এহে মুসলমানেরা তোমরা জেনে রাখ!!
কাফের মুশরিকদের উপর মুসলমান কিভাবে বিজয় লাভ করবে বিস্তারিত জানুন।
# ৯০দিনব্যাপী মাহফিল

34 m

🌺এক নজরে- আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত পরিচিতি মুবারক-

🕋 সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ!

🌹মহাসম্মানিত ইসিম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!

🌹সম্মানিত কুনিয়াত মুবারক: আবূ মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আবূ আহমদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আবূ কুছাম আলাইহিস সালাম।

🌹সম্মানিত লক্বব মুবারক: যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম, আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মালিকু আহলি বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, সাইয়্যিদুল বাশার, মালিকুল জান্নাহ, আফযালুন নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এছাড়াও আরো অসংখ্য-অগণিত। সুবহানাল্লাহ!

🌹মহাসম্মানিত হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম: সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল মুত্ত্বালিব ইবনে হাশিম আলাইহিস সালাম। তিনি ছিলেন সমগ্র আরব ও সম্মানিত কুরাঈশ উনাদের সকলের সাইয়্যিদ এবং পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তিত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ!

🌹মহাসম্মানিতা হযরত আম্মাজান আলাইহাস সালাম: সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাত্বিমাহ বিনতে ‘আমর আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!

🌹বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ২রা রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতুস সাব্ত শরীফ (শনিবার রাতে)। সুবহানাল্লাহ!

🌹সম্মানিত দ্বীন: সাইয়্যিদুনা হযরত হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত দ্বীন অর্থাৎ দ্বীনে হানীফ। সুবহানাল্লাহ!

🌹বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ২রা মুহাররমুল
হারাম শরীফ ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ সকালে। সুবহানাল্লাহ!

🌹বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার সম্মানিত স্থান মুবারক: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

🌹মহাসম্মানিত রওযা শরীফ: মহাসম্মানিত আবওয়া শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

🌹সম্মানিত দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত অবস্থান মুবারক : ২৫ বছর ৬ মাস। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদুনা যাবীহুল্লাহ হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক তা’রীফ



মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,

قَلَّ لااسئلكم عَلَيْهِ أَجْرًا أَلَا المَوَدَّةَ فِي القُرْبَى

অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া। ” (পবিত্র সূরা শুরা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ-২৩)

মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত (ওয়ালিদ) পিতা উনার পবিত্র নাম মুবারক হলেন হযরত ‘আব্দুল্লাহ’ আলাইহিস সালাম। মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নিকট সবচেয়ে প্রিয় নাম মুবারক হচ্ছেন ‘আব্দুল্লাহ’ ও ‘আব্দুর রহমান’।

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান নাম মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সর্বাধিক প্রিয় ও পছন্দনীয়। সুবহানাল্লাহ। ” (মুসলিম শরীফ)

তবে তিনি ‘যাবীহুল্লাহ’ লক্বব মুবারকে মশহুর হয়েছেন বা পরিচিতি লাভ করেছেন।

সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত পিতা ছিলেন সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম। উনার সম্মানিত মাতা হচ্ছেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাতিমা বিনতে আমর আলাইহাস সালাম।

সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ছানা-ছিফত, ফযীলত বেমেছাল। কেননা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার জিসিম মুবারকে মাস, বছর অবস্থান করেছেন। যা বর্ণনার অপেক্ষা রাখে না।

সাইয়্যিদুনা হযরত আবু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ১৩ ভাই। উনারা হলেন-

১. হারিছ: তিনি পিতার বড় ছেলে ছিলেন। তিনি যমযম কূপ খননের সময় পিতাকে সহযোগিতা করেছেন। তিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার যুগ পাননি।

২. আবু ত্বালিব: যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম উনার প্রায় ৪২ বছর খিদমত মুবারক করেছেন। তিনি সুপারিশ পেয়ে জান্নাতী হবেন। (মুসলিম শরীফ)

