মহাসম্মানীত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে ও মুহব্বতে খুশি প্রকাশ করে খরচ করার ফজিলত (৪২)
আরবী ইবারত
چرا پیش رسول صلی الله علیه و سلم توبه نکردی و عذر نخواستی؟ مگر نه دانسته که صلوات و تسلیمات و غیر آن که بر روح رسول صلی الله علیه و سلم میفرستند به وی میرسد؟
বাংলা উচ্চারণ
চরা পেশে রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তওবা নাকর্দি ও উযর নাখাস্তি? মাগার না দানেস্তে কে সালাওয়াত ও তাসলীমাত ও গাইরে আন কে বার রূহে রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মীফেরেস্তান্দ বে উই মেরেসাদ?
বাংলা অর্থ
তুমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে তওবা করলে না কেন? তুমি জানো না যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বতের সাথে যে দুরূদ শরীফ তথা ছলাত-সালাম পড়া হয়, মীলাদ শরীফ পড়া হয়, উনার সম্মানে ওলিমা-মেহমানদারী (সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়াদ শরীফ) করানো হয়, তা উনার মুবারক খিদমতে পৌঁছে যায়।
কিতাবের নাম: শাওয়াহিদুন নুরওয়াত

রচয়িতা: আল্লামা আব্দুর রহমান মোল্লা জামী রহমতুল্লাহ আলাইহি
পৃষ্ঠা: ২০৮

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বতে ও সম্মানে খুশি প্রকাশ করে ৯০ দিনব্যাপী আযীমুশশান সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ'ইয়াদ শরীফ মাহফিলের বরকতময় তাবারুকে হাদিয়া করুন।হাদিয়া করুন: ১২০০ / ১২০০০ / ১২০০০০+

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (৪৯)
, ২৯ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৪ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে ফানা ও বাক্বা সারা কায়িনাত (৪৯)
ফানা-বাক্বার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক

আমর ইবনে আব্দে উদ্দকে হত্যা:

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দো‘আ মুবারক করেন-

اللهم إنك أخذت مني حضرت عبيدة بن الحارث رضى الله تعالى عنه يوم بدر وحضرت حمزة بن عبد المطلب عليه السلام يوم أحد وهذا أخي حضرت علي بن أبي طالب عليه السلام رب لا تذرني فردا وأنت خير الوارثين

‘আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! আপনি আমার থেকে বদরের দিন হযরত উবায়দাহ্ ইবনে হারিছ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে গ্রহণ করেছেন এবং উহুদের দিন সাইয়্যিদুনা হযরত সাইয়্যিদুশ শুহাদা আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত হামযাহ্ আলাইহিস সালাম) উনাকে গ্রহণ করেছেন। আর ইনি হচ্ছেন আমার মহাসম্মানিত (চাচাতো) ভাই ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম। আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! আমাকে একা ছেড়ে দিবেন না। আপনি হচ্ছেন শ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকারী।’ সুবহানাল্লাহ! (দায়লামী শরীফ)

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো দো‘আ মুবারক করেন,

اللهم أعنه عليه

‘আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! আপনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে উনার শত্রুর উপর সাহায্য করুন, কামিয়াবী দান করুন।’ (আস সীরাতুল হালাবিয়্যাহ্ শরীফ, শারহুয্ যারক্বানী, তারীখুল খ¦মীস ইত্যাদি)

অন্য বর্ণনায় রয়েছে,

اللهم انصره على عدوه نصرا مبينا

‘আয় বারে এলাহী, মহান আল্লাহ পাক! আপনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে উনার শত্রুর উপর প্রকাশ্য বিজয় হাদিয়া মুবারক করুন।’

ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বিলম্ব পুষিয়ে দেয়ার জন্য যত দ্রুত সম্ভব রওয়ানা হয়ে গেলেন।

এই সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,

برز الإيمان كلّه إلى الشرك كلّه

‘পূর্ণ শিরিকের মোকাবেলা করতে পূর্ণ ঈমান (জিহাদের ময়দানে) অবতীর্ণ হয়েছেন।’

