কতদিন পর মরিচ গাছে ফুল
আসে, আসুন জেনে নেই

4 w

থালায় রাখা ধীরগতির মৃত্যু
-------------------------
.
বাজার থেকে চকচকে সুন্দর একটি আপেল কিনে এনেছেন।
আপনার সন্তানকে পরম আদরে খাওয়াচ্ছেন।
কিন্তু আপনি কি জানেন আপনি তাকে কী খাওয়াচ্ছেন?
.
একটু থামুন।
মাথায় প্রশ্ন আসছে না?
যে আপেলে পোকা ধরে না, মাছি বসে না, সেটা পচে না কেন?
হাজার হাজার বছর ধরে ফল মাটিতে পড়লে পচে যায়।
কিন্তু আজকের ফল কেন প্লাস্টিকের মতো মাসের পর মাস চকচক করে?
.
বিজ্ঞান বলে— এর ভেতরে জীবন নেই।
এর ভেতরে আছে কার্বাইড।
আছে ফর্মালিন।
যে রাসায়নিক দিয়ে মৃতদেহ সংরক্ষণ করা হয়, সেটা দিয়ে আপনার খাবার সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
তারা আপনার খাবার থেকে জীবনটা শুষে নিয়েছে।
.
বিশ্বাস হচ্ছে না?
একটু ভাবুন।
সুপারশপের তাকে সাজানো সুন্দর প্যাকেটগুলো দেখুন।
যাতে বড় করে লেখা আছে 'অর্গানিক', 'হেলদি'।
কিন্তু পেছনের ছোট লেখাগুলো পড়েছেন কখনো?
সোডিয়াম বেনজোয়েট, কৃত্রিম রঙ, নাইট্রেট, প্রিজারভেটিভ।
.
এরপর কী হলো?
এই খাবার খেয়ে আমাদের শরীর ধীরে ধীরে অকেজো হতে শুরু করলো।
হাসপাতালগুলো রোগীতে ভরে গেলো।
যে খাবার আমাদের শক্তি দেওয়ার কথা ছিল, সেই খাবার আমাদের ক্যান্সার দিচ্ছে।
.
তারা খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা নিজেদের দখলে নিয়েছে।
তারা চায় না আপনি নিজের খাবার নিজে উৎপাদন করুন।
তারা চায় আপনি পুরোপুরি তাদের সাপ্লাই চেইনের ওপর নির্ভর করুন।
কাল যদি তারা সুপারশপ বন্ধ করে দেয়, আপনার পরিবার না খেয়ে মরবে।
.
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনে আমাদের তয়্যিব খাবার খেতে বলেছেন।
তয়্যিব মানে শুধু হালাল নয়।
তয়্যিব মানে পবিত্র, পুষ্টিকর এবং প্রাকৃতিক।
ইতিহাস পড়ার জন্য নয়, মানার জন্য এই আয়াত নাজিল হয়েছিল।
কিন্তু আমরা কি মানছি?
.
আমরা রাসুল ﷺ এর দেখানো সরল জীবন থেকে অনেক দূরে সরে গেছি।
আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি, যেখানে একজন মুসলিম বাজার থেকে হালাল ভেবে বিষ কিনছে।
সে সালাত কায়েম করে ঠিকই, কিন্তু তার পেটে ঢুকছে বিষাক্ত খাবার।
রমজানে সারাদিন সিয়াম পালনের পর ইফতারে আমরা যে খাবার খাই, তার পুরোটাই কৃত্রিম।
আর আমরা ভাবছি, কেন আমাদের ইবাদতে আগের মতো প্রশান্তি নেই?
.
বিজ্ঞান বলছে, মানুষের পেট আর মস্তিষ্কের মধ্যে সরাসরি সংযোগ আছে।
বিষাক্ত খাবার পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দেয়।
মস্তিষ্কে সেরোটোনিন তৈরি হওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
ফলে আমাদের উদ্বেগ বাড়ে, বিষণ্ণতা বাড়ে, আর ইবাদতে মন বসে না।
.
আজকের পৃথিবীতে তাকান।
যে শক্তি বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করছে, তারা বীজের মালিকানা নিয়ে নিয়েছে।
তারা জিএমও বা জেনেটিক্যালি মডিফাইড বীজ বানিয়েছে।
যে বীজ থেকে দ্বিতীয়বার ফসল হয় না।
কৃষককে প্রতি বছর তাদের কাছেই হাত পাততে হয়।
কাকতালীয়?
.
আল্লাহ তাআলা আমাদের উর্বর মাটি দিয়েছেন।
বৃষ্টি দিয়েছেন।
কিন্তু আমরা চোখ বন্ধ রেখেছি।
আর সেই ভিনদেশি কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে বিষ মেশানো প্যাকেট কিনছি।
.
তারা আপনাকে প্যাকেটজাত গোলাম বানিয়েছে।
(সংগ্রহ)

মন্তব্য ও পরামর্শ:
--------------
বিষয়টি মুসলিম জীবন যাত্রায় অতীব জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ। এই পূজিবাদী মেকী বেড়াজাল ছিন্ন করে মুসলিম উম্মাহর জন্য নিখুঁত জীবন যাত্রায় পাশে আছেন আন্তর্জাতিক সুন্নাত মুবারক প্রচার কেন্দ্র, সুবহানাল্লাহ! যা মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব মাহবুব নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পক্ষ থেকে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ নির্দেশিত এক পথ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!!

image

মুনাফিকদের কাছে তাদের নিজেদের জীবনেরও কোন হিসাব নেই ! তাদের লিখা- বলা প্রতিটা শব্দে শব্দে নিফাকের ফোটা ঝরে নাউজুবিল্লাহ!

এদের চরিত্র পবিত্র কুরআন শরীফ বর্ণিত মুনাফিকদেরই
চরিত্র,নাউজুবিল্লাহ ! তাদের সাথে সর্ব প্রকার দূরত্ব বজায় রাখাই ঈমান আমল হিফাজতের জন্য জরুরি।
মূলত তারা নাম-পরিচয়হীন ভাবে ফিৎনা ফাসাদ সৃষ্টিকারী মুনাফিক । অন্যতায় তারা এমন কথা লিখতে পারতো না, বলতে পারতো না ।
সাইয়্যেদুনা হযরত শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম হয়তোবা তিনি দুনিয়াবি দৃষ্টিতে সর্বোচ্চ মানের(বৈধ)চাকুরী করতেন কিন্তু সেটাও ত্যাগ করেছেন, ছেড়ে দিয়েছেন বহু বছর পূর্বে সুবহানাল্লাহ ! কতটা দুনিয়া বিমূখ হলে এই বর্তমান দুনিয়ায় এরকম সুযোগ-সুবিধা ছেড়ে দেয়া যায়! তা কি দিয়ে বুঝানো সম্ভব ? ! এটাতো হযরত ইব্রাহীম ইবনে আদহাম রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার মত বাদশাহী ছেড়ে ছালার চট পরিধান করে ঝঙলবাসী হওয়ার চেয়েও শ্রেষ্ঠ, সুবহানাল্লাহ!
কারণ তিনি দুনিয়া ছেড়ে ছালার চট না পড়ে,জঙ্গলে না গিয়ে খাস সন্নতী জীবন-যাপন আঁকড়ে ধরে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মূল মিশন দাওয়াত-তাবলিগে আত্মনিয়োগ করেছেন, সুবহানাল্লাহ।
যার বিনিময়ে আমাদের মত হাজারো লাখো মানুষ সম্মানিত ইমান ইসলামের বিশুদ্ধ তালিম-তরবিয়তে ধন্য হচ্ছি, সুবহানাল্লাহ!

অন্যদিকে মুনাফিকদের এমন বিষাক্ত আঘাতে প্রতি নিয়ত জর্জরিত হচ্ছেন যেমনটা হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল ।

মুনাফিকদের কথায় মনে হয় ! তিনি লাখ লাখ টাকার চাকুরী ছেড়ে এই সকল মুনাফিক-ফকিরদের কাছে
দু-চার আনা ভিক্ষা চাইতে বসেছেন ! নাউজুবিল্লাহ! নাউজুবিল্লাহ!! নাউজুবিল্লাহ!!!
সাধারণ ইনসাফ থাকলেও তারা এমনটা ধারনা করতো না।
একটু ফিকির করলেই বুঝা যায় !
আমাদের মতো ফকির মার্কা লোক গুলোও পারি না কথিত দুনিয়াবি আত্মমর্যাদা ত্যাগ করে মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব মাহবুব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের চাওয়া সম্মানিত ইসলাম উনার অন্যতম ভিত্তি ফরজ যাকাতসহ অন্যান্য দ্বীনি খাতে মানুষের কাছে চাইতে/ আদায় করতে!
তাহলে উনারা কেন ইসলাম উনার প্রতিটা বিষয়ে এতো
নছীহত করেন/ বলেন তা একমাত্র নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ ক্বায়েম-মাকাম হিসেবেই সম্ভব, সুবহানাল্লাহ!

