🌹সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি ‘আলাল ‘আলামীন, আফদ্বলুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক (১৭)
অপর বর্ণনায় রয়েছে,
عَنْ حضرت ابْنِ عَبَّاسٍ رضى الله تعالى عنه عَنْ ام المؤمنين سيدتنا حضرت الثامنة عليها السلام (سيدتنا حضرت جويرية بِنْتِ الْحَارِثِ عليها السلام) أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ عَلَيْهَا وَهِيَ فِي الْمَسْجِدِ تَدْعُو، ثُمَّ مَرَّ بِهَا قَرِيبًا مِنْ نِصْفِ النَّهَارِ، فَقَالَ لَهَا: ্রمَا زِلْتِ عَلَى حَالِكِ قَالَتْ: نَعَمْ، قَالَ: " أَلَا أُعَلِّمُكِ ـ يَعْنِي ـ كَلِمَاتٍ تَقُولِينَهُنَّ: سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ
অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ্ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদিন সকালে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছামিনাহ্ আলাইহাস সালাম উনার কাছ থেকে বের হন। তখন তিনি নামাযের স্থানে বসে সম্মানিত দো‘আ মুবারক পাঠ করছিলেন। সুবহানাল্লাহ! তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দ্বিপ্রহরের কাছাকাছি সময়ে এসে ইরশাদ মুবারক করেন, আমি আপনাকে যেই অবস্থায় রেখে গিয়েছি, আপনি কি এখনও সেই অবস্থায়ই আছেন? তিনি বলেন, হঁ্যা। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমি কি আপনাকে এমন কিছু বাক্য মুবারক তথা সম্মানিত দো‘আ মুবারক শিক্ষা দিবো না, যেগুলো আপনি পাঠ করবেন— (সেই সম্মানিত দো‘আ মুবারকসমূহ হচ্ছেন,)
سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ
‘সুব্হানাল্লহি ‘আদাদা খ¦ল্ক্বিহী, সুব্হানাল্লহি ‘আদাদা খ¦ল্ক্বিহী, সুব্হানাল্লহি ‘আদাদা খ¦ল্ক্বিহী, সুব্হানাল্লহি রিদ্বা নাফ্সিহী, সুব্হানাল্লহি রিদ্বা নাফ্সিহী, সুব্হানাল্লহি রিদ্বা নাফ্সিহী, সুব্হানাল্লহি যিনাতি ‘আরশিহী, সুব্হানাল্লহি যিনাতি ‘আরশিহী, সুব্হানাল্লহি যিনাতি ‘আরশিহী, সুব্হানাল্লহি মিদাদা কালিমাতিহী, সুব্হানাল্লহি মিদাদা কালিমাতিহী, সুব্হানাল্লহি মিদাদা কালিমাতিহী।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ, জামি‘উল আহাদীছ ইত্যাদি)