image

image

image

মহাসম্মানীত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে ও মুহব্বতে খুশি প্রকাশ করে খরচ করার ফজিলত(৬)
(مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ -=-شَفِيْعًا يَّوْمَ الْقِيَامَةِ)

(فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْـرٌ مِّـمَّا يَـجْمَعُوْنَ)

চিরস্থায়ী ফলাফল। কোন ক্ষয় নেই।
উদাহরণ। আবু লাহাব (বৃদ্ধাঙ্গুলীর মধ্য দিয়ে শীতল পানি পান)
এ প্রসঙ্গে আরো উল্লেখ আছে যা বিশ্বখ্যাত ঐতিহাসিক আল্লামা হযরত ইয়াকুব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘তারিখী ইয়াকুবী’ গ্রন্থের ১ম খ-, ৩৬২ পৃষ্ঠায় লিখেন-
قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَيْتُ أَبَا لـَهَبٍ فـِي النَّارِ يَصِيحُ العَطَشُ العَطَشَ فَيَسْقِي مِنْ الـمَـاءِ فـِي نَقْرِ إِبْـهَامِهِ فَقَلَتْ بـِمَ هَذَا فَقَالَ بعتقى حَضَرَتْ ثُوْيبَةَ عَلَيْهَا السَّلَامَ لِأَنّـَهَا أَرْضَعَتْكَ.
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, আমি আবু লাহাবকে দেখেছি জাহান্নামের আগুনে নিমজ্জিত অবস্থায় চিৎকার করে বলছে, পানি দাও! পানি দাও!! অতঃপর তার বৃদ্ধাঙুলীর গিরা দিয়ে পানি পান করানো হচ্ছে। আমি বললাম, কি কারণে এ পানি পাচ্ছো? আবু লাহাব বললো, আপনার বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে হযরত সুয়াইবা আলাইহাস সালাম উনাকে মুক্ত করার কারণে এই ফায়দা পাচ্ছি। কেনোনা তিনি আপনাকে দুধ মুবারক পান করিয়েছেন।”
৩) সর্বজনীন:
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খুশি মুবরাক প্রকাশ করার আমল সার্বজনীন, সর্বকালীন, সর্বপাত্রীয়। এই বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ
অর্থ: “আমি আপনাকে সারা আলম-এর জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।” (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৭)
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন অর্থাৎ ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন তথা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য খুশি মুবারক প্রকাশ করার যে আমল তার প্রতিদান চিরস্থায়ী মুসলমান, ঈমানদার উনাদের জন্য তো অবশ্যই এমন কি কাফিরদের জন্যও সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের প্রতিদান চিরস্থায়ী। তাদের জন্যও উপকারী।
পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে মিলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকল ধর্মের সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য। ইহা এমন একটি দিবস, যে দিবস যদি কোন কাফির পালন করে তাহলে সেও এর বদলা পরকালেই পাবেই পাবে। যার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হল আবু লাহাব।
আমরা সবাই কাট্টা কাফির চির জাহান্নামী আবু লাহাব এর নাম সবাই জানি । দীর্ঘ এক যুগ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দেওয়ার কোশেশ করেছিল । যার সম্পর্কে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সুরা লাহাব নাযিল করেছিলেন। অথচ সেই আবু লাহাব জাহান্নামে থেকেও প্রতি ইছনাইন শরীফ বিশেষ ব্যবস্থায় আযাব লাঘব হয়।
মুহতারাম মহাপবিত্র ৯০ দিনব্যাপী আজীমুশ্বান সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়াদ শরীফ মাহফিল - আজ ৩৮তম দিন।তাবারুকে হাদিয়া করুন: ১২০০ /১২০০০/ ১২০০০০+
সরাসরি শুনুন:http://Sm40.com
01739466730 বিকাশ এজেন্ট

‘এক নাম্বার আক্বীদাহ্ হচ্ছে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সৃষ্টির কারো মতো নন’

