🌹মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৬২)
‘উনার আদত প্রতি বছর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে বিশেষভাবে খাবারের ব্যবস্থা করে মুহিব্বীন—আশিকীন, ধনি—গরীব সবাইকে মেহমানদারী করার মাধ্যমে মাহফিল মুবারক করা এবং খুশি মুবারক প্রকাশ করা’ উনার অনীচ্ছা সত্ত্বেও উনার এই আদত মুবারক এবং খুশি মুবারক প্রকাশের বিষয়টি এ বছর পরিবর্তন হতে যাচ্ছে অর্থাৎ এ বছর তা করা যাচ্ছে না বিধায়, অনেক বড় চিন্তা এবং কঠিন দুঃখ, কষ্ট, বিষণ্ণতা উনাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। উপলক্ষ অর্থাৎ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক উনার সময় যতোই নিকটবর্তী হচ্ছিলেন, ততোই তিনি বাচ্চা শিশুর মতো কান্না করছিলেন। এমনকি উনার শরীরে (চেহারায়) চিন্তার ছাপ ব্যাপকভাবে প্রকাশ পাচ্ছিলেন; যেমনটি আমার সম্মানিত পিতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। কিন্তু (জাময়্যিাতুল মাওলিদ সংগঠনের সদস্যগণ) উনারাও উনাকে আর্থিকভাবে সহযোগীতা করতে সক্ষম ছিলেন না। দুঃখ, কষ্ট, বিষণ্ণতা উনার চারপাশের সবাইকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। মাহফিল মুবারক উনার নির্দিষ্ট সময়ের দুই অথবা তিন দিন পূর্বে গভীর রাতে জুবাইলার ‘মসজিদে আবী যর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু’ উনার যেই বাড়িতে তিনি থাকতেন সেই বাড়ির দরজার কড়ায় নাড়া পড়লো। দরজা খোলার জন্য উনার একজন ছেলে বের হলেন। তখন উনাকে এক ব্যক্তি অবাক করলেন, যাঁর সাথে বিভিন্ন ধরণের খাদ্য—দ্রব্যসহ একটি পশু ছিলো। ঐ ব্যক্তি খাদ্য—দ্রব্য নামাতে নামাতে বলছিলেন, এটা হযরত শায়খ ঈসা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জন্য।