বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৭৭)
(উপসংহার)
এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে উনাদের পরিপূর্ণ অসীম ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করেই সৃষ্টি মুবারক করেছেন। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! মূলত, তিনি একক, অনন্য, বেমেছাল ও সীমাহীন শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী, মালিক। তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সব। যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে উনার দায়িমীভাবে এমন এক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবত মুবারক রয়েছেন, যেখানে কারো কোনো স্থান সংকুলান হয় না। তিনি উনাদের হাক্বীক্বী দায়িমী দীদার, ছোহবত ও যিয়ারত মুবারক—এ ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন। তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক উনাদের মালিক। তিনি একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা দুজন ব্যতীত সকলের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শায়েখ আলাইহিস সালাম। আর সকলে উনার মুরীদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! চার মাযহাব ও চার ত্বরীক্বার ইমামগণসহ সকলে উনার ফয়েয—তাওয়াজ্জুহ্ মুবারক লাভে ধন্য। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! সকলেই উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক—এ নিবেদিত প্রাণ। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের পরে সবচেয়ে বড় ওলীউল্লাহ হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিসহ পৃথিবীর ইতিহাসে এই পর্যন্ত যত হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম এবং হযরত মুজাদ্দিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম অতীত হয়েছেন, উনারা প্রত্যেকেই আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক—এ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোহবত মুবারক—এ বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে এসে এবং বিভিন্ন মহাসম্মানিত খিদমত মুবারক উনার আনজাম মুবারক দিয়ে মহাসম্মানিত বিশেষ নিয়ামত মুবারক হাছিল করেছেন এবং হাছিল করে যাচ্ছেন। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! কাজেই, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি যেসকল ফতওয়া মুবারক দিয়েছেন, দিচ্ছেন ও দিবেন, যা কিছু করেছেন, করছেন ও করবেন এবং যা কিছু বলেছেন, বলছেন ও বলবেন, প্রত্যেকটা বিষয় বিনা চূ—চেরা, ক্বীল—ক্বালে চোখ বন্ধ করে মেনে নেয়া পৃথিবীর ইতিহাসে যত ইমাম—মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা এসেছেন এবং ক্বিয়ামত পর্যন্ত যারা আসবেন উনারাসহ সমস্ত সৃষ্টির জন্য— এক কথায় একমাত্র যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা দুজন ব্যতীত সমস্ত সৃষ্টির জন্য ফরযে আইন। সুবহানা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! কেননা, তিনি একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা দুজন ব্যতীত সকলের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শায়েখ আলাইহিস সালাম। আর সকলে উনার মুরীদের অন্তভুর্ক্ত। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! বান্দা—বান্দী, উম্মত, জিন—ইনসাম, তামাম কায়িনাতবাসী, সমস্ত সৃষ্টি যদি উনার প্রত্যেকটা বিষয় বিনা চূ—চেরা, ক্বীল—ক্বালে চোখ বন্ধ করে মেনে নিতে পারে এবং সেই অনুযায়ী আমল করতে পারে, তবেই সবাই ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী লাভ করতে পারবে, হাক্বীক্বী মা’রিফাত—মুহব্বত, নিসবত—কুরবত ও রেযামন্দি—সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করতে পারবে। অন্যথায় কস্মিনকালেও সম্ভব নয়।
যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহেবে নিয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে আমাদের সবাইকে সেই তাওফীক্ব দান করুন। আমীন! আমীন! আমীন!

বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৭৬)
(উপসংহার)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার সম্মানার্থে ১৪০০ বছর পর সমস্ত সৃষ্টিসহ আমরা ‘ইস্তাওয়া’ সম্পর্কে এক বিশেষ নিয়ামত ও নিসবতপূর্ণ ইলিম মুবারক লাভ করতে পারলাম। যা সৃষ্টির কারো জানা ছিলো না, কুল—কায়িনাতের কারো জানা ছিলো না। বিগত ১৪০০ বছরে কেউ এই (ইস্তাওয়া) উনার হাক্বীক্বত মুবারক উপলব্ধি করতে পারেননি এবং ব্যাখ্যাও করতে পারেননি। স্বয়ং হযরত ইমামে আ’যম আবূ হানীফাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনিসহ আরো বড় বড় ইমাম—মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে সুওয়াল করা হয়েছিলো যে, اِسْتَوٰى (ইস্তাওয়া) শব্দের অর্থ কি? উনারা বলেছেন যে, ‘اِسْتَوٰى (ইস্তাওয়া) শব্দের শাব্দিক অর্থ আমাদের জানা রয়েছে, ‘উপবেশন করা, বরাবর হওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি’। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি কিভাবে اِسْتَوٰى (ইস্তাওয়া) হয়েছেন, এটা আমাদের জানা নেই।’

বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৭৫)
(ইস্তাওয়া) সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহে মহান আল্লাহ পাক উনার ৩ খানা
সম্মানিত বিশেষ শান মুবারক প্রকাশের বর্ণনা

আর তৃতীয় শান মুবারক হচ্ছেন— আরশে আযীমকে আলমে খ¦লক্বের সর্বোচ্চ স্থানে স্থাপন করে আলমে খ¦লক্ব ও আলমে আমরের মধ্যে একটা পার্থক্য সূচনা করে দিয়েছেন। এটা তৃতীয় শান মুবারক প্রকাশ। অর্থাৎ ইস্তাওয়া করেন। আর এটাই হচ্ছেন ইস্তাওয়া হওয়ার হাক্বীক্বী বা প্রকৃত অর্থ মুবারক।” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার হাক্বীক্বী শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী সম্মান মুবারক উপলব্ধি করে উনার সম্মানিত ছানা—ছিফত মুবারক করার, উনার সম্মানিত গেলামী মুবারক উনার আনজাম মুবারক দেয়ার এবং উনার সম্মানার্থে দায়িমীভাবে অনন্তকালব্যাপী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৭৪)
(ইস্তাওয়া) সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহে মহান আল্লাহ পাক উনার ৩ খানা
সম্মানিত বিশেষ শান মুবারক প্রকাশের বর্ণনা

দ্বিতীয় শান মুবারক হচ্ছেন— এই শান মুবারক প্রকাশ করে মহান আল্লাহ পাক তিনি আরশে আযীমকে আলমে খ¦লক্বের সর্বোচ্চ স্থানে স্থাপন করেন। এটা আরেকটা শান মুবারক প্রকাশ করেন।

বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৭৩)
(ইস্তাওয়া) সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহে মহান আল্লাহ পাক উনার ৩ খানা
সম্মানিত বিশেষ শান মুবারক প্রকাশের বর্ণনা

যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
هُوَ الَّذِىْ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ فِىْ سِتَّةِ اَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوٰى عَلَى الْعَرْشِ
অর্থ: “তিনি সেই মহান আল্লাহ পাক যিনি আসমান—যমীন ৬ ধাপে সৃষ্টি করেছেন। ৬ ধাপে আসমান—যমীন সৃষ্টি করার পর আরশে ‘আযীমকে আলমে খ¦লক্বের সর্বোচ্চ স্থানে স্থাপন করে আলমে খ¦লক্ব ও আলমে আমরের মধ্যে পার্থক্য সূচনা করে দিয়েছেন।” সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা হাদীদ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৪) এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার ৩ খানা সম্মানিত বিশেষ শান মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ মুবারক ঘটেছেন।
প্রথম শান মুবারক হচ্ছেন— মহান আল্লাহ পাক তিনি আসমান—যমীন ৬ ধাপে সৃষ্টি করেছেন। ৬ ধাপে আসমান—যমীন সৃষ্টি করার পর তিনি আরশে আযীমের দিকে বিশেষ দৃষ্টি বা বিশেষ শান মুবারক প্রকাশ করে আরশে আযীমকে তারতীব দান করেন অর্থাৎ সুবিন্নস্ত করেন। অর্থাৎ
لَقَدْ خَلَقْتُ الْعَرْشَ عَلَى الْمَاءِ فَاضْطَرَبَ فَكَتَبْتُ عَلَيْهِ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَكَنَ
অর্থ: “নিশ্চয়ই আমি পবিত্র আরশে আযীম উনাকে সৃষ্টি করেছি পানির উপর, তখন পবিত্র আরশে আযীম কাঁপতে ছিলেন। তখন আমি পবিত্র আরশে আযীম উনার উপর কালিমা শরীফ
لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মদুর রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ লিপিবদ্ধ করে দিলাম। তখন পবিত্র আরশে আযীম স্থির হয়ে গেলেন। অর্থাৎ সুবিন্নস্ত হয়ে গেলেন।” সুবহানাল্লাহ! (মুস্তাদরকে হাকিম ২/৬৭১, আস সাইফুল মাসলূল ‘আলা মান সাব্বার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৪৮১ নং পৃষ্ঠা)
এটা হলো প্রথম শান মুবারক।

বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৭২)
(ইস্তাওয়া) সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহে মহান আল্লাহ পাক উনার ৩ খানা
সম্মানিত বিশেষ শান মুবারক প্রকাশের বর্ণনা

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১০ই শাওওয়াল শরীফ লাইলাতুল আহাদ শরীফ (রবিবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক—এ ইরশাদ মুবারক করেন, “যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِىْ شَاْنٍ
‘মহান আল্লাহ পাক তিনি একেক দিন, একেক সময় একেক শান মুবারক—এ থাকেন।’ সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আর রহমান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ২৯)
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যা হচ্ছেন— মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্বদীম (অনাদী) এবং আযালী (চিরন্তন)। তিনি হাদেছ (সৃষ্টি) নন। উনার যাবতীয় সম্মানিত ও পবিত্র ছিফত মুবারকও ক্বদীম ও আযালী। তাই, তিনি নতুন কোনো কাজ শুরু করেন না। তিনি শুরুতে যা করেছেন, এখনও তাই করেন। তবে, উনার ক্বদীমী (অনাদী) এবং আযালী (চিরন্তন) সম্মানিত শান মুবারক থেকে কোনো কোনো শান মুবারক, কখনও কখনও প্রকাশ পান। সুবহানাল্লাহ!

বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৭১)
(ইস্তাওয়া) সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ উনাদের ছহীহ তরজমাহ্
(৭)
هُوَ الَّذِىْ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ فِىْ سِتَّةِ اَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوٰى عَلَى الْعَرْشِ
অর্থ: “তিনি সেই মহান আল্লাহ পাক যিনি আসমান—যমীন ৬ ধাপে সৃষ্টি করেছেন। ৬ ধাপে আসমান—যমীন সৃষ্টি করার পর আরশে ‘আযীমকে আলমে খ¦লক্বের সর্বোচ্চ স্থানে স্থাপন করে আলমে খ¦লক্ব ও আলমে আমরের মধ্যে পার্থক্য সূচনা করে দিয়েছেন।” সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা হাদীদ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৪)

বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৭০)
(ইস্তাওয়া) সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ উনাদের ছহীহ তরজমাহ্
(৬)
اَللهُ الَّذِىْ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِىْ سِتَّةِ اَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوٰى عَلَى الْعَرْشِ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক যিনি আসমান—যমীন এবং উভয়ের মাঝে যা কিছু আছে সমস্ত কিছু ৬ ধাপে সৃষ্টি করেছেন। ৬ ধাপে সৃষ্টি করার পর আরশে ‘আযীমকে আলমে খ¦লক্বের সর্বোচ্চ স্থানে স্থাপন করে আলমে খ¦লক্ব ও আলমে আমরের মধ্যে পার্থক্য সূচনা করে দিয়েছেন।” সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা সিজদাহ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৪)

বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৬৯)
(ইস্তাওয়া) সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ উনাদের ছহীহ তরজমাহ্
(৫)
اَلَّذِىْ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِىْ سِتَّةِ اَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوٰى عَلَى الْعَرْشِ
অর্থ: “(মহান আল্লাহ পাক) যিনি আসমান—যমীন এবং উভয়ের মাঝে যা কিছু আছে সমস্ত কিছু ৬ ধাপে সৃষ্টি করেছেন। ৬ ধাপে সৃষ্টি করার পর আরশে ‘আযীমকে আলমে খ¦লক্বের সর্বোচ্চ স্থানে স্থাপন করে আলমে খ¦লক্ব ও আলমে আমরের মধ্যে পার্থক্য সূচনা করে দিয়েছেন।” সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ফুরক্বান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৯)

বায়ানু হাক্বীক্বতি ‘ইস্তাওয়া’ (৬৮) (ইস্তাওয়া) সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ উনাদের ছহীহ তরজমাহ্
(৪)
اَلرَّحْمٰنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوٰى
অর্থ: “করুণাময় মহান আল্লাহ পাক তিনি আরশে ‘আযীমকে আলমে খ¦লক্বের সর্বোচ্চ স্থানে স্থাপন করে আলমে খ¦লক্ব ও আলমে আমরের মধ্যে পার্থক্য সূচনা করে দিয়েছেন।” সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ত্বহা শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)