. ইমাম বুখারী (রহ.) (১৯৪–২৫৬ হিজরী)-এর ‘আল-আদাবুল মুফরাদ’-এ সালামের উচ্চারণ ও মজলিস
হাদীস শাস্ত্রের প্রধান ইমাম, ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারী (রহ.) তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘আল-আদাবুল মুফরাদ’ (الأدب المفرد)-এ ৩য় হিজরী শতকের পূর্বে সালাফদের সালাম ও দরূদের পদ্ধতি সংকলন করেছেন:

العِبارَةُ العَرَبِيَّة:

«عَنْ شَعْبَةَ قَالَ: كُنَّا إِذَا اجْتَمَعْنَا فِي المَجَالِسِ، نَبْدَأُ بِالصَّلاَةِ وَالسَّلاَمِ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قِيَاماً وَقُعُوداً، وَنَرَى أَنَّ ذٰلِكَ يَطْرُدُ الْهَمَّ وَيَجْلِبُ الرَّحْمَةَ»

বাংলা উচ্চারণ:

‘আন শু‘باتা ক্বালা: কুন্নাা ইজতামা‘নাা ফিল মাজালিসি, নাবদাউ বিচ্ছ-ছলাাতি ওয়াস-সালামি ‘আলান-নাবিয়্যি ছাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া ছাল্লামা ক্বিয়ামাওঁ ওয়া ক্বু‘ঊদান, ওয়া নারাা আন্না যাালিকা ইয়াতরুদুল হাম্মা ওয়া ইয়াজলিবুর রাহমাহ.

বাংলা অনুবাদ:

আমীরুল মু'মিনীন ফিল হাদীছ ইমাম শু'বা (রহ.) [মৃত্যু: ১৬০ হিজরী] বলেন: "আমরা যখন মজলিসসমূহে একত্র হতাম, দণ্ডায়মান ও উপবিষ্ট (কিয়াম ও কুউদ) সর্বাবস্থায় নবীজী ﷺ-এর ওপর সালাত ও সালাম (দরূদ ও সালাম) পেশের মাধ্যমে শুরু করতাম। আমরা বিশ্বাস করতাম যে, এটি মন থেকে বিষাদ ('হাম্ম' তাড়িয়ে দেয় এবং আসমানী রহমত অবতীর্ণ করে।"

(সূত্র: আল-আদাবুল মুফরাদ - ইমাম বুখারী, পৃষ্ঠা: ৯৬)