✳️নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই উনার শান মুবারক সম্পর্কে চূঁ—চেরা ও ক্বীলও ক্বাল করার কারণে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন (২৮)
অন্য বর্ণনায় রয়েছে,
يَا كَذَّابُ اَيْنَ تَفِرُّ فَحَمَلَ عَلَيْهِ فَطَعَنَهُ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِىْ جَيْبِ الدِّرْعِ فَجُرِحَ جَرْحًا خَفِيْفًا فَوَقَعَ يَخُوْرُ خُوَارَ الثَّوْرِ فَاحْتَمَلُوْهُ وَقَالُوْا لَيْسَ بِكَ جِرَاحَةٌ فَمَا يُجْزِعُكَ قَالَ اَلَيْسَ قَالَ لَاَقْتُلَنَّكَ لَوْ كَانَتْ تَجْتَمِعُ رَبِيْعَةُ وَمُضَرُ لِقَتْلِهِمْ فَلَمْ يَلْبَثْ اِلَّا يَوْمًا اَوْ بَعْضَ يَوْمٍ حَتّٰى مَاتَ مِنْ ذٰلِكَ الْجُرْحِ
“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, ‘হে মিথ্যাবাদী! তুই এখন কোথায় পালাবি? তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাকে আক্রমণ করে তার লৌহ বর্মের ফাঁকে আঘাত করলেন। সে খুবই সামান্য আঘাতপ্রাপ্ত হলো। কিন্তু (ব্যথায় জর্জরিত হয়ে) সে ষাঁড় গরুর মত চিৎকার দিতে লাগলো। তার সঙ্গীরা তাকে তুলে নিয়ে গেলো। আর তারা বললো, ‘তোর শরীরে তো তেমন কোনো আঘাত নেই, তাহলে কিসে তোকে এত অস্থির করে তুললো?’ সে বললো, ‘নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কি ইরশাদ মুবারক করেননি যে, ‘অবশ্যই আমিই তোকে মৃত্যুদণ্ড দিবো?’ যদি রাবীআহ্ ও মুদ্বার উভয় গোত্র তাদের যোদ্ধাদের নিয়ে একত্রিত হতো, তাহলে ঐ সামান্য আঘাতের পরিণতিতে একদিন কিংবা তারও কম সময়ের ব্যবধানে তাদের প্রত্যেকেই মারা যেতো।’ (তারীখে ত্ববারী, আল বিদায়াহ্ ওয়ান নিহায়াহ্)