মন্তব্য কলাম""
২০১৬ সালেই সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্র বন্দর হওয়ার কথা ছিলো।
এবং তখন থেকে এর সুফল ও সমৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হওয়ার কথা ছিলো।
কিন্তু আমেরিকা ও ভারতের তা পছন্দ না হওয়ায় সেটা হয়নি। তাতে চীন মায়ানমারে গভীর সমুদ্র বন্দর করে দেয়। এবং মায়ানমার সে সুবিধা নেয়।
এখন জাপানের অর্থায়নে মাতারবাড়ীতে যে সমুদ্র বন্দর হচ্ছে তার সুফল—সমৃদ্ধি নিবে ভারত।
‘সবার আগে বাংলাদেশ না হয়ে’ ‘হচ্ছে সবার আগে ভারত’— বাংলাদেশের মালিক জনগণ মোটেই তা ভালোভাবে নিচ্ছে না। প্রতিশ্রম্নত গণতন্ত্র থাকছে না। ফ্যাসিস্টের পূনরাবৃত্তি হচ্ছে।

image

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যদি তোমরা অর্থাৎ মুসলমানগণ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত থাকো এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হও, তবে কাফির-মুশরিক অর্থাৎ ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসীসহ সমস্ত বিধর্মীদের কোনো ষড়যন্ত্রই তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’ সুবহানাল্লাহ!
বর্তমানে মুসলমানরা যে সারাবিশ্বে ইহুদী-নাছারাদের দ্বারা যুলুম ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তার একটাই কারণ- মুসলমানরা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। নাঊযুবিল্লাহ!¬ অতএব, সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা জ্বীন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া।
তাহলে মুসলমানদের উপর থেকে এই চরম অশান্তি দূর হয়ে যাবে এবং সমস্ত কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের অধীন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ!
, ২৩ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৬ সাদিস, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৪ নভেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
বর্তমানে মুসলমানরা যে সারাবিশ্বে ইহুদী-নাছারাদের দ্বারা যুলুম ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তার একটাই কারণ- মুসলমানরা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। নাঊযুবিল্লাহ!¬ অতএব, সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা জ্বীন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া।
আল-ইহসান প্রতিবেদন:

ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যমীনে এবং পানিতে যত ফিতনা-ফাসাদ সৃষ্টি হয়ে থাকে সব মানুষের হাতের কামাই।” আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের মাঝে দুটি সম্মানিত বিশেষ নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি। যতদিন পর্যন্ত তোমরা এই দুটি সম্মানিত বিশেষ নিয়ামত মুবারক অঁাঁকড়িয়ে ধরে রাখবে, ততদিন যাবৎ তোমরা গোমরাহ হবে না, পথভ্রষ্ট হবে না, ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। আর সেই দুটি সম্মানিত বিশেষ নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন, এক. পবিত্র কুরআন শরীফ ও দুই. পবিত্র সুন্নাহ শরীফ।” সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, বর্তমানে মুসলমান উনারা যে সারা বিশ্বে যুলুম-নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তার একটাই কারণ মুসলমানগণ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে অনেক দূরে সরে গেছেন। তাই মুসলমান উনাদের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তাওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া। তাহলে মুসলমান উনাদের উপর থেকে এই চরম অশান্তি দূর হয়ে যাবে এবং সমস্ত কাফির-মুশরিকরা মুসলমান উনাদের অধীন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি ‘আবূ দাঊদ শরীফ, দালাইলুন নুবুওওয়াহ লিল বাইহাক্বী শরীফ, শরহুস সুন্নাহ শরীফ, মুসনাদে শামিয়্যীন শরীফ, দায়লামী শরীফ, জামি‘উল উছূল শরীফ, মিশকাত শরীফ ইত্যাদি’ কিতাবের বরাত দিয়ে বলেন, হযরত ছাওবান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিকট ভবিষ্যতে মুসলমান উনাদের বিরুদ্ধে, মুসলমান উনাদের ক্ষতি সাধন করার জন্য বিশ্বের অন্যান্য জাতিরা তথা ইহুদী, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজূসী, মুশরিকরা একে অপরকে আহ্বান করবে। যেমন খাদ্যগ্রহণকারী খাবারের পাত্রের দিকে অন্যান্যদেরকে আহ্বান করে থাকে (অর্থাৎ তারা মুসলমান উনাদের পরিপূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাইবে।) নাউযুবিল্লাহ! বর্ণনাকারী বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এরূপ বাণী মুবারক শুনে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের মধ্য থেকে একজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এটা কি এই জন্য হবে যে, মুসলমান উনারা সেই সময় সংখ্যায় কম হবেন? সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, না; বরং মুসলমান সেই সময় সংখ্যায় অনেক বেশি হবে। কিন্তু মুসলমানদের অবস্থা হবে স্রোতে ভেসে যাওয়া পানির বুদ বুদের ন্যায়। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমানদের আমলের কারণে অর্থাৎ মুসলমানগণ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে, শত্রুদের অন্তর থেকে মুসলমানদের প্রতি শত্রুদের যে ভয়-ভীতি ছিল তা দূর হয়ে যাবে। মুসলমানদের অন্তরে ‘ওয়াহন’ পয়দা হবে। তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্য থেকে একজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ‘ওয়াহন’ কী? তিনি বললেন, দুনিয়ার মুহব্বত এবং মৃত্যুকে অপছন্দ করা (অর্থাৎ দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার আকাঙ্খা)।”

