যখন হেফাজতের শোকরানা মাহফিল হয়, শেখ হাসিনাকে মা বলে তখন দলিল লাগে না।

যখন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রধান সাহেব ৫০১ ঘটনায় জেল থেকে বাহির হওয়া উপলক্ষ্য মিষ্টি বিতরণ ও ঈদের দিন বলে
তখন দলিল লাগে না।

যখন জামায়াতের লোককে চাঁদে দেখা যায়, তার জন্য সূর্য দাড়িয়ে থাকে তখন দলিল লাগে না।

তাওহীদি জনগন যখন মাজার ভাংগে, লাশ পুড়ায়, লুটপাট করে
তখন দলিল লাগে না।

যখন আহলে খ২০ শায়েখদের ফেসবুক ফলোয়ার্স ১০০ K হওয়ার কারণে সেলিব্রেশন করেন তখন দলিল লাগে না।

দেওবন্দিদের কিতাবে যখন নবীজিরঁ শানে বেয়াদবি করা হয়
তখন দলিল লাগে না।

সৌদি আরব গিয়ে সৌদি ডে পালন করে দলিল লাগে না।

তাবলীগের লোকেরা যখন ইজতেমার মাঠকে হজ্জের সাথে তুলনা করে
তখন দলিল লাগে না।

হাতপাখায় ভোট দিলে নবীজিকেঁ ভোট দেওয়া হবে তখন দলিল লাগে না।

কওমিরা যখন বলৎকার করে
তখন দলিল লাগে না।

বড় শায়েখ যখন নবীজি ৪০ বছরে নবুওয়ত লাভ করছে বলে তখন দলিল লাগে না।

কলরবের শিল্পী গোষ্ঠীরা যখন পহেলা বৈশাখ পালন করেন
তখন দলিল লাগে না।

ইব্রাহিমস্টাইন যখন সুদখোর ইউনুসকে নবীর সঙ্গে তুলনা করে তখন দলিল লাগে না।

শায়েখ যখন অহরহ নবীজির শ্বানে বেয়াদবি করে
তখন দলিল লাগে না।

যখন তথাকথিত আল্লামা ১৯৯০ আজগুবি কথা বলে তখন দলিল লাগে না।

তরুণ শায়েখ নবীজিকে বড় ভাই বলে
তখন দলিল লাগে না।

যখন মঙ্গল শোভাযাত্রা করে, গীতা পাঠ করে, প্রসাদ খায় তখন দলিল লাগে না।

ফুটবল বিশ্বকাপে গেলো
তখন দলিল লাগে না।

হুজুররা / শায়েখরা তাদের ছেলে মেয়ে বিয়ের সময় রাজনৈতিক নেতাদের দাওয়াত দিয়ে ভরপুর খাওয়ায় তখন দলিল লাগে না।

খেলাফত থুইয়া নিবার্চন করে গনতন্ত্র সার্পোট করে
তখন দলিল লাগে না।

যখন আমRikar স্বাধীনতা দিবস পালন করে তখন দলিল লাগে না।

যখন ২১ এ ফেব্রুয়ারী, ১৬ ই ডিসেম্বর, ৩৬ জুলাই, পহেলা বৈশাখ, হ্যাপী নিউ ইয়ার, দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জানায়
তখন দলিল লাগে না।

আরও কতশত আকাম উুকাম, হ্যান ম্যান ত্যান তো আছেই..... তখন দলিল লাগে না।
তাদের দলিল লাগে শুধু ১২ই রবিউল আউওয়াল সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ পালনের ক্ষেত্রে!