মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারকই সবচেয়ে বড়।” সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হাক্বীক্বীভাবে পালন করা হলো সন্তুষ্টিপূর্ণ সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম আমল মুবারক। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ শুধু একটি বরকতময় আমলই নয় বরং এটা হলো নাজাতের সনদপত্র অর্থাৎ চূড়ান্ত কামিয়াবীর দলীল। সুবহানাল্লাহ! যা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত।
তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- যথাযথ তা’যীম-তাকরীমের সাথে পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা এবং উনার সার্বিক খিদমতের আঞ্জাম দেয়া।
, ২৬ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১১ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ১০ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ২৬ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হাক্বীক্বীভাবে পালন করা হলো সন্তুষ্টিপূর্ণ সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম আমল মুবারক। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ শুধু একটি বরকতময় আমলই নয় বরং এটা হলো নাজাতের সনদপত্র অর্থাৎ চূড়ান্ত কামিয়াবীর দলীল। সুবহানাল্লাহ! যা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত।
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, সন্তুষ্টি মুবারক অর্জন করতে চায় না এমন জ্বীন ইনসান খুজে পাওয়া দুষ্কর। কেউ অন্তর থেকে বলুক বা বাহ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলুক সকলেই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক চান। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারকই সবচেয়ে বড়।” তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন- “যদি তারা মু’মিন হয়ে থাকে, তবে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো তারা যেনো মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে সন্তুষ্ট মুবারক করে। কেননা উনারাই সন্তুষ্টি মুবারক পাওয়ার সমধিক হক্বদার।” সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, অনেকেরই অজানা রয়েছে যে, কোন আমলটি করলে উনারা অনেক সন্তুষ্ট হবেন? কোন আমল করলে উনারা খুশি হবেন? সন্তুষ্টিপূর্ণ আমল কোনটি? এককথায় বলা যায় যে, আমল করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা খুশি হবেন এবং সন্তুষ্টি হবেন সেটা হলো খুশি মুবারক প্রকাশ করা। যা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- আয় আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহ ও রহমত অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে খুশি মুবারক প্রকাশ করো। এই খুশি প্রকাশ করা হচ্ছে সব কিছুর চাইতে উত্তম তথা সর্বোত্তম ইবাদত। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, উক্ত সন্তুষ্টিপূর্ণ পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ শুধু একটি বরকতময় আমলই নয় বরং এটা হলো নাজাতের সনদপত্র অর্থাৎ চূড়ান্ত কামিয়াবীর দলীল। দুনিয়াবী জীবনে অনেক কিছুরই সনদ তথা প্রমাণ লাগে। কিন্তু আখিরাতের জিন্দেগীতে কি সনদ বা নাজাতের দলীল লাগবে না? অবশ্যই প্রয়োজন হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, দুনিয়াতে কত রকম সনদই তো আছে। ডাক্তারী সনদ, ইঞ্জিনিয়ারীং সনদ, চারিত্রিক সনদ, স্কলারশিপ তথা খুদ-কুড়া শিপের সনদ- এমনকি মৃত্যু সনদও। এই রকম হাজারো সনদের জন্য মানুষ যারপর নাই ব্যাতিব্যস্ত। একটা ৬০ বছরের যিন্দেগীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই কেটে যায় এরুপ একটা দুনিয়াবী সনদের পিছনে দৌড়াতে। এই সনদকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, দূর্নীতি, হত্যা, লুন্ঠণসহ অনেক পাপাচার সংঘটিত হয়। এতকিছুর পরও কখনো এই সনদ অকেজোও হয়ে যায় অর্থাৎ তাতে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা সম্ভব হয় না। কিন্তু একজন মুসলমান হিসেবে এটাই কি আমাদের আদর্শ হওয়া উচিত ছিল যে, আমরা দুনিয়ার এসব সনদের পেছনে দৌড়াবো? কখনোই না। আমাদের যেহেতু ইন্তেকাল করতে হবেই সেক্ষেত্রে নাযাতের সার্টিফিকেটই বেশী জরুরী।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, কায়িনাতবাসীকে পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ নামে এমন একটি পবিত্র আমল ও ইবাদত মুবারক হাদিয়া করা হয়েছে, যা পালন করলে নাজাতের সনদ প্রস্তুত হয়ে থাকবে। এই মহাসম্মানিত পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, পবিত্র ঈদে মীলাদে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে মাত্র এক দিরহাম খরচ করার প্রতিদান হচ্ছে নিশ্চিতরূপে জান্নাত লাভ করা। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, কাজেই পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ শুধু একটি বরকতময় আমলই নয় বরং এটা হলো নাজাতের সনদ তথা চুড়ান্ত কামিয়াবীর দলীল। যা সকলের জন্যই ইহকাল ও পরকালে নিশ্চিত নাজাত লাভের কারণ হবে। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- যথাযথ তা’যীম-তাকরীমের সাথে অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা এবং উনার মাঝে সার্বিক খিদমতের আঞ্জাম দেয়া।