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, বর্তমানে সেটাই দেখা যাচ্ছে যে, সমস্ত কাফির, মুশরিক, ইহুদী, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজূসী, মুনাফিকরা সম্মানিত মুসলমান উনাদেরকে দুনিয়ার যমীন থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার জন্য একত্রিত হয়েছে। যার কারণে তারা একত্রিত হয়ে সারা বিশ্বের মুসলমান উনাদের উপর একের পর এক অবর্ণনীয় কঠিন যুলুম-নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে এবং একটার পর একটা মুসলিম দেশে আক্রমণ করে সেখানে নানান ফিতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ! বর্তমানে আমাদের দেশে যে কঠিন পরিস্থিতি বিরাজ করছে, এটাও তাদের সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্রেরই ফসল। তারা চেয়েছিল- ১৪৪৫ হিজরী আসার পূর্বেই সারা পৃথিবী দখল করে নিবে। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু তাদের এই স¦প্ন কস্মিনকালেও পূর্ণ হবে না ইনশাআল্লাহ। বর্তমানে তারা একের পর এক খোদায়ী আযাব-গযবে পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে এবং অতিশীঘ্রই তারা পরিপূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ! শুধু তাই নয়, তারা সম্মানিত মুসলমান উনাদের খাদেমে পরিণত হবে। ইনশাআল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, তাই মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তাওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া। তাহলে মুসলমান উনাদের উপর থেকে এই চরম অশান্তি দূর হয়ে যাবে এবং সমস্ত কাফির-মুশরিকরা সম্মানিত মুসলমান উনাদের অধীন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ!

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান রব তায়ালা তিনি যা নাযিল করেছেন আপনি সেই অনুযায়ী অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী তাদেরকে তাদের সর্ববিষয় (অর্থাৎ ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক তা শিক্ষা ব্যবস্থা হোক, অর্থ ব্যবস্থা হোক, আইন বা শাসন ব্যবস্থা হোক প্রতিটি ক্ষেত্রে ফায়ছালা করতে এবং) পরিচালনা করতে বলুন।’
শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান এবং রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনাদের এই দেশে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ীই শাসনকার্যসহ সর্বপ্রকার কার্যপরিচালিত হবে। এটাই এ দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানরা মনে-প্রাণে চেয়ে থাকে এবং এটাই তাদের একান্ত দাবি। তাই বাংলাদেশের সংবিধানে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী যত আইন রয়েছে তা বাদ দিয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী সংবিধান রচনা করতে হবে।
সরকারের উচিত এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
, ২৩ জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৬ সাদিস, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৪ নভেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ১৯ কার্তিক, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান এবং রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনাদের এই দেশে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ীই শাসনকার্যসহ সর্বপ্রকার কার্যপরিচালিত হবে। এটাই এ দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানরা মনে-প্রাণে চেয়ে থাকে এবং এটাই তাদের একান্ত দাবি। তাই বাংলাদেশের সংবিধানে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী যত আইন রয়েছে তা বাদ দিয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী সংবিধান রচনা করতে হবে।
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পরিপূর্ণরূপে দাখিল হও। তোমরা কখনো শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।”

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা নিয়ে এসেছেন তা তোমরা আঁকড়িয়ে ধরো এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন তা থেকে বিরত থাকো। আর এই ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা।”