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন, মুত্বহ&হার, মুত্বহ&হির, আছ ছমাদ, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের দ্বিতীয় স্তর মুবারক-এ হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনারা সৃষ্টির কারো মতো নন| এই আক্বীদাহ পোষণ করতে হবে| এইটা হলো- এক না¤^ার আক্বীদাহ| এক না¤^ার আক্বীদাহ হচ্ছে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সৃষ্টির কারো মতো নন| এই বিষয়টা বুঝার জন্য তাহলে কিছু কথা বলার দরকার রয়েছে| উনারা আমাকে বলেছেন- এই কথাগুলি বলার জন্য| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি ফিক্বির করতেছিলাম কিভাবে শুরু করা যেতে পারে| উনারা বললেন,
وَاَمَّا بِـنِعْمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثْ
‘তোমাদেরকে যে নিয়ামত মুবারক দেয়া হয়েছে, সেটা তোমরা প্রকাশ করো|’ সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা দ্বোহা শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১১)
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ দিয়ে শুরু করতে| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ দিয়েই আমি শুরু করেছি| উনাদের খুছূছিয়াত-বৈশিষ্ট্যগুলি বলার জন্য বলেছেন, সেজন্য আমি বলতেছি| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনাদের খুছূছিয়াত-বৈশিষ্ট্য মুবারক সম্পর্কে মানুষ নিহায়াতই অজ্ঞ| উনাদের শান-মান- উনারা একক| যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন একক, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একক, একইভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা প্রত্যেকেই একক| উনারা কারো মতো নন| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
দ্বিতীয় হচ্ছে- উনারা পবিত্র থেকে পবিত্রতম এবং পবিত্রতা দানকারী| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
আর তৃতীয় হচ্ছে- উনাদের সম্পর্কে সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ হুসনে যন পোষণ করতে হবে| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
চতুর্থত বলা হচ্ছে- যদি কেউ উনাদের শান মুবারক সম্পর্কে চূ-চেরা, ক্বীল-ক্বাল করে, তার জিহ্বা কেটে দিতে হবে এবং তাকে অবশ্যই অত্যন্ত কঠিনভাবে কুচি কুচি করে, টুকরা টুকরা করে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে|” সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তাহলে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার কত বেমেছাল সম্মানিত তা‘য়াল্লুক্ব-নিসবত মুবারক, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে| এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন তিনি| সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে হাক্বীক্বী ছহীহ সমঝ, বিশুদ্ধ আক্বীদাহ ও হুসনে যন মুবারক দান করুন| আমীন!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহাসম্মানিত বুছা মুবারক দেয়া

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার ১লা রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতুল আরবিয়া শরীফ (বুধবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক উনার সম্মানিত আলোচনা মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যিনি হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম উনাদের সম্মানার্থে এই ইন্তেজাম| ¯^য়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেও এই ইন্তেজামে সন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করে থাকেন| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যেটা আমি বলেছি যে, আসলে সম্মানিত মাহফিল উনার শান-মান, ফাযাইল-ফযীলত একটা কল্পনাতীত বিষয়| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা যাহিরী ছূরতে এখানে সামান্য ইন্তেজাম করে যাচ্ছি, কিন্তু হাক্বীক্বী বাতিনী ছূরতে ¯^য়ং যিনি খ¦ালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং সমস্ত কায়িনাত সকলেই বিশেষ ইন্তেজাম করে যাচ্ছেন| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনাদের রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক যে কতটুকু সেটা ভাষা দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব নয়| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তবে একটা কথা আমি বলবো, সেটা হচ্ছে- যখন এই বৎসর তার আগের বৎসর তার আগের বৎসর (১৪৩৯ হিজরী শরীফ উনার) যিলহজ্জ শরীফের ১২ই শরীফ জুমু‘আহ& শরীফে যিনি সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল আলামীন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম উনাদের আলোচনা করেছিলাম| সে আলাচনা মুবারক শুনে যিনি উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি তখন অত্যন্ত সন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করে আমার কপাল মুবারক-এ বুছা মুবারক দিয়ে জড়িয়ে ধরে তিনি অত্যন্ত খুশী মুবারক প্রকাশ করেছেন| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আজকেও কিন্তু ঠিক এরকমই যখন ছলাতুল মাগরিব উনার নামায আদায় করতেছিলাম শেষের রাকাতে নামায প্রায় শেষ হবে সালাম ফিরানোর পূর্বে আমি দেখতে পেলাম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম উনারা দুইজন দুই পাশ থেকে এসে একইভাবে উনারা আমাকে এভাবে বুছা মুবারক দিলেন| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এবং অত্যন্ত সন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করতেছেন|” সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তাহলে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে আখাছ&ছুল খাছভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম উনাদের সাথে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার কত বেমেছাল মহাসম্মানিত তা‘য়াল্লুক্ব-নিসবত মুবারক, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে| এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন তিনি| সুবহানাল্লাহ!

