প্রাণীর ছবি তোলা, আঁকা রাখা হারাম, যা লা’নতগ্রস্ত ও জাহান্নামী হওয়ার কারণ।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙ্গুলের ছাপ শরীয়তসম্মত, নিখুঁত, ব্যবহারে সহজ এবং রহমত, বরকত, সাকীনা লাভের কারণ (১)

মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-

بَلَىٰ قَادِرِينَ عَلَىٰ أَن نُّسَوِّيَ بَنَانَهُ

অর্থ: বরং মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষকে তাদের আঙুলের ডগাসহ নিখুঁতভাবে পুনরুত্থিত করতে সক্ষম। (পবিত্র সূরা ক্বিয়ামা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ৪)



আর্থিক নিরাপত্তায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট:



ক্রেডিট কার্ড নকল করে কিংবা বিকাশ নম্বরের পিন নম্বর জেনে নিয়ে টাকা চুরির ঘটনা বর্তমান সময়ে প্রায়ই শোনা যায়। ডিজিটাল যুগে মানুষের টাকা এখন আর কাগজের আকারে থাকে না, তা থাকে ডিজিটাল তথা মোবাইল একাউন্টে, ব্যাংক হিসাব তথা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডে। কোনভাবে
যদি এই ক্রেডিট কার্ড নকল হয়, ব্যাংক একাউন্ট হ্যাক হয়, সেক্ষেত্রে টাকা চুরি হয়ে যায়। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে এখন পাসওয়ার্ডের বদলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে আর্থিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য পাওয়া গিয়েছে, যা আমাদের দেশের
জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।



এটিএমের নিরাপত্তায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট:



বর্তমান সময়ে এটিএম বা অটোমেটেড টেলার মেশিন মানুষের দৈনন্দিন চাহিদার অঙ্গ হয়ে পড়েছে। কারণ অফিস ঘণ্টা ব্যতীত অন্য সময়ে কিংবা ছুটির দিনে টাকার দরকার হলে এটিএম বুথের কোন বিকল্প নেই। তাই এটিএম বুথকে কেন্দ্র করে গোটা বিশ্বেই রয়েছে দুর্বৃত্ত চক্র, যারা
‘স্কিমিং ডিভাইস’ ব্যবহার করে মানুষের ক্রেডিট কার্ড নকল করে টাকা হাতিয়ে নেয়। এরকম ঘটনা বাংলাদেশেও ঘটেছে। গত ২০১৬ ঈসায়ীর ফেব্রুয়ারি মাসে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের ২১ জন গ্রাহকের কার্ড জালিয়াতির মাধ্যমে তাদের একাউন্ট থেকে আনুমানিক ১০ লাখ টাকা তুলে নেয়ার
ঘটনা গোটা বাংলাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলো। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তকারীরা তিনটি ব্যাংকের ৬টি বুথে ‘স্কিমিং ডিভাইস’ বসিয়ে কার্ড ক্লোন করে টাকা তুলে নেয়ার প্রমাণ পায়।

এধরণের ঘটনা প্রতিহত করতে বিশ্বে এখন সমাদৃত হচ্ছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডিভাইসযুক্ত এটিএম মেশিন। এসব মেশিনে পিন নম্বরের পরিবর্তে স্ক্যানারের মাধ্যমে গ্রাহকের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তারপর টাকা দেয়া হয়।

বলাবাহুল্য, এটি পিন নম্বরের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকরী পদ্ধতি। কারণ অনেক ক্ষেত্রে পিন নম্বর ভুলে গেলে টাকা তোলা সম্ভব হয় না। ফিঙ্গারপ্রিন্টের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আর থাকে না।

সবচেয়ে বড় বিষয়টি হলো নিরাপত্তা। এটিএম বুথে কার্ড জালিয়াতির ঘটনা ঘটে স্কিমিং ডিভাইস ও নাম্বার প্যাডের উপর বসানো গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে। স্কিমিং ডিভাইস দিয়ে কার্ডের ম্যাগনেটিং স্ট্রিপের তথ্য নেয়া হয় নকল কার্ড বানানোর জন্য, আর গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে
পিন নম্বর জেনে নেয়া হয়। ফিঙ্গারপ্রিন্টের ক্ষেত্রে এধরণের নিরাপত্তাজনিত সমস্যা একেবারেই থাকে না।

