মহাসম্মানীত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে ও মুহব্বতে খুশি প্রকাশ করে খরচ করার ফজিলত(২২)
১,
مَنْ قَرَاَ مَوْلِدَ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ--- فِيْهَا الْبَرَكَةُ وَلَا يَفْتَقِرُ صَاحِبُهَا وَلَا تَفْرُغُ يَدُهٗ بِبَرَكَةِ مَوْلِدِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَঐ ব্যক্তি
---- তিনি কখনও ফকীর হবেন না এবং ঐ ব্যক্তি উনার হাত কখনও খালি হবে না।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’মাতুল কুবরা, ইয়ানাতুত্ ত্বালিবীন ৩/৪১৫)
২,
وَجَعَلَ لِمَنْ فَرِحَ بِمَوْلِدِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِجَابًا مِّنَ النَّارِ وَسِتْرًا وَمَنْ اَنْفَقَ فِىْ مَوْلِدِهٖ دِرْهَمًا كَانَ الْمُصْطَفٰى صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَهٗ شَافِعًا وَّمُشَفَّعًا وَاَخْلَفَ اللهُ عَلَيْهِ بِكُلِّ دِرْهَمٍ عَشْرًا فَيَا بُشْرٰى-----
“----- যিনি মাওলিদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করবেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি (এই খুশিকে) উনার জন্য জাহান্নাম থেকে নিরাপদ থাকার জন্য হিজাব (পর্দা) এবং ঢাল বানিয়ে দিবেন।------এক দিরহাম খরচ করবেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ঐ ব্যক্তি উনার জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাফা‘আতকারী হবেন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাফা‘আত মুবারক অবশ্যই ক্ববূল করা হবে। সুবহানাল্লাহ! (মাওলিদুল ‘আরূস)ৎ
৩,------ يَا اَهْلَ الْبَصْرَةِ وَاشْهَدُوْا جَنَازَةَ وَلِىٍّ مِّنْ اَوْلِيَاءِ اللهِ فَاِنَّهٗ عَزِيْزٌ عِنْدِىْ فَحَضَرَ اَهْلُ الْبَلَدِ جَنَازَتَهٗ وَدَفَنُوْهُ فَرَاَوْهُ فِى الْـمَنَامِ وَهُوَ يَرْفُلُ فِىْ حُلَلٍ سُنْدُسٍ وَّاِسْتَبْرَقٍ فَقِيْلَ لَهٗ بِـمَ نِلْتَ هٰذِهِ الْفَضِيْلَةَ قَالَ بِتَعْظِيْمِ مَوْلِدِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
------‘হে বছরার অধিবাসীগণ! আপনারা একত্রিত হয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদের মধ্য থেকে একজন বিশেষ ওলীআল্লাহ উনার জানাযায় উপস্থিত হোন। কেননা তিনি আমার কাছে অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তিত্ব মুবারক।’ তখন শহরবাসীগণ উনার জানাযায় উপস্থিত হন এবং উনার দাফন সম্পন্ন করেন। তারপর শহরবাসীগণ স্বপ্নে দেখেন যে, সেই যুবক তিনি পাতলা এবং পুরু কারুকার্যপূর্ণ জান্নাতী রেশমী পোশাক পরে অত্যন্ত শান-শওকতের সাথে সম্মানিত জান্নাত মুবারক-এ বিচরণ করছেন। সুবহানাল্লাহ! তখন উনাকে জিজ্ঞাসা করা হলো- ‘এই শ্রেষ্ঠত্ব-মর্যাদা আপনি কিভাবে লাভ করলেন?’ তিনি বললেন, মাওলিদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে তা’যীম-তাকরীম, সম্মান প্রদর্শন করার মাধ্যমে।” সুবহানাল্লাহ! (ই‘য়ানাতুত ত্বালিবীন ৩/৪১৫, আশ্ শারফুল আমজাদ ২৫৬ নং পৃষ্ঠা)
