💥দায়েমী যিকির-আযকারের ফাযায়িল-ফযীলত!💥
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-⭐
فَاذْكُرُوا اللَّـهَ قِيَامًا وَقُعُودًا وَعَلَىٰ جُنُوبِكُمْ
অর্থঃ তোমরা দাঁড়ানো, বসা, শোয়া সর্ববস্থায় মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করো। (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৩)🌹
এখন আমরা দাঁড়িয়ে, বসে শুয়ে এই তিন অবস্থার যে কোন অবস্থায় থাকি, দাঁড়িয়ে থাকলেও আমাদের শ্বাস চলে, বসে থাকলেও চলে, শুয়ে থাকলেও চলে। আর এই যিকিরটা করতে হবে শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে। শ্বাস ফেলার সময় মনে মনে খেয়াল করতে হবে “লা ইলাহা” এ যিকির করার সময় খেয়াল করতে হবে অন্তর থেকে দুনিয়ার মুহব্বত বের হচ্ছে। আর শ্বাস টানার সময় খেয়াল করতে হবে “ইল্লাল্লাহ” এবং এ যিকির করার সময় খেয়াল করতে হবে, অন্তরে মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত প্রবেশ করছে। আর এই যিকিরটাই হচ্ছে সর্বোত্তম যিকির। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে, সর্বোত্তম যিকির “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”
এই যিকিরের অনেক ফযীলত রয়েছে:💥
১। বান্দার গুনাহখাতা ক্ষমা হয়।
২। রিযিকে বরকত হয়।
৩। বালা মুছিবত দূর হয়ে যায়।
৪। মৃত্যুর সময় ঈমান নছীব হয়।
৫। স্মরণশক্তি বৃদ্ধি হয়।
৬। সম্পূর্ণ রিয়াবিহীন ইবাদত হয়।
৭। মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে নিছবত মুহব্বত পয়দা হয়।
৮। দুনিয়ার মুহব্বত দূর হয়ে যায়।
৯। ঈমানী শক্তি বৃদ্ধি পায়।
১০। নেক কাজ বৃদ্ধি পায়।
মহান আল্লাহ পাক! আমাদেরকে দায়েমী ভাবে যিকির করার তওফীক্ব দান করুন। আমীন!
ফাসতাবিকুল খায়রাতঃ فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