-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আমীন।

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, ক্বয়িদুল মুরসালীন, রউফুর রহীম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র জীবনী মুবারক (২৩২৩)
, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) বরকতময় জিবনী মুবারক

সম্মানিত গাযওয়াতুল হুদাইবিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ মুবারক:



অতঃপর হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাকা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি কুরাইশগণের নিকট গিয়ে বললেন, ‘আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সঙ্গে সাক্ষাত মুবারক করে এসেছি। আমি উনার নিকট একটা কথা শুনেছি, যদি তোমরা চাও তাহলে আমি তোমাদের নিকট তা উপস্থাপন করবো।’ এ কথার প্রেক্ষিতে নির্বোধ এবং স্বল্প বুদ্ধিসম্পন্ন লোকেরা বললো, ‘আমাদের এমন কোন প্রয়োজন নেই যে, আপনি কোন কথা আমাদের নিকট বর্ণনা করেন।’ কিন্তু যারা বুদ্ধিমান তারা বললো, ‘আপনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে কি শুনেছেন তা আমাদেরকে বলুন।’

হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাকা খুযায়ী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে যে সকল কথা মুবারক শুনেছিলেন, তাদের নিকট তা বর্ণনা করলেন। কুরাইশ কাফির মুশরিকরা সব কিছু শ্রবণ করে তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট মিকরায বিন হাফিস্কে প্রেরণ করলো।

তাকে দেখে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, ‘এ ব্যক্তি অঙ্গীকার ভঙ্গকারী।’ কিন্তু যখন সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট অগ্রসর হয়ে আলাপ-আলোচনা করলো। তখন তিনি তাকে সেই সব কথাই বললেন, যা হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাকা খুযায়ী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং উনার সঙ্গী-সাথীদের নিকট বলেছিলেন। অতঃপর সেও পবিত্র মক্কা শরীফে ফিরে এসে কুরাইশ কাফির মুশরিকদেরকে তার আলাপ আলোচনার বিষয়াদি অবহিত করলো।

এদিকে হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাকা খুযায়ী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আপন খুযাআহ গোত্রের কয়েকজন লোকসহ আবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে উপস্থিত হলেন। তুহামার অধিবাসীগণের মধ্যে এ গোত্রই (খুযাআহ) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শুভাকাঙ্খী ছিলেন।

হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাকা খুযায়ী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘আমি কা’ব বিন লুওয়াইকে দেখে এসেছি যে, সে হুদায়বিয়াহর পর্যাপ্ত পানির আশ্রয়ের উপর শিবির স্থাপন করেছে। তাদের সঙ্গে শিশু এবং মহিলারাও রয়েছে। আপনার সঙ্গে যুদ্ধ করা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত ঘর মুবারক হতে আপনাদের নিবৃত্ত রাখার ব্যাপারে তারা বদ্ধপরিকর।’ নাউযুবিল্লাহ!



কুরাইশ কাফির মুশরিকরা মধ্যস্ততাকারী প্রেরণ:



আলাপ আলোচনার বিষয়াদি অবহিত হয়ে বনু কিনানাহ গোত্রের হুলাইস বিন আলকামা বললো, ‘আমাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট যেতে দাও।’ লোকেরা বললো, ‘বেশ তবে যাও।’ যখন সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট উপস্থিত হলো তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন-

هٰذَا فُلاَنٌ، وَهُوَ مِنْ قَوْمٍ يُعَظِّمُوْنَ الْبُدْنَ، فَابْعَثُوْهَا‏

অর্থ: ‘এ ব্যক্তি এমন এক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত যারা হাদয়ীর পশুকে অনেক সম্মান করে। অতএব পশুগুলোকে দাঁড় করে দিন।’

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পশুগুলোকে দাঁড় করিয়ে দিলেন এবং তাকে স্বাগত জানালেন। এ অবস্থা প্রত্যক্ষ করে সে ব্যক্তি আনন্দে বিভোর হয়ে বলে উঠলো। এই সকল ব্যক্তিত্ব উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর হতে বিরত রাখা কোন মতেই সমীচীন হবে না।’ এ কথা বলেই সে তার সঙ্গীদের নিকট ফিরে গেলো।

