ইমাম আবু মুহাম্মদ আল-হুসাইন ইবনে মাসউদ আল-বাগাভী রহমতুল্লাহ আলাইহি কর্তৃক তাঁর হাদীস সংকলন ‘শারহুস সুন্নাহ’ (شرح السنة) রচনার পর স্বপ্নে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দিদার মোবারক লাভ
১. মারকাতুল মাফাতীহ শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ (مرقاة المفاتيح)
আল্লামা মোল্লা আলী কারী রহমতুল্লাহ আলাইহি
:
رُوِيَ أَنَّهُ لَمَّا جَمَعَ كِتَابَهُ الْمُسَمَّى بِشَرْحِ السُّنَّةِ رَأَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْمَنَامِ، فَقَالَ لَهُ: «أَحْيَاكَ اللَّهُ كَمَا أَحْيَيْتَ سُنَّتِي»، فَصَارَ هَذَا اللَّقَبُ عَلَمًا لَهُ بِطَرِيقِ الْغَلَبَةِ.
বাংলা অনুবাদ: "বর্ণিত আছে যে, তিনি যখন 'শারহুস সুন্নাহ' নামক গ্রন্থ সংকলন শেষ করেন, তখন স্বপ্নে নবীজি ﷺ-এর জিয়ারত লাভ করেন
। স্বপ্নে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এরশাদ মুবারক করেন: 'আল্লাহ তোমাকে জিন্দা/মর্যাদাবান রাখুন, যেভাবে তুমি আমার সুন্নাতকে পুনরুজ্জীবিত করেছ'
। এরপর থেকেই এই খেতাবটি তাঁর জন্য সুনির্দিষ্ট উপাধি হয়ে যায়
।"

একটা মানুষ যত গুনাহখাতা করুক,সে একবার খালেছ তওবা করলে তার জিন্দেগী র সমস্ত গুনাহ গুলি মাফ করে দেওয়া হবে। যদি খালেছ তওবা করে,খালেছ ঈমান আনে, খালেছ আমলে ছলেহ শুরু করে, তাহলে আল্লাহ পাক সমস্ত গুনাহ গুলিকে নেকিতে পরিবর্তন করে দিবেন, সুযোগ তো দেওয়া হয়েছে অনেক। কাজেই এই সুযোগ গ্রহন করতে হবে। মানুষ গ্রহন করে না।

- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম

মহান আল্লাহ পাক বলেন, আমার হাবীব মাহবুব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার যারা বান্দারা নফসের উপর জুলুম করেছে, গুনাহখতা করেছে, তাদের কে বলে দেন, তোমরা আল্লাহ পাক উনার রহমত থেকে নিরাস হও না। মহান আল্লাহ পাক রহমান ও রহীম, গাফফার, সাত্তার অনেক কিছু। নিশ্চিয় তিনি সমস্ত গুনাহ খতা ক্ষমা কারী, নিজেই বলে দিচ্ছেন। মহান আল্লাহ পাক নিজেই বলে দিচ্ছেন, আমার হাবীব মাহবুব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি আমার বান্দা যারা গুনাহ খতা করে তাদের বলে, দেন, তোমার আল্লাহ পাক উনার প্রতি নিরাস হও না তিনি সমস্ত গুনাহ খতা ক্ষমা করবেন।
নিশ্চিয় ক্ষমাশীল ও দয়ালু, সুবহানাল্লাহ।

- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম

মহান আল্লাহ পাক বলেন, অপচয় কারী শয়তানের ভাই, নাউজুবিল্লাহ, সময়গুলিকে কাজে লাগাও, চক্ষু টা খোলা থাকা পর্যন্ত। এখন ভুল, ত্রুতি সব হবে কোনো অসুবিধা নেই। ভুলে তো মানুষ ভরা, গুনার মধ্যে মানুষ দুবন্ত এখন ইস্তেগফার করতে হবে। তওবা করতে হবে। তাহলে আল্লাহ পাক ক্ষমা করবেন।

- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম

সে তো দিনদারীর কাজ করে না। আমল করে না দুনিয়াদারী করে সারা দিন, তাহলে তার তো সময়টা সঠিক ব্যায় হলো না। অপচয় করলো, সে।

- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম

এখন তো মানুষ চব্বিশ ঘণ্টাই গাফিলতির সাথে কাটায়, নাউজুবিল্লাহ। সূরতান নামাজ কালাম পড়ে, নামাজ কালাম পড়তে গিয়ে দুনিয়ার চিন্তাই করে, নাউজুবিল্লাহ।

- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম

বেহেসবাসীর কোনো আফসোস থাকবে না। একটা আফসোস থাকবে সেটা হলো, দুনিয়ার যে সময় টা সে গাফিলতির সাথে কাটিয়েছে সেই জন্য সে আফসোস করবে।

- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম

একটা মুসলমান হলে তাকে তো অবশ্যই বাইয়াত হয়ে জিকির আজকার করতে হবে। বাদ ইশা ও বাদ ফজর দরূদ শরীফ পাঠ করতে হবে। পাস আন ফাস করতে হবে। জারী করতে হবে এর পর ছবক করতে হবে। আমলগুলি সুন্নত মুবারক অনুযায়ী করতে হবে। কাফেরেরা সুন্নত মুবারক অনুযায়ী করে না। ইলিমগুলি কিতাব আদী পড়তে হবে। আমাদের অনেক কিতাব বের হয়েছে। সেগুলি পড়তে হবে।
মুসলমানের জন্য প্রতিদিন কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা উচিত। মুসলমানের জন্য নসব নামা মুবারক প্রতিদিন পাঠ করা উচিত তার শাজরা শরীফ পাঠ করা উচিত। প্রতিদিন করা উচিত ।

- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম

জমিনে ও পানিতে যত ফিতনা হবে সব মানুষের হাতের কামাই। সুদখোর বসলো এটা একটা গজব বা লানত। মানুষের বদ আমলের কারণে এটা হয়েছে।

- নছীহতে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম

১. মারকাতুল মাফাতীহ শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ (مرقاة المفاتيح)
আল্লামা মোল্লা আলী কারী (রহ.) তাঁর প্রসিদ্ধ হাদীস ব্যাখ্যাগ্রন্থ মারকাতুল মাফাতীহ-এর ভূমিকার অংশে ইমাম আল-বাগাভীর স্বপ্ন সম্পর্কে লিখেছেন
:
رُوِيَ أَنَّهُ لَمَّا جَمَعَ كِتَابَهُ الْمُسَمَّى بِشَرْحِ السُّنَّةِ رَأَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْمَنَامِ، فَقَالَ لَهُ: «أَحْيَاكَ اللَّهُ كَمَا أَحْيَيْتَ سُنَّتِي»، فَصَارَ هَذَا اللَّقَبُ عَلَمًا لَهُ بِطَرِيقِ الْغَلَبَةِ.
"রুবিয়া আন্নাহু লাম্মা জামা‘আ কিতাবাহুল মুসাম্মা বিশারহিস সুন্নাতি রাআন নাবিয়্যা সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামা ফিল মানামি, ফাকালা লাহু: ‘আহইয়াকাল্লাহু কামা আহইয়াইতা সুন্নাতী’, ফাসারা হাযাল লাকাবূ ‘আলামান লাহু বিতারীকিল গালাবাতি।"
বাংলা অনুবাদ: "বর্ণিত আছে যে, তিনি যখন 'শারহুস সুন্নাহ' নামক গ্রন্থ সংকলন শেষ করেন, তখন স্বপ্নে নবীজি ﷺ-এর জিয়ারত লাভ করেন
। স্বপ্নে নবীজি ﷺ তাঁকে এরশাদ করেন: 'আল্লাহ তোমাকে জিন্দা/মর্যাদাবান রাখুন, যেভাবে তুমি আমার সুন্নাতকে পুনরুজ্জীবিত করেছ'
। এরপর থেকেই এই খেতাবটি তাঁর জন্য সুনির্দিষ্ট উপাধি হয়ে যায়