image

image

image

image

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিশ্চয়ই আমি আপনাকে উপস্থিত বা সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদ দানকারী এবং সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি।”
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মুবাশশির বা সুসংবাদদাতা। যারা খুশি প্রকাশের লক্ষ্যে উনার দিকে রুজু হয় তাদের জন্য তিনি সুসংবাদ প্রদান করেন আর যারা রুজু হয় না তাদের ভয় প্রদর্শন বা সতর্ক করেন।
তাই প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরযে আইন হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাযির-নাযির হিসেবে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে উনার দিকে হাক্বীক্বীভাবে রুজু হওয়া।
, ১৭ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০২ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ৩১ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মুবাশশির বা সুসংবাদদাতা। যারা খুশি প্রকাশের লক্ষ্যে উনার দিকে রুজু হয় তাদের জন্য তিনি সুসংবাদ প্রদান করেন আর যারা রুজু হয় না তাদের ভয় প্রদর্শন বা সতর্ক করেন।
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক সবচেয়ে বড়।” অন্যত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (উনারাই সন্তুষ্টি মুবারক লাভের) অধিক হক্বদার বা উপযুক্ত, যদি তারা মুমিন হয়ে থাকে, তাহলে যেন মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সন্তষ্ট করে। অর্থাৎ প্রত্যেক মুমিনের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সন্তুষ্ট করা বা খুশি করা। কেননা উনারাই এ বিষয়ে অধিক হক্বদার। যেহেতু মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারকই বড়। আর এই সন্তুষ্টি মুবারক পেতে হলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেও সন্তুষ্ট করতে হবে। তাই এ পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা মহান আল্লাহ পাক তিনি মুমিনদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনাকে সন্তুষ্ট করার সাথে সাথে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেও সন্তুষ্ট করার আদেশ মুবারক করে উনার দিকে রুজু করে দিয়েছেন।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, এ জন্য মহান আল্লাহ তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিশ্চয়ই আমি আপনাকে উপস্থিত বা সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদ দানকারী এবং সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি। যাতে তোমরা (বান্দারা) মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি এবং উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান আনো এবং উনাকে সম্মান করো এবং উনার গোলামীর আনজাম দাও এবং উনার ছানা ছিফত মুবারক করো সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়েমীভাবে।” এখানে বলা হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উপস্থিত বা সাক্ষ্যদাতা। যারা খুশি প্রকাশের লক্ষ্যে উনার দিকে রুজু হয় তাদের জন্য তিনি সুসংবাদ প্রদান করেন আর যারা রুজু হয় না তাদের ভয় প্রদর্শন বা সতর্ক করেন। তারা (বান্দারা) যেন মহান আল্লাহ পাক উনাকে বিশ্বাস করার সাথে সাথে উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেও বিশ্বাস করে এবং সম্মান করে, উনার গোলামীতে আনজাম দেয় এবং সকাল সন্ধ্যা উনার মুবারক ছানা-ছিফতে মশগুল থাকে। যারা এরুপ আমল করবে তাদের পক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা সম্ভব হবে।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, বান্দাদেরকে স্মরণ রাখতে হবে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উপস্থিত বা হাযির-নাযির। তিনি প্রত্যেকের আমল দেখেন, কে আমল করে আর কে করে না। এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “(মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি তাদেরকে বলুন, তোমরা আমল করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি, উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মনোনীত খাছ বান্দাহগণ তোমাদের আমলসমূহ দেখেন। আলিমুল গইব ওয়াশ শাহাদাহ মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অতিশীঘ্রই তোমরা প্রত্যাবর্তন করবে। অতপর, তোমরা যে আমল করো, সে সম্পর্কে তোমাদেরকে সংবাদ জানানো হবে।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, শাহিদুন নবী নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরিশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এ দুনিয়াকে আমার সামনে এরূপভাবে তুলে ধরেছেন যে, এ দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু সৃষ্টি হবে সবকিছু আমি এরূপভাবে দেখি যেভাবে আমার হাতের তালু মুবারককে দেখে থাকি। সুবহানাল্লাহ।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মুবাশশির বা সুসংবাদদাতা। যারা খুশি প্রকাশের লক্ষ্যে উনার দিকে রুজু হয় তাদের জন্য তিনি সুসংবাদ প্রদান করেন আর যারা রুজু হয় না তাদের ভয় প্রদর্শন বা সতর্ক করেন। তাই প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরযে আইন হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাযির-নাযির হিসেবে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে উনার দিকে হাক্বীক্বীভাবে রুজু হওয়া। উনাকে পাওয়ার কারণে আমল করার মাধ্যমে খুশি প্রকাশ করা। বান্দাদের পক্ষে আমল করা তখনই সম্ভব হবে যখন তারা পবিত্র দ্বীন ইসলামে পরিপূর্ণভাবে দাখিল হবে।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কোন ব্যক্তি যদি সম্মানিত রুকনে ইয়ামেন এবং সম্মানিত মাক্বামে ইবরাহীম শরীফ উনাদের মধ্যবর্তী স্থানে সারিবদ্ধ হয়ে থাকে। অতঃপর নামায পড়ে এবং রোযা রাখে। কিন্তু এই অবস্থায় তার মৃত্যু হয় যে, সে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে, তাহলে সে অবশ্যই জাহান্নামে প্রবেশ করবে।” নাঊযুবিল্লাহ!
