মাহফিল ৪৯ তম দিন
১লা রবিউল আউয়াল শরীফ
লাইলাতুস সাবত,মহাসম্মানীত মহাপবিত্র শায়খ ও মুর্শীদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নছিহত মুবারক:
আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহি নাহমাদুহু ওয়ানাস্টাইনুহু ওয়ানাস্টাগফিরুহ, ওয়ানুমিনু বিহি ওয়াতাওয়াক্কালু আলাইহি। ওয়ানাউজুবিল্লাহি মিন শুরুরি আনফুসিনা, ওয়ামিন সাইয়্যিআতি আমালিনা। মাই ইয়াহদিল্লাহু ফালা মুদাল্লালাহ, ওয়ামাই ইয়ুদলিলহু ফালা হাদিআলাহ। ওয়া আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না সাইয়্যিদানাবলীয়্যা, হাবিবানা, শাফিয়ানা, মাওলানা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
الْحَمْدُ لِلَّهِ، الْحَمْدُ لِلَّهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَنُؤْمِنُ بِهِ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْهِ، وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا، وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْهُ فَلَا هَادِيَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ سَيِّدَنَا وَنَبِيَّنَا وَحَبِيبَنَا وَشَفِيعَنَا وَمَوْلَانَا مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
আম্মা বাদ! আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
أَمَّا بَعْدُ
أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা, হাবিবিনা, শাফিয়ানা, মাওলানা, ওসীলাতু ইলাইকা ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লিম। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা, হাবিবিনা, শাফিয়ানা, মাওলানা, মাআদানিল জুদি ওয়াল কারামি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লিম। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা, হাবিবিনা, শাফিয়ানা, মাওলানা, আন-নাবিয়্যিল উম্মি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লিম।اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا، حَبِيبِنَا، شَفِيعِنَا
، مَوْلَانَا، وَسِيلَتُنَا إِلَيْكَ وَعَلَى آلِهِ وَسَلِّمْ
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا، حَبِيبِنَا، شَفِيعِنَا، مَوْلَانَا، مَعْدِنِ الْجُودِ وَالْكَرَمِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلِّمْ
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا، حَبِيبِنَا، شَفِيعِنَا، مَوْلَانَا، النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ وَعَلَى آلِهِ وَسَلِّمْ
যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক। তিনি মহা সম্মানিত মহা পবিত্র কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ ঘোষণা মোবারক করেন—
قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ
কুল বিফাদলিল্লা-হি ওয়া বি-রাহমাতিহী ফাবিযা-লিকা ফালইয়াফরাহু, হুয়া খাইরুম মিম্মা- ইয়াজমাঊন।
যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক, তিনি উনার মহা সম্মানিত মহা পবিত্র হাবিব মাহবুব নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে জানিয়ে দিচ্ছেন, তিনি যেন সমস্ত কায়িনাত বান্দা-বান্দি, উম্মত, জ্বিন, ইনসান সবাইকে বলে দেন—সকলে এই মহা সম্মানিত মহা পবিত্র ফজল মোবারক এবং মহা সম্মানিত মহা পবিত্র রহমত মোবারক হিসেবে উনাকে লাভ করতে পেরেছে, এই জন্য তাদের সকলের দায়িত্ব হলো, কর্তব্য হলো, ফরজ হলো উনার সম্মানার্থে শুকুর গুজারির সাথে—ফালইয়ারাফহূ শরীফ খুশি মোবারক প্রকাশ করা। আর এই খুশি মোবারক প্রকাশ করা তাদের সকলের জিন্দেগীর সমস্ত ইবাদত-বন্দেগী থেকেও সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বোত্তম ইবাদত ।
সে খুশি প্রকাশার্থে আমরা এখানে অনন্তকাল ব্যাপী
سَيِّدُ سَيِّدِ الْأَعْيَادِ الشَّرِيفِ
মাহফিল জারি করেছি, বিশেষ ইন্তেজাম মোবারকও করা হচ্ছে। এখানে আন্তর্জাতিক সুন্নত মোবারক প্রচার কেন্দ্রও করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কিতবাদিও প্রকাশ করা হচ্ছে। এবং সেই খুশি প্রকাশার্থে বিশেষ ইন্তেজাম
سَيِّدُ الشُّهُورِ الشَّهْرُ الْأَعْظَمُ الشَّرِيفُ
এবং
سَيِّدُ الْأَعْدَادِ الشَّرِيْفِ
