6নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়ার জন্য প্রত্যেক উম্মতকে ওছিয়ত মুবারক,আদেশ মুবারক করেছেন।
হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি এই ওছিয়ত মুবারক ও আদেশ মুবারক পুরো জিন্দেগি পালন করে উম্মতদের দেখিয়ে দিয়েছেন। এবং পরবর্তী বংধরগণ উনাদের ও এই কুরবানী নিয়মিত করার ওছিয়তকরে গেছেন।
তাই একজন উম্মত সহজেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়ার মাধ্যমে কুরবানী এর যত ফজিলত তা লাভ করতে পারবেন।শাফায়াত মুবারক নসিব হবে।
কেননা নিজের পক্ষ থেকে যে ওয়াজিব কুরবানী দেয়া হবে তা শর্ত পুরণ না হলে, কবুল হওয়ার কিন্তু নিশ্চয়তা নাই।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং নিজেই,উম্মত যারা এসেছেন,যারা আসবেন,যারা কুরবানী দেয়ার সামর্থ রাখে বা যারা সামর্থ রাখে না,সবার পক্ষ থেকে কুরবানী ‍করে গেছেন।
এখন আমাদের মধ্যে যারা সামর্থ রাখে ১/২/১০/১০০-+ পশূ কুরবানী দিবে। আর যারা সামর্থ রাখেনা ১০/৫০/১০০ জনে মিলেও কুরবানী করতে হবে।
সুসংবাদ,মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহ খানায় হাজারের উপর পশু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত তরফ থেকে প্রতিবছর করা হয়। আপনিও ১/২/১০/১০০ পশূ অথবা ৫০০/১০০০/১০০০০ ইত্যাদি যে কোন পরিমাণ হাদিয়া দিয়ে অংশগ্রহণ করুন।01739466730 বিকাশ এজেন্ট

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়ার জন্য প্রত্যেক উম্মতকে ওছিয়ত মুবারক,আদেশ মুবারক করেছেন।
হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি এই ওছিয়ত মুবারক ও আদেশ মুবারক পুরো জিন্দেগি পালন করে উম্মতদের দেখিয়ে দিয়েছেন। এবং পরবর্তী বংধরগণ উনাদের ও এই কুরবানী নিয়মিত করার ওছিয়তকরে গেছেন।
তাই একজন উম্মত সহজেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়ার মাধ্যমে কুরবানী এর যত ফজিলত তা লাভ করতে পারবেন।শাফায়াত মুবারক নসিব হবে।
কেননা নিজের পক্ষ থেকে যে ওয়াজিব কুরবানী দেয়া হবে তা শর্ত পুরণ না হলে, কবুল হওয়ার কিন্তু নিশ্চয়তা নাই।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং নিজেই,উম্মত যারা এসেছেন,যারা আসবেন,যারা কুরবানী দেয়ার সামর্থ রাখে বা যারা সামর্থ রাখে না,সবার পক্ষ থেকে কুরবানী ‍করে গেছেন।
এখন আমাদের মধ্যে যারা সামর্থ রাখে ১/২/১০/১০০-+ পশূ কুরবানী দিবে। আর যারা সামর্থ রাখেনা ১০/৫০/১০০ জনে মিলেও কুরবানী করতে হবে।
সুসংবাদ,মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহ খানায় হাজারের উপর পশু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত তরফ থেকে প্রতিবছর করা হয়। আপনিও ১/২/১০/১০০ পশূ অথবা ৫০০/১০০০/১০০০০ ইত্যাদি যে কোন পরিমাণ হাদিয়া দিয়ে অংশগ্রহণ করুন।01739466730 বিকাশ এজেন্ট

