পূজা দাসী বলতে আমরা যা বুঝি বাস্তবে তা নয়। দাসী ইসলামের বিধান নয়। এটা ইসলামের আগে থেকেই ছিল। আরবে, রোমে, পারস্যে, ভারতে মানুষকে বাজারে গরু ছাগলের মতো বিক্রি করা হতো। ইসলাম এসে দাস দাসী বানানো শুরু করেনি। ইসলাম এসে যেটা ছিল সেটাকে শেষ করার জন্য আইন দিয়েছে।

১. ইসলামে দাসী কে হতে পারে
স্বাধীন মেয়ে কখনো দাসী হতে পারে না।
যুদ্ধবন্দিনী ছাড়া রাসুল সা. বলেছেন আল্লাহ বলেন কিয়ামতে আমি তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বাদী হবো, তার একজন যে স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করে। বুখারী ২২২৭।

তাহলে দাসী আসত কোথা থেকে। শুধু বৈধ রাষ্ট্রীয় যুদ্ধে যুদ্ধবন্দী হলে। তখন জেল ছিল না। বন্দীদের হয় মেরে ফেলতে হতো না হয় সমাজে রাখতে হতো। ইসলাম মেরে ফেলতে নিষেধ করল। আল্লাহ বলেন যুদ্ধবন্দীদের হয় অনুগ্রহ করে ছেড়ে দাও না হয় মুক্তিপণ নাও। সুরা মুহাম্মদ ৪।

২. অন্যরা কি করত ইসলাম কি করল
অন্য সভ্যতায় যুদ্ধবন্দিনী মেয়েদের ধ'র্ষ"ণ করে মেরে ফেলা হতো। আজও অনেক দেশে যুদ্ধবন্দিনীদের বছরের পর বছর জেলে রাখা হয়, তাদের খাবার নাই, বিয়ে নাই, সন্তান নাই, যৌন চাহিদা পূরণের কোনো বৈধ পথ নাই। তারা দাসের চেয়েও খারাপ জীবন পায়।

ইসলাম কি করল। ইসলাম বলল তাকে তোমার ঘরে রাখো, পরিবারের মতো রাখো।

আল্লাহ বলেন তোমরা যা খাও তাদের তা খাওয়াও। সুরা বাকারা ১৭৭।
রাসুল সা. বলেছেন তারা তোমাদের ভাই। তোমরা যা খাবে তাদের তা খাওয়াবে, যা পরবে তাদের তা পরাবে। মুসলিম ১৬৬১।
রাসুল সা. বলেছেন যে দাসকে চড় মারবে তার কাফফারা তাকে মুক্ত করা। মুসলিম ১৬৫৭।

৩. সহবাসের বিধান, এটা ধ"র্ষ"ণ না সম্মান
ইসলামে দাসীর সাথে সহবাস জোর করে করা যায় না। তাকে প্রথমে নিজের ঘরে আনতে হবে, তার ইদ্দত শেষ করতে হবে, তার সম্মতি ছাড়া বিক্রি করা যাবে না।

আল্লাহ বলেন তোমাদের ডান হাতের অধিকারভুক্ত দাসী ছাড়া সব নারী তোমাদের জন্য হারাম। সুরা নিসা ২৪। এই আয়াত যুদ্ধবন্দিনীর জন্য।

কিন্তু শর্ত কি।

ক. সে তোমার স্ত্রীর মতো মর্যাদা পাবে। তাকে খারাপ নামে ডাকা যাবে না।
খ. সন্তান হলে সে বিক্রি হবে না। তাকে বলে উম্মে ওয়ালাদ। রাসুল সা. এর সময় থেকে নিয়ম সন্তানের মা স্বাধীন। মুয়াত্তা মালিক।
গ. সন্তান দাস হবে না। সে পুরো স্বাধীন, বাবার নাম পাবে, সম্পত্তির वारিস হবে। আবু দাউদ ৩৯৬৫।
ঘ. তাকে মুক্ত করে বিয়ে করলে দ্বিগুণ সওয়াব। রাসুল সা. বলেছেন যে ব্যক্তি তার দাসীকে ভালো শিক্ষা দেয়, মুক্ত করে, তারপর বিয়ে করে তার জন্য দ্বিগুণ পুরস্কার। বুখারী ৯৭।

