হাদীস শরীফ: "আমার আদেশ ও নিষেধ কুরআনের অনুরূপ বরং তার চেয়েও বেশি"
তখন মানুষ বাজারে কত কিছু করে। হালাল হারাম একাকার করে। অনেকে ফরজ ওয়াজিবও তরক করে। সুন্নত মুবারক তরক করেই, তার গুরুত্বই... সুন্নত মনে করে যে কি নাউযুবিল্লাহ! এরা যে বুঝেই না এটা। এরা যে সুন্নত মুবারকের গুরুত্ব এটা বুঝে নাই। কারণ হাদীস শরীফে তো অনেক হাদীস শরীফ আছে।
একটা হাদীস শরীফে বলা হচ্ছে না—'আলা ইন্নী উতীতুল কুরআনা ওয়া মিছলাহূ মা'আহু' নিশ্চয় আমাকে কালামুল্লাহ শরীফ দেওয়া হয়েছে তার অনুরূপ দেওয়া হয়েছে। আবার বলা হচ্ছে—'আলা ইন্নী ওয়াল্লাহি ক্বাদ আমারতু ওয়া ওয়া'আজতু ওয়া নাহাইতু আন আশয়া-আ ইন্নাহা লা মিছলুল কুরআনি আও আকছারু।' সাবধান হয়ে যাও, আল্লাহর কসম নিশ্চয় আমি যা বলি, আদেশ করি, যা ওয়াজ করি এবং নিষেধ করি এটা হচ্ছে কুরআন শরীফ উনার অনুরূপ বরং তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবহানাল্লাহি ওয়া সাল্লাম।
কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে না মানলে কোনোকিছু মানা যাবে না। আল্লাহ পাক উনাকে মানা যাবে না। উনাকে মানাটাই প্রথম গুরুত্বপূর্ণ। এটা প্রথম ফরযে আইন। যে সার্বিকভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আগে মানতে হবে, এটা ফরযে আইন। তারপর আল্লাহ পাককে মানবে।
আবু জাহেল, আবু লাহাব, ইহুদী, নাসারারা আল্লাহ পাক উনাকে মানে, কই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মানে নাই এজন্য কাফের হয়ে গেছে। তো আল্লাহ পাককে তো মানেই, তো কাফের হইলো কেন? উনাকে মানা তো ফরজ। উনাকে না মানলে সে তো কাফের হবে। কাজেই আগে উনারটা গুরুত্ব দিতে হবে।
আর আল্লাহ পাক আমাদের কাছে পৌঁছান নাই কোনো জিনিস। আমাদের কাছে পৌঁছাইছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি। উনি বলছেন এটা কুরআন শরীফ আমরা বিশ্বাস করছি, ওহী মুবারক বিশ্বাস করছি। এটা ইত্যাদি ইত্যাদি আমরা বিশ্বাস করছি। আল্লাহ পাক তো এসে বলেন নাই। তাহলে আগে তো উনাকে বিশ্বাস করতে হবে। তখন যেয়ে আমি আল্লাহ পাককে বিশ্বাস করব, নাহলে আল্লাহ পাক পাব কোত্থেকে? আগে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বিশ্বাস করতে হবে, তখন আল্লাহ পাক উনাকে বিশ্বাস করা যায়, এছাড়া কোনদিন বিশ্বাস করা যাবে না। এই যে মানুষ তো এই জিনিসটাই বুঝে না।