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়ার জন্য প্রত্যেক উম্মতকে ওছিয়ত মুবারক,আদেশ মুবারক করেছেন।
হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি এই ওছিয়ত মুবারক ও আদেশ মুবারক পুরো জিন্দেগি পালন করে উম্মতদের দেখিয়ে দিয়েছেন। এবং পরবর্তী বংধরগণ উনাদের ও এই কুরবানী নিয়মিত করার ওছিয়তকরে গেছেন।
তাই একজন উম্মত সহজেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়ার মাধ্যমে কুরবানী এর যত ফজিলত তা লাভ করতে পারবেন।শাফায়াত মুবারক নসিব হবে।
কেননা নিজের পক্ষ থেকে যে ওয়াজিব কুরবানী দেয়া হবে তা শর্ত পুরণ না হলে, কবুল হওয়ার কিন্তু নিশ্চয়তা নাই।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং নিজেই,উম্মত যারা এসেছেন,যারা আসবেন,যারা কুরবানী দেয়ার সামর্থ রাখে বা যারা সামর্থ রাখে না,সবার পক্ষ থেকে কুরবানী ‍করে গেছেন।
এখন আমাদের মধ্যে যারা সামর্থ রাখে ১/২/১০/১০০-+ পশূ কুরবানী দিবে। আর যারা সামর্থ রাখেনা ১০/৫০/১০০ জনে মিলেও কুরবানী করতে হবে।
সুসংবাদ,মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহ খানায় হাজারের উপর পশু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত তরফ থেকে প্রতিবছর করা হয়। আপনিও ১/২/১০/১০০ পশূ অথবা ৫০০/১০০০/১০০০০ ইত্যাদি যে কোন পরিমাণ হাদিয়া দিয়ে অংশগ্রহণ করুন।01739466730 বিকাশ এজেন্ট

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়ার জন্য প্রত্যেক উম্মতকে ওছিয়ত মুবারক,আদেশ মুবারক করেছেন।
হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি এই ওছিয়ত মুবারক ও আদেশ মুবারক পুরো জিন্দেগি পালন করে উম্মতদের দেখিয়ে দিয়েছেন। এবং পরবর্তী বংধরগণ উনাদের ও এই কুরবানী নিয়মিত করার ওছিয়তকরে গেছেন।
তাই একজন উম্মত সহজেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়ার মাধ্যমে কুরবানী এর যত ফজিলত তা লাভ করতে পারবেন।শাফায়াত মুবারক নসিব হবে।
কেননা নিজের পক্ষ থেকে যে ওয়াজিব কুরবানী দেয়া হবে তা শর্ত পুরণ না হলে, কবুল হওয়ার কিন্তু নিশ্চয়তা নাই।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং নিজেই,উম্মত যারা এসেছেন,যারা আসবেন,যারা কুরবানী দেয়ার সামর্থ রাখে বা যারা সামর্থ রাখে না,সবার পক্ষ থেকে কুরবানী ‍করে গেছেন।
এখন আমাদের মধ্যে যারা সামর্থ রাখে ১/২/১০/১০০-+ পশূ কুরবানী দিবে। আর যারা সামর্থ রাখেনা ১০/৫০/১০০ জনে মিলেও কুরবানী করতে হবে।
সুসংবাদ,মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহ খানায় হাজারের উপর পশু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত তরফ থেকে প্রতিবছর করা হয়। আপনিও ১/২/১০/১০০ পশূ অথবা ৫০০/১০০০/১০০০০ ইত্যাদি যে কোন পরিমাণ হাদিয়া দিয়ে অংশগ্রহণ করুন।01739466730 বিকাশ এজেন্ট