দেখো পার্থক্য। অন্যরা মেয়েকে ব্যবহার করে ফেলে দেয়। ইসলাম তাকে মা বানায়। মারিয়া কিবতিয়া রা. দাসী ছিলেন, রাসুল সা. এর ছেলে ইব্রাহিমের মা হলেন, সাহাবারা তাকে উম্মুল মুমিনিনের মতো সম্মান দিতেন।

৪. ইসলাম দাসপ্রথা শেষ করল কিভাবে

ইসলাম একদিনে নিষেধ করেনি কারণ তখন পুরো অর্থনীতি দাসের উপর ছিল। হঠাৎ নিষেধ করলে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় মারা যেত। ইসলাম ধীরে ধীরে দরজা বন্ধ করল।

ক. নতুন দাস বানানোর সব পথ বন্ধ। শুধু যুদ্ধবন্দী তাও রাষ্ট্র চাইলে।
খ. মুক্তির সব পথ খোলা। আল্লাহ বলেন দাস মুক্তি হলো ধর্মের ঘাঁটি। সুরা বালাদ ১৩।
গ. কাফফারা। কেউ রোজা ভাঙলে, কসম ভাঙলে, ভুলে মানুষ মারলে প্রথম শাস্তি দাস মুক্ত করো। সুরা নিসা ৯২, সুরা মুজাদালা ৩।
ঘ. যাকাতের টাকা দিয়ে দাস মুক্ত করা ফরজ। সুরা তওবা ৬০।

ফলে ১৪০০ বছরে ইসলামের কারণে কোটি কোটি দাস মুক্ত হয়েছে। আজ দুনিয়ায় দাস নেই কারণ ইসলাম যে মানবিক আইন দিয়েছিল সেটাই আন্তর্জাতিক আইন হয়েছে।

৫. তাহলে আজকের উত্তর কি

আজ কোনো দাসী নেই, তাই সহবাসের প্রশ্নই নেই। কেউ যদি এখন মেয়ে ধরে বলে দাসী, সে ইসলাম অনুযায়ী অপরাধী, তার শাস্তি হবে।

তাহলে ইসলাম কেমন ধর্ম। ইসলাম সেই ধর্ম যা যুদ্ধের মেয়েকে ধর্ষণ না করে বিয়ের মর্যাদা দিল, সন্তানকে দাস না বানিয়ে রাজপুত্র বানাল, মাকে বিক্রি না করে স্বাধীন করল।

অন্যরা যেখানে মেয়েদের জেলে পচায়, ইসলাম সেখানে তাদের ঘরের রানী বানায়।

এই বিধান নিয়ে প্রশ্ন করার আগে নিজের বিবেককে জিজ্ঞেস করো, ইসলাম না থাকলে সেই যুদ্ধবন্দিনী মেয়েগুলোর কি হতো। উত্তর পাবে, তারা মারা যেত। ইসলাম তাদের বাঁচিয়েছে। এটাই ইসলামের সৌন্দর্য।

হিন্দু ধর্মে দাস প্রথা, রেফারেন্স নাম্বার সহ

১. যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি ২.২৯০
• অবরুদ্ধা দাসী: মালিক যাকে ঘরে আটকে রাখত, অন্য পুরুষের কাছে যেতে দিত না • ভুজিষ্যা দাসী: যাকে একজন পুরুষ রক্ষিতা হিসেবে রাখত