অথচ এদেশে সরকার এটিএম জালিয়াতির পর অন্যান্য দেশের ন্যায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডিভাইস যুক্ত এটিএমের ব্যবস্থা না করে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা শুভঙ্করকে দিয়ে মহিলাদের বোরখা খোলার নির্দেশ জারি করেছিলো। নাউযুবিল্লাহ! কারণ সরকার এখনো হারাম ছবিভিত্তিক কথিত
নিরাপত্তায় বিশ্বাস করে। ধারণা করা হয়, এটিএম বুথে লাগানো সিসি ক্যামেরায় চেহারা দেখা গেলেই আর চুরির ঘটনা ঘটবে না। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণই ভুল।

গত ২০১৫ ঈসায়ীর ১৬ই আগস্ট সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অস্ত্রের মুখে আনসার আলী লিমন নামক এক যুবকের নিকট হতে তার ডেবিট কার্ড ছিনিয়ে নিয়ে, বুথ থেকে ৫০ হাজার টাকা তুলে নেয়ার চাঞ্চল্যকর ছিনতাই ঘটনা ঘটে। ঢাবির জগন্নাথ হলের রাজীব বাড়ৈ ও অমিত কুমার দাসের নেতৃত্বে
সন্ত্রাসীদের একটি দল অস্ত্রের মুখে লিমনকে জিম্মি করে, অপর দলটি তার থেকে ছিনিয়ে নেয়া ডেবিট কার্ড দিয়ে উদ্যানের বাইরে অবস্থিত এটিএম বুথ থেকে ৫০ হাজার টাকা তুলে নেয়। বলাবাহুল্য, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভিত্তিক এটিএম ব্যবস্থা থাকলে ছিনতাইকারীদের পক্ষে এভাবে টাকা
তুলে নেয়াটা কিছুতেই সম্ভব হতো না। কারণ ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভিত্তিক এটিএম ব্যবস্থায় অবশ্যই গ্রাহককে সশরীরে বুথে গিয়ে টাকা তুলতে হবে, অন্য কেউ জোরপূর্বক তার টাকা তুলে নিতে পারবে না।



ইলেকট্রনিক ডিভাইসের বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রক্রিয়ার সুবিধা ও অন্যান্য প্রক্রিয়াসমূহের অসুবিধা:



‘বায়োমেট্রিক’ শব্দ দ্বারা বোঝানো হয় মানুষের বিভিন্ন বিশেষায়িত শারীরিক বৈশিষ্ট্যকে, যার দ্বারা কোন ব্যক্তিকে অন্যান্য ব্যক্তি হতে আলাদা করে শনাক্ত করা সম্ভবপর হয়। যেমন মানুষের চেহারা, কণ্ঠস্বর, স্বাক্ষর, ডিএনএ প্রোফাইল, চোখের রেটিনা, চোখের আইরিস,
ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রভৃতি। এসব শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ার সবগুলোর মধ্যেই নানা ধরণের ত্রুটি ও অসুবিধা বিদ্যমান কেবলমাত্র ফিঙ্গারপ্রিন্ট বাদে। একটি উদাহরণ দিলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। নিকট অতীতে মোবাইল ও ল্যাপটপে পাসওয়ার্ডের বিকল্প হিসেবে ক্যামেরা দ্বারা চেহারা
শনাক্তকরণ ও ঠড়রপব জবপড়মহরঃরড়হ বা কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণের ব্যবস্থা ছিলো, কিন্তু সেগুলো খুব একটা জনপ্রিয় হয়নি। কারণ চেহারা শনাক্তকরণের জন্য যে ক্যামেরা ব্যবহার করা হতো, সেটি অল্প আলোতে ঠিকমতো কাজ করত না। আবার দাড়ি-গোঁফের বৃদ্ধিজনিত কারণে চেহারার পরিবর্তন
হলে কম্পিউটার ও স্মার্টফোনের সফটওয়্যার ঠিকমতো চেহারা শনাক্ত করতে পারে না। (ইনশাআল্লাহ চলবে)



-গোলাম মুর্শিদ

image

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যদি তোমরা অর্থাৎ মুসলমানগণ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত থাকো এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হও, তবে কাফির-মুশরিক অর্থাৎ ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসীসহ সমস্ত বিধর্মীদের কোনো ষড়যন্ত্রই তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’ সুবহানাল্লাহ!
বর্তমানে মুসলমানরা যে সারাবিশ্বে ইহুদী-নাছারাদের দ্বারা যুলুম ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তার একটাই কারণ- মুসলমানরা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। নাঊযুবিল্লাহ!¬ অতএব, সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা জ্বীন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া।
তাহলে মুসলমানদের উপর থেকে এই চরম অশান্তি দূর হয়ে যাবে এবং সমস্ত কাফির-মুশরিকরা মুসলমানদের অধীন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ!
, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
বর্তমানে মুসলমানরা যে সারাবিশ্বে ইহুদী-নাছারাদের দ্বারা যুলুম ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে তার একটাই কারণ- মুসলমানরা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। নাঊযুবিল্লাহ!¬ অতএব, সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা জ্বীন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া।
আল-ইহসান প্রতিবেদন:

ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যমীনে এবং পানিতে যত ফিতনা-ফাসাদ সৃষ্টি হয়ে থাকে সব মানুষের হাতের কামাই।” আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের মাঝে দুটি সম্মানিত বিশেষ নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি। যতদিন পর্যন্ত তোমরা এই দুটি সম্মানিত বিশেষ নিয়ামত মুবারক অঁাঁকড়িয়ে ধরে রাখবে, ততদিন যাবৎ তোমরা গোমরাহ হবে না, পথভ্রষ্ট হবে না, ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। আর সেই দুটি সম্মানিত বিশেষ নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন, এক. পবিত্র কুরআন শরীফ ও দুই. পবিত্র সুন্নাহ শরীফ।” সুবহানাল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, বর্তমানে মুসলমান উনারা যে সারা বিশ্বে যুলুম-নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তার একটাই কারণ মুসলমানগণ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে অনেক দূরে সরে গেছেন। তাই মুসলমান উনাদের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তাওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া। তাহলে মুসলমান উনাদের উপর থেকে এই চরম অশান্তি দূর হয়ে যাবে এবং সমস্ত কাফির-মুশরিকরা মুসলমান উনাদের অধীন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি ‘আবূ দাঊদ শরীফ, দালাইলুন নুবুওওয়াহ লিল বাইহাক্বী শরীফ, শরহুস সুন্নাহ শরীফ, মুসনাদে শামিয়্যীন শরীফ, দায়লামী শরীফ, জামি‘উল উছূল শরীফ, মিশকাত শরীফ ইত্যাদি’ কিতাবের বরাত দিয়ে বলেন, হযরত ছাওবান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিকট ভবিষ্যতে মুসলমান উনাদের বিরুদ্ধে, মুসলমান উনাদের ক্ষতি সাধন করার জন্য বিশ্বের অন্যান্য জাতিরা তথা ইহুদী, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজূসী, মুশরিকরা একে অপরকে আহ্বান করবে। যেমন খাদ্যগ্রহণকারী খাবারের পাত্রের দিকে অন্যান্যদেরকে আহ্বান করে থাকে (অর্থাৎ তারা মুসলমান উনাদের পরিপূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাইবে।) নাউযুবিল্লাহ! বর্ণনাকারী বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এরূপ বাণী মুবারক শুনে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের মধ্য থেকে একজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এটা কি এই জন্য হবে যে, মুসলমান উনারা সেই সময় সংখ্যায় কম হবেন? সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, না; বরং মুসলমান সেই সময় সংখ্যায় অনেক বেশি হবে। কিন্তু মুসলমানদের অবস্থা হবে স্রোতে ভেসে যাওয়া পানির বুদ বুদের ন্যায়। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমানদের আমলের কারণে অর্থাৎ মুসলমানগণ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে, শত্রুদের অন্তর থেকে মুসলমানদের প্রতি শত্রুদের যে ভয়-ভীতি ছিল তা দূর হয়ে যাবে। মুসলমানদের অন্তরে ‘ওয়াহন’ পয়দা হবে। তখন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্য থেকে একজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ‘ওয়াহন’ কী? তিনি বললেন, দুনিয়ার মুহব্বত এবং মৃত্যুকে অপছন্দ করা (অর্থাৎ দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার আকাঙ্খা)।”

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, বর্তমানে সেটাই দেখা যাচ্ছে যে, সমস্ত কাফির, মুশরিক, ইহুদী, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজূসী, মুনাফিকরা সম্মানিত মুসলমান উনাদেরকে দুনিয়ার যমীন থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার জন্য একত্রিত হয়েছে। যার কারণে তারা একত্রিত হয়ে সারা বিশ্বের মুসলমান উনাদের উপর একের পর এক অবর্ণনীয় কঠিন যুলুম-নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে এবং একটার পর একটা মুসলিম দেশে আক্রমণ করে সেখানে নানান ফিতনা-ফাসাদ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ! বর্তমানে আমাদের দেশে যে কঠিন পরিস্থিতি বিরাজ করছে, এটাও তাদের সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্রেরই ফসল। তারা চেয়েছিল- ১৪৪৫ হিজরী আসার পূর্বেই সারা পৃথিবী দখল করে নিবে। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু তাদের এই স¦প্ন কস্মিনকালেও পূর্ণ হবে না ইনশাআল্লাহ। বর্তমানে তারা একের পর এক খোদায়ী আযাব-গযবে পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে এবং অতিশীঘ্রই তারা পরিপূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ! শুধু তাই নয়, তারা সম্মানিত মুসলমান উনাদের খাদেমে পরিণত হবে। ইনশাআল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, তাই মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- খালিছ তাওবা-ইস্তিগফার করে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ়চিত্ত থাকা এবং হাক্বীক্বী মুত্তাক্বী হওয়া। তাহলে মুসলমান উনাদের উপর থেকে এই চরম অশান্তি দূর হয়ে যাবে এবং সমস্ত কাফির-মুশরিকরা সম্মানিত মুসলমান উনাদের অধীন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ!