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিকসহ সর্বক্ষেত্রে, তা শিক্ষা ব্যবস্থা হোক, অর্থ ব্যবস্থা হোক অথবা আইন বা শাসন ব্যবস্থা হোক প্রতিটি ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের অনুসরণ করা। কোনোক্রমেই পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের অনুসরণ-অনুকরণ থেকে এক মুহূর্তের তরেও গাফিল হওয়া যাবে না।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান রব তায়ালা তিনি যা নাযিল করেছেন সেই অনুযায়ী তথা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী তাদেরকে তাদের সর্ববিষয় (অর্থাৎ ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক তা শিক্ষা ব্যবস্থা হোক, অর্থ ব্যবস্থা হোক, আইন বা শাসন ব্যবস্থা হোক প্রতিটি ক্ষেত্রে ফায়ছালা করতে এবং) পরিচালনা করতে বলুন।’

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান এবং রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনাদের এই দেশে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ীই সর্ববিষয় পরিচালনা করতে হবে। তা শিক্ষা ব্যবস্থা হোক, অর্থ ব্যবস্থা হোক, আইন বা শাসন ব্যবস্থা হোক তা ব্যক্তিগত বিষয় থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক সর্বক্ষেত্রেই পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী পরিচালনা করতে হবে। এটাই এ দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানরা মনে-প্রাণে চেয়ে থাকে এবং এটাই তাদের একান্ত দাবি। তাই বাংলাদেশের সংবিধানে পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ বিরোধী যত আইন রয়েছে তা বাদ দিয়ে পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী সংবিধান রচনা করতে হবে। সরকারকে এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক যাকে হিদায়েত দিতে চান ,উনাকে এমন একটা কিতাব পড়ার তৌফিক দেন,যার মধ্যে উনার জন্য হিদায়েত রয়েছে(মহাসম্মানীত মহাপবিত্র শায়খ ও মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম) ১

অনুকরণীয় আলেম, সুফি গুরু, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে জাফর আল-বাগদাদি, আল-কাত্তানি।
উনার নছিহত মুবারকগুলো উপস্থাপন করা হল:

১: “যে ব্যক্তি এই মরুভূমিতে প্রবেশ করে, তার চারটি জিনিস প্রয়োজন: তাকে রক্ষা করার জন্য একটি মানসিক অবস্থা, তাকে পথ দেখানোর জন্য জ্ঞান, তাকে সংযত রাখার জন্য ধার্মিকতা এবং তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য আল্লাহর স্মরণ।”
তিনি আরও বলেছেন: “সুফিবাদ হলো চরিত্র; যে ব্যক্তি চরিত্রে তোমাকে ছাড়িয়ে যায়, সে সুফিবাদেও তোমাকে ছাড়িয়ে যায়।”
এবং তাঁর সূত্রে তিনি বলেছেন: “সাধকের রীতি হলো এই যে, তার ঘুম হবে প্রয়োজনের তাগিদে, তার খাওয়া হবে প্রয়োজনের তাগিদে এবং তার কথা হবে প্রয়োজনের তাগিদে।”
আমি বললাম: হ্যাঁ, এটা সত্য যে সত্যবাদী ব্যক্তির উচিত তার কথাবার্তা, খাওয়া, ঘুমানো এবং মেলামেশা কমিয়ে আনা এবং আল্লাহর স্মরণ, বিনয়, মৃত্যুর স্মরণ এবং "আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি বা সামর্থ্য নেই" এই কথা বলা বাড়িয়ে তোলা।
বলা হয় যে, আল-কাত্তানি কাবা প্রদক্ষিণকালে বারো হাজার বার কুরআন তেলাওয়াত সম্পন্ন করেছিলেন এবং তিনি সাধুদের মধ্যে একজন ছিলেন।
তিনি ৩২২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আবার এও বলা হয় যে, তিনি ৩২৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন।
মূলত বাগদাদের অধিবাসী ছিলেন। তিনি আল-জুনাইদ, আবু সা'ঈদ আল-খাররাজ এবং আবু
আল-হুসাইন আল-নূরীর সাহাবী ছিলেন। তিনি আমৃত্যু মক্কায় প্রতিবেশী হিসেবে বসবাস করতেন। তিনি ইমামদের অন্যতম ছিলেন।