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের দায়েমীভাবে এমন মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক রয়েছেন যেখানে সৃষ্টির কারো কোনো স্থান সঙ্কুলান হয় না

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম,মুত্বহ&হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার ২৬শে জুমাদাল উখরা শরীফ জুমু‘আহ& শরীফ উনার সম্মানিত আলোচনা মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদুনা হযরত যায়েদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি‘আহ& আলাইহাস সালাম উনার জুদায়ীর বিষয়টি ফায়ছালা করে নিলেন| এরপর যিনি খ¦ালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জানিয়ে দিচ্ছেন,
زَوَّجْنٰكَهَا
‘আমি আপনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি‘আহ& আলাইহাস সালাম উনার সাথে নিসবতে ‘আযীম শরীফ সম্পন্ন মুবারক করে দিলাম|’ সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
বিষয়টা যখন আমি (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৩শে জুমাদাল উখরা শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি‘আহ& আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উপলক্ষে মহাসম্মানিত মাহফিল মুবারক-এ) আলোচনা করতেছিলাম, তখন তিনি আমাকে জানালেন, আমরা যে বলেছি-
لِـىْ وَلَنَا مَعَ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ وَقْتٌ لَّا يَسْعٰنِـىْ فِـيْهِ مَلَكٌ مُّـقَرَّبٌ وَلَا نَبِـىٌّ مُّرْسَلٌ
‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আমার এবং আমাদের এমন একটি সময় রয়েছে, অর্থাৎ দায়েমীভাবে এমন নিছবত মুবারক রয়েছেন যেখানে কোনো ˆনকট্যপ্রাপ্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের এবং হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের স্থান সঙ্কুলান হয় না|’ সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা হচ্ছে সেটা| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তারপর তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উনাদের মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক বিষয়ে বললেন যে, আমাদেরকে সেভাবেই সৃষ্টি মুবারক করা হয়েছে| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যিনি খ¦ালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে উনার সাথে সেভাবেই মহাসম্মানিত নিসবত মুবারক স্থাপন করে দিয়েছেন|” সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তাহলে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার কত বেমেছাল মহাসম্মানিত তা‘য়াল্লুক্ব-নিসবত মুবারক, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে| এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন তিনি| সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে হাক্বীক্বী ছহীহ সমঝ, বিশুদ্ধ আক্বীদাহ ও হুসনে যন মুবারক দান করুন| আমীন!

উম্মু আবীহা, আন নূরুর রবি‘য়াহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাকরীর মুবারক তথা অত্যন্ত খুশি মুবারক প্রকাশ

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম,মুত্বহ&হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার ২০শে জুমাদাল উখরা শরীফ লাইলাতুস সাব&ত শরীফ (শনিবার রাত্র) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরুর রবি‘য়াহ& হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মূল| উনার থেকেই সবাই আসছেন| উনার সাথে আমাদের একটা সম্পর্ক আছে| যেহেতু নসবগত দিক থেকে| আমি অনেক দিনই কোশেশ করেছি উনার সাথে কিছু বলার| সহজে কোনো জবাব দেন না| উনি ডানে অর্থাৎ হযরত নূরুছ ছালিছাহ& আলাইহাস সালাম উনাকে দেখিয়ে দেন অথবা উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে দেখিয়ে দেন, কথা বলার জন্য| একবার আমি নূরুর রবি‘য়াহ& হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনাকে হুযনী শান মুবারক-এ অর্থাৎ খুব চিন্তিত দেখলাম| বিশেষ করে উনার দুই আওলাদ আলাইহিমাস সালাম উনাদেরকে শহীদ করা হয়েছে, উনি বদলা নেয়ার জন্য খুব চিন্তিত| তখন আমি উনাকে বললাম, যদি উনাদের বদলা নেয়া হয়, তাহলে কি আপনি খুশি হবেন? তখন তিনি তাবাস&সুমী শান মুবারক প্রকাশ করলেন| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরপর থেকে তিনি কথা বলেন| এই যে এখন বদলা নেয়া হচ্ছে| কাফ&ফারা আদায় করা হচ্ছে| জাররা জাররা আদায় করা হবে| তিনি খুশি হয়ে গেলেন| কাফিররা বাঁচতে পারবে না| তিনি অত্যন্ত খুশি হয়ে গেলেন| কাজেই কাফেরদের অবস্থা আরো করুণ হবে| কাফির-মুশরিকদের দুনিয়ার যমীনে থাকার অধিকার নেই| তারা অবশ্যই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে|” সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তাহলে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার কত বেমেছাল মহাসম্মানিত তা‘য়াল্লুক্ব-নিসবত মুবারক, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে| এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন তিনি| সুবহানাল্লাহ!

