Moburak ho 12 Shareef

১২ই শরীফ মুবারক হো

ভ্রমণে দূরে কোথাও যাচ্ছেন? সঙ্গে জরুরি যেসব জরুরি জিনিস না রাখলে পড়তে পারেন মহা বিপদে

প্রাথমিক চিকিৎসায়
কাটা-ছেঁড়া বা আঁচড় লাগলে দ্রুত ব্যবস্থার জন্য ব্যান্ডেজ ও ব্যান্ড-এইড সঙ্গে নিন। ব্যাগে রাখুন স্টেরাইল গজ ও সার্জিক্যাল টেপ। তুলার চেয়ে এই গজ বেশি নিরাপদ; কারণ, তুলার আঁশ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এ ছাড়া ব্যান্ডেজ কাটা বা ত্বকে ঢুকে যাওয়া ক্ষুদ্র কাঁটা বের করার জন্য নিন কাঁচি ও চিমটা। এই সবগুলো উপকরণ একসাথে পাওয়া যাবে আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতালের জরুরি চিকিত্সা বাক্স (ফার্স্ট এইড বক্স)। অনলাইনে অর্ডার করা যাবে sunnat.info তে।

প্রয়োজনীয় ওষুধ
চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী একটি ছোট জিপ ব্যাগে কিছু ওষুধ রাখুন। যেমন বমি ও গ্যাসের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হাইওসিন-জাতীয় (ভ্রমণ অসুস্থতা) এবং আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র থেকে সুন্নতী খাবার সিরকা (অ্যাসিডিটির জন্য), ব্যথা ও জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন, অ্যালার্জি উপশমে অ্যান্টিহিস্টামিন-জাতীয় ওষুধ। যাঁরা নিয়মিত প্রেশার বা ডায়াবেটিসের ওষুধ খান, তাঁরা অন্তত সুন্নতী সিরকা বেশি পরিমাণে নিন।
এই সিরকা অনলাইনে পাওয়া যাবে sunnat.info তে।

জীবাণুনাশক
হাত জীবাণুমুক্ত করতে আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র থেকে গুসলুল ইয়াদ বা হ্যান্ড ওয়াশ সঙ্গে রাখুন, এটি এলকোহেল মুক্ত।

যাত্রাপথে খাবার
ভ্রমণের সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে সমস্যা হতে পারে। তাই শুকনা খাবার যেমন মুড়ি, আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র থেকে সাওয়িক (শক্তিবর্ধক খাবার), শুকনা ফল যেমন খেজুর, খুরমা সঙ্গে নিন। ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতা রোধে রাখুন খাওয়ার স্যালাইন। আর নিন পানি বিশুদ্ধকরণ বড়ি। নিরাপদ পানি না পেলে এই বড়ি ব্যবহার করে প্রায় ৩০ মিনিটে পানি পানযোগ্য করা যায়।

থার্মোমিটার ও ব্যথার স্প্রে
হঠাৎ জ্বর মাপার জন্য থার্মোমিটার এবং পা মচকে গেলে বা পেশিতে টান লাগলে তাত্ক্ষণিক আরাম পেতে পেইন কিলার স্প্রে বা কোল্ড প্যাক দারুণ কার্যকর।

ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি
আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র থেকে মেসওয়াক, গুসলুল জিসিম বা বডিওয়াশ, শ্যাম্পু মিনি প্যাক, ধুন্দলের ছোবড়া এবং ছোট গামছা নিন। সাথে নখ কাটার যন্ত্র নিতে পারেন।

পাওয়ার ব্যাংক ও জরুরি নম্বর
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া মানেই বিপদ। তাই একটি শক্তিশালী পাওয়ার ব্যাংক এবং একটি কাগজে ফ্যামিলি ডাক্তার, নিকটস্থ হাসপাতাল ও পরিবারের সদস্যদের নম্বর লিখে রাখুন (ফোনের চার্জ শেষ হয়ে গেলে এটি কাজে দেবে)।

মশা তাড়াতে
ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়ার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মসকিউটো রিপিল্যান্ট ক্রিম বা স্প্রে ব্যাগে রাখুন, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত জরুরি।

ত্বকের সুরক্ষায়
প্রখর রোদে ত্বকের পোড়া ভাব কমাতে শামউন নাহল, জয়তুন তেল এবং একটি ছাতা ব্যবহার করুন। মশা ও কিট পতঙ্গ থেকে পায়ের সুরক্ষার জন্য চামড়ার মোজা অসাধারণ কাজে দিবে।

আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্রের সমস্ত পণ্য পাওয়া যাবে sunnat.info তে।

📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️

📅 তারিখ: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬
⏰ সময়: ০৭:৫২ PM

#alhikmah24 #live
#alhikmah #live

3 w

আপনি কি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতে দুনিয়া ও আখিরাতের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেতে চান?