হিন্দু ধর্মের আরো দাস-দাসী নিয়ে বিস্তারিত কমেন্ট বক্সে থাকবে

কলমে: নওমুসলিম Nowfal ভাই

লেখা সংগ্রহ

রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন আন নূরুর রবি’য়াহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আনুষ্ঠানিক নুবুওয়াত প্রকাশের ৩ বৎসর পূর্বে পবিত্র ২০ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ইয়াওমুল জুমুয়াহ বা জুমুয়াবার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক ছিল ৩৭ বৎসর। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের পরামর্শে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বিষয়ে প্রস্তাব নিয়ে যান এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ উপস্থিত হয়ে উনাকে সম্মানিত সালাম মুবারক দেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত সালাম মুবারক উনার জবাব দিয়ে বলেন, হে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম! আপনি কিছু বলবেন কী? তখন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহূ ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ উনার সম্মানিত প্রস্তাব মুবারক নিয়ে এসেছি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জবাবে বললেন, ‘মারহাবান ওয়া আহলান’। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের উপস্থিতিতে ‘সম্মানিত মসজিদে নববী শরীফ’-এ সুমহান মহাপবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ পড়ান। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নির্দেশ মুবারক-এ সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা উপস্থিত হন। তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৫০০ দিরহাম সম্মানিত মহর ধার্য্য করে সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ পড়ান। সুবহানাল্লাহ! তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একপাত্র খেজুর মুবারক নিয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের মাঝে ছিটিয়ে দেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আন নূরুর রবি’য়াহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পর মাত্র প্রায় ছয় মাস যমীনে ছিলেন। তিনি হিজরী ১১ সনে ৩রা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার বাদ আছর পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনার পবিত্র জানাযার নামায হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি পড়ান। উনার পবিত্র রওজা শরীফ পবিত্র জান্নাতুল বাক্বীতে অবস্থিত। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি ৮ম হিজরী সনের ২রা যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল জুমুয়াহ বা জুমুয়াবার রাতে দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! দুনিয়াবী জিন্দেগী মুবারক অনুযায়ী তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বয়স মুবারক ছিলেন ৬১ বছর। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত আওলাদ আলাইহিস সালাম উনার নাম মুবারক রাখেন- সাইয়্যিদুনা হযরত ‘ইবরাহীম’ আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি উনার সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সপ্তম দিনে উনার পক্ষ থেকে দুইটি সম্মানিত দুম্বা সম্মানিত আক্বীক্বা মুবারক দেন এবং উনার সম্মানিত মাথা মুবারক মু-ন করান। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনিই শুধু উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার হযরত ক্বিবতিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আর অন্য সকল আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং আওলাদ আলাইহিন্নাস সালাম উনারা উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ইবনু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি দশম হিজরী সনের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূর মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১০ তারিখে সম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ১৬ মাস অবস্থান মুবারক করেছিলেন। সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র রওযা শরীফ সম্মানিত ‘জান্নাতুল বাক্বী’ শরীফ উনার মধ্যে অবস্থিত। নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত কাফন মুবারক, সম্মানিত জানাযা উনার নামায মুবারক এবং উনাকে সম্মানিত রওযা শরীফ উনার মধ্যে রাখা ইত্যাদি নিজ তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করেন। সুবহানাল্লাহ!

