সাইয়্যিদাতু নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ্, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আত তাসি‘য়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক (৮)
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছেন,
وَاصْطَفَى عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ لِنَفْسِهِ مِنْهُمْ اُمَّ الْمُؤْمِنِيْنَ سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ اَلتَّاسِعَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ رَيْحَانَةَ بِنْتِ شَمْعُوْنَ عَلَيْهَا السَّلَامُ) وَكَانَتْ جَمِيْلَةٌ وَاَسْلَمَتْ فَاعْتَقَهَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَزَوَّجَهَا وَلَمْ تَزَلْ عِنْدَهٗ حَتَّى مَاتَتْ مُرْجِعَهُ
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজের জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আত তাসি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনাকে মনোনীত করেন, পছন্দ মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৌন্দর্য মুবারক উনার অধিকারিণী। সুবহানাল্লাহ! তিনি যখন আনুষ্ঠানিকভাবে (সম্মানিত ঈমান মুবারক প্রকাশ করেন,) সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলম গ্রহণ করেন, তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে মুক্ত করে দিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আযীমুশ শান নিসবতে ‘আযীম শরীফ—এ আবদ্ধ করেন। সুবহনাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অধীনে থাকা অবস্থায় তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তিনি কখনো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে পৃথক হন নি।” সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে হাক্কী ১১/৩২, তাফসীরে রূহুল বয়ান ৭/১২৫)