নিশ্চয়তা পাওয়ার সেই আমলটি কি?
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলিইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারক - উনার তরফ থেকে কুরবানী করা যা ফরয কোরবানি হিসেবে অবহিত।

এই কুরবানী করলে কি হবে? আপনি কি কি পাবেন? হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি একবার দরূদ শরীফ পাঠ করলে ১০টি রহমত পাওয়া যায়। তাহলে উনার তরফ থেকে কোরবানি করলে, কি পাওয়া যাবে?
- নিজের ওয়াজীব কুরবানী তো কবুল হবেই, সাথে সাথে আরও অনেক সফলতার নিশ্চয়তা রয়েছে, যেমন:

১) অতীতের গুনাহখাতা ক্ষমা করা হবে। প্রতিটি পশমের জন্য ১০টি গুনাহখাতা মাফ হয়। পশুর অগনিত পশমের জন্য গুনাহখাতা মাফ হয়ে মাছুম হয়ে যাবেন।

২) বর্তমানে প্রতিটি পশমের জন্য ১০টি নেকী পাওয়া যাবে, ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি হবে, আবার মুত্তাকী হিসেবে কুদরতী রিযিকের ফায়সালা হবে। (সূরা মায়িদা শরীফ : আয়াত শরীফ ২৭, সূরা আত-তালাক শরীফ ২-৩)।

৩) ভবিষ্যতে- যিনি কুরবানীর পশুর পেট চিরবেন হাশরের ময়দানে তার কোন কষ্ট লাগবে না। উনাকে হাউজে কাউসার শরীফ উনার পানি পান করানো হবে। তিনি জান্নতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আর পিপাসার্ত হবেন না। তারপর, মীযানে সত্তরগুণ বৃদ্ধি করে কুরবানীর পশুর হাড়, সিং, খুড়, পশম, চামড়া, ইত্যাদি ৭০ গুন বৃদ্ধি করে নেকির পাল্লায় চাপিয়ে দেয়া হবে। ফলে ডানদিকের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। উনার জান্নাত ফয়সালা হবে। সুবহানাল্লাহ! আর কোরবানির পশুটি পুলিসিরাত পার হওয়ার বাহন হবে (আরিযাতুল আহওয়াযী লী শরহে তিরমিযী)।

জান্নাতে- পশুর দেহের প্রতিটি পশমের বিনিময়ে ১ টি করে জান্নাতি বালাখানা, পশুর মাথার প্রতিটি পশমের বিনিময়ে ১ জন হুর মুবারক দেয়া হবে, পশুর প্রতিটি হারের টুকরার বিনিময়ে ১ টি করে জান্নাতি বোরাক, পশুর প্রতিটি গোস্তের টুকরার বিনিময়ে ১টি করে জান্নাতি পাখি পাওয়া যাবে।

সেই জন্য আপনি নিজে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষে ফরজ কুরবানী করুন এবং এবং অন্যদেরকেও এই বিষয়টি পৌঁছে দিন। কারণ- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এটা বলেছেন- “আমার তরফ থেকে একটি আয়াত শরীফ হলেও তা ছড়িয়ে দিন”।

তাহলে একদিকে আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিন্ত হবে এবং অন্যদের প্রতি আপনার দায়িত্ব পালন থেকেও মুক্তি পাবেন। “যেদিন অর্থাৎ কেয়ামতের দিন একজন মানুষ তার ভাই, তার মা, তার পিতা, তার সঙ্গী এবং তার সন্তানদের কাছ থেকে পালিয়ে যাবে! (পবিত্র সূরা আবাসা শরীফ, ৩৪-৩৬)” কারণ কেয়ামতের ময়দানে তারা আপনাকে আটকাবে। এই উছিলায় অর্থাৎ এই ফরজ কুরবানী যদি তারা করতে পারে তাহলে তারা মুক্ত হবে এবং আপনিও মুক্ত হয়ে যাবেন। আপনাকে আর আটকাবে না।

আর যদি না করা হয় তাহলে- অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকবে। তার পুলসিরাতের বাহন পাবেনা, জান্নাতি বালাখানা পাবে না, কোন নিয়ামতই সে পাবে না। সে উম্মত থেকে খারিজ হয়ে যাবে। কারণ হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “সামর্থ থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কুরবানী করবেনা সে যেনো আমাদের ঈদগাহের নিকটে না আসে।” (মুসনাদে আহমদ শরীফ)।

