রংপুর মেডিকেল কলেজে হি-ন্দু-রা যখন ধুমধামের সাথে সরস্বতী পূজা করছিল তখন কি মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত লাগেনি?

সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম শিক্ষার্থীরা মাটির তৈরি এসব পুতুল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেখে বিব্রত হয়নি? তখন কোথায় ছিল ছাত্রদলের বিবৃতি?

মূর্তিপূজার মতো শিরক বন্ধে সেদিন কেন ছাত্রদল আবেদন করেনি? যেখানে একজন মুসলমানের কাছে মূর্তিপূজা হচ্ছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাজ; আল্লাহ যে অপরাধকে বলে আখ্যায়িত করেছেন আর (শিরক) কখনো মাফ করেনা।

সমস্যা শুধু মুসলমানদের কোরবানি করতে গেলে! তাইনা? তখন কেন হঠাৎ হিন্দুদের আবেগ অনুভূতি নিয়ে ছাত্রদলের এত কনসার্ন হয়? এটা তো ভারতের মুসলমানদের দমন করতে হিন্দু সরকার করে থাকে! ছাত্রদল কিংবা বিএনপি কি তাহলে বিজেপি/ শুভেন্দুর পথ ধরছে?

#bangladesh
#bnp
#rongpurcity

image

image
Moburak ho 12 Shareef

১২ই শরীফ মুবারক হো

ভ্রমণে দূরে কোথাও যাচ্ছেন? সঙ্গে জরুরি যেসব জরুরি জিনিস না রাখলে পড়তে পারেন মহা বিপদে

প্রাথমিক চিকিৎসায়
কাটা-ছেঁড়া বা আঁচড় লাগলে দ্রুত ব্যবস্থার জন্য ব্যান্ডেজ ও ব্যান্ড-এইড সঙ্গে নিন। ব্যাগে রাখুন স্টেরাইল গজ ও সার্জিক্যাল টেপ। তুলার চেয়ে এই গজ বেশি নিরাপদ; কারণ, তুলার আঁশ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এ ছাড়া ব্যান্ডেজ কাটা বা ত্বকে ঢুকে যাওয়া ক্ষুদ্র কাঁটা বের করার জন্য নিন কাঁচি ও চিমটা। এই সবগুলো উপকরণ একসাথে পাওয়া যাবে আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতালের জরুরি চিকিত্সা বাক্স (ফার্স্ট এইড বক্স)। অনলাইনে অর্ডার করা যাবে sunnat.info তে।

প্রয়োজনীয় ওষুধ
চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী একটি ছোট জিপ ব্যাগে কিছু ওষুধ রাখুন। যেমন বমি ও গ্যাসের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হাইওসিন-জাতীয় (ভ্রমণ অসুস্থতা) এবং আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র থেকে সুন্নতী খাবার সিরকা (অ্যাসিডিটির জন্য), ব্যথা ও জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন, অ্যালার্জি উপশমে অ্যান্টিহিস্টামিন-জাতীয় ওষুধ। যাঁরা নিয়মিত প্রেশার বা ডায়াবেটিসের ওষুধ খান, তাঁরা অন্তত সুন্নতী সিরকা বেশি পরিমাণে নিন।
এই সিরকা অনলাইনে পাওয়া যাবে sunnat.info তে।

জীবাণুনাশক
হাত জীবাণুমুক্ত করতে আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র থেকে গুসলুল ইয়াদ বা হ্যান্ড ওয়াশ সঙ্গে রাখুন, এটি এলকোহেল মুক্ত।

যাত্রাপথে খাবার
ভ্রমণের সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে সমস্যা হতে পারে। তাই শুকনা খাবার যেমন মুড়ি, আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র থেকে সাওয়িক (শক্তিবর্ধক খাবার), শুকনা ফল যেমন খেজুর, খুরমা সঙ্গে নিন। ডায়রিয়া বা পানিশূন্যতা রোধে রাখুন খাওয়ার স্যালাইন। আর নিন পানি বিশুদ্ধকরণ বড়ি। নিরাপদ পানি না পেলে এই বড়ি ব্যবহার করে প্রায় ৩০ মিনিটে পানি পানযোগ্য করা যায়।

থার্মোমিটার ও ব্যথার স্প্রে
হঠাৎ জ্বর মাপার জন্য থার্মোমিটার এবং পা মচকে গেলে বা পেশিতে টান লাগলে তাত্ক্ষণিক আরাম পেতে পেইন কিলার স্প্রে বা কোল্ড প্যাক দারুণ কার্যকর।

ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি
আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র থেকে মেসওয়াক, গুসলুল জিসিম বা বডিওয়াশ, শ্যাম্পু মিনি প্যাক, ধুন্দলের ছোবড়া এবং ছোট গামছা নিন। সাথে নখ কাটার যন্ত্র নিতে পারেন।

পাওয়ার ব্যাংক ও জরুরি নম্বর
যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া মানেই বিপদ। তাই একটি শক্তিশালী পাওয়ার ব্যাংক এবং একটি কাগজে ফ্যামিলি ডাক্তার, নিকটস্থ হাসপাতাল ও পরিবারের সদস্যদের নম্বর লিখে রাখুন (ফোনের চার্জ শেষ হয়ে গেলে এটি কাজে দেবে)।

মশা তাড়াতে
ডেঙ্গু বা ম্যালেরিয়ার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মসকিউটো রিপিল্যান্ট ক্রিম বা স্প্রে ব্যাগে রাখুন, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত জরুরি।

ত্বকের সুরক্ষায়
প্রখর রোদে ত্বকের পোড়া ভাব কমাতে শামউন নাহল, জয়তুন তেল এবং একটি ছাতা ব্যবহার করুন। মশা ও কিট পতঙ্গ থেকে পায়ের সুরক্ষার জন্য চামড়ার মোজা অসাধারণ কাজে দিবে।

আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্রের সমস্ত পণ্য পাওয়া যাবে sunnat.info তে।

📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️

📅 তারিখ: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬
⏰ সময়: ০৭:৫২ PM

#alhikmah24 #live
#alhikmah #live

3 w

আপনি কি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতে দুনিয়া ও আখিরাতের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেতে চান?