আজ সন্ধ্যার পবিত্র জিলহজ্জ শরীফ মাসের চাঁদ তালাশ করতে হবে।

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়ার জন্য প্রত্যেক উম্মতকে ওছিয়ত মুবারক,আদেশ মুবারক করেছেন।
হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম তিনি এই ওছিয়ত মুবারক ও আদেশ মুবারক পুরো জিন্দেগি পালন করে উম্মতদের দেখিয়ে দিয়েছেন। এবং পরবর্তী বংধরগণ উনাদের ও এই কুরবানী নিয়মিত করার ওছিয়তকরে গেছেন।
তাই একজন উম্মত সহজেই নুরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়ার মাধ্যমে কুরবানী এর যত ফজিলত তা লাভ করতে পারবেন।শাফায়াত মুবারক নসিব হবে।
কেননা নিজের পক্ষ থেকে যে ওয়াজিব কুরবানী দেয়া হবে তা শর্ত পুরণ না হলে, কবুল হওয়ার কিন্তু নিশ্চয়তা নাই।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং নিজেই,উম্মত যারা এসেছেন,যারা আসবেন,যারা কুরবানী দেয়ার সামর্থ রাখে বা যারা সামর্থ রাখে না,সবার পক্ষ থেকে কুরবানী ‍করে গেছেন।
এখন আমাদের মধ্যে যারা সামর্থ রাখে ১/২/১০/১০০-+ পশূ কুরবানী দিবে। আর যারা সামর্থ রাখেনা ১০/৫০/১০০ জনে মিলেও কুরবানী করতে হবে।
সুসংবাদ,মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহ খানায় হাজারের উপর পশু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত তরফ থেকে প্রতিবছর করা হয়। আপনিও ১/২/১০/১০০ পশূ অথবা ৫০০/১০০০/১০০০০ ইত্যাদি যে কোন পরিমাণ হাদিয়া দিয়ে অংশগ্রহণ করুন।01739466730 বিকাশ এজেন্ট

আজ সন্ধ্যার আগে চুল নখ কেটে, ঈদের নামায পড়ে কাটুন একটি কুরবানীর ফযীলত।
সুবহানাল্লাহ!!

ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে জামাতি ও সালাফি মতবাদ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে
, ২৯ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৮ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৮ মে, ২০২৬ খ্রি:, ০৪ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) তাজা খবর

নিজস্ব সংবাদদাতা:

বাংলাদেশের বেশিরভাগ মুসলমান আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা ও হানাফী মাযহাবের অনুসারী। দেশের খ্যাতনামা আলেম ও ফকিহ দ্বারা রচিত ২০১০ সাল থেকে নতুন পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়ে বিগত ১৬ বছর পাঠদান চলে আসছে। ২০২৬ সালের জন্য পরিমার্জন করতে গিয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আকাইদ, ফিকহ্ ও আখলাকের ক্ষেত্রে জামাতি আকিদা সালাফিজমকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।

এর নেতৃত্বে ছিলো বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিয়া নুরুল হক। সে জামাতের রোকন। আরেকজন ছিলো কট্টর সালাফী ও জামাত নেতা, বর্তমানে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ ডঃ হেদায়েত উল্লাহ।

তবে যে সমস্ত বিশেষজ্ঞ দ্বারা আকাইদ ও ফিকহের পরিমার্জন করা হয়েছে তারা হলো- বাংলাদেশ ইসলামী ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আ ন ম রশিদ আহমদ মাদানী, সৌদি এমবাসি সালাফী, তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা, টঙ্গী শাখার মুহাদ্দিস ডঃ মোয়াজ্জেম হোসাইন আজহারী এবং জামাতের দায়িত্বশীল রফিকুল ইসলাম মিয়াজী ও নুরুল ইসলাম।

এ পরিমার্জন সংস্করণ সম্পাদনা কমিটিতে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের অনুমোদনে যাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা সবাই বিশেষ দল ও মতবাদের অনুসারী। যারা অতিসংগোপনে প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত আকাইদ ও ফিকহ বইয়ে তাদের নিজস্ব আকিদা ও আমল সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। এমনকি ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণী সমূহের রচয়িতাগণের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। দেশবরেণ্য আলেম কবি মাওলানা রুহুল আমিন খান, ড. একে এম মাহবুবুর রহমান, উপাধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাশেম ফজলুল হকের নাম বাদ দিয়ে যারা রচনা করেননি এমন লোকদের নাম প্রতিস্থাপিত হয়েছে। যা ফৌজদারী আইনে দন্ডনীয় অপরাধ।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না।
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই। বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী।
তাই, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর ইস্তিকামত থাকা এবং বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা। তাদের সাথে কোন ধরণের বন্ধুত্ব না করা।
, ২৯ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৮ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৮ মে, ২০২৬ খ্রি:, ০৪ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই। বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী।
আল-ইহসান প্রতিবেদন:

ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একজন আরেকজনের বন্ধু। মু’মিনদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিধর্মীদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে সে তাদের দলভুক্ত বলেই গণ্য হবে।’ এ পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন তথা বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই বরং কাট্টা হারাম ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, যারা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার আদেশ মুবারক লঙ্ঘন করে কাফির-মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখবে তাদেরকে অনুসরন-অনুকরন করবে, তারা খোদায়ী গযবে পরে হালাক হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র তাফসীর শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়, মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত নবী হযরত ইউশা বিন নুন আলাইহিস্ সালাম উনার উপর পবিত্র ওহী মুবারক নাযিল করলেন, ‘হে আমার নবী! আপনার উম্মতের মধ্যে ১ লক্ষ লোককে ধ্বংস করে দেয়া হবে, তাদের মধ্যে ৬০ হাজার লোক সরাসরি গুনাহে লিপ্ত (গুমরাহ)। তখন হযরত ইউশা বিন নুন আলাইহিস্ সালাম তিনি বললেন, ‘আয় মহান আল্লাহ পাক! ৬০ হাজার লোক সরাসরি গুণাহে লিপ্ত তাই তারা ধ্বংস হওয়ার উপযুক্ত। কিন্তু বাকী ৪০ হাজার লোককে ধ্বংস করা হবে তার কি কারণ?” তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, “যেহেতু তারা ঐ গুণাহে লিপ্ত লোকদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখে ও উঠা-বসা করে এবং তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখে এবং তাদেরকে গুণাহের কাজে বাধা দেয় না, তাই তাদেরকেসহ ধ্বংস করে দেয়া হবে এবং ধ্বংস করে দেয়া হলো।” নাউযুবিল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, এখন প্রশ্ন হচ্ছে- গুনাহগার বা নাফরমানদের সাথে উঠা-বসা করলে ও মিল-মুহব্বত রাখলে যদি খোদায়ী গযবে পড়ে হালাক বা ধ্বংস হয়ে যেতে হয়, তবে যারা সরাসরি কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদের সাথে উঠা-বসা ও মিল-মুহব্বত রাখবে এবং অনুসরণ-অনুকরণ করবে তাহলে তাদের ফায়ছালা কি হবে? মূলত তাদের পরিণতি আরো কঠিন থেকে কঠিনতর হবে। নাউযুবিল্লাহ!

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল-মুহব্বত বা বন্ধুত্ব রাখবে সে ব্যক্তি সেই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।’ অর্থাৎ, মুসলমানরা যদি কাফিরদের সাথে মিল রাখে, তাহলে তারা তাদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ।