আপনার টাকা-পয়সা থাকলে এই ফরয কুরবানী করুন। এটা আপনার জীবনের শেষ সুযোগ হতে পারে। পরে আপনি এই সুযোগ নাও পেতে পারেন। এই এক সুযোগে অনেক প্রাপ্তি- অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত তেমনি অন্যদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেও মুক্তি।

মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে ফরজ কুরবানী করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️

📅 তারিখ: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬
⏰ সময়: ০৭:২৭ PM

#alhikmah24 #live
#alhikmah #live

ভারতে মুসলমানদের সাথে ভারতের সরকার যেমন আচরন করছে ঠিক সমান আচরন বাংলাদেশে সরকার জনগন শুরু করা হোক।

image

image

১২ই যিলহজ্জ শরীফ
তিনটি আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত।
--------------------------------------
একটি হচ্ছে, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম।
উনার সম্মানিত নাম মুবারক হচ্ছেন,
হযরত উমর আলাইহিস সালাম।
উনার কুনিয়াত মুবারক হচ্ছেন,
আবু হাফসিন আলাইহিস সালাম।
আর উনার লক্বব অসংখ্য অগনিত। তার মধ্যে মুল হচ্ছে দুইটা একটা হচ্ছে, আল ফারুক
অর্থাৎ সত্য মিথ্যা পার্থক্যকারী।
আর একটা হচ্ছে
অসিদদাহ আলাল কুফফার
তিনি কাফরদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর ছিলেন। কোন মতে কোন কুফরীকে তিনি
প্রর্সয় দেননি।
তিনি মহাসম্মসনিত ও মহাপবিত্র
বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন,
আমুল ফিলের ১২ বছর ১০ মাস ২০ দিন পর
ইয়াওমুল আহাদ। সুবহানাল্লাহ।

উনার খুছুছিয়ত বৈশিষ্ট ফযিলত মুবারক সম্পর্কে বলা হয়,
উনার ছুরত মুবারক হচ্ছেন,তিনি ছিলেন গন্ধম বর্নের। তিনি অত্যন্ত সুঠাম দেহের অধিকারী ছিলেন। তিনি এতো লম্বা ছিলেন যারা লম্বা লোক তাদের থেকেও তিনি ১ হাত লম্বা ছিলেন।
যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে হলে অবশ্যয় একটু নিচু হয়ে প্রবেশ করতে হতো।
উনার চেহারা মুবারক ছিলেন গাম্ভীর্যপূর্ণ।
উনার স্বভাব মুবারক ছিলেন জালালী এবং জামালিয়াতে মিশ্রিত।
তিনি ছিলেন অত্যন্ত শক্তিশালী। এবং
অনেক বড় যোদ্ধা অনেক বড় পালোয়ান।
অর্থাৎ তিনি ছিলেন স্বর্বগুনে গুনানিত।
সুবহানাল্লাহ।
এবং উনার আরো খুছুছিয়ত মুবারক হচ্ছেন, তিনি এতো শক্তিশালী ছিলেন একটা চলন্ত ঘোড়া ৬০/ ৭০ মাইল বেগে একটা চলন্ত ঘোড়ার উপর তিনি লাফ দিয়ে উঠতে পারতেন। সুবহানাল্লাহ।
আর উনার ডান হাত এবং বাম হাত একসাথে তিনি সমান ভাবে ব্যবহার করতে পারতেন।
এই খুছুছিয়ত হচ্ছে উনার ছুরত মুবারক
উনার দিক থেকে।
আবার আলাদা খুছুছিয়ত মুবারক হচ্ছে,
তিনি একজন ছাহাবী, ছাহাবীয়াতের যত প্রকার মাক্বাম আছে সমস্ত মাক্বাম উনার রয়েছে।
তিনি হচ্ছেন আস সাবেকুনাল আউয়ালুন যারা প্রথম ঈমান এনেছেন তাদের মধ্যে তিনি একজন। তিনি ৪০ তম মুসলমান।
তিনি হচ্ছেন মুহাজির, মক্কা শরীফ থেকে মদীনা শরীফে তিনি হিজরত মুবারক করেন।
তিনি আশারায়ে মুবাশশিরা অর্থাৎ সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বীয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা জান্নাতী।
তার পরেও খাছ করে যে ১০ জন ছাহাবী রদ্বীয়াল্লাহু তায়ালা আনহু জান্নাতের সুসংবাদ দেয়া হয়েছে
তাদের মধ্যে তিনি হচ্ছেন ২য়।
এরপর তিনি হচ্ছেন খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে ২য়।
এরপর উনার আরো খুছুছিয়ত মুবারক হচ্ছে, একজন সম্মানিত উম্মুল মুমিনীন
আর রবিযাহ আলাইহাস সালাম উনার তিনি সম্মানিত পিতা। সুবহানাল্লাহ।
উনার আরেকটা নিসবত মুবারক হচ্ছে, ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম
উনার সাথে।
উনার আওলাদ উনার সাথে উনার নিসবাতুল আযীম শরীফ করা হয়েছিল।
এবং তিনি হচ্ছেন হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত।
উনার অনেক খুছুছিয়ত বৈশিষ্ট ফযিলত মুবারক। সুবহানাল্লাহ।
নসব গত দিক থেকে তিনি উনার পিতার
৯ম পুরুষ আর মাতার দিক থেকে ৮ম পুরুষে যেয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মিলিত হয়েছেন।
বংশ মুবারক হচ্ছে কুরাইশ আর শাখা ছিল আদী শাখা।
উনার আহালিয়া ছিলেন ৭ জন।
দুই জন ছিলেন খাদিমা
উনার আওলাদ হচ্ছেন ৯ জন ছেলে, আর ৪ জন মেয়ে।
তিনি শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন
২৩ হিজরী শরীফ পবিত্র ২৭ শে যিলহজ্জ শরীফ ইয়াওমুত সাবত শরীফ।
তিনি দুনিয়ার যমিনে ৬৩ বছর ১৫ দিন অবস্থান মুবারক করেন। আর তিনি ১৩ হিজরী শরীফ ২৩ শে জুমাদাল উখরা শরীফ থেকে ২৩ হিজরী শরীফ ২৬ শে যিলহজ্জ শরীফ মোট ১০ বছর ৬ ই মাস ৩ দিন খিলাফত আলা মিনহাজিন নবুওওয়াহ মুবারক পরিচালনা করেন।
উনার রওযা শরীফ মসজিদে নববী শরীফ উনার মধ্যে হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বাম পাশে।
----------------------------------------

