উম্মুল মুমিনীন সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহিস সালাম উনার গৃহেই আল্লাহর হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওহী নাযিলের পর অবস্থান করেন, ওহিই নাযিলের ৬ মাস সময় নবীদের নবী রাসুলদের রাসুল হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেরা গুহায় ধ্যান মগ্ন থাকতেন। সে সময় এত উঁচু পাহাড় আরোহন করে হযরত খাদিজাতুল কোবরা আলাইহিস সালাম তিনি খাবার আনা নেওয়া করতেন, ওই নাজিলের পর যখন উনার গৃহে আসলেন তখন নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এরশাদ করলেন হে খাদিজাতুল কোবরা আলাইহিস সালাম আপনি আমাকেই কম্বল দ্বারা আচ্ছাদিত করুন আমার প্রতি মহান আল্লাহপাক মহান ওহী নাজিল করেছেন, উনি মারিধি শাহ অর্থাৎ জ্বর মোবারক অনুভব করলেন।
আল্লাহর হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বংশধর হযরত ফাতেমাতুজ জাহরা আলাইহিস সালাম উনার মাধ্যম দিয়ে পৃথিবীতে জারি রয়েছে কেয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে। আর ফাতেমাতার যাহারা আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত মহা পবিত্রতম সালাম উনাদের যিনি মূল এবং প্রথম সেই খাদিজাতুল কোবরা আলাইহি সালাম উনার উনার মাধ্যম দিয়েই দুনিয়ায় তাশরীফ এনেছেন। এখন যারা উনার নামে কুৎসা রটায় অবান্তর অহেতুক অবাঞ্চিত কথাবার্তা রটায় তারা চরম কাফির চির জাহান্নামি, হোক সে ইসলাম নিয়ে কথা বলে, মুসলমান দাবি করে , মুফতি , মুহাদ্দিস ,শাইখুল হাদিস, হোক সে নিশ্চিত কাফের।
কারণ সাইয়্যিদুল মুরসালিন ,ইমামুল মুরসালিন ,খাতামুন নাবিয়ীন হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম উনাকে অত্যন্ত গভীরভাবে ভালোবাসতেন সেজন্য উনার ওফাৎ মোবারক এর পরেও বকরি ,ভেড়া ইত্যাদি জবাইয়ের পরে মাথা ,পা , সিনার গোশত এরকম অংশসমূহ উনার বান্ধবী আত্মীয়-স্বজন কোনদিন নিকট নুরুন্নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম হাদিয়া পেশ করতেন, বুখারী শরীফ।এর মাধ্যম দিয়ে হযরত খাদিজাতুল কোবরা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি যে গভীর মহব্বত জড়িত রয়েছে সেটা বহিঃপ্রকাশ করতেন। উনার ধন সম্পদ দ্বারা নুরুন্নবীজী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বিশেষভাবে উপকৃত হয়েছিলেন। উনার সন্তানাদি দ্বারা আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু সালামের বংশধারা পৃথিবীতে কেয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে, ওহি মোবারক নিয়ে আসার পরে আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বপ্রথম তিনি মুসলমান হয়েছিলেন। অর্থাৎ তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ সর্বপ্রথম মুসলমান। স্বভাবতই একদিন, দুইদিন, এক বছর দুই বছরে ইসলাম এর সমস্ত আহকাম নামাজ রোজা হজ জাকাত সবকিছু নাযিল হয়নি। বরং ধীরে ধীরে প্রয়োজন অনুযায়ী, ধীরে ধীরে নাযিল হয়েছে। যখন যেটা নাযিল হয়েছে সেটার আমল শুরু হয়েছে সেটার বাস্তবায়ন গুরুত্ব তাৎপর্য সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বাস্তবায়ন করে আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছেন।
তাহলে আমির হামজা নামক কাফের যখন বলবে যে উনি একদিনও রোজা রাখেননি ,একদিনও নামাজ পড়েননি, একদিনো হজ করেন নেই ,একদিনও যাকাত আদায় করেনি কথা বলার তার অধিকার নাই। যখন আল্লাহপাক যা বলার ব্যাপারে , আমল করতে ওহী নাযিল করেননি সেটা কারো করার এখতিয়ারও নাই ,অধিকারও নাই ।
কারণ সেটা এখনো ইসলাম নয়। তাহলে যে সমস্ত কাফের বেদ্বীন, ইহুদি ,নাসারা হযরত উম্মুল মুমিনীনআলাইহিন্নাস ছালাম উনাদের যিনি মূল যিনি পবিত্র দানকারী হযরত খাদিজাতুল কোবরা আলাইহিস সালাম উনার আমল সম্পর্কে কটাক্ষ করা তিরস্কার করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা, চরম কুফরী, গোমরাহী পথ ভ্রষ্ঠতা। কারণ এরা ইহুদী নাসারা মুশফিকদের থেকে টাকা সম্মান পাওয়ার আশায় হযরত উম্মাহাতুল মু'মিনীন আলাহিনাস সালাম উনাদের শানে মিথ্যা ঘটনা মিথ্যা কুৎসা রটায়।
অথচ বুখারী মুসলিম শরীফ এসব গুলোর মধ্যে রয়েছে হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহিস সালাম উনার অবাক মোবারক এর সময় আল্লাহর হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন যে আপনার সতীনদেরকে জান্নাতের মধ্যে আমার সালাম দিবেন, হঠাৎ এই হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমাণ হয়ে যায় তিনি নিশ্চিত জান্নাতি এমনকি আহলে বাইত শরীফ আলাইহি অসসালাম উনাদের মূল। যারা জান্নাতে যুবক দের সরদার এবং সর্দারনী হবেন। সুবহানাল্লাহ ।
মিশকাত শরীফ মুসলিম শরীফ এ দুই কিতাবের মধ্যে বর্ণনা আছে যারা ঈমানদার তারা হযরত উম্মুল মু'মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শানে ব্যাপক প্রশংসা ব্যাপক আলোচনা ব্যাপক সম্মান ইজ্জত সমৃদ্ধ ওয়াজ নসিহত করবেন। অর্থাৎ যারা এর বিপরীতে আলোচনা করবে তারা কাফের।
তাই আমির হামজা নামক কাফের কে প্রকাশ্যে জুতা মেরে শাস্তি প্রদানের শুরু করা হোক ,সে শাস্তির শেষ হবে মৃত্যুদণ্ড

