Ahamadullah Ashik shared a post  
1 m

1 y

Ahamadullah Ashik shared a post  
1 m

1 y

কুরবানীর পশুর রক্ত, গোশত ৭০ গুণ বৃদ্ধি করে মিযানের পাল্লায় দেয়া হবে :

কুরবানীদাতা উনার ফযীলত
কুরবানীর পশুর রক্ত, গোশত ৭০ গুণ বৃদ্ধি করে মিযানের পাল্লায় দেয়া হবে :

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে অন্যত্র বর্ণিত রয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ عَلِيٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ اِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِفَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قُوْمِي يَا فَاطِمَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَاشْهَدِيْ اُضْحِيَّتَكِ اَمَا اِنَّ لَكِ بِأَوَّلِ قَطْرَةٍ تَقْطُرُ مِنْ دَمِهَا مَغْفِرَةً لِكُلِّ ذَنْبٍ اَمَا اِنَّهٗ يُـجَاءُ بِـهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِلُحُومِهَا وَدِمَائِهَا سَبْعِينَ ضِعْفًا ثُـمَّ يُوْضَعُ فِي مِيزَانِكِ قَالَ اَبُو سَعِيدٍ الْـخُدْرِيُّ رَضِيَ الله عَنْهُ اَهٰذِهٖ لِاٰلِ مُـحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاصَّةً فَهُمْ اَهْلٌ لِمَا خُصُّوا بِهٖ مِنْ خَيْرٍ اَمْ لِاٰلِ مُـحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلِلنَّاسِ عَامَّةً قَالَ بَلْ لِاٰلِ مُـحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلِلنَّاسِ عَامَّةً

অর্থ : “হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম! আপনি আপনার কুরবানীর পশুর নিকট যবেহ করার সময় উপস্থিত থাকবেন। জেনে রাখুন! ঐ পশুর রক্তের প্রথম ফোঁটা (মাটিতে) পড়ার সাথে সাথে আপনার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। জেনে রাখুন! কিয়ামত দিবসে কুরবানীর ওই পশুগুলোকে রক্ত, গোশত সহ সত্তরগুণ বৃদ্ধি করে নিয়ে আসা হবে এবং আপনার মিযানের পাল্লায় তা রাখা হবে। হযরত আবূ সাঈদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এই কুরবানী উনার ফযীলত কি শুধু হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য? নাকি হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের এবং সমস্ত মানুষের জন্য। জাওয়াবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, বরং হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য এবং সমস্ত মানুষেরও জন্য।” (বাইহাকী ৯/২৮৩, আব্দু বনু হুমাইদ ৭/৮, আল মাত্িবুল ‘আলিয়াহ)

এক বর্ণনা মতে, পবিত্র কুরবানী উনার পশু কুরবানীদাতার নাজাতের ব্যাপারে সাক্ষ্য প্রদান করবে। সুবহানাল্লাহ!!

image

image
পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার রাতে দোয়া সুনিশ্চিতভাবে ক্ববুল হয়। প্রত্যেক মুসলমানের দ্বায়িত্ব-কর্তব্য হলো- ঈদুল আদ্বহা উনার রাত্রি জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী, তাসবীহ-তাহলীল, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, দরুদ শরীফ, মীলাদ শরীফ পাঠ ও বেশি বেশি দোয়া করা।
আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পবিত্র ফজর থেকে আগামী ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করতে হবে। তাকবীরে তাশরীক হলো- ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’ আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিবাগত রাতটিই হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার সম্মানিত রাত। সুবহানাল্লাহ! আর ইয়াওমুল খমীস (বৃহস্পতিবার) হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা অর্থাৎ পবিত্র কুরবানীর ঈদ। সুবহানাল্লাহ!

3 yrs

প্রস্তুত তো।

image

আজ বাদ ফজর থেকে,
জিলহজ মাসের ৯ তারিখ (আরাফার দিন) ফজর থেকে ১৩ তারিখ (কুরবানির শেষ দিন) আসর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়া ১বার ওয়াজিব। ৩বার সুন্নত
اللّٰهُ أَكْبَرُ، اللّٰهُ أَكْبَرُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ، اللّٰهُ أَكْبَرُ وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

3 yrs