✴️✴️✴️হযরত খাজা সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সুন্নত পালনের দৃষ্টান্ত
=====================================
সুলতানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ্, হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বয়স মুবারক যখন ৯০ বছর, তখন তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশেষ সাক্ষাত মুবারক লাভ করলেন। যদিও আল্লাহওয়ালাগণ সর্বদাই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাক্ষাত মুবারক লাভ করে থাকেন। যখন বিশেষ মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মুরসালীন, নূরে মুজা মুঈনুদ্দীন (দ্বীনের সাহায্যকারী)। আপনি তো সত্যিই আমার দ্বীনের উনাকোরা, আপনি আমার বিশেষ সকল মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারকই পালন করলেন, সাহায্যকাট বিশেষ মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক এখনো বাকী রয়ে গেল কেন?” হযরত জানো সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পরক্ষণে চিন্তা করে বুঝতে পারলেন যে, মহান আল্লাহ্ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে দ্বীনের খিদমতে ব্যস্ত থাকার কারণে তখনো বিশেষ সুন্নত মুবারক বিবাহ করেননি। আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে:-
অর্থ: "হযরত উম্মুল মু'মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিকাহ বা বিবাহ করা আমার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। তাই, যে ব্যক্তি আমার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক (বিবাহ করা) থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল অর্থাৎ অস্বীকার করলো সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।"(ইবনে মাজাহ শরীফ)