২. 'সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ' (سبل الهدى والرشاد) কিতাবের ১ম খণ্ডের ৮৪–৯০ পৃষ্ঠা
আপনার নোটবুকে সরাসরি পৃষ্ঠা নম্বরসহ যুক্ত থাকা একমাত্র কিতাব হলো ইমাম মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আল-সালিহী আল-শামীর 'সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ' [৮২]। এর ১ম খণ্ডের ৮৪ থেকে ৯০ নম্বর পৃষ্ঠার (৫ম অধ্যায়: আরশ ও সমগ্র কায়েনাতে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নাম মোবারক লিখিত থাকা) মূল বিবরণসমূহ নিম্নরূপ [৮২, ৮৪]:
হযরত আদম (আ.)-এর উসীলা ও তাওবা (পৃষ্ঠা ৮৫–৮৬): হযরত আদম (আ.) সৃষ্টি হওয়ার পর মাথা তুলে আরশের পায়ায় লেখা দেখতে পান "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ" [৮৫]। পরবর্তীতে তিনি রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর উসীলায় আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং তাঁর তাওবা কবুল হয় [৮৫, ৮৮]।
প্রকৃতি ও সৃষ্টিজগতে নাম মোবারকের প্রকাশ (পৃষ্ঠা ৮৬–৮৮):
ভারতে এমন কিছু বিশেষ গোলাপ ও ফল পাওয়া যায়, যার পাপড়িতে এবং ফলের ভেতরে প্রাকৃতিকভাবে সাদা ও লাল হরফে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ" এবং খোলাফায়ে রাশেদীনের নাম লিখিত ছিল [৯১, ৯৩, ৯৪, ৯৫]।
'উবুল্লা' নদী ও ভূমধ্যসাগরে প্রাপ্ত কিছু মাছের শরীরেও স্পষ্ট অক্ষরে কালিমায়ে তাইয়্যেবাহ লিখিত ছিল [৯৫, ৯৬, ৯৭]।
প্রাচীন শিলালিপি ও কিতাবের বর্ণনা (পৃষ্ঠা ৮৯–৯০): হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর প্রাপ্ত প্রাচীন শিলালিপিতে এবং কা'বা শরীফ পুনর্নির্মাণের সময় আবিষ্কৃত পাথরে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নবুওয়াত ও তাঁর গুণগানকারী উম্মতের বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা পাওয়া যায় [৯৭, ৯৮]। এছাড়া সূরা কাহফে বর্ণিত দুই ইয়াতীম শিশুর দেয়ালের নিচে স্বর্ণের ফলকে কালিমা ও হেদায়েতমূলক বাণী লিখিত ছিল [৯৯]।