নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই উনার শান মুবারক সম্পর্কে চূঁ—চেরা ও ক্বীলও ক্বাল করার কারণে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন (৩৭)
(১১)
ইবনে খতালের দাসীর মৃত্যুদণ্ড
এই সম্পর্কে ‘শিফা শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে,
وَكَذٰلِكَ اَمْرُهٗ يَوْمَ الْفَتْحِ بِقَتْلِ ابْنِ خَطَلٍ وَجَارِيَتَيْهِ اللَّتَيْنِ كَانَتَا تُغَنِّيَانِ بِسَبِّهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
“অনুরূপভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন ইবনে খতাল ও তার দুই দাসীকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেয়ার জন্য সম্মানিত নির্দেশ মুবারক দেন, কারণ তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারক উনার খেলাফ ব্যঙ্গ—বিদ্রƒপ করে কবিতা আবৃত্তি করতো।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (আশ শিফা ২/২২১)
যখন ইবনে খতালকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়, তখন তার সাথে তার এক দাসীকে পাওয়া যায়, তার সাথে তার উক্ত দাসীকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। (নাসীমুর রিয়াদ্ব, ইবনে সাইয়্যিদিন নাস)