৪,-----يَسُرُّ بِمَوْلِدِهٖ وَيَبْذُلُ مَا تَصِلُ اِلَيْهِ قُدْرَتُهٗ فِىْ مَحَبَّتِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَعُمْرِىْ اِنَّمَا يَكُوْنُ جَزَاؤُهٗ مِنَ اللهِ الْكَرِيْمِ اَنْ يَّدْخُلَهٗ بِفَضْلِهِ الْعَمِيْمِ جَنَّاتِ النَّعِيْمِ-------তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কোনো উম্মত, মুসলমান-ঈমানদার যদি মাওলিদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে, তার সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী টাকা-পয়সা ইত্যাদি খরচ করে, তাদের অবস্থা কিরূপ হবে?----
‘আমার জিন্দেগীর ক্বসম! নিশ্চয়ই করুণাময় মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সে ব্যক্তির প্রতিদান হচ্ছেন- মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার বিশেষ অনুগ্রহে ঐ ব্যক্তিকে জান্নাতুন নাঈমে প্রবেশ করাবেন’।” সুবহানাল্লাহ! (শারহুয যারক্বানী,
৫,----
اِذَا كَانَ هٰذَا كَافِرًا جَاءَ ذَمُّهٗ ... وَتَبَّتْ يَدَاهُ فِى الْجَحِيْمِ مُخَلَّدَا
اَتٰى اَنَّهٗ فِىْ يَوْمِ الِاِثْنَيْنِ دَائِمًا ... يُخَفَّفُ عَنْهُ لِلسُّرُوْرِ بِاَحْمَدَا
فَمَا الظَّنُّ بِالْعَبْدِ الَّذِىْ طُوْلَ عُمْرِهٖ ... بِاَحْمَدَ مَسْرُوْرًا وَمَاتَ مُوَحِّدَا
‘যখন এই কাট্টা কাফির যার নিন্দায় (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে) এসেছেন- তার দুই হাত ধ্বংস হোক! যে চিরস্থায়ী জাহান্নামী। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশে খুশি প্রকাশ করার কারণে দায়িমীভাবে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইছনাইনিল আযীম শরীফ অর্থাৎ সোমবার) তাকে (সুমিষ্ট পানীয়) দেয়া হয়। সে তা পান করে এবং সেদিন তাকে জাহান্নামের আযাব থেকে রুখছত দেয়া হয়। তাহলে ঐ বান্দার জন্য কি ফায়ছালা হবে, যাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি দীর্ঘ হায়াত দান করেছেন, যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশে খুশি প্রকাশ করেছেন এবং মুসলমান হিসেবে ইন্তেকাল করেছেন’?”মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়্যাহ্
৬,---- رَاَى النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِـى الْـمَنَامِ يَقُوْلُ لَهٗ اَهْلُ جَـمْعِـيَّةِ الْـمَوْلِدِ تَـحْتَ حِـمَايَــتِـىْ-------‘জামইয়্যাতুল মাওলিদ’ মজলিসের সদস্যগণ আমার তত্ত্বাবধানে রয়েছেন, আমার নযর-করম, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি, রহমত মুবারক উনার মধ্যে রয়েছেন।’ সুবহানাল্লাহ!--ফাতহুল মুজীব ফী মাদহিল হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ১৪২ পৃ.)
-মহাপবিত্র ৯০ দিনব্যাপী আযীমুশশান সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ'ইয়াদ শরীফ মাহফিল - আজ ৫৭তম দিন হাদিয়া করুন: ১২০০ /১২০০০/ ১২০০০০+সরাসরি শুনুন: http://Sm40.com 01739466730 বিকাশ এজেন্ট

ঈদ মুবারক! ঈদ মুবারক! ঈদ মুবারক

image

image

image

image

আসুন নূর নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য
প্রাণ খুলে খুশী মুবারক প্রকাশ করি।সুবহানআল্লাহ...

