মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ছুবহে ছাদিকের সময় বরকতময় তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন। তাই, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘বার’। আর ছুবহে ছাদিক হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘সময়’।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে-
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক নিসবতপ্রাপ্ত প্রতিটি সময়, বার, মাস ব্যাপকভাবে পালনে সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে এ সম্পর্কিত আলোচনা মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা।
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ইনশিরাহ শরীফ উনার ৪নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমি আপনার আলোচনা মুবারক বুলন্দ হতে বুলন্দতর করেছি।” সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক নিসবতপ্রাপ্ত প্রতিটি বিষয়ই কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক ফযীলতপ্রাপ্ত এবং বরকতময় ও সর্বোচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বুলূগুল আমানী মিন আসরারিল ফাত্হির রব্বানী কিতাবের ২০তম খ- ১৮৯ পৃষ্ঠায় এবং আছ ছিহ্হাহ ওয়াল মাশাহীর কিতাবের ১ম খ- ২৬৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, “বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির ইবনে ‘আব্দুল্লাহ আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু এবং হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাদের উভয়ের থেকে বর্ণিত। উনারা বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ‘আমুল ফীল (হস্তীর বছর) মহাসম্মানিত ১২ই রবী‘উল আউওয়াল শরীফ ইয়াওমুল ইছনাইনিল ‘আযীম (সোমবার) মহাসম্মানিত বরকতময় তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন।” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু মহাসম্মানিত ১২ই রবী‘উল আউওয়াল শরীফে মহাসম্মানিত বরকতময় নূরুত তাশরীফ মুবারক প্রকাশ করেছেন, সেহেতু উনার পবিত্র তাশরীফ মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত মাস পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ সর্বশেষ্ঠ মাস। এ জন্য পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ উনাকে সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম শরীফ হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু ইয়াওমুল ইছনাইনিল ‘আযীম মহাসম্মানিত নূরুত তাশরীফ মুবারক প্রকাশ করেছেন, সেহেতু এই মহাসম্মানিত বার ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘বার’। এ জন্য ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম উনাকে ‘সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ’ হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু মহাসম্মানিত ১২ই শরীফে মহাসম্মানিত বরকতময় তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন, সেহেতু উনার পবিত্র তাশরীফ মুবারক প্রকাশের তারিখ মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ সংখ্যা এবং সর্বশ্রেষ্ঠ তারিখ। এ জন্য মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ উনাকে ‘সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ’ হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু ছুবহে ছাদিকের সময় বরকতময় নূরুত তাশরীফ মুবারক প্রকাশ করেছেন, সেহেতু উক্ত সময় ছুবহে ছাদিক কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘সময়’। এ জন্য ছুবহে ছাদিক উনাকে ‘সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওকাত শরীফ’ হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, তাই পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- প্রতিদিন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা ছুবহে ছাদিক এবং প্রতি সপ্তাহে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ ও তাবারুক বিতরণের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে পালন করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক নিসবতপ্রাপ্ত প্রতিটি সময়, বার, মাস ব্যাপকভাবে পালনে সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে এ সম্পর্কিত আলোচনা মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা।
-০-