আজ সুমহান বরকতময় সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১৭ তারিখ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ শাফিয়িল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
তাই সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের সম্মানার্থে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার আয়োজন করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিলের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনাদের মহাপবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।
, ১৭ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০২ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ৩১ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আজ সুমহান বরকতময় সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১৭ তারিখ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ শাফিয়িল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক প্রকাশের ২ বছর পূর্বে পবিত্র ১৩ই যিলক্বদ শরীফ ইয়াওমুল খমীস শরীফ মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! উনার পবিত্র ইসম মুবারক ছিলেন ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত র্বারাহ্ আলাইহাস সালাম’। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাপবিত্র ইসম মুবারক পরিবর্তন করে রাখেন ‘সাইয়্যিদাতুনা হযরত জুওয়াইরিয়াহ্ আলাইহাস সালাম’। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ৫ম হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ২৮শে যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল জুমু‘য়াহ শরীফ উনাদের মহাপবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়। তখন দুনিয়াবী দৃষ্টিতে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার বয়স মুবারক ছিলেন ২০ বছর ১ মাস ১৫ দিন। উনার মহাপবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ উনার মোহরানা মুবারক ছিলেন ৫০০ দিরহাম।’ তিনি ৫ বছর ২ মাস ১৪ দিন মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেন। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সময় সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার বয়স মুবারক ছিলেন ২৫ বছর ৪ মাস। তিনি ৫০ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১৭ই সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (রবীউল আউওয়াল শরীফ) ইয়াওমুছ ছুলাছা’ শরীফ পবিত্র মদীনা শরীফে মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তিনি দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত অবস্থান মুবারক করেন ৬৪ বছর ৪ মাস ৪ দিন। উনার মহাপবিত্র রওযা শরীফ ‘সম্মানিত জান্নাতুল বাক্বী’ শরীফ উনার মাঝে অবস্থিত। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল মুহসিনীন, সুলত্বানুল মাশায়িখ, ইমামুছ ছিদ্দীক্বীন, ফখরুল আশিক্বীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৯৬ হিজরীতে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহাপবিত্র ১৭ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মাঝে মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আর তিনি ১৪৮ হিজরী সনে পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনার ১৪ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) বাদ ইশা পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মাঝে মহা¬পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তিনি দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত অবস্থান মুবারক করেন ৫২ বছর ৩ মাস ২৭ দিন। আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে তিনি বেমেছাল ছানা-ছিফত, ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান মুবারক উনার অধিকারী। তাই সকল মুসলমানদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাকে মুহব্বত করা, উনার পবিত্র জীবনী মুবারক জানা, উনাকে প্রতি ক্ষেত্রে অনুসরণ-অনুকরণ করা এবং সর্বত্র উনার বেশি বেশি আলোচনা করা।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আওলাদে রসূল হযরত আবূ শাফিয়িল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৩৪ হিজরীর পবিত্র ১৭ই রবীউল আউওয়াল শরীফ পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। অসংখ্য পবিত্র আয়াত শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বর্ণনা দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমানিত যে, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং মহাসম্মানিত হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মা’রিফাত-মুহব্বত, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক পেতে হলে, সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে মুহব্বত করা প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই ফরয। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছামিনাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্পর্কে, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে এবং হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক ও বুযুর্গী মুবারক সম্পর্কিত ইলম না থাকার কারণেই অনেকে উনাদেরকে যথাযথ মুহব্বত ও অনুসরণ করতে পারছে না। যার ফলে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের খাছ রেযামন্দি মুবারক হাছিলে পুরোপুরি ব্যর্থ হচ্ছে। তাই উনাদের সম্পর্কে জানা বা ইলম অর্জন করা সকলের জন্যই ফরয। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আশ্চর্যের বিষয় হলো ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশের মাদরাসা, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে উনাদের সম্পর্কে কোনো আলোচনাই নেই। তাই, সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য ছিলো, মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনাদের মহাপবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।

