একখানা বিশেষ ওয়াক্বেয়াহ& মুবারক (২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার একটা ব্যাখ্যা আছে| ব্যাখ্যাটা হলো-
আমি একখানা ¯^প্ন মুবারক দেখেছি| ¯^প্ন মুবারকখানা হচ্ছেন- “একটা কামরার মধ্যে আমি থাকি| অনেক বড় একটা কামরা| এটা ল¤^ায় ৩০ থেকে ৩৫ হাত হতে পারে, চওড়ায় ২০ থেকে ২৫ হাত হতে পারে| এর মধ্যে একখানা অনেক উঁচু চকি মুবারক আছেন| সেই উঁচু চকি মুবারক উনার ওপর আমি থাকি| ঐ উঁচু চকি মুবারক উনার কাছে একটা বাঘও থাকে| এটা আমি জানি| তবে, বাঘটা কিছু করে না| বাঘটা থাকে ঠিক মতোই| বাঘটা মোটামুটি বড়সড়ই- ডোরাকাটা বাঘ| ওটা ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাত ল¤^া হবে| আর উঁচু হবে ২ হাতের কাছাকাছি| বাঘটা অনেক বড়, মোটাতাজা| একদিন আমি শুয়ে রয়েছি| দেখতেছি- বাঘটা আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত (ক্বদম বা পা) মুবারক উনার দিকে এসে কামড় দেওয়ার চেষ্টা করছে| তখন আমি চকি মুবারক থেকে নামলাম| আমি বললাম যে, ‘বাঘটা একটা বেয়াদব দেখা যায়| এটা ছিলো, আমরা কিছু বলিনি| তাহলে আজকে এটাকে শাস্তি দিতে হবে|’ আমি লোকজনকে বললাম, ‘আমাকে একটা মুগুড় দাও|’ তারা আমাকে একটা মুগুড় দিলো| তারপর ঐ মুগুড় দিয়ে আমি বাঘটাকে খুব আঘাত করতে থাকলাম| হঠাৎ করে দেখি- ঐ বাঘটা মানুষ হয়ে গেছে! আরে মানুষ হয়ে গেলো! আমি বললাম, ‘বের হয়ে যা এখান থেকে| তুই একটা শয়তান|’ সে বলে যে, ‘না; আমি এখান থেকে যাবো না|’ তারপর আমি এটাকে মারতে মারতে একবারে এক প্রান্তে নিয়ে একদম এটাকে নিশ্চিহ্ন করে দিলাম, মিটিয়ে দিলাম| পরে বুঝলাম যে, এটা আসলে ঐ যে জিনটা, যেটা আমার সাথে থাকার কথা| ঐ জিনটা আমার সাথে থাকতে পারতো না; এটা আলাদা থাকতো| যেহেতু ঐটা আলাদা থাকতো, তাই ঐটা ঐ ছূরতে এসেছিলো| এই জন্য সে বলেছে, ‘সে যাবে না; সে থাকবে|’ এখন যখন এটাকে মিটিয়ে দিলাম- এটা একদম নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলো|” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
মহান আল্লাহ পাক তিনি যে ইরশাদ মুবারক করেছেন,
وَيُطَهِّرَكُمْ تَطْهِيرًا
‘তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেন|’
প্রকৃতপক্ষে উনাদের সাথে এই জিনটা থাকেই না| এটা পুরা বের করে দেওয়া হয়|
তারপর যেমন- হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি বলেছেন যে, ‘ওলীআল্লাহ যত বড়ই হোক না কেন- আব, আতেশ, খাক, বাদের তাছীরের কারণে কিছু কাজ এদিক-সেদিক হতে পারে|’ আসলে হাক্বীক্বীতটা হচ্ছে- ঐ যে জিনটা থাকে, ঐ জিনটার কারণে ব্যাতিক্রম কিছু হতে পারে| আর ঐটা যখন বের করে দেওয়া হয়, তখন ঐ তাছীরটা আর থাকে না|
একজন হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিস সালাম উনার থেকে যদি এটা বের করে দেওয়া হয়, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এটা থাকে কিভাবে? হ্যাঁ? বুঝো আমার কথাগুলি? ফিকির না করলে তো বুঝবে না এটা| এটা মানুষ বুঝবে না| বিষয়টা কঠিন বিষয়| একজন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম থাকেন, হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম উনি নেক কাজে উৎসাহিত করেন| আর জিনটা থাকে, এটা কাফের, এটা বদ কাজে ওয়াসওয়াসা দেয়| এখন নেক কাজ করলে জিনটা দুর্বল হয়ে যায়| আবার যখন মানুষ গুনাহ& বেশি করে, তখন হযরত ফেরেস্তা আলাইহিস সালাম উনি দুর্বল হয়ে যান| তখন সে গুনাহর কাজ করে বেশি| জিনটাকে যখন বের করে দেওয়া হয়, তখন আর এই তাছীরটা থাকে না|

