✴️পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حُذَيْفَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَكُوْنُوْا اِمَّعَةً تَقُوْلُوْنَ إِنْ أَحْسَنَ النَّاسُ أَحْسَنًا وَإِنْ ظَلَمُوا ظَلَمْنَا وَلَكِنْ وَطِنُوْا أَنْفُسَكُمْ إِنْ أَحْسَنَ النَّاسُ أَنْ تُحْسِنُوا وَإِنْ أَسَاءُوا فَلَا تَظْلِمُوا. (رواه الترمذي)
হযরত হুযায়ফা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা অপরের অনুসরণকারী হয়ো না যে, তোমরা বলবে, লোকে ভালো ব্যবহার করলে আমরাও ভালো ব্যবহার করবো। আর যদি তারা অত্যাচার করে তবে আমরাও অত্যাচার করবো। বরং তোমাদের অন্তরে এ কথা স্থির করে নাও যে, যদি মানুষ ভালো ব্যবহার করে তোমরাও ভালো ব্যবহার করবে। আর যদি তারা মন্দ ব্যবহার করে, তবে তোমরা অবিচার করবে না।
[তিরমিযী শরীফ]
মূলত ভাল ব্যবহারের বদলে ভাল ব্যবহার করা সহজ। আর কারো খারাপ ব্যবহারের বদলে তার সাথে ভাল ব্যবহার করা কঠিন হলেও তাতে বান্দার জন্য কল্যাণ নিহিত রয়েছে। এই পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে বুঝা যায় যে, প্রকৃত ভালো ব্যবহার হচ্ছে, কেউ মন্দ ব্যবহার করলেও এর বিপরীতে তার সাথে ভালো ব্যবহার করা।
জানা আবশ্যক, চরিত্রকে উত্তমভাবে গড়ে তুলতে হলে ক্বলবী যিকিরের মাধ্যমে বদ স্বভাবগুলো অন্তর থেকে বের করে দিতে হবে। যখন দশ লতিফার যিকির করা হবে, তখন অন্তর থেকে ধীরে ধীরে বদ স্বভাবগুলো দূর হয়ে নেক স্বভাব পয়দা হবে অর্থাৎ স্বভাব-চরিত্র উত্তম হবে। যিকিরের আরো অনেক সবক আছে কিন্তু এটা হচ্ছে প্রাথমিক সবক। তাই দশ লতিফার যিকির জারী করা প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে উত্তম চরিত্রের অধিকারী হওয়ার তাওফীক্ব দান করেন। (আমীন)