image

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার ৩, ৫, ৭, ১১, ১২, ১৮, ১৯, ২৩ এবং ২৮ তারিখ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহে পবিত্র মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে এ পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ সম্পর্কে আলোচনা মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।
, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার ৩, ৫, ৭, ১১, ১২, ১৮, ১৯, ২৩ এবং ২৮ তারিখ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য।
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কুরআন শরীফে ‘আইয়ামুল্লাহ’ অর্থাৎ সম্মানিত বিশেষ বিশেষ দিনসমূহের কথা উল্লেখ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান মহাপবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার ৩, ৫, ৭, ১১, ১২, ১৮, ১৯, ২৩ এবং ২৮ তারিখ সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ, আওলাদে রসূল ও হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মুবারক আলোচনার মাস। কেননা এ মুবারক মাস উনার সুমহান-

৩ তারিখ বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ। সুবহানাল্লাহ!

৫ তারিখ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!

৭ তারিখ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!

১১ তারিখ ষষ্ঠ হিজরী শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদ, গাউছুল আ’যম, আওলাদে রসূল হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!

১২ তারিখ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ ১২ই শরীফ। এ দিন কোটি কোটি কণ্ঠে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ ও পবিত্র তাবারুক বিতরণ করা হয়। সুবহানাল্লাহ!

১৮ তারিখ সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!

এবং (খ) অষ্টম হিজরী শতাব্দির মুজাদ্দিদ, হযরত নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।

১৯ তারিখ (ক) উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং (খ) সাইয়্যিদাতুনা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!

২৩ তারিখ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আত তাসিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!

২৮ তারিখ: সাইয়্যিদুনা হযরত আখূ রসূল মিনার রদ্বায়াহ আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাই, এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- এই মহাসম্মানিত দিবসে পবিত্র মাহফিলের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ সম্পর্কে আলোচনা মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।

✴️ জুমার দিন


আরবি:
وَأَعْظَمُهَا عِنْدَ اللَّهِ مِمَّنْ عَدَا الْفِطْرِ

উচ্চারণ:
ওয়া আ‘যমুহা ‘ইন্দাল্লাহি মিম্মিন ‘আদাল ফিতর।

এই জুমার দিনটা যিনি খালিক, যিনি মালিক মহান, কত মহান! এই জুমার দিনের ফজিলত রোযার ঈদ কোরবানির ঈদের চাইতেও বেশি—সুবহানাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

✴️ জুম্মার দিন


আরবি:
خَلَقَ اللَّهُ فِيهِ آدَمَ عَلَيْهِ السَّلَامُ

উচ্চারণ:
খালাকাল্লাহু ফীহি আদামা আলাইহিস সালাম।

এই জুমার দিন আল্লাহ পাক হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ উনাকে সৃষ্টি করেছেন।

✴️ জুম্মার দিন


আরবি:
أَبْطَلَ اللَّهُ فِيهِ آدَمَ إِلَى الْأَرْضِ

উচ্চারণ:
আহবাতাল্লাহু ফীহি আদামা ইলাল আরদ।

এই দিনে আল্লাহ পাক হযরত আবুল বাশার উনাকে জমিনে তাশরিফ মোবারক আনার ব্যবস্থা করেছেন।

✴️ জুম্মার দিন



আরবি:
أَبْطَلَ اللَّهُ فِيهِ آدَمَ إِلَى الْأَرْضِ

উচ্চারণ:
আহবাতাল্লাহু ফীহি আদামা ইলাল আরদ।

এই দিনে আল্লাহ পাক হযরত আবুল বাশার উনাকে জমিনে তাশরিফ মোবারক আনার ব্যবস্থা করেছেন।

✴️ জুম্মার দিন


আরবি:
تَوَفَّاهُ اللَّهُ فِيهِ آدَمَ عَلَيْهِ السَّلَامُ

উচ্চারণ:
তাওয়াফ্ফাল্লাহু ফীহি আদামা আলাইহিস সালাম।

তিনি জুমার দিনেই জমিন থেকে তাশরিফ নিয়ে আসছেন।

Moklesur Rahman shared a post  
1 h

2 hrs

নামাজে যখন দাঁড়াই, আল্লাহ তখন কোথায় থাকেন?