image

উনারা সৃষ্টির শুরু থেকেই একই সাথে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল যাবৎ থাকবেন (২)

যেখানে ছিলাম ঐখানে মনে হচ্ছে যে নতুন না। ছিলাম, আছি এবং থাকবো। এক সাথেই আছি। সুবহানাল্লাহ! এখন যে যতোটুকু বুঝতে পারে।
ঐ বাড়িটা, অনেক বড় বাড়ি! এরিয়া, অনেক বড় এরিয়া! এখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যাঁরা আছেন উনারা আছেন, উনাদের সাথে আমরাও আছি। বিষয়টা তো এরকম না যে, নতুন আছি। আবার যে সরে যেতে হবে এরকমও না। মনে হয়, ছিলাম, আছি, থাকবো। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
এখন আমাদের অনেক লোক, প্রায় সব লোকই যারা আছে অনেককে দেখা গেছে। নাম বলবো না, কারো কথা আমি বলবো না। অনেক লোক আছে। আক্বীদাহ্ শুদ্ধ থাকলে তো কোনো সমস্যা নেই। আক্বীদাহ্ শুদ্ধ থাকলে তো ঠিকই আছে। আর আক্বীদায় গণ্ডগোল থাকলে তো সে আর নাজাত লাভ করতে পারবে না।
তখন আমি দেখলাম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি এতো সন্তুষ্ট, খুশি। সুবহানাল্লাহ! ভাষা দিয়ে প্রকাশ করা যাবে না। কারণ ভাষা দিয়ে সব বিষয় কখনো প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। উনি অত্যন্ত সন্তুষ্ট, খুশি। অনেক মুহব্বত করলেন। সুবহানাল্লাহ! আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে আমরা এদিকে যাই। উনার সাথে আমি বের হলাম। আমি বললাম, তাহলে একটা আসন দরকার। দেখলাম, একটা কুদরতী আসন যাহির হয়ে গেলো। তখন আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি তাশরীফ মুবারক নেন। উনি তাশরীফ মুবারক রাখলেন। এক জাগায়, দুই জাগায়। আমি বললাম যে, লোকজন যিয়ারত করে, অতঃপর ক্বদম বুছি করুক। উনি খুব খুশি হলেন। সবটা বলি না বা বলতে পারি না। কারণ ভাষাগত আদবের ত্রুটি হয় কি না সেজন্য। পরে যখন আবার সামনে আসলাম, তখন বললাম— তাহলে তারা যিয়ারত করুক। (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি বললেন,) করুক। উনি খুব খুশি। আমি বললাম, তাহলে ঠিক আছে, যিয়ারত করে এরা এদিক দিয়ে চলে যাক। তখন আমি বললাম, এদিকে গেলেই অর্থাৎ সামনে ডান দিকে গেলেই সবাই জান্নাতে যাবে। উনি অত্যন্ত সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন। অনেক মুহব্বতে উনি বললেন। এটাতো ভাষা দিয়ে প্রকাশ করা যাবে না। এখন শেষে আমি যখন কিছু বলতে চাইলাম, তখন তিনি বললেন, ‘প্রয়োজন নাই তুমি তো আমার বেটা।’ সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
সে অবস্থাটা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। ভাষা দিয়া প্রকাশ করাটা আদবের খেলাফের মতো মনে হয়। আর সন্তুষ্টি মুবারক যে এতো বেশি; এটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। আর যে আসছে, তাকেই যতক্ষণ ইচ্ছা বুছা দেওয়ার জন্য উনি ইখতিয়ার দিয়েছেন এবং খুব সন্তুষ্টি মুবারকের সাথে গ্রহণ করছেন।” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
কাজেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহস সালাম তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সৃষ্টির শুরু থেকেই একই সাথে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল যাবৎ থাকবেন। সুবহানাল্লাহ! আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহস সালাম তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারাও হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আখাচ্ছুল খাছ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল কুদরত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওজূদ পাক মুবারক) উনার সাথে সম্পৃক্ত। সুবহানাল্লাহ! তিনি তো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আখাচ্ছুল খাছ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত অবশ্যই, শুধু তাই নয়; তিনি হচ্ছেন— নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একক ও অদ্বিতীয় হাক্বীক্বী কায়িম মাক্বাম। সুবহানাল্লাহ! আর উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন— নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের হাক্বীক্বী ক্বায়িম মাক্বাম। সুবহানাল্লাহ! তাহলে উনাদের সম্মানিত শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক কতো বেমেছাল, সেটা সমস্ত জিন—ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে। এক কথায় উনারা শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক উনাদের মালিক হচ্ছেন উনারা। সুবহানাল্লাহ!