ফিরে গিয়ে সে কুরাইশ কাফির মুশরিকদের নিকট বললো, ‘আমি হাদয়ীর পশু দেখে এলাম যাদের গলায় হার দেওয়া আছে এবং পৃষ্ঠদেশ চিরে দেয়া হয়েছে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর থেকে তাদের নিবৃত্ত রাখা আমি সমীচীন মনে করছি না।’ তার এ সকল কথার প্রেক্ষাপটে কুরাইশ লোকজন ও তার মধ্যে এমন কিছু বাক্য বিনিময় হয়ে গেলো যার ফলে সে খুবই উত্তেজিত হয়ে পড়লো।

এমন সময় উরওয়া বিন মাসউদ সাক্বাফী হস্তক্ষেপ করলো এবং বললো, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের নিকট একটি ভালো প্রস্তাব দিয়েছেন। তোমরা উনার প্রস্তাব গ্রহণ করে নাও এবং আমাকে উনার নিকট যেতে দাও।” অতঃপর কুরাইশদের পক্ষ থেকে সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট উপস্থিত হয়ে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করলো।

-আল্লামা সাইয়্যিদ শাবীব আহমদ।

৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানকে
, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) দেশের খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিতর্কিত সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট।

গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) বিচারক মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করে। এ বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে আদালত এ রায় দেয়।

আদালতে ইউনূসের পক্ষে শুনানি করে ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন, ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।

এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ৪ অক্টোবর ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা দেয়ার রায় স্বপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নেয় হাইকোর্ট।

বিচারক মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারক সরদার রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রত্যাহার করে। একইসঙ্গে প্রধান বিচারকের কাছে এ মামলার নথি পাঠানো হয়। পরে নতুন বেঞ্চে মামলাটি পাঠানো হয়। পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭Ñএই করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রদেয় কর দাবি ঘিরে গ্রামীণ কল্যাণ ২০১৭ সালে পৃথক দুটি রিট করে। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রায় রুল দেয়। গতকাল রুল খারিজ করলো হাইকোর্টের নতুন এ বেঞ্চ। রিট খারিজ হওয়ায় আয়কর বাবদ গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ওই অর্থ আদায় করতে পারবে এনবিআর।

আইনজীবী বলেন, দীর্ঘ শুনানির পর এই মামলাটি হাইকোর্ট ডিভিশনের একটি দ্বৈত বেঞ্চ বিচারক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারক রেজাউল করিম মহোদয়ের বেঞ্চে রায় প্রদান করে এবং রুলটি ডিসচার্জ করা হয়। যার ফলে এই রায়টি ট্যাক্সেস ডিপার্টমেন্টের পক্ষে, তথা সরকারের পক্ষে আসে। এবং এতে জড়িত রাজস্বের পরিমাণ ৬৬৬ কোটি টাকা। যা এখন ট্যাক্সেস ডিপার্টমেন্ট এই প্রতিষ্ঠান থেকে আইন অনুযায়ী আদায় করতে পারবে এবং ডিমান্ড নোটিশ যথাযথভাবে ইস্যু করবে।

মহিলাদের জামায়াতের জন্য মসজিদে ও ঈদগাহে যাওয়া হারাম ও কুফরী (৩)
, ২৯ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৪ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) তাজা খবর
মহিলাদের জামায়াতের জন্য মসজিদে ও ঈদগাহে যাওয়া হারাম ও কুফরী (৩)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরও ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ السَّادِسَةِ اُمِّ سَلَمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ عَنْ رَّسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ خَيْرُ مَسَاجِدِ النِّسَاءِ قَعْرُ بُيُوْتِـهِنَّ.

অর্থ : উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসা হযরত উম্মু সালামা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন যে, মহিলাদের জন্য সর্বোত্তম মসজিদ হলো তাদের বাড়ির গোপন প্রকোষ্ঠ। (ইবনে খুযাইমা, মুসতাদরাকে হাকিম, সূত্র: আত তারগীব)

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلٰوةُ الْـمَرْاَةِ تَفْضُلُ عَلٰى صَلَاتِـهَا فِـى الْـجَمْعِ خَـمْسًا وَّعِشْرِيْنَ دَرَجَةً.

