হাসপাতালে সম্ভ্রমহরণের শিকার শিশুর মা, ৩ হিন্দু গ্রেফতার
নাটোর ২৫০ শয্যার হাসপাতালে কন্যা শিশুর চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতালের তিন হিন্দু সুইপারদের হাতে সম্ভ্রমহরণের শিকার হয়েছেন এক মা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ৩টাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এর আগে ওই নারীর বাবা বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে একটি মামলা করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চার দিন আগে নিজের অসুস্থ শিশুকন্যাকে নাটোর ২৫০ শয্যার আধুনিক সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করান ওই নারী। গত রোববার (৭ জুন) রাত ১০টার দিকে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে যান হাসপাতালেরে আউটসোর্সিং সুইপার অমিত। এরপর তাকে হাসপাতালের ছয়তলার সিঁড়িঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। সেই ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে অমিতের দুই সহযোগী ও হাসপাতালের আউটসোর্সিং সুইপার অনিল এবং প্রাঙ্গন।
রাত ২টার দিকে শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্স ও ওয়ার্ডবয়রা শিশুকে চার ঘণ্টা একা দেখে তার মাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং দায়িত্বরত আনসার সদস্যের সাহায্য চান। পরে সবাই মিলে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সিসি ক্যামেরা দেখে ছয়তলায় গিয়ে হাতেনাতে ধরা হয় ওই তিনজনকে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশেদ আলী বলেন, ‘যারা ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের সঙ্গে জড়িত, তাদেরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত অব্যাহত আছে।’
‘আপনারা গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব?’
বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তে এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পতাকা বৈঠকে দুই পক্ষই ওই ব্যক্তিকে নিজেদের নাগরিক হিসেবে গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।
একপর্যায়ে গুলি করার প্রসঙ্গ উঠলে বিজিবি সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সকালে সীমান্তের শূন্যরেখায় এ ঘটনা ঘটে।
তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিরোধের মুখে ভারতীয় হানাদার সীমান্ত বাহিনীর বিএসএফ পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি জানায়, ভারতের নন্দীরচর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা প্রায় ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেন।
বিষয়টি জানতে পেরে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সদস্যরা এবং সীমান্তবর্তী এলাকার লোকজন ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন। বাধার মুখে ওই ব্যক্তি শূন্যরেখায় অবস্থান করতে বাধ্য হন।
পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সীমান্তে পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক এবং নন্দীরচর বিএসএফ ক্যাম্পের এক পরিদর্শক নেতৃত্ব দেন। তবে দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো সমাধান হয়নি। বিএসএফ ওই ব্যক্তিকে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাকে নো-ম্যানস ল্যান্ডে রেখেই ফিরে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৈঠক চলাকালে দুই বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফের এক সদস্য গুলি করার কথা বললে বিজিবি সদস্যরা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তারা বলেন, আপনি কেন গুলি করার কথা বললেন? গুলি আপনার কাছে আছে, আমাদের কাছে নেই? আপনারা গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব? এসব বলতে থাকা ভিডিও ও ভাইরাল হয়েছে।
বৈঠকের পরও বিএসএফ সদস্যরা কয়েক দফা ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ ভূখ-ে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চালান। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের অবস্থানের কারণে তারা সফল হতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তিকে নো-ম্যানস ল্যান্ডে রেখেই উভয় পক্ষ নিজ নিজ অবস্থানে ফিরে যায়। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশে ঢোকার অপেক্ষায় সীমান্তের হোল্ডিং সেন্টারে শত শত মানুষ
বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় আরও ৮২ জন অবস্থান করছেন। এদিকে বাদুড়িয়া ও স্বরূপনগরের তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে অবস্থান করছেন আরও সাড়ে চার শতাধিক মানুষ। তাদের বিভিন্ন এলাকা থেকে এনে জড়ো করিয়েছে হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় প্রশাসন।
বর্তমানে হাকিমপুর সীমান্তের তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে মোট ৪৭১ জন অবস্থান করছেন।
হিন্দুত্ববাদী রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, ২৩টি জেলার পাশাপাশি সীমান্তসংলগ্ন প্রতিটি থানা এলাকায় একটি করে হোল্ডিং সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। সেই হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে এখন পর্যন্ত ১৩টি হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি কার্যকর রয়েছে।