Read Less

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ত্বহারত-ছমাদিয়াতের মাক্বাম মুবারক উনাদের বর্ণনা মুবারক

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৩৯ হিজরী শরীফ উনার ১০ই শাওওয়াল শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার রাত) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ মক্ববূল মুনাজাত শরীফ উনার পর ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদেরকে আমি অনেক কিছু বলি; কিন্তু আমার কথা সবকিছু তোমরা বুঝ না| আমার কথাগুলো বুঝতে হবে|
তোমাদেরকে একটা ঘটনা আমি বলছিলাম একবার| এই জুমাদাল উখরা শরীফ-এ ৮/৯ তারীখে|
বুঝতে পারলে ঈমান ঠিক থাকবে| আর বুঝতে না পারলে ঈমান নষ্ট হয়ে মুনাফিক্ব হতে হবে| দুইটার একটা|
আমি দেখতে পেলাম যে, যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে অনেকগুলো নি‘য়ামত মুবারক হাদিয়া করেছেন| সুবহানাল্লাহ! এখন এটার দায়িত্ব দিয়েছেন| আমি বললাম যে, আমি কি দুই রাকা‘আত নামায পড়বো মহান আল্লাহ পাক! মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন যে, না| এখন পড়লে রিয়া হবে| আচ্ছা; ঠিক আছে| আমি আর পড়লাম না| আমি জানতে চাইলাম যে, রিয়াটা কী তাহলে? তাহলে কঠিন বিষয়! যাক; অনেকদিন গেলো| এখন রিয়াটা কি তাহলে? সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ উনার ৮ তারীখ| নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা আছেন| মহান আল্লাহ পাক তিনি বলতেছেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি একটা নিয়ত নিলেন| একটা বিশুদ্ধ নিয়ত| পানি দিয়ে যেমন ছড়ায় দিয়ে বাছাই করে, ময়লা পরিষ্কার করা হয়| মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, বিশুদ্ধ নিয়ত একজনের| এর মধ্যে রেশায় রেশায় কিছু রিয়া| অনেক বিশুদ্ধ নিয়ত|
এরপর আমাকে নিয়ে গেলেন এক জায়গায়| এই যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা-
اَنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَـقُوْلُ نَـحْنُ اَهْلُ بَـيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَةِ النُّـبُـوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَـةِ وَمُـخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَـيْتِ الرَّحْـمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন| আমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম| সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালাত মুবারক উনার স্থান, বিভিন্ন ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের, উনাদের দ্বারা সম্মানিত খিদমত মুবারক, সম্মানিত রহমত মুবারক উনার ঘর মুবারক এবং সম্মানিত ইলিম মুবারক উনার খনি মুবারক (ইত্যাদি সমস্ত কিছু) থেকে পবিত্র রেখেছেন, ছমাদ তথা বেনিয়ায (অমুখাপেক্ষী) করেছেন|’ সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে দুররে মানছূর লিস সুয়ূত্বী ৬/৬০৬, তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম ৯/৩১৩৩)
এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হচ্ছে যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সমস্ত কিছু থেকে পবিত্র রাখা হয়েছে|
একখানে নিয়ে গেলেন| এখন হুজরা শরীফ বলি, আর একটা স্থান বলা হোক বা একটা মাক্বাম মুবারক| একটা মাক্বাম মুবারক-এ নিয়ে গেলেন আমাকে| আসলে এই মাক্বাম মুবারকখানা হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে সরাসরি হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের, হযরত আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের, উনাদের উপরে আছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা, উনাদের উপরে আছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি| উনাদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে মাক্বাম মুবারকখানা| এই