🌹ফাদ্বায়িলে উম্মাহাতিল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম (৬৩)
[১৪৩৯ হিজরী সনে প্রকাশিত কিতাব থেকে]
সুতরাং সম্মানিত ও পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ উনার প্রথমোক্ত পাঁচখানা সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারক উনার খিলাফ কোনো কিছুই বলা হয়নি; বরং উল্টো উনাদের হাক্বীক্বী শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক এবং সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক উনার বিষয়টিই স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ! কিন্তু বাতিল ফিরক্বার লোকেরা এবং হক্ব দাবীদার ব্যক্তিরা যাদের আক্বল, বুদ্ধি, সমঝ, ইলম—কালাম, তায়াল্লুক্ব—নিসবতে ত্রুটি রয়েছে, তারা আলোচ্য সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের হাক্বীক্বতটা বুঝতে না পেরে এলোমেলো ব্যাখ্যা করেছে, ইসরাঈলী বর্ণনার কারণে তারা প্রতারিত হয়েছে। না‘ঊযুবিল্লাহ! তারা বলে থাকে যে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা নাকি পরস্পর হিংসা করেছেন। না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! না‘ঊযুবিল্লাহ! অথচ যে হিংসুক সে তো ঈমানদারই হতে পারে না। যেটা সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
اِنَّ الْـحَسَدَ يَاْكُلُ الْـحَسَنَاتِ كَمَا تَاْكُلُ النَّارُ الْـحَطَبَ
অর্থ: “নিশ্চয়ই হিংসা নেকীসমূহকে এভাবে বিনষ্ট করে দেয় যেভাবে আগুন লাকড়িকে জ্বালিয়ে দেয়।” না‘ঊযুবিল্লাহ!