✴️অন্যত্র ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْحَيَاءُ مِنَ الْإِيْمَانِ وَالْإِيْمَانُ فِي الْجَنَّةِ وَالْبَذَاءُ مِنَ الْجَفَاءِ وَالْجَفَاءُ فِي النَّارِ . (رواه احمد والترمذى)
হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, লজ্জাশীলতা ঈমানের অঙ্গ। আর ঈমানের স্থান জান্নাতে। আর নির্লজ্জতা হলো দুশ্চরিত্রের অঙ্গ। আর দুশ্চরিত্রের স্থান জাহান্নামে। [আহমাদ শরীফ ও তিরমিযী শরীফ]
যাদের লজ্জা আছে তারাই উত্তম চরিত্রের অধিকারী।
লজ্জার মন্দ দিক হলো, লজ্জা করে নেক কাজ করা থেকে বিরত থাকা। যেমন- বোরকা পরিধান করতে লজ্জাবোধ করা, সুন্নতি পোশাক পরিধান করতে লজ্জাবোধ করা, দাড়ি রাখতে লজ্জাবোধ করা, অন্যের কাছ থেকে যাকাত সংগ্রহ করতে লজ্জাবোধ করা, ইলম শিখতে লজ্জাবোধ করা, তা'লীম-তালক্বীন দান করতে লজ্জাবোধ করা; এগুলো লজ্জার মন্দ দিক।
আর লজ্জার ভালো দিক হলো, নেক কাজ করা। কারো যদি লজ্জা থাকে তাহলে সে নেক কাজ করবে। কেননা নেক কাজ না করাই লজ্জার কারণ। যদি নেক কাজ করা না হয় তাহলে সে মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে কিভাবে মুখ দেখাবে? তাই লজ্জায় ও ভয়ে গুনাহর কাজ করা থেকে বিরত থাকবে, বেশি বেশি নেক কাজ করবে। লজ্জাশীলতা এভাবেই মানুষকে নেক কাজের দিকে ধাবিত করবে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন উনার ইবাদত-বন্দেগী করার জন্য। আর ইলম অর্জন না করলে ইবাদত-বন্দেগী করা যাবে না।
তাই ইলম অর্জনের ক্ষেত্রে লজ্জা করা যাবে না। কেউ যদি এরূপ করে তাহলে ইলম অর্জন না করাই তার জন্য লজ্জার কারণ হবে। এক্ষেত্রে প্রকৃত লজ্জাশীলতার লক্ষণ হবে, ইলম অর্জন করে সে অনুযায়ী আমলের কোশেশ করা।