image

রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন আন নূরুর রবি’য়াহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আনুষ্ঠানিক নুবুওয়াত প্রকাশের ৩ বৎসর পূর্বে পবিত্র ২০ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ইয়াওমুল জুমুয়াহ বা জুমুয়াবার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক ছিল ৩৭ বৎসর। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের পরামর্শে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বিষয়ে প্রস্তাব নিয়ে যান এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ উপস্থিত হয়ে উনাকে সম্মানিত সালাম মুবারক দেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত সালাম মুবারক উনার জবাব দিয়ে বলেন, হে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম! আপনি কিছু বলবেন কী? তখন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহূ ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ উনার সম্মানিত প্রস্তাব মুবারক নিয়ে এসেছি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জবাবে বললেন, ‘মারহাবান ওয়া আহলান’। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের উপস্থিতিতে ‘সম্মানিত মসজিদে নববী শরীফ’-এ সুমহান মহাপবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ পড়ান। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নির্দেশ মুবারক-এ সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা উপস্থিত হন। তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৫০০ দিরহাম সম্মানিত মহর ধার্য্য করে সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ পড়ান। সুবহানাল্লাহ! তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একপাত্র খেজুর মুবারক নিয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের মাঝে ছিটিয়ে দেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আন নূরুর রবি’য়াহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পর মাত্র প্রায় ছয় মাস যমীনে ছিলেন। তিনি হিজরী ১১ সনে ৩রা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার বাদ আছর পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনার পবিত্র জানাযার নামায হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি পড়ান। উনার পবিত্র রওজা শরীফ পবিত্র জান্নাতুল বাক্বীতে অবস্থিত। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি ৮ম হিজরী সনের ২রা যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল জুমুয়াহ বা জুমুয়াবার রাতে দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! দুনিয়াবী জিন্দেগী মুবারক অনুযায়ী তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বয়স মুবারক ছিলেন ৬১ বছর। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত আওলাদ আলাইহিস সালাম উনার নাম মুবারক রাখেন- সাইয়্যিদুনা হযরত ‘ইবরাহীম’ আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি উনার সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সপ্তম দিনে উনার পক্ষ থেকে দুইটি সম্মানিত দুম্বা সম্মানিত আক্বীক্বা মুবারক দেন এবং উনার সম্মানিত মাথা মুবারক মু-ন করান। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনিই শুধু উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার হযরত ক্বিবতিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আর অন্য সকল আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং আওলাদ আলাইহিন্নাস সালাম উনারা উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ইবনু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি দশম হিজরী সনের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূর মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১০ তারিখে সম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ১৬ মাস অবস্থান মুবারক করেছিলেন। সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র রওযা শরীফ সম্মানিত ‘জান্নাতুল বাক্বী’ শরীফ উনার মধ্যে অবস্থিত। নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত কাফন মুবারক, সম্মানিত জানাযা উনার নামায মুবারক এবং উনাকে সম্মানিত রওযা শরীফ উনার মধ্যে রাখা ইত্যাদি নিজ তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করেন। সুবহানাল্লাহ!

image

রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন আন নূরুর রবি’য়াহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আনুষ্ঠানিক নুবুওয়াত প্রকাশের ৩ বৎসর পূর্বে পবিত্র ২০ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ইয়াওমুল জুমুয়াহ বা জুমুয়াবার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক ছিল ৩৭ বৎসর। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের পরামর্শে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বিষয়ে প্রস্তাব নিয়ে যান এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ উপস্থিত হয়ে উনাকে সম্মানিত সালাম মুবারক দেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত সালাম মুবারক উনার জবাব দিয়ে বলেন, হে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম! আপনি কিছু বলবেন কী? তখন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহূ ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ উনার সম্মানিত প্রস্তাব মুবারক নিয়ে এসেছি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জবাবে বললেন, ‘মারহাবান ওয়া আহলান’। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের উপস্থিতিতে ‘সম্মানিত মসজিদে নববী শরীফ’-এ সুমহান মহাপবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ পড়ান। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নির্দেশ মুবারক-এ সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা উপস্থিত হন। তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৫০০ দিরহাম সম্মানিত মহর ধার্য্য করে সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ পড়ান। সুবহানাল্লাহ! তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একপাত্র খেজুর মুবারক নিয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের মাঝে ছিটিয়ে দেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আন নূরুর রবি’য়াহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পর মাত্র প্রায় ছয় মাস যমীনে ছিলেন। তিনি হিজরী ১১ সনে ৩রা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার বাদ আছর পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনার পবিত্র জানাযার নামায হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি পড়ান। উনার পবিত্র রওজা শরীফ পবিত্র জান্নাতুল বাক্বীতে অবস্থিত। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি ৮ম হিজরী সনের ২রা যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল জুমুয়াহ বা জুমুয়াবার রাতে দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! দুনিয়াবী জিন্দেগী মুবারক অনুযায়ী তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বয়স মুবারক ছিলেন ৬১ বছর। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত আওলাদ আলাইহিস সালাম উনার নাম মুবারক রাখেন- সাইয়্যিদুনা হযরত ‘ইবরাহীম’ আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি উনার সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সপ্তম দিনে উনার পক্ষ থেকে দুইটি সম্মানিত দুম্বা সম্মানিত আক্বীক্বা মুবারক দেন এবং উনার সম্মানিত মাথা মুবারক মু-ন করান। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনিই শুধু উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার হযরত ক্বিবতিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আর অন্য সকল আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং আওলাদ আলাইহিন্নাস সালাম উনারা উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ইবনু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি দশম হিজরী সনের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূর মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১০ তারিখে সম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ১৬ মাস অবস্থান মুবারক করেছিলেন। সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র রওযা শরীফ সম্মানিত ‘জান্নাতুল বাক্বী’ শরীফ উনার মধ্যে অবস্থিত। নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত কাফন মুবারক, সম্মানিত জানাযা উনার নামায মুবারক এবং উনাকে সম্মানিত রওযা শরীফ উনার মধ্যে রাখা ইত্যাদি নিজ তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করেন। সুবহানাল্লাহ!