আমি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-রাযীকে বলতে শুনেছি, “আমি মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-কাত্তানিকে বলতে শুনেছি, ‘আল্লাহর একটি গোপন বাতাস আছে, যার নাম আল-সুবাইহা’।” আরশের নিচে, ভোরের আলো ফোটার সময়, একটি মৃদু বাতাস বয়ে যায়, যা সর্বশক্তিমান বাদশাহর কাছে ক্ষমার জন্য প্রার্থনা ও দোয়া বয়ে নিয়ে যায়।

তিনি বলেছেন, এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, “যদি তোমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে সাফল্য চাও, তবে কাজ দিয়ে শুরু করো।”

তিনি বলেছেন, এবং তাঁর কয়েকজন শিষ্য তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আমাকে উপদেশ দিন।” তিনি বললেন, “মানুষকে যেমন দেখো, তেমন হও, অথবা মানুষকে দেখাও তুমি আসলে কী।”
তিনি
বলেছেন, এবং আল-কাত্তানি বলেছেন, “এই দুনিয়ায় থাকো তোমার শরীর নিয়ে এবং পরকালে থাকো তোমার হৃদয় নিয়ে।”

তিনি বলেছেন, এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, “ক্ষমা চাওয়ার জায়গায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা পাপ, এবং কৃতজ্ঞতার জায়গায় ক্ষমা চাওয়াও পাপ।”

তিনি বলেছেন, এবং আমি আল-কাত্তানিকে বলতে শুনেছি, "কী চমৎকার, কী চমৎকার, যখন কেউ মনোযোগ দেয়..." পার্থিব কামনা-বাসনা থেকে উদাসীনতা ও অনাসক্তি এবং বিচ্ছেদের ভয়ে কম্পিত হওয়া, মানুষ ও জিনের উপাসনার চেয়ে উত্তম।
তিনি বলেছেন
, এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, “সত্য থেকে প্রদানের অস্তিত্ব হলো সত্য কর্তৃক সত্যের সাক্ষ্যদান, কারণ সত্যই সবকিছুর প্রমাণ, এবং তা ছাড়া কোনো কিছুই এর প্রমাণ হতে পারে না।”

তিনি বলেছেন, এবং আল-কাত্তানিকে বৈরাগ্যের বাস্তবতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “এটি হলো কোনো কিছুর ক্ষতি, তা হারানোর মধ্যে হৃদয়ের আনন্দ, মৃত্যু পর্যন্ত সাধনায় অবিচল থাকা এবং অপমানের ধৈর্যশীল সহনশীলতা।” আর মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর সঙ্গেই সন্তুষ্ট থাকো।
তিনি বললেন, এবং আল-কাত্তানিকে জিজ্ঞাসা করা হলো, “জ্ঞানী কে?” তিনি বললেন, “তিনিই যিনি তাঁর জ্ঞাত সত্তার আদেশ-নির্দেশে তাঁর সাথে একমত হন এবং তাঁর কোনো অবস্থাতেই তাঁর বিরোধিতা করেন না, এবং তাঁর সাধু-সন্তদের প্রতি ভালোবাসার দ্বারা নিজেকে তাঁর প্রিয়পাত্র করেন, এবং এক মুহূর্তের জন্যও তাঁকে স্মরণ করা থেকে বিরত থাকেন না।”

তিনি বললেন, এবং আমি আল-কাত্তানিকে বলতে শুনেছি, “সুফিরা
বাহ্যিক রূপের দাস কিন্তু অন্তরে স্বাধীন।”
তিনি বললেন, এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, “সাধারণ মানুষের শ্রবণ তাদের স্বভাব অনুসরণের উপর ভিত্তি করে হয়, অন্বেষণকারীদের শ্রবণ আকাঙ্ক্ষা ও ভয়ের উপর ভিত্তি করে হয়, সাধু-সন্তদের শ্রবণ নেয়ামত ও অনুগ্রহ দেখার উপর ভিত্তি করে হয়, জ্ঞানীদের শ্রবণ প্রত্যক্ষ করার উপর ভিত্তি করে হয়, এবং সত্যবাদীদের শ্রবণ উন্মোচন ও প্রত্যক্ষ দর্শনের উপর ভিত্তি করে হয়।” এবং এই প্রতিটি উৎস ও স্তরের জন্য তিনি
বললেন, এবং আমি আল-কাত্তানিকে বলতে শুনেছি, “উৎসগুলো আসে এবং একটি রূপ বা সাদৃশ্য খুঁজে পায়।” সুতরাং, যে কোনো উৎস যা কোনো রূপ খুঁজে পায়, তা তার সাথে মিশে যায়, এবং যে কোনো উৎস যা

