সর্বোচ্চ হাক্বীক্বী কামিয়াবী এবং রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার সর্বশ্রেষ্ঠ মাধ্যম মুবারক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ (৯)
¯^য়ং যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থে দায়িমীভাবে অনন্তকালব্যাপী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করে যাচ্ছেন, তাই সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরয হচ্ছেন সেই অনুসরণে অনন্তকালব্যাপী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা
যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
كُنْتُ كَنْزًا مَّـخْفِيًّا فَاَحْبَبْتُ اَنْ اُعْرَفَ فَخَلَقْتُ الْـخَلْقَ لِاُعْرَفَ
অর্থ: “আমি পুশীদাহ& ছিলাম| যখন আমার মুহব্বত হলো যে, আমি প্রকাশ পাই, তখন আমি আমার পরিচয় লাভের জন্য অত্যন্ত মুহব্বত মুবারক করে আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সৃষ্টি মুবারক করি|” সুবহানাল্লাহ! (তাফসীরে রূহুল মা‘আনী ৭/৪৫৩, ১৪/২৫, আত তাফসীরুল ওয়াসীত্ব ৯/১১১০, তাফসীরে রূহুল বায়ান ৯/১৭৮, মিরক্বাত শরীফ ৩৭/২৪ ইত্যাদি)
মূলত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাক্বীক্বী পরিচয় মুবারক কায়িনাতের মাঝে প্রকাশ করেছেন| সুবহানাল্লাহ!