অকাট্য দলীলের ভিত্তিতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করার (দুনিয়ার যমীনে আগমন করার) তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবী‘উল আউওয়াল শরীফ (২১)
[১৪৪১ হিজরী সনে প্রকাশিত কিতাব থেকে]
এই ছহীহ সনদ মুবারক—এ মুসলিম শরীফ—এ বর্ণিত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ
حَدَّثَنَا حَضْرَتْ اَبُوْ بَكْرِ بْنُ اَبِـىْ شَيْبَةَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ حَدَّثَنَا حَضْرَتْ عَفَّانُ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ حَدَّثَنَا حَضْرَتْ سَلِيْمُ بْنُ حَيَّانَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ حَدَّثَنَا حَضْرَتْ سَعِيْدُ بْنُ مِيْنَاءَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَثَلِـىْ وَمَثَلُ الْاَۢنْبِيَاءِ كَمَثَلِ رَجُلٍ بَنٰـى دَارًا فَاَتَـمَّهَا وَاَكْمَلَهَا اِلَّا مَوْضِعَ لَبِنَةٍ فَجَعَلَ النَّاسُ يَدْخُلُوْنَـهَا وَيَتَعَجَّبُوْنَ مِنْهَا وَيَقُوْلُوْنَ لَوْلَا مَوْضِعُ اللَّبِنَةِ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاَنَا مَوْضِعُ اللَّبِنَةِ جِئْتُ فَخَتَمْتُ الْاَۢنْبِيَاءَ.
অর্থ: “হযরত ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমাদের নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন হযরত আবূ বকর ইবনে আবী শায়বাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন হযরত ‘আফফান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন হযরত সালীম ইবনে হাইয়্যান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন হযরত সা‘ঈদ ইবনে মীনা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে, তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার এবং হযরত নবী—রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের দৃষ্টান্ত মুবারক হচ্ছেন ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে ব্যক্তি এমন একটি বাড়ি নির্মাণ করেছে যা পরিপূর্ণভাবে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে একটি মাত্র ইটের স্থান ব্যতীত। অর্থাৎ একটি ইটের স্থান খালি ছিলো। লোকজন সেই ঘরে প্রবেশ করে এবং আশ্চর্য প্রকাশ করে বলেন, যদি ঐ ইটের স্থানটি না হতো অর্থাৎ যদি ঐ স্থানটি খালি না থাকতো! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আর আমিই হচ্ছি সেই সম্মানিত ইট মুবারক। আমি সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নিয়েছি, অতঃপর মহাসম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক উনার ধারাবাহিকতা সমাপ্ত হয়েছেন’। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ আমার মাধ্যমেই সেই সম্মানিত ঘর মুবারক তথা মহাসম্মানিত নুবুওওয়াত ও রিসালত মুবারক উনার মাক্বাম মুবারক পূর্ণতায় পেঁৗছেছেন, সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ছহীহ মুসলিম শরীফ : দারুল আফাক্ব বৈরূত থেকে প্রকাশিত ছহীহ মুসিলম শরীফ ৭ম খণ্ড ৬৫ নং পৃষ্ঠা, বাবু যিক্রি কাওনিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাতামুন নাবিয়্যীন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ নং ৬১০৩)
এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা সমস্ত ইমাম—মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা এক বাক্যে ছহীহ হিসেবে মেনে নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! আর কাট্টা গোমরাহ, ওহাবী আলবানী তার ‘সিলসিলাতু আহাদীছিছ ছহীহা—এর ১২তম খণ্ডের ১৮ নং পৃষ্ঠায় এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা ছহীহ হিসেবে মেনে নিয়েছে।