উনাদের কথা-কাজ,চিন্তা-চেতনা,আমল-আখলাক,
আদর্শ-চরিত্র সব কিছুই দুনিয়াবি গন্ডির বহু উর্ধ্বে, সুবহানাল্লাহ! যা মূলত কুরআনী আদর্শ,নববী আদর্শের হাক্বীকি প্রতিফলন, সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!!সুবহানাল্লাহ!!!

যারা নিজেদের জন্য জাহান্নামের অতল গহ্বর ক্রয় করে নিয়েছে তারা সেটা বুঝবে না,নাউজুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক আমাদের কুদরতি ভাবে হিফাজত করুন, আমীন।

রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অনলাইন বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পবিত্র কুরবানীর পশু ক্রয়-বিক্রয় করা, শরীয়তসম্মত নয়। কেননা অনলাইনে বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পবিত্র কুরবানীর পশু বেচা-কেনা করার অর্থ হচ্ছে পবিত্র কুরবানীর পশুর ছবি দেখে বা দেখিয়ে অর্থাৎ ছবি তুলে বা তোলায়ে বেচা-কেনা করা। অথচ সম্মানিত শরীয়ত তথা দ্বীন ইসলামে প্রাণীর ছবি তোলা, তোলানো, দেখা ও দেখানো সবই হারাম ও কবীরা গুনাহ। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি ঐ সকল মানুষকে ক্বিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি দিবেন যারা ছবি তোলে বা আঁকে। নাউযুবিল্লাহ!

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, ঐ ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম বা অত্যাচারী কে রয়েছে, যে আমার সৃষ্টির সাদৃশ্য কোন প্রাণীর ছূরত তৈরী করে। নাউযুবিল্লাহ!

ছহীহ মুসলিম শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, ছবি তোলনেওয়ালা, আঁকনেওয়ালা প্রত্যেকেই জাহান্নামী। অনুরূপ আরো অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনার মাধ্যমে ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা, দেখানো ইত্যাদি হারাম ঘোষণা করা হয়েছে এবং ছবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরকে বড় যালিম, কাফির ও জাহান্নামী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাছাড়া ছবি দেখে পবিত্র কুরবানীর পশু ক্রয় করা হলে পবিত্র কুরবানীর পশু নিখুঁত ও উপযুক্ত হওয়ার জন্য যে সমস্ত গুণ থাকা জরুরী তা সনাক্ত করা কখনোই সম্ভব হবে না। ফলে উক্ত পশু পবিত্র কুরবানীর পশু হিসেবে অনুপযুক্ত হওয়ার কারণে তা দ্বারা পবিত্র কুরবানী করলে কুরবানী মোটেও শুদ্ধ হবে না।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূল কথা হলো- সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে প্রাণীর ছবি তোলা ও তোলানো তা ক্যামেরায় হোক, মোবাইলে হোক অথবা যে কোনো ভাবেই হোক হারাম ও কবীরা গুনাহ অর্থাৎ জাহান্নামী হওয়ার কারণ। তাই ছবি ভিত্তিক অনলাইন বেঁচা-কেনা বা ডিজিটাল কুরবানীর হাটের ব্যাবস্থা করা অর্থাৎ ভিডিও বা ছবির মাধ্যমে পবিত্র কুরবানীর পশু ক্রয়-বিক্রয় করা সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কবীরা গুনাহ। এতে করে উপার্জিত অর্থ যেরূপ হারাম হবে তদ্রƒপ কুরবানীদাতার পবিত্র কুরবানীও বাতিল হবে। অতএব, প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে ছবি ভিত্তিক হারাম পদ্ধতী পরিহার করে সম্মানিত সুন্নত তরীক্বা অনুযায়ী পবিত্র কুরবানীর পশু ক্রয় বিক্রয় করা।

