🌹মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৬৩)
(মুহম্মদ আবুল ফাত্হ বায়ানূনী তিনি বলেন,) দাদা ঐ ব্যক্তির কথা শুনে আশ্চর্য হয়ে পোশাক পরিধান করে সংঘটিত বিষয় সম্পর্কে ব্যাখ্যা চাওয়ার জন্য দ্রুত বের হয়ে ঐ ব্যক্তির নিকট আসলেন এবং (উনাকে নিয়ে ঘরে) ফিরে এসে উনার পরিচয় জানতে চাইলেন। ঐ ব্যক্তি পরিচয় দিলেন যে, তিনি হালবের একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ী। (দাদা) আশ্চর্য হয়ে ঐ ব্যক্তি যা করেছেন সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন ঐ ব্যক্তি দাদাকে বললেন, ‘হে শায়খ! মহান আল্লাহ পাক উনার ক্বসম! এই রাত্র ব্যতীত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আমি আমার জীবনে কখনো স্বপ্নে দেখিনি। আমি (আজ রাতে) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে স্বপ্নে দেখেছি যে, তিনি আমাকে অত্যন্ত কঠিনভাবে তিরস্কার করে বলছেন, ‘হে ব্যক্তি! তুমি কিভাবে তোমার বাড়িতে ঘুমাতে পারো? অথচ শায়খ ঈসা বায়ানূনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কান্না করছেন, ঘুমাতে পারছেন না। কেননা উনার অভ্যাস অনুযায়ী তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ) মাসে যে মাহফিল মুবারক করতেন তাতে খরচ করার জন্য কোনো কিছু পাচ্ছেন না।’ ঐ ব্যক্তি বলেন, অতঃপর আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে স্বপ্নে দেখে সৌভাগ্যবান হিসেবে ঘুম থেকে জাগ্রত হই। আমি পুনরায় ঘুমাতে সক্ষম হইনি। এরপর আমি আমার এক প্রতিবেশীকে জাগ্রত করলাম যার নিকট ভারবাহী পশু ছিলো। আমি তাকে নিয়ে আমার ব্যবসাকেন্দ্রে গিয়ে যা প্রস্তুত করতে পেরেছি, তা আপনার জন্য নিয়ে এসেছি। এই সম্মানিত স্বপ্ন মুবারক দ্বারা দাদা প্রভাবিত হলেন। এই স্বপ্ন মুবারক উনার দীর্ঘ দিন ধরে বহন করা দুঃখ—কষ্টকে দূর করে দিলো। সুবহানাল্লাহ! এই স্বপ্ন মুবারক উনার কারণে তিনি অত্যন্ত খুশি হলেন। আর তিনি উনার অভ্যাস অনুযায়ী মাওলিদ শরীফ উনার রাতে অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ উনার রাতে খাদ্য প্রস্তুত করে বিশেষ মাহফিল মুবারক উনার ইন্তিজাম করেন। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র
মদীনা শরীফ—এ উনার বিছাল শরীফ পর্যন্ত তিনি মাওলিদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার রাতে ওলীমাহ্ বা মেহমানদারির ব্যবস্থা করার বিষয়ে ইস্তিকামত থাকেন। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জান্নাতুল বাক্বী শরীফ—এ উনার দাফন সম্পন্ন করা হয়।” সুবহানাল্লাহ!