✳️নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই উনার শান মুবারক সম্পর্কে চূঁ—চেরা ও ক্বীলও ক্বাল করার কারণে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন (৪৪)
(১৮)
আরেক মিথ্যাবাদীর মৃত্যুদণ্ড
হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘খছাইছুল কুবরার’ মধ্যে লিখেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْحَارِثِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّ جَدْجَدَ الْجُنْدَعِىَّ اَتَى الْيَمَنَ فَعَشِقَ فِيْهِمُ امْرَاَةً فَقَالَ اِنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُركُمْ اَنْ تُبْعَثُوْا اِلَىَّ بِفَتَاتِكُمْ فَقَالُوْا عَهِدْنَا بِرَسُوْلِ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ يُحَرِّمُ الزِّنَا ثُمَّ بَعَثُوْا اِلَى النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلًا فَبَعَثَ حَضْرَتْ عَلِيًّا عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَالَ اِئْتِهٖ فَاِنْ وَافَقْتَهٗ حَيًّا فَاقْتُلْهٗ وَاِنْ وَجَدْتَّهٗ مَيِّتًا فَاَحْرِقْهٗ بِالنَّارِ فَخَرَجَ جَدْجَدُ مِنَ اللَّيْلِ يَسْتَقِىْ مِنَ الْمَاءِ فَلَدَغَتْهٗ اَفْعٰى فَقَتَلَتْهُ
“হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে হারিছ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন,) নিশ্চয়ই ‘জাদজাদ জুন্দাঈ’ নামক এক নিকৃষ্ট লোক ইয়েমেনে এসে সেখানে একজন মহিলার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। তখন সে বলে, ‘নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আপনাদেরকে সম্মানিত নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন যেন আপনারা আপনাদের ঐ মেয়েকে আমার নিকট পাঠান।’ তখন উনারা বললেন, ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আমরা এভাবে ওয়াদাবদ্ধ হয়েছি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ব্যভিচার হারাম ঘোষণা করেছেন।’ এরপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট উনারা একজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে পাঠালেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে পাঠিয়ে ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘তার নিকট যান। যদি আপনি তাকে জীবিত পান, তাহলে তাকে হত্যা করবেন, শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিবেন। আর যদি আপনি তাকে মৃত পান, তাহলে তাকে আগুনে পুড়িয়ে দিবেন।’ রাতে ‘জাদজাদ’ নামক নিকৃষ্ট লোকটি পানি আনতে বের হলে একটি বিষাক্ত সাপ তাকে দংশন করে হত্যা করে ফেলে। অর্থাৎ কুদরতীভাবে তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। ” সুবহানাল্লাহ! (খ¦ছাইছুল কুবারা ২/১২১)