আর একজন হচ্ছেন, সাইয়্যিদুনা হযরত
যুন নূর আলাইহিস সালাম।
তিনি এমনি একজন সুমহান ব্যক্তিত্য মুবারক যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কলিজার টুকটা নয়নের মনি, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম।
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ৪ জন মেয়ে আওলাদ
উনাদের মধ্যে যিনি প্রথম মেয়ে উনার জাওযুম মুকাররম।
অর্থাৎ উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক করার সুযোগ তিনি লাভ করেছেন। সুবহানাল্লাহ ।

উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইসিম বা নাম মুবারক হচ্ছেন,
সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল আছ আলাইহিস সালাম । আর উনার সম্মানিত লক্বব মুবারক হচ্ছেন, সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নূর আলাইহিস সালাম।

উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আওলাদ হচ্চেন, ৩ জন। একজন হচ্ছেন,
সাইয়্যিদুনা হযরত আলী আলাইহিস সালাম।
উনার লক্বব মুবারক হচ্ছেন,
সাইয়্যিদুনা হযরত আছ ছানী আলাইহিস সালাম।
তিনি বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন, সম্মানিত হিজরত মুবারক উনার ১৩ মাস ১৬ দিন পূর্বে।
আর বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন
১৫ হিজরীতে
তিনি ইয়ারমুকের জিহাদে শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আর তিনি দুনিয়ার যমিনে অবস্থান মুবারক করেন,
সাড়ে ১৫ বছর।
আর একজন আওলাদ হচ্ছেন,
সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম।
উনার নাম মুবারক হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম।
তিনি ২য় হিজরী শরীফে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করা অবস্থায় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।

আর একজন হচ্ছেন, সিবতাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
সাইয়্যিদাতুনা হয়রত আল ঊলা আলাইহাস সালাম। উনার নাম মুবারক হচ্ছেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উমামাহ আলাইহাস সালাম।
তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন, মিরাজ শরীফ সংগঠিত হওয়ার পরের দিন। এবং ৪৫ হিজরী শরীফে তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন।তিনি দুনিয়ার যমিনে অবস্থান মুবারক করেন এবং ৪৬ বছর ৬ই মাস ২৯ দিন।