image

বাংলাদেশের রাজনীতির দিকে তাকালে একটি বিষয় খুব স্পষ্ট। এখানে গোয়েন্দা সংস্থা নিয়ে আলোচনার কোনো অভাব নেই। কেউ যদি ভারতের 'র' এর সাথে বৈঠক করে, তবে তাকে নিয়ে পত্রিকায় বিশাল হেডলাইন হয়। কেউ যদি পাকিস্তানের 'আইএসআই'-এর সাথে যোগাযোগ রাখে, তবে তাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়। আমেরিকার 'সিআইএ'-এর তৎপরতা নিয়ে তো পাড়ার চায়ের দোকানেও নিয়মিত আড্ডা চলে।

কিন্তু একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার নাম এই দেশের রাজনীতিতে যেন একটি অলিখিত ট্যাবু বা নিষিদ্ধ শব্দ। সেটি হলো ইসরায়েলের 'মোসাদ'। যে দেশটির সাথে বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, যে দেশের পাসপোর্টে পরিষ্কার লেখা থাকে "দিস পাসপোর্ট ইজ ভ্যালিড ফর অল কান্ট্রিস অফ দ্য ওয়ার্ল্ড এক্সেপ্ট ইসরায়েল"...সেই দেশের গোয়েন্দাদের সাথে যখন আমাদের দেশের একজন প্রথম সারির তরুণ রাজনীতিবিদ যোগাযোগ রাখেন, তখন কেন সবাই চুপ থাকে?