উনারা সৃষ্টির শুরু থেকেই একই সাথে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল যাবৎ থাকবেন (১)
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহস সালাম তিনি ১৪৪০ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (ইছনাইনিল আযীম শরীফ অর্থাৎ সোমবার) উনার মাহফিল মুবারক—এ ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি স্বপ্নের মধ্যে দেখতেছি— একটা বিরাট বালাখানা, বাড়ি। সামনে অনেক বড় জায়গা। সামনে জায়গার মধ্যে সবুজ ঘাস। ওখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি অবস্থান মুবারক করতেছেন। উনি কিছু একটা করতেছেন। আমিও কাছে বসা। আর বাইরের একটা লোক আছে। আমার মনে হচ্ছে, এরকম বিষয়টা যে, সামনে মাঠ আর পিছনে বাড়িটা। অনেক বড় বাড়ি! অনেক বড় বাড়ি! অনেক বড় পর্দা ঝুলতেছে। মনে হচ্ছে এরকম যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আমরা নতুন না, আগের থেকে আমরা এখানে আছি, উনার সাথে অবস্থান করতেছি। সুবহানাল্লাহ! ছিলাম, আছি এবং থাকবো— এরকম একটা ভাব। যাই হোক; কাজ হচ্ছে। উনি একটা কিছু করতেছেন। বাড়িটা পিছন দিকে, বাড়িতে অনেক বড় পর্দা ঝুলতেছে। এমন সময় পিছন থেকে একটা বাচ্চা মেয়ে হবে, হতে পারে সেটা সরাসরি আমার মেয়ে অথবা আমার মেয়ের মেয়ে এরকম। সাড়ে ছয় থেকে সাড়ে সাত এরকম বয়স কমবেশি, কাছাকাছি। ঐ মেয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রথম বললো যে, ‘চাচা’। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি বললেন— না, বলো ‘নানা’। আমিও বললাম যে, ‘নানা’ বলার জন্য। তো ‘নানা’ বলেছে। বললেন যে, এদিকে আসো। একটা লোক বাহিরে বসা ছিলো। অনেক বড় এরিয়া। আমি লোকটাকে বললাম, তাহলে এক কাজ করেন, আপনি গেইটের বাহিরে যান। পর্দার ব্যাপার আছে। বাহিরে দিয়ে আসলাম। আরেকজন সাথে মাহরামই। মেয়েটা আসার পর তাঁকে ক্বদম বুছি করার জন্য বললেন। ক্বদম বুছি শুধু হাত দিয়ে? আমি বললাম না; শুধু হাত দিয়ে না। একদম নূরুদ দারাজাত মুবারক উনার মধ্যে একদম মুখ দিয়ে করতে হবে। আমি কতোক্ষণ করলাম, অনেকক্ষণ করলাম। তাদেরকে করালাম। যাই হোক; আমরা এখানে অবস্থান করতেছি। এরপরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি বের হবেন। ঠিক আছে। আমি সাথে আসলাম। সাথে আসার পরে, এখন অনেক লোকজন দেখা করতে আসবে। তাহলে এভাবে কি করে সম্ভব? যাই হোক; অতঃপর কুদরতীভাবে একটা চেয়ারের ব্যবস্থা অর্থাৎ বড় একটা আসনের ব্যবস্থা হলো। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি ওখানে বসলেন। লোকজন আসতে থাকলো। আমি বললাম, লোক যারা আসছে, তোমরা ক্বদম বুছি করো। একদম পায়ের (নূরুদ দারাজাত মুবারক উনার) তলে শুধু। ক্বদম মুবারক (নূরুদ দারাজাত মুবারক) উনার একদম নিচে ক্বদম বুছি করবে, উপরে না। যাই হোক; হাজার হাজার লোক আসতেছিলো। এর মধ্যে আমাদেরও অনেক লোক আছে। যাই হোক; এরা ক্বদম বুছি করে করে যাইতেছে। অনেক লোক হাজার হাজার, শত—সহ¯্র, অনেক লোক! যাই হোক; সেখানে এটা শেষ হলো।
এরপরে আবার সামনে গেলাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি গেলেন, উঠলেন, সামনে গেলাম। ঐ আসন মুবারক—এ উনি বসা আছেন। তখন আবার অনেক লোক আসতে থাকলো— এদিক থেকে অর্থাৎ একদিক থেকে। আসতে থাকলো। আমি বললাম— তাহলে ঠিক আছে, কারণ এটা হলো শেষ ফায়ছালা। এই জায়গাটা ছিলো একটা স্বাভাবিক জায়গা। তার একদিকে ছিলো নিচু অর্থাৎ বাম দিক নিচু আর ডান দিক উঁচু এভাবে। আমি তাদেরকে বলেছি, তোমরা এক কাজ করো— অনেক লোক, আমাদের লোক, যাই হোক, অনেকে যারা আসছে, তাদেরকে বললাম, এসে ক্বদম বুছি করো আর যিয়ারত মুবারক করো। করে সোজা সামনে গিয়ে ডান দিকে যাবে। ডান দিকে গেলে দেখবে বেহেস্ত আছে। ওখানে গিয়ে সবাই বেহেস্তে প্রবেশ করবে। হাজার হাজার, শত—সহ¯্র লোক আসতেছে আর বেহেস্তে প্রবেশ করতেছে। এরপরে আবার আগের জায়গায় ফিরে এসেছেন।
এরপরে আরো ঘটনা আছে। ওখান থেকে যখন আমরা আসলাম, আসার পরে আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে একটা কিছু বলতে চাইলাম। বলতে যখন চাইলাম, তখন উনি বললেন যে, ‘আরে তুমি তো আমার বেটা, অসুবিধা নাই।’ এরপরে ঘটনা শেষ হয়ে গেলো।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মনে হচ্ছিলো যে, অনেক দিন ধরে। হারানোরও ভয় নাই, নতুন প্রাপ্তিও নাই। ছিলাম, আছি, থাকবো। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
লোকজন যারা— তাদেরকে বলেছি, সবাই ক্বদম বুছি করবে, একদম নিচে যেন বুছা দেয়। নিচেই বুছা দিয়েছে সবাই। অনেক লোক! অনেক লোক! অতঃপর পরের জায়গায় যাওয়ার পর ওখানে অনেক লোক যারা ছিলো সবাই যিয়ারত করে করে যেতে থাকলো, সামনে রাস্তা ছিলো ডান দিকে একটু উঁচু। ডান দিকে গেলেই ওখানে বেহেস্ত আছে। বললাম, সবাই যেয়ে বেহেস্তে প্রবেশ করো।
অনেককে আমি চিনি। নাম বলবো না কারো। অনেককে চিনি। অনেকে নতুন, অনেকে পুরান, উভয় প্রকার লোকই আছে। অনেক লোক! হাজার হাজার লোক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি আছেন, লোক হবে এটাই তো স্বাভাবিক। অনেক ভিড়! এর মধ্যে লোকজন যাচ্ছে আস্তে আস্তে। প্রথমবারের মতো ক্বদম বুছি শেষ হয়েছে। প্রথমবার যখন শেষ হলো, তখন আরো লোক আসতে থাকলো। আরেকটু সামনে গিয়ে আরো প্রশস্ত জায়গা। একটা রাস্তার পাড়ে। ঐ রাস্তা দিয়ে ডান দিকে একটু গেলেই সেখানে জান্নাত।

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত শাহনাওয়াসা—শাহনাওয়াসী আলাইহমুস সালাম—আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমেছাল খুছূছিয়াত মুবারক