নিশ্চয়তা পাওয়ার সেই আমলটি কি?
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলিইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারক - উনার তরফ থেকে কুরবানী করা যা ফরয কোরবানি হিসেবে অবহিত।

এই কুরবানী করলে কি হবে? আপনি কি কি পাবেন? হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি একবার দরূদ শরীফ পাঠ করলে ১০টি রহমত পাওয়া যায়। তাহলে উনার তরফ থেকে কোরবানি করলে, কি পাওয়া যাবে?
- নিজের ওয়াজীব কুরবানী তো কবুল হবেই, সাথে সাথে আরও অনেক সফলতার নিশ্চয়তা রয়েছে, যেমন:

১) অতীতের গুনাহখাতা ক্ষমা করা হবে। প্রতিটি পশমের জন্য ১০টি গুনাহখাতা মাফ হয়। পশুর অগনিত পশমের জন্য গুনাহখাতা মাফ হয়ে মাছুম হয়ে যাবেন।

২) বর্তমানে প্রতিটি পশমের জন্য ১০টি নেকী পাওয়া যাবে, ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি হবে, আবার মুত্তাকী হিসেবে কুদরতী রিযিকের ফায়সালা হবে। (সূরা মায়িদা শরীফ : আয়াত শরীফ ২৭, সূরা আত-তালাক শরীফ ২-৩)।

৩) ভবিষ্যতে- যিনি কুরবানীর পশুর পেট চিরবেন হাশরের ময়দানে তার কোন কষ্ট লাগবে না। উনাকে হাউজে কাউসার শরীফ উনার পানি পান করানো হবে। তিনি জান্নতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আর পিপাসার্ত হবেন না। তারপর, মীযানে সত্তরগুণ বৃদ্ধি করে কুরবানীর পশুর হাড়, সিং, খুড়, পশম, চামড়া, ইত্যাদি ৭০ গুন বৃদ্ধি করে নেকির পাল্লায় চাপিয়ে দেয়া হবে। ফলে ডানদিকের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। উনার জান্নাত ফয়সালা হবে। সুবহানাল্লাহ! আর কোরবানির পশুটি পুলিসিরাত পার হওয়ার বাহন হবে (আরিযাতুল আহওয়াযী লী শরহে তিরমিযী)।

জান্নাতে- পশুর দেহের প্রতিটি পশমের বিনিময়ে ১ টি করে জান্নাতি বালাখানা, পশুর মাথার প্রতিটি পশমের বিনিময়ে ১ জন হুর মুবারক দেয়া হবে, পশুর প্রতিটি হারের টুকরার বিনিময়ে ১ টি করে জান্নাতি বোরাক, পশুর প্রতিটি গোস্তের টুকরার বিনিময়ে ১টি করে জান্নাতি পাখি পাওয়া যাবে।

সেই জন্য আপনি নিজে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষে ফরজ কুরবানী করুন এবং এবং অন্যদেরকেও এই বিষয়টি পৌঁছে দিন। কারণ- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এটা বলেছেন- “আমার তরফ থেকে একটি আয়াত শরীফ হলেও তা ছড়িয়ে দিন”।

তাহলে একদিকে আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিন্ত হবে এবং অন্যদের প্রতি আপনার দায়িত্ব পালন থেকেও মুক্তি পাবেন। “যেদিন অর্থাৎ কেয়ামতের দিন একজন মানুষ তার ভাই, তার মা, তার পিতা, তার সঙ্গী এবং তার সন্তানদের কাছ থেকে পালিয়ে যাবে! (পবিত্র সূরা আবাসা শরীফ, ৩৪-৩৬)” কারণ কেয়ামতের ময়দানে তারা আপনাকে আটকাবে। এই উছিলায় অর্থাৎ এই ফরজ কুরবানী যদি তারা করতে পারে তাহলে তারা মুক্ত হবে এবং আপনিও মুক্ত হয়ে যাবেন। আপনাকে আর আটকাবে না।

আর যদি না করা হয় তাহলে- অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকবে। তার পুলসিরাতের বাহন পাবেনা, জান্নাতি বালাখানা পাবে না, কোন নিয়ামতই সে পাবে না। সে উম্মত থেকে খারিজ হয়ে যাবে। কারণ হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “সামর্থ থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কুরবানী করবেনা সে যেনো আমাদের ঈদগাহের নিকটে না আসে।” (মুসনাদে আহমদ শরীফ)।

আপনার টাকা-পয়সা থাকলে এই ফরয কুরবানী করুন। এটা আপনার জীবনের শেষ সুযোগ হতে পারে। পরে আপনি এই সুযোগ নাও পেতে পারেন। এই এক সুযোগে অনেক প্রাপ্তি- অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত তেমনি অন্যদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেও মুক্তি।

মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সকলকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে ফরজ কুরবানী করার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

📡 আল হিকমাহ সরাসরি সম্প্রচার 🎙️

📅 তারিখ: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬
⏰ সময়: ০৭:২৭ PM

#alhikmah24 #live
#alhikmah #live

ভারতে মুসলমানদের সাথে ভারতের সরকার যেমন আচরন করছে ঠিক সমান আচরন বাংলাদেশে সরকার জনগন শুরু করা হোক।

image

image