🌹মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৫৩)
অর্থাৎ যুবকটি সূফী—দরবেশ, ওলীআল্লাহ উনাদেরকে একত্রিত করে সকলে মিলে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির—আযকার, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত এবং মাওলিদ শরীফ বা মীলাদ শরীফ পাঠ করার মাধ্যমে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করলেন। সুবহানাল্লাহ! আর তিনি যা স্বপ্নে দেখেছেন সেটা উনাদের নিকট বর্ণনা করলেন। তখন উনারা সেটা শুনে খুশি প্রকাশ করলেন এবং প্রতিজ্ঞা করলেন যে, যত দিন জীবিত থাকবেন, তত দিন মাওলিদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করবেন, কখনও বন্ধ করবেন না। সুবহানাল্লাহ! তারপর ছেলেটি ঘুমিয়ে গেলেন। তখন তিনি স্বপ্নে উনার সম্মানিতা মাতা উনাকে অত্যন্ত সুন্দর আকৃতীতে সম্মানিত জান্নাতী পোষাক পরিহিত অবস্থায় দেখেন। সুবহানাল্লাহ! উনার থেকে সম্মানিত জান্নাতী সুঘ্রাণ ছড়াচ্ছেন। ঐ ছেলেটি উনার সম্মানিতা মাতা উনার হাতে বুছা দিলেন আর উনার সম্মানিতা মাতা তিনি উনার কপালে বুছা দিলেন এবং বললেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন! হে আমার প্রিয় সন্তান! আমার নিকট একজন হযরত ফেরেশতা আলাইহিস সালাম তিনি এসে এ সকল সম্মানিত জান্নাতী পোষাক মুবারকসমূহ আমাকে দিয়েছেন।’ সুবহানাল্লাহ! তখন সেই ছেলে তিনি উনার সম্মানিতা মাতা উনাকে বললেন, ‘এই সম্মান—মর্যাদা আপনার জন্য কোথা থেকে আসলো? অর্থাৎ আপনি কি কারণে এই সম্মান—মর্যাদা—মর্তবা মুবারক লাভ করলেন?’ তিনি বললেন, ‘আপনি আমার পক্ষ থেকে ওয়ারিসস্বত্ত হিসেবে যেই দীনারটি পেয়েছিলেন, সেটা দিয়ে আপনি মাওলিদু সাইয়্যিদিল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন বা মাওলিদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন। যার ফলে আমি এই সম্মান—মর্যাদা—মর্তবা মুবারক লাভ করেছি। সুবহানাল্লাহ! আর যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মান করেন এবং মাওলিদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেন, এটাই হচ্ছেন উনার প্রতিদান’।” সুবহানাল্লাহ! (তারগীবুল মুশতাক্বীন ৪র্থ পৃষ্ঠা, মীযানুল ই’তিদাল ফী বায়ানি হাক্কি ওয়াদ্ দ্বলাল, তারগীবুল মু’মিনীন)