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৯শে যিলক্বদ শরীফ লাইলাতুল খ¦মীস শরীফ (বৃহস্পতিবার রাত) ৪র্থ তলা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খানকাহ্ শরীফ—এ বা’দ ছোহবত মুবারক ইরশাদ মুবারক করেন, “(১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৮ই যিলক্বদ শরীফ ইয়াওমুল খ¦মীস শরীফ) দেখলাম— ইবলীস আর ইবলীসের সাথে একটা সাগরিদ, চেলা আসলো। ওরা আসলে লাঠি নিয়ে মারামারি করতে এসেছে। আমিও একটা বড় বাঁশ নিয়েছি। যা হোক; আমি পরে কিভাবে যেন এদেরকে ধরে ফেলেছি। এরপর আমার পাশে ছিলেন হযরত শাহনাওয়াসা—শাহনাওয়াসী আলাইহমুস সালাম—আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সবাই। যখন ধরে ফেলেছি, তখন হযরত শাহনাওয়াসা—শাহনাওয়াসী আলাইহমুস সালাম, আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আমাকে বললেন যে, ‘নানা! আমাদেরকে ছোট শয়তানটাকে দিয়ে দিন।’ (মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি এই সময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাকরীর মুবারক অর্থাৎ তাবাস্সুমী শান মুবারক প্রকাশ করে অর্থাৎ মুচকী হাসি মুবারক দিয়ে বলেন—) ঠিক আছে। আমি দিয়ে দিলাম। উনারা ছোট শয়তানটাকে শাস্তি দিতে দিতে ওটাকে একবারে শেষ করে ফেলেছেন। আর বড়টাকে আমি ধরেছি। ধরে কিভাবে যেন এটাকে মাটিতে ফেলে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পা মুবারক) দিয়ে মাথায় ধরে রেখেছি। এটা উপুর হয়ে পড়ে রয়েছে, মনে হচ্ছে আমাকে সিজদাহ্ দিচ্ছে। আমি বললাম— ‘তোকে শেষ করে দিবো।’ ইবলীস তখন বলতেছে যে, ‘ইবলিছকে তো কেউ মারতে পারবে না।’ কেনো? সে বললো— ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি ইবলীসকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত হায়াত দিয়েছেন।’ আচ্ছা ঠিক আছে; তাহলে তওবা কর। সে বললো— ‘আরে ইবলীস তো তওবা করতে পারবে না।’ আমি বললাম— ‘কেন?’ সে বললো— ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি যে ক্বিয়ামত পর্যন্ত লা’নত দিয়ে দিয়েছেন। ইবলীস তওবা করতে পারবে না।’ আমি বললাম— তাহলে কি করতে হবে? সে বললো— ‘ইবলীসকে শাস্তি দেয়া যাবে; কিন্তু ইবলীস মরবেও না, তওবাও করতে পারবে না।’ তাকে পারা দিয়ে রেখেছি। অনেক্ষণ পরে দেখি— ইবলীস রক্ত বমি করা শুরু করেছে, রক্ত বমি। রক্ত বমি করতেছে। পরে আমি দেখলাম যে, তাহলে তো এটা মরবেও না, এটা তাওবাও করবে না। এটাকে শাস্তি দিয়ে আমি বললাম— তাহলে ঠিক আছে; তাড়াতাড়ী যা এখান থেকে। ভাগ এখান থেকে। পালা। বলার সাথে সাথে চোখের পলকে এটা পালিয়ে গেছে।” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)

সাইয়্যিদুনা খলীফাতুল উমাম হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ শান মুবারক (২)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৫শে শাওওয়াল শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক—এ ইরশাদ মুবারক করেন, “আজকে একটা ঘটনা মুবারক ঘটেছেন। তোমরা তো এটা শুনার উপযুক্ত না। (১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৪শে শাওওয়াল শরীফ ইয়ামুল আহাদ অর্থাৎ রবিবার) সকালের দিকে, ১০—১১টার দিকে হঠাৎ আমি দেখলাম— হযরত ইমামুস সাদিস আলাইহিস সালাম উনি এসেছেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) উনি এসে আমাকে বলতেছেন যে, এক জায়গায় যেতে হবে। কোথায় যেতে হবে? ঐ যে আপনি গিয়েছিলেন চার ইমাম উনাদের ওখানে। উনাদের অবস্থা নিষ্ক্রিয়। সক্রিয় করতে হবে।
কিভাবে করতে হবে? বললেন, ফায়েজ—তাওয়াজ্জুহ্ দিতে হবে। কিভাবে ফায়েজ—তাওয়াজ্জুহ দিতে হবে? বললেন, সেখানে গেলেই চলবে। আমি হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাকেসহ রওনা হলাম। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) গেলাম সেখানে। দেখলাম যে, বিরান। আগেই বিরান দেখে এসেছি। ঐরকমই দেখেছি। বললেন, আবাদ করতে হবে। কিভাবে আবাদ করতে হবে? তো উনি কিছু ব্রাশ, রং নিয়ে বললেন, আমরা রং করে দেই। উনিসহ আমরা তিনজন মিলে রং করলাম। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) আবাদ হলো। উনারা চারজনই একদম পুরো সতেজ হলেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) গতবার তো ধারাবাহিকতাটা দেখা হয়নি। এবার দেখলাম— ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি এক নাম্বার। তারপর ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি, তারপর ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি, তারপর ইমাম মালেক রহমতুল্লাহি আলাইহি। এই চারজন। উনারা উনাদের কাজ শুরু করলেন।
ইমামুস সাদিস আলাইহিস সালাম উনি বললেন— উনারা তো সক্রিয় নেই, সক্রিয় করতে হবে। তো সক্রিয় হলেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)
তারপর একখানে আমাদের বসার ব্যবস্থা করলেন, খাওয়ানোর ব্যবস্থা করলেন। আচ্ছা, ঠিক আছে; বসলাম। কিছু দিলেন, খেলাম। উনাদের কাজ উনারা করতেছেন। তারপরে বললেন যে, আমাদের কাজ তো আমরা করেছি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহান আল্লাহ পাক উনার অর্থাৎ উনাদের তরফ থেকে উনারা কিছু ফায়েজ—তাওয়াজ্জুহ্ দিবেন। ভালো কথা। উনারা বললেন যে, ইমামুস সাদিস আলাইহিস সালাম উনিও আছেন। আমাকে বললেন, তাহলে আপনার পরিবারের সবাইকে আনেন, ফায়েজ—তাওয়াজ্জুহ্ দেওয়া হবে। তোমাদের আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনিসহ সবাইকে এনে আমি বসালাম। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) সিরিয়াল মতো সবাইকে বসিয়েছি। যারা আছেন সবাইকে বসিয়েছি। নাকিবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম, নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম, শাফিউল উমাম আলাইহিস সালাম, হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম উনারাসহ ছোট—বড় সবাইকে। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) উনারা ফয়েজ—তাওয়াজ্জুহ দিলেন। যাই হোক, অনেকক্ষণ থাকলাম। এরপরে এসে পড়লাম। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)