মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যার সম্মুখে আমার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করা হয়, অথচ সে আমার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করে না, সে হালাক ও জাহান্নামী।’ নাউযুবিল্লাহ!
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক যতবার উচ্চারণ বা শ্রবণ করবে, ততবারই উনার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করা প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলার জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে বা শুনে উনার প্রতি যারা পবিত্র ছলাত শরীফ ও পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করে না বা করবে না, তাদের জন্য ধ্বংস ও জাহান্নাম অবধারিত। নাউযুবিল্লাহ!
যা মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সর্বোচ্চ পর্যায়ের মুহব্বত উনারই বহিঃপ্রকাশ। সুবহানাল্লাহ!
, ২৯ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৪ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক যতবার উচ্চারণ বা শ্রবণ করবে, ততবারই উনার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করা প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলার জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে বা শুনে উনার প্রতি যারা পবিত্র ছলাত শরীফ ও পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করে না বা করবে না, তাদের জন্য ধ্বংস ও জাহান্নাম অবধারিত। নাউযুবিল্লাহ!
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ হাবীব। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বতেই তামাম কায়িনাত সৃষ্টি করেন, উনার শান-মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক অনেক উঁচু করেছেন। অর্থাৎ এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন, এছাড়া সমস্ত ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক উনার অধিকারী। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক বর্ণনা করে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার সকল হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর মহাপবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করেন। হে ঈমানদারা! তোমরাও উনার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ ও মহাপবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করার মতো পাঠ করো। অর্থাৎ তা’যীম-তাকরীম মুবারক উনার সাথে পাঠ করো।” সুবহানাল্লাহ! এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় উল্লেখ আছে, প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলা উনাদের জন্য যতবারই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ বা শ্রবণ করবে, ততবারই উনার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ ও মহাপবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করা ফরয। কেননা মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আমভাবে অর্থাৎ বিনা শর্ত-শারায়িতেই বলা হয়েছে, যে ব্যক্তির সম্মুখে আমার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করা হয়, অথচ সে আমার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ ও মহাপবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করে না, সে ধ্বংস, সে জাহান্নামী। নাঊযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা প্রথমত প্রমাণিত হলো যে, যারা মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে, লিখে ও শ্রবণ করে উনার প্রতি মহাপবিত্র ছলাত শরীফ, মহাপবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করেনা, তারা নিশ্চিত হালাক ও জাহান্নামী। দ্বিতীয়ত প্রমাণিত হলো যে, মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক যতবারই উচ্চারণ, লেখা ও শ্রবণ করা হবে ততবারই মহাপবিত্র ছলাত শরীফ ও মহাপবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করা ফরয। যা উনার সীমাহীন ও বেমেছাল মর্যাদা-মর্তবা মুবারক উনারই বহিঃপ্রকাশ। সুবহানাল্লাহ! কাজেই সকলের উচিত- এ বিষয়ে যথাযথ ইলম অর্জন করে তা আমলে বাস্তবায়ন করা। আর সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুউচ্চ শান মুবারক সংক্রান্ত বিষয়গুলো সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করা।