ইউক্রেন নামে একটা দেশ ছিল..!

যা ছিল—তা বাংলাদেশের চেয়েও অন্তত ৩০ গুণ বেশি উন্নত..!

তারপর কী হলো?

মার্কিন Deep State সেখানে ঢুকলো,

অরেঞ্জ বিপ্লব ঘটালো,

রুশপন্থী সরকার ফেলে দিয়ে

একজন মার্কিনপন্থী কমেডিয়ানকে

রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসালো—

নাম তার জেলেনস্কি..!

ক্ষমতায় বসেই সেই ভাঁড় তার প্রভুদের খুশি করতে

রাশিয়ার সীমান্তে সীমান্তে উসকানি দিতে থাকলো,

নেটো, অস্ত্র, মহড়া—

সবকিছু দিয়ে রাশিয়ার “সহনশীলতা” চুলকাতে থাকলো..!

একসময় রাশিয়া বিরক্ত হলো।

তারপর?

ইতিহাস তো আপনার চোখের সামনেই..!

আজ ইউক্রেন কেমন আছে?

▪ লক্ষ লক্ষ মানুষ উদ্বাস্তু

▪ শহর ধ্বংসস্তূপ

▪ অর্থনীতি আইসিইউতে

▪ এক প্রজন্ম শেষ

▪ দেশ বন্ধক দেওয়া

আর মার্কিনিরা?

তারা নিরাপদ দূরত্বে বসে

“গণতন্ত্র” নিয়ে বক্তৃতা দিচ্ছে..!

এই কিছু দিন আগে আমেরিকা আবার বলেছে যে তারা নাকি NATO গ্রুপ থেকে বেরিয়ে আসবে,সত্যি যদি আমেরিকা NATO কে গুডবাই বলে তাহলে রাশিয়া ইউক্রেন কে সাহায্য করা বাকি দেশ গুলো কে খুঁজে খুঁজে মারবে এতে কোন সন্দেহ নেই।

ভারতের সেনাবাহিনী মোতায়েন ব্যাবস্থা নীচের চিত্রে।


👉 শিক্ষা কী?

প্রতিবেশী যদি আপনার চেয়ে বড় হয়,

সামরিক শক্তিতে যদি পরাক্রমশালী হয়,

তাহলে তাকে ভালোবাসতেই হবে—এ কথা নয়।

কিন্তু হিসাব না করে চুলকানো মানে আত্মহত্যা।

বাংলাদেশের তুলনায় নয়—

ভারত নিঃসন্দেহে দক্ষিণ এশিয়ার পরাক্রমশালী শক্তি..!

আপনি ভারতকে পছন্দ করেন না?

সমস্যা নেই..!

কিন্তু প্রশ্ন হলো—

আপনি যদি ভারতকে চুলকান,

তার রিএকশন সামাল দেওয়ার ক্ষমতা আপনার আছে তো?

▪ সেভেন সিস্টার ভেঙে ফেলবেন?

▪ দূতাবাস বন্ধ করবেন?

▪ উসকানি দেবেন?

ভারত কি বসে বসে আঙুল চুষবে?

নাকি পাল্টা আঘাত করবে?

আর তখন—

এই পৃথিবীতে এমন কোন মিত্র আছে

যে ভারতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে

আপনার জন্য যুদ্ধ করবে?

মুখে বড় বড় কথা বলা সহজ..!

রাষ্ট্র চালাতে লাগে আবেগ না—

বাস্তবতা, হিসাব আর কূটনীতি..! (Jio politics)

ইউক্রেনের ধ্বংস

যদি আপনাকে কিছু না শেখায়,

তাহলে ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না..!

সংগৃহীত

image