✳️নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই উনার শান মুবারক সম্পর্কে চূঁ—চেরা ও ক্বীলও ক্বাল করার কারণে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন (৪৬)
হযরত সুলতান নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার নিকট উপনীত হয়ে সৈন্য—সামন্তসহ ওযূ করে দুই রাকাত নফল নামায আদায় করে দীর্ঘ সময় ধরে দোআ—মুনাজাত করলেন। অতঃপর সমস্ত সৈন্য দ্বারা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনাকে ঘেরাও করে ফেললেন এবং শাহী ফরমান জারী করে দিলেন যে— হযরত সুলতান নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অত্যন্ত নেক নিয়তে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার অধিবাসী উনাদেরকে মেহমানদারী করানোর ইচ্ছা পোষণ করেছেন। উনার এই মেহমানদারীতে কোনো লোক যেন বাদ না যায় সেটাও সবাইকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। আরো জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, বহিরাগত লোক মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আসতে পারবেন; কিন্তু মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ থেকে কোনো লোক বাইরে যেতে পারবে না; যতক্ষণ পর্যন্ত হযরত সুলতান নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দ্বিতীয় ফরমান জারী না হবে। হযরত সুলতান নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র জুমুআহ্ শরীফ উনার দিন খুতবা প্রদান করলেন এবং ঘোষণা করলেন, ‘আমি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার অধিবাসী উনাদেরকে মেহমানদারী করানোর ইচ্ছা করেছি। আমার ইচ্ছা— কেউ যেন এই মেহমানদারীতে অংশ গ্রহণ করতে বাদ না থাকেন।’
তিনি কয়েক হাজার ভেড়া, দুম্বা, উট যবেহ করে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ এবং পার্শ্ববর্তী দূর—দূরান্তের সর্বশ্রেণীর লোকদেরকে দাওয়াত দিয়ে তৃপ্তিসহকারে খাদ্য খাওয়ালেন এবং প্রত্যেকের নিকট অনুরোধ রাখলেন যে, ‘মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার কোনো লোক যেন এই মেহমানদারীতে অংশ গ্রহণ করতে বাদ না থাকেন।’