মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত শাহনাওয়াসা—শাহনাওয়াসী আলাইহমুস সালাম—আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমেছাল খুছূছিয়াত মুবারক
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৯শে যিলক্বদ শরীফ লাইলাতুল খ¦মীস শরীফ (বৃহস্পতিবার রাত) ৪র্থ তলা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খানকাহ্ শরীফ—এ বা’দ ছোহবত মুবারক ইরশাদ মুবারক করেন, “(১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৮ই যিলক্বদ শরীফ ইয়াওমুল খ¦মীস শরীফ) দেখলাম— ইবলীস আর ইবলীসের সাথে একটা সাগরিদ, চেলা আসলো। ওরা আসলে লাঠি নিয়ে মারামারি করতে এসেছে। আমিও একটা বড় বাঁশ নিয়েছি। যা হোক; আমি পরে কিভাবে যেন এদেরকে ধরে ফেলেছি। এরপর আমার পাশে ছিলেন হযরত শাহনাওয়াসা—শাহনাওয়াসী আলাইহমুস সালাম—আলাইহিন্নাস সালাম উনারা সবাই। যখন ধরে ফেলেছি, তখন হযরত শাহনাওয়াসা—শাহনাওয়াসী আলাইহমুস সালাম, আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আমাকে বললেন যে, ‘নানা! আমাদেরকে ছোট শয়তানটাকে দিয়ে দিন।’ (মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি এই সময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাকরীর মুবারক অর্থাৎ তাবাস্সুমী শান মুবারক প্রকাশ করে অর্থাৎ মুচকী হাসি মুবারক দিয়ে বলেন—) ঠিক আছে। আমি দিয়ে দিলাম। উনারা ছোট শয়তানটাকে শাস্তি দিতে দিতে ওটাকে একবারে শেষ করে ফেলেছেন। আর বড়টাকে আমি ধরেছি। ধরে কিভাবে যেন এটাকে মাটিতে ফেলে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পা মুবারক) দিয়ে মাথায় ধরে রেখেছি। এটা উপুর হয়ে পড়ে রয়েছে, মনে হচ্ছে আমাকে সিজদাহ্ দিচ্ছে। আমি বললাম— ‘তোকে শেষ করে দিবো।’ ইবলীস তখন বলতেছে যে, ‘ইবলিছকে তো কেউ মারতে পারবে না।’ কেনো? সে বললো— ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি ইবলীসকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত হায়াত দিয়েছেন।’ আচ্ছা ঠিক আছে; তাহলে তওবা কর। সে বললো— ‘আরে ইবলীস তো তওবা করতে পারবে না।’ আমি বললাম— ‘কেন?’ সে বললো— ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি যে ক্বিয়ামত পর্যন্ত লা’নত দিয়ে দিয়েছেন। ইবলীস তওবা করতে পারবে না।’ আমি বললাম— তাহলে কি করতে হবে? সে বললো— ‘ইবলীসকে শাস্তি দেয়া যাবে; কিন্তু ইবলীস মরবেও না, তওবাও করতে পারবে না।’ তাকে পারা দিয়ে রেখেছি। অনেক্ষণ পরে দেখি— ইবলীস রক্ত বমি করা শুরু করেছে, রক্ত বমি। রক্ত বমি করতেছে। পরে আমি দেখলাম যে, তাহলে তো এটা মরবেও না, এটা তাওবাও করবে না। এটাকে শাস্তি দিয়ে আমি বললাম— তাহলে ঠিক আছে; তাড়াতাড়ী যা এখান থেকে। ভাগ এখান থেকে। পালা। বলার সাথে সাথে চোখের পলকে এটা পালিয়ে গেছে।” (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)