-০-

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত স¤ে^াধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফ&য বা পরিভাষা মুবারক
৮৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র যুবকাল মুবারক نُوْرُ الْوَرَاءِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়ারা’ মুবারক (বুলন্দ মর্যাদা)
৮৬ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চিন্তিত শান মুবারক نُوْرُ الْاِنَابَةِ مُبَارَكٌ নূরুল ইনাবাত মুবারক (রুজু হওয়া)
৮৭ নাক মুবারক উনার সর্দি মুবারক نُوْرُ النُّخْبَةِ مُبَارَكٌ নূরুন নুখ&বাহ& মুবারক ( শ্রেষ্ঠাংশ, বাছাইকৃত অংশ)

মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে, উনার মাহবূব, মুরাদ ও সমগ্র কায়িনাতের মালিক হিসেবে নূরুত তাশরীফ মুবারক করিয়েছেন (২)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَتٰى وَجَبَتْ لَكَ النُّبُوَّةُ قَالَ وَحَضْرَتْ اٰدَمُ عَلَيْهِ السَّلَامُ بَيْنَ الرُّوْحِ وَالْجَسَدِ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত| তিনি বলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনাকে কখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুুওয়াত-রিসালাত মুবারক হাদিয়া করা হয়েছে অর্থাৎ আপনি কখন থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- আবুল বাশার হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি রূহ এবং জিসিম মুবারক-এ থাকা অবস্থায়ও আমি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলাম|” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
অন্য বর্ণনায় এসেছেন,
عَنْ حَضْرَتْ مَيْسَرَةَ الْفَجْرِ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ سَاَلْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَتٰى كُنْتَ نَبِيًّا قَالَ كُنْتُ نَبِيًّا وَحَضْرَتْ اٰدَمُ عَلَيْهِ السَّلَامُ بَيْنَ الرُّوْحِ وَالْجَسَدِ
অর্থ: “হযরত মাইসারাতুল ফাজর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত| তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কখন নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হয়েছেন অর্থাৎ আপনি কখন থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি রূহ এবং জিসিম মুবারক-এ থাকা অবস্থায়ও আমি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলাম|” সুবহানাল্লাহ! (মুসনাদে আহমাদ ২৭/১৭৬, শরহু মুশকিলিল আছার ১৫/২৩১, আশ শারী‘আহ& লিল আজুরী ৩/১৪০৭ ইত্যাদি)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫৫তম বৎসর মুবারক (আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ১৫তম বছর, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হিজরত মুবারক উনার ২য় ও ৩য় বছর):
২য় হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৫ই রজবুল হারাম শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ মহাসম্মানিত ক্বিবলা মুবারক পরিবর্তন হন| সুবহানাল্লাহ!
এ বৎসর সম্মানিত জিহাদ মুবারক ফরয করা হয়| সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত শা’বান শরীফ মাস উনার মধ্যবর্তী সময়ে সম্মানিত রমাদ্বান শরীফ উনার সম্মানিত রোযা ফরয করা হয়| সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৭ই রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুল জুমু‘আহ& শরীফ সম্মানিত বদর জিহাদ মুবারক সংঘটিত হন| সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত মুসলমান ˆসন্য সংখ্যা ছিলেন ৩১৩ জন এবং কাফিরদের ˆসন্য সংখ্যা ছিল ১০০০ জন| এই সম্মানিত জিহাদ মুবারক-এ মুশরিকদের শোচনীয় পরাজয় ঘটে| তাদের ১১ নেতাসহ মোট ৭০ জন নিহত হয় এবং ৭০ জন বন্দী হয়| সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই রমাদ্বান শরীফ লাইলাতুস সাব&ত শরীফ (শনিবার) রাতের শেষার্ধে বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ& আলাইহাস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দীদার মুবারক-এ তাশরীফ মুবারক নেন| সুবহানাল্লাহ!