অর্থ : হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন, মহিলাদের জামায়াতে নামায পড়ার চেয়ে ঘরে একা নামায পড়ার মধ্যে পঁচিশগুণ ফযীলত বেশি রয়েছে। (দায়লামী শরীফ ২য় খ-: ৩৮৯ পৃষ্ঠা)

উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ সমূহ উনাদের উপর ভিত্তি করেই আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত খিলাফতকালে মহিলাদেরকে মসজিদে আসার ব্যাপারে নিষেধ করেন।

যেমন এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنَّه نَـهَي النِّسَاءَ عَنِ الْـخُرُوْجِ اِلَـى الْـمَسَاجِدِ فَشَكَوْنَ اِلٰى اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَقَالَتْ اُمُّ الْـمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةُ الصِّدِّيْقَةُ عَائِشَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ لَوْ عَلِمَ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا عَلِمَ عُمَرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ مَا اَذِنَ لَكُمْ فِي الْـخُرُوْجِ.

অর্থ : হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মহিলাদেরকে বাইরে বের হয়ে মসজিদে আসতে নিষেধ করেন। অতঃপর মহিলা উনারা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার খিদমত মুবারকে পেশ করলে তিনি জাওয়াবে বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যদি আপনাদের বর্তমান অবস্থা দেখতেন, তাহলে তিনি যে হুকুম মুবারক দিতেন, আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি সেই হুকুম মুবারকই দিয়েছেন অর্থাৎ উনার মতো তিনিও আপনাদেরকে নামাযের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হওয়ার ব্যাপারে অনুমতি দিতেন না। (মুহীতুল বুরহানী)



-আল্লামা মুফতী শুয়াইব আহমদ।

আজ পবিত্র রবীউছ ছানী মাস উনার চাঁদ তালাশ বিষয়ে মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল উনার সভা
, ২৯ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৪ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) তাজা খবর
আজ পবিত্র রবীউছ ছানী মাস উনার চাঁদ তালাশ বিষয়ে মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল উনার সভা
আল ইহসান ডেস্ক:

আজ ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম শরীফ মাস উনার ২৯ তারিখ দিবাগত সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের পর বাংলাদেশে পবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে।

আজ দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) ১৫ রবি’ ১৩৯৪ শামসী, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খৃঃ হবে পবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার ১লা তারিখ।

আর আজ দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা না গেলে, তবে পবিত্র সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম শরীফ মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস ৩০ দিন পূর্ণ করে আগামী ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ১৬ রবি’ ১৩৯৪ শামসী, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খৃঃ হবে পবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার ১লা তারিখ।

উল্লেখ্য, ১৪৪৮ হিজরী সনের পবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনা এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য আজ দিবাগত সন্ধ্যায় ‘মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ কর্তৃক এক আলোচনা মজলিস পবিত্র রাজারবাগ শরীফ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। সারা দেশের ‘মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল মজলিস’ উনার সকল প্রতিনিধিকে অতি সতর্কতার সাথে চাঁদ তালাশ করতে হবে।

বাংলাদেশের যেকোনো স্থান থেকে যারা চাঁদ দেখতে পাবেন তাদেরকে মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল উনার নিম্নলিখিত নম্বরসমূহে তথ্য প্রদানের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

মোবাইল নম্বরসমূহ- ০১৭১৩-৪৫৬৮৬৫, ০১৭১৩-১১৬৯৩৩, ০১৭১১-১৭৮৬৬১, ০১৭১১-২৭২৭৮৫, ০১৭১২-৮১৯১৭৭, ০১৭১২-২২১২৬৭, ০১৭১১-২৩৮৪৪৭, ০১৭১৪-৬২৭৩৮৮, ০১৭১৬-৬৬৫৬৯৩, ০১৫৫২-৪১৫২৩৩।

বাংলাদেশের জন্য ১৪৪৮ হিজরী সনের পবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার চাঁদের প্রতিবেদন:

বাংলাদেশে পবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আজ ২৯শে রবীউল আউওয়াল শরীফ ১৪৪৮ হিজরী, ১৪ই রবি’ ১৩৯৪ শামসী, ১২ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খৃঃ, ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) দিবাগত সন্ধ্যায়।

