অকাট্য দলীলের ভিত্তিতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করার (দুনিয়ার যমীনে আগমন করার) তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবী‘উল আউওয়াল শরীফ (২৩)

[১৪৪১ হিজরী সনে প্রকাশিত কিতাব থেকে]
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবী‘উল আউওয়াল শরীফ ইয়াওমুল ইছনাইনিল ‘আযীম শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন’ এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কিতাব থেকে আরো কতিপয় দলীল
আল্লামা ইমাম হযরত আবূ ‘ঈসা মুহম্মদ ইবনে ‘ঈসা রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ: ২৭৯ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘তিরমিযী শরীফ’ (প্রকাশনা— বৈরুত, দারু ইহ্য়ায়িত তুরাসিল আরাবী) উনার মধ্যে এবং তক্বিউদ্দীন মুহম্মদ ইবনে আহমদ আল হুসাইনী আল মাক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ : ৮৩২ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আল ‘ইক্বদুছ ছামীন ফী তারীখিল বিলাদিল আমীন’ (প্রকাশনী: দারুল কুতুবুল ‘ইলমিয়্যাহ বয়রূত) উনার মধ্যে উল্লেখ করেন,
عَنْ حَضْرَتْ اَلْـمُطَّلِبِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ قَيْسِ بْنِ مَـخْرَمَةَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ اَبِيْهِ عَنْ جَدِّهٖ قَالَ وُلِدْتُّ اَنَا وَرَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْفِيْلِ وَسَاَلَ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ ذُو النُّوْرَيْنِ عَلَيْهِ السَّلَامُ (سَيِّدُنَا حَضْرَتْ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ عَلَيْهِ السَّلَامُ) قُبَاثَ بْنَ اَشْيَمَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَخَا بَنِـىْ يَعْمَرَ بْنِ لَيْثٍ اَاَنْتَ اَكْبَرُ اَمْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَكْبَرُ مِنِّـىْ وَاَنَا اَقْدَمُ مِنْهُ فِـى الْمِيْلَادِ وُلِدَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْفِيْلِ.
অর্থ: “হযরত মুত্তালিব ইবনে আব্দিল্লাহ ইবনে ক্বইস ইবনে মাখরামা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি উনার সম্মানিত পিতা (আব্দুল্লাহ ইবনে ক্বইস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার) থেকে, উনার সম্মানিত পিতা উনার দাদা (সাইয়্যিদুনা হযরত ক্বইস ইবনে মাখরমাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার) থেকে বর্ণনা করেন। (সাইয়্যিদুনা হযরত ক্বইস ইবনে মাখরমাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু) তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমুল ফীল তথা হস্তির বছর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন, আমিও সেই আমুল ফীল তথা হস্তির বছর বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেছি। সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি হযরত ক্বুবাস ইবনে আশিয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে প্রশ্ন করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বড় নাকি আপনি? তিনি উত্তরে বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমার থেকে অনেক বড়, আর দুনিয়ার যমীনে আগমনের দিকে থেকে আমি উনার পূর্বে বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেছি। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ‘আমুল ফীল তথা হস্তির বছর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।” সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ)