image

image

বদ দোয়া না করলে কবিরাহ গুনাহ হবে
------------------------------------------
সারা দুনিয়ায় কাফের মুশরেকগুলি মুসলমানদের উপর যুলুম করে যাচ্ছে অত্যাচার অবিচার নির্যাতন করে যাচ্ছে
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানের খেলাফ বলে যাচ্ছে
সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার অবমাননা করে যাচ্ছে
আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শানের খেলাফ বলে যাচ্ছে
মুসলমান মা বোনদের সম্মান হরন করে যাচ্ছে মুসলমানদেরকে শহীদ করে যাচ্ছে
এই সমস্ত কাফের মুশরেক বেদ্বীন বদদ্বীন ইহুদী নাছারা হিন্দু বোদ্ধ মজুসী মুশরেক উলামায়ে ছু মুনাফিক বিধর্মী মুরতাদ নাস্তিক যারা এই সমস্ত কাজগুলি করে যাচ্ছে।
এখন মুসলমানদের উচিৎ এদের বিরুদ্ধে কঠিনভাবে বদ দোয়া করা। যারা জানবে জানার পরেও এদের বিরুদ্ধে বদ দোয়া করবেনা তাদের কবিরা গুনাহ হবে।

image

2 hrs

ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ'ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রজবুল হারাম শরীফ চতুর্থ তলা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পবিত্র খানকাহ্ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, "আফযালুন নাস বা'দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে 'ছানী ইছনাঈন বা দুইজনের দ্বিতীয়' বলা হয়েছে। এটা সম্মানিত ও পবিত্র ছাওর গুহা মুবারক-এ অবস্থান করা অবস্থায়। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُوْلُ لِصَاحِبِهِ لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللَّهَ مَعَنَا

'দুইজনের দ্বিতীয়। যখন উনারা সম্মানিত (ছাওর) গুহা মুবারক-এ অবস্থান মুবারক করছিলেন, তখন তিনি উনার ছাহিব অর্থাৎ সঙ্গী, ছাহাবী, খাদিম উনাকে বললেন, আপনি চিন্তিত হবেন না, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সাথে রয়েছেন।' সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৪০)

মহান আল্লাহ পাক তিনি এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে দুইজনের দ্বিতীয় বলেছেন। সুবহানাল্লাহ! যদিও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দ্বিতীয় কেউ নেই। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন খালিকু মালিক রব হিসেবে একক; তেমনিভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও মহান আল্লাহ পাক উনার কৃায়িম মাক্বাম হিসেবে একক। উনার সমকক্ষ কেউ নেই। তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সমস্ত মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক সমস্ত কিছুর মালিক হচ্ছেন তিনি। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম।) তারপরেও এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ছাওর গুহা মুবারক-এ অবস্থানরত অবস্থায় সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দ্বিতীয় বলা হয়েছে।

আর যিনি খালিকু মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবুব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা আমাকে বলেছেন, কেউ যদি হাক্বীক্বীভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ'ইয়াদ শরীফ পালন করতে পারেন, তাহলে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবুব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের দুজনের পর উনাকে তৃতীয় করা হবে। অর্থাৎ উনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবুব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক উনাকে হাদিয়া করা হবে। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবুব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের পরেই উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাক্বাম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হবে।” সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!

আর এটা ইতিপূর্বে বলা হয়েছে যে, স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি সন্তুষ্টি মুবারক প্রকাশ করে পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ'ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, কায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে 'মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ'ইয়াদ শরীফ উনার মাক্বাম মুবারক হাদিয়া করেছেন।' যা সৃষ্টির ইতিহাসে আর কাউকে হাদিয়া করা হয়নি। কাজেই ছাহিবু সাইয়ি‍্যদি সাইয়্যিদিল আ'ইয়াদ শরীফ মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবুব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযুর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের মালিক হচ্ছেন তিনি। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি আমাদেরকে সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ এবং সর্বোচ্চ হুসনে যন মুবারক পোষণ করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

image

1 w

দ্বীন ইসলামের খিদমতে লেখাটি ছড়িয়ে দিন (কপি অনুমোদিত)

"কোরবানির পশুর হাসিল না দিলে কোরাবনি হয়না" এই মিথ্যা কথাটি বাংলাদেশের মুসলিম সমাজে অনেকটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। সৌদি আরবসহ কোনো মুসলিম দেশে বাংলাদেশের মতো কোরবানির পশুর হাট ইজারা দেয়া বা হাসিল নামক জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করার নজির নেই। নজির থাকলেই যে সেটা জায়েজ হতো ব্যাপারটা এমন না। কারণ দ্বীন ইসলামে পশু ক্রয়ের জন্য শাসকদের বা হাটের ব্যবস্থাকারীদের মাশুল পরিশোধ করার কোনো আদেশ বা অনুমোদন নেই। খোলাফায় রাশেদীন উনাদের যুগেও ছিলনা এবং পরবর্তী এক হাজার বছরের ইতিহাসেও এমন নজির নেই।

মূলকথা হচ্ছে হাসিল নেয়ার নিয়ম ইসলামে নেই। এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে, তাহলে কি নিষেধ আছে? উত্তর হচ্ছে হ্যা উসুলের ভিত্তিতে এটি নিষেধ আছে। জুলুমের উসুল এটি নিষেধ। সরাসরি নিষেধ নাই কেনো? কারণ এটি আখেরি জামানায় নতুন উদ্ভাবিত বিষয়। গণতন্ত্র, প্রজাতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এসবের মতো। কাফিরদের নিয়ম নীতি অনুসরণ করা হারাম, এই উসুলের ভিত্তিতে যেমন সমস্ত তন্ত্র মন্ত্র মতবাদ হারাম। একই রকম ভাবে ইবাদত বন্দেগী করতে গিয়ে মাশুল আরোপ করা জুলুম ও অন্যায়, এই উসুলের ভিত্তিতে হাসিল ধার্য করা জুলুম এবং অন্যায়।

কোরবানি করা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য ওয়াজিব। এই আমলটি সুন্দরভাবে করার জন্য শাসকের দায়িত্ব হচ্ছে পর্যাপ্ত পরিমাণ হাট প্রস্তুত করা এবং সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা। এটা মুসলিম দেশের নাগরিকদের ন্যায্য অধিকার। নামায, রোযা ও অন্যান্য ইবাদতের জন্য চাঁদা/কর/মাশুল ধার্য নেয়া যেমন জুলুম তদ্রূপ এই উসুলের ভিত্তিতে কুরবানির হাটের বন্দোবস্ত করার জন্য হাটের ইজারা দেয়া ও হাসিল ধার্য করা এবং তা আদায়ে বাধ্য করাও জুলুম।

এখন তাহলে কি করতে হবে?
প্রতিটি এলাকায় জনসংখ্যা অনুপাতে পর্যাপ্ত হাটের ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব। আর সেটা পরিচালনার জন্য ইজারা দেয়া যাবেনা (বেসরকারীকরণ করা যাবেনা)।
ঈদগাহ মাঠ যেমন ইজারা দেয়ার বিষয় না, তদ্রূপ কোরবানির হাটও ইজারা দেয়ার বিষয় না। ইজারা দিয়ে সরকার এখানে একটা আয় করে থাকে, সেটা করা যাবেনা। কারণ এটা মুসলিম নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। সরকার হিন্দুদের পূজার সময় দেশের প্রতিটা মণ্ডপে নগদ টাকা, চাল ইত্যাদি দিতে পারলে হাটের খরচ কেনো বহন করবেনা? পূজা মণ্ডপের টাকা মুসলমানদের দেয়া তহবিল থেকেই দেয় হয়। তাহলে মুসলমানদের প্রয়োজনে কেনো মুসলমানদের দেয়া তহবিল খরচ করবে না? সরকারের অবৈধ ইজারার কারণেই কুরবানি দাতাদের হাসিল নামক বাড়তি খরচ গুনতে হয়। যা স্পষ্ট জুলুম। কোনো ক্রেতাই খুশি মনে হাসিল দেয়না, মনে কষ্ট নিয়েই দেয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, যানজটের অবান্তর অজুহাতে বছর বছর হাটের সংখ্যা কমানোর পাঁয়তারা করা হয়। অথচ যানজট কমাতে হলে হাটের সংখ্যা বৃদ্ধি করা উচিত। প্রত্যেক শহরে প্রতি ওয়ার্ডে হাট বসানো উচিত। কারণ সবাই যার যার ওয়ার্ডের হাট থেকে থেকে পশু পেয়ে গেলে অন্য কোথাও দৌড় ঝাঁপ করতে হবেনা। এতে ট্রাফিক কমবে, যানজট কমবে। মানুষের কষ্ট, হয়রানিও লাঘব হবে, পশু বিক্রির সংখ্যা বাড়বে, অর্থনীতি আরও বেশি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও সুবিধা হবে।

দাবিগুলো নিয়ে আরও জোড়ালো আওয়াজ তোলা উচিত। আপনি যেহেতু লেখাটি পড়েছেন, কপি করে হোক বা শেয়ার করে হোক ইসলামের খিদমতে লেখাটি ছড়িয়ে দিন। ক্রেডিট দাবি নেই।

image