অকাট্য দলীলের ভিত্তিতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করার (দুনিয়ার যমীনে আগমন করার) তারীখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবী‘উল আউওয়াল শরীফ (১৮)
[১৪৪১ হিজরী সনে প্রকাশিত কিতাব থেকে]
হযরত সা‘ঈদ ইবনে মীনা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সূত্রে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘বুখারী শরীফ’—এ ৯ টি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত ইমাম মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘মুসলিম শরীফ’—এ ৭ টিরও অধিক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত ইমাম আবূ দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘আবূ দাঊদ শরীফ’—এ ১ টি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত ইমাম তিরমিযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘তিরমিযী শরীফ’—এ ১ টি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
এছাড়াও ১. মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ, ২. মুসনাদে আহমদ, ৩. মুসনাদে বাযযার, ৪. আল মুসনাদুল মুস্তাখরাজ, ৫. মুস্তাখরজে আবী ‘আওয়ানা, ৬. ছহীহ ইবনে হিব্বান, ৭. শরহুস সুন্নাহ লিল বাগভী, ৮. আস সুনানুল কুবরা লিলবাইহাক্বী, ৯. শু‘য়াবুল ঈমান লিল বাইহাক্বী, ১০. মা’রিফাতুস সুনান ওয়াল আছার লিলবাইহাক্বী, ১১. দালায়িলুন নুবুওওয়াহ লিল বাইহাক্বী, ১২. আল মু’জামুল কাবীর লিত ত্ববারনী, ১৩. আল মু’জামুল আওসাত্ব লিত ত্ববারনী, ১৪. মুসনাদে আবী ইয়া’লা, ১৫. মুস্তাদরকে হাকিম, ১৬. সুনানুদ দারাকুতনী, ১৭. শরহু মুশকিলিল আছার, ১৮. শরহু মা‘য়ানিয়িল আছার, ১৯. মা’রিফাতুছ ছাহাবাহ লিআবী না‘ঈম, ২০. আমছালুল হাদীছ লিআবিশ শায়খ আল ইছবাহানী, ২১. আল আহকামুশ শর‘ইয়্যাহ, ২২. আস সুনানুছ ছুগরা লিল বাইহাক্বী, ২৩. তাহযীবুল আছার লিত ত্ববারী ২৪. মুসনাদে আবী ‘আওয়ানা, ২৫. মুসনাদে ত্বয়ালসী, ২৬. মু’জামু ইবনিল আ’রবী, ২৭. সুনানু সা‘ঈদ বিন মানছূরসহ আরো অনেক বিশ্বখ্যাত এবং সর্বজনমান্য ও নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহে হযরত সা‘ঈদ ইবনে মীনা’ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সূত্রে বর্ণিত বহু মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ রয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
তাহলে এখান থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, হযরত সা‘ঈদ ইবনে মীনা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কতো উচ্চ স্তরের সর্বজনমান্য ও নির্ভরযোগ্য ছিক্বাহ রাবী ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
সুতরাং এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনাকারীদের সকলেই ‘আদ্ল বা নির্ভরযোগ্য, ন্যায়—পরায়ণ, দ্বীনদার ও উন্নত শিষ্টাচারের অধিকারী এবং সকলেই تَمُّ الضَّبْطِ (তাম্মুদ দ্বব্ত) তথা প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী। যাঁরা রাবীর নির্ভরযোগ্যতা যাচাই—বাছাইয়ে জ্ঞান রাখেন, উনাদের দৃষ্টিতে এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনাকারীগণ উনারা প্রত্যেকেই বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনাকারীগণ উনারা প্রত্যেকেই ছিলেন সর্বোচ্চ স্তরের সর্বজনমান্য ও নির্ভরযোগ্য ছিক্বাহ রাবী। সুবহানাল্লাহ!