আল্লামা হযরত ইমাম ইবনে হিব্বান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অভিমত:
হাফিয, মুহাদ্দিছ, মুয়াররিখ, শায়খে খুরাসান, ইমামু ইলমিল হাদীছ ওয়াল জারহী ওয়াত তা’দীল, আল্লামা হযরত ইমাম ইবনে হিব্বান বুস্তী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৩৫৪ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
اَلنَّضْرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ اَبُوْ عُمَرَ اَلْخَزَّازُ مِنْ اَهْلِ الْكُوْفَةِ يَرْوِىْ عَنْ حَضْرَتْ عِكْرِمَة رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ رَوٰى عَنْهُ حَضْرَتْ عَبْدُ الْحَمِيْدِ الْحَمَّانِىْ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ كَانَ مِمَّنْ يَّرْوِىْ عَنِ الثِّقَاتِ مَا لَا يَشْبَهُ حَدِيْثَ الْاَثْبَاتِ فَلَمَّا كَثُرَ ذٰلِكَ فِىْ رِوَايَتِهٖ بَطَلَ الْاِحْتِجَاجُ بِهٖ اَخْبَرَنَا حَضْرَتْ مَكْحُوْلٌ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ سَمِعْتُ حَضْرَتْ جَعْفَرَ بْنَ اَبَانِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ سَمِعْتُ حَضْرَتْ اِبْنَ نُمَيْرٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ يَقُوْلُ اَلنَّضْرُ اَبُوْ عُمَرَ مَتْرُوْكُ الْحَدِيْثِ
অর্থ: “নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর আল খায&যায হচ্ছে কূফার বাসিন্দা| সে হযরত ইকরিমাহ& রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে হাদীছ বর্ণনা করতো| তার থেকে হযরত অব্দুল হামীদ আল হাম্মানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেছেন| সে এমন একজন রাবী ছিলো, যে বিশ্বস্ত রাবী উনাদের সূত্রে এমন সব হাদীছ বর্ণনা করতো, যা নির্ভরযোগ্য-শক্তিশালী রাবী উনাদের বর্ণনার মতো মানসম্পন্ন ছিলো না| পরবর্তীতে যখন এ ধরনের বিষয় তার বর্ণনায় খুব বেশি হয়ে গেলো, তখন তার দ্বারা দলীল দেয়া বাত্বিল হয়ে যায় অর্থাৎ তাকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করা বাত্বিল হয়ে যায়| হযরত মাকহুল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন- আমি হযরত জা’ফর ইবনে আবান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন- ‘নদ্বর আবূ উমর হচ্ছে মাতরূকুল হাদীছ অর্থাৎ নদ্বর আবূ উমরের বর্ণিত হাদীছ মাতরূক অর্থাৎ পরিত্যক্ত, পরিত্যাজ্য, গ্রহণযোগ্য নয়’|” (আল মাজরূহীন লিইমাম ইবনি হিব্বান ৩/৪৯, তাহ&যীবুত-তাহ&যীব ৪/২২৫, তাহ&যীবুল কামাল ২৯/৩৯৩ ইত্যাদি)

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সতর মুবারক সংশ্লিষ্ট মওযূ হাদীছ ও তার খণ্ডনমূলক জবাব (৭)
(দ্বিতীয় ভাগ)
মওযূ হাদীছ ও তার খণ্ডনমূলক জবাব:
নিম্নে উক্ত মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায&যাযের সম্পর্কে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের অভিমত তুলে ধরা হলো-
হযরত ইমাম আবূ দাঊদ সিজিস্তানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অভিমত:
হযরত ইমাম আবূ বকর মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ আল আজুর&রী আল বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৩৬০ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
سَاَلْتُ حَضْرَتْ اَبَا دَاوٗدَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ نَّضْرٍ اَلْخَزَّازِ قَالَ لَا يُرْوٰى عَنْهُ اَحَادِيْثُهٗ بَوَاطِيْلُ قَاَل وَقَالَ لِىْ حَضْرَتْ عُثْمَانُ بْنُ اِبِىْ شَيْبَةَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ كَانَ اِبْنُهٗ اَيْضًا كَذَّابًا
অর্থ: “আমি হযরত ইমাম আবূ দাঊদ সুলায়মান ইবনে আশআছ ইবনে ইসহাক্ব ইবনে বাশীর ইবনে শাদ্দাদ ইবনে আমর আল আয&দী আস& সিজিস্তানী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ২৭৫ হিজরী শরীফ) উনাকে নদ্বর আল খায&যায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম| তিনি বলেন- ‘তার থেকে হাদীছ বর্ণনা করা যায় না; তার (বর্ণিত) হাদীছগুলো বাত্বিল বা মিথ্যা, বানোয়াট, মওযূ, জাল|’ তিনি আরও বললেন- ‘হযরত উছমান ইবনে আবী শায়বাহ& রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমাকে বলেছেন, ‘তার ছেলেও ছিলো কায&যাব অর্থাৎ চরম মিথ্যাবাদী’|” (সুআলাতুল আজুর&রী ৫/ ৩৯, তাহযীবুল কামাল ২৯/৩৯৩)
অন্য বর্ণনায় রয়েছে,
قَالَ حَضْرَتْ اَلْاٰجُرِّىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ دَاوٗدَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ لَا يُرْوٰى عَنْهُ اَحَادِيْثُهٗ بَوَاطِيْلُ
অর্থ: “হযরত ইমাম আজুর&রী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত ইমাম আবূ দাঊদ সিজিস্তানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায&যায সম্পর্কে বলেছেন- ‘তার থেকে হাদীছ বর্ণনা করা যায় না; তার (বর্ণিত) হাদীছগুলো বাত্বিল বা মিথ্যা, বানোয়াট, মওযূ, জাল’|” (তাহযীবুত তাহযীব ৪/২২৫)

