উম্মুল মুমিনীন সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহিস সালাম উনার গৃহেই আল্লাহর হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওহী নাযিলের পর অবস্থান করেন, ওহিই নাযিলের ৬ মাস সময় নবীদের নবী রাসুলদের রাসুল হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেরা গুহায় ধ্যান মগ্ন থাকতেন। সে সময় এত উঁচু পাহাড় আরোহন করে হযরত খাদিজাতুল কোবরা আলাইহিস সালাম তিনি খাবার আনা নেওয়া করতেন, ওই নাজিলের পর যখন উনার গৃহে আসলেন তখন নূর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এরশাদ করলেন হে খাদিজাতুল কোবরা আলাইহিস সালাম আপনি আমাকেই কম্বল দ্বারা আচ্ছাদিত করুন আমার প্রতি মহান আল্লাহপাক মহান ওহী নাজিল করেছেন, উনি মারিধি শাহ অর্থাৎ জ্বর মোবারক অনুভব করলেন।
আল্লাহর হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বংশধর হযরত ফাতেমাতুজ জাহরা আলাইহিস সালাম উনার মাধ্যম দিয়ে পৃথিবীতে জারি রয়েছে কেয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে। আর ফাতেমাতার যাহারা আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত মহা পবিত্রতম সালাম উনাদের যিনি মূল এবং প্রথম সেই খাদিজাতুল কোবরা আলাইহি সালাম উনার উনার মাধ্যম দিয়েই দুনিয়ায় তাশরীফ এনেছেন। এখন যারা উনার নামে কুৎসা রটায় অবান্তর অহেতুক অবাঞ্চিত কথাবার্তা রটায় তারা চরম কাফির চির জাহান্নামি, হোক সে ইসলাম নিয়ে কথা বলে, মুসলমান দাবি করে , মুফতি , মুহাদ্দিস ,শাইখুল হাদিস, হোক সে নিশ্চিত কাফের।
কারণ সাইয়্যিদুল মুরসালিন ,ইমামুল মুরসালিন ,খাতামুন নাবিয়ীন হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম উনাকে অত্যন্ত গভীরভাবে ভালোবাসতেন সেজন্য উনার ওফাৎ মোবারক এর পরেও বকরি ,ভেড়া ইত্যাদি জবাইয়ের পরে মাথা ,পা , সিনার গোশত এরকম অংশসমূহ উনার বান্ধবী আত্মীয়-স্বজন কোনদিন নিকট নুরুন্নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম হাদিয়া পেশ করতেন, বুখারী শরীফ।এর মাধ্যম দিয়ে হযরত খাদিজাতুল কোবরা আলাইহিস সালাম উনার প্রতি যে গভীর মহব্বত জড়িত রয়েছে সেটা বহিঃপ্রকাশ করতেন। উনার ধন সম্পদ দ্বারা নুরুন্নবীজী সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বিশেষভাবে উপকৃত হয়েছিলেন। উনার সন্তানাদি দ্বারা আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু সালামের বংশধারা পৃথিবীতে কেয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে, ওহি মোবারক নিয়ে আসার পরে আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বপ্রথম তিনি মুসলমান হয়েছিলেন। অর্থাৎ তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ সর্বপ্রথম মুসলমান। স্বভাবতই একদিন, দুইদিন, এক বছর দুই বছরে ইসলাম এর সমস্ত আহকাম নামাজ রোজা হজ জাকাত সবকিছু নাযিল হয়নি। বরং ধীরে ধীরে প্রয়োজন অনুযায়ী, ধীরে ধীরে নাযিল হয়েছে। যখন যেটা নাযিল হয়েছে সেটার আমল শুরু হয়েছে সেটার বাস্তবায়ন গুরুত্ব তাৎপর্য সমস্ত সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বাস্তবায়ন করে আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছেন।
তাহলে আমির হামজা নামক কাফের যখন বলবে যে উনি একদিনও রোজা রাখেননি ,একদিনও নামাজ পড়েননি, একদিনো হজ করেন নেই ,একদিনও যাকাত আদায় করেনি কথা বলার তার অধিকার নাই। যখন আল্লাহপাক যা বলার ব্যাপারে , আমল করতে ওহী নাযিল করেননি সেটা কারো করার এখতিয়ারও নাই ,অধিকারও নাই ।
কারণ সেটা এখনো ইসলাম নয়। তাহলে যে সমস্ত কাফের বেদ্বীন, ইহুদি ,নাসারা হযরত উম্মুল মুমিনীনআলাইহিন্নাস ছালাম উনাদের যিনি মূল যিনি পবিত্র দানকারী হযরত খাদিজাতুল কোবরা আলাইহিস সালাম উনার আমল সম্পর্কে কটাক্ষ করা তিরস্কার করা, প্রশ্নবিদ্ধ করা, চরম কুফরী, গোমরাহী পথ ভ্রষ্ঠতা। কারণ এরা ইহুদী নাসারা মুশফিকদের থেকে টাকা সম্মান পাওয়ার আশায় হযরত উম্মাহাতুল মু'মিনীন আলাহিনাস সালাম উনাদের শানে মিথ্যা ঘটনা মিথ্যা কুৎসা রটায়।
অথচ বুখারী মুসলিম শরীফ এসব গুলোর মধ্যে রয়েছে হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহিস সালাম উনার অবাক মোবারক এর সময় আল্লাহর হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন যে আপনার সতীনদেরকে জান্নাতের মধ্যে আমার সালাম দিবেন, হঠাৎ এই হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমাণ হয়ে যায় তিনি নিশ্চিত জান্নাতি এমনকি আহলে বাইত শরীফ আলাইহি অসসালাম উনাদের মূল। যারা জান্নাতে যুবক দের সরদার এবং সর্দারনী হবেন। সুবহানাল্লাহ ।
মিশকাত শরীফ মুসলিম শরীফ এ দুই কিতাবের মধ্যে বর্ণনা আছে যারা ঈমানদার তারা হযরত উম্মুল মু'মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শানে ব্যাপক প্রশংসা ব্যাপক আলোচনা ব্যাপক সম্মান ইজ্জত সমৃদ্ধ ওয়াজ নসিহত করবেন। অর্থাৎ যারা এর বিপরীতে আলোচনা করবে তারা কাফের।
তাই আমির হামজা নামক কাফের কে প্রকাশ্যে জুতা মেরে শাস্তি প্রদানের শুরু করা হোক ,সে শাস্তির শেষ হবে মৃত্যুদণ্ড

image