প্রত্যেক মুসলমান পুরুষের জন্য দাড়ি রাখা ফরয

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-

عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ أَمَرَ بِإِحْفَاءِ الشَّوَارِبِ وَإِعْفَاءِ اللِّحْيَةِ.

অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করে বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন গোঁফ ছোট করার ও দাড়ি লম্বা করার। (দারহী কী শরয়ী হাইছিয়ত)

এক সময় সমস্ত মুসলমান এমনকি বিধর্মীরাও দাড়ি রাখতো। কিন্তু বেনিয়া, লুটেরা, দস্যু, ম্লেচ্ছ, যবন, ইংরেজরা এই দেশে এসে, তাদের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুসলমানদের দাড়ি চাঁছিয়ে লম্বা কোর্তা, পাগড়ি পরা হতে বিরত রেখেছে। আজ ইংরেজরা এ দেশে না থাকলেও তাদের সেই ষড়যন্ত্রের ফসল আজও রয়ে গেছে। কিন্তু মুসলমানদের মনে রাখতে হবে, সে যেহেতু মুসলমান, তাই তার জন্য কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ মানা ফরয। এই জন্য এক মুষ্টি পরিমাণ লম্বা দাড়ি রাখা তার জন্য ফরয। দাড়ি চাঁছা কাট্টা হারাম।