➡️ মেটা তাদের মেটা এআই অ্যাপের মধ্যে গোপনে মুখ শনাক্তকরণ-সংশ্লিষ্ট ফিচার যুক্ত করেছে।

এই অ্যাপটি Ray-Ban Meta Smart Glasses এবং Oakley Meta Smart Glasses-এর সঙ্গে ব্যবহৃত হয়।

যদিও এই সুবিধাটি এখনো জনসাধারণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়নি, তবুও এর প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত কাঠামো অ্যাপের মধ্যে আছে।

➡️ যদি ভবিষ্যতে এই সুবিধা সক্রিয় করা হয়, তাহলে স্মার্ট চশমাগুলো আশপাশের মানুষের মুখ তাদের সরাসরি অংশগ্রহণ বা সম্মতি ছাড়াই বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হতে পারে।

অভ্যন্তরীণভাবে এই প্রকল্পটির নাম প্রথমে “নেমট্যাগ” এবং পরে “কানেকশনস” রাখা হয়েছিল।

সম্ভাব্য এই ব্যবস্থায় চশমার ক্যামেরায় ধারণ করা মুখমণ্ডলকে বায়োমেট্রিক শনাক্তকারীতে রূপান্তর করা হবে।

এরপর সেই তথ্য ব্যবহারকারীর ডিভাইসে সংরক্ষিত তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে।

কোনো ব্যক্তি শনাক্ত হলে চশমা ব্যবহারকারীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবহিত করা হতে পারে।

গোপনীয়তা ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগের কারণে এ ধরনের প্রযুক্তি চালু হলে তা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

সূত্র: WIRED

//প্রতিরক্ষা রপ্তানি দ্বিগুণ করার লক্ষ্য তুরস্কের//

পশ্চিমা দেশগুলো যখন সামরিক ব্যয় বাড়াচ্ছে এবং নিজেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্মূল্যায়ন করছে, তখন তুরস্ক প্রতিরক্ষা খাতে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে।

গত দুই দশকে রাষ্ট্রের ধারাবাহিক বিনিয়োগের ফলে তুরস্ক ড্রোন, গোলাবারুদ এবং বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।

➡️ ২০২১ সালের তুলনায় দেশটির প্রতিরক্ষা রপ্তানি তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে গত বছর ১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

এই খাত বর্তমানে তুরস্কের মোট রপ্তানির প্রায় ৩.৭ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে।

➡️ একই সময়ে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে তুরস্কের প্রতিরক্ষা রপ্তানি প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৫.৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

তুর্কি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে Baykar, Turkish Aerospace Industries এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা নির্মাতারা তুলনামূলক কম খরচে, দ্রুত সরবরাহযোগ্য এবং ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তনযোগ্য পণ্য সরবরাহ করে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে।

➡️ বর্তমানে তুরস্ক বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করছে।

বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী সশস্ত্র ড্রোন রপ্তানির প্রায় ৬৫ শতাংশ তুরস্কের দখলে রয়েছে।

ইতোমধ্যে তুর্কি কোম্পানিগুলো পোল্যান্ড, স্পেন, পর্তুগাল এবং রোমানিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পন্ন করেছে।

এছাড়া বায়কার ইতালির Piaggio Aerospace অধিগ্রহণ করেছে এবং Leonardo-এর সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেছে।

➡️ আঙ্কারার আশা, আগামী মাসের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন পশ্চিমা বিশ্বের নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করবে এবং বিশেষ করে ইউরোপে যৌথ উৎপাদন প্রকল্প সম্প্রসারণে সহায়তা করবে।