আজ চাঁদ দিগন্তরেখার ০৭ ডিগ্রী ২৬ আর্ক মিনিট উপরে অবস্থান করবে এবং চাঁদের বয়স হবে প্রায় ৩৪ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ০৬ মিনিটে এবং চন্দ্রাস্ত ৬টা ৪৩ মিনিটে অর্থাৎ ৩৭ মিনিট চাঁদ আকাশে অবস্থান করে অস্ত যাবে।

আজ চাঁদ অবস্থান করবে ২৬০ ডিগ্রী আযিমাতে এবং সূর্যের অবস্থান থাকবে ২৭৪ ডিগ্রী আযিমাতে। সূর্যাস্তের সময় চাঁদ ১৬ ডিগ্রী ৫৩ আর্ক মিনিট কোণ করে সূর্য থেকে সরে থাকবে এবং চাঁদের মাত্র ০২.১৭% আলোকিত থাকবে।

আজ আকাশ যথেষ্ট পরিস্কার থাকলে শেষ দিকে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে পবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখা যেতেও পারে। তবে না দেখা যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশী।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনাকে উনার কাঁধ মুবারক জড়িয়ে ধরে ইরশাদ মুবারক করেন, “আয় বারে ইলাহী! আমি উনাকে মুহব্বত করি। আপনিও উনাকে মুহব্বত করুন। আর উনাকে যারা মুহব্বত করবে, উনাদেরকেও আপনি মুহব্বত করুন।” সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব। উনাকে মুহব্বতকারীদের জন্য সুসংবাদ আর উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীদের জন্য জাহান্নাম।
তাই সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনাকে সবকিছু থেকে; এমনকি জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করা এবং দায়িমীভাবে উনার ছানা-ছিফত মুবারক করা।
, ২৯ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৪ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব। উনাকে মুহব্বতকারীদের জন্য সুসংবাদ আর উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীদের জন্য জাহান্নাম।
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনাকে উনার কাঁধ মুবারক জড়িয়ে ধরে ইরশাদ মুবারক করেন, “আয় বারে ইলাহী! আমি উনাকে মুহব্বত করি। আপনিও উনাকে মুহব্বত করুন। আর উনাকে যারা মুহব্বত করবে, উনাদেরকেও আপনি মুহব্বত করুন।” সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা আমাকে মুহব্বত না করবে। আর তোমরা আমাকে মুহব্বত করতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত না করবে। আমি তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবো, যারা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবে। নাঊযুবিল্লাহ! আর আমি তাদের সাথে সন্ধি স্থাপন করবো, যারা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সন্ধি স্থাপন করবে। সুবহানাল্লাহ! তারা আমার শত্রু, যারা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে শত্রুতা পোষণ করবে। নাঊযুবিল্লাহ! সাবধান! যারা আমার মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে কষ্ট দিলো, তারা মূলত আমাকেই কষ্ট দিলো। নাঊযুবিল্লাহ! আর যারা আমাকে কষ্ট দিলো, তারা মূলত যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে কষ্ট দিলো। নাঊযুবিল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী পরিবার ও আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত নিয়ে ইন্তিকাল করবে, তাকে মালাকুল মউত হযরত আযরাইল আলাইহিস সালাম এবং হযরত মুনকার ও নাকীর ফেরেশতা আলাইহিমাস সালাম উনারা সম্মানিত জান্নাত উনার সুসংবাদ দিবেন।” আরেক বর্ণনায় বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহলু বাইত, আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বতের উপর ইন্তিকাল করবে। ঐ ব্যক্তিকে নববধূকে যেমনভাবে বাসর রাতে তার স্বামীর ঘরে প্রবেশ করানো হয়, তেমনিভাবে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে।” সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে এবং উনাদের যারা বংশধর, ক্বিয়ামত পর্যন্ত যমীনে অবস্থান করবেন উনাদেরকে যারা মুহব্বত করবে, তাদের সকলের জন্য পবিত্র জান্নাত ওয়াজিব।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, বিখ্যাত ছাহাবী হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-“যদি কোনো ব্যক্তি বাইতুল্লাহ শরীফ উনার হাজরে আসওয়াদ ও মাক্বামে ইবরাহীম উনার মধ্যে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করে এবং রোযাও রাখে, কিন্তু সে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি বিদ্বেষভাব রেখে মৃত্যুবরণ করে, নিশ্চয়ই সে জাহান্নামে যাবে।” নাউযুবিল্লাহ! অপর এক পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “যারা হযরত আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি বিদ্বেষভাব রেখে মৃত্যুবরণ করবে, তারা পবিত্র জান্নাত উনার সুগন্ধ পর্যন্ত পাবে না।” নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-“হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি যে ব্যক্তি বিদ্বেষভাব রাখবে, সে মুনাফিক।” নাউযুবিল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব। উনাকে মুহব্বতকারীদের জন্য সুসংবাদ আর উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীদের জন্য জাহান্নাম। তাই সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনাকে সবকিছু থেকে; এমনকি জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করা এবং দায়িমীভাবে উনার ছানা-ছিফত মুবারক করা।

মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যার সম্মুখে আমার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করা হয়, অথচ সে আমার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করে না, সে হালাক ও জাহান্নামী।’ নাউযুবিল্লাহ!
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক যতবার উচ্চারণ বা শ্রবণ করবে, ততবারই উনার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করা প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলার জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে বা শুনে উনার প্রতি যারা পবিত্র ছলাত শরীফ ও পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করে না বা করবে না, তাদের জন্য ধ্বংস ও জাহান্নাম অবধারিত। নাউযুবিল্লাহ!
যা মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সর্বোচ্চ পর্যায়ের মুহব্বত উনারই বহিঃপ্রকাশ। সুবহানাল্লাহ!
, ২৯ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৪ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক যতবার উচ্চারণ বা শ্রবণ করবে, ততবারই উনার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করা প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলার জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে বা শুনে উনার প্রতি যারা পবিত্র ছলাত শরীফ ও পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করে না বা করবে না, তাদের জন্য ধ্বংস ও জাহান্নাম অবধারিত। নাউযুবিল্লাহ!
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ হাবীব। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বতেই তামাম কায়িনাত সৃষ্টি করেন, উনার শান-মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক অনেক উঁচু করেছেন। অর্থাৎ এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন, এছাড়া সমস্ত ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক উনার অধিকারী। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক বর্ণনা করে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার সকল হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর মহাপবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করেন। হে ঈমানদারা! তোমরাও উনার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ ও মহাপবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করার মতো পাঠ করো। অর্থাৎ তা’যীম-তাকরীম মুবারক উনার সাথে পাঠ করো।” সুবহানাল্লাহ! এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় উল্লেখ আছে, প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলা উনাদের জন্য যতবারই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ বা শ্রবণ করবে, ততবারই উনার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ ও মহাপবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করা ফরয। কেননা মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আমভাবে অর্থাৎ বিনা শর্ত-শারায়িতেই বলা হয়েছে, যে ব্যক্তির সম্মুখে আমার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করা হয়, অথচ সে আমার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ ও মহাপবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করে না, সে ধ্বংস, সে জাহান্নামী। নাঊযুবিল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা প্রথমত প্রমাণিত হলো যে, যারা মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে, লিখে ও শ্রবণ করে উনার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ, মহাপবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করেনা, তারা নিশ্চিত হালাক ও জাহান্নামী। দ্বিতীয়ত প্রমাণিত হলো যে, মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক যতবারই উচ্চারণ, লেখা ও শ্রবণ করা হবে ততবারই মহাপবিত্র ছলাত শরীফ ও মহাপবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করা ফরয। যা উনার সীমাহীন ও বেমেছাল মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উনারই বহিঃপ্রকাশ। সুবহানাল্লাহ! কাজেই সকলের উচিত- এ বিষয়ে যথাযথ ইলম অর্জন করে তা আমলে বাস্তবায়ন করা। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুউচ্চ শান মুবারক সংক্রান্ত বিষয়গুলো সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা।

image

image