যত যাই বলি ত্বকের জন্য সাবানও ক্ষতিকর।

মূলত শরীরের ঘাম, ময়লা ধুয়ে ফেলার জন্যই আমরা সাবান মাখি। তবে বিশেষজ্ঞদের দাবি, শরীরের ঘাম, ময়লা ধোয়ার সঙ্গে সাবানের কোনও সম্পর্ক নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা দাবি করেছেন, সাবান মানেই ক্ষারক। তাই এড়িয়ে চলাটাই ভালো। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটির একদল গবেষকদের মতে, নিয়মিত সাবান মেখে গোসল করার চেয়ে মাটি মেখে ভাল করে গা ধুয়ে ফেলা বেশি উপকারী। তারা জানান, সপ্তাহে অন্তত দু’বার সারা গায়ে ভাল করে মাটি মেখে গোসল করতে পারলে তা আমাদের শরীরকে ডিটক্স অর্থাৎ শরীরের বিষাক্ত পদার্থ বের করতে সাহায্য করে।

এতে আমাদের শরীরের দূষিত পদার্থ, ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়া ধুয়ে বেরিয়ে যাবে। তাছাড়া, মাটিতে মিশে থাকা অসংখ্য ভেষজ ও খনিজ উপাদান আমাদের ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কাদা মাটি ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব শুষে নিয়ে ত্বককে ব্রণ, ফুসকুড়ির মতো একাধিক সমস্যার হাত থেকে রক্ষা করবে। তবে বর্তমানে দূষণের প্রভাব প্রায় সর্বত্র। তাই যে সব এলাকায় মাটির সঙ্গে বিভিন্ন রাসায়নিক বা আবর্জনা মেশে, সেখানকার মাটি গায়ে মেখে গোসল করলে হিতে বিপরীত ফল হতে পারে।

image

1 h

সকলেই কিতাবটি সংগ্রহ করে বেশি বেশি করে পড়ুন আর ইমাম হোসাইন রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু উনাকে স্মরণ করুন ।

image

সকলেই কিতাবটি সংগ্রহ করে বেশি বেশি করে পড়ুন আর ইমাম হোসাইন রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু উনাকে স্মরণ করুন ।

image

পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اكرموا الـمحرم من اكرم الـمحرم اكرمه الله بالـجنة ونجاه من النار
অর্থ : “তোমরা পবিত্র মুহররম শরীফ মাসকে সম্মান কর। যে ব্যক্তি পবিত্র মুহররম শরীফ মাসক উনাকে সম্মান করবে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে জান্নাত দিয়ে এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ দিয়ে সম্মানিত করবেন।” সুবহানাল্লাহ!

মাত্র ছয়টি নেক আমলের মাধ্যমে পবিত্র আশুরা শরীফ উনাকে সম্মান করা যায়ঃ-

১। পবিত্র আশূরা শরীফ উপলক্ষে ৯ ও ১০দু’দিন রোযা রাখা!
২। রোযাদারদেরকে ইফতার করানো!
৩। পবিত্র আশূরা শরীফ এর দিন পরিবারবর্গকে ভালো খাওয়ানো!
৪। উক্ত দিনে নিয়ত করে গোসল করা!
৫। চোখে (ইছমিদ) সুরমা দেয়া!
৬। গরিবদের পানাহার করানো ও ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো!
সুবহানাল্লাহ

image

"যদি আমরা ইরানের সঙ্গে এই চুক্তি স্বাক্ষর না করতাম, তাহলে আমরা তেলশূন্য হয়ে যেতাম। প্রতিদিন ৬০০ থেকে ৭০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হচ্ছিল, আর মাত্র ৪ সপ্তাহের মধ্যে আমাদের তেলের মজুত শেষ হয়ে যেত। আমরা পারমাণবিক বিষয় নিয়ে খুব কঠোর ছিলাম, তবে ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পারমাণবিক শক্তি থাকা ঠিক আছে।"



ট্রাম্প ইরানের কাছে নিজের আত্মসমর্পণে স্বাক্ষর করেছেন—এমন দাবি করে বলা হচ্ছে যে তিনি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধে তারা রক্তক্ষরণ করছিল, প্রতিদিন ৭০০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতির মুখে পড়ছিল এবং তেলের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছিল। এমনকি শেষ পর্যন্ত তারা ইরানের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতেও রাজি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

লেখাটিতে আরও বলা হয়েছে, এটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় অপমান। তাদের ধারণা ছিল ইরান মাত্র ৩ দিনের মধ্যেই ভেঙে পড়বে, কিন্তু বাস্তবে এখন তাদের ইরানকে ঘিরে থাকা অঞ্চলের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি থেকে সৈন্য সরিয়ে নিতে হবে এবং নিজেদের অপরাধের মূল্যও দিতে হবে।

‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ নাম মুবারক উনার খুছূছিয়াত মুবারক এবং সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও জাদ্দাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বেমেছাল ফযীলত মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ (৩)
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত শান মুবারক—এ ইরশাদ মুবারক করেন,
اَسْرٰى بِعَبْدِهٖ لَيْلًا.
অর্থ: “(মহান আল্লাহ পাক) তিনি উনার আব্দ অর্থাৎ হাবীব (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনাকে রাতের সামান্য সময়ের মধ্যে ইসরা অর্থাৎ ভ্রমণ করিয়েছেন।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা বানী ইসরাঈল শরীফ : সম্মানিত আয়াত শরীফ ১)
আর এখান থেকে এই বিষয়টিও অত্যন্ত সুস্পষ্ট যে, মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং জাদ্দাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাত্বিমাহ বিনতে ‘আমর আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের বেমেছাল সম্মানিত তায়াল্লুক—নিসবত মুবারক থাকার কারণেই উনাদের পক্ষে সম্ভব হয়েছে, উনাদের মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিস সালাম উনার ‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ সম্মানিত ও পবিত্র ইসম বা নাম মুবারক রাখা। সুবহানাল্লাহ!

‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ নাম মুবারক উনার খুছূছিয়াত মুবারক এবং সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও জাদ্দাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বেমেছাল ফযীলত মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ (২)
একদিক থেকে ‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ সম্মানিত ও পবিত্র ইসম বা নাম মুবারক উনার অর্থ মুবারক হচ্ছেন— ‘মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ অনুগত বান্দা, মাহবূব ব্যক্তিত্ব মুবারক, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব’। অপরদিকে সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে প্রিয় ও পছন্দনীয় নাম মুবারক হচ্ছে, ‘আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান’। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত ও পবিত্র ইসম বা নাম মুবারক ‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ হওয়ার মাধ্যম দিয়েই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক কত বেমেছাল। সুবহানাল্লাহ! তিনি যে মহান আল্লাহ পাক উনার আখাছ্ছুল খাছ মাহবূব ব্যক্তিত্ব মুবারক ছিলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছিলেন সেটা উনার ‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ সম্মানিত ও পবিত্র ইসম বা নাম মুবারাক দ্বারাই স্পষ্ট হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ! যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত যাকারিয়া আলাইহিস সালাম উনার শান মুবারক—এ ইরশাদ মুবারক করেছেন,
ذِكْرُ رَحْمَتِ رَبّـِكَ عَبْدَهٗ زَكَرِيَّا
অর্থ: “আপনার রব মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহের বিবরণ, উনার আব্দ অর্থাৎ খাছ অনুগত বান্দা, মাহবূব ব্যক্তিত্ব মুবারক হযরত যাকারিয়া আলাইহিস সালাম উনার প্রতি।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা মারইয়াম শরীফ : সম্মানিত আয়াত শরীফ ১)
আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
قَالَ اِنّـِــىْ عَبْدُ اللهِ
অর্থ: “(হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম) তিনি বলেন, নিশ্চয়ই আমি ‘আব্দুল্লাহ’ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ অনুগত বান্দা, মাহবূব ব্যক্তিত্ব মুবারক।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা মারইয়াম শরীফ : সম্মানিত আয়াত শরীফ ৩০)

‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ নাম মুবারক উনার খুছূছিয়াত মুবারক এবং সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও জাদ্দাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বেমেছাল ফযীলত মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ (১)

‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ সম্মানিত ও পবিত্র ইসম বা নাম মুবারক উনার অর্থ মুবারক হচ্ছেন— ‘মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ অনুগত বান্দা, মাহবূব ব্যক্তিত্ব মুবারক, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব’। সুবহানাল্লাহ!
আরবী অভিধান ও নাহু—ছরফের বিশ্বখ্যাত ইমাম মুহম্মদ ইবনে ক্বাসিম ইবনে মুহম্মদ ইবনে বাশ্শার আবূ বকর আম্বরী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ: ৩২৮ হিজরী) তিনি ‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ নাম মুবারক উনার অর্থ মুবারক বর্ণনা করতে যেয়ে বলেন,
اَلْعَبْدُ الْـخَاضِعُ لِلّٰهِ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগত বান্দা।” সুবহানাল্লাহ! (সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ ১/২৪৪)
আর সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اَحَبَّ الْاَسْـمَاءِ اِلَـى اللهِ عَبْدُ اللهِ وَعَبْدُ الرَّحْمٰنِ.
অর্থ: “হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সর্বাধিক প্রিয় ও পছন্দনীয় নাম মুবারক হচ্ছেন, আব্দুল্লাহ এবং আব্দুর রহমান।” সুবহানাল্লাহ! (মুসলিম শরীফ, আবূ দাঊদ শরীফ, তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, সুনানে দারিমী শরীফ, আল আদাব লিইবনে আবী শায়বাহ)

ওয়ালিদুর রসূল, সাইয়্যিদুল বাশার, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, নূরে মুয়াজ্জাম, নূরে এলাহী, মালিকুল জান্নাহ, আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত জীবনী মুবারক (৩১)
সম্মানিত রওযা শরীফ:
সম্মানিত আবওয়া শরীফ।
সম্মানিত আওলাদ:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত দ্বীন:
সাইয়্যিদুনা হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত দ্বীন অর্থাৎ দ্বীনে হানীফ। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক উসীলায় মালিকুল জান্নাহ, আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত জীবনী মুবারক জানার, বুঝার উলব্ধি করার এবং উনার প্রতি বিশুদ্ধ হুসনে যন পোষণ করার তাওফীক্ব দান করুন এবং উনার সম্মানার্থে ইহক্বাল—পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী নছীব করুন। আমীন।

ওয়ালিদুর রসূল, সাইয়্যিদুল বাশার, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, নূরে মুয়াজ্জাম, নূরে এলাহী, মালিকুল জান্নাহ, আবূ রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত জীবনী মুবারক (৩০)
দুনিয়ার যমীনে অবস্থান মুবারক:
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সর্বাধিক বিশুদ্ধ অভিমত হচ্ছে— সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি ২৫ বছর ৬ মাস দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত অবস্থান মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!