যদিও ইউরোপীয় বাজারে তুর্কি কোম্পানিগুলো এখনো বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নিয়ন্ত্রক বাধার মুখোমুখি হচ্ছে।

➡️ তুরস্ক আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রতিরক্ষা রপ্তানি দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

এই পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশটি একদিকে ন্যাটোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক শক্তি, অন্যদিকে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা শিল্পের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে চায়।

সূত্র: রয়টার্স

ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তায় তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা।

➡️ আগামী ৭–৮ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে তুরস্ক ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

এর অংশ হিসেবে রাজধানী আঙ্কারাকে কার্যত একটি উচ্চ-নিরাপত্তা অঞ্চলে পরিণত করা হচ্ছে।

➡️ প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে দেশের স্বল্প-পাল্লা ও মধ্যম-পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা।

একই সঙ্গে তুরস্কের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বহরকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হচ্ছে।

সম্ভাব্য আকাশীয় হুমকি মোকাবিলায় ড্রোন ও ড্রোন-প্রতিরোধী প্রযুক্তিও মোতায়েন করা হচ্ছে।

➡️ আঙ্কারা শহরের বিভিন্ন স্থানে ৪০ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ওপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে।

➡️ ১ জুলাই থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত রাজধানীজুড়ে সব ধরনের বিক্ষোভ ও সমাবেশ নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

নিরাপত্তা নজরদারি জোরদার করতে শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ১০০টি অতিরিক্ত আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

সূত্র: ব্লুমবার্গ

ফিলিস্তিনিদের আলবেনিয়ায় স্থানান্তরের গোপন চুক্তির দাবি নাকচ করলেন আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী।

➡️ আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং জ্যারেড কুশনারকে ঘিরে কথিত গোপন চুক্তির যে দাবি প্রচার করা হচ্ছে, তা সত্য নয়।

উল্লেখ্য, ওই দাবিতে বলা হয়েছিল, ফিলিস্তিনিদের আলবেনিয়ায় স্থানান্তর বা পুনর্বাসনের জন্য একটি গোপন সমঝোতা হয়েছে।

ইরান যুদ্ধে ক্ষতির পর নতুন রিপার ড্রোন কিনছে যুক্তরাষ্ট্র।

➡️ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে বহু এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী এখন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জেনারেল অ্যাটমিকস-এর কাছ থেকে অব্যবহৃত এমকিউ-৯এ ব্লক৫ ড্রোন কেনার পরিকল্পনা করছে।

➡️ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তাদের কাছে নতুন অবস্থায় সরবরাহযোগ্য এমকিউ-৯ ড্রোন ১০টিরও কম অবশিষ্ট রয়েছে।

➡️ জেনারেল অ্যাটমিকস আরও জানিয়েছে, আগে অবসরে থাকা কিছু রিপার ড্রোন পুনরায় সংস্কার করে কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা রয়েছে।

➡️ অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী জানায় তাদের কাছে অতিরিক্ত কোনো এমকিউ-৯ ড্রোন মজুত নেই।

ফলে হারানো ড্রোনগুলোর পরিবর্তে দ্রুত নতুন সক্ষমতা গড়ে তোলা বিমান বাহিনীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সূত্র: TWZ

//ইরান আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে, পারমাণবিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক উইটকফ ও কুশনারের//

➡️ যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ওক রিজ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সফর করেছেন।

সেখানে তারা যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় পারমাণবিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

➡️ মূলত সম্ভাব্য কোনো পারমাণবিক চুক্তি বাস্তবায়নের প্রস্তুতির জন্য সম্প্রতি প্রায় ১০০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়েছে।

উক্ত বৈঠকে এই সম্ভাব্য চুক্তির কারিগরি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

➡️ এই বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কয়েকজন পূর্বে ভেনেজুয়েলা থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাচার কার্যক্রমেও অংশ নিয়েছিলেন।

➡️ মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, এই দলটিতে দেশের অন্যতম সেরা পারমাণবিক বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন, যাদের কাজ হবে ইরানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ কোনো চুক্তির কারিগরি শর্ত, তদারকি ব্যবস্থা, ইউরেনিয়াম মজুদ ব্যবস্থাপনা এবং যাচাই প্রক্রিয়া প্রস্তুত করা।

সূত্র: অ্যাক্সিওস; রয়টার্স

লেবাননের ভিতরেই দেশটির সেনাবাহিনীর একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও তার সাথে থাকা সৈন্যদের লক্ষ্য করে আজ সকালে হামলা চালায় ইসরাইল। এতে ওই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং কয়েকজন সৈন্য নিহত হয়েছে বলে জানায় লেবাননের সেনাবাহিনী।

সূত্র- আনাদোলু