imageimage

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, ক্বয়িদুল মুরসালীন, রউফুর রহীম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র জীবনী মুবারক (২৩১৩)
, ২৬ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৫ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৫ মে, ২০২৬ খ্রি:, ০১ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) বরকতময় জিবনী মুবারক

কাট্রা কাফির আবূ রাফে’ অর্থাৎ সালাম ইবনে হাকীকের হত্যা:



এই কাফিলার সকলেই ছিলেন খাযরাজ গোত্রের শাখা বনু সালামাহ গোত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত। উনাদের সেনাপতি ছিলেন হযরত আব্দুল্লাহ বিন আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। উনারা সরাসরি খায়বার অভিমুখে গেলেন। কারণ কাট্টা কাফির আবূ রাফি’র দূর্গটি তথায় অবস্থিত ছিলো। যখন উনারা দূর্গের নিকটে গিয়ে পৌঁছলেন তখন সূর্য অস্তমিত হচ্ছিলো। সেখানকার লোকজনেরা তাদের গবাদি পশুর পাল নিয়ে গৃহে প্রত্যাবর্তন করছিলো। হযরত আব্দুল্লাহ বিন আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার সাথীদের বললেন, ‘আপনারা এখানে অপেক্ষা করতে থাকেন। আমি দরজার প্রহরীর সঙ্গে কথাবার্তা বলে এমন হিকমত অবলম্বন করবো যার ফলে অবশ্যই ভিতরে প্রবেশ করা সহজ ও সম্ভব হবে। ইনশাআল্লাহ!

এরপর তিনি দূর্গের দরজার নিকট গেলেন এবং মাথায় ঘোমটা টেনে এমনভাবে অবস্থান গ্রহণ করলেন যাতে দেখলে মনে হয় যে, কেউ যেন হাজত পূরণ করার জন্য বসে আছেন। প্রহরী সে সময় চিৎকার করে ডাক দিয়ে বললো, ‘ওহে আল্লাহ পাক উনার বান্দা! যদি ভিতরে আসার প্রয়োজন থাকে তবে এক্ষুনি চলে আসুন নচেৎ আমি দরজা বন্ধ করে দিবো।’

হযরত আব্দুল্লাহ বিন আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, ‘আমি এই সুযোগে দূর্গের ভিতরে প্রবেশ করলাম এবং নিজেকে গোপন করে রাখলাম। যখন লোকজন সব ভিতরে এসে গেলো, প্রহরী তখন দরজা বন্ধ করে দিয়ে চাবির গোছাটি একটি খুঁটির উপর ঝুলিয়ে রাখলো। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর যখন লক্ষ্য করলাম যে, সমগ্র পরিবেশ নিশ্চুপ ও নিস্তব্ধ হয়ে গেছে তখন আমি চাবির গোছাটি হাতে নিয়ে দরজা খুলে দিলাম এবং আমার সাথী যারা ছিলেন উনাদেরকে যথাস্থানে অবস্থান করতে বললাম। আমরা পূর্বপ্রস্তুতি অনুযায়ী সামনে চললাম।

কাট্টা কাফির আবূ রাফি’ উপর তলায় অবস্থান করছিলো। সেখানেই তার নোংড়া পরামর্শ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতো। বৈঠক শেষে বৈঠককারীরা যখন নিজ নিজ স্থানে চলে গেলো তখন আমি উপর তলায় উঠে গেলাম। আমি যে দরজা খুলতাম ভিতর থেকে তা বন্ধ করে দিতাম। আমি এটা স্থির করে নিলাম যে, যদি লোকজনেরা আমার প্রবেশ সম্পর্কে অবহিত হয়েও যায়, তবুও আমার নিকট তাদের পৌঁছবার পূর্বেই যেন কাট্টা কাফির আবূ রাফি’কে হত্যা করতে পারি। এভাবে আমি তার কাছাকাছি পৌঁছে গেলাম।