৩. যাবীর: উনার কুনিয়াত আবুল হারিছ। তিনিও যমযম কূপ খননের কাজে শরীক ছিলেন।

৪. আব্দুল কা’বাহ: তিনি ছোটবেলাতেই লিখতে শিখেছিলেন।

৫. আম্মুর রসূল সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত হামযাহ আলাইহিস সালাম: তিনি জলীলুল ক্বদর ছাহাবী ছিলেন। তিনি উহুদ জিহাদে সম্মানিত শাহাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।

৬. আম্মুর রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত আব্বাস আলাইহিস সালাম: তিনি জলীলুল ক্বদর ছাহাবী ছিলেন।

৭. মুক্বাব্বিম: উনার কুনিয়াত আবূ বকর।

৮. হাজল: কেউ অন্য ক্বিরায়াতে জাহল পড়েছেন। উনার নাম মুগীরাহ। উনাকে ‘খালখাল’ও বলা হতো।

৯. দ্বিরার: তিনি কুরাইশদের সুদর্শন ও দানশীল যুবক ছিলেন।

১০. কুছাম: তিনি নাবালিগ অবস্থায় ইন্তিকাল করেন।

১১. আবু লাহাব: তার অপর নাম আব্দুল উযযা। তার ধ্বংসের ব্যাপারে পবিত্র সূরা লাহাব শরীফ নাযিল হয়।

১২. গাইদাক্ব: উনার নাম মুছআব। কেউ বলেন, নওফিল। তিনি অধিক দান করতেন এজন্য উনাকে গাইদাক্ব বলা হতো। কেননা তিনি কুরাইশদের মধ্যে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক ছিলেন এবং কুরাইশদের মধ্যে অধিক দানশীল ছিলেন।

১৩. আবু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ যবীহুল্লাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম।

(সুবুলুল হুদা ১১তম খ- ৮২ পৃষ্ঠা, হালাবিয়াহ ৩য় খ- ৪০০ পৃষ্ঠা, শরহুয যারকানী ৪ খ- ৪৬৪, ৪৬৫ পৃষ্ঠা)

সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার বোন ছিলেন ৬ জন। উনারা হলেন-

১. উম্মু হাকীম: উনার নাম মুবারক ছিল বাইদ্বা।

২. আতিক্বাহ: কারো মতে, তিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।

৩. বাররাহ।

৪. আরওয়া: কারো কারো মতে, তিনিও পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।

৫. আমীমাহ।

৬. আম্মাতুর রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছফিয়্যাহ আলাইহাস সালাম: তিনি হযরত যুবাইর ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাতা ছিলেন। তিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন এবং পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে হিজরত মুবারক করেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালে তিনি পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন।

(আস সীরাতুল হালাবিয়া ৩য় খ- ৪০০ পৃষ্ঠা, শরহুয যারক্বানী ৪র্থ খ- ৪৮৮ পৃষ্ঠা)

সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিতা ছহিবাহ তথা জাওযাতুম মুকররমাহ ছিলেন উম্মু রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত আমিনা বিনতে ওহহাব আলাইহাস সালাম। যিনি হচ্ছেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিতা মাতা। তিনি ছিলেন সম্মানিত কুরাইশ বংশীয়। সাইয়্যিদুনা হযরত আবু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জিসিম মুবারকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূর মুবারক অবস্থান করছিলেন। এজন্য দেখা গেছে যে, সাইয়্যিদুনা হযরত আবু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চেহারা মুবারক অত্যন্ত নূরানীময় ছিলো সদাসর্বদাই জ্যোৎস্নার চাঁদের ন্যায় জ্বলজ্বল করতো এবং উনার জিসিম মুবারক থেকে নূর বিচ্ছুরিত হতো। সুবহানাল্লাহ! তিনি সকলের কাছেই সবচেয়ে প্রিয় ও পছন্দনীয় ছিলেন।