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- মুসলমানদের জন্য কোনো অবস্থাতেই কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন তথা বিধর্মীদেরকে অনুসরণ-অনুকরণ করা, তাদের সাথে মিল-মুহব্বত রাখা, বন্ধুত্ব করা জায়িয নেই বরং কাট্টা হারাম ও কুফরী। যা পরিণতিতে খোদায়ী গযবে পরে হালাক বা ধ্বংস হওয়ার কারণ। কাজেই, মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে, প্রত্যেক অবস্থায় এবং দায়িমীভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর ইস্তিকামত থাকা এবং বিধর্মীদের সর্বপ্রকার নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা থেকে আন্তরিকভাবে দূরে থাকা। তাদের সাথে কোন ধরণের বন্ধুত্ব না করা।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম দশ রাত্রির কসম।’
আজ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে। যদি চাঁদ দেখা যায়, তবে আজ বাদ মাগরিব থেকেই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু হয়ে যাবে। আর যদি আজ চাঁদ দেখা না যায়, তবে আগামীকাল বাদ মাগরিব থেকে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু হবে। সুবহানাল্লাহ!
তাই প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলাদের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকে পবিত্র কুরবানী করা পর্যন্ত চুল, নখ, মোচ বা গোঁফ ইত্যাদি কাটা থেকে বিরত থাকা, রাতে ইবাদত-বন্দেগী করা, দোয়া করা, দিনে রোযা রাখা। আর প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য পবিত্র ঈদ উনার দিনে পবিত্র কুরবানী করা।
, ২৯ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৮ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৮ মে, ২০২৬ খ্রি:, ০৪ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আজ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে। যদি চাঁদ দেখা যায়, তবে আজ বাদ মাগরিব থেকেই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু হয়ে যাবে। আর যদি আজ চাঁদ দেখা না যায়, তবে আগামীকাল বাদ মাগরিব থেকে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু হবে। সুবহানাল্লাহ!
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম দশ দিন উনার অন্যতম একটি আমল হচ্ছে হাত, পায়ের নখ এবং শরীরের চুল ও মোচ বা গোঁফ ইত্যাদি না কাটা। অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ উঠার পর থেকে পবিত্র কুরবানী করার আগ পর্যন্ত এগুলো কাটা থেকে বিরত থাকা। এ প্রসঙ্গে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যখন পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম দশ দিন শুরু হবে, আর যারা পবিত্র কুরবানী করার নিয়ত করেছে তারা যেন চুল ও নখ না কাটে।” উল্লেখ্য, এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে যদিও কুরবানীদাতার কথা উল্লেখ রয়েছে, অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে যারা পবিত্র কুরবানী করবে না তাদের কথাও উল্লেখ আছে। অর্থাৎ যারা পবিত্র কুরবানী করবে অথবা করবে না উভয়ের জন্যই এই আমল পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। মূলকথা হলো, যারাই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম দশদিন চুল, নখ, মোছ বা গোঁফ কাটা থেকে বিরত থাকবেন, উনারা প্রত্যেকে একটি করে পবিত্র কুরবানীর ছওয়াব লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “বান্দা-বান্দী যত ইবাদত করে থাকে তন্মধ্যে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম দশ দিন উনার ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট সবচেয়ে বেশি প্রিয়। প্রতিদিনের রোযা- এক বৎসর রোযার সমান; প্রতি রাতের ইবাদত পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর উনার রাতের ইবাদতের সমান ফযীলতপূর্ণ।” সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “বান্দা-বান্দী যে সকল নেক আমল করে তন্মধ্যে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম দশ দিন উনার রোযা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক পছন্দনীয়।” সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র আরাফা উনার (৯ই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ উনার) রোযা বান্দার এক বৎসর পূর্বের ও এক বৎসর পরের গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেয়।” সুবহানাল্লাহ! তাই যাদের পক্ষে সম্ভব তারা যেন পহেলা পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ থেকে ১০ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ তারিখ পর্যন্ত রোযা রাখে। অর্থাৎ ৯ তারিখ পর্যন্ত রোযা রাখা। আর ১০ তারিখে পবিত্র কুরবানীর গোশত দিয়ে খাদ্য খাওয়া শুরু করা। এতে এক রোযার ছওয়াব পাবে। তা না হলে ৩টি রোযা রাখা। আর তাও সম্ভব না হলে ৯ যিলহজ্জ শরীফ তারিখে রোযা রাখা।

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম দশদিন উনার আমলের মধ্যে আরেকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হচ্ছে পবিত্র কুরবানী করা। এ প্রসঙ্গে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আদম সন্তান ইয়াওমুন নহর বা পবিত্র কুরবানী উনার দিন যা আমল করে তন্মধ্যে রক্ত প্রবাহিত করা বা পবিত্র কুরবানী করা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক প্রিয়।” সুবহানাল্লাহ!

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলাদের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার হক্ব আদায় করা। অর্থাৎ ১লা যিলহজ্জ শরীফ থেকে ১০ই যিলহজ্জ শরীফ পর্যন্ত চুল, নখ, মোচ বা গোঁফ ইত্যাদি কাটা থেকে বিরত থাকা, রোযা রাখা, রাতে ইবাদত-বন্দেগী করা, দোয়া করা আর খাছ করে পবিত্র ঈদ উনার রাতে দোয়া করা এবং প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য পবিত্র ঈদ উনার দিনে পবিত্র কুরবানী করা।