কিন্তু সে তার পরিবার পরিজন এবং সন্তানাদি পরিবেষ্টিত অবস্থায় এক অন্ধকার কক্ষে অবস্থান করছিলো। আমি এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারছিলাম না যে, সে কক্ষের ঠিক কোন স্থানে অবস্থান করছে। এ কারণে আমি তার নাম ধরে ডাক দিলাম, ‘আবূ রাফি’।’ সে জবাব দিলো, ‘কে ডাকছেন?’ তৎক্ষণাৎ আমি তার কণ্ঠস্বরকে অনুসরণ করে দ্রুত অগ্রসর হলাম এবং তরবারি দ্বারা জোরে তার দিকে আঘাত করলাম। কিন্তু আমার এ আঘাতে কোন ফল হলো না বলে মনে হলো। এদিকে সে জোরে চিৎকার করে উঠলো।

কাজেই, আমি দ্রুতবেগে ঘর থেকে বেরিয়ে এলাম এবং অল্প দূরে এসে থেমে গেলাম। অতঃপর কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করে আবার ডাক দিলাম, ‘আবূ রাফি! এ কণ্ঠস্বর কেমন?’ সে বললো, ‘তোমার মা ধ্বংস হোক! অল্পক্ষণ পূর্বে এ ঘরেই কে আমাকে তরবারি দ্বারা আঘাত করেছে?’ হযরত আব্দুল্লাহ বিন আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘আমি আবার প্রচন্ড শক্তিতে তরবারী দ্বারা তাকে পূনরায় আঘাত করলাম। এই আঘাতে তার ক্ষতস্থান থেকে রক্তের ফোয়ারা ছুটতে থাকলো। কিন্তু এতেও তাকে হত্যা করা সম্ভব হলো না।

তখন আমি তরবারীর অগ্রভাগ সজোরে তার পেটের মধ্যে প্রবেশ করে দিলাম। তরবারীর অগ্রভাগ তার পৃষ্ঠদেশ পর্যন্ত পৌঁছে গেলো। এখন আমি নিশ্চিত হলাম যে, সে নিহত হয়েছে। তাই আমি একের পর এক দরজা খুলতে খুলতে নীচে নামতে থাকলাম। অতঃপর সিঁড়ির মুখে শেষ ধাপে গিয়ে বুঝতে পারলাম যে, আমি মাটিতে পৌঁছে গিয়েছি। কিন্তু নিচের সিঁড়ির মাটিতে পা রাখতে গিয়ে আমি নীচে পড়ে গেলাম।

চাঁদের আলোয় আলোকিত ছিলো চার দিক। নীচে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পায়ের গোড়ালিতে আঘাতপ্রাপ্ত হলাম। মাথার পাগড়ী মুবারক খুলে শক্ত করে বেঁধে ফেললাম আমার পায়ের গোড়ালি। অতঃপর দরজা হতে দূরে গিয়ে বসে পড়লাম এবং মনে মনে স্থির করলাম যে, যতক্ষণ না ঘোষণাকারীর মুখ থেকে তার মৃত্যুর ঘোষণা শুনতে পাচ্ছি ততক্ষণ আমি এ স্থান ত্যাগ করবো না। মোরগের ডাক শুনে বুঝতে পারলাম, রাত প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। এমন সময় দূর্গ শীর্ষ থেকে ঘোষণাকারী ঘোষণা করলো যে, ‘আমি হিজাজের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবূ রাফি’র মৃত্যু সংবাদ ঘোষণা করছি।