উনাদের সম্মানার্থে নব্বই দিনের বিশেষ মাহফিল, পঁয়তাল্লিশ দিন হচ্ছে ওয়াজ মাহফিল বা আলোচনার মজলিস। আর সেটি এখন চলমান, আজকেও আলোচনা করা হয়েছে হিজরত মোবারক সম্পর্কে, যেহেতু আজকে
سَيِّدُ الشُّهُورِ الشَّهْرُ الْأَعْظَمُ الشَّرِيفُ
পয়লা তারিখ।
এখন হিজরত মোবারক, নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ সাইয়্যুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হিজরত মোবারক করেছেন, যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে ওহী মোবারক করেছেন যে—
وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَىٰ ﴿٣﴾ إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَىٰ
ওহী মোবারক ছাড়া তিনি কোনো কথা বলেন না, কোনো কাজ করেন না, কোনো সম্মতিও প্রকাশ করেন না। সে ওহী মোবারকারের কারণেই তিনি হিজরত মোবারক করেছেন।
যেহেতু যিনি খালিক, যিনি মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক পূর্ব থেকেই সেটা নির্দিষ্ট, আর যেহেতু—
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক এরশাদ মোবারক করেন যে, উনার একেক সময়, একেক দিন, একেকটা শান মোবারক প্রকাশ করতেছে। একইভাবে নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ সাইয়্যুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও একেক সময় একেক শান মোবারক প্রকাশ করেছেন, করছেন এবং করতে থাকবেন। সুবহানাল্লাহ ওয়া রছূলিহি ওয়া আহলু বাইতিহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
যেটা আমরা বলেছি উনার যে নূরুল ইজহার মোবারক এবং নুরুত তাশরীফ মোবারক। নূরুল ইজহার মোবারক হচ্ছেন, সেই প্রথম যিনি খালিক, যিনি মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে যে ইজহার মোবারক করেছেন, সেটাই নূরুল ইজহার মোবারক। সেই নূরুল ইজহার মোবারকের কোনো তারিখ, সন, দিন, সময় কোনো নেই, এটা তখন কিছুই ছিল না। আর নুরুত তাশরীফ মোবারক, সেটা হচ্ছেন
সাইদু শূহুর শাহর আজম শরীফ, উনার সাইদু আল-আদাদ শরীফ, সাইদুল আল-আইয়্যাম শরীফ
যদি “সাইয়্যিদুল আদাদ শরীফ” বোঝান, তাহলে আরবি হবে—
سَيِّدُ الشُّهُورِ الشَّهْرُ الْأَعْظَمُ الشَّرِيفُ، سَيِّدُ الْأَعْدَادِ الشَّرِيفُ، سَيِّدُ الْأَيَّامِ الشَّرِيفُ
আর নুরুত তাশরীফ মোবারক। এবং পর্যায়ক্রমে যে বিষয়গুলি প্রকাশ করা, সেগুলি প্রকাশ করেছেন, নবুয়তে রেসালাত মোবারক প্রকাশ করেছেন, এরপর মেরাজ শরীফ উনার শান মোবারক প্রকাশ করেছেন, এরপরে হিজরত মোবারক উনার শান মোবারক প্রকাশ করেছেন।
এখন হিজরত মোবারক, এটা একটা স্বাভাবিক বিষয়, কোনো অস্বাভাবিক বিষয় না। যে নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ সাইয়্যুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে বিষয়গুলি করার কথা, সেই বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত, সেটাই যিনি খালিক, যিনি মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি সংঘটিত করেছেন।
এখন এই হিজরত মোবারক সম্পর্কে অনেকে অনেক --- লোক আছে। এই সমস্ত ---- লোক যেগুলো রয়েছে, এর অধিকাংশই হলো কুফরি আকিদা। যদি কেউ বলে যে, নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাফেরদের কারণে মক্কা শরীফ থেকে মদীনা শরীফ তাশরীফ নিয়েছেন, তাহলে কুফরি হবে। কারণ নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ সাইয়্যুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবীন হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি কোনো কাফেরদের কথায় চলেননি, কারো কথায় তিনি চলেননি এবং কারো বিষয়গুলি, কাউকে পরওয়া করেন না। একমাত্র যিনি খালিক, যিনি মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনারই আদেশ মোবারক অনুযায়ী তিনি সমস্ত আমল---গুলি করেছেন এবং এর মধ্যে উম্মতের ইবরত এবং নসিহত রয়েছে।