কখনো কি জায়নামাজে দাঁড়িয়ে "আল্লাহু আকবার" বলার পর ভেবে দেখেছেন—আমার আল্লাহ পাক  ঠিক কোথায় আছেন? হয়তো প্রশ্নটা মাথায় আসেনি, কিংবা আসলেও উত্তর খোঁজার সাহস হয়নি।

আজ থেকে চৌদ্দশত বছর আগে এক সাহাবী মহানবী ﷺ-কে এই একই প্রশ্ন করেছিলেন। আর সেই উত্তর শুনে ভয়ে ও লজ্জায় তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন।

এক জোছনাধোয়া রাতে মদিনার মসজিদে নববীতে প্রদীপ জ্বলছে। রাসুলুল্লাহ ﷺ সাহাবীদের মাঝে বসা। হযরত আবু যর গিফারী (রা.) মনের দীর্ঘদিনের এক লজ্জা ও কৌতূহল চেপে না রাখতে পেরে অনুচ্চ স্বরে জিজ্ঞেস করলেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ... নামাজে যখন আমি দাঁড়াই, আমার রব তখন কোথায় থাকেন?"

মসজিদে এক গভীর নীরবতা নেমে এলো। রাসুলুল্লাহ ﷺ মায়াভরা চোখে তাকিয়ে বললেন, "আল্লাহ তা'আলা বান্দার দিকে সরাসরি মুখ করে থাকেন, যতক্ষণ না বান্দা অন্য কোনো দিকে মনোযোগ দেয়। " (সুনানে নাসায়ী: ১১৯৫)

কথাটা শোনামাত্র আবু যর (রা.)-এর চোখ দিয়ে অঝোরে পানি ঝরতে লাগলো, শরীর কাঁপতে শুরু করলো। তিনি ভাবলেন—যাঁর এক ইশারায় আস্ত মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে, সেই মহান আল্লাহ আমার মতো তুচ্ছ বান্দার দিকে মুখ করে থাকেন! আর আমি নামাজে দাঁড়িয়ে দুনিয়াদারি, সংসার আর হিসাব-নিকাশের চিন্তায় মশগুল থাকি! এই তীব্র লজ্জা ও অনুশোচনা সহ্য করতে না পেরে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান।

কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, "আমি মানুষের ঘাড়ের রগ থেকেও বেশি কাছে।" (সূরা ক্বাফ: ১৬)

অন্য হাদিসে এসেছে, বান্দা নামাজে দাঁড়ালে আল্লাহ তার মুখোমুখি থাকেন। সে ডানে-বামে তাকালে আল্লাহর দৃষ্টিও সেদিকে যায়, আবার সামনে তাকালে আল্লাহও তার সামনে। (মুসনাদে আহমাদ)

রাসুলুল্লাহ ﷺ সাহাবীদের আরও বলেছিলেন, "বান্দা যখন নামাজে থাকে, সে তার রবের সাথে সরাসরি কথা বলে। তাই তার ভাবা উচিত সে কীভাবে কথা বলছে।" (মুস্তাদরাকে হাকিম)

আমরা কোনো সাধারণ মানুষের সাথে দেখা করতেই কত সাজগোজ ও গুছিয়ে কথা বলার প্রস্তুতি নিই! অথচ বিশ্বজাহানের মালিকের সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের মন পড়ে থাকে বাজার, মোবাইল কিংবা ব্যবসায়!

আজকের পর থেকে যখনই নামাজে দাঁড়াবেন, অন্তত ২ সেকেন্ডের জন্য একটু থামুন। চোখ দুটো বন্ধ করে ভাবুন—মহান আল্লাহ এখন ঠিক আপনার সামনে। তিনি আপনার ঠোঁটের নড়াচড়া দেখছেন, আপনার চোখের পানি আর মনের গোপন কান্না শুনছেন।

"এমনভাবে ইবাদত করো যেন তুমি আল্লাহকে দেখতে পাচ্ছো; আর তুমি না দেখলেও তিনি নিশ্চিতভাবেই তোমাকে দেখছেন।" — এটাই হলো 'এহসান' (সহিহ মুসলিম)।

লেখাটি নিজে পড়ুন এবং প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন। হয়তো আজকের পর থেকে আমাদের প্রত্যেকের নামাজ আরও অনেক বেশি অর্থপূর্ণ ও একাগ্র হয়ে উঠবে, ইনশাআল্লাহ।