ছে সন্ত্রlসী ইসরাইল।
কিছু স্বামী আছে স্ত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। তার অনুভূতির মূল্য দেয় না। নির্দ্বিধায় তাকে কষ্ট দেয়। উন্নত আচরণ ও ব্যক্তিত্বের রীতিসম্মত কোনো আচরণ তার সঙ্গে করে না।
.
দুর্ব্যবহারের কিছু উদাহরণ। যেমন, কিছু পুরুষ আছে অন্যের সঙ্গে কোমল, হাস্যমুখ ও মিষ্টি আচরণ করে। কিন্তু বাড়িতে এলেই হয়ে যায় কর্কশ, কুঞ্চিত ও কঠোর।
.
কিছু পুরুষ আছে যারা কখনও স্ত্রীর সঙ্গে খোশগল্প করে না। স্ত্রী কথা বলতে চাইলেও গুরুত্ব দেয় না। বই-পত্রিকা পড়ায় ব্যস্ত থাকে, মোবাইলে কথা বলতে থাকে অথবা মুখ ঘুরিয়ে নেয়; এদিক-ওদিক তাকাতে থাকে।
.
কেউ আছে স্ত্রীকে কথা বলার সুযোগই দেয় না। তার মুখ থেকে কথা কেড়ে নিয়ে নিজেই বলতে শুরু করে। কথা শেষ হওয়ার আগেই উঠে চলে যায় বা তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে।
.
কেউ কেউ স্ত্রীকে নিজের সঙ্গে বসে খেতে দেয় না। স্ত্রী তার জন্য রান্না করে, এরপর দূরে বসে খায়, যেখান থেকে কেউ কাউকে দেখতে পায় না। কিছু পুরুষ আছে কখনও স্ত্রীর সঙ্গে হাস্যরস করে না। একে তারা ব্যক্তিত্ব ও পৌরুষের পরিপন্থি মনে করে।
.
এগুলো সবই আচার-আচরণের ইসলামী রীতির পরিপন্থি। যা ব্যক্তির নিষ্ঠুর মানস, কঠোর হৃদয় এবং শরীয়াত সম্পর্কে অজ্ঞতার প্রমাণ বহন করে। যা স্ত্রীর জীবনযাত্রাকে জটিল করে তোলে, তার মন বিষিয়ে ওঠে। স্ত্রী চায় স্বামী হবে তার গল্পের সঙ্গী ও অন্তরঙ্গ বন্ধু; যার কাছে কষ্টের কথা খুলে বলা যায়। অপূর্ব সমাধান, সান্ত্বনা ও সহানুভূতি লাভ করা যায়।
.
সুতরাং স্বামীর ওপর স্ত্রীর প্রাপ্য অধিকার হলো, সে তার সঙ্গে সুন্দর আচরণ করবে। তার সঙ্গ পেয়ে আনন্দিত হবে এবং তার মনোরঞ্জন ও একাকীত্ব দূর করার জন্য তার সঙ্গে হাস্য-রসিকতা করবে। তাকে এই অনুভূতি দেবে যে, সে তার হৃদয়ের রাণী এবং সবচেয়ে আপনজন।