এবং কাফের মুশরেকদের কুফরি ষড়যন্ত্র সেটাও প্রকাশ করা হয়েছে যে, কাফেররা সবসময় চেয়ে থাকে দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতি করার জন্য, সেই বিষয়টি এখানে প্রকাশ পেয়েছে। আর নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ সাইয়্যুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবীন হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে দৃঢ়তা যে বিষয়টা, ইস্তেকামত সেটাও প্রকাশ পেয়েছে। যে নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ সাইয়্যুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবীন হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো প্রথমত হযরত সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু আনহুমকে যে হিজরত করতে বলেছেন, সেটা প্রথম ছিল হাবশাতে আবিসিনিয়া। আবিসিনিয়াতে সেটা পঞ্চম হিজরি, রেসালাত মোবারকের পঞ্চম বৎসর। এরপর পর্যায়ক্রমে পরবর্তীতে অনেক সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু উনারা আবিসিনিয়া থেকে আবার মক্কা শরীফে এসেছেন এবং পরবর্তী সময়ে এখান থেকে আবার মদীনা শরীফ গেছেন। আর নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ সাইয়্যুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবীন হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সরাসরি মদীনা শরীফ তাশরীফও নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ।
এখন এখানে অনেক অকেয়া সংঘটিত হয়েছে, আলোচনা করা হয়েছে এবং আমরা এগুলি আলোচনা করে থাকি, বিশেষ করে প্রথমত যেমন হযরত ইমামুল আউয়াল আলাইহিস সালাম উনার যে বিষয়টা, উনার যে দৃঢ়তা ইস্তেকামত যে নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন হিজরত মোবারকে যখন রওয়ানা মোবারক হবেন, তখন হযরত ইমামুল আউয়াল আলাইহিস সালাম উনাকে বললেন, উনার যে বিছানায় সেখানে অবস্থান করার জন্য। তিনি সেখানে অবস্থান করতে ছিলেন। কাফেরগুলি তো তাদের যে ষড়যন্ত্র সেটা, এই চক্রান্ত যেন তারা সকালবেলা এসে তারা এখানে কোনো একটা কিছু করবে।
কিন্তু দেখেন আসলে মূল বিষয় হচ্ছে, যখন হিজরত মোবারক পূর্বে তারা যে একটা মজলিস করেছিল, সেখানে আসলে মূল ছিল ইবলিস। ইবলিস এক শায়খ এর সুরুত নাম দিয়ে সে কাফেরদের মজলিসে উপস্থিত, এখনও সে হয়। ইহুদি ইহুদিদের মজলিসেও এখনও ইবলিস হাজির হয়। ইবলিস এদেরকে কু-পরামর্শ দেয়। এখন তারা যে পরামর্শ করেছিল যে, কিভাবে কি করবে, এইটা কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটা দিয়েছিল ইবলিস।
এবং নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবীন হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন হুযূরা শরীফ থেকে মদীনা শরীফ যাওয়ার জন্য প্রথমত আফযালুন নাস বাদাল আম্বিয়া সিদ্দীক আকবর উনার বাড়িতে তাশরীফ নিলেন, এখান থেকে বের হয়ে গেলেন, সেটা কিন্তু কেউ দেখেনি। ইবলিসও সেখানে ছিল, সেও দেখেনি। নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি যে নিক্ষেপ করেছিলেন ধূলাবলী, যার জন্য সমস্ত কাফেরগুলি এগুলি সব একে অন্ধের মতো হয়ে গেছে, দ্বিতীয়ত ----ঝিমুচ্ছিল যার কারণে তারা দেখতে পায় না, ইবলিসও একই অবস্থা হইছে। সেও কিন্তু সেখানে ছিল।
যখন নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বের হয়ে কিন্তু সরাসরি সাওর গুহায় তাশরীফ নিলেন, এদিকে এদের হুশ ফিরে আসলে ইবলিসের হুশ ফিরে আসল। তখন ইবলিস বুঝতে পারলো যে নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরত করে চলে গেছেন এখান থেকে। তখন ইবলিসই কিন্তু কুরাইশদেরকে বললো যে তোমরা এখানে দাঁড়াইয়া রইছো, উনি তো চলে গেছেন, খোঁজ নাও। যখন তারা আসলো, দেখলো সত্যি তো নেই। ওখানে বিছানায় ছিলেন ইমামুল আউয়াল আলাইহিস সালাম একটা চাদর মুড়ি দিয়ে। তারা চেষ্টা করলো উনার চাদর খোলার জন্য, তারা খুলতে পারেনি, অনেকক্ষণ পরে তিনি খুলেছেন। তো খোলার পর, যখন উনাকে দেখতে পেলো, ------ তারা বুঝতে পারলো।
এখন কিন্তু ইবলিসও সেটা বুঝতে পারেনি এবং জানতে পারেনি উনি কোথায় তাশরীফ নিয়েছেন। তো পর্যায়ক্রমে সেখান থেকে সেই মদীনা শরীফ তাশরীফ নিয়েছেন। এখন এখানে একটা বিষয় সেটা হলো হযরত ইমামুল আউয়াল আলাইহিস সালাম তিনি যখন অবস্থানও করেছেন, কাফেরেরা কিন্তু এসে ইচ্ছা করলে সরাসরি সেখানে তরবারি দ্বারা আঘাত করতে পারতো।
কিন্তু এই জিনিসটা হযরত ইমামুল আউয়াল আলাইহিস সালাম উনি কিন্তু কোনো পরাওয়া করেননি। আবার আরেকটা বিষয় এখানে রয়ে গেছে যে নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে বলেছেন, বলেছিলেন যে, আপনি আমার কাছে যে আমানতগুলি রয়েছে, এগুলি আপনি তিনদিনের মধ্যে দিয়ে এরপর আপনিও হিজরত মোবারক করবেন।