নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই উনার শান মুবারক সম্পর্কে চূঁ—চেরা ও ক্বীলও ক্বাল করার কারণে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন (৩২)
এই সময় সে তার উপর তলার কামরায় অবস্থান করতো। প্রতিদিনের ন্যায় যখন ঐ দিনও গল্পের আসর শেষে আসরে আগত লোকজন চলে গেলো,
صَعِدْتُّ اِلَيْهِ فَجَعَلْتُ كُلَّمَا فَتَحْتُ بَابًا اَغْلَقْتُ عَلَىَّ مِنْ دَاخِلٍ قُلْتُ اِنِ الْقَوْمُ نَذِرُوْا بِىْ لَمْ يَخْلُصُوْا اِلَىَّ حَتّٰى اَقْتُلَهٗ فَانْتَهَيْتُ اِلَيْهِ فَاِذَا هُوَ فِىْ بَيْتٍ مُظْلِمٍ وَسْطَ عِيَالِهٖ لَا اَدْرِىْ اَيْنَ هُوَ مِنَ الْبَيْتِ فَقُلْتُ يَا اَبَا رَافِعٍ قَالَ مَنْ هٰذَا فَاَهْوَيْتُ نَحْوَ الصَّوْتِ فَاَضْرِبُهٗ ضَرْبَةً بِالسَّيْفِ وَاَنَا دَهِشٌ فَمَا اَغْنَيْتُ شَيْئًا وَصَاحَ فَخَرَجْتُ مِنَ الْبَيْتِ فَاَمْكُثُ غَيْرَ بَعِيْدٍ ثُمَّ دَخَلْتُ اِلَيْهِ فَقُلْتُ مَا هٰذَا الصَّوْتُ يَا اَبَا رَافِعٍ فَقَالَ لِاُمِّكَ الْوَيْلُ اِنَّ رَجُلًا فِى الْبَيْتِ ضَرَبَنِىْ قَبْلُ بِالسَّيْفِ قَالَ فَاَضْرِبُهٗ ضَرْبَةً اَثْخَنَتْهُ وَلَمْ اَقْتُلْهُ ثُمَّ وَضَعْتُ ظِبَةَ السَّيْفِ فِىْ بَطْنِهٖ حَتّٰى اَخَذَ فِىْ ظَهْرِهٖ فَعَرَفْتُ اَنِّىْ قَتَلْتُهٗ
‘তখন আমি সিঁড়ি বেয়ে তার কাছে গিয়ে পেঁৗছলাম। এই সময় আমি একটি করে দরজা খুলছিলাম এবং ভিতর থেকে তা আবার বন্ধ করে দিয়ে যাচ্ছিলাম। এই মনে করে যে, গোত্রের লোকজন আমার (আগমন) সম্বন্ধে জানতে পারলেও, তাকে শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড না দেয়া পর্যন্ত যেন তারা আমার নিকট পেঁৗছতে না পারে। সুবহানাল্লাহ! আমি তার কাছে গিয়ে পেঁৗছলাম। এই সময় সে একটি অন্ধকার কক্ষে পরিবার—পরিজনের মাঝখানে শুয়েছিলো। কক্ষের কোন্ অংশে সে শুয়ে আছে আমি তা বুঝতে পারছিলাম না। তাই, আমি ‘হে আবূ রফে!’ বলে ডাক দিলাম। সে বললো, এটা কে? (কে আমাকে ডাকছো?) আমি তখন আওয়াজটি লক্ষ্য করে এগিয়ে গিয়ে তরবারি দ্বারা প্রচণ্ড জোরে তাকে আঘাত করলাম। তখন আমি বিস্মিত হলাম। এই আঘাতে আমি কোনো ফলাফল পেলাম না, তাকে কিছুই করতে পারলাম না। সে চিৎকার করে উঠলো। তখন আমি কিছুক্ষণের জন্য কক্ষ থেকে বের হয়ে একটু নিকটেই অবস্থান নিলাম। এরপর পুনরায় ঘরে প্রবেশ করে (কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করতঃ তার আপন লোকের ন্যায়) জিজ্ঞাসা করলাম, ‘হে আবূ রফে এই আওয়াজ হলো কিসের? সে বললো, ‘তোমার মায়ের সর্বনাশ হোক! নিশ্চয়ই কিছুক্ষণ পূর্বে কক্ষের ভিতর কে যেন আমাকে তরবারি দ্বারা আঘাত করেছে।’ হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আতীক রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন, তখন আমি আবার তাকে কঠিনভাবে আঘাত করলাম যা তাকে মারাত্মকভাবে ক্ষত—বিক্ষত করেছে; কিন্তু তাকে হত্যা করতে পারিনি।
ثُمَّ وَضَعْتُ ظِبَةَ السَّيْفِ فِـىْ بَطْنِهٖ حَتّٰـى اَخَذَ فِـىْ ظَهْرِهٖ فَعَرَفْتُ اَنِّـىْ قَتَلْتُهٗ
‘তারপর আমি তরবারির ধারালো দিকটি তার পেটের উপর চেপে ধরলাম; এমনকি সেটা তার পিঠ পর্যন্ত স্পর্শ করলো। তখন আমি নিশ্চিতরূপে অনুভব করলাম যে, এখন আমি তাকে হত্যা করতে পেরেছি, শরঈ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিতে সক্ষম হয়েছি।’ সুবহানাল্লাহ!