এই নীরবতা কোনো সাধারণ অজ্ঞতা নয়; এই নীরবতা হলো এক গভীর ভয়ের বহিঃপ্রকাশ। সবাই জানে, ইসরায়েলের সাথে কানেক্টেড কোনো কিছুর একটা চুল ছেঁড়ার ক্ষমতা বর্তমান ওয়ার্ল্ড অর্ডারে কারও নেই। আর ঠিক এই ভয়ংকর ইমিউনিটি বা দায়মুক্তি নিয়েই রাজনীতির মাঠে খেলছেন তরুণ নেতা নুরুল হক নুর।

বিষয়টি কোনো গুঞ্জন বা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নয়। স্বয়ং নুরুল হক নুর নিজে মিডিয়ার সামনে স্বীকার করেছেন যে, ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার লোকেদের সাথে তার যোগাযোগ হয়েছে। একজন রাজনীতিক যখন এতটা প্রকাশ্যে একটি শত্রুভাবাপন্ন দেশের গোয়েন্দাদের সাথে যোগাযোগের কথা স্বীকার করেন, তখন বুঝতে হবে তার পেছনের খুঁটি কতটা শক্ত!

তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোও কোনো মামুলি বিষয় নয়। অভিযোগ রয়েছে, ইসরায়েলের কাছ থেকে কয়েক শত কোটি টাকার ফান্ডিং বা অর্থায়ন পেয়েছেন তিনি। এই অভিযোগগুলো কেবল দেশীয় রাজনৈতিক বিরোধীদের নয়। খোদ ফিলিস্তিনের অ্যাম্বাসেডর বা রাষ্ট্রদূত প্রকাশ্যে অভিযোগ করেছিলেন যে, বিভিন্ন দেশে নুর নিয়মিত ইসরায়েলিদের সাথে বহু গোপন মিটিং করেছেন। এ সংক্রান্ত খবর গণমাধ্যমে বহুবার প্রকাশিত হয়েছে, ছবি ভাইরাল হয়েছে।

যেকোনো স্বাধীন দেশে এমন একটি অভিযোগ উঠলে, খোদ রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের পর সেই রাজনীতিককে অবিলম্বে ইন্টারোগেশন বা জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় নেওয়া হতো। এটি কোনো সাধারণ দুর্নীতি বা রাজনৈতিক কাদা-ছোড়াছুড়ি নয়; এটি সরাসরি 'জাতীয় নিরাপত্তা'র ইস্যু। একটি শত্রু রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার সাথে দেশের একজন নেতার যোগাযোগ কেন? কী তাদের উদ্দেশ্য? কিন্তু না, তাকে কোনো ইন্টারোগেশন করা হয়নি, আর বর্তমান বিশ্বব্যবস্থার যে চিত্র, তাতে হয়তো কোনোদিন হবেও না।

সবচেয়ে গা গুলিয়ে ওঠা দৃশ্যটি দেখা যায় আমাদের দেশের কথিত ইসলামি দলগুলোর আচরণে। আমরা হাজার হাজার মাইল দূর থেকে ফিলিস্তিনের মজলুম মানুষের জন্য চোখের জল ফেলি। জুমার খুতবায় ইসরায়েলের মুণ্ডুপাত করি, রাস্তায় নেমে ইসরায়েলের পতাকা পোড়াই, স্লোগান দিই।

কিন্তু কী এক অদ্ভুত সেলুকাস এই দেশ! যখনই সুযোগ আসে, এই একই ইসরায়েল-বিরোধী ইসলামি দলগুলো সেই নুরকেই তাদের সভা-সেমিনারে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে মঞ্চে তুলে দেয়! যে নেতাকে বিশ্লেষকদের অনেকেই মোসাদের চিহ্নিত এজেন্ট হিসেবে মার্ক করেন, যার ইসরায়েলি কানেকশন একটি ওপেন সিক্রেট, তাকেই আমাদের ইসলামি দলগুলো তাদের পোডিয়ামে বক্তব্য দেওয়ার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে থাকে।

এটি আমাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব এবং ভণ্ডামির সবচেয়ে নগ্ন রূপ।

সম্প্রতি প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইনের একটি ভিডিও প্রতিবেদনে নুরের দুর্নীতি এবং ব্যক্তিগত জীবনের অনেক অন্ধকার দিক নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে, মানুষ সমালোচনা করছে।