প্রতিদিনই নতুন নতুন লোক সীমান্তের এসব সেন্টারে এনে জড়ো করছে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন।
আমাদের ১২ মাস ফসল ফলে, এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে -কৃষিমন্ত্রী -অতিরিক্ত সার ব্যবহারে উর্বরতা কমে গেছে
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, অতিরিক্ত সার ব্যবহারের ফলে অম্লতা বেড়ে মাটির উর্বরতা কমে গেছে। মাটির উর্বরতা ফিরিয়ে আনতে হবে।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) রাজধানীর খামারবাড়ি মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক কারিগরি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে মাটির পিএইচ মান বৃদ্ধি করতে হবে। মাটির উর্বরতা বাড়ালে দেশের কৃষি এগিয়ে যাবে। এ বিষয়ে বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে। কৃষি দাঁড়ালে এদেশের ৭৫ ভাগ মানুষের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে যাবে।
মাটি ও কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, পৃথিবীর যে দেশগুলো ধনী, তারা বছরে বেশিরভাগ বরফে ঢাকা থাকে। আমাদের দেশে ১২ মাস ফসল ফলে। আমাদের এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, এই দেশ আমাদের। এই পৃথিবী আমাদের। চলেন, সবাই মিলে আগামীকে কিছু দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেই। আমি আশা করি, আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। সবাই মিলে চলেন আমরা এগিয়ে যাই। আমরা সবাই বিশ্বাস করি, আগামী প্রজন্মের জন্য আরেকটা সুন্দর বাংলাদেশ, সুন্দর পৃথিবী রেখে যেতে হবে। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ও কর্তব্য।
রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখার দাবি
ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বার্থে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) রাজধানীর মগবাজারে সমিতির প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তারা এই দাবি জানান।
এ সময় দোকান মালিক সমিতির নেতারা বলেন, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ রাখার কারণে খুচরা ব্যবসায় মন্দাভাব দেখা দিয়েছে। এতে ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আয় কমে গেছে। অনেক ব্যবসায়ী কর্মচারীদের বেতন দিতেও হিমশিম খাচ্ছেন।
এ জন্য ব্যবসার স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখার দাবি তুলেন তারা। এ সময় বিদ্যুৎ খরচ অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকারও করেন নেতারা।
দোকান মালিকরা বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সব মার্কেটকে ধাপে ধাপে সৌরশক্তির আওতায় আনা হবে।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানিকারীর একমাত্র শরঈ শাস্তি হচ্ছে ‘মৃত্যুদণ্ড’ (১৫)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ:
(১)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَلِـىٍّ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ سَبَّ نَبِيًّا فَاقْتُلُوْهُ وَمَنْ سَبَّ اَصْحَابِـىْ فَاضْرِبُوْهُ
অর্থ: “ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত| তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি কোনো হযরত নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে গাল-মন্দ করবে, উনার মানহানি করবে, আপনারা তাকে শরঈ শাস্তি¯^রূপ মৃত্যুদণ্ড দিন| আর যে ব্যক্তি আমার হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে গাল-মন্দ করবে, উনাদের মানহানি করবে, আপনারা তাকে প্রহার করুন|” সুবহানাল্লাহ! (আশ শিফা ২/২১, ফাতাওয়ায়ে বায&যাযিয়্যাহ ২/২৪২, আল মু’জামুছ ছগীর ১/৩৯৩)
(২)
অপর বর্ণনায় এসেছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَلِـىٍّ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ سَبَّ نَبِيًّا مِّنَ الْاَنْۢبِيَاءِ فَاقْتُلُوْهُ وَمَنْ سَبَّ وَاحِدًا مِّنْ اَصْحَابِـىْ فَاجْلِدُوْهُ
অর্থ: “ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত| নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্য থেকে যে কোনো একজন হযরত নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে গাল-মন্দ করবে, উনার মানহানি করবে, আপনারা তাকে শরঈ শাস্তি¯^রূপ মৃত্যুদণ্ড দিন| আর যে ব্যক্তি আমার হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের মধ্য থেকে যে কোনো একজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে গাল-মন্দ করবে, উনার মানহানি করবে, আপনারা তাকে প্রহার করুন|” সুবহানাল্লাহ! (আল ফাওয়াইদ ১/২৯৫)
সরাসরি মহাসম্মানিত দীদার মুবারক এবং অসীম ইলিম মুবারক উনাদের বহিঃপ্রকাশ