-আল্লামা সাইয়্যিদ শাবীব আহমদ।

image

image

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার অনুসরণ করো।” নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করার মাধ্যমে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার অনুসরণ করা যাবে।
যে ঘরে পবিত্র ছলাত শরীফ অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ-পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করা হবেনা সেই ঘর অন্ধকার কবরের মত হয়ে যাবে অর্থাৎ বিরান হয়ে যাবে। সুতরাং প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বেশি বেশি ছলাত শরীফ-সালাম শরীফ অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ- পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করা।
, ০২ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২০ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২০ মে, ২০২৬ খ্রি:, ০৬ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
যে ঘরে পবিত্র ছলাত শরীফ অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ-পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করা হবেনা সেই ঘর অন্ধকার কবরের মত হয়ে যাবে অর্থাৎ বিরান হয়ে যাবে। সুতরাং প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বেশি বেশি ছলাত শরীফ-সালাম শরীফ অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ- পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করা।
আল-ইহসান প্রতিবেদন:

ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার অনুসরণ করো।” মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার সম্মানিত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে ছলাত অর্থাৎ পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করে থাকেন। হে ঈমানদারগণ! তোমরাও উনার শান মুবারকে ছলাত মুবারক পাঠ করো ও সালাম মুবারক পেশ করো পেশ করার মত।”

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলত নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করার মাধ্যমে সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার অনুসরণ করা যাবে। নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ক্বিয়ামতের দিন ঐ সমস্ত লোকেরা আমার অধিক নিকটবর্তী হবে যারা আমার প্রতি অধিক মাত্রায় দরূদ শরীফ পাঠ করবে।”

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, বাইহাক্বী শরীফ ফি শুয়াবুল ঈমান শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি আমার রওজা শরীফ উনার নিকটে এসে আমার প্রতি ছলাত মুবারক পাঠ করে আমি তা শুনি আর যে দূর থেকে আমার প্রতি ছলাত মুবারক পাঠ করে তা আমার নিকট পৌঁছে।”

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, তিরমিযী শরীফে উল্লেখ আছে হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ঐ ব্যক্তির নাক ধূলায় ধূসরিত হোক যার কাছে আমার আলোচনা করা হল অর্থাৎ আমার নাম মুবারক নেয়া হল অথচ সে আমার প্রতি ছলাত মুবারক পাঠ করল না।”

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, নাসাঈ শরীফে উল্লেখ আছে হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুলল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার ছলাত মুবারক পাঠ করল, মহান আল্লাহ পাক তিনি তার প্রতি দশবার রহমত মুবারক নাযিল করবেন এবং দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করে দিবেন।”

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, নাসাঈ শরীফে উল্লেখ আছে হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,“তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কবর বানিওনা। তোমরা রওজা শরীফ উনার মধ্যে ছলাত অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ, ক্বিয়াম শরীফ পাঠ না করে আনন্দ-উৎসবের স্থান বানিও না এবং আমার প্রতি ছলাত মুবারক অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ, ক্বিয়াম শরীফ পাঠ কর কেননা তোমরা যেখানেই থাকনা কেন তোমাদের ছলাত আমার নিকট পৌঁছে।”

