📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️
📅 তারিখ: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
⏰ সময়: ১০:০১ PM
#alhikmah24 #live
#alhikmah #live
📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️
📅 তারিখ: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
⏰ সময়: ১০:০১ PM
#alhikmah24 #live
#alhikmah #live
১৫ই যিলহজ্জ শরীফ
ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি
রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
------------------------------------------
ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
আল আশির আরবিতে বলা হচ্ছে দশম। আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে
আল ইমামুল আশির দশম।
অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত ১২ জন ইমাম উনাদের মধ্যে তিনি দশম ইমাম।
উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইসিম বা নাম মুবারক হচ্ছেন , সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আবুল হাসান আলী নক্বী আলাইহিস সালাম। আর উনার লক্বব মুবারক হচ্ছেন,
ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই সম্মানিত লক্বব মুবারকে সম্মোধন করাটাই হচ্ছে আদব।
তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন ২১০ হিজরী শরীফ উনার ১৫ই যিলহজ্জ শরীফ ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ সম্মানিত মদীনা শরীফে।
উনার সম্মানিত পিতা হচ্ছেন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসী মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অর্থাৎ তিনিও ছিলেন,
আহলু বাইতি শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ১২ জন ইমাম উনাদের মধ্যে নবম ইমাম।
ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বয়স মুবারক যখন ১০ বছর তখন উনার পিতা পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করলেন।
আর উনার আম্মাজান হচ্ছেন,
সাইয়্যিদাতুনা হযরত সুমানাহ্ আলাইহাস সালাম। উনারা ভাই বোন হচ্ছেন, ৯ জন।
৩ জন ভাই ৬ জন বোন।
উনার আওলাদ হচ্ছেন, ৬ জন। ৫ জন ছেলে আর ১ জন মেয়ে।
তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন,
২৫৪ হিজরী শরীফ উনার ২৯শে জুমাদাল উখরা শরীফ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ।
তিনি দুনিয়ার যমিনে অবস্থান মুবারক করেন, ৪৩ বছর ৫ মাস ১৪ দিন।
উনার বেমেছাল শান মান ফযিলত মুবারক যা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আ’শির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অল্প বয়স মুবারক থেকেই
অসংখ্য অগনিত কারামত মুবারক প্রকাশ পেতে থাকে। সেগুলো দেখে,
সেই সময়কার ইমাম মুজতাহিদ আউলিয়ায়ে ক্বিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনার সহ সকলেই ফয়েজ তাওয়াজ্জু লাভ করার জন্য উনার দিকে রুজু হতেন। এবং বাইয়াত হয়ে উনার নির্দেশ মতো যিকির ফিকির করতেন।
উনার অসংখ্য অগনিত এজাজ শরীফ অর্থাৎ কারামত মুবারক থেকে কয়েকটি বর্ননা করছি।
একবার ততকালিন যালিম বাদশা মুতাওক্কিল লানাতুল্লাহি আলাইহি সে ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দাওয়াত করলো,
উদ্দেশ্য ছিলো উনাকে শহীদ করার সে জন্য সে ৩ টি হিংস্র প্রাণী নিয়ে এসেছিল তার দরবারে। ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন সেখানে উপস্থিত হলেন
তখন দেখা গেল সেই হিংস্র প্রাণীগুলো
উনাকে সালাম করলো। তিনি সেই প্রাণীগুলোকে আদর করে দিলেন। এবং তিনি যখন বের হয়ে আসবেন তখন দেখা গেল সেই হিংস্র প্রাণীগুলো
উনার কাছে এসে কাবা শরীফ যেভাবে মানুষ তাওয়াফ করে ঠিক সেইভাবে উনাকে
ঘুরে ঘুরে তাওয়াফ করতে থাকলো।
সুবহানাল্লাহ।
আর একটি ঘটনা হচ্ছে, একদিন কিছু লোক এসে ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে একটি খুটি দেখিয়ে বললো আপনি কি এটা থেকে খেজুর ডালিম বা কলা আঙ্গুর এগুলো বের করতে পারবেন ?