সাদৃশ্য খুঁজে পায়, তা তার সাথে স্থির হয়।” তিনি বললেন, এবং আমি আল-কাত্তানিকে বলতে শুনেছি, “শ্রোতার তা শোনার প্রতি আগ্রহী হওয়া উচিত নয়, আর এই শোনা যেন তার অন্তরে এমন কোনো আকুতি, তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা প্রবল শক্তি জাগিয়ে না তোলে, যা তাকে তার পরিচিত ও বাসযোগ্য সবকিছু থেকে গ্রাস করে ফেলে।” এবং এরপর তিনি আবৃত্তি করলেন:
“আকুতি ও তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমার স্থানে রয়েছে… তারা আমাকে
স্থির হতে বাধা দিয়েছে। তারা আমার সাথে আছে, তারা আমাকে ছেড়ে যায় না… এটাই আমার প্রতীক এবং এটাই আমার চাদর।”

তিনি বললেন, এবং আবু বকর আল-কাত্তানি বললেন, “আল্লাহ তাঁর কিছু বান্দার দিকে তাকালেন এবং তাদেরকে তাঁকে জানার যোগ্য মনে করলেন না, তাই তিনি তাদেরকে তাঁর সেবায় নিযুক্ত করলেন।”

আমি আবু বকর আল-রাযীকে বলতে শুনেছি: মুহাম্মাদ ইবনে আলী আল-কাত্তানি সাদা চুল ও দাড়িওয়ালা এক বৃদ্ধকে প্রশ্ন করতে দেখে বললেন, “এই সেই ব্যক্তি যে তার যৌবনে আল্লাহর আদেশ-নির্দেশ উপেক্ষা করেছিল, তাই আল্লাহও তার বার্ধক্যে তাকে উপেক্ষা করেছেন।”


যদি আল্লাহর প্রতি কারো প্রয়োজন খাঁটি হয়, তবে তাঁর মাধ্যমে তার স্বয়ংসম্পূর্ণতাও খাঁটি হয়, কারণ এই দুটি অবস্থা এবং একটি ছাড়া অন্যটি সম্পূর্ণ হতে পারে না।

আমি আবু আল-হুসাইন আল-ফারিসীকে বলতে শুনেছি: আমি আল-কাত্তানিকে বলতে শুনেছি: উদাসীনরা আল্লাহর সহনশীলতায় বাস করে, যারা তাঁকে স্মরণ করে তারা আল্লাহর করুণায় বাস করে, যারা তাঁকে জানে তারা আল্লাহর দয়ায় বাস করে এবং সত্যবাদীরা আল্লাহর নৈকট্যে বাস করে।

আমি আহমদ ইবনে আলী ইবনে জা'ফরকে বলতে শুনেছি: আল-কাত্তানীকে এমন সুন্নাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, যে বিষয়ে কোনো আলেম দ্বিমত পোষণ করেন না। তিনি বলেন: বৈরাগ্য, দুনিয়ার বৈরাগ্য, উদার মানসিকতা এবং মানুষকে আন্তরিক উপদেশ প্রদান।

তিনি বলেন: আমি আবু বকর আল-কাত্তানীকে বলতে শুনেছি: যার একমাত্র চিন্তা আল্লাহ, এই পৃথিবীতে কোনো কিছুই তাকে তা থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না, এবং সে তার অল্প বা বেশি কোনো কিছুর দ্বারাই মোহিত হবে না।

তিনি বলেন: আল-কাত্তানীকে ধার্মিক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: সে-ই সেই ব্যক্তি, যে সাধারণ মানুষের ব্যস্ত থাকা বিষয়গুলো, যেমন কামনা-বাসনার অনুসরণ এবং সীমালঙ্ঘন, পরিহার করে এবং আল্লাহর বিধান মেনে চলে, দৃঢ় বিশ্বাসের স্বস্তিতে সান্ত্বনা খুঁজে নেয়, আল্লাহর উপর ভরসার স্তম্ভের উপর নির্ভর করে এবং প্রতিটি পরিস্থিতিতে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছ থেকে আশীর্বাদ লাভ করে। তিনি এ বিষয়ে অনবগত ছিলেন না।

