হে ,বাংলার মুসলিম ভাইয়েরা
তোমরা শুনে রাখ!
আজ যদি তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারেন তাহলে আগামীর সময় হবে আপনার মা,বোন স্ত্রী সন্তান হি-ন্দুদের মনোরঞ্জনের পাএ নাউজুবিল্লাহ। যেভাবে মুনাফিকদের কারনে ব্রিটিশরা এই দেশ ২০০ বছর শাসন করেছিল এখন সিদ্ধান্ত আপনার। আপনি কি এখন আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুসলমানদের মত বাঁচতে সাহায্য করবেন ,নাকি হিন্দুদের গোলামী করার জন্য রেখে যাবেন?
কাফের মুশরেক মুসলমানদের প্রকাশ্য শত্রু:-

> إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوهُ عَدُوًّا ۚ إِنَّمَا يَدْعُو حِزْبَهُ لِيَكُونُوا مِنْ أَصْحَابِ السَّعِيرِ
“নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের শত্রু, সুতরাং তোমরা তাকে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ কর। সে তো তার দলকে আহ্বান করে যাতে তারা জাহান্নামের সঙ্গী হয়।”
📖 সূরা ফাতির, আয়াত ৬

➡️ শয়তান কাফের-মুশরিকদের নেতৃত্ব দেয়, তাই তারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে শত্রুতায় লিপ্ত।

১. ইহুদি ও খ্রিস্টানদের বন্ধুরূপে গ্রহণের নিষেধাজ্ঞা

> يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَىٰ أَوْلِيَاءَ... وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদি ও খ্রিস্টানদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না... আর তোমাদের মধ্য থেকে যে তাদেরকে বন্ধু বানাবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে।”
📖 সূরা মায়েদা, আয়াত ৫১

➡️ মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফের-মুশরিকরা চিরকাল ষড়যন্ত্র করে।

২. তাদের বিদ্বেষ গোপন নয়

> قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ
“তাদের মুখ থেকে যে বিদ্বেষ বের হয় তা তো প্রকাশ পেয়েছে, আর তাদের অন্তরে যা গোপন করে তা আরও বড়।”
📖 সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১১৮


৩. তারা কখনো মুসলমানের মঙ্গল কামনা করে না

> وَدَّ كَثِيرٌ مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَرُدُّونَكُم مِّن بَعْدِ إِيمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِّنْ عِندِ أَنفُسِهِمْ
“কিতাবীদের অনেকেই চায়, তোমাদের ঈমান আনার পর আবার কাফের বানিয়ে দিতে—তাদের অন্তরের হিংসা থেকে।”
📖 সূরা বাকারা, আয়াত ১০৯

4 hrs

ভুল কি তবে এতো বেশি, দয়ার তুলনায় খুব প্রকট।

3 hrs

রংপুরের যেই জমিতে মন্দির বানানো হচ্ছে তার নিচে হাজারো বছরের পুরনো মসজিদের চিহ্ন পাওয়া গেছে।তাই আমাদের মুসলমানদের দাবি সে মন্দির বা মূর্তি ভেঙে মসজিদ পুনরায় স্থাপন করা।

1 h

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাফেজে কোরআন চিফচি:
আমরা যেমন দামেস্ক, আলেপ্পো এবং কারাবাখের মুক্তি দেখেছি, ইনশাআল্লাহ, একদিন আমরা জেরুজালেমের মুক্তিও দেখব।

যখন আমি গভর্নর ছিলাম, তখন সর্বশক্তিমানের কাছে আমার একটি আন্তরিক প্রার্থনা ছিল। একটি প্রার্থনা যা আমি আমার অন্তরের গভীরে লালন করেছি:

হে প্রভু, আমাকে জেরুজালেমের গভর্নরের পদ দান করুন, যদিও তা মাত্র একদিনের জন্য হয়।

আমি এখনও বিশ্বাস করি যে সর্বশক্তিমান আমাদের সেই দিনগুলো দেখাবেন। তিনি অবশ্যই আমাদের তা দেখাবেন। আমি আমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে এটি বিশ্বাস করেছি এবং এখনও বিশ্বাস করি। অতীতের মতোই, সেই ভূমিগুলো আবারও আমাদের হবে। ইনশাআল্লাহ, সেগুলো আবারও আমাদের শাসন ও কর্তৃত্বের অধীনে আসবে।

কারণ আমাদের নেতৃত্বে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের মতো একজন বিশ্বনেতা আছেন। একজন বিশ্বনেতা।

মজলিশের আদব
-------------------
সম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ
মুবারক করা হচ্ছে,
দুই শ্রেণীর লোক ছাড়া কেউ সম্মানিত কুরআন হাদীছ বুঝবে না।
ইন্নাফি যালিকা লা যিকরো লিমান কানা মা কলবুন আউওয়ালকা শামাওয়াল শাহিদ।

ইন্নাফি যালিকা লা যিকরো
যারা উপস্থিত থাকবে, অনন্ত মনোযোগের সাথে শুনবে তারা বুঝবে।
কারন মনোযোগের সাথে যখন সে শুনবে
তখন তার প্রতি রহমত বর্ষিত হবে।
আর রহমত বর্ষিত হলে তার ধারন করাটা সহজ হবে।
আর যখন সে গাফেল হয়ে যায় তখন
সে রহমত থেকে বন্চিত হয়ে যায়।
তখন সে আর ধারন করতে পারে না।

এ জন্য আদব হচ্ছে জুমুআর খুতবা হোক,
নছিহতের সময় হোক,
তালিমের সময় হোক।
সব সময় মনোযোগের সাথে শুনতে হবে।

Anamul shared a post  
1 h

3 hrs

আফতাবে মামদুহ আলোকে --

❤️" কারবালা উনার উপর পাঠচক্র"
❤️ " কারবালা উনার উপর পাঠচক্র "
❤️" কারবালা উনার উপর পাঠচক্র "

❤️হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত ধারণ করার জন্য, হক্বে ইস্তেকামত থাকার জন্য আমাদেরকে হাদিয়া করা হয়েছে -
🌹" কারবালা উনার উপর পাঠচক্র "🌹
সুবহানা মামদূহ আক্বা ক্বিবলা ক্বাবা সুলতানুন নাছির আলাইহিস সালাম ওয়া আহলে মামদূহ আলাইহিমুস সালাম!
💐এ বছর পবিত্র আশূরা শরীফ আসতে আরমাত্র ১৯ দিন বাকি।
ঢাকাস্থ, সারাদেশের,সারা বিশ্বের সবাইকে জানানো যাচ্ছে যে,
আজকে থেকে আপনারা  আপনাদের ঘরে,পাড়া-মহল্লায়,নিজ কর্মস্হলে,ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে পবিত্র আশূরা শরীফ আসার আগ পর্যন্ত পরিবারের সবাইকে নিয়ে, পরিচিত সবাইকে নিয়ে আলোচনা করুন- " কারবালা উনার উপর পাঠচক্র। "
" কারবালার হ্রদয় বিদারক ইতিহাস "কিতাব মুবারক ও পবিত্র আশূরা শরীফ উনার রেসালা সংগ্রহ করুন -" ❤️আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র (সারা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান উনাদের আস্থার শতভাগ সুন্নত মুবারক) থেকে। ❤️

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাফেজে কোরআন চিফচি:
আমরা যেমন দামেস্ক, আলেপ্পো এবং কারাবাখের মুক্তি দেখেছি, ইনশাআল্লাহ, একদিন আমরা জেরুজালেমের মুক্তিও দেখব।

যখন আমি গভর্নর ছিলাম, তখন সর্বশক্তিমানের কাছে আমার একটি আন্তরিক প্রার্থনা ছিল। একটি প্রার্থনা যা আমি আমার অন্তরের গভীরে লালন করেছি:

হে প্রভু, আমাকে জেরুজালেমের গভর্নরের পদ দান করুন, যদিও তা মাত্র একদিনের জন্য হয়।

আমি এখনও বিশ্বাস করি যে সর্বশক্তিমান আমাদের সেই দিনগুলো দেখাবেন। তিনি অবশ্যই আমাদের তা দেখাবেন। আমি আমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে এটি বিশ্বাস করেছি এবং এখনও বিশ্বাস করি। অতীতের মতোই, সেই ভূমিগুলো আবারও আমাদের হবে। ইনশাআল্লাহ, সেগুলো আবারও আমাদের শাসন ও কর্তৃত্বের অধীনে আসবে।

কারণ আমাদের নেতৃত্বে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের মতো একজন বিশ্বনেতা আছেন। একজন বিশ্বনেতা।

মজলিশের আদব
-------------------
সম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ
মুবারক করা হচ্ছে,
দুই শ্রেণীর লোক ছাড়া কেউ সম্মানিত কুরআন হাদীছ বুঝবে না।
ইন্নাফি যালিকা লা যিকরো লিমান কানা মা কলবুন আউওয়ালকা শামাওয়াল শাহিদ।

ইন্নাফি যালিকা লা যিকরো
যারা উপস্থিত থাকবে, অনন্ত মনোযোগের সাথে শুনবে তারা বুঝবে।
কারন মনোযোগের সাথে যখন সে শুনবে
তখন তার প্রতি রহমত বর্ষিত হবে।
আর রহমত বর্ষিত হলে তার ধারন করাটা সহজ হবে।
আর যখন সে গাফেল হয়ে যায় তখন
সে রহমত থেকে বন্চিত হয়ে যায়।
তখন সে আর ধারন করতে পারে না।

এ জন্য আদব হচ্ছে জুমুআর খুতবা হোক,
নছিহতের সময় হোক,
তালিমের সময় হোক।
সব সময় মনোযোগের সাথে শুনতে হবে।

⚖️ সমাজের প্রশ্ন—আইন নাকি নৈতিকতার অন্ধতা?
আইন পেশা নিঃসন্দেহে একটি পবিত্র ও দায়িত্বশীল পেশা। কিন্তু প্রশ্ন হলো—সব কিছু কি শুধু “আইনগত অধিকার” বললেই শেষ হয়ে যায়?
যখন একটি জাতি আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি, রমনা বটমূল বোমা হামলার মতো হৃদয়বিদারক ঘটনায় বারবার কেঁপে ওঠে, তখন সেই মামলাগুলো নিয়ে সমাজের অনুভূতি, নৈতিকতা ও মানবিকতার জায়গা কোথায় দাঁড়ায়?
একই ব্যক্তির এমন বহু আলোচিত ও ভয়াবহ ঘটনার আসামিপক্ষের আইনি লড়াইয়ে নিয়মিত উপস্থিতি—এটি জনমনে প্রশ্ন তৈরি করে: 👉 এটি কি শুধুই পেশাগত দায়িত্ব? 👉 নাকি নৈতিক অবস্থান নিয়ে সমাজের নতুন করে ভাবার সময় এসেছে?
আইন সবার জন্য সমান—এটা সত্য। কিন্তু ন্যায়বিচারের পাশাপাশি নৈতিকতার প্রশ্নও সমাজ এড়িয়ে যেতে পারে না।
একটি সভ্য সমাজ শুধু আইনের কাঠামো দিয়ে নয়, ন্যায়, মানবতা ও নৈতিকতার ভারসাম্য দিয়েই টিকে থাকে।