নারী যখন বলে, আমার যা ইচ্ছে আমি পরব, পুরুষ তার দৃষ্টি নিচে রাখবে।

ব্যপারটা তখন আমার কাছে এমন হয় যে, "পুরুষ তুমি দৃষ্টি সংযত রেখে আল্লাহর হুকুম মেনে জান্নাতে যাও, আর আমি বিবস্ত্র থেকে আল্লাহর হুকুম অমান্য করে জাহান্নামে যাই। My Life My Choice!”

সাধে কি আর জা
হান্নামে নারী বেশি থাকবে? আসলে জা*হান্নাম বেছে নেওয়াটাই ওদের চয়েজ!

https://www.securitydodgechrysler.net/
Security Dodge Chrysler Jeep Ram is a trusted auto dealership in Amityville, NY, offering new and pre-owned Chrysler, Dodge, Jeep, and RAM vehicles, flexible financing, genuine parts, and professional vehicle servicing.

image

সবাই দ্রুত ও ব্যাপকভাবে প্রচার করুন ও ছড়িয়ে দিন

ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ-এর রুটিন প্রজ্ঞাপন নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তালবাহানা!

প্রতি বছর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যথাযথভাবে পালনের বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে সাধারণত ১৫–২০ দিন আগেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

কিন্তু এ বছর বিষয়টিতে ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬। অথচ এখনো ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি। অন্যদিকে, আগামী ২৬ আগস্ট ২০২৬ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ পালিত হওয়ার কথা। অর্থাৎ ওয়ার্কিং ডে আছে আর মাত্র ৫ দিন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারাও এখন পর্যন্ত ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে কোনো প্রজ্ঞাপন পায়নি। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী—

১. শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন পাওয়ার পর সেটি অধিদপ্তরে পাঠাতে প্রায় ৭ দিন সময় প্রয়োজন হয়।

২. অধিদপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ে চিঠি পৌঁছাতেও আরও প্রায় ৫–৭ দিন সময় লাগে।

এ অবস্থায় সময়মতো সরকারি নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে পৌঁছানো নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান। প্রতিবছর রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ প্রস্তুতি ও নির্দেশনার মাধ্যমে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

তাহলে এ বছর কেন এই অস্বাভাবিক বিলম্ব?

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এর আগে নিয়মিতভাবে যে প্রজ্ঞাপন যথাসময়ে জারি করা হতো, এবার তা নিয়ে এমন বিলম্ব কেন—সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

আমরা আশা করি, ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করবে এবং সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও মাঠপর্যায়ের প্রশাসনের কাছে যথাসময়ে নির্দেশনা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবে।
@

জুন ২০২৬।
এই বছরের জুন মাসে, ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত পশ্চিম তীরে, জুডিয়ান মরুভূমিতে একটা উৎসব আয়োজন করা হয়।

নাম — "প্রাইড ল্যান্ড।"

আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, এটাই মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় LGBTQ উৎসব। চার দিনের আয়োজন। পনেরোটা হোটেল, সমুদ্রতীরের কমপ্লেক্স, বিশাল মঞ্চ। মরুভূমির মাঝখানে একটা অস্থায়ী শহর বানানো হয়, যেটা চলবে চব্বিশ ঘণ্টা।

আয়োজক একটা বেসরকারি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান হলেও ইসরায়েল সরকারের সরকারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট এই অনুষ্ঠানের প্রচার করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এটাকে প্রচার করেছে।

এখন একটা জায়গার কথা বলি।

পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু জায়গা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে চারশো মিটারেরও বেশি নিচে। পানিতে লবণের পরিমাণ এত বেশি যে সেখানে কোনো মাছ বাঁচে না, কোনো শৈবাল জন্মায় না। তাই নামটাই হয়ে গেছে — মৃত সাগর।

জ্বি, ডেড সি।

চারপাশের মাটি অনুর্বর। বাতাসে গন্ধকের গন্ধ।
এই জায়গাটা সম্পর্কে আপনি হয়তো জানেন না, কিন্তু কুরআন জানে। ঐতিহ্যগতভাবে এই অঞ্চলটাকেই চিহ্নিত করা হয় কওমে লুতের এলাকা হিসেবে।

সেই জনপদ, যাদের কথা আল্লাহ কুরআনে বারবার বলেছেন। লুত আলাইহিস সালামের জাতি। যারা এমন একটা কাজ শুরু করেছিল, যা তাদের আগে পৃথিবীর কেউ করেনি।

আল্লাহ বলেন —
"আর লুতকে স্মরণ করো, যখন সে তার সম্প্রদায়কে বলল, তোমরা কি এমন অশ্লীল কাজ করছ, যা তোমাদের আগে বিশ্বজগতের কেউ করেনি?"
(সূরা আল-আরাফ, ৭:৮০)

লুত আলাইহিস সালাম তাদের বোঝালেন। বছরের পর বছর। তারা শুনল না। উল্টো তারা তাঁকে নিয়ে ঠাট্টা করল। বলল — "লুতের পরিবারকে তোমাদের জনপদ থেকে বের করে দাও, ওরা তো বড় পবিত্র মানুষ!"