কিন্তু এসব দুর্নীতি বা ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারির চেয়েও কোটি গুণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো তার সেই ইসরায়েলি কানেকশন। আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন, ইলিয়াস হোসাইনের ওই ভিডিওর কারণে নুরের একটা চুলও ছেঁড়া যাবে না! কেন? কারণ তার পেছনে যে অদৃশ্য শক্তি বা শিল্ড কাজ করছে, তা আমাদের দেশের সাধারণ আইন বা রাজনৈতিক বিরোধিতার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।

ইসরায়েলের সন্তান এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই অপ্রতিরোধ্য। তাদের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এবং লবিং এতই শক্তিশালী যে, তারা তাদের 'এজেন্ট' বা 'অ্যাসেট'-কে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করে।

নুরের পেছনে এমন একটা শক্তি আছে, যেটা তাকে ক্ষমতার শীর্ষে বা রাজনীতির মূল স্রোতে সবসময় রাখবেই, রাখতেই হবে। যদি বিএনপি তাকে না নেয়, তবে তাকে আওয়ামী লীগ লুফে নেবে। আর যদি এরা কেউ না নেয়, তবে জামায়াত বা হেফাজতের মতো দলগুলোও তাকে কাছে টানতে সর্বদা ইচ্ছুক। কারণ, ক্ষমতার রাজনীতিতে নীতির চেয়ে 'ব্যাকআপ' বেশি জরুরি, আর নুরের ব্যাকআপ হলো এমন এক শক্তি, যার দিকে আঙুল তোলার সাহস এই দেশে খুব কম মানুষেরই আছে
লেখা সংগ্রহ

ইউক্রেন নামে একটা দেশ ছিল..!

যা ছিল—তা বাংলাদেশের চেয়েও অন্তত ৩০ গুণ বেশি উন্নত..!

তারপর কী হলো?

মার্কিন Deep State সেখানে ঢুকলো,

অরেঞ্জ বিপ্লব ঘটালো,

রুশপন্থী সরকার ফেলে দিয়ে

একজন মার্কিনপন্থী কমেডিয়ানকে

রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসালো—

নাম তার জেলেনস্কি..!

ক্ষমতায় বসেই সেই ভাঁড় তার প্রভুদের খুশি করতে

রাশিয়ার সীমান্তে সীমান্তে উসকানি দিতে থাকলো,

নেটো, অস্ত্র, মহড়া—

সবকিছু দিয়ে রাশিয়ার “সহনশীলতা” চুলকাতে থাকলো..!

একসময় রাশিয়া বিরক্ত হলো।

তারপর?

ইতিহাস তো আপনার চোখের সামনেই..!

আজ ইউক্রেন কেমন আছে?

▪ লক্ষ লক্ষ মানুষ উদ্বাস্তু

▪ শহর ধ্বংসস্তূপ

▪ অর্থনীতি আইসিইউতে

▪ এক প্রজন্ম শেষ

▪ দেশ বন্ধক দেওয়া

আর মার্কিনিরা?

তারা নিরাপদ দূরত্বে বসে

“গণতন্ত্র” নিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছে..!

এই কিছু দিন আগে আমেরিকা আবার বলেছে যে তারা নাকি NATO গ্রুপ থেকে বেরিয়ে আসবে,সত্যি যদি আমেরিকা NATO কে গুডবাই বলে তাহলে রাশিয়া ইউক্রেন কে সাহায্য করা বাকি দেশ গুলো কে খুঁজে খুঁজে মারবে এতে কোন সন্দেহ নেই।

ভারতের সেনাবাহিনী মোতায়েন ব্যাবস্থা নীচের চিত্রে।


👉 শিক্ষা কী?

প্রতিবেশী যদি আপনার চেয়ে বড় হয়,

সামরিক শক্তিতে যদি পরাক্রমশালী হয়,

তাহলে তাকে ভালোবাসতেই হবে—এ কথা নয়।

কিন্তু হিসাব না করে চুলকানো মানে আত্মহত্যা।

বাংলাদেশের তুলনায় নয়—

ভারত নিঃসন্দেহে দক্ষিণ এশিয়ার পরাক্রমশালী শক্তি..!

