‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ নাম মুবারক উনার খুছূছিয়াত মুবারক এবং সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও জাদ্দাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বেমেছাল ফযীলত মুবারক উনার বহিঃপ্রকাশ (৩)
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত শান মুবারক—এ ইরশাদ মুবারক করেন,
اَسْرٰى بِعَبْدِهٖ لَيْلًا.
অর্থ: “(মহান আল্লাহ পাক) তিনি উনার আব্দ অর্থাৎ হাবীব (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনাকে রাতের সামান্য সময়ের মধ্যে ইসরা অর্থাৎ ভ্রমণ করিয়েছেন।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা বানী ইসরাঈল শরীফ : সম্মানিত আয়াত শরীফ ১)
আর এখান থেকে এই বিষয়টিও অত্যন্ত সুস্পষ্ট যে, মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং জাদ্দাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাত্বিমাহ বিনতে ‘আমর আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের বেমেছাল সম্মানিত তায়াল্লুক—নিসবত মুবারক থাকার কারণেই উনাদের পক্ষে সম্ভব হয়েছে, উনাদের মহাসম্মানিত আওলাদ আলাইহিস সালাম উনার ‘আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম’ সম্মানিত ও পবিত্র ইসম বা নাম মুবারক রাখা। সুবহানাল্লাহ!