তারপর একদিন সকাল হলো।
আল্লাহ বলেন—
"অতঃপর সূর্যোদয়ের সময় এক বিকট শব্দ তাদের পাকড়াও করল। আর আমি সেই জনপদকে উল্টে দিলাম, আর তাদের ওপর পোড়া মাটির পাথর বর্ষণ করলাম।"
(সূরা আল-হিজর, ১৫:৭৩-৭৪)

গোটা একটা জনপদ। উল্টে দেওয়া হলো।
আজও সেই জায়গায় জীবন ফেরেনি। হাজার হাজার বছর পরেও না।

এখন আসল কথা শুনুন। এই জায়গাই জুডিয়ান মরুভূমি। মানে ডেড সি।

যে জাতিকে যেই কাজের কারণে ধ্বংস করা হয়েছিল, তাদের ধ্বংসাবশেষের ওপর দাঁড়িয়ে সেই একই কাজের উৎসব? যেই জায়গাটা ঐতিহাসিক ভাবেই চিহ্নিত লুত আলাইহি ওয়াসাল্লামের ক্বওমদের, সেই জায়গাতেই একই কাজ?

এটা সরাসরি চ্যালেঞ্জ। নতুন কিছু না। আমরা ১৭ই রমাদান দেখে অভ্যস্ত। দখলদাররা কী আচরণ করে আমরা দেখেছি বছরের পর বছর। ওরা আমাদের ঐতিহাসিক ক্ষণ গুলো স্মরণ রাখে কিন্তু আমরা রাখি না। অনেকে জানিই না এই বিষয় গুলো।

আমাদের সামনেই শত্রু পক্ষ মহরা দিচ্ছে, কোনো কিছুর জানান দিচ্ছে। আর আমরা ডুবে আছি দুনিয়ায়। একে অপরের সাথে মারামারিতে, রেশারেশিতে। অমুক খারাপ, তমুক ভালো নিয়ে

image

মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবিউল আউওয়াল শরীফ (১৪৪৮ হিজরী) বাকি আর মাত্র ৭ দিন।

image

হে আরোশের মালিক খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক, হে দো জাহানের মালিক আখেরী রসূল হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হে সম্মানিত হযরত শায়েখ আলাইহিস সালাম, দুনিয়ার সব মুহব্বত বৃথা সব মুহব্বত ধ্বংস, সব মুহব্বত বানোয়াটী,ক্ষনস্থায়ী , একমাত্র আপনাদের মুহব্বত মুল, স্থায়ী, সঠিক ইহকাল এবং পরকালের জন্য সুখ-শান্তিময়, আরামদায়। দুনিয়ার সব মুহব্বত ভুলে যেতে রাজি এবং পারি, কিন্তু আপনাদের মুহব্বত কখনো কশ্নিকালেও ভুলা যাবেনা না না।

image

অরুণাচলে চীনের ‘গোপন দখল’, ভারতীয় সেনাবাহিনীকে টহলে বাধা

অরুণাচল প্রদেশে চীনের বিরুদ্ধে ভূমি দখলের অভিযোগে নতুন করে চাপে পড়েছে ভারত সরকার।

নয়াদিল্লির শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের দাবির মধ্যেই ক্ষমতাসীন জোটের মিত্র দল পিপলস পার্টি অব অরুণাচল (পিপিএ)-এর অনুসন্ধানী দল দাবি করেছে, সীমান্তের কয়েকটি এলাকায় ভারতীয় বাহিনীর টহল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

দলটির অভিযোগ, চীনের কথিত অগ্রগতি ঠেকাতে মোদি সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সীমান্তবাসীর উদ্বেগ উপেক্ষিত হয়েছে।

দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধের মধ্যে নতুন এই অভিযোগ ভারত-চীন উত্তেজনাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

অর্থবছর হিসাবের সময়কাল পরিবর্তন করেছে সরকার

বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভা দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত ১ জুলাই-৩০ জুন সময়কালের পরিবর্তে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ সময়কে নতুন অর্থবছর হিসেবে নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পরিবর্তনের কারণ:

উন্নয়ন কাজের গুণগত মান: জুলাই-আগস্ট মাসের তীব্র বর্ষাকালে অবকাঠামো নির্মাণ বা সংস্কার কাজ করতে গিয়ে প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয় এবং কাজের মান নষ্ট হয়।

জনদুর্ভোগ কমানো: বর্ষার সময়ে রাস্তাঘাট খোঁড়াখুঁড়ি বা বড় কাজের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে। অর্থবছর এপ্রিলে শুরু হলে বর্ষার আগেই সিংহভাগ অবকাঠামোগত কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

বাস্তবায়নের সময়সূচি ও প্রক্রিয়া:
২০২৭-২৮ অর্থবছর (অন্তর্বর্তীকালীন): নতুন নিয়মে যাওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে ২০২৭-২৮ অর্থবছরটি হবে মাত্র ৯ মাসের (১ জুলাই ২০২৭ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৮ পর্যন্ত)।

২০২৮-২৯ অর্থবছর (পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন): ২০২৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়সূচি ধরে সরকারের নতুন অর্থবছর পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে।

হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বলেন,
"আমরা তো ওই সম্প্রদায়, যাদেরকে মহান আল্লাহ পাক পবিত্র দ্বীন ইসলাম দ্বারা সম্মানীত করেছেন।অন্য কিছুতে সম্মান করেননি।"

মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ১২ই রবিউল আউওয়াল শরীফ (১৪৪৮ হিজরী) বাকি আর মাত্র ৭ দিন।

image