আপনি ভারতকে পছন্দ করেন না?

সমস্যা নেই..!

কিন্তু প্রশ্ন হলো—

আপনি যদি ভারতকে চুলকান,

তার রিএকশন সামাল দেওয়ার ক্ষমতা আপনার আছে তো?

▪ সেভেন সিস্টার ভেঙে ফেলবেন?

▪ দূতাবাস বন্ধ করবেন?

▪ উসকানি দেবেন?

ভারত কি বসে বসে আঙুল চুষবে?

নাকি পাল্টা আঘাত করবে?

আর তখন—

এই পৃথিবীতে এমন কোন মিত্র আছে

যে ভারতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে

আপনার জন্য যুদ্ধ করবে?

মুখে বড় বড় কথা বলা সহজ..!

রাষ্ট্র চালাতে লাগে আবেগ না—

বাস্তবতা, হিসাব আর কূটনীতি..! (Jio politics)

ইউক্রেনের ধ্বংস

যদি আপনাকে কিছু না শেখায়,

তাহলে ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না..!

সংগৃহীত

image

" আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতাল"
(পর্দাভিত্তিক চিকিৎসা সেবায় একমাত্র হাসপাতাল)

আপনার সুস্থতা, আপনার পরিবারের সুস্থতা—আমাদের দায়িত্ব

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উপলক্ষে আল-মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতালের পক্ষ থেকে সকলের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে মাসব্যাপী বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি। এই পুরো মাসজুড়ে নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট বিভাগের চিকিৎসা ও সেবায় থাকছে বিশেষ মূল্যছাড়। পাশাপাশি মাসব্যাপী কিছু বিশেষ সেবা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্যাকেজেও থাকছে আকর্ষণীয় মূল্যছাড়।
⚠️ রোগকে ছোট করে দেখবেন না! শরীরে কোনো অস্বাভাবিকতা, ব্যথা, অসুস্থতা বা রোগের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।  সময়মতো রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করা গেলে অনেক ক্ষেত্রেই দ্রুত উপশম ও জটিলতা প্রতিরোধে সহায়তা করা সম্ভব। অন্যদিকে, অবহেলা করলে ছোট একটি সমস্যা সময়ের সঙ্গে বড় আকার ধারণ করতে পারে এবং জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।
তাই নিজের জন্য, পরিবারের সকলের সুস্থতার জন্য-
আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতাল
📍 ঠিকানা: আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতাল , ৫ আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ, ঢাকা-১২১৭
📞 ০১৭১১-০৫২৩৬৬ (মহিলা বিভাগ)
📞 ০১৭৪০-৬৫৬৭৪৮ (পুরুষ বিভাগ)
📞 ০১৮৩৮-১৭৭৪৫৯ (ফার্মেসী)

image

Simply Solar Solar Panel Installation Companies

Simply Solar stands apart from solar panel installation companies with expert in-house teams, personalized system designs, quality technology, 24/7 monitoring, and dependable customer support designed to make your transition to clean energy simple.
Visit - https://maps.app.goo.gl/C5hxEuLomGvG4tmUA

Google Maps

Find local businesses, view maps and get driving directions in Google Maps.
Azi Zul changed his profile picture
1 h

image

নিঝুম রজনি

যখন হেফাজতের শোকরানা মাহফিল হয়, শেখ হাসিনাকে মা বলে তখন দলিল লাগে না।

যখন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রধান সাহেব ৫০১ ঘটনায় জেল থেকে বাহির হওয়া উপলক্ষ্য মিষ্টি বিতরণ ও ঈদের দিন বলে
তখন দলিল লাগে না।

যখন জামায়াতের লোককে চাঁদে দেখা যায়, তার জন্য সূর্য দাড়িয়ে থাকে তখন দলিল লাগে না।

তাওহীদি জনগন যখন মাজার ভাংগে, লাশ পুড়ায়, লুটপাট করে
তখন দলিল লাগে না।

যখন আহলে খ২০ শায়েখদের ফেসবুক ফলোয়ার্স ১০০ K হওয়ার কারণে সেলিব্রেশন করেন তখন দলিল লাগে না।

