মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা বাক্বারা শরীফের ৪৩, ৮৩, ১১০ নং আয়াত শরীফসহ পবিত্র কুরআন শরীফ-এর আরো কয়েক স্থানে ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা নামায কায়েম করো।
প্রাণহীন নামায মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মূল্যহীন।
প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার স্মরণে হাক্বীক্বীভাবে তথা ইখলাছের সাথে নামায আদায় করা এবং উক্ত নামায দ্বারা সমস্ত গুনাহর কাজ থেকে বেঁচে থাকা।
, ২০ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৫ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৪ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ২০ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
প্রাণহীন নামায মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মূল্যহীন।
ছাহবিাতু সাইয়্যদিলি আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যদিাতু নসিায়লি আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহবিায়ে নয়োমত, রহমাতুল্ললি আলামীন, আহলু বাইতি রসূলল্লিাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়মি মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মনিীন আলাইহন্নিাস সালাম, সাইয়্যদিাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তনিি বলনে, মহান আল্লাহ পাক তনিি সূরা বাক্বারা শরীফরে ৪৩, ৮৩, ১১০ নং আয়াত শরীফসহ পবত্রি কুরআন শরীফ-এর আরো কয়কে স্থানে ইরশাদ মুবারক করনে, তোমরা নামায কায়মে করো। নামায সম্মানতি শরীয়ত উনার অন্যতম এক ফরয আমল, যা মানুষকে ফাহশো, হারাম, নাজায়যি ও নাফরমানীমূলক কাজ থকেে বরিত রাখ।ে এ বষিয়ে মহান আল্লাহ পাক তনিি ইরশাদ মুবারক করনে, নশ্চিয়ই নামায মানুষকে ফাহশো এবং নষিদ্ধি কাজ থকেে বরিত রাখ।ে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার যকিরিই সবচযে়ে বড়। তোমরা যা করো মহান আল্লাহ পাক তনিি জাননে। সুবহানাল্লাহ! এই আয়াত শরীফ দ্বারা এই বষিয়টইি প্রতীয়মান হয়, যে ব্যক্তি নামায আদায় করবে তার নামায তাকে সমস্ত গুনাহর কাজ থকেে বরিত রাখব।ে এখন দখো যায়, মানুষ নামায পড়ে আবার গুনাহর কাজও করে থাক।ে কারণ নামায সঠকিভাবে আদায় হয় না, তাই নামায দ্বারা ফায়দা লাভ করতে পারে না র্অথাৎ যসেব গুনাহর কাজ থকেে বঁেচে থাকার কথা ছলি, সসেব গুনাহর কাজ থকেে বঁেচে থাকতে পারছে না। সুতরাং নামায কভিাবে আদায় করলে তা সঠকিভাবে আদায় হবে তা জানা জরুরী।

সাইয়্যদিাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তনিি বলনে, মহান আল্লাহ পাক তনিি ইরশাদ মুবারক করনে, আমার স্মরণইে নামায ক্বায়মে করো। র্অথাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার স্মরণে নামায আদায় করতে হব,ে নামাযে দাঁড়যি়ে দুনযি়াবী বষিয় বা গাইরুল্লাহর স্মরণে মশগুল থাকলে নামায সঠকিভাবে আদায় হবে না। যহেতেু নামাযে দাঁড়যি়ে মহান আল্লাহ পাক উনার স্মরণে থাকা হয় না তাই নামায সঠকিভাবে আদায় হয় না। নামাযে দাঁড়ানো অবস্থায় গাইরুল্লাহর ফকিরি অন্তরে কনে আসে এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তনিি ইরশাদ মুবারক করনে, যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার যকিরি থকেে গাফলি থাকে তার জন্য আমি একটি শয়তান নর্ধিারণ করে দইে। অতঃপর সে (শয়তান) তার সঙ্গী হয়ে যায়। নশ্চিয়ই তারা (সঙ্গী শয়তানরা) তাদরেকে (গাফলি ব্যক্তদিরেক)ে মহান আল্লাহ পাক উনার পথে অবশ্যই বাধা দবিে বা তাদরেকে মহান আল্লাহ পাক উনার পথ থকেে ফরিযি়ে রাখব।ে আর (মহান আল্লাহ পাক উনার পথ থকেে সরে গযি়)ে তারা মনে করে তারা হদিায়তেপ্রাপ্ত। নাঊযুবল্লিাহ!

সাইয়্যদিাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তনিি বলনে, মহান আল্লাহ পাক তনিি আরো ইরশাদ মুবারক করনে, শয়তান যার সঙ্গী হয়, সে হয় নকিৃষ্ট সঙ্গী। যারা মহান আল্লাহ পাক উনার যকিরি থকেে গাফলি থাকে শয়তান তাদরে সঙ্গী হয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার আদশে-নষিধে মুবারক পালন করা থকেে গাফলি করে রাখ।ে এমতাবস্থায় তারা মনে করে যে তারা সঠকি পথইে আছে এবং সঠকি কাজই করে যাচ্ছ।ে এই নকিৃষ্ট সঙ্গী শয়তানরে ওয়াসওয়াসার কারণইে মহান আল্লাহ পাক উনার স্মরণে নামায আদায় করা বান্দাদরে পক্ষে সম্ভব হয় না। ফলশ্রুততিে তাদরে নামায হয় প্রাণহীন। আর প্রাণহীন নামায মহান আল্লাহ পাক তনিি কবুল করনে না। যমেনভিাবে মানুষরে দহেে প্রাণ না থাকলে সে মানুষটরি কোনো ক্বদর বা মূল্য থাকনো, তমেনই প্রাণহীন নামায মহান আল্লাহ পাক উনার নকিট মূল্যহীন হওয়ার কারণে তা কবুল হয় না এবং এর দ্বারা গুনাহর কাজ থকেে বঁেচে থাকা সম্ভব হয় না। তাই জানা আবশ্যক য,ে কার নামাযে প্রাণ রয়ছে।ে

সাইয়্যদিাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তনিি বলনে, মূলকথা হলো- প্রাণহীন নামায মহান আল্লাহ পাক উনার নকিট মূল্যহীন। প্রত্যকে মুসলমানরে দায়ত্বি-র্কতব্য হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার স্মরণে হাক্বীক্বীভাবে তথা ইখলাছরে সাথে নামায আদায় করা এবং উক্ত নামায দ্বারা সমস্ত গুনাহর কাজ থকেে বঁেচে থাকা।