তিনি বলেন, এবং আবু বকর আল-কাত্তানিকে সুফি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “তিনিই সেই ব্যক্তি, যার আত্মা পরিশুদ্ধির জন্য দুনিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, যার উচ্চাকাঙ্ক্ষা পরকালের ঊর্ধ্বে উঠেছে, এবং যার আত্মা সেই সত্তার অন্বেষণ ও আকাঙ্ক্ষায় উদারভাবে সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছে, যাঁর সবকিছু।” তিনি
বলেন, এবং মুহাম্মদ বিন আলী আল-কাত্তানিকে বলেন, “যখন কোনো গোপন বিষয়ের উপর সত্যের বাস্তবতা প্রকাশিত হয়, তখন তা থেকে সন্দেহ ও আশা দূর হয়ে যায়, কারণ যখন সত্য কোনো গোপন বিষয়কে অধিকার করে, তখন তা তাকে জয় করে নেয় এবং তার সাথে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না।”
তিনি বলেন, এবং আল-কাত্তানি বলেন, “আল্লাহর জ্ঞান তাঁর ইবাদতের চেয়েও অধিকতর পরিপূর্ণ
।” (তাবাকাত আল-সুফিয়্যা - আবু আব্দুল রহমান আস-সুলামি রচিত)









আমি মুহাম্মদ ইবনে আলি আল-কাত্তানি আবু বকরের সাথে ছিলাম, যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো: গল্প আলোচনার উপকারিতা কী? তিনি বললেন: গল্পগুলো হলো আল্লাহর সৈন্যদের মধ্য থেকে সৈনিক, যার দ্বারা অন্বেষণকারীদের শরীর শক্তিশালী হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো:
এর কোনো প্রমাণ আছে কি? তিনি বললেন: হ্যাঁ! আল্লাহ তাআলা বলেছেন: আর রাসূলদের সংবাদ থেকে আমি তোমাকে যা কিছু জানাই, তা তোমার অন্তরকে শক্তিশালী করার জন্যই [হুদ ১২০]।



সুফিবাদ হলো চরিত্র; যে চরিত্রে তোমাকে ছাড়িয়ে যায়, সে সুফিবাদেও তোমাকে ছাড়িয়ে যায়।

: যে আরামের মাধ্যমে আরাম খোঁজে, সে কোনো আরাম পাবে না।

—যখন তাঁকে তওবা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল—তিনি বলেছেন: “তা হলো সমস্ত নিন্দনীয় বিষয় থেকে মুখ ফিরিয়ে সমস্ত প্রশংসার যোগ্য বিষয়ের দিকে ফেরা, তারপর কষ্ট সহ্য করা, তারপর চেষ্টা করা, তারপর অবিচল থাকা, তারপর হেদায়েতপ্রাপ্ত হওয়া, তারপর আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণাময় সাহায্য লাভ করা।”


আমি ইবনে আল-ফারাজিকে জিজ্ঞাসা করলাম, এই বলে: “আল্লাহর একটি নির্বাচিত দল আছে, এবং আল্লাহর একটি মনোনীত দল আছে। তাহলে একজন বান্দা কখন জানবে যে সে আল্লাহর নির্বাচিত দলের অন্তর্ভুক্ত এবং আল্লাহর মনোনীত দলের অন্তর্ভুক্ত?” তিনি বললেন: “আপনি এটা কীভাবে ভাবলেন?” আমি বললাম: “এটা আমার মুখ ফসকে বেরিয়ে গেছে।” তিনি বললেন: “যখন সে আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে, আনুগত্যে নিজেকে উৎসর্গ করে, মর্যাদার দীনতাকে ভালোবাসে, এবং তার কাছে প্রশংসা ও নিন্দা সমান হয়ে যায়।”


আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-কাত্তানী, মূলত বাগদাদের অধিবাসী, আল-জুনাইদ, আল-খাররাজ এবং আল-নূরীর সাহাবী ছিলেন এবং ৩২২ হিজরিতে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত মক্কায় বসবাস করতেন।

কুপ্রবৃত্তি হলো শয়তানের লাগাম; যে এর লাগাম ধরে, সে তার দাস হয়ে যায়।
আল-রিসালাহ আল-কুশাইরিয়্যাহ,
লেখক: আব্দুল করিম ইবনে হাওয়াযিন ইবনে আব্দুল মালিক আল-কুশাইরী

image

image

image

image

image

image