এ বৎসর ঈদ উনার নামায এবং সম্মানিত ছদকাতুল ফিতর ওয়াজিব করা হয়| সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত শাউওয়াল শরীফ মাসে ইহুদী গোত্র বনূ কাইনুকার সঙ্গে সম্মানিত জিহাদ মুবারক সংঘটিত হন| তারা পরাজিত হয়ে সিরিয়ার দিকে নির্বাসিত হয়| সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই শাউওয়াল শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইছনাইনিল আযীম শরীফ অর্থাৎ সোমবার) সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আছ ছালিছ আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা ইমাম হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবিল আছ আলাইহিস সালাম) তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করা অবস্থায় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন| সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আন নূরুর রবি‘আহ& সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহ&রা আলাইহাস সালাম উনার সাথে ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ অনুষ্ঠিত হন| সুবহানাল্লাহ!
৩য় হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৩রা সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ লাইলাতুল জুমু‘আহ& শরীফ বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ& আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আযীমুশ শান নিসবতে আযীম শরীফ অনুষ্ঠিত হন| সুবহানাল্লাহ!
* সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ মাসে ইহুদী সর্দার কা’ব ইবনে আশরাফকে হত্যা করা হয়| সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় জীবনী মুবারক
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (পর্ব- ৭৯)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫৪তম বৎসর মুবারক (আনুষ্ঠানিকভাবে মহাসম্মানিত নুবুওওয়াত এবং রিসালাত মুবারক প্রকাশের ১৪তম বছর, মহাসম্মানিত হিজরত মুবারক উনার ১ম বছর):
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদে নববী শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হুজরা শরীফ নির্মাণ করা হয়| এর পূর্ব পর্যন্ত ৬ মাস নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আবূ আইয়ূব আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাড়ি মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন|
এ বৎসরই আযান ও ইক্বামত শুরু হয়|
এই বৎসর থেকেই হিজরী সন গণনার সূচনা হয়| তবে, তা সিদ্ধান্ত নেয়া ও কার্যকর করা শুরু হয় ১৬ হিজরী শরীফে|
এ বৎসর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২১শে শাউওয়াল শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ& সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ& আলাইহাস সালাম উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হুজরা শরীফ-এ তুলে নেন| সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিয়্যীন, নূরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত স¤ে^াধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফ&য বা পরিভাষা মুবারক
৮২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ نُوْرُ الرِّحْلَةِ/ نُوْرُ الْوِصَالِ شَرِيْفٌ নূরুর রিহলাহ&/ নূরুল বিছাল শরীফ (প্রস্থান)
৮৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শিশুকাল মুবারক نُوْرُ الْاَحْرَارِ مُبَارَكٌ নূরুল আহ&রার মুবারক (মহৎ, ¯^াধীন, মুক্ত)
৮৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কিশোরকাল মুবারক نُوْرُ الْـحَسَنَةِ مُبَارَكٌ নূরুল হাসানাহ& মুবারক (খুব ছূরত)

মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে, উনার মাহবূব, মুরাদ ও সমগ্র কায়িনাতের মালিক হিসেবে নূরুত তাশরীফ মুবারক করিয়েছেন (১)
খ¦ালিক্ব¡ মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاِذْ اَخَذَ اللهُ مِيْثَاقَ النَّبِـيّٖنَ لَمَاۤ اٰتَيْتُكُمْ مِّنْ كِتٰبٍ وَّحِكْمَةٍ ثُـمَّ جَآءَكُمْ رَسُوْلٌ مُّصَدِّقٌ لِّـمَا مَعَكُمْ لَتُؤْمِنُنَّ بِهٖ وَلَتَنْصُرُنَّهٗ قَالَ ءَاَقْرَرْتُـمْ وَاَخَذْتُـمْ عَلـٰى ذٰلِكُمْ اِصْرِىْ قَالُوْاۤ اَقْرَرْنَا قَالَ فَاشْهَدُوْا وَاَنَا مَعَكُمْ مِّنَ الشّٰهِدِيْنَ. فَمَنْ تَوَلّٰـى بَعْدَ ذٰلِكَ فَاُولٰٓـئِكَ هُمُ الْفٰسِقُوْنَ
অর্থ: “আর যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক গ্রহণ করলেন যে, আপনাদেরকে সম্মানিত কিতাব মুবারক এবং হিকমত মুবারক দেয়া হবে| অতঃপর আপনাদের নিকট আমার পক্ষ থেকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করবেন| তিনি আপনাদেরকে এবং আপনাদের কাছে যা কিছু রয়েছেন সমস্ত কিছুর তাছদীক্ব বা সত্যায়ন করবেন| আপনারা অবশ্যই অবশ্যই উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক আনবেন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিবেন| সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, আপনারা কি তা ¯^ীকার করে নিলেন এবং এই বিষয়ে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক গ্রহণ করলেন অর্থাৎ আমার শর্ত মুবারক মেনে নিলেন? উনারা বললেন, আমরা ¯^ীকার করে নিলাম, মেনে নিলাম, গ্রহণ করলাম| মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, তাহলে আপনারা সকলে সাক্ষী থাকুন এবং আমিও আপনাদের সাথে সাক্ষী রইলাম| সুবহানাল্লাহ! এরপর যারা এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওয়াদা মুবারক উনার খিলাফ করবে, তারাই হচ্ছে ফাসিক্ব অর্থাৎ চরম নাফরমান, কাট্টা কাফির|” না‘ঊযুবিল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৮১-৮২)
এখানে মহান আল্লহ পাক তিনি বলেছেন, ‘তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে ওয়াদা মুবারক নিয়েছেন|’ কখন ওয়াদা মুবারক নিয়েছেন? রোজে আজলে|
তাহলে এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারাই প্রমাণিত যে, মহান আল্লহ পাক তিনি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নবী ও রসূল হিসেবেই সৃষ্টি মুবারক করেছেন| সুবহানাল্লাহ! আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে নূরুত তাশরীফ মুবারক করিয়েছেন| কেননা, এখানে বলা হয়েছে যে, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সম্মানিত ঈমান মুবারক আনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার ওয়াদা মুবারক নিয়েছেন|’ সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন,
هُنَالِكَ دَعَا زَكَرِيَّا رَبَّهٗ قَالَ رَبِّ هَبْ لِىْ مِنْ لَّدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً اِنَّكَ سَمِيْعُ الدُّعَآءِ. فَنَادَتْهُ الْمَلـٰـئِكَةُ وَهُوَ قَآئِمٌ يُّصَلِّىْ فِى الْمِحْرَابِ اَنَّ اللهَ يُبَشِّرُكَ بِيَحْيٰى مُصَدِّقًا بِۢكَلِمَةٍ مِّنَ اللهِ وَسَيِّدًا وَّحَصُوْرًا وَّنَبِيًّا مِّنَ الصّٰلِحِيْنَ
অর্থ: “সেখানেই (মেহরাবে) হযরত যাকারিয়া আলাইহিস সালাম তিনি উনার রব মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করলেন| তিনি বললেন, “আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! আপনার তরফ থেকে আমাকে পবিত্রতম সন্তান দান করুন| নিশ্চয়ই আপনি দোয়া শ্রবণকারী| অতঃপর (হযরত যাকারিয়া আলাইহিস সালাম) তিনি মেহরাবে নামাযে দাঁড়ানো অবস্থায় উনাকে হযরত ফেরেশতা আলাইহিস সালাম উনারা নেদা করলেন (ডেকে বললেন) যে, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম উনার সুসংবাদ দিচ্ছেন, যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কালিমা উনার সত্যায়নকারী, সাইয়্যিদ, দুনিয়া-বিরাগ এবং ছলিহীন নবী’|” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৮-৩৯)
অতএব, মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নবী ও রসূল হিসেবেই সৃষ্টি করেছেন| তবে, উনাদের দুনিয়াবী দৃষ্টিতে বয়স মুবারক অনুযায়ী কারো ৪০ বছর বয়স মুবারক-এ, কারো ৫০ বছর বয়স মুবারক-এ, কারো ৬০ বছর বয়স মুবারক-এ, কারো ৩০ বছর বয়স মুবারক-এ অর্থাৎ একেক জনের একেক সময় অনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালাত মুবারক প্রকাশ পেয়েছেন| সুবহানাল্লাহ! আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিষয়টা আরো আখাছ&ছুল খাছ বিষয়| সুবহানাল্লাহ! খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নবী-রসূল হিসেবে তো অবশ্যই; শুধু তাই নয়, উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হিসেবে, উনার মাহবূব, হাবীব, মুরাদ ও সমগ্র কায়িনাতের মালিক হিসেবে নূরুত তাশরীফ মুবারক করিয়েছেন| সুবহানাল্লাহ! যেমন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُنْتُ اَوَّلَ النَّبِيِّيْنَ فِى الْخَلْقِ وَاٰخِرَهُمْ فِى الْبَعْثِ
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত| তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- আমি সর্বপ্রথম নবী-রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসাবে নূরুত তাশরীফ মুবারক নিয়েছি| কিন্তু আমি প্রেরিত হয়েছি অর্থাৎ দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নিয়েছি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের শেষে|” সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম, তাফসীরে বাগবী, দূররে মানছুর, কানযুল উম্মাল, খাছাইছুল কুবরা, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ)