মুরতাদ লুচ্চা লম্পট বদ চরিত্র উলামায়ে সু'দের হাকিকত জানুন
(১) নাঈমা জান্নাতের পিরিয়ড চলাকালীন অবস্থায় অবৈধ
ভাবে নিরিবিলি অবস্থান করে মিসবাহ। তাকে নিয়ে যায় আরেক মাওলানার বাড়িতে। সেখানে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে থাকে কিছুদিন। এরপরে বিয়ে করে।
নাঈমাকে বলে, সে হলো তার দ্বিতীয় স্ত্রী। এদিকে নাঈমা কিছুদিন আগে জানতে পারে, তাকে ছাড়াও আরও ৯টা বিয়ে করেছে এই চরমোনাইপন্থী সমালোচিত বক্তা মিসবাহ।
আবার নাঈমার কাছে নানা রকম যৌতুক দাবি করে এই হুজুর। এরপর নাঈমা তার বিরুদ্ধে মামলা করে। আদালত এই বক্তার বিরুদ্ধে সমন জারি করে। যদিও ফেসবুকে এই বক্তা বলেছে, সব নাকি মিথ্যা। তবে আইনি উদ্যোগ নেয়নি।
সেই ঘটনায় নিউজ হলে, তার সঙ্গে একত্রে কাজ করা, তার সহকর্মী ও ছাত্র মিডিয়াকে বলে যে, নিউজে যা লিখেছে (পরকীয়া, নারীদের সঙ্গে অবৈধ ভাবে নিরিবিলি অবস্থান , বিয়ের প্রলোভনে রুমে এনে নিরিবিলি অবস্থান , সবাইকে দ্বিতীয় স্ত্রী পরিচয় দেওয়া ইত্যাদি), তা ১০০% সঠিক।
(২) নতুন করে এক রোহিঙ্গা মেয়ে এবার তার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। নাম হলো মেহের আফরিন।
আফরিনের সঙ্গে প্রেম হয় ফেসবুকে। এরপর এই বক্তা তাকে প্রলোভন দেখায় যে, তাকে বাংলাদেশের আইডি কার্ড বানিয়ে দেবে এবং পাসপোর্ট করে বিদেশে নিয়ে যাবে।
অবশ্য এই রোহিঙ্গা মেয়েকে একটা আইডি কার্ড বানিয়েও দেয় সে। ক্যাম্প থেকে বের হয়ে আসতে বলে। ওই মেয়ে বের হয়েও আসে।
আসার পর থেকে তার সঙ্গেও বহুবার সে*ক্স করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে। একটা পর্যায়ে গিয়ে এই রোহিঙ্গা মেয়ে প্রেগন্যান্ট হয়ে যায়। এবং বক্তা মিসবাহ জোর করে অ্যাবরশন করায়।
রোহিঙ্গা মেয়ে মেহের আফরিনকেও বলেছিল, তাকে দ্বিতীয় স্ত্রী বানাবে। কিছুদিন তার সঙ্গে থাকার পরে রোহিঙ্গা নারী মেহের আফরিনও জানতে পারে, বক্তা মিসবাহ আসলে ১০টা বিয়ে করেছে। সে হলো ষষ্ঠ স্ত্রী।
(৩) হুমায়রা জান্নাত নামে তার আরেক বউ আবার তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ২০২০ সালে বিয়ে করেছিল সেই নারীকে। এরপর থেকে পরকীয়াসহ নানাবিধ কুকর্মে জড়িত হলে সেই মহিলা প্রতিবাদ করে। তখন তাকে মারধর করে। তার ওই ঘরে নাকি ছেলেও আছে।
অবশ্য হুমায়রা মামলা করতে যায় যাত্রাবাড়ী থানায়, কিন্তু তার মামলা নেয় না। পরবর্তীতে সে আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালত মামলা নেয়।
তাকে বিয়ে করেছে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে। আরও যে অনেক স্ত্রী আছে বা বিয়ে করেছে, সেসব সে গোপন রাখে।
এতগুলো স্ত্রী থাকা অবস্থায়ও অন্য নারীদের সঙ্গে নাকি সে পরকীয়া করত। ঢাকায় তার বাসায় নাকি বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন নারীদের নিয়ে যেত।
সাধারণ বক্তা ও সেলিব্রেটি হওয়ার কারণে অনেকেই তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
লেখা সংগ্রহ