এখন সাধারনভাবে দেখা যায় একটি গাছ থেকে একটি ফল আসে,
যেমন খেজুর গাছ থেকে খেজুর ফল, আনার গাছ থেকে আনার ফল, কলা গাছ থেকে কলা, আঙ্গুর গাছ থেকে আঙ্গুর ।
আর গাছ ব্যতীত অন্য কোথাও থেকে যেমন খুটি থেকে এই ফলগুলোতো পাওয়া কোন ভাবেও সম্ভব না।
এরপরেও তিনি সেই খুটি থেকে খেজুর, ডালিম, কলা এবং আঙ্গুর ফল এই ৪টি ফলই বের করলেন। সুবহানাল্লাহ।
আর একটি ঘটনা হচ্ছে,
একদিন সেই যালিম শাশক মুতাওক্কিল লানাতুল্লাহি আলাইহি সে ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ভীত সন্ত্রস্ত করার জন্য ৯০ হাজার সেনা মোতায়েন করলো।
তারা মহুড়া দিতে থাকলো।
তখন ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই যালিম শাশকে বললেন, তুমি ভালো করে আসমান এবং যমিনের দিকে
লক্ষ করো
তখন সে লক্ষ করে দেখলো
আসমান এবং যমিনে অসংখ্য অগনিত ফেরেস্তা আলাইহিমুস সালাম উনারা জিহাদের জন্য প্রস্তুুত হয়ে আছেন।
উনার নির্দেশ পেলেই জিহাদে অবতরন করবেন।
এটা দেখে সে তার যেই কুফরী চিন্তা সেটা থেকে সে সরে গেল।
উনার এতো ফযিলত মুবারক
সারাটা জীবন জুড়ে এজাজ শরীফে পরিপূর্ণ ছিল। সুবহানাল্লাহ।
ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মান ফযিলত বেমেছাল।
তিনি আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব মুবারক।
যেটা ইমামুল খ্বমিছ মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বর্ননা করেছেন,
মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আমাদের এক মর্যাদা মাকাম মুবারক রয়েছেন।
কেমন মর্যাদা মুবারক
আল্লাহ পাক তিনি যদি আমাদেরকে সৃষ্টি না করতেন,
তাহলে আল্লাহ পাক সৃষ্টি করতেন না
আসমান এবং যমিন, জান্নাত জাহান্নাম,
সূর্য চন্দ্র, জ্বীন ইনশান কোন কিছুই আল্লাহ পাক তিনি সৃষ্টি করতেন না।
স্থল ভাগ এবং সমুদ্র, সমভুমি এবং পাহাড়, মিষ্ট তিক্ত, মাটি পানি, উদ্ভিদ অর্থাৎ গাছপালা তরুকলা এগুলা মহান আল্লাহ পাক তিনি কোন কিছুই সৃষ্টি করতেন না।
এবং উনি বলেন যে মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে উনার নূর মুবারক থেকে সৃষ্টি মুবারক করেছেন।
এবং তিনি বলেন আমাদের সাথে কারো কোন তুলনা করা চলবেনা।
তাহলে আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের কতো ফযিলত। যে উনাদেরকে সৃষ্টি না করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি কোন কিছুই সৃষ্টি করতেন না।
সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তত্ব মুবারক হচ্ছেন,
ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি।
সুবহানাল্লাহ।
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে কারো কোন তুলনা চলেনা সৃষ্টি জগতের মধ্যে এমন কেউ নেই যে,
আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সমকক্ষ দাবি করে একমাত্র
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ব্যতীত।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরেই আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাকাম মুবারক
তারপরে নবী রসূল, ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বীয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এরপরে আউলিয়ায়ে কিরাম ইমাম মুজতাহিদ
উনাদের মাকাম মুবারক।
এজন্য ইমামুল খ্বমিছ মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাবধান করে দিয়েছেন
নিশ্চয় আমরা হচ্ছি আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম
আমাদের সাথে কারো লোন তুলনা করা যাবেনা। কেউ যদি তুলনা করে তাহলে সে কুফরী করলো
এবং তিনি আরো বলেন নিশ্চয় আমরা হচ্ছি একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে হাছিল করার একমাত্র মাধ্যম।
সুবহানাল্লাহ।
ইমামুল আশির মিন আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ১০ম ইমাম। তাহলে উনার ফযিলত মুবারক কতো বেমেছাল। সুবহানাল্লাহ।
আর মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি কি আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বাইরে ?
নাউজুবিল্লাহ।
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ।
তিনিও হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বোত্তম উছিলা বা মাধ্যম মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত সৃষ্টি জগতের জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তাযিম তাকরীম মুবারক করা, উনাদের ছানা ছিফত মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়া ফরয করে দিয়েছেন।
সুবহানাল্লাহ।
কাজেই মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আজকের সম্মানিত দিবস উনার সম্মানার্থে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান পুরুষ মহিলা জ্বীন ইনশান আমাদের সবাইকে
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে হাক্বীক্বী মুহব্বত মুবারক করার তাওফিক দান করেন।
উনাদের ধ্যানে খেয়ালে মশগুল থাকার তাওফিক দান করেন, উনাদের মুহব্বত আমাদের অন্তরে পরিপূর্ণ করে দেন, উনাদের মুহব্বত আমাদের জন্য রিযিক করে দেন। আমিন।
হযরত উম্মাহাতুল মু'মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা মোট কতজন- এ ব্যাপারে মতভেদ থাকলেও সুপ্রসিদ্ধ বর্ণনা মতে, সম্মানিতা সাইয়ি্যদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, হযরত উম্মাহাতুল মু'মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হলেন '১৩ জন'। সুবহানাল্লাহ!
১) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, ত্বহিরা, ত্বইয়্যিবাহ, উম্মুল মু'মিনীন আল উলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাদীজাতুল কুবরা বিনতু খুওয়াইলিদ আলাইহাস সালাম।
২) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আছ ছানিয়াহ
সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাওদা বিনতু যামআ আলাইহাস সালাম।
৩) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা বিনতু হযরত আবু বকর ছিদ্দীক আলাইহিমাস সালাম।
৪) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আর রবিয়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত হাফসা বিনতু হযরত উমর ফারুকু আলাইহিমাস সালাম।
৫) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আল খমিসাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যয়নব বিনতু খুযায়মা আলাইহাস সালাম।
৬) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়ি্যদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আস সাদিসাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু সালামাহ আলাইহাস সালাম।
৭) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আস সাবিয়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যয়নব বিনতু জাহাশ আলাইহাস সালাম।
৮) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আছ ছামিনাহ - সাইয়্যিদাতুনা হযরত জুওয়াইরিয়া বিনতু হারিস আলাইহাস সালাম।
৯) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আত তাসিয়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত রায়হানা আলাইহাস সালাম।
১০) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আল আশিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছফিয়্যা বিনতু হুয়াই বিন আখতাব আলাইহাস সালাম।
১১) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আল হাদী আশির সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু হাবীবা বিনতু আবী সুফইয়ান আলাইহাস সালাম।
১২) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আহ্ ছানিয়াহ আশার সাইয়্যিদাতুনা হযরত মারিয়ায়ে কিবতিয়া আলাইহাস সালাম।
১৩) খাতুনে জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল কায়িনাত, উম্মুল মু'মিনীন আছ ছালিছাহ আশির সাইয়্যিদাতুনা হযরত মায়মুনা বিনতু হারিছ আলাইহাস সালাম।
হযরত উম্মাহাতুল মু'মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এখানে শুধুমাত্র পবিত্রতম নাম মুবারক উল্লেখ করা হলো। তবে উনাদের সকলের পবিত্রতম খুছুছিয়ত মুবারক পরবর্তীতে বর্ণনা করা হবে। ইনশাআল্লাহ!
ইলমে তাছাউফের পথে ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে তার আলামত বা লক্ষণ
১ম অবস্থা: উৎসাহ উদ্দীপনা, আশা আকাঙ্খা দিয়ে শুরু।
২য় অবস্থা:আকাঙ্খা ও মনের প্রফুল্লতা অনুভব না হওয়া
৩য় অবস্থা: নিজেকে অজ্ঞ ও মুর্খ হিসেবে আবিষ্কার করা
৪র্থ অবস্থা:নতুন নিয়ামত পাওয়ার জন্য অস্থির বা ব্যকুল হয়ে যাওয়া
৫ম অবস্থা: নিজের মধ্যে অক্ষমতা ও অজ্ঞতা প্রবল হওয়া এবং ব্যকুল চিত্তে শ্রেষ্ঠত্ব ও কাঙ্খিত বস্তু পাওয়ার জন্য দোয়া করা,রিয়াজত মাশাক্কাত,চেস্টা কোশেশে মনোযোগী হওয়া
হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিশিষ্ট মুরীদ, মোল্লা আহমদ বার্কী তার হাল বা অবস্থা সম্পর্কে স্বীয় শায়েখকে অবহিত করে লিখেন- “ইতোপূর্বে যেরূপ উৎসাহ উদ্দীপনা, আশা আকাঙ্খা ছিলো, বর্তমানে তা নিজের মধ্যে পাচ্ছি না এবং এটাকে নিজের অবনতি বলে ধারণা করছি। ”
তার জাওয়াবে হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন যে, “বৎস! অবগত হও, ইতোপূর্বে তোমার যে অবস্থা ছিলো তা লম্ফ-ঝম্ফধারী এবং গান-বাদ্যকারীদের অবস্থার অনুরূপ। এখন দেহের যে অবস্থা এসেছে তাতে দেহের কোন অংশ নেই। কল্ব্, রূহ বা অন্তঃকরণ ও আত্মার সহিত তার সম্পর্ক অধিক। অর্থাৎ দ্বিতীয় অবস্থা প্রথম অবস্থা হতে উচ্চতর। সুতরাং আকাঙ্খা ও মনের প্রফুল্লতা এখন অনুভব না হওয়াটাই অনুভব হওয়া অপেক্ষা বহুগুণ উর্ধ্বে। কেননা নিসবত বা সম্বন্ধ যতই অজ্ঞতা ও অস্থিরতার দিকে ধাবিত হয় এবং দেহ হতে যত দূরেই নিক্ষিপ্ত হয়, ততই শ্রেষ্ঠত্ব ও কাঙ্খিত বস্তু প্রাপ্তির নিকটবর্তী হয়ে থাকে। তথায় (মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট) অক্ষমতা ও অজ্ঞতা ব্যতীত অন্য কিছুর অবকাশ নেই। সেখানে অজ্ঞতাকেই “পরিচয়” প্রাপ্তি বলা হয় এবং অক্ষমতাকেই “অনুভূতি” নাম প্রদান করা হয়।