কাবুলে এক নারী উদ্যোক্তা ৪ লাখ আফগানি (আফগান মুদ্রা) বিনিয়োগ করে নারীদের জন্য একটি বিশেষ রেস্তোরাঁ চালু করেছেন। এতে ১০ জনেরও বেশি নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে।

আফগানিস্তানে নারী শিক্ষা এবং নারী কর্মসংস্থান দুটোরই সুযোগ আছে। তবে সেটা হতে হবে ইসলামী নীতিমালার আলোকে। অন্যথায় দুটোই নিষিদ্ধ। এখন আপনি সারাদিন ঘেউঘেউ করেন তাতে কিছুই আসে যায় না। শরীয়তের প্রশ্নে কারো ভ্রুকুচকানোকে তালেবান পরোয়া করে না।

শরীয়তের এই কঠোরতা কেবল নারীর ক্ষেত্রেই নয়, বরং পুরুষের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন পর্যায়ে প্রযোজ্য। যেমন পুরুষ চাইলেই সিনেমা হল বানাতে পারবে না, গানের কনসার্ট করতে পারবে না, মদের বার দিতে পারবে না।

অর্থাৎ শরীয়তের নীতিমালা নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। তবে উভয়ের ক্ষেত্র এক নয়। ব্যস এইটুকুই পার্থক্য।

11 hrs

🌺সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক-

🌹মহাসম্মানিত নাম মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত জা’ফর ছাদিক্ব আলাইহিস সালাম।
🌹যেভাবে সম্বোধন করা আদব মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস আলাইহিস সালাম।
🌹মহাসম্মানিত বিলাদত শরীফ প্রকাশ দিবস: ৯৬ হিজরীর পবিত্র ১৭ই রবীউল আউওয়াল শরীফ, পবিত্র ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ।
🌹মহাসম্মানিত বিছাল শরীফ প্রকাশ দিবস: ১৪৮ হিজরীর পবিত্র ১৪ই রজবুল হারাম শরীফ, পবিত্র ইছনাইনিল আযীম শরীফ, বাদ ঈশা।
🌹মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার স্থান: পবিত্র মদিনা শরীফ।
🌹মহাসম্মানিত রওজা মুবারক: পবিত্র জান্নাতুল বাকী শরীফ।
🌹দুনিয়াবী হায়াত মুবারক: ৫২ বছর ৩ মাস ২৭ দিন।
#90daysmahfil #12shareef
#sharepost #sharethispost
#sm40

image

image

image