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো, যে ঘরে পবিত্র ছলাত শরীফ অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ-পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করা হবেনা সেই ঘর অন্ধকার কবরের মত হয়ে যাবে অর্থাৎ বিরান হয়ে যাবে। সুতরাং প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বেশি বেশি ছলাত শরীফ-সালাম শরীফ অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ- পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করা।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি চান- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং উনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করতে। অর্থাৎ উনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেই সৃষ্টি করেছেন।’ সুবহানাল্লাহ!
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর রবি’য়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার সুমহান পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
তাই সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ্র জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের সম্মানার্থে উনাদের মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করা অর্থাৎ উনাদের সম্মানার্থে পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ এবং দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র মাহফিল উনার সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনাদের মহাপবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।
, ০২ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২০ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২০ মে, ২০২৬ খ্রি:, ০৬ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর রবি’য়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সুমহান পবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার সুমহান পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন আন নূরুর রবি’য়াহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আনুষ্ঠানিক নুবুওয়াত প্রকাশের ৩ বৎসর পূর্বে পবিত্র ২০ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ইয়াওমুল জুমুয়াহ বা জুমুয়াবার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক ছিল ৩৭ বৎসর। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের পরামর্শে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার বিষয়ে প্রস্তাব নিয়ে যান এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ উপস্থিত হয়ে উনাকে সম্মানিত সালাম মুবারক দেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত সালাম মুবারক উনার জবাব দিয়ে বলেন, হে সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম! আপনি কিছু বলবেন কী? তখন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহূ ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আন নূরুর রবি‘য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ উনার সম্মানিত প্রস্তাব মুবারক নিয়ে এসেছি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জবাবে বললেন, ‘মারহাবান ওয়া আহলান’। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের উপস্থিতিতে ‘সম্মানিত মসজিদে নববী শরীফ’-এ সুমহান মহাপবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ পড়ান। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নির্দেশ মুবারক-এ সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা উপস্থিত হন। তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৫০০ দিরহাম সম্মানিত মহর ধার্য্য করে সম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ পড়ান। সুবহানাল্লাহ! তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একপাত্র খেজুর মুবারক নিয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাদের মাঝে ছিটিয়ে দেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আন নূরুর রবি’য়াহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পর মাত্র প্রায় ছয় মাস যমীনে ছিলেন। তিনি হিজরী ১১ সনে ৩রা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার বাদ আছর পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনার পবিত্র জানাযার নামায হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি পড়ান। উনার পবিত্র রওজা শরীফ পবিত্র জান্নাতুল বাক্বীতে অবস্থিত। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি ৮ম হিজরী সনের ২রা যিলহজ্জ শরীফ লাইলাতুল জুমুয়াহ বা জুমুয়াবার রাতে দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! দুনিয়াবী জিন্দেগী মুবারক অনুযায়ী তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বয়স মুবারক ছিলেন ৬১ বছর। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত আওলাদ আলাইহিস সালাম উনার নাম মুবারক রাখেন- সাইয়্যিদুনা হযরত ‘ইবরাহীম’ আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি উনার সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সপ্তম দিনে উনার পক্ষ থেকে দুইটি সম্মানিত দুম্বা সম্মানিত আক্বীক্বা মুবারক দেন এবং উনার সম্মানিত মাথা মুবারক মু-ন করান। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনিই শুধু উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার হযরত ক্বিবতিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আর অন্য সকল আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা এবং আওলাদ আলাইহিন্নাস সালাম উনারা উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে দুনিয়ার যমীনে সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইবনু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম তিনি দশম হিজরী সনের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূর মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ১০ তারিখে সম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি দুনিয়ার যমীনে ১৬ মাস অবস্থান মুবারক করেছিলেন। সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুর রবি’ আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র রওযা শরীফ সম্মানিত ‘জান্নাতুল বাক্বী’ শরীফ উনার মধ্যে অবস্থিত। নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত কাফন মুবারক, সম্মানিত জানাযা উনার নামায মুবারক এবং উনাকে সম্মানিত রওযা শরীফ উনার মধ্যে রাখা ইত্যাদি নিজ তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করেন। সুবহানাল্লাহ!

মায়ের চিকিৎসার জন্যও জামিন পেলেন না দিল্লির উমর খালিদ

২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লি দাঙ্গার মামলায় অভিযুক্ত ও কারাবন্দি অ্যাক্টিভিস্ট উমর খালিদের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন দিল্লির একটি আদালত। মঙ্গলবার (১৯ মে) তার করা অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদনটি আদালত নাকচ করেন। মায়ের অস্ত্রোপচার ও চাচার চেল্লুমের জন্য জামিন চেয়েছিলেন উমর।

অতিরিক্ত দায়রা জজ সমীর বাজপেয়ী উমর খালিদের করা ১৫ দিনের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদনের ওপর শুনানি করেন। উমর খালিদ তার মৃত চাচার মৃত্যুর ৪০ দিন পর করণীয় ধর্মীয় রীতিনীতি (চেল্লুম) অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এবং অস্ত্রোপচার হতে যাওয়া অসুস্থ মায়ের দেখাশোনার জন্য এই জামিন চেয়েছিলেন। তবে আদালত তার এই অনুরোধ গ্রহণ করেনি।