image

আমি আমার গাড়ির নাম দিয়েছি
মামদূজি পরিবহন
কেমন হয়েছে

🌺এক নজরে- আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত পরিচিতি মুবারক-
🕋 সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
🌹মহাসম্মানিত ইসিম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
🌹সম্মানিত কুনিয়াত মুবারক: আবূ মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আবূ আহমদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আবূ কুছাম আলাইহিস সালাম।
🌹সম্মানিত লক্বব মুবারক: যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম, আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মালিকু আহলি বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম, সাইয়্যিদুল বাশার, মালিকুল জান্নাহ, আফযালুন নাস বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এছাড়াও আরো অসংখ্য-অগণিত। সুবহানাল্লাহ!
🌹মহাসম্মানিত হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম: সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল মুত্ত্বালিব ইবনে হাশিম আলাইহিস সালাম। তিনি ছিলেন সমগ্র আরব ও সম্মানিত কুরাঈশ উনাদের সকলের সাইয়্যিদ এবং পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তিত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
🌹মহাসম্মানিতা হযরত আম্মাজান আলাইহাস সালাম: সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাত্বিমাহ বিনতে ‘আমর আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
🌹বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ: ২রা রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতুস সাব্ত শরীফ (শনিবার রাতে)। সুবহানাল্লাহ!
🌹সম্মানিত দ্বীন: সাইয়্যিদুনা হযরত হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত দ্বীন অর্থাৎ দ্বীনে হানীফ। সুবহানাল্লাহ!
🌹বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ: ২রা মুহাররমুল হারাম শরীফ ইয়াওমুল জুমুয়াহ শরীফ সকালে। সুবহানাল্লাহ!
🌹বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার সম্মানিত স্থান মুবারক: মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
🌹মহাসম্মানিত রওযা শরীফ: মহাসম্মানিত আবওয়া শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
🌹সম্মানিত দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত অবস্থান মুবারক : ২৫ বছর ৬ মাস। সুবহানাল্লাহ!

image

1 h

📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️

📅 তারিখ: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
⏰ সময়: ০৯:০৫ PM

#alhikmah24 #live
#alhikmah #live

কাফন চোরের নাযাত লাভ। নছীহতে: সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম।

সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-
পুরুষ-মহিলা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো, সৎকাজে আদেশ করা এবং অসৎকাজে নিষেধ করা। অর্থাৎ সর্বোত্তম সৎকাজ হলো পবিত্র সুন্নত মুবারক। তাই, প্রত্যেককেই পবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করতে হবে এবং অপরকে পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনে আদেশ ও উৎসাহিত করতে হবে। সাথে সাথে বিদয়াত-বেশরা ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার খিলাফ সব কাজ ছেড়ে দিতে হবে এবং বেশরা-বিদয়াত কাজে বাধা দিতে হবে।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ-
তোমাদের কেউ যখন অসৎকাজ অর্থাৎ পবিত্র শরীয়ত বিরোধী কোন কাজ দেখবে, তখন হাতে বাধা দিবে। হাতে বাধা দিতে না পারলে মুখে বাধা দিবে। আর মুখে বাধা দিতে না পারলে অন্তরে খারাপ জেনে দূরে সরে থাকবে। এরপরে ঈমানের আর কোন স্তর নেই।

মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তা‘আলা জাল্লা শানুহূ উনার মহাপবিত্র কালাম শরীফ-
তোমাদেরকে শ্রেষ্ঠ উম্মত হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তোমরা সৎকাজে আদেশ করবে
এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে।

সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
কুফরীর কারণে সমস্ত নেক আমল বরবাদ হলেও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উনার শান মুবারকে খুশি প্রকাশ করলে অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করলে উক্ত আমলের প্রতিদান কখনো নষ্ট হয়না। তাই, মুসলমান পুরুষ-মহিলা প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- সর্বাবস্থায় সর্বক্ষেত্রে সর্বাধিক মুহব্বত ও গুরুত্বের সাথে সার্বিকভাবে পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা।