অকাট্য দলীলের ভিত্তিতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করার (দুনিয়ার যমীনে আগমন করার) তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবী‘উল আউওয়াল শরীফ (২০)
[১৪৪১ হিজরী সনে প্রকাশিত কিতাব থেকে]
এই ছহীহ সনদ মুবারক—এ বুখারী শরীফ—এ বর্ণিত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ:
قَالَ حَضْرَتْ عَفَّانُ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ حَدَّثَنَا حَضْرَتْ سَلِيْمُ بْنُ حَيَّانَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ حَدَّثَنَا سَعِيْدُ بْنُ مِيْنَاءَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ سَـمِعْتُ اَبَا هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ يَقُوْلُ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا عَدْوٰى وَلَا طِيَـرَةَ وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ
অর্থ: “হযরত ‘আফফান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমাদের নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন হযরত সালীম ইবনে হাইয়্যান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন হযরত সা‘ঈদ ইবনে মীনা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। হযরত সা‘ঈদ ইবনে মীনা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে বলতে শুনেছি যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, সংক্রামক রোগ বলতে কিছুই নেই, অশুভ ও কুলক্ষণ বলতে কিছুই নেই, পেঁচার মধ্যে কোন কুলক্ষণ নেই এবং সম্মানিত ও পবিত্র সফর শরীফ মাস উনার মধ্যে কোন অশুভ নেই।” (ছহীহ বুখারী শরীফ : دار طوق النجاة হতে প্রকাশিত : ৭ম খণ্ড ১২৬ নং পৃষ্ঠা : বাবুল জুযাম : মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ নং ৫৭০৭)
সমস্ত ইমাম—মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা তো অবশ্যই; এমনকি কাট্টা গোমরাহ, ওহাবী নাছিরুদ্দীন আলবানী তার ‘সিলসিলাতু আহাদীছিছ ছহীহাহ’—এর ২য় খণ্ডের ৪১৪ নং পৃষ্ঠায় এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে ছহীহ হিসেবে মেনে নিয়েছে।