একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (১০)
কাজেই, এটা মওযূ হাদীছ। মানুষ অনুমান করে বর্ণনা করে। ঐ শয়তানটা থাকেই না। এরকম কোনো কিছুই থাকে না। ঐ হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম উনি একা থাকেন। তারপর যেহেতু পবিত্র করার মত পবিত্র করা হয়, তাহলে তো নাপাকি থাকতে পারে না। তাহলে একটা শয়তান থাকে কিভাবে? আসলে শয়তান বা জিনটা হলো কাফের। জিনটা হলো কাফের। বুঝেছো? এখন মানুষ আসলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে পবিত্রতা মুবারক এটা বুঝতে পারেনি।
جُعِلَتْ لِيَ الأَرْضُ مَسْجِدًا وَطَهُورًا
‘আমার সম্মানার্থে মহান আল্লাহ ৃপাক তিনি সমস্ত যমীনকে পবিত্র করেছেন, নামাযের স্থান করে দিয়েছেন। অর্থাৎ নামায পড়ার মত পবিত্র করে দিয়েছেন।’ সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক নেয়ার কারণে যদি এরকম হয়, সমস্ত যমীনকে পবিত্র করে দেয়া হয়, তাহলে উনার অবস্থা মুবারক কী?
কতগুলি মওযূ হাদীছ দিয়ে এ সমস্ত নানান ফেতনা সৃষ্টি করেছে। বুঝতে পেরেছো কথাগুলি? নাকি বুঝোনি? হঁ্যা?

একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (৯)
মহাসম্মানিত শরীয়ত উনার মাসআলা হচ্ছেন— মানুষের ইস্তিঞ্জা ও রক্ত খাওয়া বা পান করা হারাম। কেউ যদি তা হালাল মনে করে পান করে, সে কাট্টা কাফির হয়ে চির জাহান্নামী হবে। না‘ঊযুবিল্লাহ! কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাস্সাম মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শরীর মুবারক) উনার মধ্যে যা কিছু ছিলেন, সমস্ত কিছু পূত—পবিত্র থেকে পূত—পবিত্রতম এবং মেশক—আম্বরসহ অন্যান্য সুগন্ধী থেকে লক্ষ—কোটি গুণ বেশি সুগন্ধীময়। শুধু তাই নয়; যারা উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোট ইস্তিঞ্জা মুবারক) পান করতে পেরেছেন উনারা প্রত্যেকেই সর্বোচ্চ জান্নাতী। স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনাকে বলেছেন,
اِنَّكِ لَنْ تَشْتَكِىْ بَطْـنَكِ بَـعْدَ يَـوْمِكِ هٰذَا اَبَدًا
‘নিশ্চয়ই আপনি আজকের পর থেকে চিরকালের জন্য আর কখনও পেটের পীড়ায় ভুগবেন না’।” সুবহানাল্লাহ! (আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ)
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেছেন,
لَقَدِ احْتَظَرَتْ مِنَ النَّارِ بِـحِظَارٍ
‘নি:সন্দেহে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি অবশ্যই একটি বিশাল রক্ষাকবচ দিয়ে নিজেকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেছেন’।” সুবহানাল্লাহ! (আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ)
তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতা মুবারক কতটুকু, সেটা সমস্ত জিন—ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে। তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভিতরে একটা শয়তান থাকে কিভাবে? হঁ্যা? বুঝো আমার কথাটা? বুঝতে পেরেছো?

একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (৮)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اُمَيْمَةَ بِنْتِ رُقَـيْـقَةَ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَـنْـهَا قَالَتْ كَانَ لِلنَّبِـىِّ صلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ قَدَحٌ مِّنْ عِيْدَانٍ فَـيَـبُـوْلُ فِيْهِ يَضَعُهٗ تَـحْتَ السَّرِيرِ فَجَاءَتِ امْرَاَةُ ۣ اسْـمُهَا سَيِّدَتُـنَا حَضْرَتْ بَرَكَةُ عَلَيْـهَا السَّلَامُ فَشَرِبَــتْهُ فَطَـلَـبَهٗ فَـلَمْ يَـجِدْهُ فَقِيْلَ شَرِبَـتْهُ سَيِّدَتُـنَا حَضْرَتْ اُمِّـىْ بَـعْدَ اُمِّـىْ عَلَـيْـهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتُـنَا حَضْرَتْ بَـرَكَةُ عَلَـيْـهَا السَّلَامُ) فَـقَالَ لَقَدِ احْتَظَرَتْ مِنَ النَّارِ بِـحِظَارٍ
অর্থ: “হযরত উমাইমাহ বিনতে রুক্বাইক্বাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একখানা কাঠের পাত্র মুবারক ছিলেন, যাতে (রাতের বেলায়) তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক করে চকি মুবারক উনার নিচে রেখে দিতেন। সুবহানাল্লাহ! (এক রাতে তিনি ঐ পাত্র মুবারক—এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক করে পাত্র মুবারক যথা স্থানে রেখে দেন।) সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি এসে তা পান করে ফেলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তা তালাশ করেন; কিন্তু তা পেলেন না। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক বলা হলো, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি তা (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক) পান করেছেন। সুবহানাল্লাহ! তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন—
لَقَدِ احْتَظَرَتْ مِنَ النَّارِ بِـحِظَارٍ
‘নি:সন্দেহে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি অবশ্যই একটি বিশাল রক্ষাকবচ দিয়ে নিজেকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেছেন’।” সুবহানাল্লাহ! (আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ)

একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (৭)
এই প্রসঙ্গে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ‘শিফা’ শরীফ’ উনার মধ্যে রয়েছেন—
اَنَّهٗ كَانَ اِذَا اَرَادَ اَنْ يَّـتَـغَـوَّطَ انْشَقَّتِ الْاَرْضُ فَابْـتَـلَعَتْ غَائِطَهٗ وَبَـوْلَهٗ وَفَاحَتْ لِذٰلِكَ رَائِحَةٌ طَـيِّـبَةٌ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল গইব মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বড় ইস্তিঞ্জা মুবারক) অথবা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোট ইস্তিঞ্জা মুবারক) যমীনে রাখার ইচ্ছা মুবারক করতেন তখন মাটিতে ফাটলের সৃষ্টি হয়ে যেতো, তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল গইব মুবারক অথবা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক করলে মাটি তা নিজের ভিতর লুকিয়ে নিতো এবং সেই স্থান থেকে শুধু সুঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়তেন। সুবহানাল্লাহ! (শিফা’ শরীফ)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّـىْ بَـعْدَ اُمِّـىْ عَلَـيْـهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ اَيـْـمَنَ عَلَـيْـهَا السَّلَامُ) قَالَتْ كَانَ لِرَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ فَخَّارَةٌ يَّـبُـوْلُ فِـيْـهَا فَكَانَ اِذَا اَصْبَحَ يَـقُوْلُ يَا سَيِّدَتَـنَا حَضْرَتْ اُمِّـىْ بَـعْدَ اُمِّـىْ عَلَـيْـهَا السَّلَامُ صُبِّـىْ مَا فِى الْفَخَّارَةِ فَـقُمْتُ لَيْـلَةً وَّاَنَا عَطْشٰى فَشَرِبْتُ مَا فِـيْـهَا فَـقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ يَا سَيِّدَتَـنَا حَضْرَتْ اُمِّـىْ بَـعْدَ اُمِّـىْ عَلَيْـهَا السَّلَامُ صُبِّـىْ مَا فِـى الْفَخَّارَةِ فَـقَالَتْ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَـيْهِ وَسَلَّمَ قُمْتُ وَاَنَا عَطْشٰى فَشَرِبْتُ مَا فِيْـهَا فَـقَالَ اِنَّكِ لَنْ تَشْتَكِىْ بَطْـنَكِ بَعْدَ يَـوْمِكِ هٰذَا اَبَدًا
অর্থ: “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু আয়মন আলাইহাস সালাম) উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একখানা মাটির পাত্র মুবারক ছিলেন, সেই পাত্র মুবারক—এ তিনি (রাতের বেলায়) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক রাখতেন। যখন সকাল হতো, তখন তিনি বলতেন, ‘হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম! মাটির পাত্র মুবারক—এ যা রয়েছেন, তা আপনি ফেলে দিন।’ একরাতে আমি পিপাসার্ত অবস্থায় ঘুম থেকে জেগে উঠি, ফলে মাটির পাত্রে যা ছিলেন (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক), আমি তা পান করে ফেলি। সুবহানাল্লাহ! তারপর (সকালে) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে বললেন, হে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম! মাটির পাত্র মুবারক—এ যা রয়েছেন, তা আপনি ফেলে দিন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি পিপাসার্ত অবস্থায় ঘুম থেকে জেগে উঠেছিলাম, তাই মাটির পাত্র মুবারক—এ যা ছিলেন (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক), আমি তা পান করে ফেলেছি। সুবহানাল্লাহ! তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন—
اِنَّكِ لَنْ تَشْتَكِىْ بَطْـنَكِ بَـعْدَ يَـوْمِكِ هٰذَا اَبَدًا
‘নিশ্চয়ই আপনি আজকের পর থেকে চিরকালের জন্য আর কখনও পেটের পীড়ায় ভুগবেন না’।” সুবহানাল্লাহ! (আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ)

একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (৬)
ওটা আসলে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে এটা পুরা বের করে দেওয়া হয়। ওটা সাথেই থাকে না। তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে কিভাবে থাকতে পারে? আবার উনার ভিতর একটা কাফের প্রবেশ করবে! এটাকে ঈমানদার বানানো হবে! তাহলে যতদিন ঈমানদার হয়নি, ততদিন তাহলে উনার ভিতরে কাফের ছিলো! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র করার মত পবিত্র করে পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক করালেন (সৃষ্টি মুবারক করলেন), এখন পবিত্র বললে তো শব্দটা কম হয়, তাহলে উনার মাঝে নাপাকির স্পর্শ থাকে কোথায়? যেখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমান্য পবিত্র নূরুত তাবাররুক (স্পর্শ) মুবারক উনার কারণে একটা ধুলা—বালি হোক বা যেটাই হোক, সেটা পবিত্র আরশে আযীম থেকে সম্মানিত হয়ে যান। তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভিতরে একটা শয়তান থাকে কিভাবে?

একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (৫)
মহান আল্লাহ পাক তিনি যে ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
‘তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেন।’
প্রকৃতপক্ষে উনাদের সাথে এই জিনটা থাকেই না। এটা পুরা বের করে দেওয়া হয়।
তারপর যেমন— হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি বলেছেন যে, ‘ওলীআল্লাহ যত বড়ই হোক না কেনো— আব, আতেশ, খাক, বাদের তাছীরের কারণে কিছু কাজ এদিক—সেদিক হতে পারে।’ আসলে হাক্বীক্বীতটা হচ্ছে— ঐ যে জিনটা থাকে, ঐ জিনটার কারণে ব্যাতিক্রম কিছু হতে পারে। আর ঐটা যখন বের করে দেওয়া হয়, তখন ঐ তাছীরটা আর থাকে না।
একজন হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিস সালাম উনার থেকে যদি এটা বের করে দেওয়া হয়, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এটা থাকে কিভাবে? হঁ্যা? বুঝো আমার কথাগুলি? ফিকির না করলে তো বুঝবে না এটা। এটা মানুষ বুঝবে না। বিষয়টা কঠিন বিষয়। একজন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম থাকেন, হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম উনি নেক কাজে উৎসাহিত করেন। আর জিনটা থাকে, এটা কাফের, এটা বদ কাজে ওয়াসওয়াসা দেয়। এখন নেক কাজ করলে জিনটা দূর্বল হয়ে যায়। আবার যখন মানুষ গুনাহ্ বেশি করে, তখন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম উনি দূর্বল হয়ে যান। তখন সে গুনাহর কাজ করে বেশি। জিনটাকে যখন বের করে দেওয়া হয়, তখন আর এই তাছীরটা থাকে না।
মহান আল্লাহ পাক তিনি যে ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
‘তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেন।’
প্রকৃতপক্ষে উনাদের সাথে এই জিনটা থাকেই না। এটা পুরা বের করে দেওয়া হয়।
এখন যদি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে এই জিনটা না থাকে, উনাদের থেকে বের করে দেওয়া হয়, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক—এ যে বলা হচ্ছে— ‘একটা জিন ছিলো, ঈমান এনেছে।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! তাহলে এটা থাকে কিভাবে? এটা মওযূ হাদীছ। মিথ্যা হাদীছ। হাদীছটা মওযূ, মিথ্যা। বুঝতে পেরেছো এখন?

একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (৪)
তারপর যেমন— হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার একটা বর্ণনা আছে, উনি উনার সম্মানিত বিছাল শরীফের ৩ দিন আগে বলেছেন— ‘আমার সাথে যেই জিনটা ছিলো, ওটা ঈমান এনেছে, মুসলমান হয়ে গেছে।’
উনারটা মুসলমান হয়ে গেছে। এরকম তো আর কারো কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না। আর বর্ণনা পেয়েছো কোনো?
তাহলে এখানে যেটা বলা হলো যে, ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে যেই জিনটা ছিলো, ওটা ঈমান এনেছে।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ!
উনার সাথে কাফের থাকে কিভাবে? এই আক্বীদাহ্টা তো কুফরী আক্বীদাহ্। তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভিতরে কোনো নাপাকি আছে? হঁ্যা? না‘ঊযুবিল্লাহ! তাহলে একটা কাফের থাকে কিভাবে?
কাজেই, এটা একটা মওযূ হাদীছ।
এইযে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার একটা ব্যাখ্যা আছে। ব্যাখ্যাটা হলো—
আমি একখানা স্বপ্ন মুবারক দেখেছি। স্বপ্ন মুবারকখানা হচ্ছেন— “একটা কামরার মধ্যে আমি থাকি। অনেক বড় একটা কামরা। এটা লম্বায় ৩০ থেকে ৩৫ হাত হতে পারে, চওড়ায় ২০ থেকে ২৫ হাত হতে পারে। এর মধ্যে একখানা অনেক উঁচু চকি মুবারক আছেন। সেই উঁচু চকি মুবারক উনার ওপর আমি থাকি। ঐ উঁচু চকি মুবারক উনার কাছে একটা বাঘও থাকে। এটা আমি জানি। তবে, বাঘটা কিছু করে না। বাঘটা থাকে ঠিক মতোই। বাঘটা মোটামুটি বড়সড়ই— ডোরাকাটা বাঘ। ওটা ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাত লম্বা হবে। আর উঁচু হবে ২ হাতের কাছাকাছি। বাঘটা অনেক বড়, মোটাতাজা। একদিন আমি শুয়ে রয়েছি। দেখতেছি— বাঘটা আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত (ক্বদম বা পা) মুবারক উনার দিকে এসে কামড় দেওয়ার চেষ্টা করছে। তখন আমি চকি মুবারক থেকে নামলাম। আমি বললাম যে, ‘বাঘটা একটা বেয়াদব দেখা যায়। এটা ছিলো, আমরা কিছু বলিনি। তাহলে আজকে এটাকে শাস্তি দিতে হবে।’ আমি লোকজনকে বললাম, ‘আমাকে একটা মুগুড় দাও।’ তারা আমাকে একটা মুগুড় দিলো। তারপর ঐ মুগুড় দিয়ে আমি বাঘটাকে খুব আঘাত করতে থাকলাম। হঠাৎ করে দেখি— ঐ বাঘটা মানুষ হয়ে গেছে! আরে মানুষ হয়ে গেলো! আমি বললাম, ‘বের হয়ে যা এখান থেকে। তুই একটা শয়তান।’ সে বলে যে, ‘না; আমি এখন থেকে যাবো না।’ তারপর আমি এটাকে মারতে মারতে একবারে এক প্রান্তে নিয়ে একদম এটাকে নিশ্চিহ্ন করে দিলাম, মিটিয়ে দিলাম। পরে বুঝলাম যে, এটা আসলে ঐ যে জিনটা, যেটা আমার সাথে থাকার কথা। ঐ জিনটা আমার সাথে থাকতে পারতো না; এটা আলাদা থাকতো। যেহেতু ঐটা আলাদা থাকতো, তাই ঐটা ঐ ছূরতে এসেছিলো। এই জন্য সে বলেছে, ‘সে যাবে না; সে থাকবে।’ এখন যখন এটাকে মিটিয়ে দিলাম— এটা একদম নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলো।” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)

একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (৩)
এখন এই পবিত্র হয় কি করে? বলো দেখি। হঁ্যা? পবিত্র হয় কি করে? ঐযে একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ রয়েছেন, ‘প্রত্যেক মানুষের সাথে একজন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম থাকেন, একটা জিন থাকে।’ এটা সবার জন্যই আমভবে।
এখন এই জিনটা কি মুসলমান, না কাফের? বলো দেখি? ‘মানুষের সাথে একজন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম থাকেন, একটা জিন থাকে ।’ জিনটা কি মুসলমান, না কাফের? হঁ্যা? জানো না?
এ বিষয়ে একটা হাদীছ আছে। যেটা সবাই বলে থাকে। সেটা হলো— নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি একদিন ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘প্রত্যেক মানুষের সাথে একজন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম থাকেন, যিনি নেক কাজে উৎসাহিত করেন। আরেকটা জিন থাকে।’
আসলে এটা ঈমানদার না, এটা কাফের। এটা ওয়াসওয়াসা দেয় হারাম কাজে।
মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারীরা বলে থাকে— নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি যখন এটা ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে কি আপনার সাথেও আছে?’ না‘ঊযুবিল্লাহ!
মওযূ হাদীছটির বর্ণনাটা এরকম— ‘হঁ্যা; আছে। কিন্তু এটা মুসলমান হয়ে গেছে।’ না‘ঊযুবিল্লাহ!
(এতটুকু শুনেই মজলিসে উপস্থিত কেউ কেউ ‘সুবহানাল্লাহ’ বলে। তখন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,) এটা ‘সুবহানাল্লাহ’ বলার জায়গা না। বুঝোনি তোমরা। এই হাদীছটা হচ্ছে মওযূ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভিতরে একটা কাফের প্রবেশ করবে, পরে এটা ঈমানদার হবে? হঁ্যা? উনার ভিতরে নাপাকি আছে কিছু? তাহলে কুফরীটা থাকে কিভাবে? কাফেরটা থাকে কিভাবে ভিতরে? হঁ্যা? বুঝো আমার কথাগুলি? তোমরা সবাই বুঝবে না। আন্দাজে তো ‘সুবহানাল্লাহ’ বলে ফেললে। হঁ্যা? এই হাদীছটা হলো মওযূ হাদীছ। তাদের বক্তব্য হচ্ছে— ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে যেই জিনটা ছিলো, এটা কাফের, এটা ঈমান এনেছে।’ না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! উনার সাথে একটা কাফের থাকে কিভাবে? হঁ্যা? কিভাবে থাকে?

একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (২)
আর দ্বিতীয় অংশ— وَيُـطَـهِّـرَكُمْ تَطْهِيْرًا উনার হাক্বীক্বী অর্থ মুবারক হচ্ছেন— নিম্নোক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা—
عَنْ اِمَامِ الْاَوَّلِ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ اِنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُوْلُ نَـحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَةِ النُّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَـةِ وَمُـخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ
‘ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন, আমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালাত মুবারক উনার স্থান, বিভিন্ন হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের, উনাদের দ্বারা সম্মানিত খিদমত মুবারক, সম্মানিত রহমত মুবারক উনার ঘর মুবারক এবং সম্মানিত ইলিম মুবারক উনার খনি মুবারক (ইত্যাদি সমস্ত কিছু) থেকে পবিত্র রেখেছেন, ছমাদ অর্থাৎ বেনিয়ায (অমুখাপেক্ষী) করেছেন।’ সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে দুররে মানছূর ৬/৬০৬, তাফসীরে ইবনে আবী হাতিম ৯/৩১৩৩)
অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সমস্ত কিছু থেকে পবিত্র।

একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ্ মুবারক (১)

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৭ হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১৫ই জুমাদাল ঊলা শরীফ মোতাবেক ৮ই সাদিস ১৩৯৩ শামসী লাইলাতুল জুমুআহ্ শরীফ (জুমু‘আবার রাত) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক—এ ইরশাদ মুবারক করেন, “হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের আলোচনা করা হয়—
إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার অর্থ বুঝো? হঁ্যা? এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার অর্থ কি জানো?
খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
اِنَّـمَا يُرِيْدُ اللهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ اَهْلَ الْبَـيْتِ وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيْـرًا
অর্থ: “হে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম! নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি চান আপনাদের থেকে সমস্ত প্রকার অপবিত্রতা দূর করে আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করতে। অর্থাৎ তিনি আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেই সৃষ্টি মুবারক করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৩)
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার প্রথম অংশ—
إِنَّمَا يُرِيدُ اللَّهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ أَهْلَ الْبَيْتِ
উনার হাক্বীক্বী অর্থ মুবারক হচ্ছেন— নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
فَاَنَا وَاَهْلُ بَيْتِىْ مُطَهَّرُوْنَ مِنَ الذُّنُوْبِ
‘আমি এবং আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম আমরা সকলে যুনূব অর্থাৎ সমস্ত প্রকার কবীরা—ছগীরা এবং যাবতীয় অপছন্দনীয় কাজ থেকে পূত—পবিত্র।’ সুবহানাল্লাহ!