নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামউনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাস্সাম মুবারক উনার মধ্যে যা কিছু ছিলেন, সমস্ত কিছু ছিলেন পূত-পবিত্র থেকে পূত-পবিত্রতম ও মেশক-আম্বরসহ অন্যান্য সুগন্ধি থেকে লক্ষ কোটি গুণ বেশি সুগন্ধিময় এবং যারা উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুন নাজাত মুবারক অথবা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক পান করতে পেরেছেন উনারা প্রত্যেকেই সর্বোচ্চ জান্নাতী (৩)

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ لَـمْ يَكُنِ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَـمُرُّ فِـىْ طَرِيْقٍ فَـيَـتْـبَـعُهٗ اَحَدٌ اِلَّا عَرَفَ اَنَّهٗ سَلَكَهٗ مِنْ طِـيْبِهٖ
অর্থ: “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেই রাস্তায় গমন করতেন, সেই রাস্তা উনার সুগন্ধ মুবারক-এ সুরভিত হয়ে যেতেন, উনার পিছনে গমনকারী ব্যক্তি সহজে অনুভব করতে পরতো যে, এই রাস্তা দিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি গমন মুবারক করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (তারীখুল কবীর ১/৩৯৯, ‘আলামুন নুবুওওয়াহ ১/১৬৩)
‘শিফা’ শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছেন-
وَذَكَرَ حَضْرَتْ اِسْحٰقُ بْنُ رَاهَوَيْهِ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَـيْهِ اَنَّ تِلْكَ كَانَتْ رَائِحَتُهٗ بِلَا طِـيْبٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “হযরত ইসহাক ইবনে রাহাওয়াইহি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাসসাম মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারক) থেকে নির্গত সম্মানিত খুশবু মুবারক কোনো সুগন্ধি ব্যবহার করার কারণে সুরভিত হতো না, বরং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মুজাসসাম মুবারকই (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিসিম মুবারকই) সুগন্ধময় ছিলেন।” সুবহানাল্লাহ!
‘শিফা’ শরীফ’ উনার মধ্যে আরো উল্লেখ রয়েছেন-
اَنَّهٗ كَانَ اِذَا اَرَادَ اَنْ يَّـتَـغَـوَّطَ انْشَقَّتِ الْاَرْضُ فَابْـتَـلَعَتْ غَائِطَهٗ وَبَـوْلَهٗ وَفَاحَتْ لِذٰلِكَ رَائِحَةٌ طَـيِّـبَةٌ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল গইব মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বড় ইস্তিঞ্জা মুবারক) অথবা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোট ইস্তিঞ্জা মুবারক) যমীনে রাখার ইচ্ছা মুবারক করতেন তখন মাটিতে ফাটলের সৃষ্টি হয়ে যেতো, তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল গইব মুবারক অথবা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুশ শিফা’ মুবারক করলে মাটি তা নিজের ভিতর লুকিয়ে নিতো এবং সেই স্থান থেকে শুধু সুঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়তেন। সুবহানাল্লাহ! (শিফা’ শরীফ)