🌹মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মানহানীকারীদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড (৮)
[১৪৪২ হিজরী শরীফ-এ প্রকাশিত কিতাব থেকে]
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ব্যাঙ্গচিত্রকারী এবং মানহানীকারীর শরঈ ফায়ছালা
সুওয়াল: আমাদের দেশে ও সারা পৃথিবীতে অনলাইন—অফলাইন, বিভিন্ন পত্র—পত্রিকা, বই—পুস্তুক, কিতাবাদী, কার্টুন এবং বিভিন্ন অশ্লীল নাটক—সিনেমার মাধ্যমে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মানহানী করা হচ্ছে এবং উনাদের বিরুদ্ধে নানা ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! যারা এই জঘন্যতম সর্বনিকৃষ্ট কাজ করে যাচ্ছে এবং যারা এই জঘন্যতম সর্বনিকৃষ্ট কাজের সাথে জড়িত, তাদের ব্যাপারে সম্মানিত ও পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার ফায়ছালা কী? দয়া করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
জাওয়াব: সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম অর্থাৎ সম্মানিত ও পবিত্র শরীয়ত উনার ফতওয়া হচ্ছেন, যারা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ব্যাঙ্গচিত্র করবে, উনাদের মানহানী করবে, সেটা সরাসরি হোক বা ইশারা ইঙ্গিতেই হোক, স্বাভাবিক অবস্থায় হোক অথবা মাতাল বা নেশাগ্রস্থ অবস্থায় হোক অর্থাৎ যেকোনো অবস্থায়ই হোক না কেনো এবং যারা এর সাথে জড়িত থাকবে, সেটা সরাসরি হোক, অর্থ—কড়ি, টাকা—পয়সা দিয়ে হোক, বুদ্ধি দিয়ে হোক অর্থাৎ যেকোন উপায়ে হোক না কেনো, অবশ্যই অবশ্যই তাদের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তারা নামধারী মুসলমান হোক বা কাফির হোক অথবা নাস্তিক হোক কিংবা যেকোনো ধর্মেরই অনুসারী হোক না কেনো। তাদের তাওবা গ্রহণযোগ্য হবে না। এই মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পাওয়ার তাদের কোনো সুযোগ নেই এবং এই বিষয়ে কোনো প্রকার ওজর—আপত্তিও গ্রহণযোগ্য হবে না। শুধু তাই নয়, তাদেরকে শাস্তিস্বরূপ দৃষ্টান্তমূলকভাবে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। সম্মানিত শরীয়ত উনার অন্যান্য বিধান অমান্য করার কারণে যেরূপ কঠিন শাস্তি দেয়া হয়, তার চেয়ে আরো লক্ষ কোটি গুণ বেশি কঠিনভাবে যন্ত্রণাদায়ক ও লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। এমনকি যারা তাদেরকে সমর্থন করবে, তাদের ক্ষেত্রেও একই হুকুম অর্থাৎ তাদেরও একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সুবহানাল্লাহ!
নিম্নে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ এবং মহাসম্মানিত ইজমা’ শরীফ ও মহাসম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে দলীলভিত্তিক বিস্তারিত জাওয়াব প্রদান করা হলো—