দেওবন্দিদের কিতাবে যখন নবীজিরঁ শানে বেয়াদবি করা হয়
তখন দলিল লাগে না।

সৌদি আরব গিয়ে সৌদি ডে পালন করে দলিল লাগে না।

তাবলীগের লোকেরা যখন ইজতেমার মাঠকে হজ্জের সাথে তুলনা করে
তখন দলিল লাগে না।

হাতপাখায় ভোট দিলে নবীজিকেঁ ভোট দেওয়া হবে তখন দলিল লাগে না।

কওমিরা যখন বলৎকার করে
তখন দলিল লাগে না।

বড় শায়েখ যখন নবীজি ৪০ বছরে নবুওয়ত লাভ করছে বলে তখন দলিল লাগে না।

কলরবের শিল্পী গোষ্ঠীরা যখন পহেলা বৈশাখ পালন করেন
তখন দলিল লাগে না।

ইব্রাহিমস্টাইন যখন সুদখোর ইউনুসকে নবীর সঙ্গে তুলনা করে তখন দলিল লাগে না।

শায়েখ যখন অহরহ নবীজির শ্বানে বেয়াদবি করে
তখন দলিল লাগে না।

যখন তথাকথিত আল্লামা ১৯৯০ আজগুবি কথা বলে তখন দলিল লাগে না।

তরুণ শায়েখ নবীজিকে বড় ভাই বলে
তখন দলিল লাগে না।

যখন মঙ্গল শোভাযাত্রা করে, গীতা পাঠ করে, প্রসাদ খায় তখন দলিল লাগে না।

ফুটবল বিশ্বকাপে গেলো
তখন দলিল লাগে না।

হুজুররা / শায়েখরা তাদের ছেলে মেয়ে বিয়ের সময় রাজনৈতিক নেতাদের দাওয়াত দিয়ে ভরপুর খাওয়ায় তখন দলিল লাগে না।

খেলাফত থুইয়া নিবার্চন করে গনতন্ত্র সার্পোট করে
তখন দলিল লাগে না।

যখন আমRikar স্বাধীনতা দিবস পালন করে তখন দলিল লাগে না।

যখন ২১ এ ফেব্রুয়ারী, ১৬ ই ডিসেম্বর, ৩৬ জুলাই, পহেলা বৈশাখ, হ্যাপী নিউ ইয়ার, দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানায়
তখন দলিল লাগে না।

আরও কতশত আকাম উুকাম, হ্যান ম্যান ত্যান তো আছেই..... তখন দলিল লাগে না।
তাদের দলিল লাগে শুধু ১২ই রবিউল আউওয়াল সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালনের ক্ষেত্রে!

মীলাদ শরীফ বিরোধীদের মিথ্যাচার

পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস আসলে মীলাদ শরীফ বিরোধিরা যতগুলো মিথ্যাচার করে তারমধ্যে অন্যতম হলো ৬০০ হিজরীর পর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চালু হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
তাদের এই কথা যে চরম মিথ্যা তার অনেক দলীল রয়েছে। এই লেখায় ২টা বিষয় উল্লেখ করবো।

১। হযরত ইমাম আল্লামা খতীব আবূ ইয়াহইয়া আব্দুর রহীম বিন মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল বিন নুবাতাহ্ ফারূক্বী যিনি ইবনু নুবাতাহ্ রহমাতুল্লাহি আলাইহি নামে শাশহূর। যার বিলাদত : ৩৩৫ হিজরী, বিছাল : ৩৭৪ হিজরী। উনার خَطَبَةُ إِبْنِ نُبَاتُةُ 'খুৎবাতে ইবনে নুবাতাহ্' কিতাবের মধ্যে পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসের ২য় খুৎবায় উল্লেখ রয়েছে-
فَمَنْ عَظَمَ لَيْلَةَ مُوْلِدِهِ بِمَا أَمْكَنَه مِنَ التَّعْظِيمِ وَالْإِكْرَامِ كَانَ مِنَ الْفَائِزِينَ بِدَارِ السَّلام
"যে ব্যক্তি হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়ায় শুভাগমনের রাত মুবারককে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দিবে, সে চিরস্থায়ী শান্তিময় জান্নাত লাভে সৌভাগ্যবান হবে।” সুবহানাল্লাহ্!
একটু লক্ষ্য করুন, উনার বিলাদত শরীফ হচ্ছে ৩৩৫ হিজরীতে আর বিছাল শরীফ হচ্ছে ৩৭৪ হিজরীতে। আমরা যদি উনার বিছাল শরীফ থেকেও ধরি তাহলেও দেখা যাচ্ছে তাদের দাবীর ২২৬ বছর পূর্বেই পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফকে সম্মান করার বিষয়ে ফযীলত বর্ণিত রয়েছে।