মাক্বাম মুবারকখানা হচ্ছেন ছমাদিয়াতের মাক্বাম মুবারক এবং ত্বহারতের মাক্বাম মুবারক| সুবহানাল্লাহ! যখন সেখানে আমি প্রবেশ করলাম, তখন দেখলাম যে, মনে হলো আসলেই- রিয়া এবং সমস্ত বদ মুহলিকাত সমস্ত কিছু শূন্য এই জায়গাটা, পরিষ্কার| এর বাইরে আসলেই নানান জিনিষ সংযোগ হয়| মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, এই মাক্বাম মুবারক-এ প্রবেশ করতে না পারলে, কখনও পরিপূর্ণ শুদ্ধ হবে না| কিন্তু দেখলাম যে, মাক্বাম মুবারক-এ প্রবেশ করার মতো একজনও লোক নাই| মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে হযরত আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা এবং হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা এবং উনাদের উপরে যাঁরা আছেন, শুধু উনারাই আছেন| তখন এই বিষয়টা আমাকে বুঝানো হলো যে, লাইলাতুল লাবানের যে সংশ্লিষ্ট বিষয়টা, এটা আসলে অনেক কঠিন বিষয়| হাক্বীক্বী ইছলাহের ঐ মাক্বাম মুবারক, যেটা ছমাদিয়াত ও ত্বহারতের মাক্বাম| মুত্বহ&হার, মুত্বহহির যে বলা হয়, ঐ মাক্বাম মুবারক-এ না পৌঁছা পর্যন্ত পরিপূর্ণ ইছলাহ& কখনও সম্ভব না| সুবহানাল্লাহ!
উনারা যে ছমাদ| মহান আল্লাহ পাক তিনি ছমাদ, বেনিয়ায| মহান আল্লাহ পাক উনার তো আছেনই| নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের আসলে এই মাক্বাম মুবারকখানা| এই মাক্বাম মুবারক উনার মধ্যে ছমাদিয়াতের সাথে ত্বহারতের সংযুক্ততা আছে| এই মাক্বাম মুবারক-এ না পৌঁছা পর্যন্ত রিয়া হোক, কিনা হোক যা কিছু আছে সমস্ত মুহলিকাত থেকে পরিপূর্ণ ইছলাহ& হাছিল করা কখনও সম্ভব না| সুবহানাল্লাহ!
এটার মূল মালিকই হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা| সুবহানাল্লাহ! এখন যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তো আছেনই এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম তিনি এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আছেন| এরপর হযরত আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা এবং হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা আছেন| সুবহানাল্লাহ! উনাদের থেকে নূর মুবারক ঝরতেছেন| দেখা গেলো- পুরো কামরাটা নূরে নূরানী| সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত ও পবিত্র মি’রাজ শরীফ-এ যে বলা হয়েছিলো যে, আপনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শরাফাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র না’লাইন শরীফ) উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ফখর মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ধূলি-বালি মুবারক) দ্বারা আরশে আযীম শরীফ সম্মানিত হবেন, এটা এ রকমই| সুবহানাল্লাহ! উনাদের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাসসাম মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক) অন্য যা কিছু রয়েছেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শরাফাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র না’লাইন শরীফ) থেকে সবসময় দায়িমীভাবে সম্মানিত নূর মুবারক ঝরতেছেন| সুবহানাল্লাহ! এই ঘরটা পুরো ঘেরাও করা| এই মাক্বাম মুবারক উনার মধ্যে প্রবেশ না করা পর্যন্ত সমস্ত কিছু থেকে পবিত্রতা হাছিল করা কখনও সম্ভব না| যতই ইছলাহ& হোক, কিছুটা.. থাকবে| এই মাক্বাম মুবারকখানা উনাদের খাছ মাক্বাম মুবারক| ঐখানে যদি কেউ প্রবেশ করতে পারে, তাহলে মুহলিকাতের আর কোনো কিছু থাকবে না| ছমাদিয়াত এবং ত্বহারত দুইটা একসাথে সংযুক্ত| প্রথমে আমাকে বলা হলো যে, ছমাদিয়াত| পরে জানানো হলো যে, না এটার সাথে ত্বহারতেরও সংযোগ আছে| উনারা যে মুত্বহহার, মুত্বহহির- সমস্ত কিছু থেকে উনারা ছমাদ| এই জিনিষটাই এটা|” সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাই বলেছেন উনাদের মহাসম্মানিত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক আলোচনা করার জন্য

