🌹ফাদ্বায়িলে উম্মাহাতিল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম (৬১)
[১৪৩৯ হিজরী সনে প্রকাশিত কিতাব থেকে]
তাফসীর বা ব্যাখ্যা: এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে বলা হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যদি আপনাদেরকে তালাক্ব দেন অর্থাৎ আপনাদেরকে রুখসত দেয়ার ব্যবস্থা করেন, তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে আপনাদের থেকে উত্তম উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম পাল্টিয়ে দিবেন। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো তালাক্ব দেননি এবং উনাদেরকে পাল্টিয়েও দেয়া হয়নি। সুবহানাল্লাহ! এর মাধ্যমে এটাই প্রমাণ করে দেয়া হলো যে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের থেকে উত্তম কোনো মহিলা মহান আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে আর নেই। সুবহানাল্লাহ! আর এ কারণেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদেরকে তালাক্ব দেননি এবং উনাদেরকে পাল্টিয়েও দেয়া হয়নি। সুবহানাল্লাহ! সুতরাং হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক এক কথায় উনারা শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান—মান, ফাযায়িল—ফযীলত, বুযূর্গী—সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারিণী হচ্ছেন উনারা। সুবহানাল্লাহ! কাজেই, উনারা হচ্ছেন,
مُسْلِمٰتٍ مُّؤْمِنٰتٍ قٰنِتٰتٍ تٰٓئِبٰتٍ عٰبِدٰتٍ سٰٓئِحٰتٍ ثَيِّبٰتٍ وَّاَبْكَارًا.
এই সমস্ত সম্মানিত গুণ মুবারক সম্পন্না। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন,
مُسْلِمٰتٍ مُّؤْمِنٰتٍ قٰنِتٰتٍ تٰٓئِبٰتٍ عٰبِدٰتٍ سٰٓئِحٰتٍ ثَيِّبٰتٍ وَّاَبْكَارًا.
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আত্মসমর্পণকারিণী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিশ্বাসস্থাপনকারিণী, প্রত্যেকেই অত্যন্ত অনুগতা, প্রত্যেকেই তাওবাকারিণী, প্রত্যেকেই অত্যন্ত ইবাদাতকারিণী, প্রত্যেকেই অনেক রোযাদার, অনেকে অকুমারী এবং অনেকে কুমারী।” সুবহানাল্লাহ!