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার পূর্বে (১৪৩৩ হিজরী শরীফ-এ)| আমাকে দেখানো হচ্ছিলো, দেখলাম সরাসরি সাক্ষাৎ হলো যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে| তিনি আমাকে অনেক বড় বড় লেখকদের কতগুলো আরবী বড় বড় কিতাব দেখালেন| এর মধ্যে অনেক ইবারত, অনেক ভুল| এখন যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি দেখাচ্ছেন, আমি চিন্তা করলাম যে, সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে আমাদের তো নিসবত নেই| আমাদের নিসবত তো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাধ্যম দিয়ে| এটা কেমন! তখন সাথে সাথে দেখলাম যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উপস্থিত হলেন| তিনি আমাকে বললেন, হ্যাঁ, তিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক| এখন মহান আল্লাহ পাক তিনি দেখাচ্ছেন এবং দেখালেন কতগুলো অনেক বড় বড় কিতাব, আরবী বড় বড় ইবারত এখানে তারা যে লিখেছে, একটাও শুদ্ধ না| একটাও শুদ্ধ না, অধিকাংশগুলোতে ভুল আছে| এরা বুঝতে পারে নাই, হাক্বীক্বতটা বুঝে নাই| আমাকে একখানে নিয়ে গেলেন| ঐ সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফখানা
یٰۤاَیُّہَا الَّذِيْنَ اٰمَـنُـوْا لَا تُـحِلُّوْا شَعَآئِرَ اللهِ وَلَا الشَّهْرَ الْـحَرَامَ وَلَا الْـهَدْىَ
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার যে, হাক্বীক্বতটা, মাক্বামটা ওখানে আমাকে নিয়ে গেলেন| সেখানে গিয়ে দেখলাম অনেক বড় কামরা, রুম| এটা ইলিম মুবারক-এ পরিপূর্ণ| এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার হাক্বীক্বত, তা’যীম-তাকরীমের বিষয়টা| এরপর বললেন যে, এই যে, এত হাদীছ, তাফসীর যে লেখা হয়েছে- সব কিছু রসম-রেওয়ায এবং অধিকাংশ হচ্ছে পুঁথিগত বিদ্যা, কপি করা| এরপর অনেক ইলিম উনাদের একটা বড় মাক্বাম দেখালেন যে, উনার কোনো কুল-কিনারা নাই| এরপর অপর এক জায়গায় আমাকে আবার নিয়ে আসলেন| একটা জিনিস দেখানো হলো, একটা কোণার মধ্যে, অল্প একটু জায়গার মধ্যে দুনিয়ার সমস্ত কিতাব যা আছে, দুনিয়ার যত কিতাব যা লিখা হয়েছে- সমস্ত কিতাবগুলির হাক্বীক্বতটা এক কোণার মধ্যে, অল্প একটু| আর যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের যে সম্মানিত ইলিম মুবারক অনেক অসীম! সুবহানাল্লাহ! (মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনাকে উনাদের সেই সম্মানিত অসীম ইলিম মুবারক দেখিয়েছেন এবং সম্মানিত হাদিয়া মুবারক করেছেন| সুবহানাল্লাহ! যার কারণে উনার পক্ষে ‘মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের যে সম্মানিত ইলিম মুবারকটা অনেক অসীম!’ এ বিষয়টি বর্ণনা করা সহজ এবং সম্ভব হয়েছে| সুবহানাল্লাহ!) কাজেই, এই যে, ইলিম যা প্রকাশ করা হচ্ছে, যা বিন্দু থেকে বিন্দুতম| যেটা আমরা বলি, এটা হলো সেটা| হাক্বীক্বত খুব কম এবং অনেক বইয়ের মধ্যে অনেক ভুল| হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের শান মুবারক-এ লেখা যেগুলো আছে, অনেক গলদ আছে| হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে অনেক অনেক বড় বড় আলিম-উলামা উনারা অনেকে অনেক তাফসীর, হাদীছ শরীফ উনার শরাহ লিখেছেন, কিন্তু অনেক গলদ| এ সমস্ত বিষয়গুলো গ্রহণ করা যাবে না|
এরপর কতগুলো বিষয় জানার ইচ্ছা প্রকাশ করলাম এবং বললাম তাহলে এ রকম হলো কেন? উনারা বললেন যে, প্রকৃতপক্ষে বিষয়টা হচ্ছে- এটা যার যার মাক্বামের সাথে সম্পৃক্ত| যিনি যেই স্তরে পৌঁছেছেন, যতটুকু বুঝেছেন, ততটুকুই লিখেছেন| হাক্বীক্বত এই লেখাগুলো কোনোটাই পূর্ণ না| পূর্ণ হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ| এখন বুঝ বা সমঝ পূর্ণ হবে উনারা যদি বুঝান| যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা যদি বুঝান, তাহলে বুঝ বা সমঝ পূর্ণ হবে| তাছাড়া পূর্ণ হবে না|” সুবহানাল্লাহ!
আলোচ্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঘটনা মুবারক উনার মাধ্যমে সরাসরি মহাসম্মানিত দীদার মুবারক এবং অসীম ইলিম মুবারক উনাদের বহিঃপ্রকাশের বিষয়টি অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছেন| সুবহানাল্লাহ!
মূলত, মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা উনাকে উনাদের পরিপূর্ণ অসীম ইলিম মুবারক হাদিয়া মুবারক করেই সৃষ্টি মুবারক করেছেন| সুবহানাল্লাহ! যার কারণে তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের হাক্বীক্বী ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে যাচ্ছেন| সুবহানাল্লাহ! যেখানে বাত্বিল ফিরক্বার লোকেরা এবং হক্বপন্থী দাবীদাররা অনেক বড় বড় তাফসীরে, বড় বড় কিতাবে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার শরাহগ্রন্থে, সীরাত, ফিক্বাহ-ফতওয়া, আক্বাইদ, উছূল ও ইতিহাসে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের এবং হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের শান-মান মুবারক উনার খিলাফ নানা কুফরীমূলক বক্তব্য পেশ করেছে, সেখানে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি উনাদের হাক্বীক্বী শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের বিষয়টি স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে যাচ্ছেন| সুবহানাল্লাহ!
তাহলে যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার কত বেমেছাল মহাসম্মানিত তা‘য়াল্লুক্ব-নিসবত মুবারক, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার ঊর্ধ্বে| (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র হাদীছ শরীফ-
সম্মানিত মুহররম মাসের (দশ তারিখ) আশূরা দিবসকে সম্মান করো। যে ব্যক্তি আশূরা দিবসকে সম্মান করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে জান্নাত দিয়ে এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়ে সম্মানিত করবেন। সুবহানাল্লাহ!