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪১ হিজরী শরীফ উনার ১২ই জুমাদাল উখরা শরীফ জুমু‘আহ& শরীফ-এ আলোচনা মুবারক উনার শুরুতে ইরশাদ মুবারক করেন, “আজকের খুৎবা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনাদের খুছূছিয়াত-ˆবশিষ্ট্য, ফযীলত আমরা অতীতে অনেক আলোচনা করেছি| গত কয়েক সপ্তাহ আলোচনা করা হয়েছে এবং আজকে একটি বিশেষ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে| বিষয়গুলো একদিক থেকে যাহিরীভাবে, আরেকদিক থেকে বাতিনীভাবে কতগুলো বিষয় রয়েছে, মাসআলা রয়েছে, যেগুলো কোনো যাহিরী কিতাবে পাওয়া কখনও সম্ভব নয়| একমাত্র উনাদের মহাসম্মানিত ছোহবত মুবারক, নিসবত মুবারক হাছিল করার মাধ্যম দিয়ে সেটা হাছিল করা সহজ এবং সম্ভব| আমরা অতীতে ‘সম্মানিত ও পবিত্র সূরা তাহ&রীম শরীফ’ উনার আলোচনা করেছি এবং গত সপ্তাহে এর আগের সপ্তাহেও আলোচনা করেছি| তবে একটি বিষয় ফিকিরের জন্য| আম মানুষ বুঝতে নাও পারে| তবে যারা ফিকির করবে, তারা বুঝতে পারবে| গত ১ সপ্তাহ আমি রূহানীভাবে (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম) উনাদের সাথে যে (বিশেষ) নিসবত মুবারক, ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করেছিলাম, এক সেকেন্ডের তরে আমি জুদা হইনি| সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কাজেই, উনাদের তরফ থেকে যেই ইলমে লাদুন্নী মুবারক যাহির হচ্ছেন, সেখান থেকে সে বিষয়টি সংগ্রহ করা|” সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি আলোচনা মুবারক শেষ করার সময় ইরশাদ মুবারক করেন, “আমরা আবার সামনে আলোচনা করবো| এখন উনাদের তরফ থেকে যতটুকু সম্ভব অর্জন করা, সে অনুযায়ী|” সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪০ হিজরী শরীফ উনার সম্মানিত যিলক্বদ শরীফ মাসে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফালইয়াফরহু শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “প্রতি বছর এ সময় আমি জুমু‘আহ&-এর খুৎবা মুবারক-এ সম্মানিত হজ্জ উনার বিষয় নিয়ে আলোচনা করে থাকি| কিন্তু এ বৎসর আমি এ সময় জুমু‘আর খুৎবা মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে আলোচনা করতেছি| সুবহানাল্লাহ! কারণ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাই আমাকে বলেছেন- আমি যেন সম্মানিত হজ্জ উনার বিষয় আলোচনা না করে, উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে আলোচনা করি| যার কারণে কয়েক সপ্তাহ যাবৎ আমি জুমু‘আর খুৎবা মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক সম্পর্কে আলোচনা করতেছি|” সুবহানাল্লাহ!
তাহলে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার কত বেমেছাল মহাসম্মানিত তা‘য়াল্লুক্ব-নিসবত মুবারক, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে| এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন তিনি| সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে হাক্বীক্বী ছহীহ সমঝ, বিশুদ্ধ আক্বীদাহ ও হুসনে যন মুবারক দান করুন| আমীন!