসমান
সহকারী শিক্ষক, মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদ্রাসা ইসলামপুর বিজয়নগর আমানবাড়িয়া

দেওবন্দীদের অন্যতম মুরুব্বী হুসাইন আহমদ মাদানীর স্বীকারোক্তি “ওহাবী ফির্কার লোকেরাই পবিত্র মীলাদ শরীফের আলোচনা বিদয়াত ও নাজায়িয বলে।”
হুসাইন আহমদ মাদানী তার কিতাবে পবিত্র মীলাদ শরীফের বিষয়ে বলেছে,
“ওহাবী ফের্কার লোকেরাই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্মের আলোচনা খারাপ ও বিদয়াত বলে (নাউযুবিল্লাহ) , এমনকি আওলিয়া কিরামের স্মরন ও আলোচনাকেও বিদয়াত বলে। তবে আকাবীররা (দেওবন্দী) গ্রহনযোগ্য পদ্মতিতে যদি বিলাদত শরীফ আলোচনা হয় তবে সবাই বরকত হাসিছের মাধ্যম বলে মনে করে। (সিহাবুস সাকিব পৃষ্ঠা ২৪৬)
সূতরাং যা প্রমাণ হলো ,
১) ওহাবী বাতিল ফির্কার লোকেরা মীলাদ শরীফের আলোচনা বিদয়াত ও নাজায়িয বলে।
২) দেওবন্দীদের মুরুব্বীরা পবিত্র মীলাদ শরীফের বিপক্ষে ছিলো না।
৩) দেওবন্দী মুরুব্বীরা পবিত্র মীলাদ শরীফের অালোচনা বরকত লাভের কারন মনে করতো।
প্রশ্ন হলো,
বর্তমান যারা নিজেদের দেওবন্দী পরিচয় দিয়ে পবিত্র মীলাদ শরীফের বিরোধী করে তারা কারা?
এরাই কি ঘাপটি মেরে থাকা ওহাবী? যারা নিজেদের দেওবন্দ সিলসিলার নাম ভাঙ্গিয়ে সমাজে চলাফেরা করে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা বাতিল ওহাবী।

image

মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবিউল আউওয়াল শরীফ (১৪৪৮ হিজরী) বাকি আর মাত্র ৯ দিন।

image

আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ মামদুহ হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম ।

image

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা, খিদমত মুবারক করা, সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত সুন্নত মুবারক (১)

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা, খিদমত মুবারক করা, গোলামী মুবারক উনার আঞ্জাম মুবারক দেয়া কায়িনাতবাসীর জন্য ফরযে আইন। সেই আমল মুবারক সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা নিজেরাও করেছেন এবং উম্মতদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন।



নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক) প্রকাশ উনার পূর্বে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারকে এসে উনারা বিশেষভাবে ছানা-ছিফত মুবারক করেছেন।



৯ মাসে বিশেষ ব্যক্তিত্ব উনাদের আগমন মুবারক ও সুসংবাদ মুবারক



স্মরণীয় যে, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব-মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে ৮ মাস ১২ দিন অর্থাৎ ৯ মাস সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারকে অবস্থান মুবারক করেন, সেই ৯ মাসের প্রত্যেক মাসে একজন করে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা এসে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারকে সুসংবাদ মুবারক পেশ করতেন। এভাবেই উনারা মহাসম্মানিত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেন। সুবহানাল্লাহ!



এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

قَالَتْ سَيِّدَتُنَا حَضْرَتْ اُمُّ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا حَمَلْتُ بِحَبِيْبِىْ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِىْ اَوَّلِ شَهْرٍ مِنْ حَمْلِىْ وَهُوَ شَهْرُ رَجَبَ الْاَصَمِ بَيْنَمَا اَنَا ذَاتَ لَيْلَةٍ فِىْ لَذَّتِ الْمَنَامِ. اِذْ دَخَلَ عَلَىَّ رَجُلٌ مَلِيْحُ الْوَجْهِ طِيْبُ الرَّائِحَةِ وَاَنْوَارُهٗ لَائِحَةٌ. وَهُوَ يَقُوْلُ مَرْحَبًابِكَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (يَا مُحَمَّدُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ) قُلْتُ لَهٗ مَنْ اَنْتَ؟ قَالَ اَنَا حَضْرَتْ اٰدَمُ اَبُو الْبَشَرِ عَلَيْهِ السَّلَامُ.

قُلْتُ لَهٗ مَاتُرِيْدُ قَالَ اَبْشِرِىْ يَا سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ اُمَّ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَدْ حَمَلْتِ بِسَيِّدِ الْبَشَرِ وَفَخْرِ رَبِيْعَةِ وَمُضَرِ.

অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, আমি যখন মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাসে ধারণ করলাম তখন এক রাত্রে-

প্রথম মাসে আমি ঘুমের ঘোরে দেখতে পেলাম আমার সামনে সুউজ্জ্বল চেহারা মুবারক নিয়ে সীমাহীন সুঘ্রাণ ও নূর মুবারকসহ একজন সুপুরুষ হাজির হয়ে বললেন-

مَرْحَبًا بِكَ يَا مُحَمَّدُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.

অর্থঃ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনাকে মারহাবা।

আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কে? উত্তরে আগন্তুক ব্যক্তি বললেন, আমি মানব জাতির আদি পিতা সাইয়্যিদুনা হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম।

আমি বললাম, আপনি কি জন্য এসেছেন? উত্তরে তিনি বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সুসংবাদ মুবারক গ্রহণ করুন। আপনি সমস্ত মানবজাতির সাইয়্যিদ, রবীয়া ও মুদার গোত্রের ফখর, গোটা কায়িনাতবাসীর ফখর, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আপনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক উনার মধ্যে ধারণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!



-আহমদ হুসাইন

image