সাইয়্যিদুনা হযরত যূন নূর আলাইহিস সালাম
তিনি একদিক থেকে উম্মুল মুমিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার বোনের ছেলে
আবার তিনি হচ্ছেন, উনার প্রথম মেয়ে উনার জাওযুম মুকাররম। সুবহানাল্লাহ।
তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব মুবারক।
তিনি আজকে অর্থাৎ যিলহজ্জ শরীফ উনার ১২ তারিখে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
উনার বেমেছাল শান মান ফযিলত মুবারক যা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
সুবহানাল্লাহ।

আর আজকে সবচাইতে বড় খুশির দিন ঈদের দিন সেটা হচ্ছে
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার আদাদ শরীফ।

অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সংযুক্ত সংপ্রিক্ত সমস্ত কিছুর ফযিলত মর্যাদা মুবারক হচ্ছেন বেমেছাল।
যেমন মাসের মধ্যে সর্বোশ্রেষ্ঠ মাস হচ্ছেন রবীউল আউওয়াল শরীফ।
দিনের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হচ্ছে সোমবার শরীফ,
ঠিক তারিখের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ তারিখ হচ্ছেন আরবি মাসের ১২ তারিখ।
কারন প্রত্যেকটা বিষয় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সংযুক্ত সংপ্রিক্ত।
সে জন্য আমরা প্রতি আরবি মাসের ১২ তারিখকে সম্মান করে,
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদুল আদাদ শরীফ পালন করে থাকি । এবং আজকের দিনে কোটি কোটি কন্ঠে মীলাদ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়। সুবহানাল্লাহ।

সব মিলিয়ে আজকের দিনের, আজকের তারিখের, শান মান ফাযায়িল ফযিলত বুযূর্গী সম্মান মুবারক বেমেছাল।
সুবহানাল্লাহ।

তাই আজকের দিনে খুশি প্রকাশ করে ব্যাপক আয়োজন করে মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ করতে হবে।

যেটা সম্মানিত হাদীছ শরীফে বর্নিত রয়েছে ,
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রদ্বীয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্নিত, তিনি বলেন,

আর রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম কলা আতানী হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম
কলা ইন্না রব্বি ওয়া রব্বাকা ইয়া কুনু কাইফা রফাতুলাকা জিকরাক
কলা আল্লাহু আ-লামু কলা ইযা জুকিরতু ওয়া জুকুরতা মা-ই
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হচ্ছে,
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রদ্বীয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ননা করেন,
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্নিত , তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
আতানী হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম
হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি আমার কাছে এসেছিলেন,
এসে তিনি বললেন ইয়া রসূলিল্লাহ ইয়া হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

ইন্না রব্বি ওয়া রবাবাকা ইয়া কুনু কাইফা রফাতুলাকা যিকরক
নিশ্চয় যিনি আপনার রব তায়ালা এবং আমার যিনি রব তায়ালা
তিনি আপনার কাছে আমাকে পাঠিয়েছেন , এই বিষয়টি জানতে
আপনার যে বুলন্দি শান মুবারক সেটা কিভাবে প্রকাশ করবেন।

এখন যিনি খ্বলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনিতো সবই জানেন, তারপরেও
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে পাঠিয়েছেন। তাহলে বুঝা যাচ্ছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ও সবই জানেন।
কিন্তুু তিনি উম্মতকে তালিম দেয়ার জন্য,বিনয়ী শিক্ষা দেয়ার জন্য বললেন।
আল্লাহু আ-লামু
যিনি খ্বলিক যিনি খ্বলিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনিই সব চাইতেই ভালো জানেন। তখন যিনি খ্বলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন ,
ঠিক আছে,
ইযা জুকুরতু ওয়া জুকুরতা মা-ই
আপনার বুলন্দী শান মুবারক প্রকাশ করা হবে
সেটা কিভাবে ?
যেখানে আমার আলোচনা করা হবে
সেখানেই আপনারও আলোচনা মুবারক করা হবে। সুবহানাল্লাহ । সব জায়গাতেই

তাহলে আজকের দিনে ফযিলত মুবারক কতো বেমেছাল । সুবহানাল্লাহ।
অর্থাৎ আজকের দিনটিকে পাওয়ার কারনে উম্মতের দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে বেমেছাল খুশি মুবারক প্রকাশ করা।

মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানার্থে দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান পুরুষ মহিলা জ্বীন ইনশান
আমাদের সবাইকে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম,
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে হাক্বীক্বী মুহব্বত মুবারক করার তাওফিক দান করুন।
আমিন।

image

1 y

ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

image