মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার প্রকৃত পবিত্র আয়াত শরীফ সংখ্যা ৬৬৬৬ (৩)
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقَالُ لِصَاحِبِ الْقُرْاٰنِ اِقْرَأْ وَارْتَقِ وَرَتِّلْ كَمَا كُنْتَ تُرَتِّلُ فِى الدُّنْيَا فَاِنَّ مَنْزِلَكَ عِنْدَ اٰخِرِ اٰيَةٍ تَقْرَؤُهَا
“হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পরকালে ‘ছাহিবুল কুরআন’ (অর্থাৎ যিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ নিয়মিত তিলাওয়াত ও মুখস্থ করবেন এবং সেই অনুযায়ী ঈমান ও আমল পরিশুদ্ধ করবেন) উনাকে বলা হবে— ‘তিলাওয়াত করতে থাকুন এবং উপরে আরোহণ করতে থাকুন। দুনিয়াতে যেভাবে তারতীলের সাথে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতেন, সেভাবেই তিলাওয়াত করতে থাকুন। কেননা, নিশ্চয়ই (সম্মানিত জান্নাত মুবারক—এ) আপনার অবস্থান সেই সর্বশেষ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার নিকটে হবে, যা আপনি তিলাওয়াত করবেন’।” সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাঊদ শরীফ, তিরমিযী শরীফ, নাসায়ী শরীফ, মিশকাত শরীফ, মুসনাদে আহমাদ, তাফসীরে কুরতুবী ১/৮, তাফসীরে মাযহারী ১/১৭৬১, তাফসীরে বাগবী ১/৪২, তাফসীরে ইবনে রজব হাম্বলী ১/৫৯ ইত্যাদি)
অতএব, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ সংখ্যা নির্দিষ্ট। আর সেটা স্বয়ং যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেটা উম্মতকে অবহিত করেছেন। সুবহানাল্লাহ! আর উম্মত এই বিষয়টি খাছভাবে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মাধ্যমে জানতে পেরেছে। যেমন— মহাসম্মানিত মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি বলেন,
قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَعَلَ اللهُ دَرَجَ الْجَنَّةِ عَلٰى عَدَدِ اٰىِ الْقُرْاٰنِ
“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত জান্নাত মুবারক উনার মর্যাদার স্তরসমূহ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের সংখ্যার অনুপাতে নির্ধারণ করেছেন’।” সুবহানাল্লাহ! (লামাহাতুল আনওয়ার ওয়া নাফাহাতুল আযহার ওয়া রাইয়্যুয যমআন লি মা’রিফাতি মা ওয়ারাদা মিনাল আছারি ফী ছাওয়াবি ক্বারিইল কুরআন ১/১০৯, তারীখে দিমাশক্ব ৫৯/৩৫৫, মুখতাছরু তারীখে দিমাশক্ব ২৫/১৩০, আল মুহাদ্বরাতু ওয়াল মুহাওয়ারাত ১/৩২৫ ইত্যাদি)