২। শায়েখ, ইমাম, আল্লামা, হাফিয, মুফাসসির, মুহাদ্দিছ, মুয়াররিখ, শায়খুল ইসলাম, আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আলী বিন মুহাম্মাদ ইবনুল জাওযী বাগদাদী হাম্বলী আশয়ারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি। যিনি ইবনে জাওযী নামে পরিচিত। যার বিলাদত: ৫০৮ হিজরী, বিছাল: ৫৯৭ হিজরী।
তিনি পবিত্র মীলাদ শরীফ ‍উনার উপর একটি কিতাব রচনা করেছেন। যার নাম দিয়েছেন ( مَوْلِدُ الْعَرُوسِ) 'মাওলিদুল আরূস'। উক্ত কিতাবের ২৭১ নং পৃষ্ঠায় তিনি উল্লেখ করেছেন-
وجَعَلَ لِمَنْ فَرِحَ بِمَوْلِدِهِ حِجَابًا مِنَ النَّارِ وَستراً، وَمَنْ أَنْفَقَ فِي موْلِدِهِ دِرْهَما كَانَ الْمُصْطَفَى صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَه شَافِعًا وَمِشفَّعاً واخْلف اللهُ عَلَيْهِ بِكُلِّ دِرْهَم عَشْرًا
“যে ব্যক্তি পবিত্র মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষ্যে ঈদ বা আনন্দ করবে, এই আনন্দ বা খুশি প্রকাশ করাটাই তার জন্য জাহান্নামে যাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। সুবহানাল্লাহ্! আর যে ব্যক্তি পবিত্র মীলাদ শরীফ উপলক্ষ্যে এক দিরহাম ব্যয় করবে, নবীজী মুতফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে শাফায়াত করবেন ও শাফায়াতকারী বানাবেন। আর মহান আল্লাহ্ তায়ালা প্রতিটি দিরহামকে দশগুণ বৃদ্ধি করে সওয়াব দান করবেন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত ইবনে জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৫৯৭ হিজরীতে বিছাল শরীফ গ্রহণ করেছেন। আমরা যদি উনার বিছাল শরীফের সন-ই ধরি তাহলেও দেখা যাচ্ছে ৬০০ হিজরী পূর্বেই পবিত্র মীলাদ শরীফের উপর স্বতন্ত্র কিতাবই রচনা হয়ে গেছে। তাহলে মীলাদ শরীফের সূচনা কখন থেকে হয়েছে?

মূলত হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানা থেকেই মীলাদ শরীফ সূচনা হয়েছে। আরো সূক্ষ্মভাবে বললে সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই মীলাদ শরীফ শুরু হয়েছে।

কাজেই যারা দাবী করে ৬০০ হিজরীর পর মীলাদ শরীফ শুরু হয়েছে তাদের এই দাবীটি সম্পূর্ণ বানোয়াট, ধোকাপূর্ণ। তাদের মূলত কোনো দলীল নেই তাই তারা এসব আযগুবী কথা প্রচার করে।

মহান আল্লাহ পাক তিনি সকলকে ছহীহ বুঝ দান করুন এবং অধিক পরিমানে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শানে মীলাদ শরীফ পাঠ করার, উদযাপন করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

এইচ এম ইমাম (Hm Imam)
পবিত্র ৬ই রবীউল আউওয়াল শরীফ-১৪৪৮ হিজরী।

image

image